ঐ তদন্ত রিপোর্ট,কোন গাজাখোরও বিশ্বাস করবে না।

SalimC's picture
Posted by
SalimC
Thursday, May 28, 2009 - 3:15pm BST

সব দোষ ত কেষট বেটার!এই বাংলাদেশে কি কোন সরকার আছে? পিন্টুই শেষ মেষ হিরু বনে গেল? হাসিনাকে বোকা বানাল আওয়ামীলিগের ওয়ার্ড সভাপতি তোরাব আলী? হি:!হা:! হি:!হা:! এই সরকারি কমিটির রিপোর্টের আর প্রয়োজন নাই। জনগণের যা বোঝার বুঝে নিয়েছে। সরকারের সময় নষ্ট করার দরকার ছিল, সেটাও হয়ে গেছে। তাহলে আর অযথা রিপোর্ট প্রকাশের বাড়তি ঝামেলা করা কেন? যেটা সত্য সেটা জনগনের সামনে প্রকাশ করা দরকার।

আমার ধারনা এই ঘটনা আওয়ামীলীগের নেতারা ঘটিয়েছে।যার জন্য এত দেরী হচ্ছে। এই বাহিনীর নাম নিয়ে চলছে গবেষনা। বিডিআর এন নাম পরিবর্তন করে এখন সেই রক্ষী বাহীনি বানাবে। আমার ধারনা এটাই।এই জন্য এখন নাম আর পোষাক পরিবর্তন নিয়ে যত তুমুল কান্ড চলছে। যদি সত্য কথা বলার বা জানানোর সৎ সাহস তদন্ত কমিটি'র এতসব শিক্ষিত জনের না থাকে তাহলে উনারা তদন্ত করার দায়িত্ব কেন নিলেন? আমাদের পুলিশ প্রশাসনের অল্প শিক্ষিতরাই এই কাজটুকু করতে পারত। যুগে যুগে সব সরকার এ ধরনের নোংরা কাজের জন্য পুলিশ কেই ব্যবহার করেছে। মনে হচ্ছে এটা আমাদের রাজনীতিতে একটা ভিন্ন মাত্রা যোগ করতে যাচ্ছে, যা ভবিষ্যেতর জন্য সুখকর নয়। আর তথাকতিথ এসব শিক্ষিতরাই আমাদের সব সময় বলে এসেছেন অন্যায়'র কাছে কখনো মাথানত না করতে। আজ ভাবতে লজ্জা লাগছে জীবনে'র সু-শিক্ষা টা আমরা উনাদের কাছ থেকেই পেয়েছিলাম।

সরকার কে বলছি, অন্যায় কে চাপা রেখে কেউ কখনো মহান হয় না। সত্য কখনো চাপা থাকবে না। এক এক দিন না এক দিন সত্য প্রকাশ পাবেই। আপনাদের প্রকাশ করার সাহস না থাকতে পারে, কিন্ত আমরা যারা এ দেশে হাল ধরব তারা এতোটা কাপুরুষ নই। আল্লা্হ্ আপনাদের ততদিন বাচিয়ে রাখুক যেন আপনারা দেখে যেতে পারেন বাঙালি জাতি অন্যায়ের বিরুধ্বে লডতে জানে। যতই ঘসা মাজা করেন না-ই কেন , সেনাবাহিনীর রিপোটে অনেক সত্য বেরিয়ে এসেছে ! আপনাদের তৈরী রিপোটে বিশবাস যোগ্যতা নিয়ে প্রশন থাকবেই !যে সেনা বাহীনির প্রধান তার চোখের সামনে ৭০ জনের মত অফিসারদের ধারাবাহিক কিলিংএর পরও তাদের বাচানোর কোনো সাহস ও উদ্যগ নিতে পারেনা অদৃশ্য কারনে,তাকে বেইমান,কাপুরুষ ও দালাল বলাই উচিত।তার সেনাপ্রধান পদে থাকাই উচিত নয়।

বিএনপি ষেনাপ্রধান করেছিলো সংবিধান অনুযায়ি দেশ চালানো ,দেশবাচানো ও দেশিবিদেশি ষড়যনত্র মোকাবেলা করার লাগি সাহস ও বিশ্বাসের সাথে।দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষার ভিত্তিমুল সেনাবাহিনীর প্রতি নগ্ন আক্রোশ তাদের থিসিস আর গবেষণায় । ডিজিটাল বাংলাদেশের ডিজিট এন্ট্রি হবে ভারত থেকে । সেনাবাহিনী থেকে ইসলাম দুর করার অভিযান চালানো হবে।আওয়ামী লীগ বাংলাদেশে গনহত্যা চালাইতে চায়|তার প্রেক্ষাপট তৈরীতে ব্যস্ত, পিলখানার ঘটনাটি একটি ট্রায়াল মাত্র| হাসিনা দেখতে চাইছে, ধীর স্থির সিদ্ধান্তের আড়ালে এই আর্মি অফিসারকে হত্যার করলো,এই ঘটনাটি জনগন কিভাবে নিচ্ছে বা দেখচ্ছে তাই এখন হাসিনার আওয়ামী লীগ পর্যবেক্ষন করছে|আর এই জন্যই প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে হিংসা ছড়িয়ে আওয়ামী ফ্যাসিষ্ট কর্মীদের উজ্জিবিত রাখার কুট কৌশল হাসিনা নিয়েছে (ইজারা ইস্যু, এতে ফ্যাসিষ্টরা বেজায় খুশি),যাকে বলে আপনার ভাষায় গ্রাম্য পলিট্রিক্স।

লক্ষ্য করুন, পিলখানায় গনকবরও হাসিনা খুড়েছে,কারন বাংলাদেশে গনহত্যা চালাইলে এই রুপ গনকবরও দরকার হবে|তাই পিলখানায় গনকবরও একটি ট্রায়াল|আওয়ামি লীগের অসর্মথিত অংশটুকু কেটে ফেলাই হলো ঘাতক হাসিনার এজেন্ডা। মুজিব পারেনি, হাসিনাও পারবে না| জানি এতে আওয়ামী লীগ ক্ষিপ্ত হয়ে উঠবে,হতাশা চারিদেকে ঘিরে ধরবে| হাসিনা আপা আপনের জন্য একটাই কথা'' এই দিন দিন নয় আরো দিন আছে ''। বিডিআর নিয়া তামাশা শুরু করেছেন, এতোগুলো সেনা অফিসার মারা গেল আর আপনে মনের শুখে বগল বাজাচ্ছেন? বাজিয়ে যান। আল্লাহর বিচার বলে একটা কথা আছে। সেদিন খুব বেশী দূরে না।

বিডিআর ট্রাজেডি সরকারের সৃষ্ট,নানক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, জোয়ানদের টিভি সাক্ষাতের উতফুল্লতা, মূখুশ পরে প্রধানমন্ত্রীর সাথে সাক্ষাত মইন মিয়ার নিরবতা,অভ্যুত্বানের বিদ্রোহকে রাজনৈতিক আলোচনায় সমাধানে সেনাবাহিনীকে পুতুলের মতো দাড়িয়ে রেখএ তাদেরই সহকর্মীদেরকে মৃত্যুপুরীতে জিম্মি করে রাখার, মাঝে প্রধানমন্ত্রীর বাড়িতে অতিরিক্ত সন্য মোতায়েন ও বানিজ্যমন্ত্রীর ধরিমাছ না ছুই পানির মতো বক্তব্য, আঙ্গা বহ সিআইডি তদন্তকাহ্বারকে নিয়োগ দেওয়ার মাঝে স্পষ্ট ধারণাকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিতকরার কোন সূযোগ আছে কি?

নিজেদের মতো করে বানানো তদন্ত নাটকের সেনা বাহিনীর রিপোর্টটি ও ষড়যন্ত্রের মহা নায়ক ময়না মিয়ার হাতে জমা দেওয়া হলো,ইতোমধ্যে সেনা কর্মকর্তাদের কে ভাগে আনার কাজটি ও সমপন্ন হয়েছে এবার জেএমবি কিংবা,জোয়ানদের নেতৃত্বহিনতার অপ্রিতীকর দুর্ঘটনা বলে পার করা যেতে পারে,খাটী সত্য কথার বিডিআর কর্মীদের কে মেরে ফেলা হয়েছে এর মাঝে মরেছেন একজন ইমাম সাহেব ও কারন তাদের কথাগুলি প্রকাশিত হলে তলের বিড়াল বেড়িয়ে আসতো, নিহত জোয়ানদের মৃত্যুর আগে বলা কথা গুলো প্রকাশিত হলো কিছুটা ধারণা পাওয়া যেতো! সেটা হবে না জানি-হৃদরোগের কারন হোক ওদের কথা গুলো যে সরকারের আসল চেহারা উম্মচোন হতো নির্ঘাত|তদন্ত কাহ্বার ও সেনাবাহিনীর রিপোর্ট সমন্নিত করতেই এতোদিন বিলম্ভ,সরকার মোটামুটি নিজেকে গুছিয়ে নিয়েছে|দুর্নিতি ও টেরোরিজমের নামে আমেরিকা-ব্রটেন-ভারত সারা বিশ্ব দখল করতে চায়।সেজন্য তারা প্রথমেই ইসলাম ও মুসলিম বিশ্বক্ব টার্গেট করছে এবং কিছু দালাল কিনে নে্য।বাংলাদেশে হাসিনা ও মইন হলো তাদের বিশ্বস্ত কেনা গোলাম।তাদের স্বার্থ হাসিলের লাগি বিএনপি নেতাদের বাগে আনতে দুর্নিতির অভিযুগ তুলে ও সেনাবাহিনিকে বাগে আনতে তাদের অফিসারদের মেরে ফেলে পিলখানায়।

পিলখানা হত্যাকান্ডের আগের দিন দুনিয়াতে জন্ম নেয়া অবুজ শিশুরাও জেনে গেছে যে এ হত্যাকান্ড নানক-আযম-সাহারারা আওয়ামীলিগের ওয়ার্ড সভাপতি তোরাব আলীর সহযোগিতায় করেছিল,দিনের আলোর মত সত্য একটা বিষয়কে আওয়ামী হায়েনারা অন্য দিকে ফিরাতে ছায়,মূর্খ বাকসালীরা সবাইকে তোমাদের মত আবুল/বোকা মনে কর??সেনাবাহিনীর তদন্তে আওয়ামী মন্ত্রীদের নাম এসেছিল কিন্টু তা জনসম্মুখে প্রকাশ করতে দেওয়া হয়নি,আওয়ামী মন্ত্রী ফারুক খান ওরফে তোতা মিয়া বলেছিল যে আর্মির তদন্ত নাকি সত্য নয়,সংশোদন করে আনতে হবে , আওয়ামী মন্ত্রী তোতা মিয়ার মন মত হয়নি তা এতদিন প্রকাশ করা হয়নি,পরের সরকার ক্ষমতায় আসলে আওয়ামী লীগের লুকোচুরির তদন্ত আবার তদন্ত হবে।তখন নানক-আযম-সাহারা আওয়ামীলিগের ওয়ার্ড সভাপতি তোরাব নাম বেরিয়ে আসবে,আমরা ওই দিনের অপেক্ষায় রইলাম।

পিলখানার ভিতরের ঘটনা ওনারা জানতেন না এটা কোন গাজাখোরও বিশ্বাস করবে না। আক্রান্ত সেনা আফিসারদের ফোন পেয়ে আত্মি্য় স্বজন ও সহকমিরা সকালেই জেনেছিলেন। স্বয়ং ডিজি সাহেব ও রাবের কণেল গুলজার প্রধানমন্ত্রি থেকে শুরু করে সেনা ও রাব আফিসে ফোন করে জিবন বাচাতে সাহায্য চেয়েছিলেন। পরে তাদের ফোনে না পেয়ে কি মনে হয়নি কিছু একটা ঘটেছে? কেন বিদ্রোহি নেতাদের কাছে আক্রান্ত সেনা আফিসারদের সাথে ফোনে যোগাযোগ করার সুযোগ দাবি করা হয়নি?14 জন আলোচকের নাম-ঠিকানা না রেখে দেহ তল্লাশি ছারাই কেন প্রধানমন্ত্রির কাছে নেয়া হল? তাদের 10 জন এখন আটক আছে? বাকি 4 জন কোথায়? এই 4 জনই কি বহিরাগত, যাদের বিমানের ফ্লাইট 2 ঘন্টা পিছিয়ে পার করে দেয়া হয়েছিল? জাতি জানতে চায় বিদ্রোহীদের সাথে যমুনায় কি কথা হয়েছিল ।ওরা কারা ছিল?

যে মীরজাফর(সেনাপ্রধান মইন)কয়েক গজ দুরে থেকে নিজ বাহিনির দেশপ্রেমিক অফিসারদের হত্যাকান্ড রহস্যজনক কারনে চেয়ে চেয়ে দেখে বাচানোর বদলে|ভারত ও হাসিনার দালাল, জাতির কুসন্তান,সেনাবাহিনীর কলংক মীরজাফর(সেনাপ্রধান মইন)ঐ তদন্ত রিপোর্ট প্রকাশ করতে দিবেনা আর দিলেও পরিবর্তন করে দিবে।দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনীর কোনো সদস্য যদি মনে করেন মইন সেনাবিহিনীর কল্যানে কোনো কাজ করতেছে তবে তাদের মতো বোকা লোক নেই।মীরজাফর(সেনাপ্রধান মইন) হলো সেনাবাহিনি ও দেশের দুষমন|একটু মাথা খাটালে এক-এগারোর প্রেক্ষাপটে একবিংশ শতাব্দীর বাংলাদেশে সিরাজউদ্দৌলাহ ও মীরজাফরকেও চিনে ফেলা সম্ভব।