
মেরুকরনের অক্টোপাস হতে বাংলাদেশে মৃত্যুও বোধহয় মুক্ত নয়। বেচে থাকতে যেমন চাই পায়ের নীচে মেরুর শক্ত মাটি তেমনি মরণেও মেরুর দাপট একজন বাংলাদেশীকে তাড়িয়ে নেয় কবর পর্য্যন্ত। এখানে মানুষের জন্মমৃত্যু শুধু মানুষ হিসাবেই নয় তার সাথে থাকা চাই তার দলীয় এবং আদর্শগত পরিচয়, এবং তখনই কেবল সে পূর্ণাংগ মানুষ।
অনেক জল্পনা কল্পনা শেষে বিডিআর ম্যাসাকারের সরকারী ভার্সন প্রকাশিত হয়েছে। যেহেতু বিডিআর’এ নিহত সেনা অফিসারদের মৃত্যুর কোন দলীয় এবং আদর্শগত ভিত্তি ছিলনা, তাই বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে তাদের মৃত্যুও কোন পূর্ণাংগ মানুষের মৃত্যু ছিলনা। একদল ’পূর্ণাংগ’ মানুষের দলীয় মগজে সেনা অফিসারদের মত দলহীন, মেরুহীন অপূর্ণ মানুষদের মৃত্যু কতটা দাগ কাটতে সক্ষম হয়েছিল তার উপর ভিত্তি করেই বোধহয় রচিত হয়েছে হত্যাকান্ডের উপর সরকারী উপন্যাস।
সময়টা ছিল জেনারেল জিয়ার উত্তরসূরী জেনারেল এরশাদের সময়। সীমাহীন লুণ্ঠন বাংলাদেশে ততদিনে রাজনৈতিক ভিত্তি খুজে নিয়েছে, র্দুনীতির কাঠামোগত বৈচিত্র আবিস্কারে জেনারেল জিয়ার উচ্ছিষ্ট ল্যফট্ন্যান্টের দল দিনরাত গবেষনা করে চলছে এরশাদের জাতিয় পার্টির ছত্রছায়ায়। পাশাপাশি দুই বেগমের সেনাপতিরা ক্ষমতার স্বাদ হতে লম্বা সময় ধরে বঞ্চিত হয়ে বুলিমিয়া রোগের দারপ্রান্তে প্রায়। এমনই এক প্রেক্ষাপটে ক্ষমতা দখলের রশি টানাটানিতে নতুন এবং এফ্যাক্টিভ ফ্যাক্টর হয়ে উদয় হয় লাশ। লাশের গন্ধ কুকুরের মত টানতে শুরু করে রাজনৈতিক নেতা কর্মীদের। একদিকে ক্ষমতার আলী বাবা, অন্যদিকে ক্ষুধার বাসন্তীর দল, এই দুইয়ের মাঝে তফাৎ হয়ে দাড়ায় লাশ। প্রতিদিন নেতা-কর্মীর দল উদগ্রীব হয়ে অপেক্ষায় থাকে নতুন লাশের খবরের আশায়। আবার একই লাশ নিয়ে শুরু হয় ত্রিমূখী টানাহেচড়া। এমনি এক লাশের দাবি জানাতে আওয়ামী নেতারা ঢাকার তেজকুনী পাড়ার দিকে ধাবিত হয় সদলবলে, বজ্রমুঠী আর পেটে ক্ষুধার দাউ দাউ আগুন তাদের চলার পথে নতুন মাত্রা যোগ করে। অন্যদিকে আমানুল্লাহ আমান এই লাশ কিছুতেই আওয়ামী শিবিরে যেতে দেবেন্না, যে করেই হোক লাশের জাতিয়তাবাদী সৎকার করতে এই তরুন নেতা দৃঢ় প্রতিজ্ঞ। দু’দলেরই অফিস হতে লাশের মালিকানা নিয়ে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়ে গেছে, স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন বেগবান করতে এই মৃত্যু যে বিফলে যাবেনা তা নিয়ে নেত্রীদ্বয়ও ভাষন দিয়ে ফেলেছেন, এক কথায় ফেরার কোন রাস্তা নেই। দু’দল যখন লাশের মালিকানা নিয়ে মুখোমুখি তখনই মৃতের স্ত্রী এসে দাবি করল এ লাশ রাজনীতির লাশ নয়, নেহাতই ঠেলা গাড়িওয়ালার মৃতদেহ, হাংগামার বেড়াজালে আটকে প্রাণ হারিয়েছে। যে যুদ্ব শুরুই হয়নি তাতে দু’পক্ষ রনে ভংগ দিয়ে রওয়ানা দিল নতুন এক লাশের সন্ধানে। পথচারীদের দয়া ভিক্ষায় স্ত্রী তার মৃত স্বামীর দাফন করতে বাধ্য হয় মেরুর মাটিতে বেওয়ারিশ প্রায় লাশ। ঢকা বিশ্ববিদায়লয়ে দু’টি লাশ পরেছে, এরশাদের ছাত্র সমাজের লাশ। কবি এরশাদ কবির ভাষায় বর্ণনা করলেন এই অপমৃত্যুর বিভিষিকা। দিন শেষে নিশ্চিত হল, দু’টি নয় আসলে লাশ পরেছে একটি, অন্যটি লাশ হলেও পূর্ণাংগ মানুষের লাশ নয়, একজন মেরুহীন রিক্সাওয়ালার লাশ। ত্যাক্ত বিরক্ত ক্ষমতাসীন দল হেলিকÌটারে চড়িয়ে পূর্ণাংগ লাশ পৌছে দেয় তার শেষ ঠিকানায়, অপূর্ণ লাশের সৎকার করতে এগিয়ে আসে আঞ্জুমান এ মফিদুল ইসলাম। বাস, ট্রাক আর গরুর গাড়িতে চড়ে জীবনের শেষ জার্নি সমাপ্ত করে বেচারা রিক্সাওয়ালা।
সেনা ছাউনির চুরি চামারী বাংলাদেশের র্দুনীতির বাজারে নতুন কোন পন্য নয়, এ পন্য রাজনৈতিক চুরি চামারীরই সগোত্রীয় ভাই। এরা একে অন্যের সহায়ক এবং নিয়ামক শক্তি হিসাবে বেচে থাকে। বিডিআর’এ সেনা অফিসারদের প্রেষনে প্রেরনের অন্যতম কারণ হচ্ছে সীমান্তের লূটের পয়সায় ভাগ বসানো। বিদেশী মিশনে কাজ করে কিছু নগদের মুখ দেখা ছাড়া সেনা অফিসারদের ভাগ্য ফেরানোর একটাই রাস্তা খোলা থাকে, তা হল বিডিআর’এ যাওয়া। একজন সেনা অফিসার তার সার্ভিস সময়ের সবটাতেই অধীর আগ্রহে অপেক্ষায় থাকে সে মহেন্দ্রক্ষনের। শুধু বিডিআর’এ গেলেই যথেষ্ট হবেনা, দেখতে হবে বাংলাদেশের কোন সীমান্তে সে যাওয়া। কারণ সব সীমান্তে সমান আয় হয়না। এ নিয়েই বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিডিআর। মাঝে মধ্যে ভারতীয় বিএসএফ’এর সাথে গোলাগুলি করে তারা জাতীয় খবরে চলে আসে যা আমাদের মত সাধারণ মানুষদের ভারতকে ঘৃনা করতে রসদ জোগায়। কিন্তূ একটা খবর জাতীয় খবর হয়না, বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তের সব গোলাগুলিই চোরাই কারবারীর বখড়া নিয়ে দুই সীমান্ত বাহিনীর হাতাহাতি মাত্র। সীমান্ত বাসিন্দাদের জীবন আর চোরাইকারবারীতে রাজনীতি এবং সেনা অফিসারদের সহাবস্থানের কথা কোন উপকথা নয়, এ আকাশ আর মাটির মতই সত্য। এ সত্যই বিডিআর’এ কর্মরত সাধারণ সেপাইদের মনবেদনার অন্যতম কারণ, কে চায় রান্না করা ভাতে আগন্তূকদের ভাগ?
বিডিআর সেপাইদের কি জানা ছিলনা সেনা অফিসারদের কচুকাটা করলে কোর্টমার্শাল শেষে তাদের রশিতে ঝুলানো হবে? বোধহয় জানা ছিল, প্রশ্ন জাগে, জেনে শুনে কেন তারা রশিতে ঝুলতে গেল! এখানেই আসে রাজনৈতিক সম্পৃক্ততার সন্দেহ। বিদ্রোহীর দল খুনের আগে আওয়ামী লীগ এবং বিএনপি নেতাদের সাথে দেখা করেছে, নিয়মিত ফোনে যোগাযোগ রক্ষা করেছে। সরকারী উপন্যাসে সে কথার কোন বিবরন নেই, যেমন নেই কোন দূর দৃষ্টতার বিচারে প্রধানমন্ত্রী বিদ্রোহী নেতা ডিএডি তৌহিদকে জরুরী ভিত্তিতে বিডিআর প্রধান হিসাবে ঘোষনা দিয়েছিলেন। নাকি আজম চৌধুরীর মামলা প্রত্যাহারের মত সে সত্যও প্রত্যাহার হয়ে গেছে? প্রশ্নটা অন্যভাবে করা যায়, শেখ হাসিনা এবং তার সদ্য জেল ফেরত ফেরেশতা দলের কি এমন হারানোর ছিল সেনা অফিসারদের মৃত্যুতে? সেনাছাউনির বিরুদ্বে হাসিনার ক্ষোভ অনেকদিনের; পিতা, মাতা, ভাই বোন সহ পরিবারের সবাইকে হারাতে হয়েছে এই বাহিনীর পশুত্বের কাছে, তাদেরই কারণে এক বছর ধরে জেলের ভাত খেতে হয়েছে, চাঁদাবাজি চুরি চামারি সহ আয়ের সব পথ বন্ধ হয়েছে তাদেরই কারণে। সুতরাং এই বাহিনীর এলিটদের বিডিআর জওয়ানরা কচু কাটা করছে এমন সংবাদে শেখ হাসিনার মমতা উথলে উঠবে এমনটা আশা করা হবে দূরাশা মাত্র। বরং প্রতিশোধের যে মিশন নিয়ে শেখ কন্যা রাজনীতিতে এতদিন আকরে ছিলেন বিডিআর জওয়ানরা সেনা অফিসা্র হত্যার মাধ্যমে সে মিশনের অনেকাংশই পূর্ণ করে দিয়েছে। মার্কিন দেশে ৯/১১’এর ঘটনায় শত শত নীরিহ মানুষের মৃত্যুর পর সৌদি আরবের হারেম শরীফগুলোতে দুম্বা জবাই করে, আকাশে গুলি ছুড়ে উদযাপনা করেছিল মানব হত্যার উৎসব। আবার বাদশাহী সাম্রাজ্যের যুবরাজ তালাত বিন সৌউদ দশ মিলিয়ন ডলার পকেটে পুরে ভিক্ষা দিতে এসেছিলেন নিউ ইয়র্ক বাসীদের। মেয়র জুলিয়ানী ঘৃনাভরে ফিরিয়ে দিয়েছিলেন এমন গরু মেরে জুতা দানের ভিক্ষা। বিডিআর হত্যাকান্ড নিয়ে বাংলাদেশের রাজনীতিবিদ্দের সমসাময়িক আহাজারি ৯/১১ উত্তর সে ঘটনার কথাই মনে করিয়ে দেয়। দুঃখ নয়, সেনাহত্যার খবর বরং আনন্দ বয়ে এনেছিল জেলখাটা চোরদের অন্তরে।
একজন তোরাব আলী , লেদার লিটন এবং পিন্টুকে ভিলেন বানিয়ে বিডিআর হত্যাকান্ডে রাজনৈতিক সম্পৃক্ততাকে খাটোকরা ছিল খুব সহজ, কারণ এদের উপরের লেভেলে কাউকে সনাক্ত করতে গেলে স্বয়ং প্রধানমন্ত্রীর রোষানল হবে শেষ রায়। কমিশনের কেউ এমন কাজ করে নিজের মা-বাবার দেয়া পৈত্রিক জান নিয়ে বাজি খেলবে বাংলাদেশে ইহকালে তা সম্ভব নয়। তাই আসুন, হত্যাকান্ডের উপর সরকারী উপন্যাসকে বেষ্ট থ্রিলার হিসাবে গন্য করে এর সবটুকু উপভোগ করতে চেষ্টা করি।

Comments
শেষ অধ্যায় - WatchDog
জনাব,
আপনার সাথে পাল্টাপাল্টি লেখার শেষ অধ্যায়ের সূত্রপাত করছি। বাংলাদেশের রাজনৈতিক নিক্তিতে ডঃ ইউনুসকে মাপতে গেলে তার পাল্লা দশ মন ওজনের অপরাধে হেলে পরতে বাধ্য। কারন কি জানেন? উনি রাজনীতির ফাকা ময়দানে পেনাল্টি গোল করতে চেয়েছিলেন। সেনাবাহিনী যদি ডঃ ইউনুসকে ছলেবলে যে কোন প্রকারে রাজনীতিতে প্রতিষ্ঠা করতে পারত দেশের রাজনীতিবিদ-কাম-প্রফেশনাল চোরদের জন্য তা হত হাতে হারিকেন ধরিয়ে দেয়ার শামিল। বাংলাদেশী গনতন্ত্রের মহাযূগীয় গোলকধাধায় কি এমন মহাভারত অশুদ্ব হয়ে যেত তার মতন আর্ন্তজাতিক ব্যক্তিত্ব রাজনীতির ময়দানে পা রাখলে? চুরি বেড়ে যেত? বিদেশীরা দেশ দখল করে নিত? না-কি চোরাই পরিবারের আয়-রোজগারে ছাই পরত? হতে পারত অনেক কিছুই, কিন্তূ বাস্তবতা হচ্ছে ডঃ ইউনুস রাজনীতিতে আসেন্নি, এমনকি রাজনীতি নিয়ে কোন উচ্চবাচ্যও করেন্নি। হতে পারে বাংলাদেশী পেশাজীবি চোর এবং তাদের সহযোগীদের কাছে ডঃ ইউনুসের উত্থান চোরাই পর্বের নতুন এক উপাখ্যান, যা আলাদিনের আশ্চর্য্য প্রদীপের সংজ্ঞায় ঠাট্টা করা যেতে পারে। কিন্তূ বাস্তবতা হচ্ছে, ডঃ ইউনুস নোবেল পুরস্কার প্রাপ্ত এমন এক ব্যক্তিত্ত্ব যার পরিচিতি বিশ্বব্যাপী। তার আবিস্কৃত মাইক্রো ক্রেডিট পদ্বতি পৃথিবীর দেশে দেশে কাজ করছে। এই ব্যক্তি রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ চষে বেড়াচ্ছেন, পাশাপাশি বাংলাদেশের নাম ছড়িয়ে দিচ্ছেন উত্তর হতে দক্ষিন গোলার্ধ। অন্যদিকে রাজনীতিবিদ্রাও নাম ছড়াচ্ছেন, যার প্রাপ্তি র্দুনীতিতে পরপর চারবার বিশ্বচ্যম্পিয়ন। বিডি গ্রুপের মত আপনিও বলতে পারেন নোবেল পুরস্কার ছিল বাংলাদেশ দখলের গ্রাউন্ড ওয়ার্ক, আর রাজনীতিতে প্রতিষ্ঠা হত বাংলাদেশী সম্পদ কুক্ষীগত করার নীল নক্সায় শেষ পেরেক। এ আপনাদের স্বাধীন চিন্তার রাজনৈতিক সংস্করন, সাধূবাদ জানাই। এ ধরনের অলীক তত্ত্বের গবেষক আমি নই। বাংলাদেশ নিয়ে পৃথিবীর সব দেশ ষড়যন্ত্রে লিপ্ত এমন তত্ত্ব খালেদা জিয়া এবং তার শার্দূল বাহিনীর মুখে মানায় ভাল, আমি এ আসমানী কিতাবের ধারক বাহক নই।
আমি কোন ব্যক্তির পূজারী নই, পূজারী ব্যক্তির কাজের। আপনার মত বিডি গ্রুপের সদস্যদের হয়ত মনে পরবে শহীদ জিয়ার নতুন কুড়ি, চোখে ভাসবে খালকাটা বিপ্লব আর নিরক্ষরতা দূরীকরনের মহা আয়োজন। কিন্তূ এসব উপকথা বাংলাদেশের একজন মানুষের মুখেও ভাত যোগাতে সহায়তা করেনি, বরং জন্ম দিয়েছে আলু, ফালু, কালুদের মত ভয়াবহ সন্ত্রাষী। বাংলাদেশে লাখ লাখ ছিন্নমূল মানুষ গ্রামীন ব্যাংকের সহায়তায় নতুন করে বাচতে শিখছে, এ সত্য প্রকাশ কুরুচী হতে পারেনা। কোনাটাতে আপনাদের মাথা ব্যাথা, ছিন্নমূল মানুষের মানবেতর বেচে থাকা, নাকি বেশী সূদে টাকা নিয়ে বেচে থাকার লড়াই?
আমার গল্পের এমন কোন অধ্যায় নেই যা প্রকাশ করলে আমার দেশে যাওয়া ব্যহত হবে। তাই সেনা-বিডিআর সিন্ডিকেটের সীমান্ত ব্যবসা প্রকাশ করতে আমার কোন দ্বিধা নেই। আমি লিখি আমার অভিজ্ঞতা হতে, ষড়যন্ত্রের কাচ্চি বিরানি হতে নয়।
যবনিকা।
WatchDog এর জ্ঞান বিতরণ
WatchDog বলেছেন, বিডি গ্রুপের মত আপনিও বলতে পারেন নোবেল পুরস্কার ছিল বাংলাদেশ দখলের গ্রাউন্ড ওয়ার্ক, আর রাজনীতিতে প্রতিষ্ঠা হত বাংলাদেশী সম্পদ কুক্ষীগত করার নীল নক্সায় শেষ পেরেক।
বিষয়টি এতই সহজ সমীকরণ, তবে কেন বৃটিশরা ব্যবসার নামে এই দেশ দখল করলো , আর ফ্রান্স কেনই বা আফ্রিকাতে উপনিবেশ রাজত্ব করে চলেছে ... মি ওয়াচডগ, আমাদের দেশে যে রুপ রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা আছে এই রুপ অভিযোগ আরোও অনেক দেশেই পাওয়া যাবে।
ইউনুস সাহেবর আপনি ভক্ত, সেটা আপনের লেখাতেই বুঝা যাচ্ছে ...তাতে আমার আপত্তি নেই...আচ্ছা বলুন তো ইসুনুস সাহেবের নোবেল পাবার পর পর কেন গ্রামীনের লোগ চেঞ্জ হয়ে গেলো ...এতে কি দেশের ভাবমুর্তি
বাড়লো? আপনি বলে চলেছেন ইউনুস সাহেব বিদেশে বাংলাদেশে ভাবমুর্তি গড়ে তুলতে ব্যস্ত ...আচ্ছা আপনি দেখাতে পারবেন, ইউনুস সাহেব টিপাই মুখে বাধের ব্যাপারে কোন দেশে গিয়ে বাংলাদেশের পক্ষে কিছু বলেছেন? ফারাক্কা ইস্যু নিয়ে বাংলাদেশে গভীর পরিবেশ বিপর্যয় হয়ে চলেছে এটা নিয়ে কি তার কোন চিন্তা আছে? নাকি বিদেশী ওয়াইনে মজা পেয়ে গেছে?
সুশীল পত্রিকা, প্রথম আলো শপথের নামে তরুন কোমল মতি যুব সমাজকে সুক্ষ্ণভাবে ব্যস্ত রাখছে ...টিপাইমুখে বাধ নিয়ে সুশীলেরা একেবারেই চিন্তিত নন ...বিষয়টি গোলমাল পাকিয়ে গেল না ...মি ওয়াচডগ আপনিও বুঝি এখানে টিপাই মুখে ভারতের বিপক্ষে কিছু লিখতে বিব্রতবোধ করেন। অনেকেই মনে করেন, তাতে নাকি উনাদের ৭১ এর চেতনার খুরধার কমে যেতে পারে।
WatchDog বলেছেন, আমি লিখি আমার অভিজ্ঞতা হতে, ষড়যন্ত্রের কাচ্চি বিরানি হতে নয়।
তাই যদি হয়, তবে আমার বলতে আপত্তি নেই, কারো ব্যক্তিগত আক্রোশের জন্য দেশ ফকুরুদ্দিন সাহেবদের হাতে চলে যাক, এটা বাংলাদেশের কারো কাম্য নয়। দেশে অনেকেই আপনের থেকেও অনেকে লাঞ্ছনা পেয়েও এদেশে পড়ে আছে। বিদেশ বিভুয় থেকে নিজ ব্যক্তিগত আক্রোশ মিটিনোর জন্য অসত্য, ভুয়া, ভিত্তিহীন তথ্য দিয়ে প্রতিদিন রাজনৈতিক কর্মী, নেতাদের চরিত্র হরন করেই চলেছেন ...ফকুরুদ্দিন সাহেবেরা এতই ফেরেস্তা হলে উনাদের কেউ কেউ এখন আমেরিকাতে আশ্রয় চাচ্ছেন কেন??? আর ফকুরুদ্দিন সাহেবই বা কেন আসামী হাসিনাকে নির্বাহী আদেশে বিদেশে কানের চিকিতসার জন্য অনুমতি দিয়েছিলো? এখন শোনা যাচ্ছে, ফকুরুদ্দিন সাহেবের আমেরিকাতে বাড়ী আছে, আমেরিকাতে হাসিনারও বাড়ি বা ঠিকানা আছে, কি আছে না ...এই মিলের জন্যই কি নির্বাহী আদেশ ...আপনার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা কি বলে...এখানে কি কাচ্চি বিরিয়ানীর গন্ধ পাচ্ছেন না???
Mr. shahin00155, grow up!
Wherever you live, certainly it is not in the US.
It may be a big deal to have a house in your native Bangladesh or the country you live in. But it is not a big deal to have a house in the US.
Even the guy who mows and takes care of my front and backyard has a house in California. Even the janitor who works in my workplace has a house in California.
So, why it should be a big deal for Dr. Fakhruddin to have a house in the US? He lived and worked in Washington D.C longer than your adulthood.
Grow up man!
Robin
Carmel, California
Grow up?? Who is kidding whom??
Hello Mr. Robin,
I absolutely agree with you in regards to own a house in U.S. However, you have given a fee pass to Dr. Fakruddin Ahmed. I think the Banglasesh constitution allows only Bangladeshi citizen to be the PM or CA. I think Mr. Shahin gave a punch line here. Any one can buy a house with personal momeny. The point is to buy a house someone has to have green card or be a citizen to get a good loan. Alternatively, a person can buy a house with cash. If he bought the house with cash, we must say that he is a rich person. If he holds a green card, it is also fine. The point is why he did not disclose his along with all advisors assests to public. They were chasing most politicians which was good, but he did not come clean. Looks like he was siphoning money from BD to foreign contries. A few days ago one reported mentioned that the former chief advisor hid his citizenship status while getting his previous job as the governor of Bangladesh Bank. If MPs have to drop their residency or foreign passports to keep their membership, how come a foreign passport or resident holds the highest adminsitrative job in Bangladesh. Nobody likes hypocrates! I hope nobody gets mad for any possible typo errors.
For Mr. Shahin..you simply cannot generalize everyone living aboard. You have to change your preoccupied mindset to assume "raja" and "proja." So, please stop disliking others as they live any devloped countries.
Besh wishes,
ধন্যবাদান্তে,
পোগো
Your good debating skill, Mr. Pogo
Hi Mr. Pogo,
I like your excitement and debating skill. Le me understand what you are trying to convey and point out your errors.
Who told you that “to buy a house (in the US) someone has to have green card or be a citizen to get a good loan”? I will say that you are wrong.
Dr. Fakhruddin Ahmed worked for the World Bank in Washington D.C for over twenty years before he became the Governor of Bangladesh Bank. His World Bank earnings were tax free in the US.
How many houses one can buy in the US with 20+ years’ of World Bank tax free earnings? A question for you, Mr. Pogo.
Your other points are your opinion and have no evidence. Can you share evidence that Dr. Ahmed was “siphoning money from Bangladesh?”
Your debating skill is good but you can be better if you do a little homework. Remember not to include emotions in debate.
Robin
Carmel, California
Answering your questions Mr. Robin Hood
I am glad that you read my comments. Thank you. Sorry I cannot answer your first question as it lacks lot of information like state, how big, single family/townhome, etc... Regarding the second question, I said "looks like.." which means I am not certain. You can always try to show that you know better than other. Hello!! Asking other people to do homework without adding anything new is very abstract and it is a cheap shot. He worked about 20 yrs in BB which made him a rich person. I was trying to say that whatever he earned while working in BB, he might have sent that money to other countries to pay off house loan or buy another house. Not disclosing his citizenship or resident status while taking the oath as CA must be enough to loose all respects. But I do not know why you are defending him. There must be some obvious reason. Anyway, it has been nice to chat with you.
Pogo
ধন্যবাদান্তে,
পোগো
Hi Mr. Pogo, Robin again
I like your innocence.
I never heard of Dr. Fakhruddin Ahmed before he became the Chief of Bangladesh Caretaker Administration. I am not defending Dr. Ahmed but simply correcting your error.
In arguing a case, do not use "may be, might have sent, etc". Moreover, bringing allegation against anyone without evidence, you are putting your credibility into question.
For your information, it is against US law for any US citizen to accept a foreign government job that requires taking oath of foreign allegiance. If Dr. Ahmed is an US naturalized citizen then he violated US law by being the head of Caretaker Admin. Are you aware of US law going after Dr. Ahmed?
Robin
Carmel, California
For Mr. Robin
It looks like you have been out of touch from Bangladesh for long time. You did not hear about Dr. Faruddin while he was the governor of BB??? I did hear about him, saw his signature in Bangladeshi notes (taka). I thought people like you (at least the way you try to potray yourself) would have heard about any recent governor of BB. But that is not the case. Hmm..now I understand why you always swim on the surface. I do not blame you. It has become your style now.
I do not agree with your comments in regards to the use of "may be.." You do not loss credibility for that. You are dead wrong. Rather you loss credibility when you sell wrong information and get caught later on. I can tell you you are a kind of a man. By the way, I you have already answered your question in previous sentence. Way to go! Mr. Robin, for your demeanizing behavior..you will never change. In fact, I started replying your comment as I saw how you did undermine Mr. Shahin. So, I tried to point that out and I hope I did that. Best wishes.
ধন্যবাদান্তে,
পোগো
রবিন সাহেব আপনি কি ওয়াচ ডগ?
রবিন সাহেব আপনি কি ওয়াচ ডগ? প্রশ্নটা ছিলো ওযাচ সাহেবের।
আমি আমেরিকার বারি কেনার কথার উপর জোর দেই নি। তারা কিভাবে কিনেছে এটা নিযেও আমার কোন মাথা ব্যথা নেই।
প্রশ্নটা ছিলো, বারি নয়, ঠিকানা। আমেরিকাতে গিয়ে আরামে বিশ্রাম নেওযা আর ৯০ সেন্টের বাসমতির চাল খাওয়া, সেই সাথে প্রবাস পরিবার, সদস্যের সাথে হাসি তামাশা কতই না কিছু ।।। কিন্তু আমরা সাধারন জনগন ঢাকার সেই ধুলার শহরেই রয়ে গেলাম। অনেকটা আমরা হলাম প্রজা, আর প্রবাসী দুতেরা হলেন রাজা।
প্রবাস থেকে বিভিন্ন প্রেসক্রিপশন বলা হচ্ছে এটা করো, ওটা ওভাবে করো, এদিকে না ওদিকে কত কি
উনারাই শুধু বুঝেন আর আমরাই ভুয়া
প্রবাসীদের রাজ্নীতিতে সম্পুন নিষিদ্ধ করা হোক।
Oh Mr. shahin00155
Robin is not WD.
This is an open forum. I would not have responded if you would have qualified in your post, "nobody other than WD should respond."
Ask your Bangladeshi political parties not to open up political offices outside BD. Past 38 years of political solutions created the dusts in Dhaka. Don't blame others, not Dr. Fakhruddin. His job was over. In democratic Bangladesh, he is free to live anywhere including in the US.
Foreign prescriptions would not have been necessary if local prescriptions worked.
Which local prescription has worked?
I will agree with you 100% disbanding Begums' parties in NYC, London, & other foreign cities.
Robin
Carmel, California
WD: আপনাকে ধন্যবাদ
আবারও আপনার লিখার প্রশংসা করছি। ফোরামএ আমার কোন রাজনৈতিক রূপ ছিল না, সেটা আমাকে দিতে পারায় আপনাকে ধন্যবাদ। আপনাকে আমি অনেক উঁচুতে রেখে সমালোচনা করেছি, দেখলাম সেটা হজম করার ধৈর্য আপনার নেই :-). আমি সেলিমসি বাবুদের লিখা পড়ি না, পড়লেও কোন কমেন্ট করি না। আপনার লিখা খুব মনযোগ দিয়ে পড়ি। তাই ভুল ধরা পরে। মাথা ঠান্ডা করুন। নীচের ভিডিওটি আপনার জন্যে -
Bueno...
প্রতিশোধের মিশনের অনেকাংশই পূর্ণ করে দিয়েছে|
আসুন,এর সবটুকু উপভোগ করতে চেষ্টা করি।
বিডিআর সেপাইদের কি জানা ছিলনা সেনা অফিসারদের কচুকাটা করলে কোর্টমার্শাল শেষে তাদের রশিতে ঝুলানো হবে? বোধহয় জানা ছিল, প্রশ্ন জাগে, জেনে শুনে কেন তারা রশিতে ঝুলতে গেল! এখানেই আসে রাজনৈতিক সম্পৃক্ততার সন্দেহ। বিদ্রোহীর দল খুনের আগে আওয়ামী লীগ এবং বিএনপি নেতাদের সাথে দেখা করেছে, নিয়মিত ফোনে যোগাযোগ রক্ষা করেছে। সরকারী উপন্যাসে সে কথার কোন বিবরন নেই, যেমন নেই কোন দূর দৃষ্টতার বিচারে প্রধানমন্ত্রী বিদ্রোহী নেতা ডিএডি তৌহিদকে জরুরী ভিত্তিতে বিডিআর প্রধান হিসাবে ঘোষনা দিয়েছিলেন। নাকি আজম চৌধুরীর মামলা প্রত্যাহারের মত সে সত্যও প্রত্যাহার হয়ে গেছে? প্রশ্নটা অন্যভাবে করা যায়, শেখ হাসিনা এবং তার সদ্য জেল ফেরত ফেরেশতা দলের কি এমন হারানোর ছিল সেনা অফিসারদের মৃত্যুতে? সেনাছাউনির বিরুদ্বে হাসিনার ক্ষোভ অনেকদিনের; পিতা, মাতা, ভাই বোন সহ পরিবারের সবাইকে হারাতে হয়েছে এই বাহিনীর পশুত্বের কাছে, তাদেরই কারণে এক বছর ধরে জেলের ভাত খেতে হয়েছে, চাঁদাবাজি চুরি চামারি সহ আয়ের সব পথ বন্ধ হয়েছে তাদেরই কারণে। সুতরাং এই বাহিনীর এলিটদের বিডিআর জওয়ানরা কচু কাটা করছে এমন সংবাদে শেখ হাসিনার মমতা উথলে উঠবে এমনটা আশা করা হবে দূরাশা মাত্র। বরং প্রতিশোধের যে মিশন নিয়ে শেখ কন্যা রাজনীতিতে এতদিন আকরে ছিলেন বিডিআর জওয়ানরা সেনা অফিসা্র হত্যার মাধ্যমে সে মিশনের অনেকাংশই পূর্ণ করে দিয়েছে।বিডিআর হত্যাকান্ড নিয়ে বাংলাদেশের রাজনীতিবিদ্দের সমসাময়িক আহাজারি,1/১১ উত্তর সে ঘটনার কথাই মনে করিয়ে দেয়। দুঃখ নয়, সেনাহত্যার খবর বরং আনন্দ বয়ে এনেছিল জেলখাটা চোরদের অন্তরে।একজন তোরাব আলী , লেদার লিটন এবং পিন্টুকে ভিলেন বানিয়ে বিডিআর হত্যাকান্ডে রাজনৈতিক সম্পৃক্ততাকে খাটোকরা ছিল খুব সহজ, কারণ এদের উপরের লেভেলে কাউকে সনাক্ত করতে গেলে স্বয়ং প্রধানমন্ত্রীর রোষানল হবে শেষ রায়। কমিশনের কেউ এমন কাজ করে নিজের মা-বাবার দেয়া পৈত্রিক জান নিয়ে বাজি খেলবে বাংলাদেশে ইহকালে তা সম্ভব নয়। তাই আসুন, হত্যাকান্ডের উপর সরকারী উপন্যাসকে বেষ্ট থ্রিলার হিসাবে গন্য করে এর সবটুকু উপভোগ করতে চেষ্টা করি।
xxxxx
edited by WatchDog