বাংলাদেশঃ ঘড়ির কাঁটায় এগিয়েছে ১ ঘন্টা, রাজনীতিতে পিছিয়েছে ৩৫ বছর

Shongshoptak's picture
Posted by
Shongshoptak
Wednesday, June 24, 2009 - 7:37am BST

সুবিধাবাদের মিলন সংঘ বিএনপি গুছিয়ে উঠতে পারেনি এখনো পরবর্তী মাহফিলের জন্য। বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেট দখলে নিতে পারছেনা জামাতীরা আওয়ামী লগি-বৈঠার তান্ডবতাড়িত ভয়ে। যুদ্ধাপরাধের উপুর্যপুরি রাজনৈতিক অভিযোগে কিছুটা ক্ষয়িষ্ণু জামাতীদের নৈতিক মনোবল। জংগী তালিকায় নাম উঠে যাওয়ার ভয়ে পালিয়ে বাঁচার ম্যারাথন শেষ করতে পারছেনা অপরাপর ইসলামী জেহাদীরা।

কিংদের পতনে কিংস পার্টির রাজনীতি এতিমখানায় অসহায়ভাবে যাপিত। দেশের তাবৎ বিপ্লবী কমিউনিষ্টরা মৌ-লোভী মৌলভী সেজে প্রলেতারিয়েত বাণিজ্য ছেড়ে বুর্জোয়া আওয়ামীলীগে লীন। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ব্যাবসার আড়ালে অনুপ্রবেশ করে মুকুল বোসদের পাকা ধানে ভাগ বসিয়েছে এসব বিপ্লবী বর্গীরা। ফেরেশতারূপী ইবলিশদের প্ররোচনায় সংস্কারের ‘গন্ধম’ গিলে ‘নির্ঝরের স্বপ্নভংগ’ আওয়ামী ঈঁদুর চতুষ্টয়ের।

জীবন বাঁচানোর তাগিদে নেত্রীর বাতলানো তরিকা মোতাবেক নেত্রীর বিরুদ্ধে বলতে গিয়ে ‘কৃষ্ণ গহবরের’ অন্ধকার থেকে এখনো মুক্ত হচ্ছে না জলিল-সেলিমদের রাজনৈতিক ভাগ্য। ১/১১ এর কুশীলবদের ডেকে মিঠে-কড়া শাসানির কর্তৃত্বপরায়ণতা দিয়ে জলপাই বুটের আঘাতে সৃষ্ট ঘা সারানো প্রকল্পের চাকরি ম. খা. আলমগীরদের জন্য দারূন উপভোগ্য। মহাজোটের অংশীদার এরশাদ, হাসিনার পায়ের কাছে ‘কুকুর হয়ে বসে আছে তার ভেতরের কুকুরটাকে দেখবে বলে।’ এ যেন কোন জীবন নয়। ‘শেষ পুরোহিত কংকালের পাশা খেলা।’ অথচ ক্ষমতার পঞ্চামৃতে উদর পূর্তি করছে সহোদর গোলাম। বিবাদে আরেকবার দল ভাংগার আশংকা আর মৃত্যুপূর্ব জেল খাটার যুগপৎ ভয়। রাজনীতি ছেড়ে বৈষ্ণব সেজে পদাবলী রচনায় রত ১/১১ সরকারের উপদেষ্টা ক্রুসেডার, দেশের শ্রেষ্ঠ উকিল।

নানক আজমদের কুশলতায় সুয়ারেজের নর্দমায় সেনাকর্তাদের গলিত লাশ আর মরচ্যুয়ারীর হিমশীতল গোপন কুঠুরিতে পচনরোধক ফরমালিনে সংরক্ষিত তদন্ত রিপোর্ট। যতসব অপদার্থ বরকন্দাজের দল! যেদেশে জনকের গোষ্ঠী হত্যার বিচার হয় না, সেদেশে তোদের হত্যার বিচারের দাবীর স্পর্ধা আসে কোত্থেকে? ক্ষমতারোহনের ভাঁড়ের কলসী (সেনাবাহিনী ও বিডিআর) এর তলা ফুটো করে দেয়া হয়েছে যুতসই স্থানে যাতে প্রতিদান আদায়ের সুযোগ রহিত হয়। ‘কচি-কাঁচার’ মন্ত্রীসভায় বাংলা শাসনের পাঠদান চলছে শৈল্পিক নিপুনতায়, যেখানে most obidient pupil রা শাসন বিদ্যা শিখছে প্রশ্নবানের উপদ্রপ ছাড়াই। ঘরে বাইরের এমন অবারিত, প্রতিরোধহীন নেতৃত্বের স্বাদ আওয়ামী শীর্ষ নেতৃত্ব ভোগ করছে এই প্রথম। বাকশালের জনক এমনই এক প্রতিরোধহীন নেতৃত্বের স্বপ্ন দেখেছিলেন ৩৫ বছর আগে। সে পরিকল্পনা পূর্ণতা পাওয়ার আগেই পরি উড়ে গিয়েছিল জনকের জীবন-মূল্যের পাখায় ভর করে, থেকে গেছে শুধু কল্পনারা। আজ কল্পনাদের সেই স্বপ্ন পূরণের সাড়ে ষোল আনা। তারপরেও লোকে বলবে মুজিব ছিলেন ঝানু নেতা?

২৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৮। নির্বাচিত বাকশালের জন্মদিন। সে জন্মের মহিমা ঘোষিত হচ্ছিল দেশের তাবৎ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে, যাত্রী পারাপারের টার্মিনালে, সরকারি কলকারখানা থেকে শুরু করে অফিস আদালত ও নিভৃত গ্রামীন জনপদে। সে দিগ্বিজয়ী ঘোষনায় খুন, নির্যাতিত কিংবা নির্বাসিত হয়েছে এবং হচ্ছে প্রতিপক্ষের যতসব নচ্ছার। বাদ যায়নি নিজদলীয় প্রতিপক্ষও। তাই তিনতলা থেকে ফেলে জঞ্জাল সাফ করা হয়েছে ঢাকা মেডিকেলের ছাত্রাবাসে। হোষ্টেল থেকে ধরে নিয়ে র‌্যাবকে এনকাউন্টার করতে বাধ্য করা হয়েছে ঢাকা পলিটেকনিকে। জাহাংগীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে অপেক্ষমান তালিকা থেকে ভর্তিচ্ছু ছাত্র ছিনতাই হয়ে গেছে ছাত্রলীগের কর্মীদের হাতে নেতার ছোট ভাই ভর্তি হবে বলে। তারপরেও মানবাধিকার সমুন্নত। অবাধ্য সাংসদ নিজদলীয় লতিফকে চট্টগ্রামে ঠ্যাংগানো জায়েজ করার শতপশু নিধনযজ্ঞে মেজবানী চলছে জাতির জামাই ড. মিয়ার পিত্রালয়ে। পশু আর পেশীশক্তির এ যেন এক দিগ্বিজয়ী মচ্ছব। ভ্রমনপ্রেমী পায়রা মনি মাথায় টায়রা পরে অবিশ্রান্ত চেষ্টায় দেশে ফিরিয়ে আনছেন অর্থকরী শ্রমিকদের। ভারত থেকে টিপাইমুখের তথ্য যোগাড় করে আজ তৃপ্তির ঢেঁকুর তুলছেন সর্বত্র এই মনি মন্ত্রী। ওদিকে চলছে টিপাইমুখী নৌবিহারের রাষ্ট্রীয় আয়োজন।

পূর্বমেয়াদে নিজেদের পক্ষে আদায় করা যায়নি জনকের হত্যা মামলার রায়। সুপ্রিম কোর্ট প্রাংগনে বস্তি স্থাপন আর সুন্দরী লাঠির জংগী মিছিলও সেযাত্রা টলাতে পারেনি অবাধ্য বিচারকদের। এখন দিন বদলেছে। জিয়াকে মুছে জনককেই ঘোষনা করতে হবে স্বাধীনতার ঘোষক। নইলে.........। শাসকের অবাধ্যতার স্থান নেই বর্তমান বাংলাদেশে। বিশ্বাস না হলে দেখে নাও সেনাবাহিনীর সেইসব অবাধ্যদের পরিণতি, যারা সেনাকুঞ্জে বেয়াদবি করেছিল তাদের সহযোদ্ধাদের মৃত্যুর কৈফিয়ত চেয়ে। সাতজন চাকুরিচ্যুত, আরো সাতশ’ প্রক্রিয়াধীন।

শুধুমাত্র বিদ্যুত খাত থেকেই জোট সরকারের চোট্টারা চুরি করেছে ২০ হাজার কোটি টাকা যেখানে পাঁচ বছরে সাকুল্যে বাজেট ছিল সাড়ে ১৩ হাজার কোটি। ‘বার হাত কাঁকড়ের তের হাত বীচি’ এমন কোরাসের অসারতা দৃশ্যমান হলে মুখপাত্র বলে দিলেন এ গানের গীতিকার ও সুরকার ছিল মইন। তারা শুধু গলা মিলিয়েছিলেন মাত্র। মিথ্যাচারের দায় এড়ানোর কি অশ্লীল চাতুরী! জোট আর ১/১১ সরকারের ব্যর্থতার গীত গাইতে গাইতে সময় কেটে গেছে ৬ মাস। জাতীয় গ্রিডে যোগ হয়নি ১ মেগাওয়াটও। অদুর ভবিষ্যতেও সম্ভাবনা নেই। গ্রামীন জনপদে দিনের ২৪ ঘন্টার ১২ ঘন্টা থাকে বিদ্যুতবিহীন। ডিজিটাল বাংলাদেশের স্বপ্নে বিভোর নবীন শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার পূর্বরাত্রি কাটে মোম কিংবা কুপি বাতির ঝাপসা আলোয়। বইয়ের অক্ষরমালা অস্পষ্ট থেকে অস্পষ্টতর হয় রাতের আঁধারের সাথে পাল্লা দিয়ে। এ যেন ভবিষ্যত বাংলাদেশেরই মূর্তমান প্রতীকি প্রকাশ। তবুও দ্রোহে জ্বলে উঠেনা কানসাট কিংবা শনির আখড়া। শাসিতের এমন প্রতিবাদহীন নীরবতা শাসকদের জন্য আদর্শ পরিস্থিত বৈকি। কিন্তু বিশ্বাস নেই জনতার এই আপাত নির্লিপ্ততায়। শাসকের এমন নিরূপদ্রপ আদর্শ শাসন-পরিস্থিতি সংহত করতে চাতুরীর সীমা থাকতে নেই। তাই ফন্দি আঁটো, ফন্দি। দিবালোক সঞ্চয়ের মূলা ঝুলিয়ে দাও এদের নাকের ডগায়, সেইসংগে পরমানু বিদ্যুতের দীর্ঘমেয়াদী স্বপ্নাচার। এ দুইয়ের লাভ-ক্ষতি নিরূপনের ধুম্রজালে কেটে যাবে এ জাতির কিছুকাল। তারপর ভাবা যাবে আরেক নতুন ফন্দির ভাবনা। জনগন যে এসব ফন্দি বোঝে না, তা কিন্তু নয়। তারপরও সীমাহীন নির্লিপ্ত। দেখে মনে হয়, “শিরদাঁড়া নেই আজ বহু শরীরেই, নিজেদের মানাতে মানাতে।” এমন বাংলাদেশ আমাদের যেন চির অচেনা।

“ সাবাশ বাংলাদেশ! অবাক পৃথিবী তাকিয়ে রয়,
অপশাসনের পদাঘাতে পদানত, তবু মাথা তুলবার নয়।”

ক্ষমা ক’রো কবি সুকান্ত, তোমার কবিতার কিছু শব্দ চয়ন বদলে দিতে বাধ্য হলাম বলে। আমার বিশ্বাস, আজকের বাংলাদেশে তুমি বেঁচে থাকলে তুমিও তাই করতে।

Comments

Shongshoptak's picture

এডিটর সাহেবের দৃষ্টি আকর্ষন

প্রিয় মহোদয়,

যথাবিহীত সম্মানপূর্বক অধীনের বিনীত জিজ্ঞাসা এই যে, এই অধম উপরোক্ত শিরোনামের একই লেখা পাঠকের আলোচনার সুবিধার্থে ব্লগের পাশাপাশি forum topic হিসাবেও পোষ্ট করিয়াছিল যাহার বিপরীতে দুইজন পাঠক মন্তব্য করে। এদের একজনের ধন্যবাদসূচক মন্তব্যের বিপরীতে এ অধম ধন্যবাদ জানানোর আগেই দেখে যে তার লেখা খানি মুছে গেছে। মুছে যাওয়ার প্রমানস্বরূপ মন্তব্য সংখ্যার ক্রম আপনার সদয় জ্ঞাতার্থে সচিত্র এতদসংগে পেশ করা হইল।

Topicdelete.JPG

এমতাবস্থায় এ অধমের জিজ্ঞাসা, এই মুছে যাওয়া কি প্রযুক্তিগত ভ্রান্তি নাকি এডিটরের ইচ্ছাধীন মুছে যাওয়া। এ বিষয়ে জানিয়ে বাধিত করলে এই অধম চির কৃতজ্ঞতাপাশে আবদ্ধ থাকবে।

বিনয়াবনত,

সংশপ্তক

*******
সম্পাদকীয় নোট:

প্রিয় সংশপ্তক,
আপনার লেখাটি আমাদের ব্লগে জায়গা পেয়েছে। সেই জন্য আমরা গর্বিত। একটি লেখা আমরা দুটো জায়গায় রাখতে চাই না। আপনারা যারা ব্লগে লেখা পোষ্ট করেন, তারা যদি ফোরামেও সেটার উপস্থিতি চান, তাহলে দয়া করে ব্লগের লিংকটা দিয়ে দেবেন। তাহলে একটি জায়গায় লেখাটি থাকবে।

ফোরাম আর ব্লগের ভেতর একটু পার্থক্য রয়েছে। ব্লগে আমরা লেখকের নিজস্ব লেখাগুলো রাখতে চাই, যদিও অনেক সময় অনেকেই কপি করে দেন। আর ফোরাম হলো অনেকটা আলোচনা, যুক্তি, পাল্টা যুক্তি, প্রশ্নোত্তর ইত্যাদির জায়গা। ফোরাম হলো একটু বেশি খোলামেলা, অনেকটাই নিয়ন্ত্রণহীন। ব্লগ একটু নিয়ন্ত্রিত। আর নিউজ পুরোটাই নিয়ন্ত্রিত। এগুলোর প্রকৃতিগত কারনেই আলাদা করা হয়েছে।

তাই, আপনারা নিজস্ব গুছানো লেখাগুলো ব্লগে দিন; আর আলোচনার জন্য কোনও টপিক ফোরামে দিন।

আপনার অসুবিধার জন্য আমরা দুঃখ প্রকাশ করছি।

Shongshoptak's picture

ধন্যবাদ এডিটর

আপনার উপরোক্ত স্বব্যাখ্যাত, যুক্তিগ্রাহ্য প্রত্যাশিত উত্তরের জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ। হুবহু একই লেখা দুই জায়গায় না থাকার যৌক্তিকতা বোধগম্য। কিন্তু বিপত্তি অন্যত্র। আপনার এই সম্পাদকীয় নীতি কি শুধু সংশপ্তকের বেলায়ই প্রযোজ্য নাকি সকলের বেলায়? আমার এ প্রশ্নের কারণ, এখন দেখছি আরেকজন সম্মানিত সদস্য ওয়াচডগের (ওয়াচডগের নাম অনিবার্যভাবে চলে আসায় ওনার নিকট ক্ষমাপ্রার্থী) "স্বাধীনতার ঘোষক, হাইকোর্টের রায় এবং একটু ভিন্ন চিন্তা - ওয়াচডগ" শিরোনামের হুবহু একই লেখা আমার লেখার আগে পোষ্ট করা হলেও যুগপত ব্লগ ও ফোরাম টপিক হিসেবে স্বমহিমায় বিদ্যমান (যদি ইত্যবসরে মুছে না দিয়ে থাকেন)। এই বৈষম্য কি লেখক ও লেখার মানের শ্রেনী পার্থক্যের জন্য, নাকি অন্য কোন প্রীতি কিংবা বিবেচনাবোধ উৎসারিত? জানিয়ে বাধিত করলে খুশী হব। আবারো ধন্যবাদ।

সংশপ্তক

________

নাহ, ওয়াচডগের কিছু লেখাও ডিলিট করা হয়েছে। কিছু লেখা হয়তো আমাদের চোখ এড়িয়ে গেছে। আমাদের পক্ষে প্রতিটি লেখা পড়া সম্ভব নয়। তবে সবাইকে অনুরোধ থাকলো, নিয়মটি মেনে চলার জন্য।- সম্পাদক

boobytrap's picture

বাংলাদেশঃ ঘড়ির কাঁটায় এগিয়েছে ১ ঘন্টা, রাজনীতিতে পিছিয়েছে ৩৫ বছ

ভাই আপনার লেখাটি এক কথায় অপুর্ব , এটার জন্যে ধন্যবাদ দিয়ে ছোট করতে চাইনা।এই ই-মেলাতে বেশ কিছু ভাল লেখক আছেন যাদের লেখাতে থাকে মাধুযর্তায় ভরা, এর মাঝে কেহ BNP , BAL এর অনুসারী । এটা কোন দোষের কিছু না সাথে কিছু আছেন নির্দলীয় যাদের ক্ষুরধার লেখা পরতে ভালই লাগে।
কিছু বিপ্লবী আছেন যারা সারা দুনিয়াতে মুক্তিকামী মানুষের জন্যে জান কোরবানী করে দিবেন কিন্তু কখনো কাশ্মীর মুক্তি সংগ্রামের নাম ভুলেও মুখে আনেনা। ইরানের নেদার জন্যে মন কেদে কেদে শপথ নিচ্ছে কখনো নেদার নাম ভুলবেনা কিন্তু যে " নুর হোসেন" গনতন্ত্রের জন্যে যার হাতে প্রান দিলেন সেই
স্বৈরাচার এরশাদকে সাথে নিয়ে নির্বাচন করার জন্যে আমাদের দুই বেগম কোমরে শক্ত করে হাত দিয়ে যুদ্ধের জন্যে প্রস্তুত হয় সেই দেশের কোন বুদ্ধিজিবি কখনো প্রতিবাদ করেনা তাদেরই অনুসারীর দল এখানে ই-মেলাতে ইনিয়ে বিনিয়ে অনেক কিছুই লিখে কিন্তু দলীয় মনোভাবের বাহিরে কিছু লিখতে চায়না।

Shongshoptak's picture

ধন্যবাদ boobytrap

অসংখ্য ধন্যবাদ boobytrap আপনার সুচিন্তিত মন্তব্যের জন্য।

hridoy's picture

boobytrap...........

বাছা, বিষয়ের সাথে তো তোমার লেখার কোন মিল নাই। এসব কি লিখেছ বাছা? মুখস্হ করতে পারো নাই? আহারে বাছা, এত কষ্ট করিয়া এমন স্বাধ গন্ধহীন খিচুড়ী পাকাইলা! এটা এখন কে খাবে?

Shongshoptak's picture

ধন্যবাদ Betrayed

আমার উপরোক্ত শিরোনামে forum topic হিসেবে পোষ্ট করা অনুরূপ লেখাটির বিপরীতে আপনার করা মন্তব্যের জন্য আপনাকে আন্তরিক ধন্যবাদ। আপনার মন্তব্যের বিপরীতে আপনাকে ধন্যবাদ জানাব বলে প্রস্তুতি নিতে নিতেই দেখি আমার সেই লেখা খানা forum topic থেকে গায়েব (ইন্নালিল্লাহে......রাজেউন)। তাই বাধ্য হয়ে এই অবশিষ্ট অস্থানে আপনাকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। যদি তা আপনার দৃষ্টি গোচর হওয়ার আগেই আবার মুছে যায় তবে এই অধমের গোস্তাফি মাফ করবেন। মনে হচ্ছে এই অধমের লেখা এই ফোরামে অপাংতেয়, তাই কেবলই মুছে যায়। আপনাকে আবারও ধন্যবাদ আপনার মন্তব্যের জন্য।