আসলে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছেলি কোন পূর্ব পরিকল্পনা ছাড়াই।মুজিব যুদ্ব শুরু হইবার আগেই পাকিস্থানীদের মেহমান হইয়া পশ্চিম পাকিস্থানে হিজরত করিয়াছিলেন প্রধানমন্ত্রীর আশায়। উনি স্বাধীনতা ঘোষনা করিয়াছিলেন ইহার কি কোন লিপিবদ্ব প্রমান আছে? উনি কি তাহা হইলে উনার স্ত্রী এবং নাবালিকা কন্যাদ্বয়ের কাছে স্বাধীনতার অহি বানি শুনাইয়া পাকিস্থানে রওয়ানা দিয়েছিলেন? ধন্য রাজার ধন্য দেশ! অনেকেই বলিয়া থাকেন মুজিব না হইলে বাংলাদেশ হইতনা, তাহা হইলে ৩০ লাখ মানুষের প্রাণ দেওয়ার মূল্যায়ন হইবে কিভাবে? একজন মানুষেই যদি স্বাধীনতা দিতে পারে তাহা হইলে ৩০ লাখ মানুষ কেন শহিদ হইল?একটা কথা কেউ অস্বীকার করবেনা শুধু আওয়ামিলীগের অন্ধপুজারী ছাড়া তাহল শেখ মুজিবুর রহমান শুধু পূর্ব পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীই হতে চেয়েছিল এর বেশী না।কিন্তু ঘটনাক্রমে পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে গড়িয়েছিল যে শেষ পর্যন্ত যুদ্ধ না করে উপায় ছিলনা। তখন শেখ মুজিবুর রহমান এর যায়গায় যদি অন্য কেউ থাকত তাহলে সে যা করেছে তাই করত বরং আরও বেশী হয়তো করত| আর বিশেষ করে সম্মানিত লোকদের অতিরিক্ত সম্মান দেখালে হয়তো শেষ পর্যন্ত উল্টো হবে আর সে একজন স্বাধীনতা যুদ্ধের নেতা তাই তাকে সেভাবেই সম্মান করা উচিত আর জোড় করে কখনো সম্মান আদায় হয়না বরং উল্টা রেজাল্ট দাড়ায়।মুক্তিযুদ্ধারা বিশ্বের মানচিত্রে একটি উন্নয়নশীল/সোনার দেশ গড়ার জন্য জীবন মরণ দিয়ে যুদ্ধ করেছে।জিয়া মুক্তিযুদ্ধকে সফল করেছেন।গায়ের জোরে বেআইনিভাবে জিয়ার খেতাব নিয়ে নিলেও মানুষের ভালোবাসাকে কেড়ে নিতে পারবে না।
১. জিয়া তলাবিহীন জুরির তলা লাগিয়েছেন। ২. জিয়া মাটির মানুষের সাথে মিশে গিয়েছিলেন। জিয়া ছিলেন বাংলাদেশের “মহাথির”। আজ জিয়া বেচে থাকলে বাংলাদেশ অনেক এগিয়ে যেত। জিয়াকে হারিয়ে বাংলাদেশের যে ক্ষতি হয়েছে তা কোনদিনও পুরন হবেনা। জিয়া অদ্ধিতীয় এবং অদ্ধিতীয়। জিয়ার সাথে কারো তুলনা করা যায় না। জিয়াই একমাত্র দেশ প্রধান ছিলেন যিনি দেশকে নিঃসার্থভাবে ভালবেসেছেন। মুজিব দেশকে বানায় তলাবিহিন ঝুড়ি এবং সেনাবাহিনির বদলে নিজস্ব রক্সী বাহিনি করে।জিয়াই স্বনির্ভর ডেশের ভিততি গড়েযান ও আজকের আধুনিক শকতিশালি সেনাবাহিনি গড়েন।এইবার আবার নতুন করে বুঝলাম, জিযা কত বড় মানুষ।যে নিজের জীবন বিপন্ন করে অন্যের জীবন বাচায় সেই হচ্ছে সত্যিকারের বীর।জিযা দেশ কে বাচিযেছেন। উনি ভারত ও যাননাই, পাকি ও যান নাই। উনি ছিলেন বাংলাদেশে মানুযের সাথে।
এদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে তাজউদ্দীনেরও অবদান অবিস্মরণীয় - আমার মতে বঙ্গবন্ধুর চাইতেও অনেক উপরে। বঙ্গবন্ধু যেখানে পাকিস্তানের কাছে ধরা দিয়ে বাংলাদেশের স্বাধীনতাকে অনিশ্চয়তার দিকে ঠেলে দিয়েছিলেন, তাজউদ্দীন সেখানে জীবন বাজী দেখে আত্মগোপন করেন এবং পরবর্তীতে স্বাধীনতা যুদ্ধকে সংগঠিত করে স্বাধীনতাকে অবশ্যসম্ভাবী করে তোলেন।তাজউদ্দীনের প্রজ্ঞা ও রাজনৈতিক দূরদর্শিতা আওয়ামী লীগের সমসাময়িক নেতাদের মধ্যে তেমন দেখা যায়নি। নিরপেক্ষ ইতিহাস অবশ্যই তাঁকে মূল্যায়ন করবে।সত্য কথা হল, তাজউদ্দীন জিয়ার এ বিদ্রোহকে তার প্রধানমন্ত্রীর প্রথম ভাষনে বলেন,তার স্বাধিনতার ঘোষনা মধ্য দিয়েই আমাদের সংগ্রাম শুরু হয়!জিয়ার প্রথম সামরিক অবরোধকে তিনি লেলিনন্ত্রাদের সামরিক সংগ্রামের তুলনা করেছিলেন|এর আগে '৪৭ থেকে '৭১ পযন্ত কয়েকশত স্হানীয়/জাতীয় নেতারা ভিন্ন সময়ে স্বাধিনতা ঘোষনা করেছিলেন !এর সফল পরিসমাপ্তি ঘটেছিল সামরিক সংগ্রামের মধ্য দিয়ে !যারা মুকতিযুদ্বের সময় যুদ্ব না করে গর্তে লুকিয়ে পরে ভারতে চলে যায়। তাদের দেখার সৈাভাগ্যই হয়নি জিয়ার জিবন বাজি রেখে স্বাধিনতার যুদ্বে ঝাপিয়ে পড়ার।ওরাতো জীবন বাচাইয়া পালিয়ে নিরাপদে গিয়েছিলো,আর এখন ওরাই ব্যস্ত আওয়ামী ইতিহাস লিখতে|তাদের এই ইতিহাসে থাকবেনা হক-ভাসানি,তাজউদ্দীন,জিয়া,৩০ লাখ শহিদের অথবা নাম নাজানা মুক্তিযোদ্ধাদের|
ইতিহাস বলে:কবির চোধুরি,সামসুর রহমানরা পাকিদের দালালি করেই এখন মুক্তিযোদ্ধা|আওয়ামি নেতারাও মুকতি্যুদধে আংশ নেয় নি।এরা ইসলামাবাদ আর কলকাতা থিয়েটার রোডে নিরাপদে ছিল|মুকতিযুদ্বের সময় আওয়ামিরা যুদ্ব না করে লুটপাটে-আমোদে মেতে ছিলো, তেমনি স্বাধিনের পরে আওয়ামিরা দেশ গড়ার পরিবর্তে লুটপাটে ও দুর্নিতিতে ব্যস্ত ছিলো।মুজিবের আমলে হাজার কোটি টাকা খয়রাত পেলেও তা তার মন্ত্রী পরিষদ লোপাট করেছিল| স্বাধীনতার পর থেকে এ পর্যন্ত বাংলাদেশে যতধরনের অপকর্ম হয়েছে তার বেশীর ভাগ করেছে আওয়ামিরা।এরাই
এখন মুক্তিযোদ্ধা!আওয়ামী লিগ করলে আথবা আওয়ামি লিগের সাথে আত্বীয়তা করলে রাজাকার মুক্তিযোদ্ধা হয়ে যায় |
এই ফোরাম সহ বিভিন্ন ফোরামে আওয়ামী লীগাররা আওয়ামী লীগ এর বিরুদ্ধে কিছু লিখলে বা বললে যাকে তাকে রাজাকার বলে গালি দেয়। তাই আমার মনে হয় যাদেরকে রাজাকার বলে গালি দেয় তারাই সত্যিকারের দেশকে ভালোবাসে।তাই এ ধরনের গালি খেলে নিজেকে গর্বিত মনে করা উচিত।জয় মহান নেত্রী ক্ষয় রাজাকার!বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সত্যিকার অর্থেই স্বাধীনতার স্হপতি ছিলেন এতে কারও কোনো সন্দেহ নেই। বলতে দ্বিধা নেই, শাসক হিসেবে ওনি সম্পূর্ণভাবেই ব্যর্থ ছিলেন যার অন্যতম উদাহরণ যুদ্ধাপরাধীদের(এ সময় ১৯৫ জনকে যুদ্ধাপরাধী হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছিলো। ত্রিদেশীয় চুক্তির আওতায় তাদের বিচার না করে ছেড়ে দেয়া হয়েছিলো। বাকীদের তিনি সাধারণ ক্ষমা করেছিলেন।) বিনাশর্তে ক্ষমা করে দেয়া,আশা করি শেখ হাসিনা জাতিকে সেই কলংক থেকে মুক্তি দিবেন।

