দুই নেত্রীকে আড়ালে রেখে সম্ভাব্য মন্ত্রিপরিষদ গঠনে দুই প্রধান রাজনৈতিক দলে নতুন প্রক্রিয়া

bdidol's picture
Posted by
bdidol
Monday, July 21, 2008 - 5:50am BST

আমাদের সময়: ডিসেম্বরে সংসদ নির্বাচনের পর সরকার গঠনের আগাম প্রক্রিয়ায় এবার প্রায় ঐকমত্যে পেঁৗছেছেন প্রধান দুটি রাজনৈতিক দলের প্রভাবশালীরা। এই প্রক্রিয়া বাস্তবায়নে দু'দলের সংশ্লিষ্টরা কঠোর গোপনীয়তার মধ্যে আলাপ আলোচনা ও বৈঠক করছেন। তারা উপ-প্রধানমন্ত্রীর পদ সৃষ্টি, দলীয় দুই প্রধানকে বাদ রেখে আগাম আসন ভাগাভাগি, সম্ভাব্য নতুন প্রধানমন্ত্রী ও উপ-প্রধানমন্ত্রীসহ সম্ভাব্য মন্ত্রিপরিষদ গঠনের ব্যাপারেও আলোচনা করছেন।

সূত্রমতে, যে দল সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাবে সেই দল থেকেই প্রধানমন্ত্রী এবং অন্য দলটি থেকে উপ-প্রধানমন্ত্রী করা হতে পারে। তাদের মতে, আগামীতে সম্ভাব্য নতুন সরকারকে যৌথ সরকারের মত মনে হলেও ওই সরকারের কার্যক্রম হবে নির্দলীয় সরকারের আদলে। তাদের মতে, একটি কার্যকর ও ভালো সংসদ হতে পারে স্বল্পমেয়াদি এই সংসদ।

সূত্র আরো জানায়, সরকারের নীতিনির্ধারকরাও নির্বাচনের পর সরকার গঠনে ঐকমত্যের ভিত্তিতে কাজ করছেন। তবে তারা দুই ধরনের সরকার কাঠামোর বিষয়ে চিন্তা করছেন। তারা চান, প্রথমত: সবদলের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে কোয়ালিশন সরকার বা যৌথ সরকার। দ্বিতীয়ত: চারদলীয় জোটের প্রতিনিধিত্বে বিরোধীদল রেখে আওয়ামী লীগসহ অন্য দলগুলোর সমন্বয়ে যৌথ সরকার।

অন্যদিকে সব দলের অংশগ্রহণে জরুরি অবস্থা প্রত্যাহার না করেই আগামী ২৪ থেকে ২৮ ডিসেম্বরে মধ্যে জাতীয় নির্বাচন শেষ করার পরিকল্পনায় এখনো অটুট রয়েছে বর্তমান সরকার। কম ঝুঁকিপূর্ণ ও গোলযোগমুক্ত ভোট কেন্দ্রগুলোতে ৪৮ থেকে ৭২ ঘণ্টা আগে জরুরি অবস্থা প্রত্যাহারের বিষয়টিও বিবেচনায় রাখা হয়েছে। এ উদ্দেশে আগাম সম্ভাব্য এমপি প্রার্থী নির্দিষ্ট করাসহ নানান উদ্যোগে আগাম প্রস্তুতি নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে এই সরকার। সরকারের উদ্দেশ্য সফল করতে প্রকাশ্যে-অপ্রকাশ্যে বহু কাজ করছে নির্বাচন কমিশন। এ ব্যাপারে কৌশলে নির্বাচন কমিশনকে সহায়তা করছে সরকার। যদিও প্রতিটি ক্ষেত্রেই দিক-নির্দেশনা আসছে উপদেষ্টা পরিষদের সিদ্ধান্ত অনুসারে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রমতে, সরকারের নীতিনির্ধারক মহলের কয়েকজন প্রভাবশালী ব্যক্তি সংলাপে যোগদান এবং সংসদ নির্বাচনে অংশ নেয়ার জন্য চারদলীয় জোটের কয়েকজন নেতার সঙ্গে বিভিন্নভাবে আলোচনা করছে। আলোচনার ফলাফল ফলপ্রসূ হতে পারে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছে সরকারের দায়িত্বপ্রাপ্ত নীতিনির্ধারকরা।