জংগীবাদের দিনরাত্রি - WatchDog

WatchDog_bd's picture
Posted by
WatchDog_bd
Sunday, May 17, 2009 - 2:54am BST

Imageজংগী জংগী খেলা কোন রাজনৈতিক খেলা নয়, এ খেলা মরন খেলা এবং এ খেলায় জংগীদের বিজয় একটা জাতির জন্যে কতটা ভয়াবহ অভিশাপ নিয়ে আসতে পারে আফগানিস্থান এবং পাকিস্তান তার জ্বলন্ত উদাহরন। ইসলামী জংগীবাদের ভয়াল থাবায় আজকের বিশ্ব ক্ষতবিক্ষত, কথিত এই জিহাদ একদিকে যেমন মানুষ হত্যার মেশিন হিসাবে কাজ করছে, অন্যদিকে সাড়া বিশ্বে মুসলমানদের জন্যে এমন একটা ইমেজ তৈরী করছে যার সারমর্ম করলে দাঁড়াবে ধর্মের নামে নির্বিচারে মানুষ নিধন।

বাংলাদেশের অসূস্থ রাজনৈতিক সাংস্বৃতি নতুন কোন রোগ নয়, এ রোগের বীজ রোপিত হয়েছিল আমাদের স্বাধীনতার উষালগ্নে। সে বীজ হতে আজ অংকুর প্রস্ফূটিত হচ্ছে, ফল দিচ্ছে এবং সে ফলের র্দূগন্ধে চারদিক মৌ মৌ করছে নর্দমার পচা পানির মত। কিন্তূ এই রোগ শহর-বন্দরে বোমা মেরে মানুষ হত্যার সাংস্কৃতি চালু করেনি, যেমনটা করছে আজকের জেহাদীর দল।

কাকে দায়ী করব আমরা বাংলাদেশে সন্ত্রাষী সৃষ্টি এবং এর লালন পালনের জন্যে, বিএনপি? আওয়ামী লীগ? জামাতে ইসলামী?? বাংলাদেশের ইসলামী জংগীবাদিরা কচু পাতায় ভেসে আসা কোন পদ্মফুল নয় যে তাদের অন্যের উপর ভর দিয়ে চলতে হবে। এদের রয়েছে আর্ন্তজাতিক কানেকশন, নগদ অর্থ এবং হাতেকলমে ট্রেনিং। অসূস্থ রাজনীতির চেয়েও এ সমস্যা ভয়ানক ঘোরতর, যার প্রভাব পরতে বাধ্য আমাদের প্রতিদিনের জীবনে। আমাদের দেশ একটা অভিশপ্ত রাজনৈতিক চক্রের ভেতর মুখ থুবড়ে আছে যা হতে মুক্তি পাওয়ার আপাত কোন সম্ভবনা দেখা যাচ্ছেনা। বিএনপি ক্ষমতায় এলে আওয়ামী লীগ এবং আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এলে বিএনপি, ক্ষমতায় যাওয়া এবং হাতছাড়া হওয়ার এই বিভীৎস মাতম জাতি হিসাবে আমাদের কোথায় নিয়ে গেছে র্দুনীতিতে পরপর ৫ বার বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হয়ে আমরা তা প্রমান করেছি। এ কুৎসিত লড়াই গত ৩৮ বছর ধরে চলছে এবং সামনে আরও ১৩৮ বছর চলবে বলে মনে হচ্ছে। ইসলামী জংগীবাদকে দুই পরিবারের ক্ষমতা লড়াইয়ের বধ্যভূমিতে সমাহিত করতে চাইলে তা হবে আত্মহত্যার শামিল। এদের এত সহজে র্নিমূল করার কোন উপায় নেই, আগাছার মত এদের প্রজনন হচ্ছে যত্রতত্র। বাংলাদেশে ইসলামী সন্ত্রাষবাদের বিস্তৃতি কতটা ব্যাপক তার সম্যক ধারনা পেতে হলে একজনকে বাংলাদেশের গ্রামে-গঞ্জে ক'টা দিন বাস করতে হবে।

একসাথে ৬০ জেলায় বোমা আক্রমন কোন ছায়াছবির কাহিনী ছিলনা, এ ঘটেছিল আমাদের এই বাংলাদেশে, এবং এমনটা আবারও যে ঘটতে যাচ্ছে তার সমূহ আলামত চারদিকে প্রকট হয়ে উঠছে।

আওয়ামী লীগ তার বংগবন্ধুস্থ হেড অফিসে বসে শেখ হাসিনার নেত্রীত্ত্বে বিডিআর হত্যাকান্ডের নীলনকসা একেছিল এমনটা চিন্তা করা হবে নিতান্তই ছেলেমানুষী। বিডিআর হত্যাকান্ডে দলমত নির্বিশেষে ১/১১'র ক্ষতিগ্রস্থরা সহযোগীতা করেছিল এমন একটা hypothesis দিন দিনই পায়ের তলায় শক্ত মাটি পাচ্ছে। অন্যদিকে হাসিনার মূল ব্যর্থতা বলা হচ্ছে সমস্যা মোকাবেলায় তার অযোগ্যতা, অক্ষমতা এবং তার কলংকিত অতীত। কিন্তূ এই এক মহাজজ্ঞের কাছে হাত-পা ছেড়ে গা ভাসিয়ে দিলে আমাদের জন্যে কোনই ফল নিয়ে আসবেনা। হাসিনার বিদায়ের অর্থ খালেদার আগমন, এমন পরিবর্তন আবারও আমাদের ঠেলে দেবে তারেক-ককো জজ্ঞমেলার কলংকিত অধ্যায়ে। এর অর্থ ইসলামী জংগীবাদকে আবারও অস্বীকার করে একে স্থানীয় পর্য্যায়ে লালন পালন করে জলহস্তিতে রুপান্তরিত করা।

আমাদের দেশে ইসলামী জংগীবাদ একটি উদীয়মান শক্তি, একে গোড়াতেই টুটি চেপে না ধরতে পারলে পরিনাম ভয়াবহ হতে বাধ্য। আসুন, আমরা আমাদের গলার আওয়াজ উচু করি এই গ্লোবাল সমস্যার দেশীয় সংস্করন হতে মুক্তি পাওয়ার উপায় নিয়ে।

To read more on the subject visit:

http://amibangladeshi.org/content/islamic-terroism-new-reality-bangladesh

Comments

katukutu71's picture

We should refrain from commenting something bad of our deceases

We should refrain from commenting something bad of our deceases leaders

WatchDog_bd's picture

আমাদের দেশে কোন জংগী নাই!!!, এরা কারা???

শীর্ষ জঙ্গি নেতাদের গ্রেফতারের সময় হামলা করবে জেএমবি

রিমান্ডে মিজানের তথ্যে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর উদ্বেগ

রেজোয়ান বিশ্বাস, দৈনিক আমাদের সময়:

জেএমবি’র বোমা বিশেষজ্ঞ ও সুইসাইড স্কোয়াডের প্রধান জাহিদুল ইসলাম সুমন ওরফে মিজান ওরফে বোমারু মিজানকে জিজ্ঞাসাবাদের তথ্যের ভিত্তিতে জেএমবি’র পরবর্তী কার্যক্রম নিয়ে উদ্বিগ্ন আইন প্রয়োগকারী সংস্থা। জেএমবির বর্তমান শীর্ষ জঙ্গি নেতারা গ্রেফতার হওয়ার মুহূর্তে পরবর্তী হামলার টার্গেট নিয়েছে জেএমবি। তবে জেএমবির বর্তমান আমির সাঈদুর রহমানসহ শীর্ষ নেতারা বর্তমানে কোথায় রয়েছেন এ তথ্য জানায়নি মিজান। গ্রেফতার হওয়ার পর রিমান্ডে তার কাছ থেকে এরকম তথ্য পেয়ে উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে বলে জানা যায়।

গোয়েন্দা সূত্র জানায়, সাত দিনের রিমান্ডের শুরুতে বোমারু মিজান জিজ্ঞাসাবাদে ভয়ঙ্কর বেশ কিছূ তথ্য দিয়েছেন। রাজধানীসহ সারাদেশে বড় ধরনের হামলার পরিকল্পনার কথা স্বীকার করেছে তিনি। টিএফআইসেলে মিজান এবং তার স্ত্রী শারমীন আক্তারকে জিঞ্জাসা করা হলে তারা আরো জানান, বিদেশি একাধিক সংস্থা জেএমবি’র সাংগঠনিক কার্যক্রম চালানোর জন্য অর্থ যোগান দিচ্ছে। ওই অর্থের টাকা সাংগঠনিক কার্যক্রমসহ জঙ্গি সদস্যদের ভরণপোষণে ব্যবহার করা হয়।

মিজান জানান, সারাদেশে ৭সাতটি এলাকায় জঙ্গিদের ঘাঁটিতে অবস্থানকারীদের পরিবারের সদস্যরা বিদেশি টাকায় কার্যক্রম চালাচ্ছেন। এছাড়া নিজস্ব ফান্ড হিসেবে জাল টাকার কারখানা ও ব্যাবসা করেও আর্থিক সংকট দুর করে জঙ্গিরা। ওই টাকা দিয়ে অস্ত্র তৈরি, বিস্ফোরক আমদানি ও প্রশিক্ষণের কাজে ব্যবহার করা হয়। পার্শ্ববর্তী দেশে জঙ্গিদের প্রশিক্ষণ দেয়া হয় বলে মিজান জানান।

এ ব্যাপারে র‌্যাব জানায়, এসব মোটা অঙ্কের টাকা পেয়ে জেএমবির শীর্ষ জঙ্গি নেতারা মাঠ পর্যায়ের সদস্যদের খুব সহজে মোটিভেশন করতে পারে। এরপর যেকোনো নির্দেশ পালন করতে তারা পিছুপা হয় না।

রিমান্ডের প্রথম দিনে মিজান জিজ্ঞাসাবাদে জানান, একমাস আগে রাজধানীর মিরপুরের মণিপুর ও কাজীপাড়া এলাকায় স্ব-স্ত্রীক অবস্থান করেন। তাকে আটক করে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পূর্ব মনিপুরে জেএমবির বোমা তৈরির ওই আস্তানা থেকে যে মাইন ও বোমা তৈরির সরঞ্জাম, হ্যান্ড গ্রেনেড, বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক উদ্ধার হয় তা দিয়ে বড় ধরনের নাশকতা চালানোর প্র¯'িত নিচ্ছিল মিজান ও শিক্ষার্থীরা। মিজান আরো জানান, ঢাকাতে আত্মগোপনে থেকে জেএমবি সদস্যদের এখান থেকে বোমা তৈরি এবং এর ব্যবহার কৌশল শেখানো হতো। এরপর ওইসব সদস্য ঢাকার বাইরে গিয়ে অন্যদের প্রশিক্ষণ দিত। মিজান নিজেও ঢাকার বাইরে যেত বিষয়টি মনিটর করার জন্য। মিজান ঢাকায় অবস্থানের কারণ ব্যাখ্যা করে জানান, অর্থদাতা বিদেশি ব্যক্তিরা এই দেশে আসলে ঢাকায় তাদের সঙ্গে বৈঠক করা হয়। তারা ঢাকার বাইরে যেতে খুব একটা আগ্রহী নয়। তবে তাদের বর্তমান আমিরের সঙ্গে দেখা করার জন্য বিশেষ প্রয়োজনে তাদের নিয়ে দেশের বিভিন্ন এলাকায় বৈঠক করা হয়। মিজান জানায়, তাকে গ্রেফতার করা হলেও জেএমবির বর্তমান আমিরসহ শীর্ষ নেতা ওবায়দুর রহমান সাংগঠনিক কার্যক্রম দ্রুত তরান্বিত করছে। জেএমবির শীর্ষ জঙ্গি নেতারা গ্রেফতার হওয়ার আগেই আর একটি হামলা চালানো হতে পারে। তাকে গ্রেফতার করা মেনে নেবে না শীর্ষ জঙ্গিরা। তাদের সহযোগিদের প্রশিক্ষণের সময় এ ব্যাপারে জানানো হয়।

এ ব্যাপারে র‌্যাব মহাপরিচালক হাসান মাহমুদ খন্দকার জানান, জেএমবিসহ সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। দেশ থেকে জঙ্গি স্বমূলে নির্মূল না হওয়া পর্যন্ত এই প্রক্রিয়া চলতে থাকবে। এদিকে মিজান গ্রেফতারের পর জেএমবির অন্য সদস্যদের গ্রেফতার করতে র‌্যাব সদস্যরা অভিযান ও গোয়েন্দা কার্যক্রম বেগবান করা হয়েছে বলে তিনি জানান।

kabir0202's picture

খালেদা ও নেওয়াজের একই 'জঙ্গী' ফর্মূলা।

পাকিস্তানের প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী বেনজির ভুট্টো দ্বিতীয় মেয়াদে প্রধানমন্ত্রী হয়ে জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে জেহাদ ঘোষণা করেছিলেন। সেসময় বিরোধী দলের নেতা নেওয়াজ শরিফ সরাসরি বলেছিলেন, মার্কিনিদের খুশি করে ক্ষমতায় যাওয়ার এ এক কৌশল। জঙ্গিদের সঙ্গে হাত মিলিয়েই তিনি বেনজিরকে ক্ষমতা থেকে হটিয়ে দেন।
খালেদা কোন উপায়ন্তর না দেখে নেওয়াজ শরিফের পথ অবলম্বন করছেন। খালেদা ও নেওয়াজের একই 'জঙ্গী' ফর্মূলা।

farmer's picture

JMB, association of extreme Jamais.

Jamat by itself quite extreme; the extreme extremists inside Jamati formed JMB. Jamat keeping a loose connection with JMB and using it as the military wing. Jamat has funneled huge amount of money from middle east to BD; and now invested in every category of business. JMB also building up their own funds using all means. Using those money Jamat and JMB are buying unemployed young people.
House wives of JMB members have no choice, whatever their husbands get from JMB, this is their lifeline, they have to go with husband and whatever husbands earn.
Poverty, unemployment and social injustice to the poor is the main force that making the organizations like JMB stronger, not religion.