বিশ্বের অর্থনীতি এখন চরম সংকটে।এক বছর আগে বাড়ি কেনার জন্য ক্রেতার আয় সীমার পাঁচ/ছয় গুণ ঋণ প্রাদান করে এবং সেই ঋণের মর্গেজকে আবার সিকিউরিটিজ বা বন্ড-এর মোড়কে অন্য দেশি-বিদেশি ব্যাংক এবং অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠানের কাছে বিক্রি করে যুক্তরাষ্ট্রের হাঊজিং মার্কেটে যে ধ্বস নামানো হয়েছিল তা ফুলে ফেঁপে সাইক্লোনের রূপ নিয়ে অনেক আগেই সমগ্র পৃথিবীর অর্থনীতিকে ধ্বাক্কা দিয়েছে। একের এক পতন হয়েছে UBS,AIG,Lehmann Brothers,Fanny mae,HBOS,Barclays পাশ্চাত্য বিশ্বের এসব বড় বড় প্রতিষ্ঠানগুলো। আর আইসল্যান্ডের পুরো অর্থনীতিই দেঊলিয়া হয়ে গেছে। মাত্র ৫ বিলিয়ন পাঊন্ডের জরুরি অর্থ সাহায্যের জন্য দেশটি হাত বাড়িয়েছে রাশিয়ার কাছে। আমেরিকার ব্যাংকগুলোতে প্রাণ সঞ্চারের জন্য ফেডারেল রিজার্ভ ৭০০ বিলিয়ন ডলারের এক বিশাল ঋণ মঞ্জুর করেছে-যা বহন করা হবে দরিদ্র জনগণের উপর চাপিয়ে দেয়া বাড়তি ট্যাক্সের পয়সায়। ব্রিটেনেও ঘটেছে এক-ই ঘটনা। ব্যাংকগুলোকে দেঊলিয়াত্ব থেকে রক্ষা করতে গর্ডন ব্রাঊনের সরকার ৫০০ বিলিয়ন পাঊন্ডের এক ঋণ সাহায্য দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর সংকুলান ও করা হবে নানাবিধ ট্যাক্সের ভাড়ে নূব্জ ব্রিটেনের সাধারণ মানুষের উপর বাড়তি করের বোঝা চাপিয়ে।
গত এক সপ্তাহে বিশ্বের শেয়ার বাজার হতে উবে গেছে ৬.৫ ট্রিলিয়ন(৬৫০০০০০০০০০০০)ডলার। এ পতন অব্যাহত রয়েছে। এক ভয়াবহ অর্থনৈতিক সংকট কাটাতে জরুরি বৈঠকে বসতে প্যারিসে সমবেত হয়েছে তথা কথিত G-7 নেতারা।তারাও ব্রিটেনের পদাংক অনুসরণ করে জনগণের উপরই এর দায়ভাগ চাপাতে যাচ্ছে।
অপর দিকে এসব ব্যাংকগুলোর পেটমোটা হর্তা কর্তাদের বিরুদ্ধে কোনো শাস্তিমূলক ব্যাবস্থা নেয়া হচ্ছে না। তারা না বুঝে বেশি রিস্ক নিয়ে ফেলেছে বা ভুল বিনিয়োগ করেছে একথা বলে এই বিড়ালগুলোকে বিশাল অংকের অর্থ দিয়ে বিদায় করা হচ্ছে। এক হিসেবে দেখা গেছে বিশ্বের এই চরম অর্থনৈতিক সংকট সত্বেও লন্ডনের হেজ ফাণ্ড ম্যানেজার,ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংকার এবং কমোডিটি ট্রেডারদের এবছর শেষে ৩.৫ বিলিয়ন এবং আগামী বছর ২.৭৬৯ বিলিয়ন পাঊন্ডের বিশাল বোনাস দেয়া হবে। এবং এসব হবে জনগণের ট্যাক্সের পয়সায়। কী চমৎকার শোষণ পদ্ধতি।
এক দিকে ব্রিটেনসহ সমস্ত পৃথিবীর দরিদ্র মানুষদের খাদ্য এবং জ্বালানির ব্যবস্থা করতে নাভিশ্বাস উঠছে। আর অন্যদিকে তাদেরই উপর বাড়তি ট্যাক্স চাপিয়ে একটি শ্রেণীর ভোগ বিলাসের যাবতীয় আয়োজন করা হচ্ছে। সৌরভের মনে পড়লো বোনাস উপলক্ষে উৎসব করতে গিয়ে লন্ডনের পশ রেষ্টুরেন্টে যেয়ে এরা কীভাবে পয়সা ওড়ায়। তারা Self Ridge এর ৮০ পাউণ্ড(প্রায় ১০০০০টাকা) দামের স্যান্ডউইচ দিয়ে লাঞ্চ করে এবং ১৬০০০ পাউন্ড(১৮০০০০০টাকা)দামের পুরনো স্যাম্পেইনের বোতল খুলে।
অন্যদিকে পৃথিবীর ৮৫ কোটি মানুষ ক্ষুধার যন্ত্রণায় দিন কাটায়। একবিংশ শতাব্দিতে এসে পৃথিবীর মানুষের মহা উন্নতি হয়েছে বটে। ধারনা দেয়া হয়েছিল সমাজতন্ত্রের ভূত দূর হলে ক্যাপিটালিজম এবং টেকনোলজি মানুষকে সমৃদ্ধির স্বর্ণ শিখরে পৌঁছে দিবে। তা দিয়েছে বৈ কি, বিশ্বের কতিপয় এলিটদের। Forbes ম্যাগাজিন এর বিশেষ সংখ্যায় আমেরিকার ৪০০ জন অতি ধনী ব্যাক্তির তালিকা প্রকাশ করেছে। এ তালিকার শীর্ষে যথারীতি ৫৭ বিলিয়ন ডলার নিয়ে আছেন বিল গেইটস,এর পরেই ৫০ বিলিয়ন ডলার নিয়ে আছেন ওয়ারেন বাফে। সর্ব নিম্ন ধনী ব্যক্তিটির রয়েছে ১.৩ বিলিয়ন ডলার। এদের সম্মিলিত সম্পত্তির পরিমাণ ১.৫৭ট্রিলিয়ন ডলার(১৫৭০০০০০০০০০০০) যা গত এক বছরে ২০ বিলিয়ন বেড়েছে।
এদিকে ব্রিটেনের সানডে টাইমস পত্রিকা ব্রিটেন এবং আয়ারল্যান্ডের ১০০০ জন ধনী ব্যক্তির সম্পত্তির তালিকা প্রকাশ করেছিল। এতে সর্বোচ্চ ধনী ইন্ডিয়ান বংশোদ্ভুত লক্সী মিত্তালের সম্পদের পরিমাণ ২৭,৭০০ মিলিয়ন পাউন্ড,রাশিয়ান রোমান আব্রামভিচের অর্থের পরিমাণ ১১,৭০০ মিলিয়ন পাঊন্ড। তালিকার সর্বনিম্নে যিনি আছেন তার সম্পত্তির পরিমাণ মাত্র ৮০ মিলিয়ন পাউন্ড। এই এক হাজার জনের সম্মিলিত সম্পদের পরিমাণ ৪১২.৮৪৬ বিলিয়ন পাঊন্ড বা প্রায় ১০০০ বিলিয়ন ডলার।
কাল ঢাকায় সিপিডি আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ডঃ ইউনুস বলেছেন,এক অর্থনৈতিক সুনামি আসছে এবং এতে দরিদ্ররাই সবচে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তা তো হবেই। রাজার হস্ত করে সমস্ত কাংগালের ধন চুরি। ডঃ ইউনুস কী জানেন না কোনো ধরণের বিশ্ব যুদ্ধ, বড় ধরণের প্রাকৃতিক দূর্যোগ ইত্যাদি ছাড়াই বিশ্ব অর্থনীতির এ অবস্থা কেনো এবং কারা এটা ঘটাচ্ছে? পৃথিবীর মুষ্টিমেয় একটি এলিট গোষ্ঠি ৫০০০ হাজার বছর আগের মিশরের ফেরাউনদের মতো বিলাশ বহূল জীবন যাপনের জন্য পিরামিডের আদলে পৃথিবীতে নিউ ওয়ার্ল্ড অর্ডার আনার সর্ব রকমের প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে,ডঃ ইউনুস কী তা জানেন না?
সৌরভ কামাল
লণ্ডন,ইংল্যান্ড


Comments
US and Western financial sys responsible, they will solve it.
Hello ashraf,
The current financial crisis has been created and will be solved by the US and Westrn capital financial system. Our expossure will be minimum. Looks like, it will not prolong too much, US tax payers paying for it.
Let's think, how we can develop ourselves, come with ideas, I have some ideas, I will try them soon.
Thanks,
To Ashraf
Glad to know that you are aware of this.I am not sure of any relationship between CTG,Dr Yunus and The Shadow Masters of the World.
Thanks for good information
Good information. Bangladesh and all poor countries will be sharing the slowness in development in the future for sometimes. Bangladesh will not be hurt immediately, for Bangladesh has no exposure to those financial instruments. But sluggish world financial system will create unemployment in Western worlds, so demands for commodities like garments will slow down for sometimes. From historical data, it looks like, the crisis may not prolong too long, for working people taking the burden on themselves, rewarding the crisis creators, as capitalism always does.
Ashrafism, rooted in Khaledaism
Hello ashraf,
Always glad to hear from you, I know you try to kill my character time to time, that’s OK, for one thing I am sure, you want to see Bangladesh prosper like many nations, e.g. Malaysia etc.; although you are not sure how to achieve it; one thing sure, it is not Khaledaism.
In today’s complex world, complex knowledge and skills can keep up only, so Khaleda, Hasina etc. are helpless with the current socio-economic and geo-political system. If you have problem to accept it, you cannot see the real ways of solving our problems. What khaleda, Hasina did was nothing but waste of time, means and opportunities.
I know, you are mad, when I predicted, Hasina and Khaleda accepted the conditions not to participate in the forth coming election as part of their bail process, now you can see it is happening.
Please support the people who have capabilities and take part.
Thanks,
The Prediction
The vulture always pray for death of cow, your prediction is like that. You know Khaleda and Hasina's power base is people but the dark force power base is some opportunist previeleged ex officers and the neighbor.
Gobra, KZ and SH have faith of uninformed people
Hello gobra,
Just an example, in Dhaka city alone, 70 thousands women work in contructions, they will vote for Khaleda if she contests; what are their expectations? Nothing, they do not expect anything from Khaleda, they know khaleda cannot change their life, on the other hand, many believe Allah gave them a life like that! Khaleda, if ever thought of them by chance, never thought to do anything for them, or do not know the way of changing! So, this kind voting faith Khaleda may have, she has faith of the people, but she does not feel responsibilities to these paeople, it is not two ways. It is harmful to the people in example.
মি জালাম ও আমেরিকান প্রবাসী বাংগালীদের,
মি জালাম ও আমেরিকান প্রবাসী বাংগালীদের,
এর আগেও আমি বলেছিলাম পৃথিবীতে নিউ ওয়ার্ল্ড অর্ডার আনার সর্ব রকমের প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে আমেরিকার একটি গোপন সোসাইটি, এই সোসাইটি খুবই গোপনে কাজ করে, এদের রয়েছে গোপন সদস্য। এদের প্রথম কাজই হলো মিডিয়ার মিথ্যাচারে কোন দেশকে টার্গেট করা, এবং জনগনকে বুঝানো তাদের সরকার খারাপ। যেমন ইরাক, ইরাকের বিরুদ্ধে ঊপেন্স ওফ মাস ডেস্ট্রাকশনের কথা বলে দেশটি দখল নিয়ে এখন তাদের তাবেদারী সরকারকে বসিয়ে দিয়েছে।
এখন একই পক্রিয়ায় বাংলাদেশকে তিলে তিলে নিশেষ করে এর জনগোষ্টিকে উত্তপ্ত করে দেশকে অর্থনৈতিকভাবে নেংটা করে ছেড়ে দেওয়া হবে, এবং দেশে নিয়ন্ত্রিত সরকার ব্যবস্থা বসিয়ে দেওয়া হবে। জারজ ফকুরুদ্দিন গোপন সোসাইটির গোপন সদস্য। জারজ ফকুর কাজ দেশের অর্থনীতির বারোটা বাজানো এবং দেশে যুদ্ধাবস্থায় বজায় রাখা, যেন তার বিদেশে প্রভ্যুদের খুশী রাখা যায়, এর জন্য এখনও দেশকে জরুরী আইনের মোড়কে রাখা হয়েছে।
নিউ ওয়ার্ল্ড অর্ডারের আওতায় দেশে জাতীয় আইডি কার্ডের প্রজেক্ট চলছে। যে সব লোক নিউ ওয়ার্ল্ড অর্ডার মানবে না তাদেরকে যেন সহজে সনাক্ত করা যায়, এটাই এদের উদ্দেশ্য।
বাংলাদেশের এক শ্রেনীর কিছু সুশীল লোক, বহুদিন বিদেশে থেকে বিদেশী-মদ-নারীতে বুদ হয়ে এদের দলে ভিড়েছে। এবং যথেচ্ছা ভাবে দেশের বিরুদ্ধে প্ররোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। যেমন, মি জালাম। এই সব জালিমদের হাত থেকে আল্লাহ যেন রক্ষা করে এটাই সাধারন জনগনের প্রার্থনা।
মি জালাম আপনারা নষ্ট হয়ে গেছেন। আপনাদের শরীর থেকে পচা দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ছে ... ছি ছি ... সুদুর আমেরিকার নিশ্চিত আরাম-আয়েশের মধ্য থেকে নিজেকে ফেরেস্তা ভেবে দেশের ক্ষমতায় আসার জন্য আপনারা বিশ্রী ও সভ্যতার নোংরা কাজে লিপ্ত। আর ফকু, এউনুসেরা হলো আপনাদের আর্দশ । লোকে ফকুদের এখন জারজ বলে, এদের সমর্থক গোষ্টি হলো সুশীলেরা, জারজ সুশীলেরা।