কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতকে প্রাকৃতিক সপ্তাশ্চর্য নির্বাচনে প্রথমস্থানে রাখার প্রত্যয়ে শেষ হলো 'জাগো বাংলাদেশ' উৎসব। শনিবার ছিল দু'দিনব্যাপী এই উৎসব শেষ দিন। দু'দিন ধরে চলেছে 'ওপেন এয়ার' কনসার্ট, ঘুড়ি ওড়ানো ও ঐতিহ্যবাহী বলী খেলা বা কুস্তি আর সন্ধ্যায় মনোমুগ্ধকর আতশবাজির খেলা।
পাশাপাশি উদ্যোক্তাদের আয়োজনে অনবরত চলেছে অনলাইনে ভোটদান কাজ।
টানা কয়েকদিনের ছুটিতে দু'দিনের এ অনুষ্ঠানে হাজার হাজার পর্যটক আর স্থানীয়দের অংশগ্রহণে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত হয়ে উঠেছিল বিরাট মিলনমেলা।
'জাগো বাংলাদেশ ডাচ-বাংলা চ্যালেঞ্জ অব দ্য লংগেস্ট বিচ ২০০৯' নামের এই উৎসব আয়োজন করে ঢাকার 'মা কনসোর্টিয়াম', চ্যানেল আই ও 'অ্যাকটিভেট বাংলাদেশ'।
মা কনসোর্টিয়ামের নির্বাহী পরিচালক সানাউল আরেফিন বলেন, "সপ্তাশ্চর্য প্রতিযোগিতায় শীর্ষস্থানে অবস্থানকারী দেশের নাম বারবারই ওঠানামা করছে। আমরা চাই কক্সবাজার এক নম্বরে থেকে প্রতিযোগিতা শেষ করবে। এ জন্য ভোট দিতে হবে। আর ভোট দিতে হলে প্রয়োজন সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা ও প্রচারণা। এই প্রচারণার জন্যই দুই দিনের এই উৎসবের আয়োজন।"
তিনি বলেন, "আমরা বাঙালিকে জাগাতে চাই। তাই আয়োজনের মূল থিম 'জাগো বাংলাদেশ'।
সমুদ্র সৈকতের লাবণী পয়েন্টে কক্সবাজার ও সুন্দরবনকে ভোট দেওয়ার জন্য সবার জন্য ভোটদান কেন্দ্র খোলা হয়েছিল। ভোটদান কেন্দ্রে ২০টি কম্পিউটার বসানো হয়।
চ্যানেল আইয়ের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফরিদুর রেজা সাগর বলেন, "মানুষ আনন্দ করবে আর জাগ্রত হবে। কক্সবাজারকে শীর্ষস্থানে দেখতেই আমাদের যত প্রচেষ্টা।"
উৎসবের শেষদিন শনিবার ছিল নাচ, গান, আলোচনা ও অন্যান্য নিয়মিত আয়োজন।
গান পরিবেশন করে চ্যানেল আইয়ের 'সেরা কণ্ঠ' ও 'ক্ষুদে গানরাজ' শিল্পীরা। এছাড়া কক্সবাজার রাখাইন বুড্ডিস্ট ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের শিল্পীরা গান ও নৃত্য পরিবেশন করেন।
সন্ধ্যা ৭টার দিকে শিক্ষাবিদ আব্দুল্লাহ আবু সাইয়িদ সমাপনী বক্তব্য দেন। এরপর শিল্পীদের অংশগ্রহণে আরও একটি সমবেত গানের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান শেষ হয়।

Comments
সপ্তাশ্চর্য ভোট প্রচারণা: সৈকতে দু'দিনের উৎসব শেষ হলো