
---------------------------------------------------------------------------------------------------------------
সুধী,
আপনি বাংলাদেশে অথবা প্রবাসে বসবাসকারী যেই হন না কেন,জন্ম যদি আপনার বাংলাদেশে, তবে ক্ষনিকের জন্য থামুন।আপনার মুল্যবান সময় থেকে মাতৃভুমি বাংলা মায়ের জন্য দুমিনিট সময়দান করুন।
আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশ ভারত তাদের পুর্বাঞ্চলের টিপাইমুখী নামে একটি এলাকায় জলবিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষে এক বিশাল কেন্দ্র নির্মানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।বাংলাদেশের পুর্বাঞ্চলের উপর দিয়ে বয়ে যাওয়া সুরমা ও কুশিয়ারা নদির উজানে এ কেন্দ্র নির্মিত হলে আমাদের দেশ সহ ভারতের সংশ্লিষ্ট অঞ্চল সমুহে এক পরিবেশ বিপর্যয়ের সম্ভবনা রয়েছে বলে অভিজ্ঞমহল মত প্রকাশ করেছেন।বিধায় ভারতের ঐ অঞ্চলসমুহের সম্ভব্য ক্ষয়-ক্ষতির আশংখ্যাগ্রস্থ মানুষসহ সারা ভারতের এক বিরাট সংখ্যক শান্তিকামী ও পরিবেশবাদী মানুষ এই প্রকল্পের বিরুদ্ধে কার্যকরী ও গঠনমুলক প্রতিবাদে সামীল হয়েছে।আসুন আমরাও আমাদের জাতীয় সার্থে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গীনুযায়ী এ ধরনের প্রতিবাদে সামীল হই ও অন্নান্দেরকেও এ ব্যাপারে উদবুদ্ধ করি।
হাসান ইমাম খান,
সুইজারল্যান্ড।
------------------------------------------
Dear ,
I would like to draw your generous attention and take couple of minutes from your precious time for the great sake of Bangladesh. We’ve launched this global drive for your kind signature in favor of a Petition to be submitted to the Government of India through His Excellency the Prime Minister Mr. ManMohon Singh.
Dear ,
I would like to draw your generous attention and take couple of minutes from your precious time for the great sake of Bangladesh. We’ve launched this global drive for your kind signature in favor of a Petition to be submitted to the Government of India through His Excellency the Prime Minister Mr. ManMohon Singh.
The Petition earnestly calls for an effective cancellation by our neighboring country India of its declared construction of a Dam on TipaiMukh. As you know, TipaiMukh Dam may appear as yet another dangerous Farakka to turn our evergreen & ever fertile motherland a desert, by constantly causing serious drought during summer and flood during rainy season round the year which is a great threat to life, ecology and overall existence of Delta of ours on the surface of the Earth.
According to the international law of rivers and waters, waters of cross-border rivers are “res communis” or common property of human race which should be equitably shared by all riparian countries and not arbitrarily used by a mighty country to the detriment of a weak nation.
Please follow the link and sign the petition to save not only Bangladesh but also the general people of concerned areas of India:
http://www.petitiononline.com/ACTIPdoa/petition.html
Vote Again for "Cox's Bazar", & "Sundarbans" in www.new7wonders.com

Comments
টিপাইমুখ বাধ বাংলাদেশের জন্য সুবিধা (???)
গতকাল রাতে(২১ শে মে) চ্যানেল ওয়ানে এক টকশোতে অতিথী হিসেবে ছিলেন বিগত আওয়ামী সরকারের মাননীয় পানিসম্পদ মন্ত্রী আব্দুর রাজ্জাক। অনুষ্ঠানে আলোচনার বিষয় ছিল টিপাইমুখ বাধ। এবিষয়ে সরকারের পদক্ষেপ কি? -উপস্থাপকের এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন- আলোচনা হচ্ছে। আর আলোচনার মাধ্যমেই এ সমস্যার সমাধান করা হবে, যেমনটি ওনারা করেছেন গঙ্গা পানি চুক্তির ক্ষেত্রে। এছাড়া উনি এও বলেছেন- টিপাইমুখ বাধে যে পাওয়ার প্লান্ট হবে সেই বিদ্যুৎ বাংলাদেশও পেতে পারে। কাজেই এটা বরং বাংলাদেশের জন্য ভালই।
গঙ্গার পানি চুক্তির পরও বাংলাদেশ প্রাপ্য মোতাবেক পানি পাচ্ছেনা কেন- এ প্রশ্ন করা হলে ওনি বলেন, চুক্তি মোতাবেক বাংলাদেশ যতটুকু পানি পাওয়া উচিত ঠিক সেভাবেই পানি পাচ্ছে বরং কখনও কখনও চুক্তির চেয়ে বেশি পানি পাচ্ছে।
টিপাইমুখে বাধ হবে না ব্যারাজ হবে এ নিয়ে নাকি দিধা-দ্বন্দ আছে এমন একটি তথ্য উপস্থাপক দিলে জনাব আব্দুর রাজ্জাক গবেষকদের মোটামুটি ধুয়ে ফেলেছেন। বলেছেন- যারা গবেষণা করছেন তারা কেবল অনুমানের উপর ভিত্তি করে এ প্রোজেক্টের বিরোধিতা করছেন। উনি উপদেশ দেন- সঠিক তথ্য জেনে তারপর গবেষণা করুন। গবেষণা করলে অনেক কিছু জানতে হয়।
বাধ হলে আমাদের দেশের বড় একটা জনগোষ্ঠির জনজীবন বিপর্যয়ের মুখে পড়বে কিনা এ ব্যাপারে উনার বক্তব্য জানতে চাইলে তিনি বলেন- বাধ করে তো ভারত পানি আটকে রাখতে পারবে না, তাদেরকে পানি ছেড়ে দিতে হবে। পানি ছাড়লেই তো বিদ্যুৎ উৎপাদন হবে, আটকে রাখলে তো হবে না। কাজেই আমরা পানি পাবনা এ ধারনা ঠিক না। হয়তো পানির প্রবাহ কিছুটা কমবে কিন্তু তাতে আমাদের কোন অসুবিধা হবে না। তাছাড়া বাধ করা হবে বাংলাদেশের সীমানা থেকে ১০০ কিলো মিটার দূরে। যদি অসুবিধা হয়ই তো সেটা আমাদের চেয়ে ভারতেরই বেশি হবে।
সরকার এ ব্যাপারে কোন পদপে নিয়েছে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে বলেন- আমরা চাইলেই তো হঠাৎ করে একটা বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে পারি না, তার জন্য আলোচনার একটা ক্ষেত্র দরকার। এখন সরকার আলোচনার সেই ক্ষেত্র তৈরি করছে। আর আলোচনা যে হচ্ছে সেটা তো দেখতেই পাচ্ছেন।
দেবশিশু বলেছেন: আমিও দেখেছি অনুষ্ঠানটা। উনার কথা ও বলার ভঙ্গি দেখে মনে হচ্ছিল একজন ভারতীয় দেশপ্রেমিক নাগরীক তার অধিকার রক্ষার কল্পে ভাষণ দিচ্ছেন।
Save Bangladesh: No more farakka
টিপাইমুখের বাঁধ -ব্যারেজ আরেকটা ফারাক্কা হবে |
টিপাইমুখের বাঁধ -ব্যারেজ আরেকটা ফারাক্কা হবে|
ভারত বরাক নদীর ওপর টিপাই মুখে বাঁধ ও হাইড্রোইলেট্রিক প্রকল্প একই সাথে বাস্তবায়ন করছে। এতে করে বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চল মরুভূমিতে পরিণত হবে। বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার পিনাক রঞ্জন যা বলেছেন, তা ঠিক নয়। তার কথা অনেকটা ?বাঙ্গালকে হাইকোর্ট দেখানো'র মত। পিনাক রঞ্জন বলেছেন, বাঁধ ও ড্যাম তথা হাইড্রোইলেট্রিক প্রকল্প হলে বাংলাদেশের কোনো ক্ষতি হবে না। আর তার এই বক্তব্য হজম করে নিলেন পানি সম্পদ ও নৌ-পরিবহন মন্ত্রী।
টিপাইমুখ বাঁধ হলে বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের প্রায় ৭টি জেলা সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত হবে। জেলাগুলো হচ্ছে- সিলেট, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ, সুনামগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ, নেত্রকোনা, বি'বাড়ীয়া। অত্র অঞ্চল থেকে প্রতি বছর ৭৫ থেকে ৭৮ লাখ টন বোরো ফসল আসে। এই বাঁধ ও ড্যাম হলে বোরো ফসলে ধস নামবে। বরাক একটি খরস্রোতা নদী। তাই বাঁধের পাশা-পাশি বিদ্যুৎ প্রকল্পও হাতে নিয়েছে ভারত। এই নদী বাংলাদেশের সুরমা ও কুশিয়ারা দিয়ে প্রবাহিত হয়ে মেঘনা নদীতে মিশেছে। আর মেঘনা হচ্ছে বিশ্বের অন্যতম গতিশীল ও বৈচিত্র্যপূর্ণ ত্রি-জলধারার একটি। বাংলাদেশ, ভারত, চীন, ভুটান ও নেপাল- এই ৫টি দেশে ১.৭ মিলিয়ন বর্গকিলোমিটার এলাকা জুড়ে গঙ্গা, ব্রহ্মপুত্র, মেঘনা এই ৩টি নদীর গতিপথ। মেঘনা অববাহিকারউপরিতলের সমস্ত পানি বরাক, সুরমা ও কুশিয়ারা নদী-বাহিত হয়ে মেঘনা নদীর সৃষ্টি করে নিচের তথা ভাটি এলাকার পদ্মা নদীতে মিশে সবগুলো নদীর মিলিত স্রোত পরে বাংলাদেশের আরো দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরে গিয়ে পড়ে। এই জলধারার উজানেই ভারত বাঁধ ও বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন করছে। এটি হচ্ছে ভারতের অন্যতম বিদ্যুৎ কেন্দ্র। এতে বাংলাদেশ স্থায়ীভাবে বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়তে যাচ্ছে। অথচ সরকারের দায়িত্বশীল মন্ত্রীরা বলছেন, বাংলাদেশ ক্ষতিগ্রস্ত হবে না। গত মঙ্গলবার সরকারের মন্ত্রীরা বলেছেন, এই বাঁধ ও ড্যাম হলে না-কি মেঘনা, কুশিয়ারা, সুরমা নদীর ক্ষতি হবে না। একজন মন্ত্রীকে সাংবাদিকরা প্রশ্ন করেছিলেন যে, এই বাঁধ ও ড্যাম করলে ফারাক্কার মত চুক্তি করে পানি আনবেন? উত্তরে মন্ত্রী বলেন, ?না, এমন কিছু হবে না।' বিশেষজ্ঞরা বলছেন, টিপাইমুখ বাঁধ ও ড্যাম নির্মাণ করে ভারত আরেকটি ফারাক্কার সৃষ্টি করছে। বর্ষায় ভারত বাংলাদেশকে ডুবিয়ে মারবে, শুষ্ক মওসুমে শুকিয়ে মারবে। ফসল তথা আর্থিক বিপর্যয়ের পাশাপাশি পরিবেশ বিপর্যয়ও নেমে আসবে। বাংলাদেশের নদ-নদী ভরাট হয়ে যাবে, ফসলী জমি নষ্ট হবে। মূলত এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশে আর্থ-সামাজিক খাতে ভয়াবহ বিপর্যয় নেমে আসবে।
ভারত যখন এই বাঁধ ও ড্যাম নির্মাণ কাজ চালিয়ে যাচ্ছে, তখন বাংলাদেশ সরকার নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করছেন। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীরা একে অপরের উপর দায় চাপিয়ে বসে আছেন। গত মঙ্গলবার নৌ-পরিবহন মন্ত্রী বলেছিলেন যে- এটা পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে; আর পানি সম্পদ মন্ত্রী বলেন, এটা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাজ।
গতকাল বুধবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে জানা যায়- টিপাইমুখ বাঁধ নিয়ে ভারতের সাথে এই মুহূর্তে যোগাযোগ করারও সম্ভাবনা নেই। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা জানান, পররাষ্ট্র মন্ত্রী ডা. দীপু মণি এখন ব্যক্তিগত সফরে লন্ডনে আছেন। তিনি ২৭ মে' দেশে ফিরবেন। এর আগে হয়তো বলা যাবে না কি হয়। উল্লেখ্য, ১৪ মে পররাষ্ট্র মন্ত্রী ৪ দিনের সরকারি সফরে মিয়ানমার গিয়েছিলেন। সেখান থেকেই তিনি ব্যক্তিগত সফরে লন্ডন চলে গেছেন। টিপাইমুখ বাঁধ নিয়ে ভারতের সাথে আলোচনার বিষয়ে সরকারের উপরের মহল থেকেও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপর কোনো নির্দেশনা নেই।