বুশকে তালাক দিচ্ছেন লরা

bdidol's picture
Posted by
bdidol
Sunday, July 20, 2008 - 1:51am BST

ইতালির পত্রিকায় প্রকাশিত একটি রিপোর্ট। এ নিয়ে হৈচৈ বিশ্বব্যাপী। সরব প্রশ্ন_ মার্কিন প্রেসিডেন্ট জর্জ ডবিস্নউ বুশের সংসার কি ভেঙে যাচ্ছে? একটি ট্যাবলয়েড পত্রিকার উদ্ধৃতি দিয়ে ইতালির লা রিপাবলিকা পত্রিকা লিখেছে_ যা এর মধ্যেই হৈচৈ ফেলে দিয়েছে বিশ্ব মিডিয়ায়। তাহলে কি প্রেসিডেন্ট পদের মেয়াদ শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে স্ত্রীকেও হারাচ্ছেন জর্জ বুশ? কন্ডোলিসা রাইসের কারণে কেঁপে উঠেছে বুশ-লারার সংসার। অভিমান করে মার্কিন ফার্স্ট লেডি লারা বুশ এক রাত কাটিয়েছেন হোয়াইট হাউসের বাইরে। ওয়াশিংটনের মে ফ্লাওয়ার হোটেলে থেকেছেন তিনি। তাতেও সমস্যার সমাধান হয়নি। একই ছাদের নিচে বাস করলেও পারতপৰে কথা হয় না দু'জনের। তাই শেষ পর্যনত্দ বিবাহবিচ্ছেদের সিদ্ধানত্দ নিয়েছেন বুশ দম্পতি। সময়ও নির্ধারণ করে ফেলেছেন তারা। নভেম্বরে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের পরই তারা ডিভোর্স দিতে পারেন। বুশ-কন্ডোলিসার ব্যাপারে গুঞ্জণ অনেক দিন ধরেই। যুক্তরাষ্ট্রের ট্যাবলয়েড পত্রিকাগুলো দু'বছর আগেই তাদের সম্পর্ক নিয়ে অনেক রিপোর্ট ছাপে। এ বিষয়টিই তখন সেখানে সবচেয়ে আলোচিত ছিল। কিন\' লারার প্রতিক্রিয়া প্রকাশ পায়নি এতোদিন। লারা নিজেই বিচ্ছেদের সিদ্ধানত্দ নিয়েছেন। তবে স্ত্রীকে হারাতে চান না বুশ। কিন\' অবস্থা বেগতিক। কারণ বুশের ওপর চরম বিরক্ত তিনি। ৰমতাধর মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী কন্ডোলিসা রাইসের সঙ্গে বুশের সম্পর্কের কারণে অনেক আগেই লারা সিদ্ধানত্দ নিয়ে ফেলেছেন বিচ্ছেদের। তবে কন্ডেলিসার সঙ্গে সম্পর্ক কি আসলেই সত্যি না গুঞ্জন? ২০০৬ সালে এক মনোরোগ বিশেষজ্ঞের কাছে বুশ স্বীকার করেছিলেন যে, একজন পরনারীর প্রতি আকর্ষণ আছে তার। কন্ডোলিসা রাইসের নামটিও তিনি বারবার উচ্চারণ করেছিলেন। আর রাইসও একটি আনুষ্ঠানিক বৈঠকে বুশের কথা বলতে গিয়ে ভুলে হাজ.. বলে থেমে যান। হয়তো হাজবেন্ড বলতে গিয়ে নিজেকে সামলে নিয়েছেন তিনি। ঘটনাগুলো এক করলে একে তো আর গুঞ্জন বলা যায় না। তাইতো অভিমান লারা বুশের। পত্রিকার রিপোর্টে বাধ্য হয়েছেন বিচ্ছেদের সিদ্ধানত্দ নিতে। এখন শুধু সময়ের ব্যাপার। বিচ্ছেদ হলে বুশের কাছ থেকে লারা পাবেন ২০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। তবে নির্বাচন পর্যনত্দ কঠোর গোপনীয়তা পালন করতে চেয়েছিলেন তারা। কারণ দু'জনই দেশের মঙ্গল চান। দেশের জন্য অনেক করেছেন তারা। তাই নির্বাচনের আগে চাইছিলেন না নিজেদের ইমেজ নষ্ট করতে। কিন\' সেলিব্রেটি বলে কথা! চাইলেই তো গোপন থাকে না তাদের সিদ্ধানত্দ। নারীঘটিত বিষয়ে বরাবরই সমালোচিত ছিলেন সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন। ক্লিনটনের সঙ্গে মনিকার সম্পর্কের ঘটনাটি ইমপিচমেন্ট পর্যনত্দ গড়ানোর কথা ছিল। তবে ক্লিনটন-হিলারির দাম্পত্য জীবনে হয়তো তা এতোটা প্রভাব ফেলেনি। সে কারণেই এখনো টিকে আছে তাদের সংসার। নির্বাচনী প্রচারণায় কাজ করে যাচ্ছেন একসঙ্গে। এবার বুশও কি তবে ক্লিনটনের পথ ধরলেন? কিন\' তার সংসারে তো আগেই বেজে উঠেছে অশনি সংকেত।

Tags: