বাংলাদেশঃ দিস ইস নট ফর সেল /আবু জুবায়ের

abu_zubaer's picture
Posted by
abu_zubaer
Saturday, July 11, 2009 - 3:50pm BST

আমার বন্ধু-বান্ধব শিল্পীদের কেউ কেউ আমার অনেক কথার সাথে একমত হতে পারেন না।চারুকলা থেকে পাশ করে বর্তমানে একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতায় থাকা সুলতান প্রেমী বন্ধুটিকে আমি অনেক বুঝানোর চেষ্ঠা করেছি যে বাংলাদেশ দিনে দিনে একটি আন্তর্জাতিক চক্রের কাছে বিক্রি হয়ে যাচ্ছে।সে সব সময় বলে থাকে কথাটি হাইপোথিটিক্যাল।তার কথা হলো বাংলাদেশের যতটুকু সাংস্কৃতিক উন্নয়ন বা চর্চা হয়েছে সেটা আওয়ামী ঘরনার লোকজনের জন্যই হয়েছে।এই যে মুন্তাসির মামুন কিংবা শাহরিরায় কবিরদের মত লোক কয় জন আছে বি এন পি কিংবা জাতীয়তাবাদিদের কাছে।তার মানসিক স্তর নিয়ে আমি আর কথা বললাম না।কারন আমি যদি কোন কথা বলি ও উত্তেজিত হয়ে যাবে আমি যতই বোঝানোর চেস্টা করিনা কেনো সে কোন ভাবেই বিষয়টিকে বুঝবে না।একদিন আমার কাছে জানতে চাইলো আচ্ছা বলো তোমার বাংলাদেশকে বিক্রি কারা করবে?আমি তাকে কিছু বলার সুযোগ পেলাম।বল্লাম আমি করব,তুমি করবে,আমরা করবো আমরা সবাই এখনো বাংলাদেশকে বিক্রি করছি।সে আমার কথাকে কোন গুরুত্বই দিলো না।সে আবার জানতে চাইলো কিভাবে বিক্রি হবে এই সোনার বাংলাদেশ।পাঠক আমি আমার বন্ধুটির নাম এখানে উল্ল্যেখ করতে চাইনা কারন সে এমন জায়গায় কর্ম করে খায় সেখানে রাজনৈতিক পরিচয় তাকে সমস্যায় ফেলতে পারে।আমি বলা শুরু করলাম এই দেশ স্বাধীন হয়েছে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর এটাতো তুমি জানো?
-কেনো জানবো না!
-এটা কি জানো বাংলাদেশের যুদ্ধের পক্ষে কারা ছিলো বিপক্ষে কারা ছিলো?
-হ্যা,ভারত রাশিয়া এবং ইরাক আমাদের পক্ষে ছিলো।ভূটান আমাদের প্রথম স্বীকৃতি দেয়।আর পাকিস্তান ব্লকে যারা ছিলো মানে আমেরিকা সহ অন্যান্য দেশ আমাদের বিপক্ষে কাজ করেছে,এমন কি আমাদের বিপক্ষে তারা সমরযানও পাঠিয়েছে।
-এইতো তুমিতো ভালই বুঝতে পারছো।এখন বলো বাংলাদেশের স্বাধীন হবার পর সবচেয়ে কাছের দেশ কারা ছিলো?
-কেনো ভারত আর রাশিয়া আর আমেরিকাতো এটা গৃহযুদ্ধে হিসাবে দেখেছিলো।এছাড়া ভারতের সাহায্য ছাড়াতো বাংলাদেশের উন্নয়ন তখন সম্ভব ছিলোনা এছাড়া আন্তঃর্জাতিক পরিমন্ডলে বাংলাদেশকে ইন্দিরা গান্ধি যেভাবে তুলে ধরেছেন তাতে বাংলাদেশের স্বীকৃতি দিতে সবাই বাধ্য হয়েছে।
-এটা ঠিক বলেছো,ইন্দিরা গান্ধি নিজেই বলেছিলেন আমি একটি দেশকে সৃষ্টি করলাম।ভারতের সবাই সেভাবেই দেখে।এখানে বাংলাদেশের মানুষের স্বাধীন হবার বিষয়টি থেকে তাদের জন্য মুখ্যছিলো পাকিস্তানকে কিভাবে বিভাজিত করা যায়।
-আরে বন্ধু তুমি কি জামায়াতে ইসলামে যোগ দিছো নাকি।একবারে রাজাকারদের মত কথা বলা শুরু করছো।
-দেখো তুমি ভালো করে জানো আমার পরিচয়।আর ইতিহাসের কোন কথা বললে কিংবা ঘটনা তুলে ধরলে সেটা আওয়ামী লীগের পক্ষে না গেলে রাজাকার হতে হলে তবে রাজাকারদের কদর বাংলাদেশে দিন দিন বাড়তে থাকবে।তোমার মুনতাসির মামুন এর মত ভদ্র কিন্তু জ্ঞানের মুনাফাখোররা বাংলাদেশে হিটলার মুসোলিনীর রাজনৈতিক ধারা বাংলাদেশে প্রচার করেছে একসময়।তারা এখন গনতন্ত্রের কথা বলে। দৈনিক বাংলা রবিবারের বাসরে এই সম্পর্কে তার একাধিক লেখা ছাপা হয়েছে।সময়কে ব্ল্যাক মেইলিং করে অনেকেই সুবিধা গ্রহন করেন।তারপর মনে করে বাংলাদেশের মানূষতো বেশি পড়াশুনা করে না তারা হয়তো বুঝবে না তাদের অতীত কখনও না কখনও প্রকাশ পেয়ে যাবে।
-কি বলো বন্ধু আমার মনে হয় মুন্তাসির মামুন এমন কাজ করতে পারে না।এটা তুমি অসত্য তথ্য দিচ্ছো।আমি তোমার কথা মানতে পারলাম না।
-ঠিক আছে জাতীয় আর্কাইভে এই সমস্ত কিছু দেখে আসো।এটা ৮১ কিনবা ৮২ সালের দিকের লেখা।এই সমস্ত লেখার পরেই এরশাদের খমতা দখল একধরনের সাহায্যের ইঙ্গিত হিসাবে দেখা যেতে পারে।
-হম,এটাতো বুঝলাম এই মুনতাসির মামুনের লেখার সাথে দেশ বিক্রির কি সম্পর্ক আছে?সেতো দেশ কে বিক্রি করার জন্য প্যারিসের নিলাম ঘরে যাইনি।
-এটা ঠিক বলেছো।আমারও তাই মনে হয় মুন্তাসির মামুনের মতব্যাক্তিদের পক্ষে দেশ বিক্রি করা সম্ভব নয়।তবে বিষয়টি তোমাকে আরোও ভালোভাবে বুঝাতে হবে।
এর মধ্যে ভাবি আমাদের জন্য সরিষার তেল দিয়ে মুড়ি মাখিয়ে নিয়ে আসলো।শুক্রবারের বিকালটা খুব খারাপ কাটছিলো না।তবে আমি আমার বিশ্লেষগুলো যুক্তির সাথে উপস্থাপন করবার চেষ্টা করতে থাকলাম।
-দেখো ভারতের সাথে আমাদের সম্পর্ক অত্যন্ত ঘনিষ্ট কিনা সেটা নিয়ে বাংলাদেশের মানুষ খুব ভালোই জানে।আমারতো মনে হয় তোমারো সেটার বেপারে উপলব্ধি আছে।
-এটা আমি মানতে পারছিনা।ভারতের একটা বিশাল কালচার আছে।তারা নানা ধরনের সংস্কৃতিকে লালন করে কিন্তু আমরা সেটা পারিনা এই যে মৌলবাদ এবং কিছু পলিটিক্যাল কারনে।তারা শিল্পের মর্জাদা বোঝে।
-আর বাংলাদেশের মানুষ শিল্পের মর্জাদা বোঝে না তার মানে তুমি এটা বলতে চাচ্ছো!তুমি বারোদাতে পড়াশুনা করেছো সেই হিসাবে তোমার একধরনের দুর্বলতা থাকে পারে।কিন্তু ভারতের নিজস্ব সাংস্কৃতিক পরিচয় তেমন ভাবে গড়ে উঠে নাই।ভারতের যেটা আছে সেটা হলো আঞ্চলিক সংস্কৃতি।যদি আমরা ভারতের একেকটি প্রদেশকে তার বৈশিষ্ট্য হিসাবে দেখি তাহলে ঠিক আছে।কারন ভারতের প্রতিটি প্রদেশই নিজস্ব সাংস্কৃতিক চর্চায় সমৃদ্ধ।মজার ঘটনা হলো।বাংলাদেশের স্বাধীনতার জন্য ভারত পুর্ব পাকিস্তান থেকে বাংলাদেশের রুপান্তরে সাহায্য করলো কিন্তু তাদের মধ্যে এতো জাতি আছে তাদের প্রতি দরদ দেখালো না।তাহলে কি দরদ কেবলমাত্র আমাদের জন্যেই ছিলো।এই বিষয়টি আমাদের জন্য খুবিই ইম্পোর্ট্যান্ট।
-তুমিতো দেখি অন্য দিকে চলে গেলে।দেশ বিক্রির সাথে ভারতের সংস্কৃতি আর ভারতের আঞ্চলিক সংস্কৃতির কি পার্থক্য আছে?আমি তোমার কথা কিছুই বুঝতে পারছিনা।
-হা,আস্তে আস্তে বুঝতে পারবে।তোমার মত বাংলাদেশের সকল মানূষ একদিন বিষয়টাকে চাক্ষুষ দেখতে পারবে।
-দেখো তুমি বিভিন্ন বুদ্ধিজীবিদের কথা বল্লে।দেখো শাহরিয়ার কবির সারা পৃথিবী ঘুরে বেড়িয়েছে বাংলাদেশের জনগনের পক্ষে কাজ করবার জন্য।যুদ্ধ অপরাধিদের ব্যপারে তার ভুমিকা তাকে দেশ প্রেমিকের মর্যাদায় নিয়ে গেছে।
-হম,এটা তুমি ঠিক বলেছো।বাংলাদেশের মানুষের ভ্রমনের লোভ এবং একটু পলিটিক্যাল খাতির সবসময় আশা করে।শাহারিয়ার কবিররা যা করছে এটা আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক ব্র্যাঞ্চ হিসাবে কাজ করছে।এই ঘাদানিক এর পক্ষে দেশের স্বাধীনতার কথা বলা হয় না।ভারতের আগ্রাসনের কথা বলা হয় না।তারা কেবল ভারত ভ্রমন করে আর এদেশের স্পর্শকাতর বিষয়গুলো নিয়ে কথা বলে দেশের ভাবমূর্তি নষ্ট করে ।শুধুমাত্র বিদেশ ভ্রমন এবং নাম কামানোর লোভে অনেকেই এমন কাজ করে যাচ্ছে।যেমন আরেকটি সংগঠন সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট।যদিও আরন্যক নাট্যদলের নাট্যকর্মি হিসাবে থাকার সুবিধার্থে আমি কয়েকদিন সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটে স্বেচ্ছাসেবক হয়ে কাজ করেছি এবং দেখেছি সেখানে কি হয়।আসলে আওয়ামী লীগের সহযোগি সংগঠন ছাড়া ওটা আর কিছুই নয়।তাদের বৈশিষ্ট্য এমন হয়েছে যে তারা এদেশের সাংস্কৃতিক নেতৃত্ব তাদের হাতে।যত ভারতের কাছে ঘেষা মানুষজন আছে তাদের একটা ক্লাবে পরিনত হয়েছে এটি।এরশাদ বিরোধী আনোদলের চেতনায় গড়ে ওঠা এই সংঠনের আর কোন নৈতিক অস্তিত্ব নাই।মূলত এই জোটের সাথে বাংলাদেশের মূলধারার সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব্যদের সম্পর্ক নেই।তাদের একটা সুবিধা আদায়ের চক্র তৈরি হয়েছে যেখান থেকে তারা নানা প্রকারের সরকারি সুবিধা কিংবা ভারতীয় সুবিধা পেয়ে থাকে।এই সংগঠন বাংলাদেশের সংস্কৃতিকে জিম্মি করে এক ধরনের সুবিধা প্রাপ্তির রঙ্গমঞ্চ তৈরি করে রেখেছে।শুধুমাত্র তাদের পক্ষের কিছু বুদ্ধজীবি এবং সমর্থক মারা গেলে একটা গেটটুগেদার প্রোগ্রাম করা তাদের একটা স্টাইল হয়ে গেছে।তাদের বাইরে অন্য কেউ মারা গেলে তাদের লেজ টাও দেখা যায় না।একুশের চেতনা কিংবা আমাদের স্বাধীনতার যুদ্ধকে তাদের সাংস্কৃতিক চেতনার প্রধান নিয়ামক হলেও তাদের কোন প্রকার দেশাত্ববোধের পরিচয় পাওয়া যায় না এর বদলে বানিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপনের মত এই সমস্ত রাষ্টীয় আবেগকে জনগনকে রবীন্দ্রনাথের প্রেমের গানের মুর্ছনায় ভুলিয়ে তাদের আসল কাজটি করছে।তাদের নানা অনুষ্ঠানে কি পরিমানে অর্থ খরচ করা হয় এবং বাংলাদেশের মত একটি দেশে এই অনুষ্ঠান গুলোর খরচ কারা বহন করে সেটা অনেকের কাছে সন্দেহের সৃষ্টি করেছে।বাংলাদেশের নতুন প্রজন্মকে কাদের টাকাই বিভ্রান্ত করা হচ্ছে এবং তাদেরকে একটি দলের পক্ষে আবেগ তৈরি করা হচ্ছে সেটা দেখার এখনি সময়।
-আরে তুমি এইসব কি বলো।সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের ইতিহাস আমি জানি।ছড়াকার ফয়েজ আহমেদের সাথে আরো অনেকে মিলে এটা করেছিলো।তবে আমি এটা জানতাম যে এটা এরশাদ বিরোধী আন্দোলনের ফসল।
-তুমি ঠিকই জানো।আসলে সম্মিলিত সাংস্কৃতিক দল তৈরি হয়েছিলো একটা চেতনাকে ধারন করে।সেটা স্বৈরাচার এরশাদের পতনের জন্য।এই রকম ভাবে কবি শামসুর রহমানের হাত ধরে কবিতা পরিষদ।ঐ একি রকমভাবে কবিতা পরিষদ আওয়ামী কবি পরিষদে পরিনত হয়েছে।কবিতা পরিষদ এখন বাংলাদেশের কবিদের সংঠনের বদলে ভারতের কবিদের একটা রিসিপশন সেন্টারে পরিণত হয়েছে।এখানে ভারতের বাংলাদেশ বিরোধী ষড়যন্ত্রীদের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করা হয়।এখন কবিতা পরিষদ গঠনের সাথে যারা ছিলো তাদের অনেকেই নেই।এখানেও একটা সুবিধবাদি চক্র কবিতা পরিষদকে আওয়ামী লীগের বশ্যতা স্বীকার করিয়ে রেখেছে।আওয়ামী লীগ যদি এখন দেশকে ভারতের কাছে তুলে দেয় তাহলে এই ধরনের সংগঠনগুলো বলতে পারে যে এটা আমাদের সাংস্কৃতিক ঐক্যের সফলতা।আমাদেরকে দেশের সীমারেখা দিয়ে কেউ আটকে রাখতে পারবে না।আমরা একসাথে নাচবো,গাইবো,বৃন্দ আবৃত্তি করবো এবং আমরা বাংলাদেশকে একটি রাজ্য হিসাবে এই উপমহাদেশের নাম উজ্জ্বল করবো।কস্ট থেকে কথাটা বললাম।কারন এরা একুশ কিংবা একাত্তরের কথার মধ্যে আটকে আছে।আর পাকিস্তান শব্দটা হয়ে গেছে সহজবুলি।যেখানে ভারত স্পস্টতই বাংলাদেশের বিপক্ষে নানা প্রকারের চাপ দিয়ে যাচ্ছে তখন তাদের চুপ করে বসে থাকা জনগনকে অবাক করছে।
-হুম,এটা ভালো বলেছো বন্ধু।
-কয়েক বছর আগে আমি আজমির গিয়েছিলাম আমার বন্ধুর বিয়ের অনুষ্ঠানে অংশ নেবার জন্য।ফেরার পথে কলকাতায় সদর স্ট্রিটের পথ ধরে আমি হেটে যাচ্ছি।হঠাত পেছোন থেকে একজন ডাক দিলো...জুবায়ের...জুবায়ের ..এই জুবায়ের.আমি পেছনে ফিরে দেখি কবিতা পরিষদের সর্বকনিষ্ঠ সদস্য তরুন লেখক আসলাম সানি এবং আবৃত্তিকার শাহাদাত হোসেন নিপু।আমি ডাক শুনে তাদের দিকে এগিয়ে গেলাম।কুশল বিনিময় করলাম জানতে চাইলাম এইখানে যে।নিপু বল্লো আমরা এইখানে প্রায় আসি।আমি জানতে চায়লাম কি কোন প্রগ্রাম আছে নাকি?না,তেমন না।ঐখানে দেখলাম আরো কয়েকজন আছে যাদের আমি চিনতে পারলাম না।আসলাম সানি আমাকে পরিচয় করিয়ে দিলো তাদের সাথে।আমার সাথে পরিচয় করিয়ে দিচ্ছে এইভাবে ইনি বাংলাদেশের একজন লেখক..তার বাবা এক সময় মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন..সংগে সঙ্গে কলকাতার একজন লেখক আমাকে প্রশ্ন করলো যে আপনার বাবাকে আমি জানি।তার লেখা পড়েছি।একটু অবাক হয়ে তিনি জানতে চাইলেন তিনি কি এখন মুক্তিযোদ্ধা নেই?আমি সংগে সঙ্গে উত্তর দিলাম এই আসলাম সানিরা যেদিন মুক্তিযুদ্ধের খেতাব ছিনিয়ে নিয়ে গেছে ঠিক সেই দিন থেকে তিনি আর মুক্তিযোদ্ধা হিসাবে থাকতে পারেন নাই।
ভারতের সাথে যোগাযোগ করবার জন্য ঢাকাতে একটা সক্রিয় লিয়াঁজো টীম কাজ করে।যারা বাংলাদেশে ভারত বিরোধী কোন কর্মকান্ড এদেশের শিল্পী সাহিত্যিকরা করতে না পারে সেই ব্যাপারে তার জন্য নানা কৌশল অবলম্বন করে।বাংলাদেশের বুদ্ধীজীবি নিয়ন্ত্রন করলেই যে এদেশের মানুষকে কুইনাইন খাওয়ায়ে টিপাইমুখের মত আরোও কত কিছু করা যায় সেটা ভারত ভালোভাবেই বুঝতে পেরেছে।
এরপর আমার বন্ধু আবার জানতে চাইলো দেশটা কোথায় বিক্রি হলো সেটাতো আমি বুঝতে পারলাম না।আমি তাকে আরেকদিন আরো ভালোভাবে বুঝিয়ে বলবো বলে সেদিনের মত বিদায় নিয়ে চলে এলাম।এরপর ও আমাকে ফোন করল।কুশল বিনিময়ের পর জানতে চাইলাম খবর কি?সে বল্লো আমি প্যারিসে যাচ্ছি।আমার পাচঁটা ছবি ওখানে প্রদর্শিত হবে।আমি তাকে কংগ্রাচুলেট করলাম।তারপর সে প্যারিস থেকে মেইল করে আমাকে জানালো যে সে প্যারিসে বাংলাদেশকে বিক্রি করে নাই।পাচঁটার মধ্যে চারটি পেইন্টিং বিক্রি হয়ে গেছে।আর যেই পেইন্টিং এর শিরোনাম শুধুই “বাংলাদেশ” সেটার নিচে সে লিখে রেখেছে-Bangladesh : This is not for sale.

Comments

আমজনতা's picture

ভাই কি বলেন কিছু বুঝি না

ভাই যদি মুসলমান হয়ে থাকেন তাহলে গীবত করা থেকে বিরত থাকেন।আপনার লেখাতে শুধু অপরের নামে বদনাম করার অপচেষ্টা ছারা অন্য কিছু পেলাম না।

বাংলাদেশের স্বাধীনতা কে ভারতের ষড়যন্ত্র হিসাবে না দেখে বাংগালীর বিজয় হিসেবে ভাবতে চেষ্টা করেন, এটা খুবই জরুরী, নিজেদের আত্মসম্মানের ব্যাপার।