সভ্যতার শতাব্দীরা
নিঃশব্দে ঝরে যায়-
কাগজের পর কাগজ
জমা হয়-
কবরের পর কবর।
এবং রাত্রির অন্ধকার হতে
হেঁটে যায়,-
প্রেমিকেরা-
অনন্তের প্রভুরা-
সভ্যতার শতাব্দীরা
নিঃশব্দে ঝরে যায়-
কাগজের পর কাগজ
জমা হয়-
কবরের পর কবর।
এবং রাত্রির অন্ধকার হতে
হেঁটে যায়,-
প্রেমিকেরা-
অনন্তের প্রভুরা-
জেনারেলের টেবিলের পর
একটি ফুলদানি,
আর তাতে পাঁচটি গোলাপ।
জেনারেলের ট্যাংকের আছে
পাঁচটি মুখ,
ট্যাংকের নীচে পিষ্ট হয়েছে
পাঁচ বছরের একটি বালক-
আমেরিকা এসো
আমেরিকা,
এসো উপহার বিনিময় করি।
তোমার চোরাই সিগারেট
ফিরিয়ে নাও,
বিনিময়ে আমাদের ক্ষেতের শস্য
ফিরিয়ে দাও।
জেমস বন্ডের কালো পিস্তল

ধ্বংস-যজ্ঞ যতো-ই লাগুক
এবং মানুষ মার্ডার,
কোটি প্রাণের তরে ও আনবো
নিউ ওয়ার্ল্ড অর্ডার।

এক.
নাম আমার এহুদ বারাক
সংগে আছে বন্ধু বারাক,
দেখছো কেমন বসে আছি
নেইকো কোনোই ফারাক।
এক চক্ষু দানব যে এক
করছে শুধু তাড়া,
রক্ত নেবো,রক্ত খাবো
একটু খানি দাঁড়া।
তুই-ই খারাপ,তুই-ই পাপী
তুই-ই হলো নষ্ট,
ধরবো তোকে,মারবো তোকে
করবো হলো কষ্ট ।
নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের বিজয় যে অপ্রত্যাশিত ছিলো না এ বিষয়ে বি এন পি'র ও কোনো সন্দেহ ছিল বলে মনে হয় না ,মুখে তারা যতোই জালিয়াতি বা ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং-এর অভিযোগ তুলুক না কেনো।তবে সবচে আকর্ষণীয় ছিলো জামাতীদের নিদারু
ঢাকার সেগুন বাগিচা থেকে ''বিচিন্তা'' নামে একটি সাপ্তাহিক ম্যাগাজিন বের হোত। মিনার মাহমুদ নামে এক প্রতিভাবান সাংবাদিক ছিলেন এর সম্পাদক। তরুণদের মধ্যে বেশ জনপ্রিয় এই ম্যাগাজিনটির সংক্ষিপ্ত কিন্তু ক্ষুরধার সম্পাদকীয়ের নীচে থাকতো কিছু আপ্তবাক্য, আপাতঃদৃষ্টিতে যা বাংগালী জাতির জন্য লজ্জাজনক মনে হতো, অনেকটা রবীন্দ্রনাথের ,''রেখেছো বাংগালী করে, মানুষ করোনি''র মতো।
বাংলাদেশের স্বাধীনতা বিরোধী এবং ইসলামের কলংক,৩০ লক্ষ মানুষ হত্যা এবং ২ লক্ষ নারী ধর্ষণে মদদ দাতা আত্মস্বীকৃত রাজাকার গোলাম আজম আবার মাঠে নেমেছে।জাতি যখন ৭১ এর স্বাধীনতা যুদ্ধবিরোধী মানুষ হত্যাকারীদের বিচারের দাবিতে সোচ্চার