পারিবারিক কারণে গত কয়েক মাস বিদেশে সময় কেটেছে আমার। সেখানে বিভিন্ন উপলক্ষে আত্মীয়-স্বজন, প্রবাসী বাঙালি ও বন্ধু-বান্ধবের সঙ্গে দেখা হয়। বাংলাদেশ থেকে সদ্য আগত জানতে পারলে দেশ সম্পর্কে নানা প্রশ্ন করেন অনেকেই। এবারও তার ব্যতিক্রম হল না। তবে ব্যতিক্রম যেটা লক্ষ্য করলাম তা হল প্রশ্নের ধরনে। তাদের একটি প্রায় অভিন্ন প্রশ্ন- অবশেষে ডিসেম্বরে নির্বাচন হবে তো? হলে, এতকিছুর পর রাজনীতি আগের ধাতে ফিরে যাবে না তো?
একদিকে প্রধান উপদেষ্টা, সেনাপ্রধান ও প্রধান নির্বাচন কমিশনারের বারবার উচ্চারিত অঙ্গীকার, অন্যদিকে রাজনৈতিক দল ও জোটগুলোর অবিলম্বে নির্বাচনের দাবির কথা উল্লেখ করে ডিসেম্বরের মধ্যে অবশ্যই নির্বাচন হবে বলে প্রশ্নের প্রথম অংশের এবং রাজনৈতিক দলের এবারের কঠিন অভিজ্ঞতা ও দলের নিবন্ধনসহ নির্বাচনী আইনের উল্লেখযোগ্য পরিবর্তনের পরিপ্রেক্ষিতে নির্বাচনোত্তর রাজনীতিতে অবশ্যই ইতিবাচক পরিবর্তন সাধিত হওয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করে প্রশ্নের দ্বিতীয়াংশের উত্তর দিতে সচেষ্ট হই। তবে কিছুদিন আগে দেশে ফেরার প্রাক্কালে এক নিমন্ত্রণে যে প্রশ্নের সম্মুখীন হই তার উত্তর সত্যিই কঠিন। তাদের বক্তব্যের মূল কথা হল, যেভাবে চিহ্নিত সন্ত্রাসী ও দুর্নীতিবাজরা জেল থেকে বেরিয়ে আসছে তাতে দুর্নীতির বিরুদ্ধে অভিযান কি ভেস্তে গেল? কতিপয় দল সরকারকে যেসব শর্ত দিচ্ছে বা আগাম দোষারোপ করছে তাতে সব দলের অংশগ্রহণে নির্বাচন হবে কিনা, আর হলে পরাজিতরা ফলাফল মানবে কিনা। তাই তাদের প্রশ্ন- তাহলে সকলই কি গরল ভেল? আমি আমতা আমতা করে, ‘না, তা হতে যাবে কেন?’ বলতেই দেখি আমাদের এক পুরনো বন্ধু (বচনে অপ্রতিরোধ্য ও বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের অধিবাসী) শুধু প্রশ্নটি নয়, পুরো আলোচনার টুঁটি ধরে বলতে শুরু করলেন- অবশ্যই সকলই গরল ভেল। সেনাসমর্থিত অন্তর্বর্তীকালীন সরকার নিজেদের উদ্যোগে হোক আর দাতা সংস্থা বা ত্রাতা দেশের পরামর্শেই হোক দেশের রাজনীতি ও অন্যান্য ক্ষেত্রে পরিবর্তনের জন্য যা করেছে তাতে আদৌ ফল হবে না। দেশ যে তিমিরে আছে অন্তত সে তিমিরেই, সম্ভবত আরও প্রগাঢ় তিমিরে ফিরে যাবে। নির্বাচনে পরাজয় মেনে নেয়া সম্পর্কে তার মতামত- পুরনো অভ্যাস সহজে বদলায় না। অন্যান্যবার নির্বাচনের পর ষড়যন্ত্র ও কারচুপির অভিযোগ করেছে পরাজিত দল। এবার তো নির্বাচনের আগেই সেটা উত্থাপিত হয়েছে। দুর্নীতি ও সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান সম্পর্কে তার বক্তব্য- তাড়াহুড়োয় অভিযোগ গঠন ও জরুরি আইনে মামলা দায়ের না করে চুলচেরা বিচার ও অকাট্য সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে প্রকৃত অপরাধীদের বিরুদ্ধে সাধারণ আদালতে মামলা করলে আজ হোক, কাল হোক সত্যিকার বিচার হতোই। কেননা, নির্বাচনে যে দল বা জোটই বিজয় লাভ করত বিদ্যমান রাজনৈতিক কৃষ্টি অনুযায়ী তারা নির্ধারিতভাবে তাদের প্রতিপক্ষের অপরাধীদের মামলাগুলো পরিচালনা করে শাস্তির ব্যবস্থা করত এবং পরবর্তীকালে সরকার পরিবর্তন হলে অনুরূপভাবে বাকিদেরও শাস্তির ব্যবস্থা হতো। বন্ধুটি বলে চলল এখন অপরাধীদের জামিনে মুক্তির স্রোত দেখে রেস্টুরেন্টের সেই ধরিবাজ খদ্দেরের ঘটনাই মনে পড়ে, তার পূর্ববর্তী ক্রেতা প্রদত্ত টাকার নোটের নম্বর কৌশলে টুকে নিয়ে সেটা তার দেয়া টাকা বলে হৈচৈ শুরু করে। এতে জড়ো হওয়া লোকজন যখন রেস্টুরেন্ট-ম্যানেজারের ক্যাশবাক্সে উল্লিখিত নম্বরযুক্ত টাকার প্রমাণ পেল তখন সেই ঠকবাজ খদ্দের ম্যানেজারের ছাতাটি হাতে নিয়ে চলে যেতে যেতে বলল, এবার বলুন ছাতাটিও আপনার?
গল্প শেষে সে বাজি ধরে বলল, আগামীতে সরকারি মালামাল লুণ্ঠনকারী ও দুর্নীতিবাজরা সেই রেস্টুরেন্টের খদ্দেরের মতো শুধু যে জেল-মামলা থেকে বেকসুর খালাস পাবে তা নয়, তারা সরকার থেকে জব্দকৃত মালামাল এবং ক্ষতিপূরণও আদায় করে ছাড়বে। এ পর্যায়ে তাকে নিরেট নৈরাশ্যবাদী বলে আসর থেকে প্রস্থান করলাম।
দেশে ফিরে রাজনীতির বর্তমান হালচাল দেখে প্রবাসীদের সেসব প্রশ্ন ও আমার সেই দেশান্তরী বন্ধুটির কথাগুলো আজ কেমন যেন বারবার মনে পড়ছে। প্রথমেই আসি নির্বাচনের প্রশ্নে। সেনাসমর্থিত অন্তর্বর্তীকালীন সরকার আমলের অধিকাংশকাল কেটেছে একটি সার্বজনীন প্রশ্ন নিয়ে- এ সরকার নির্বাচন দেবে কিনা, দিলে কবে নাগাদ? অবশেষে সরকার ঘোষণা করল ২০০৮ সালের ডিসেম্বরে হবে নির্বাচন। তারপর দাবি উঠলÑ নির্বাচনের তারিখ ও তফসিল ঘোষণা করার জন্য। রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলাপ-আলোচনার পর তাও ঘোষিত হল মাসাধিক কাল আগে। নির্বাচনের তারিখ নির্ধারিত হল ১৮ ডিসেম্বর। যদিও চারদলীয় জোট তার আগেই নির্বাচন দাবি করেছিল। তাদের কতিপয় দাবি পূরণ না হওয়ার অজুহাতে তারা ঘোষিত নির্বাচনের তারিখ ও তফসিল প্রত্যাখ্যান করল। এরই মধ্যে নির্বাচনের তারিখ ঠিক রেখে দু’বার তফসিলের পরিবর্তন করা হল। তারপর নির্বাচন কিছুদিন পেছানো যায় কিনা সে নিয়ে সরকার দুই জোটের সঙ্গে আলোচনা ও ছোটাছুটি করে পরে ঘোষণা দিল- না, নির্বাচন ১৮ ডিসেম্বরই হবে। পরে চারদলীয় জোট যখন ঘোষণা করল তারা প্রস্তাবিত ২৮ ডিসেম্বরে নির্বাচন হলে কিছু শর্ত পূরণ সাপেক্ষে তাতে অংশগ্রহণ করবে। আর তাতেই সরকার ও নির্বাচন কমিশন আলাপ-আলোচনা করে ২৯ ডিসেম্বর নির্বাচনের তারিখ ধার্য করে আবারও তফসিল পরিবর্তন করল। কিন্তু এত ছোটাছুটি ও তারিখ-তফসিল পরিবর্তনের পরও চারদলীয় জোটের পক্ষ থেকে স্পষ্ট করে বলা হয়নি যে তারা নির্ধারিত তারিখের নির্বাচনে অবশ্যই অংশগ্রহণ করবে। এদিকে ওই জোটের নেত্রী এখনও ভোটার হননি। ইতিমধ্যে পত্রপত্রিকার খবর অনুযায়ী জোটের একাধিক নেতা উল্লেখ করেছেন, তারা মনোনয়নপত্র নির্ধারিত তারিখে জমা দেবেন ঠিকই কিন্তু সরকার তাদের সব শর্ত পূরণ না করলে নির্ধারিত দিনে মনোনয়ন প্রত্যাহার করে নির্বাচন বর্জন করতে পারে। সে ক্ষেত্রে ধারণা করা যায়, তারা কারণ হিসেবে সরকার কর্তৃক শর্তগুলো পূরণ না করাসহ তাদের খাতিরে নতুন দুটি যুক্তি দেখাতে পারে। একটি হচ্ছে তারা ঘোষণা করেছিল, ২৮ ডিসেম্বর নির্বাচন হলে তারা তাতে অংশগ্রহণ করবে কিন্তু ২৯ ডিসেম্বরের কথা তো ঘোষণায় ছিল না। তাছাড়া ভোটার না হওয়ার কারণে যদি চারদলীয় নেত্রী নির্বাচনে (ভোটার নিবন্ধন অফিসগুলোর কাজ সরকারিভাবে বন্ধ হয়ে যাওয়ার একমাস পরও চারদলীয় জোটনেত্রীর জন্য তা খোলা রাখা সত্ত্বেও তিনি এখন পর্যন্ত ভোটার হননি বলে খবরে প্রকাশ) অংশগ্রহণ করতে না পারেন তা হলে চারদলীয় জোট কি করে নির্বাচন করবে। উল্লেখ্য, নির্বাচনের বিষয়ে ১৪ দল চার দলের মতো চাপ না দিলেও তাদেরও কিছু অনুরূপ শর্ত রয়েছে। এখন প্রশ্ন হল- নির্বাচনের অব্যবহিত আগে জরুরি অবস্থা উঠে গেলে দলগুলোর চাপে নির্বাচনের তারিখ আবারও কি পরিবর্তন হবে? এখানে এর চেয়েও গভীরতর একটি অনুবর্তী প্রশ্ন স্বাভাবিকভাবেই চলে আসে- একটি অরাজনৈতিক সরকারের আমলে ব্যাপকভাবে স্বীকৃত একটি নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশনের অধীনে এবং জরুরি আইন জারি থাকা অবস্থায় যদি নির্বাচন অনুষ্ঠান সম্পর্কে এহেন অনিশ্চয়তা দেখা দেয় তাহলে দেশবাসী রাজনীতি ও অন্যান্য ক্ষেত্রে যে ইতিবাচক পরিবর্তন আশা করেছিল তা কি শুধু কুহেলিকা? এ প্রসঙ্গে সংক্ষেপে আরও দুটি বিষয় উল্লেখ করে নির্বাচনের বিষয়ে ফিরে আসব।
দুর্নীতি ও সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান বহুদিন থেকেই শুধু যে স্তিমিত হয়ে গেছে তা নয়, জরুরি অবস্থার অধীনে মামলা রুজু, ক্ষেত্র বিশেষে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ প্রণয়নের আগে দৃশ্যত রাজনৈতিক কারণে গ্রেফতার অথবা দুর্বল ভিত্তির ওপর মামলা দায়েরের জন্য জরুরি অবস্থা প্রত্যাহারের আগেই গ্রেফতারকৃত অনেকের সঙ্গেই প্রকৃত অপরাধী এবং চিহ্নিত সন্ত্রাসীও জেল থেকে বেরিয়ে আসছে। অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছে, ভবিষ্যতে অনেকেই সরকারের বিরুদ্ধে অহেতুক হয়রানি ও মানহানির মামলা করে ক্ষতিপূরণ দাবি করতে পারবে। অন্য কথায় অভিযানটিই ভেস্তে যেতে বসেছে। অন্যদিকে নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগ পৃথক করে সরকার প্রশংসা কুড়িয়েছে বটে কিন্তু নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কাজে বিচার বিভাগীয় ম্যাজিস্ট্রেটদের পরিবর্তে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের ক্ষমতা প্রদানসহ কয়েকটি কারণে নিু আদালত আশানুরূপভাবে স্বাধীনতা ভোগ করতে পারছেন না বলে ধারণা করা যায়। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের শাসনের প্রথমদিকে জরুরি আইনে গ্রেফতারকৃতদের প্রায় সবার ক্ষেত্রেই জামিন না মঞ্জুর এবং পরবর্তী সময়ে প্রায় সবাইকেই জামিনে মুক্তিদানে উচ্চ আদালতের সিদ্ধান্ত সরকারি মনোভাবের প্রত্যক্ষ প্রতিফলন বলে অনেকে ধারণা করেন।
এবার ফিরে যাওয়া যাক নির্বাচন নিয়ে সেই আলো ছায়ার ‘লুকোচুরি’ খেলায়। নির্ধারিত অমুক তারিখে নির্বাচন হবে কিনা, পরিবর্তিত অমুক তারিখেও তফসিল অনুযায়ী অমুক দল বা জোট নির্বাচন করতে রাজি আছে কিনা? শর্তগুলো পূরণ না করলে সব দলের অংশগ্রহণে নির্বাচন হওয়ার সম্ভাবনা আছে কিনা। নাকি সে উদ্দেশ্যে আবার তারিখ পরিবর্তন করতে হবে, অন্যদিকে অমুক ভোটার হলেন কিনা, না হলে কি হবে, এসব দ্বিধাদ্বন্দ্ব সরকার ও নির্বাচন কমিশনের দোদুল্যমানতা সারা জাতিকে আজ এক অনিশ্চয়তার মধ্যে ঝুলিয়ে রেখেছে। এ নির্বাচনী নাগর দোলায় রাজনৈতিক দল বাজেট, নির্বাচন কমিশন ও সরকার- এ তিন আরোহী ছাড়া কি অন্য কোন পক্ষ নেই? তারা কি একবারও ভাবেননি আট কোটি ভোটার তথা নির্বাচকমণ্ডলী বা জাতির কথা? বারবার পরিবর্তনের পালায় তারা কি কখনও বিবেচনায় এসেছে, তাদের সঙ্গে আলোচনা বা তাদের মতামত নেয়ার কথা ভেবেছি কি কেউ? এখানে উল্লেখ করা প্রয়োজন যে, পাকিস্তান আমলের ১৯৭০ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত এ দেশে অনুষ্ঠিত জাতীয় পর্যায়ের কোন নির্বাচনেই নির্বাচনের তারিখ ও তফসিলে এমনতর পরিবর্তন সংঘটিত হয়নি এবং ১৯৭০ ও ১৯৭৯ সালের পার্লামেন্ট নির্বাচন এবং ১৯৮১ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন সামরিক আইনের অধীনে ও সব দলের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। তথাকথিত ওয়ান-ইলেভেনের পর রাজনীতি ও শাসন ব্যবস্থাসহ সর্বক্ষেত্রে নিয়মনীতি, শান্তি-শৃংখলা প্রতিষ্ঠা করার অঙ্গীকার নিয়ে যে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আবির্ভাব ঘটেছিল তার কাছে জনগণ কোনরূপ বাধা-বিপত্তি ছাড়া জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে একাধিকবার প্রতিশ্র“ত ১৮ ডিসেম্বর ২০০৮-এর নির্বাচনটি যথারীতি অনুষ্ঠিত হবে বলে বড় আশা করেছিল। কিন্তু পরিহাসের কথা এইÑ কতিপয় রাজনৈতিক দল বিশেষ করে একটি জোটের ওজর-আপত্তি, দাবি ও আবদারের কাছে নতিস্বীকার করে সরকার নির্বাচনের ব্যাপারে বারবার হোঁচট খাচ্ছে। এতে সরকার ও নির্বাচন কমিশনের ওপর জনগণের আস্থা লোপ পাচ্ছে এবং নির্বাচন ও গণতন্ত্রের ভবিষ্যৎ নিয়ে সর্বত্র ক্রমবর্ধমানভাবে সংশয়ের সৃষ্টি হচ্ছে। দাবি না মানলে নির্বাচন বর্জন করা হবে মর্মে জোটটির অব্যাহত হুমকি সে সংশয়কে আরও ঘনীভূত করছে।
সবকিছু মিলিয়ে আজ প্রবাসী বন্ধুদের সেই প্রশ্নটিই মনে ঘুরপাক খাচ্ছে- ‘তা হলে সকলই কি গরল ভেল?’ কখনও ভয় হয় নাকি আমরা ওয়ান-ইলেভেনের পূর্বাবস্থার চেয়েও খারাপের দিকে এগিয়ে যাচ্ছি। অবশ্য তখন জনগণ একতরফা একটি নির্বাচন বাতিল হওয়ায় সংঘাতময় অবস্থা থেকে নিষ্কৃতি পেয়েছিল আর এখন তারা একটি শান্তিপূর্ণ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে বিদ্যমান গুমট পরিস্থিতি থেকে পরিত্রাণ কামনা করে।
আমরা অদম্য আশাবাদী। তাই আমাদের দৃঢ় বিশ্বাস সব বাধা অতিক্রম করে, সব জটিলতার অবসান ঘটিয়ে, ব্যক্তি, দল, গোষ্ঠী বা জোট বিশেষের অন্যায় চাপ অথবা খেয়ালখুশি উপেক্ষা করে নির্বাচন কমিশন ও সরকার তাদের অভীষ্ট লক্ষ্যে অটল থেকে ২৯ ডিসেম্বর দেশকে একটি সুষ্ঠু নির্বাচন উপহার দেবে এবং আগামীদিনে জাতি, গণতন্ত্র ও সুশাসনের মহাসড়কে তাদের অগ্রযাত্রা সুসংহত করবে।
Comments
sajeb.wazed
apni to nam chor. amra politics buji na khali tui bujos! mujib to tor nana. tui ershad ershad koira moros kan ? tor ma khaleda jokhon ershad re 4 dol-e nichilo tokhon koi chili?
tui tor mar onno futa dia hoichos ! ta na hole ei rokom nam kamne dhorli ?
jalam and banglar gan
Boss, apnara ki politics bujen , naki rajakar rajakar koira mukher fena tuila pogar par?
Ershad ek loiya hasinar kut chal ki khub valo?
Rajakar der ke khoma korsilo? tui na tor bap na Mujib?
Rajakar der sathe ke 1996 e chukti korsilo?BNP na pagla Hasina?
betra sob money monger, stupid,
Jamal19870
Thank you for your nice comments. Those rajakars know the history but they think that they have bought the country forever with 220 seats.
Char dol = chor dol
------------
Manush oto boka na
Ar koto boka banabe manush ke . Joto mone koro ashole manush totota boka noy . 220 sit mane deshta khaleda ar tar cheleder kase manush bikri kore deynai . 220siter mane 500 jaygay voma , 220sit mane shadhin deshe rajakar montri , 220sit mane 5 bosore 80mw bidduth .220sit mane brishtir moto guli koro morle shohid ar basle gaji eta chara ar kisui na . Jodi etake apni mone koren thik tahole 220 ken pura 300e dia den .
আল আমীন চৌধুরী::কতিপয় রাজনৈতিক দল বিশেষ করে একটি জোটের...
কতিপয় রাজনৈতিক দল বিশেষ করে একটি জোটের ওজর-আপত্তি, দাবি ও আবদারের কাছে নতিস্বীকার করে সরকার নির্বাচনের ব্যাপারে বারবার হোঁচট খাচ্ছে। এতে সরকার ও নির্বাচন কমিশনের ওপর জনগণের আস্থা লোপ পাচ্ছে এবং নির্বাচন ও গণতন্ত্রের ভবিষ্যৎ নিয়ে সর্বত্র ক্রমবর্ধমানভাবে সংশয়ের সৃষ্টি হচ্ছে। দাবি না মানলে নির্বাচন বর্জন করা হবে মর্মে জোটটির অব্যাহত হুমকি সে সংশয়কে আরও ঘনীভূত করছে।------:::আল আমীন চৌধুরী
In 2001,in Last Parliament BNP won with 220 seat among 300.
What ever you stupid like or not, 220 seat is means there is not political party in Bangladesh except BNP.
So, if you think we must need to avoid and make a good plan to election excluding BNP,
it means :
you are with autocratic Ershad,
you are foreign money monger and criminal for Bangladesh who take bribe from foreign country.
you are involved in 28 th oct,2006 using logi-boita- to kill a lot of people in Bangladesh.
you are with Banagladesh awami league who now under conspiracy to make Bangladesh a state of india.
you want to make a religious conflict in Bangladesh inspired by Awami league.
to be continued................
sala ekta great luccha