WatchDog_bd's blog

হাজির ছেলে পাজি বনাম টুংগিপাড়ার শেখ গং - WatchDog

বাংলাদেশের গ্রামে-গঞ্জে অনেকটা তামাশা করে কথাটা বলা হয়, হাজীর ছেলে পাঁজি! বাস্তবে এমনটা হতে হবে তার কোন বৈজ্ঞানিক সংজ্ঞা নেই, তবুও কথাটার প্রচলন বেশ ব্যাপক অন্তত আক্ষরিক অর্থে। আসলে পিতা-মাতার পথে পা মাড়িয়ে সন্তান ভাল পথে এগুবে এমন নজির আজকের বাংলাদেশে বেশ র্দুলভ। হাজী হোক আর পাজি হোক সন্তান আজকাল সন্তানের মতই বেড়ে উঠছে, এতে মা-বাবার নিয়ন্ত্রন থাকছে খুব সামান্যই। প্রসংগটা টানছি গেল দু’সপ্তাহ ধরে বাংলাদেশের রাজনৈতিক এবং শাষনতান্ত্রিক ব্যবস্থায় কিছু কাঠামোগত পরিবর্তনে সরকার এবং বিচার ব্যবস্থার নিবিড় বুঝাপরার কারণে।

নোটের উপর শেখের ছবি, a sign of perfect failure - WatchDog

আসুন এমন একটা দিনের স্বপ্ন দেখি যেদিন এদেশের মানুষ স্বাধীনতার ঘোষক, জাতির পিতা, রাজাকার সহ ইতিহাসমূখী বিতর্কগুলোর অবসান ঘটিয়ে একটা common point of understanding আসতে পারবে। এ ধরনের একটা বুঝাপরায় আসা গেলে দেশের রাস্তা-ঘাট, হাট-বাজার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল, গরুর খোয়ার, পাবলিক শৌচাগার সহ যাবতীয় স্থাপনাগুলোর উপর পুনঃপুনঃ নাম বদলানোর খড়্গ নেমে আসবেনা।

শফিক রেহমান এন্ড ওসমান গনি গং বনাম মইন গং - বিচার বিচার খেলা

এ কথা সবারই জানা শফিক রেহমান সাহেব কে এবং সাংবাদিক হিসাবে তিনি কাদের স্বার্থ রক্ষা করে থাকেন। বাংলাদেশের মিডিয়া পচনশীল রাজনীতির জাড়জ সন্তানদের অন্যতম সন্তান। রাজনীতিবিদ্‌রা কোটি কোটি টাকা বিনিয়োগ করে থাকেন নির্বাচনী বৈতরনী পার হওয়ার মানষে, এবং একবার পার হয়ে কাংখিত বন্দরে পৌছানো গেলে শুরু হয় রাষ্ট্রিয় কোষগারের সাথে প্রনয় লীলা। আজকে বাংলাদেশের তরংগে ভাসছে অগুনিত টিভি এবং রেডিও প্রচার, দৈনিক, সাপ্তাহিক এবং মাসিক পত্রিকায় সায়লাব হয়ে গেছে জনপদ। মালিকানার তলা ঘাটতে গেলে বেরিয়ে আসে শফিক রেহমানদের কদাকার, কুৎসিত চেহারা। বিনিয়োগকৃত অর্থ কি খোয়াবী তাবিজের মত চাইলেই পাওয়া যায়?

এন্ডিস পর্বতমালার বাকে বাকে (পর্ব ১) - ওয়াচডগ্‌

1.jpgকুস্‌কো এয়ারপোর্টে নামতেই আমার নামের সাইন নিয়ে মধ্য বয়সী এক মহিলাকে এদিক ওদিক তাকাতে দেখে হাফছেড়ে বাচলাম। হাত তুলে ইশারা করতে এগিয়ে এসে নিজের পরিচয় দিল, দোভাষি এবং ট্যুর গাইড। লিমার ট্রাভেল এজেন্টকে আগা-গোড়া বিশ্বাষ করতে পারিনি বলে নিজকে ধিক্কার দিলাম, ট্যুরের পুরু টাকাটা আগাম তুলে দিতেও কেন জানি মন সায় দিচ্ছিলনা। তবু দিত

স্বাধীনতার ঘোষক, হাইকোর্টের রায় এবং একটু অন্যরকম চিন্তা - WatchDog

মুজিব-জিয়া বিতর্ক রাজপথ, শিক্ষাংগন এবং সংসদ ভবন পেরিয়ে শেষ পর্য্যন্ত আদালতে ঠাই নিয়েছে। দেশের সব্বোর্চ আদালত এক ঐতিহাসিক রায়ে জিয়াউর রহমান নয়, বরং শেখ মুজিবকে স্বাধীনতার ঘোষক হিসাবে আখ্যায়িত করে এ ব্যাপারে জোট সরকারের আমলে গৃহীত দলিলাদির একটা অংশকে অবৈধ, বেআইনী এবং শাস্তিমূলক অপরাধ হিসাবে ঘোষনা দিয়েছে। সূস্থ এবং আইনের প্রতি শ্রদ্বাশীল একটা জাতির জন্যে দেশের সব্বোর্চ আদালতের রায়ই শেষ রায় (আপিল এবং সুপ্রিম কোর্ট শেষে) হওয়ার কথা, এ বিবেচনায় স্বাধীনতার ঘোষক নিয়ে রক্তক্ষয়ী বিতর্কের এখানেই বোধহয় পর্দা পরা উচিৎ ছিল। কিন্তূ বাস্তবেও কি এমনটা ঘটতে যাচ্ছে?

রাজনীতি, আহা সেই রাজনীতি!!!

ভাষার ঘোর মারপ্যাচে বাংলাদেশের রাজনীতিকে বিভিন্ন বিশেষনে ভূষিত করে এর মহিমা কীর্ত্তন করতে রাজনীতিবিদ্‌দের পাশাপাশি কাজ করছে তাদের প্রপাগান্ডা মেশিন। এই চক্রের ধান্ধায় পরে যে কেউ বিভ্রান্ত হতে পারে, তাত্ত্বিক সংজ্ঞায় রাজনীতি তথা রাজনীতিবিদ্‌দের আসল পরিচয় কবর দেয়ার এই হীন মানষিকতার আড়ালে কাজ করে অন্য এক মিশন, যার চারিত্রিক বৈশিষ্ট হচ্ছে পকেট পূর্তি। রাজনীতির স্বরলিপিতে গান গাইতে চাইলে আসুন এমন একটা

বানিজ্য মন্ত্রীর অবাধ বানিজ্য - WatchDog

সরকারের বানিজ্য মন্ত্রনালয়ের দায়িত্বে নিয়োজিত বানিজ্য মন্ত্রীর আসল কাজটা কি? বাংলাদেশের বর্তমান বানিজ্যমন্ত্রীর কথাবার্তা যারা কাছ হতে মনিটর করছেন তাদের কাছে এ এক মহা রহস্য বলে মনে হতে বাধ্য। মন্ত্রনালয়ের দায়িত্ব পেয়ে এ ভদ্রলোক বোধহয় খূশী এবং কৃতজ্ঞতায় হিতাহীত জ্ঞান হারিয়ে ফেলেছেন, মুখে যা আসছে তাই বলে যাচ্ছেন বাচাল শিশুর মত। শুক্রবার শিশু একডেমিতে বংগবন্ধু শিশু একডেমির সপ্তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে মন্ত্রী নতুন এক তথ্য দিয়েছেন; ‘ইতিহাস বিকৃত করে যারা মুক্তিযুদ্ব এবং চেতনার বিরুদ্বে অবস্থান নিয়েছে সরকার তাদের বিরুদ্বে ব্যবস্থা নেবে‘।

সমসাময়িক - WatchDog

দেশের চলমান রাজনৈতিক কাঠামো এবং এর ধারক-বাহকদের সাংস্কৃতিতে বড় ধরনের পরিবর্তন না এনে ১/১১'কে আসামীর কাঠগড়ায় দাড় করানোর চেষ্টা অনেকটা বাংলা সিনেমার সস্তা সংলাপের মত শোনায়। এ পর্য্যন্ত কোন রাজনীতিবিদকে দেখা যায়নি বিবেকের তাড়নায় নিজের অপরাধ না হোক, আন্তত ব্যর্থতার দায় স্বীকার করে রাজনীতি হতে সড়ে দাড়াতে। তাহলে আমাদের কি মেনে নিতে হবে গত ৩৮ বছর আমাদের রাজনীতিবিদ্‌দের নৈতিকতার কোন স্খলন ঘটেনি?

বাংলাদেশের আভ্যন্তরীন রাজনীতিতে ভারত ইস্যু - WatchDog

ভারত প্রসংগ টানলেই কেন জানিনা আমাদের আলোচনা সমালোচনায় বাংলাদেশের বিপরীতমূখী দু’টি রাজনৈতিক দলের প্রসংগ এসে যায়। আওয়ামী-বিএনপি, আবাহনী-মোহামাডান, ভারত-পাকিস্থান, পছন্দ অপছন্দের এই মেরুকরনে আমাদের সমগ্র জাতিসত্ত্বা যেন বিনা সূতার শৃঙ্খলে শৃঙ্খলিত হয়ে আছে অনাদিকালের জন্যে। যেমন, আওয়ামী লীগ করলেই ভারতের অপ্রতিবেশী সূলভ কাজে বোবা হয়ে থাকতে হবে, কথায় কথায় পাকিস্থানের গুষ্টি উদ্বার করতে হবে এবং খেলার মাঠ

ধীরে ম খা আলমগীর, ধীরে - WatchDog

সংবাদে প্রকাশ বিএনপি নেতা এবং প্রাক্তন পানি সম্পদ মন্ত্রী মেজর (অব) হাফিজের বিরুদ্বে ২১,০০০ (একুশ হাজার) কোটি টাকা র্দুনীতির অভিযোগ আনতে যাচ্ছে সরকারী প্রতিষ্ঠান সংক্রান্ত সংসদীয় কমিটি। প্রশ্ন জাগা স্বাভাবিক, ব্যক্তিগতভাবে মেজর হাফিজ কত টাকার মালিক! কথিত ২১,০০০ কোটি টাকার একটা সামান্য অংশও যদি এই নেতা নিজ পকেটে পূরে থাকনে তার যে অংক দাড়াবে বাংলাদেশের বেশ ক’টা বানিজ্যিক ব্যাংকের ভলট্‌ একসাথে করলেও তার ধারণ ক্ষমতা হবে বলে মনে হয়না।