’৯৬ সালে সরকার গঠন করে পার্বত্য অঞ্চলে শান্তি এনেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। রক্ষা করেছেন দেশের অখণ্ডতা। এবার বিডিআর বিদ্রোহ শান্তিপূর্ণভাবে সমাধান করে দেশকে গৃহযুদ্ধের কবল থেকে রক্ষা করেছেন। ব্যাপক প্রাণহানি, সংঘাত এবং দুটি বাহিনীকে মুখোমুখি যুদ্ধ থেকে ফিরিয়েছেন। শত দিনে শেখ হাসিনার বড় সাফল্য শান্তিপূর্ণভাবে বিডিআর বিদ্রোহ দমন।
দ্রব্যমূল্যে হ্রাসে শতদিনের সরকারের উপর বেশি খুশি গ্রামের কৃষক আর শহরের নিুবিত্ত মানুষ। সারের দাম অর্ধেক কমেছে। চালের দাম কমেছে নজীরবিহীন। সয়াবিন তেলের পাঁচ লিটার ৫৫০ টাকা থেকে ৩৫০ টাকায় কমেছে। ডিজেলের দাম কমেছে। আটাসহ নিত্য প্রয়োজনীয় অন্য সামগ্রীর দামও সহনশীল পর্যায়ে। জনগণের প্রত্যাশা এই ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকবে। দিনবদল হবে সর্বস্তরে। আধুনিক প্রযুক্তির বিকাশে প্রতিষ্ঠিত হবে ডিজিটাল বাংলাদেশ। এই কাজগুলো করার জন্যই জনগণ শেখ হাসিনাকে রায় দিয়েছে। এখন প্রয়োজন সময়ের।
একদিনে সবকিছু বদলের আলাদিনের প্রদীপ শেখ হাসিনার নেই। সাত বছরে এক মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হয়নি। দুর্নীতি, সন্ত্রাসের রাজত্বে ছিলাম আমরা। শেখ হাসিনা বিদ্যুৎ যেখানে রেখে গেছেন সেখানেই আছে। শত দিনের সরকার বিদ্যুৎ সংকট গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে। মিয়ানমার, নেপাল থেকে জরুরিভাবে বিদ্যুৎ কেনার উদ্যোগ নিয়েছে। পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র চালু করতে কথা বলেছে রাশিয়া ও ফ্রান্সের সঙ্গে। আমলাতন্ত্র মুক্ত বিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিকল্পনা সরকারের।
জঙ্গিবাদ দমনে সরকার কঠোর। পাকিস্তানের মতো দেশ কারো কাম্য নয়। জঙ্গিবাদের উৎস খোঁজা হচ্ছে। সন্ত্রাসবাদ ও জঙ্গিবাদ দমনে শেখ হাসিনার সরকার কঠোর। যুদ্ধাপরাধীদের বিচারে উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। ছাত্রলীগের বাড়াবাড়ি দমনে ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। র্যাব আটক করে কারাগারে পাঠিয়েছে দুই ছাত্রলীগ নেতাকে। ছাত্রলীগের সাংগঠনিক নেত্রীর পদ ছেড়েছেন প্রধানমন্ত্রী।
পদ্মা সেতু বাস্তবায়নের কাজ শুরু হয়েছে। সংকট নিরসনে প্রধানমন্ত্রী ডেকে নিয়েছেন ঢাকার মেয়রকে। নির্দেশ দিয়েছেন ফ্লাইওভার, পাতাল রেল, মনোরেল নির্মাণে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার। মালয়েশিয়া ও দুবাইতে কর্মরত শ্রমিক সংকট নিরসনে সরকার আন্তরিকতা দেখিয়েছে। দুই মন্ত্রী মালয়েশিয়া ও দুবাই সফর করেছেন। কথা বলেছেন সেদেশের সরকারের সঙ্গে।
সরকারের প্রথম দিকে জনপ্রশাসন কিছুটা অস্থিতিশীল ছিল। গত একমাসে এই অস্থিরতা দূর হতে শুরু করেছে। প্রধানমন্ত্রী সচিবালয়ে মন্ত্রিসভার দুটি বৈঠক করছেন। নিয়োগ ও বদলি নিয়ে সংকট মোচনের নির্দেশ দিয়েছেন। নতুন সংস্থাপন সচিব নির্দেশ অনুযায়ী প্রশাসনে গতি এনেছেন। উপজেলা নির্বাচন সরকারের আরেকটি বড় সাফল্য। এতে স্থানীয় সরকার আরো গতি পাবে।
একশ দিনে বিচ্ছিন্ন কিছু বিষয়- টেন্ডারবাজি, চাঁদাবাজি, ছাত্রলীগ, শ্রমিক লীগের অভ্যন্তরীণ বিরোধ, বাণিজ্যমন্ত্রীর বেশি কথা বলা, কয়েকজন মন্ত্রীর অভিজ্ঞতার অভাব সরকারকে বিব্রত করেছে। বিএনপির দুর্নীতি ও সন্ত্রাসে অতিষ্ঠ জনগণ ভোট দিয়ে নির্বাচিত করেছে শেখ হাসিনাকে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতির জনকের কন্যা। মানুষের প্রত্যাশা শেখ হাসিনা তার কঠোর অবস্থান ধরে রাখবেন। দল-মত নির্বিশেষে কঠোর ব্যবস্থা নেবেন জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাস, দুর্নীতি, চাঁদাবাজি, ছিনতাই বন্ধে। জনগণ তাকিয়ে আছে সরকারের প্রতিটি কাজের দিকে।


Comments
হত্যা,সন্ত্রাস,লুটপাটের মাধ্যমে মহাজোট সরকারের একশ' দিন অতিবাহিত
হত্যা, সন্ত্রাস ও লুটপাটের মাধ্যমে মহাজোট সরকারের ১শ' দিন অতিবাহিত হয়েছে।দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ব্যবসা-বাণিজ্য, শিল্প-সংস্কৃতি, প্রশাসন এবং আইন-শৃক্মখলাসহ সর্বক্ষেত্রেই বিরাজ করেছে এক শাসরুদ্ধকর পরিস্থিতি।বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের মর্মমূলে আঘাত হানার জন্য ঘটানো হয়েছে পিলখানা ট্রাজেডি।এ অবস্থা অব্যাহত থাকলে বাংলাদেশ অকার্যকর রাষ্ট্রে পরিণত হবে।
নতুন সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর পরই সকল পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভাইস চ্যান্সেলর, প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর ও ট্রেজারারদের সরে যেতে হয়েছে। ঢাকা, রাজশাহী, চট্টগ্রাম, জাহাঙ্গীরনগর, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়সহ সকল বিশ্ববিদ্যালয়ে শূন্য হওয়া উচ্চতর প্রশাসনিক পদসমূহে নিয়োগ পেয়েছে ক্ষমতাসীন দলের অনুগত ও সক্রিয় কর্মী-শিক্ষকবৃন্দ। একই প্রক্রিয়ায় চলছে পাবলিক সার্ভিস কমিশনের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদফতর, জাতীয় টেক্সট বুক বোর্ডসহ শিক্ষা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের সর্বোচ্চ পদে দলানুগত ব্যক্তিদের বসানো হয়েছে। বাংলাদেশ এখন এক দুঃসময় অতিক্রম করছে। এ দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা এখন এক ভয়াবহ বিপর্যয়ের মুখোমুখি। বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রাবাসগুলোতে দলীয় আধিপত্য প্রতিষ্ঠার জন্য ভিন্ন মতাবলম্বী ছাত্রদের বল প্রয়োগের মাধ্যমে বিতাড়ন করা হচ্ছে। ভর্তি বাণিজ্য ও টেন্ডার বাণিজ্যের তান্ডবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো অচল হয়ে পড়েছে। বন্ধ হয়ে গেছে ৩০টির বেশি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।এসব ব্যর্থতা ঢাকার জন্য উল্টো শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাসে জড়িতদের সরকার বিরোধী অনুপ্রবেশকারীরা এসব ঘটাচ্ছে বলে প্রচার করছে সরকার।দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের ওপর আঘাত হানার জন্য ঘটানো হয়েছে পিলখানা ট্র্যাজেডী। দেশবিরোধী এ ষড়যন্ত্র থেকে জনগণের দৃষ্টি ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার জন্য আশ্রয় নেয়া হচ্ছে নানারকম উস্কানিমূলক তৎপরতা। প্রতিবেশী দেশের রক্তচক্ষু কূটনীতির রাষ্ট্রীয় অস্তিত্ব আজ বিপন্ন হওয়ার পথে।
What is the standard criteria of success
If more than 50 high profile officers including some others die in an incident and we mention it as an ultimate success then when you can call it as a failure. What should be the magnitude of loss to be a failure one. Do not predict something holocaust to compare your success. This kind of fuzzy comparison is not acceptable to the people. I have no comment about other success of this administration. May be some of them do the credit.
পিলখানার হত্যাকান্ড কি আওয়ামী শাসনের মাইলষ্টোন নয় কি?
পিলখানার হত্যাকান্ড কি আওয়ামী শাসনের মাইলষ্টোন নয় কি? তবে কি গন কবর গুলো যুদ্ধাপরাধীরা তৈরী করেছিলো পিলখানায়?
পিলখানা হত্যাকান্ডের মদদ দাতাদের সাথে জড়িত বিডিআর জওয়ান সেলিম ও তার স্ত্রী সুমনার কথোকপন|
“আমি ধরা পড়লে ১০০ জনের ফাঁসি হবে আর আত্মহত্যা করলে সবাই বেচে যাবে।“
৩টি সিম এখন গোয়েন্দাদের হাতে যেখানে সরকারের ২জন প্রভাব শালী ব্যাক্তি! ১১ বার সেলিম এর সাথে যোগাযোগ করেছেন!
আমরা জানতে চাই সেসব ষড়যনত্র কারীদের নাম,মোটিভ।এই জওয়ান কেও হয়ত হত্যা করা হবে।আত্ম হত্যা বলে চালিয়ে দেয়া হবে।
জীবন এখন কত মূল্যহীন! বিমান বন্দর দিয়ে হত্যাকারীদের পালাতে সহায়তা করেছে হাসিনার সরকার,বিডিআর বিদ্রোহ তদন্তের নামে মাণবাধীকার লংঘন করেছে হাসিনার সরকার,বিডিআর হত্যাকান্ডের মূল পরিকল্পনা কারিরা ছিল হাসিনার সরকার,দেশ বাসি বোঝে সনত্রাসী ছাএলীগ, শেখ হাসিনার কাজ এদেশের জনতার মাঝে রাজনৈতিক ষড়যনত্র করে,গৃহ যুদ্বের মূল পরিকল্পনা তৈরী করা । কূচক্রী হাসিনার লজ্জাহীন কথা বার্তা শুনলে মনে হয়, পাগল হয়া গিয়াছে।বিডিআর বিদ্রোহ তদন্তের নামে মাণবাধীকার লংঘন একটা রেওয়াজে পরিনত করেছে বাল সরকার।হত্যা কান্ডে ইন্দ্বন দাতাদের বাচাঁতে সরকারী তদন্ত কমিটি জনগণের দৃশ্টি অন্যদিকে ফেরাতে দায়িত্ব প্রাপত তদন্ত কর্মকর্তা,বানিজ্যমনত্রী একের পর এক রহস্য তৈরীতে ব্যস্ত।তাদের ঘটনা ধামা চাপঁা দেয়ার অপপ্রয়াসের বলি নিরীহ বিডিআর জওয়ানরা।দূরভাগ্য জাতির যে বিতর্কিত সাহারা,আযম,নানক,ইনু,তাপস,তোরাব আলীদের বাচাঁতে বিচারের নামে প্রহসন অর আয়োজন করা হছ্ছে।জনতার দৃষ্টি ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতে খালেদা জিয়ার বাড়ীকে রাজনৈতিক ইস্যু বানিয়ে দেশ ব্যাপী অস্হিরতা সৃষ্টি করে ষড়যনত্র কারীদের বাচাঁনোর জোর প্রচেষ্ঠা চলছে।একথা এখন দিনের আলোর মত পরিষ্কার যে পিলখানা হত্যাকান্ডে আওয়ামীলীগ জড়িত।বালের নেতা কর্মীরা সারাদেশ দখল করে ক্ষান্ত হয় নাই এবার নিজেরা কামড়া কামড়ি করছে হাড্ডির লোভে।ওনি সেদিকে নজর না দিয়ে নজর দিলেন খালেদা জিয়ার বাড়ীর দিকে!মামার বাড়ীর আবদার করে বসলেন।একদিকে হত্যা করে অন্যদিকে তাদের সহানুভূতি পাবার আশা!বেশ ড্রামা।খালেদাকে এতো ভয় কেন ম্যাডাম?আর আপনার কুৎসিত আকান্খা চরিতার্থ করতে নিজের বাড়ী ওনি ছাড়বেন কেন?এটা ত জিয়া দখল করেনি?আপনি নিজে পুরো দেশ গিলে ফেলেও পেট ভরাতে পারলেন না?শেম!! শেম!!