জিল্লুর রহমান:
জরুরি অবস্থার অভিজ্ঞতা ফলপ্রসূ নয়। জরুরি অবস্থার জন্য 'ভোট কাস্টিং' (ভোট প্রদান) কম হয়েছে। জরুরি অবস্থা নির্বাচনের ক্ষতি করেছে। জনগণের মনে ভয়ভীতি ছিল। ভোটার আইডি কার্ডের সঙ্গে তালিকার ভোটার নম্বরের মিল না থাকায় অনেকেই ভোট না দিয়ে চলে গেছেন। এজন্য ভোট গ্রহণের গতিও মন্থর ছিল।
রাজশাহীর মেয়র প্রার্থী খায়রুজ্জামান লিটন:
ব্যালট পেপার খুব পাতলা। ফলে উল্টো দিকেও ছাপ পড়ছে। এতে অনেক ভোট বাতিল হয়ে যেতে পারে।
মেয়র প্রার্থী বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির নেতা এম ফিরোজ:
বিভিন্ন স্থানে ভোট টানতে টাকা ছড়ানো হচ্ছে বলে আমাদের কাছে খবর রয়েছে। নির্বাচন কমিশনে আনুষ্ঠানিক অভিযোগও করব আমরা।
মেয়র প্রার্থী কারাবন্দি বদর উদ্দিন আহমদ কারমানের পক্ষে নাগরিক পরিষদের সমন্বয়কারী এবং সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মিসবাহউদ্দিন সিরাজ:
গরিব ও শ্রমিক শ্রেণীর লোকরা বেশ কয়েকটি কেন্দ্রে হয়রানির শিকার হয়েছেন। জাতীয় পরিচয়পত্র ও ভোটার তালিকার ক্রমিক নম্বর নিয়ে তাদের জটিলতায় পড়তে হয়েছে।
মেয়র প্রার্থী ও সিলেট জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি এমএ হক:
ভোটার লিস্টে নাম না থাকায় অনেকে ভোট দিতে পারছেন না। উপশহরের তের রতন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে আইডি কার্ড নিয়ে ভোট দিতে গেলে অনেকের ভোট নেওয়া হয়নি।
