বিপন্ন হয়ে পড়ছে স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব - ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী

বিগত ২৯ ডিসেম্বরের নির্বাচনের আগে দিন বদলের এক ঘোষণা দিয়ে চমক লাগিয়ে দিয়েছিল আওয়ামী লীগ। সেই ঘোষণার সঙ্গে এমনসব প্রতিশ্রক্ততি তার জনগণকে দিয়েছিল যেগুলো ছিল ঐ মুহূর্তে সাধারণ মানুষের কাছে সবচাইতে বেশি প্রয়োজনীয়। ২০০৭ সালের ১১ জানুয়ারি আওয়ামী লীগ সরকারে ডেকে আনা সংবিধান বহির্ভূত তত্ত্বাবধায়ক সরকার তাদের অপশাসনের মাধ্যমে দেশকে ধ্বংসের দ্বারপ্রাশ্চে নিয়ে এসেছে। নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের অসহনীয় মূল্যবৃহ্নি ঘটেছিল ঐ সরকারের আমলে। তারা হাট-বাজার, দোকান-পাট ও হকার উচ্ছেদের নামে কোটি মানুষকে বেকার করেছিল। ফলে জোট সরকারের আমলে যেখানে প্রতি বছর নয় শতাংশ মানুষ দারিদ্র্য সীমা পেরিয়ে উপরে ওঠে এসেছিল সেখানে ফখরুদ্দীন আহমদের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দুই বছরের অপশাসনে ১০ শতাংশ মানুষ নতুন করে নেমে গিয়েছে দারিদ্র্যসীমার নিচে।

দুর্নীতি আর সমাস দমনের নামে তারা হাজার হাজার মানুষকে কারাগারে নিক্ষেপ করে পরিবারে পরিবারে আহাজারির সৃস্টি করেছিল। কর্মসংন্সানের পথ রুহ্ন করে দেয়ার জন্য তারা দুর্নীতি-কালো টাকার অভিযোগ এনে দেশের প্রায় সকল শিল্পপতি ব্যবসায়িকে কারাগারে পুরেছিল অথবা তাড়া করে ফিরছিল। সারের মূল্য, জ্বালানি তেলের মূল্য তারা দ্বিগুণ করে ফেলেছিল। ফলে অপার সম্ভাবনাময় বাংলাদেশ ক্রমেই এক সম্ভাবনাহীনের দেশে পরিণত হতে বসেছিল। নাভিশ্বাস উঠেছিল কোটি কোটি সাধারণ মানুষের।

দেশকে রাজনীতি শূন্য করে গণতমের কবর রচনা করে তারা ক্ষমতা দীর্ঘন্সায়ী করার এক নীল নকশা নিয়ে অগ্রসর হচ্ছিল। শিখন্ডী ড. ফখরুদ্দীন আহমদ বিভিন্ন সময় জাতির উদ্দেশ্যে তার ভাষণে অসাংবিধানিক সরকারের ক্ষমতা অনশ্চকাল বিস্তৃত করারও নানা ফরমুলা হাজির করছিলেন। নির্বাচনের আগে রাজনীতিবিদদের এই করতে হবে, সেই করতে হবে, তাদের উপরে জনপ্রতিনিধিত্বহীন বিশেষ গোষ্ঠিকে সংবিধান সংশোধন করে ক্ষমতার চিরন্সায়ী বন্দোবস্ত দিতে হবে। এমনি সব উদ্ভট আজগুবি বক্তব্য তিনি হাজির করেই যাচ্ছিলেন ফলে সারাদেশে রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, সামাজিক সকল ক্ষেত্রে শৃংখলা সম্পূর্ণরূপে ভেঙে পড়ার উপক্রম হয়েছিল। বেঁচে থাকার অধিকারের দাবিতে জরুরি আইনের খড়গ ঠেলে সরিয়ে দিয়ে বিভিন্ন ন্সানে ফুসে উঠছিল মানুষ। অন্ন চাই, সার চাই, বীজ চাই, বিদ্যুৎ চাই, পানি চাই, নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য ক্রয় ক্ষমতার নাগালের মধ্যে চাই, কর্মসংন্সানের সুযোগ চাই। এমন সব দাবিতে রুখে দাঁড়াতে শুরু করেছিল জনতা। ফলে ক্ষমতা চিরন্সায়ী করার দুঃহ্নপ্ন নিয়ে ঐ হ্নৈরাচারি সরকার আর অগ্রসর হতে পারছিল না। নড়বড়ে হয়ে উঠছিল এদের তখত-এ-তাউস। ফলে তারা নির্বাচন দেবারই সিহ্নাশ্চ নিতে বাধ্য হয়।

একথা সকলেরই জানা আছে যে, বাংলাদেশে ২০০৬ সালে দেশ ধ্বংসের যে আন্দোলন শুরু করা হয়েছিল তার পেছনে ছিল সাম্রাজ্যবাদী ও আধিপত্যবাদী শক্তিগুলোর প্রত্যক্ষ মদদ। ঐসব শক্তির প্রতিনিধিরা বাংলাদেশের রাজনীতিকদের আত্মমর্যাদাহীনতা ও অদূরদর্শিতার সুযোগ নিয়ে বাংলাদেশের শাসন ব্যবন্সার রাজনীতি, অর্থনীতি, নির্বাচন নিয়ে সরাসরি হস্তক্ষেপ করছিল। পরিন্সিতি এমন দাঁড়িয়েছিল যে, যেন বাংলাদেশ রাষ্ট্রই পরিচালনা করছে সাম্রাজ্যবাদী ও আধিপত্যবাদী শক্তিগুলো। তাদের উদ্দেশ্যে ছিল দেশব্যাপী এক ভয়াবহ অরাজকতামূলক পরিন্সিতি সৃষ্টি করা। যে পরিন্সিতির সুযোগ নিয়ে তারা তাদের পছন্দমাফিক অনির্বাচিত, অসাংবিধানিক, অনভিজ্ঞ, জবাবদিহিতাহীন এক সরকার কায়েম করতে পারে। যে সরকার সাম্রাজ্যবাদী আধিপত্যবাদীদের হুকুমের দাস হিসেবে কাজ করে যাবে এবং শেষ পর্যশ্চ ২০০৭ সালের ১১ জানুয়ারি ঐ অপশক্তিগুলো মিলে বাংলাদেশে তেমনি এক বশংবদ সরকারকে ক্ষমতায় বসিয়েছিল। ঐসব দেশ মুখে গণতমের কথা বললেও নিজেদের হ্নার্থ হাছিলের জন্য পৃথিবীর উন্নয়নশীল দেশে গণতমের কবর রচনা করতে এক সেকেন্ডের জন্যও দ্বিধা করে না। বাংলাদেশেও তারা তা করেনি। এদেশে ড. ফখরুদ্দীনের অসাংবিধানিক সরকার কায়েম করে তারা হ্নস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছিল। এও এক আজব পরীক্ষা। পৃথিবীর আর কোন দেশে গণতমনিয়ে এমন উদ্ভট নিরীক্ষা আর কখন হয়নি। এক্ষেত্রে বাংলাদেশের রাজনীতিকে তাবেদার সংগ্রহে তাদের খুব একটা বেগ পেতে হয়নি। ফলে এখানে দু'বছরের জন্য এক হ্নৈরশাসন জাঁকিয়ে বসেছিল।

সাম্রাজ্যবাদী আধিপত্যবাদী শক্তির নির্দেশে তারা বাংলাদেশের মানুষের অর্থনৈতিক মেরুদন্ড ভেঙে দেয়ার জন্য হেন কোন ব্যবন্সা নেই যা গ্রহণ করেনি। দুর্বল মানুষকে কাবু করা তুলনামুলকভাবে অনেক বেশি সহজ। সুতরাং কৌশল হিসেবে আগে মানুষের অর্থনৈতিক শক্তি শেষ করে দিতে পারলে তাদের উপর আধিপত্য বিস্তার অনেক বেশি সহজ হয়ে ওঠে। কিশ্চু শেষ পর্যশ্চ রুখে দাঁড়িয়েছিল বাংলাদেশের মানুষ। মতলব যাই থাক তত্ত্বাবধায়ক সরকার একটি নির্বাচন দিতে বাধ্য হয়েছিল।

তখন বিপন্ন মানুষ আশার আলো দেখতে চেয়েছে। সাম্রাজ্যবাদী, আধিপত্যবাদীদের বশংবদ সরকার দেশকে ঘোর অন্ধকারের মধ্যে ঠেলে দিয়েছিল। তখন নির্বাচনী ঘোষণায় আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় গেলেই মানুষের সকল সমস্যার দ্রক্তত সমাধানের ঘোষণা দেয়। তারা বলেছিলেন ১০ টাকা কেজি চাল খাওয়াবেন, ৫ টাকা কেজি দরে কাঁচামরিচ। কৃষককে সার দিবেন বিনামূল্যে। বেকারত্ব দূর করতে প্রতি পরিবার থেকে একজনকে চাকরি দেবেন। বিদ্যুতের সমস্যা আর থাকবে না। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যমূল্য নিয়ে আসা হবে নাগরিকদের নাগালের মধ্যে। এইই ছিল সেই সময় সাধারণ মানুষের সবচাইতে বেশি প্রয়োজনীয় দাবি। ফলে মানুষ যে খানিকটা বিভ্রাশ্চ হয়নি এমন কথা বলা যাবে না।

যদিও সাম্রাজ্যবাদী ও আধিপত্যবাদী শক্তিগুলো চেয়েছিল এমন একটি সরকার যারা গণতামিকভাবে নির্বাচিত হলেও ফখরুদ্দীন আহমদের সরকারের ধারাবাহিকতায় কাজ করুক। এখন দেখা যাচ্ছে তাদের সে প্রয়াস সফল হয়েছে। অনির্বাচিত জনপ্রতিনিধিত্বহীন সরকারের সকল কাজের ধারাবাহিকতা বর্তমান সরকারের আমলেও বজায় আছে। এই সরকারের চার মাসে ফখরুদ্দীন সরকারের গৃহিত কোন সিহ্নাশ্চই একেবারে ওলট-পালট হয়ে যায়নি। আশ্চর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে, কূটনীতির ক্ষেত্রে সাম্রাজ্যবাদী, আধিপত্যবাদীদের তোষণ করার নীতি এখনও অব্যাহত আছে। ফখরুদ্দীন সরকারের আমলে ধ্বংসপ্রাপ্ত বিনিয়োগ বান্ধব পরিবেশ পুনরুহ্নারের কোন প্রয়াসই এ পর্যশ্চ বর্তমান সরকার গ্রহণ করতে পারেনি। ফখরুদ্দীন সরকারও যেমন মধ্যপ্রাচ্যের শ্রম বাজার ভারতের কাছে ছেড়ে দিচ্ছিল বর্তমান সরকারের আমলেও তার ধারাবাহিকতা বজায় রয়েছে। তেমনিভাবে অন্যান্য নীতি নির্ধারণের ক্ষেত্রেও চলছে একই ধারাবাহিকতা।

নির্বাচনী প্রতিশ্রক্ততি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে সামান্য অগ্রসর হতে পারেনি সরকার। ১০ টাকা কেজি চাল খাওয়ানোর কথা অহ্নীকার করছে। প্রতি পরিবারের একজনকে চাকরি দিতে এখন আর পারবে না বলছে। বিদ্যুৎ যে দিতে পারছে না তার জন্য জোট সরকারকে জবাবদিহি করতে বলছে। বিদ্যুৎ নিয়ে আন্দোলন করলে কঠোর হাতে তা দমন করা হবে বলে সরকার হুমকি দিয়েছে এবং নির্বাচনী ওয়াদা পূরণের দাবির মুখে সরকারের মমীরা বলেছেন যে তারা আলাদিনের চেরাগ নিয়ে আসেনি যে ঘষা দিয়েই সব সমস্যার সমাধান করে ফেলবে। তারা স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন তিন বছরের মধ্যে বিদ্যুৎ পরিন্সিতির উন্নতি ঘটানো সম্ভব হবে না।

ফলে জনগণের সমস্যার সমাধান শুধু পরাহতই থেকে যাচ্ছে। সরকারতো জানিয়েই দিয়েছে পারবে না তাহলে আবার কথা কি? জনগণ যদি দাবি তোলে, তাহলে কঠোর হস্তে দমন করা হবে। একেবারে হুবহু ফখরুদ্দীন সরকারের ভাষা। ঐ সরকারের হাতে জরুরি ক্ষমতার ডান্ডা ছিল। এই সরকারের হাতে বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতার জোর আছে অগণিত সমাসীর শক্তি আছে আর পুলিশি শক্তিতো আছেই। এখন তাহলে করণীয় কী? এখন সরকারের সবচাইতে বড় করণীয় হয়ে দাঁড়িয়েছে বেগম খালেদা জিয়াকে তার বাড়ি থেকে উচ্ছেদ করা এবং যাকে খুশি তার বিরুহ্নেই যুহ্নাপরাধের অভিযোগ এনে বিচার শুরু করা। সরকার এই দুটো জরুরি কাজ নিয়ে জোর কদম এগিয়ে চলেছে।

আওয়ামী লীগ সভানেত্রী তার মমিসভা গঠন নিয়ে দারুণ এক চমক সৃষ্টি করেছিলেন। মমিসভার সবাই নতুন মুখ। আর সেই কারণে যেকোন সিহ্নাশ্চ গ্রহণে অধিকমাত্রায় প্রধানমমীর মুখাপেক্ষী। ফলে বাংলাদেশে এখন রাষ্ট্রিয় সকল ক্ষমতা একমাত্র শেখ হাসিনার হাতেই। একক ব্যক্তির হাতে এই বিপুল ক্ষমতা যে হ্নৈরাচারীর জন্ম দেয় তার লক্ষণ সুস্পষ্ট হয়ে উঠছে। আবার যেসব আশ্চর্জাতিক অপশক্তি বাংলাদেশের উপর তাদের আধিপত্য বিস্তার করতে চায় তাদের গৃহীত নীতি বাস্তবায়ন করতে চায় তাদের জন্যও কাজটি সহজ। এক ব্যক্তিকে কনভেন্স করতে পারলেই ফায়দা হাসিল।

এখন বাংলাদেশের সাম্রাজ্যবাদী, আধিপত্যবাদী শক্তিগুলোর খবরদারিতে আর রাকঢাক নেই। তারা সরাসরি যেমন যেকোন মূল্যে বাংলাদেশের শেখ হাসিনার সরকারকে টিকিয়ে রাখার ঘোষণা দিচ্ছে তেমনি সরকারের মমীরাও এমনভাবে কথা বলছেন যে, যেন বাংলাদেশের হ্নাধীন কোন অস্তিত্বই নেই। এদেশ চলবে ভারতের হ্নার্থের অনুকূলে।

পিলখানায় বিডিআর বিদ্রোহের পর সরকার গদি রক্ষায় ভারতের সহযোগিতা কামনা করেছিলেন। ভারত সেজন্য তার পদাতিক ও বিমানবাহিনী প্রস্তুত রেখেছিল। এরপর ভারতের পররাষ্ট্রমমী সুস্পষ্ট ভাষায় ঘোষণা দিয়েছিলেন যে, শেখ হাসিনার সরকারকে কেউ দুর্বল করার চেষ্টা করলে ভারত চুপ করে বসে থাকবে না। প্রয়োজনে সরাসরি হস্তক্ষেপ করবে। বাংলাদেশ সরকার এর কোন প্রতিবাদ করার প্রয়োজন মনে করেনি। বাংলাদেশের পানি সম্পদ মমী রমেশ চন্দ্র শীল গঙ্গার পানির ন্যায্য হিস্যা নিয়ে রাজনীতিবিদ ও সাধারণ মানুষের দাবির প্রেক্ষিতে বলেছিলেন, ফারাক্কায় পানি না থাকলে ভারত কোত্থেকে দেবে? বাংলাদেশ যেটুকু পানি পাচ্ছে সেটাই ভাগ্যের কথা; যদিও অভিন্ন নদীর পানির ন্যায্য হিস্যা উপর থেকে নিচ পর্যশ্চ সকল দেশেরই প্রাপ্য। তার কথা শুনে মনে হলো বাংলাদেশের নয় কথা বলছেন ভারতীয় কোনো মমী। এদিকে আবার ফারাক্কার মতই আর এক মরণফাঁদ টিপাইমুখ বাঁধ নির্মাণের কাজ জোরেসোরে চালিয়ে যাচ্ছে ভারত। এই বাঁধ নির্মিত হলে বাংলাদেশের পুরো সিলেট অঞ্চল মরুভূমিতে পরিণত হবে। ফারাক্কা বাঁধের কারণে যেভাবে মরুভূমি হচ্ছে বাংলাদেশের গোটা উত্তরাঞ্চল। এ প্রসঙ্গেও বাংলাদেশের পানি সম্পদ মমী রমেশ চন্দ্র শীল বলেছেন, ভারতের টিপাইমুখ বাঁধ নির্মাণের বিরুহ্নে এখনই প্রতিবাদ করবে না বাংলাদেশ। আগে বাঁধ নির্মাণ হোক পরে ক্ষয়ক্ষতি পরিমাপ করে প্রতিবাদ করব। একটি হ্নাধীন সার্বভৌম দেশের একজন মমীর এ কেমন ভয়াবহ দেশবিরোধী উক্তি!
এদিকে আবার বঙ্গোপসাগরে বাংলাদেশের সমুদ্রসীমায় তেল, গ্যাস অনুসন্ধান চালিয়ে যাচ্ছে ভারত। মিয়ানমার যখন একই ধরনের অনুসন্ধান চালাচ্ছিল তখন প্রতিবাদ করেছিল বাংলাদেশ। ভারতের ক্ষেত্রে সরকার একেবারে নিশ্চুপ তার উপর আমাদের সমুদ্রসীমায় জেগে ওঠা দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপটি আমরা যাতে দাবিই না করি এবং বিনা প্রতিবাদে ভারতের হাতে তুলে দেই সে কথা আকহ্মিক সফরে এসে ভারতের পররাষ্ট্র সচিব প্রধানমমীকে জানিয়ে দিয়ে গেছেন। সরকার এখন পর্যশ্চ তার কোনো প্রতিবাদ করেনি। কিংবা জনগণকে সঙ্গে নিয়ে দেশের হ্নাধীনতা সার্বভৌমত্ব সংরক্ষণে কোনো উদ্যোগ গ্রহণ করেনি। এইসব আয়োজন চলছে অতি সংগোপনে, সশ্চর্পণে।

আওয়ামী লীগের চটকদার নির্বাচনী ইশতেহারে বিশ্বাস করে বোকাবনে গেছেন জনগণ। তার উপর দেশের হ্নাধীনতা সার্বভৌমত্ব যে যায় যায়। কিশ্চু আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি যে, দেশের মানুষ অনেক আত্মত্যাগের বিনিময়ে যুহ্ন করে এই হ্নাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করেছে; সেদেশের মানুষই যেকোন মূল্যে সে হ্নাধীনতা সার্বভৌমত্ব সংরক্ষণ করবে। তার জন্য এই মুহূর্তে দরকার সকল ভেদাভেদ ভুলে জাতীয় ঐক্য গড়ে তোলা এবং এই ঐক্যের শক্তি দিয়ে সকল ষড়যমকে প্রতিহত করা। জনতার জয় অবশ্যম্ভাবী।

Comments

anonymous's picture

Why all the time thinking about street

Of course, we should stop the bad decisions of the administration. None of our administrations is "clean tulshi pata". Students are on the street without education.
THey do care the order of netri (leader) more than parents. Parents have no right to guide their son/daughter. Why all the time looking for rasta to change something ? This is our disease to look at the street. We should stop the rajakar whoever was involved in killing during liberation. We should also stop the old awami fascists who were involved to implement Bakshal - the one party rule that time. We don't need those junk in up to date society of multi party democracy.

আমজনতা's picture

ashen rastai nami

vai jan jibone ki kono din desher jonno kono andolon/sangram korechilen, naki shob shomoy nizer desh k niye babsha korechen. jodi desh k valo beshe thaken tahole apnar kotha moto ekhuni rastai nama uchit..........ashen rastai nami...awaj tuli onnayer birudhe....nizer desh k bachate hobe tai na ..........