If there is a serious failure or incident in any ministry, the belonging minister should step down from the power. In world perspective, this is the norm we can see.
In Bangladesh none of the political government made one simple example like this.
After Pilkhana masacre, Hasina should step down from defense ministry and Sahara should step down from home ministry.
I don't see any kind of remorse from them for their wrongdoings. They are rigid enough to eyewash people regarding this issue. Sahara Khatoon is a home minister can barely speak. I think she was on the street at her political life. She can arrogantly give the warning to opposition . She has no other voice in front of the media.
Do you think she is the competent one. All her thinking about the opposition, not the country. She does not know what the heck home ministry is ?


Comments
এটা এক ধরনের সরকারী সফলতা।
রাজাকারের বেয়াইন,আমাদের চমক প্রধানমন্ত্রী ' মিথ্যাবাদী মন্ত্রীসভা 'র মাধ্যমে মহাজোটের নেতৃত্ব দিতে গিয়া কি মহাজট পাকাচ্ছেন দেশে ?পিলখানা ঘটনা ধামাচাপা দেয়ার জন্যই BNP কে ব্যস্ত করে রাখা হয়েছে খালেদার বাডি নিয়ে। তবে BAL দের মনে রাখা দরকার সেনাবাহিনির অফিসারেরা সব কিছু গভির ভাবে দেখতেছে। এই ঘটনা ধামাচাপা দিলে কি ভয়াভহ পরিণতি হবে BAL এর নেতারা কলপনাও করতে পারবেনা কি হবে.| মইন ও হাসিনা এটাই চাইছিলো,কারন পিলখানা হত্যায় মইনও হাসিনার ভুমিকায় মানুষ তাদের সনদেহ করতেছে এবং এতে তারা যে জড়িত এতে কোনো সনদেহ নেই।হাসিনার ঘনিসট ওদলের কিছু লোকের সমপৃকততা সেনা হত্যায় দিবালোকের মত পরিসকার।ওকে ধামা চাপা দেওয়ার লাগিই মইন ও হাসিনা ঐ ইস্যু গোলো তৈরি করতেছে,তবে মানুষ এতো বোকা না,একদিনা এর জবাব ইনশাআললাহ মানুষ দিবে।বিডিআর নামের এত বড় একটা বাহিনীকে যে শেষ করে দিলেন, সেটা কি সাফল্য না ব্যর্থতা? এ হত্যাকান্ডের বিচার না হওয়াটা শুধুমাত্র হাসিনা সরকারের ব্যর্থতা নয়, এ যেন অভাগা সেই পুরো জাতিটারই ব্যর্থতা। এ এক লজ্জা। এ লজ্জা রাখব কোথায়! এ জাতির হয়েছে কি? কেউ কোন প্রতিবাদও করে না। কি আশ্চর্য্য বাংলা নামের এই দেশ।ফজলুল করিম সেলিম ও ফজলে নুর তাপসের সাথে বি ডি আর বিদ্রোহীরা তাদের দাবী দাওয়া ও লিফলেট সহ একাধিকবার দেখা করেছিলো এবং আলাপ আলোচনা করেছিলো। তদেরকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রি বরাবর আবেদনের পরামর্শ দেয়া হয়েছিলো। ধৃত বিদ্রোহিরা যখন জবান বন্দি দেয়া শুরু করেছে তখন একযোগে সেলিম তাপস নানকের বিদেশে অবস্থান কি সন্দেহজনক নয়? এটাই হচছে রাজনীতির খেলা। রাজনীতি কখনো এক জাযগায থেমে থাকে না।পুরবের ঘটনা থেকে সরে আসার জন্য রাজনীতিবিদরা নতুন ঘটনার জণম দেয। এটা দোষের কিছু নয,সরকারী দল বিরোধী দল সবাই করে তাই পিলখানার ঘটনা থেকে সরে এসে সরকার খালেদার বাড়ির দিকে জনগনের দৃষটি সরিযে এনেছে।এটা এক ধরনের সরকারী সফলতা।