সমকাল আচমকা বিএনপির গঠনতন্র নিয়ে মায়াকান্না শুরু করলো কেন বুঝলাম না। মান্নান আর হাফিজ যখন স্হায়ী কমিটির বৈঠক করেছিল ওরা কোন রির্পোট করেছিল কিনা কেউ বলতে পারেন?
পুরো রির্পোট:
অচল হয়ে পড়েছে বিএনপির গঠনতন্র। দলীয় সিদব্দানস্ন গ্রহণে এখন আর স্ট্থায়ী কমিটি কিংবা কার্যনির্বাহী কমিটির বৈঠকের প্রয়োজন হচ্ছে না। মহাসচিবের ইচ্ছায় নেওয়া হচ্ছে দলের গুরুত্দ্বপহৃর্ণ সিদব্দানস্ন। তবে কখনো কখনো দলীয় চেয়ারপারসনের আদালতে হাজিরার অপেক্ষায় থাকেন তিনি। শীর্ষ পর্যায়ের কোনো ধরনের আনুষ্ঠানিক বৈঠক ছাড়াই সিদব্দানস্ন চাপিয়ে দেওয়ায় দলীয় নেতা-কর্মীরা ক্ষুব্ধ মহাসচিবের ওপর। অন্যদিকে গঠনতান্পিক এখতিয়ারের বাইরে দলীয় কার্যত্রক্রম পরিচালিত হওয়ায় কেন্দ্র থেকে মাঠ পর্যনস্ন সৃষদ্বি হয়েছে নানামুখী সাংগঠনিক জটিলতা। এসব নিয়ে নীতিনির্ধারণী মহলেও চলছে টানাপড়েন। দেলোয়ার অনুসারীদের মধ্যে বিভক্তি বেড়েই চলেছে।
বিএনপির বিভিল্পম্ন পর্যায়ের নেতা-কর্মীরা মনে করছেন, নীতিনির্ধারণী ফোরামের বৈঠক না হওয়ায় দলীয় সংকট ত্রক্রমেই তীব্র আকার ধারণ করছে। সংস্ট্কার প্রস্টস্নাব নিয়ে সৃষদ্ব জটিলতার অবসান হচ্ছে না একই কারণে। দলের বিভিল্পম্ন পর্যায়ের কমিটির পুনর্গঠন থেকে শুরু করে গুরুত্দ্বপহৃর্ণ সিদব্দানস্ন গ্রহণে দলের মহাসচিব একক সিদব্দানস্ন নিচ্ছেন বলে দলের শীর্ষ মহল থেকেই অভিযোগ উঠেছে। এ অবস্ট্থায় দলীয় সংকট আরো মারাত্দ্মক
আকার ধারণ করছে। এসব বিষয়ে ফয়সালার জন্য অনেকে চেয়ারপারসনের মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছেন।
সহৃত্র জানায়, স্ট্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশগ্রহণ, চারদলীয় জোটের সঙ্গে বৈঠক, যৌথসভার মাধ্যমে দলের অবস্ট্থান নির্ধারণসহ বিভিল্পম্ন ক্ষেত্রে নানা প্রশেম্নর মুখে পড়েছেন মহাসচিব খোন্দকার দেলোয়ার হোসেন। প্রশম্ন উঠেছে, অঙ্গ দলের নেতাদের ডেকে যৌথসভার মাধ্যমে দলীয় সিদব্দানস্ন গ্রহণের সাংবিধানিক বৈধতা নেই। দলের তৃণমহৃল নেতা-কর্মীরা এ সিদব্দানস্ন মানছেন না।
স্ট্থানীয় নির্বাচনে অংশগ্রহণ করা না করার ব্যাপারে বিএনপির নীতিনির্ধারণী কোনো ফোরামে আলোচনা হয়নি। দল এককভাবে সিদব্দানস্ন না নিয়ে চারদলীয় জোটের সঙ্গে বৈঠক করে নির্বাচনের ব্যাপারে ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। এক্ষেত্রে মহাসচিব একক সিদব্দানস্ন নিয়েছেন বলে সংশি্নষদ্বরা জানিয়েছেন। মাঠ নেতারা এরই মধ্যে অভিযোগ তুলেছেন, নির্বাচনের ব্যাপারে বিএনপির একক কোনো সিদব্দানস্নের কথা তারা জানেন না। এ কারণে তারা নির্বাচনী মাঠে রয়েছেন। তাদের দাবি, দলীয় সিদব্দানস্ন না থাকায় নির্বাচনে অংশ নিলেও দলের কিছুই করার নেই।
মহাসচিবের দায়িত্দ্ব গ্রহণের প্রায় এক বছরে বেশ কয়েকটি যৌথসভা ডেকেছেন খোন্দকার দেলোয়ার হোসেন। অধিকাংশ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে তার ন্যাম ফ্ল্যাটের বাসভবনে। মহাসচিবের একক সিদব্দানস্নে অঙ্গ সংগঠনের কমিটি পুনর্গঠন করা হচ্ছে। এরই মধ্যে মুক্তিযোদব্দা দল ও তাঁতিদলের কমিটি পুনর্গঠন করা হয়েছে। ভেঙে দেওয়া হয়েছে দলের সবচেয়ে গুরুত্দ্বপহৃর্ণ অঙ্গ বলে পরিচিত ঢাকা মহানগর বিএনপির কমিটি। এসব নিয়ে দলের বিভিল্পম্ন স্টস্নরের নেতা-কর্মীদের মাঝে ক্ষোভ বাড়ছে। তাঁতি দলের একাংশ কমিটি পুনর্গঠনের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে।
নীতিনির্ধারণী ফোরামের বৈঠক ছাড়াই বিএনপি চেয়ারপারসনের মুক্তিসহ বিভিল্পম্ন দাবিতে কর্মসহৃচি গ্রহণ করা হচ্ছে। এসব ক্ষেত্রে দলের ফোরামের চেয়েও গুরুত্দ্বপহৃর্ণ হয়ে উঠেছে চারদলের বৈঠক। বিএনপির শীর্ষ নেতাদের মতামত ছাড়াই জোটবদব্দভাবে বিভিল্পম্ন সিদব্দানস্ন নেওয়া হচ্ছে। বিএনপির নীতিনির্ধারণী বৈঠকে সিদব্দানস্ন হওয়ার আগে চারদলীয় জোটের বৈঠক নিয়েও প্রশম্ন উঠেছে। চারদলীয় জোটের এ ধরনের বৈঠককে অনেকে 'পক্ষপাতদুষদ্ব' বলে আখ্যায়িত করেছেন।
বিএনপির স্ট্থায়ী কমিটি অকার্যকর হয়ে আছে। গঠনতন্প অনুযায়ী মোট ১৫ জন সদস্য থাকার কথা থাকলেও এ কমিটিতে সদস্য ছিলেন ১৩ জন। চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া, আবদুল মাল্পম্নান ভূঁইয়া, খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিসদ্বার মওদুদ আহমদ ও এম শামসুল ইসলাম কারানস্নরীণ। বিদেশে রয়েছেন এম সাইফুর রহমান। কেএম ওবায়দুর রহমান মারা গেছেন। আবদুল মতিন অসুস্ট্থ। স্ট্থায়ী কমিটির সদস্যদের মধ্যে বাইরে রয়েছেন খোন্দকার দেলোয়ার হোসেন, ড. আরএ গনি, চৌধুরী, তানভীর আহমেদ সিদ্দিকী, খন্দকার মাহবুব উদ্দিন আহমাদ ও লে. জে. (অব.) মাহবুবুর রহমান। গঠনতন্প অনুযায়ী দলের চেয়ারপারসন যে কোনো সময় তার ইচ্ছা অনুযায়ী স্ট্থায়ী কমিটির সভা ডাকতে পারেন। ৫০ ভাগ সদস্য নিয়ে এ বৈঠক হবে এবং মাসে অনস্নত একবার বৈঠকে মিলিত হবে এ কমিটি। সংশি্নষদ্বরা বলেছেন, বাইরে থাকা সদস্যদের নিয়ে কোরাম না হওয়ায় স্ট্থায়ী কমিটির বৈঠক হচ্ছে না।
গঠনতন্প অনুযায়ী দলের মহাসচিব চেয়ারপারসনের সঙ্গে আলোচনা করে জাতীয় নির্বাহী কমিটির বৈঠক ডাকতে পারেন। এক-তৃতীয়াংশ সদস্য উপস্টি্থত থাকলে এ কমিটির কোরাম হবে। নির্বাহী কমিটির শীর্ষ পর্যায়ের অনেক সদস্য কারানস্নরীণ থাকলেও সিদব্দানস্ন গ্রহণ বা দলের সংকট কাটাতে অধিকাংশ সদস্য উপস্টি্থত হতে পারেন। দলের অচলাবস্ট্থা কাটাতে অবিলল্ফ্বে নির্বাহী কমিটির বৈঠক ডাকার দাবি জানিয়েছেন অনেকে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিএনপির শীর্ষ নেতাদের অনেকে মনে করেন, দলের সংকটের বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা না হওয়ায় বিভিল্পম্ন ক্ষেত্রে সমস্যা আরো বেড়েছে। ঐক্যের পথে নানা সমস্যা দেখা দিয়েছে। খোন্দকার দেলোয়ার হোসেনের একক সিদব্দানস্নের কারণে খালেদা অনুসারীদের মধ্যে দ্বিধাবিভক্তি দেখা দিয়েছে। উভয় পক্ষের নেতারা আলোচনার মাধ্যমে ঐক্য প্রত্রিক্রয়া চূড়ানস্ন পর্যায়ে নিয়ে এলেও এক টেবিলে ঐক্য ঘোষণা না হওয়ার নেপথ্যে খোন্দকার দেলোয়ারকেই দায়ী করছেন অনেকে। দলের যে কোনো ফোরামে আনুষ্ঠানিক আলোচনায় এসব জটিলতা কেটে যাবে বলে উভয় পক্ষের নেতাদের প্রত্যাশা।
বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষদ্বা ব্রিগেডিয়ার (অব.) আ স ম হাল্পম্নান শাহ সমকালকে বলেন, 'স্ট্থায়ী কমিটির বৈঠক ডাকা সল্ফ্ভব না হলে চেয়ারপারসনের সল্ফ্মতি নিয়ে জাতীয় নির্বাহী কমিটির বৈঠক ডাকা যেতে পারে। আমার জানামতে, গত চার মাসে দলের কোনো বিষয় নিয়ে দলের কোনো সভা ডাকা হয়নি। সভা ডাকা না হলে সেটা দলীয় সিদব্দানস্ন হয়। গঠনতন্পের বাইরে গিয়ে কেউ কোনো সিদব্দানস্ন দিলে তা ব্যক্তিগত সিদব্দানস্ন হিসেবে বিবেচিত হবে।'
হাল্পম্নান শাহ বলেন, 'স্ট্থানীয় নির্বাচনে অংশগ্রহণের ব্যাপারে দলীয়ভাবে বিএনপির সিদব্দানস্ন হয়নি। এ ব্যাপারে কেউ বৈঠকের এজেন্ডা, স্ট্থান ও উপস্টি্থতির প্রমাণ দেখাতে পারবেন না। বর্তমান পরিস্টি্থতিতে নিশ্চয়ই দলীয় ফোরামে বৈঠক করা সল্ফ্ভব। চেয়ারপারসনের সল্ফ্মতি নিয়ে বৈঠক হতে পারে। আজ হোক কাল হোক, এসব প্রত্রিক্রয়ার সঙ্গে সমঙ্ৃক্তদের কাছে নেতা-কর্মীরা একদিন জবাব চাইবেন।'
স্ট্থানীয় নির্বাচনে অংশগ্রহণের ব্যাপারে চারদলীয় জোটের বৈঠককে 'পক্ষপাতদুষদ্ব' বলে আখ্যায়িত করে হাল্পম্নান শাহ বলেন, 'পদব্দতিগতভাবে চারদলীয় জোটের বৈঠক পক্ষপাতে দুষদ্ব। আমার জানামতে, ওই বৈঠকের ব্যাপারে কেবল জামায়াতে ইসলামী তাদের দলীয় সিদব্দানস্ন নিয়েছিল। বিএনপিসহ অন্যান্য যেসব দল রয়েছে, তারা কেউ আনুষ্ঠানিক বা অনানুষ্ঠানিকভাবে বৈঠক করে এ ব্যাপারে সিদব্দানস্ন নেয়নি।'
সংস্ট্কারপন্থি বিএনপির অস্ট্থায়ী মহাসচিব মেজর (অব.) হাফিজউদ্দিন আহমেদ বলেন, 'স্ট্থায়ী কমিটির সদস্যরা বসে দলের বিভিল্পম্ন বিষয়ে আলোচনা করতে পারেন। এছাড়া চেয়ারপারসনের সল্ফ্মতি নিয়ে দলের জাতীয় নির্বাহী কমিটির বৈঠক ডেকে সমস্যার সমাধান করা যেতে পারে। এখন তো দেখা যাচ্ছে খোন্দকার দেলোয়ার সাহেব যেটা বলেন, সেটাই দলের সিদব্দানস্ন।'
কমিটি পুনর্গঠনসহ বিভিল্পম্ন বিষয়ে একক সিদব্দানস্ন গ্রহণের ব্যাপারে প্রশম্ন উঠলে খোন্দকার দেলোয়ার হোসেন বলেছেন, চেয়ারপারসনের সঙ্গে আলোচনা করেই যে কোনো সিদব্দানস্ন নেওয়া হচ্ছে। তিনি বলেন, গঠনতন্পবহিভর্ূত কোনো কাজ করছি কি-না এক সময় তার প্রমাণ পাওয়া যাবে।


Comments
মুজাহিদ ইচ্ছায় চলছে বিএনপি
চারদলীয় জোটের নেতা-কর্মীরা মনে করছেন,সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক দুনর্ীতির মামলায় কারানস্নরীণ ,রাজনীতির দৃশ্যপট থেকে বিদায়,
ওদিকে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান নির্বাচিত করে "ওরা বলেছে এবং দোহাই দিয়েছেন সরকার গঠনের পর আমি প্রধানমন্ত্রী হব।
প্রিয় দেশের মানুষ আমি আপনাদের দোয়া চাই"।................................ চারদলীয় ঐক্যজোটের ভারপ্রাপ্ত শীর্ষ নেতা ,,,,,,,,মুজাহিদ...
BNP sole traders
BNP Limited company নয় sole Traders
বান্দর নাচা পার্টি
বাংলাদেশে কোন দলেই পরিপুর্ন গনতান্ত্রীক অবস্থা বিরাজমান নয়। তারপরেও দেখা যায় অন্যান্য দলগুলিতে কম বেশী প্রেসিডীয়াম , সম্পাদক মন্ডলী, ওয়ার্কিং কমিটির সভা ডাকা হয় নিজেদের মধ্যে আলাপ আলোচনা হয়, সম্মেলন হয়। কি বান্দর নাচা পার্টিতে এসবের কোন তোয়াক্কা নেই। গনতন্ত্র বলে কোন শব্দের স্থান বান্দর নাচাণ পার্টিতে কখণও দেখা যায়নি। ওখানে দূর্ণতির মাতা এবং স্বৈরনী যা বলবে তাই গঠন তন্ত্র এবং গনতন্ত্র। বাকি সব বাক-বাকহীন পায়রার দল ওরা বান্দরের নাচ উপভোগ করে আর দু-পয়সা কামানোর ধান্ধা করে।
The BAL Vrittos and their Nature
Bejonma Dol er papishtho ra ganja kheye ai vabai bole.
--Jackob Raihan
মঈনকে দেশী xxxx দিয়া xxxx করানো হবে
বিএনপির গঠনতন্র নিয়ে যে সব মঈনের চামচারা মায়াকান্না জুড়ে দিয়েছে... মঈনসহ ঐ চামচিকার দলকে xxxxx খুলিয়া ফার্মগেটে দেশী xxxx দিয়া xxxxx করানো হবে,
[Edited]
Moeen Vrittos (Bangladeshi Born Indian Dalal)
Finally you marked the point --- "Moeen Vrittos".
These are actually the "Awami Vrittos" -- now a days barking like a "MadDog" when learning the ongoing developments of the proposed negotiations in between Khaleda Zia and the CTG. These megalomaniacs are afraid of "Bangladeshi Jatiyotabad", and you will always find them selling their asses for Indian interests in Bangladesh.
I call these "MadDogs" -------- the Bangladeshi born Indian dalals.
--Jackob Raihan
আশরাফ সাহেব
আশরাফ সাহেব, দয়া করে ভাষা সংযত রাখুন। ধন্যবাদ
to webmaster
Thanks editor shaheb or web master........but mr. JR told Bejonma what is Bejonma..he should not......
LTD Company
here & there and all over
বিএনপি কোন রাজনৈতিক প্ল্যাটফরম নয় যে এর গঠনতন্র থাকতে হবে। এটা পারিবারিক লুটপাটের লিমিটেড কোম্পানী, চুরির কায়দা কানুন এবং এর যথাযত প্রয়োগই এর প্রেরনা এবং পাথেয়। বাকি সব ফালতু।
বি এন পির গঠনতন্ত্র
বি এন পির আবার গঠনতন্ত্র আছে ইহাই এই প্রথম শুনলাম। আমরা এতদিন খালেদা তন্ত্র, হাওয়া ভবন তন্ত্র শুনেছি । খালেদা জিয়া ডাইনিং টেবিলে বসে তারেক জিয়ার সাথে যে আলোচণা করেন উহাই বি এন পি তন্ত্র সেখানে যদু মদু হান্নান, আশরাফরা (ই-মেলা বোর্ড) ছাপলের ৩ নম্বার বাচ্চা।
জাতিয়তাবাদি চোর
বাংলাদেশের জাতীয়তাবাদ এবং ইসলামী মূল্যবোধ!!! সহজ বাংলায় অনুবাদ করলে এর অর্থ দাঁড়ায় - দিনে চুরি, রাইতে চুরি, ডাইনে চুরি, বায়ে চুরি, শহরে চুরি, গ্রামে চুরি, রাস্তায় চুরি, মসজিদে চুরি, এতিমখানয় চুরি...জলে, স্থলে অন্তরীক্ষে চুরি
অনুরোধঃ
অনুরোধ করছিঃ
আপনারা যারা এ বোর্ডে লিখছেন এবং পড়ছেন তাদের পরিচিত কোন বিএনপি নেতা চোর না হয়ে থাকলে তার পরিচয় এখানে তুলে ধরুন। আমরা চাদা উঠিয়ে পৃথিবীর এ আশ্চর্যতম সৃষ্টির মনুমেন্ট বানিয়ে দুনিয়াকে জানাব...here lives the legend ...
WatchDog
I am one of them.
What do you plan to do for me Mr. WatchDog?
--Jackob Raihan
to jr
চারদলীয় জোটের নেতা-কর্মীরা মনে করছেন,সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক দুনর্ীতির মামলায় কারানস্নরীণ ,রাজনীতির দৃশ্যপট থেকে বিদায়,
ওদিকে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান নির্বাচিত করে "ওরা বলেছে এবং দোহাই দিয়েছেন সরকার গঠনের পর আমি প্রধানমন্ত্রী হব।
প্রিয় দেশের মানুষ আমি আপনাদের দোয়া চাই"।................................ চারদলীয় ঐক্যজোটের ভারপ্রাপ্ত শীর্ষ নেতা ,,,,,,,,মুজাহিদ...
সমকালের বিএনপি প্রীতি
১। ৪ দলীয় জোট ভাংগার জন্য ফ-ম-হা-এ সবাই ব্যস্ত। তাই ঝাড়ুদার হিসাবে কিছু আওয়ামী বিষবাস্প ছড়ানোর জন্য আবেদ সাহেবের বিএনপি প্রীতি উথলে উঠেছে।
২। এর আগে বলেছিলাম, খালেদা শর্ত মানিতেছে না দেখে আওয়ামী ঝাড়ুদারদের মাথা গরম হয়ে গেছে।
৩। এটা একেবারে নিশ্চিত খালেদা জিয়া বাংলাদেশের বাহিরে যাবেন না। তাই এখন এরা বিভিন্ন রুপে বিএনপিকে আঘাত করিতে চাইছে, একটা প্লাটফর্মের এত ক্ষমতা।
৪। ফ-ম-হা-এ গ্রুপ সবচেয়ে বিপদজনক সিগনাল পেয়েছে, বিএনপি জোট না ভাংগিলে হা-এরশাদের স্বপ্ন পুরুন হবে না কিছুতেই। শুধু তাই না। খালেদা, তারেক কে না ছাড়লেও বিএনপি জোট নির্বাচনে যেতে পারে, এতেই এদের মাথা ব্যথা শুরু হয়েছে। কারন, উজ্জল উদাহরন থাইল্যান্ড, পাকিস্তান। বিশাল ব্যবধানে আওয়ামী জোটের ভরাডুবি হবে। কেননা, জনগন মনে করিবে নৌকা স্বৈরতন্ত্র, ধানের শীষ গনতন্ত্র।
maolana vasani ekta kotha
maolana vasani ekta kotha bolechilen, dalal ra jokhon amar bodnamkorbe tokhon bujhba j ami thik e kortasi. abed khan er moto marked indiar agent ra jokhon delwar er biruddhe likhe tokhon o same kothai bolte hoi. eishob dalal ra 2001 eo to bohut dalali korse BAL er jonno kono lav hoi nai. ebar o just wait and see. manush kintu vote er somoi thik jaigatei seal mare
Maya kannay lav nai mr. Aam ,,মুজাহিদ..
চারদলীয় জোটের নেতা-কর্মীরা মনে করছেন,সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক দুনর্ীতির মামলায় কারানস্নরীণ ,রাজনীতির দৃশ্যপট থেকে বিদায়,
ওদিকে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান নির্বাচিত করে "ওরা বলেছে এবং দোহাই দিয়েছেন সরকার গঠনের পর আমি প্রধানমন্ত্রী হব।
প্রিয় দেশের মানুষ আমি আপনাদের দোয়া চাই"।................................ চারদলীয় ঐক্যজোটের ভারপ্রাপ্ত শীর্ষ নেতা ,,,,,,,,মুজাহিদ...