আমাদের রক্তে ভেজাল? বিশ্বাসে অজুত ফোঁকড় ?

KAY's picture
Posted by
KAY
Saturday, December 27, 2008 - 10:06am BST

ঢাকার সেগুন বাগিচা থেকে ''বিচিন্তা'' নামে একটি সাপ্তাহিক ম্যাগাজিন বের হোত। মিনার মাহমুদ নামে এক প্রতিভাবান সাংবাদিক ছিলেন এর সম্পাদক। তরুণদের মধ্যে বেশ জনপ্রিয় এই ম্যাগাজিনটির সংক্ষিপ্ত কিন্তু ক্ষুরধার সম্পাদকীয়ের নীচে থাকতো কিছু আপ্তবাক্য, আপাতঃদৃষ্টিতে যা বাংগালী জাতির জন্য লজ্জাজনক মনে হতো, অনেকটা রবীন্দ্রনাথের ,''রেখেছো বাংগালী করে, মানুষ করোনি''র মতো। কথাগুলো ছিল অনেকটা এরকম,'' আমাদের রক্তে ভেজাল,বিশ্বাসে অজুত ফোঁকড়। যা বিশ্বাস করি তা মুখে বলি না। যা বিশ্বাস করি না তা বলি। আবার যা বলি তা করি না,যা করি তা বিশ্বাস করি না......।

মামলা মোকদ্দমায় জর্জরিত হয়ে এনায়েতুল্লার কাছে ম্যাগাজিন বিক্রি করে দিয়ে আমেরিকায় পাড়ি জমানোর পর থেকে বিচিন্তা আর পড়িনি। কিন্তু সেই কথাগুলো মনে গেঁথে গেছে। পরবর্তী জীবনে দেশে এবং বিদেশে দেশি ভাই এবং বিদেশিদের সাথে কাজ করতে যেয়ে সেই কথাগুলোর মর্মার্থ বার বার উপলব্ধি করেছি।

২০০৬ সালে বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে দেশজুড়ে যে রাজনৈতিক বিশৃংখলার সৃষ্টি হয় যার পরিপ্রেক্ষিতে দেশ পরোক্ষভাবে সামরিক শাসনের অধীনে চলে গিয়েছিল সে সময়ের নানান ঘটনা-দূর্ঘটনার সংবাদ শুনে একথাগুলো আবার মনে পড়তো।আর এখোন, ২০০৮ এর শেষ লগ্নে এসে সেই বিলম্বিত জাতীয় নির্বাচনের পূর্বক্ষনে দাঁড়িয়ে বিচিন্তার সেই আপ্তবাক্যগুলো বেশি বেশি মনে পড়ছে। দুই বৃহৎ দলের প্রধান নেত্রীসহ অন্যান্য যে সব রাঘব বোয়ালকে ধরা হয়েছিল তারা প্রায় সবাই এখন কারাগার থেকে বেরিয়ে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে। আইনের নাগালের বাইরে থাকা এইসব পরিচিত দুর্নীতিবাজ (অল্প কিছু ব্যতিক্রম ছাড়া)দের আটকের ঘটনায় মানুষ বিস্মিত হয়েছিল, বাংলাদেশে এও সম্ভব?আবেগ পরায়ণ বাংগালী জাতি গান গাইতে শুরু করেছিল ,''ধন্যি রাজার পূণ্য দেশ,যদিও এ জাতি যুগে যুগে সামরিক শাসনের বিরোধিতা করেছে।

আবার বছর ঘুরতে না ঘুরতেই দেখা গেলো দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি,উপদেষ্টা পরিচালিত সরকারের নানাবিধ স্ববিরোধিতা ইত্যাদি কারনে দ্রুত-ই জনগণের মোহভংগ হয়, সামরিক সমর্থনপুষ্ট এ সরকারের প্রতিও মানুষ আস্থা হারিয়ে ফেলে।আর এখোন দেখা যাচ্ছে সব কিছুই আবার চলে গেছে স্কোয়ার ওয়ান-এ। রাজনৈতিক দলগুলোর নেতা-নেত্রীরা আবার গলা চড়িয়ে একে অপরকে আক্রমণ করছে,নির্লজ্জভাবে আবারো গেছে বঞ্চিত মানুষের কাছে ভোট চাইতে। আর সব কিছু ভুলে অনেকেই এই সব লাজ-লজ্জাহীন রাজনীতিকদের পেছনে নাচছে(সবাই যদিও নয়)।এতো গেলো সাম্প্রতিক সাম্প্রতিক সময়ের কথা।

বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের সময় এ স্ববিরোধিতা, দ্বিধা,দোদুল্যমানতা, কথা এবং কাজের সমন্বয়হীনতার অজস্র প্রমাণ ছড়িয়ে আছে।

বংগবন্ধুকে দিয়ে শুরু করা যাক। বংগবন্ধু ৭ই মার্চ রেসকোর্সের ময়দানে স্বাধীনতার ডাক দিলেন, সশস্ত্র সংগ্রামের জন্য মানুষকে তৈরি থাকতে বললেন কিন্তু স্বাধীনতার ঘোষণা দিলেন না। মানুষ আশাহত হলো, বিভ্রান্ত হলো। শেখ মুজিব একদিকে বাংগালীদের স্বাধীনতা আন্দোলন চালিয়ে যেতে উৎসাহিত করছিলেন,অন্যদিকে ইয়াহিয়ার সাথে রুদ্ধদ্বার বৈঠক চালিয়ে যাচ্ছিলেন এটা জেনেও যে, পাকিস্তানিরা প্রতিদিন বিমানে করে সৈন্য আনছিল ঢাকায়। স্বাধীনতা আন্দোলনকে তিনি নাকি চাপ ইয়াহিয়ার উপর চাপ সৃষ্টি করে পূর্ব পাকিস্তানের অটোনমি'র জন্য দর কষাকষি করছিলেন।ইয়াহিয়াকে বোঝাচ্ছিলেন যে তার উপর বামপন্থীদের প্রচন্ড চাপ রয়েছে। ৭ই মার্চ স্বাধীনতার ঘোষণা না দেয়ার পক্ষে যুক্তি দেখিয়ে বলা হয় যে সে দিন স্বাধীনতার ঘোষণা দিলে আর্মি সে খানে রক্ত গঙ্গা বইয়ে দিতো।পাকিস্তানি সেনাবাহিনী কী বাংলা রক্তাক্ত করতে বাকী রেখেছিল?

সবচে বিস্ময়কর হচ্ছে, জাতিকে স্বাধীনতা যুদ্ধের জন্য উত্তেজিত করে ২৫ শে মার্চ মহাযুদ্ধের সিপাহসালার শত্রুর হাতে ধরা দিলেন, পৃথিবীর ইতিহাসে সম্ভবতঃ এধরণের ঘটনা এটাই প্রথম। জাতিকে হত্যাযজ্ঞের মধ্যে ফেলে বংবন্ধু শত্রু'র নিরাপদ কারাগারে চলে গেলেন।আত্মসমর্ণের পক্ষে যুক্তি দেখানো হয় যে, বংগবন্ধু ধরা না দিলে পাকিস্তানি সেনারা বাংগালী মেরে শেষ করে ফেলতো। শেখ মুজিবের আত্মসমর্পণের পর পাক(নাপাক) বাহিনী কী ৩০ লক্ষ বাংগালি হত্যা করেনি ? ২ লক্ষ বাংগালী নারীকে লাঞ্ছিত করেনি ? অজস্র মানুষকে পংঙ্গু করেনি ?দেশে ব্যাপক ধ্বংস যজ্ঞ চালায় নি?

২৫ শে মার্চের কাল রাত্রির আর্মি ক্র্যাক ডাউন-এর পর জাতি যখন কান্ডারিবিহীন তখন ২৬ মার্চ সকালে চট্টগ্রামের কালুর ঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে মেজর জিয়াউর রহমানের কন্ঠে স্বাধীনতার ঘোষণা ( বংগবন্ধুর নামে) শুনে জাতি কিছুটা আশার আলো দেখতে পেলো। জিয়াকে এ গৌরবময় ঘটনা হতে বঞ্চিত করার জন্য বলা হয়, বংগবন্ধু নাকি গ্রেফতার হওয়ার পূর্ব মূহুর্তে ওয়্যারলেসে স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন। যে ঘোষণা জাতির শোনার সুযোগ হলো না সে ঘোষণার কী মূল্য আছে। আর চট্টগ্রাম বেতার কেন্দ্র থাকতে ওয়্যারলেসে ঘোষণা দিতে গেলেন কোন যুক্তিতে এবং কেনো ২৫শে মার্চের কাল রাত্রিতে? তিনি কী জানতেন ঠিক কয়টা সময় নাপাক আর্মি তাকে ধরতে আসবে এবং তাঁকে জীবিত-ই ধরবে? সেই নিশ্চয়তা তিনি কোথায় পেয়েছিলেন? বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের ঘোষণা নিয়ে যে বিতর্ক এখনও চলছে এর জন্য শেখ মুজিব-ই দায়ী।

এবার আসা যাক জিয়াউর রহমানের কথায়। পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর বাংগালি অফিসাররা জানতেন যে পাকিস্তান থেকে আর্মি ক্র্যাক ডাউনের জন্য প্লেনে করে সৈন্য এবং জাহাজে করে গোলাবারুদ আসছে। এসব জেনেও মেজর রফিকুল ইসলাম যখন তার বাহিনী নিয়ে মুক্তিযুদ্ধের জন্য তৈরি হতে শুরু করেন , জিয়াউর রহমান সব জেনেও সোয়াত জাহাজ থেকে অস্ত্র খালাস করতে যেয়ে জনগণের বাধার মুখে ফিরে আসতে বাধ্য হন। আবার তিনি-ই স্বাধীনতার ঘোষণা দিলেন অত্যন্ত মোক্ষম একটি সময়ে যা স্বাধীনতা সংগ্রামের একটি টার্নিং পয়েন্ট ছিল।

যুদ্ধ শেষে বংগবন্ধু দেশে ফিরে এসে তার অবর্তমানে স্বাধীনতা যুদ্ধের সার্থক নেতৃত্ব দিয়েছিলেন যে বিচক্ষণ তাজুদ্দিন,তাকে দূরে ঠেলে দিয়ে কাছে ডেকে নিলেন স্বাধীনতা যুদ্ধের বিরোধী,আমেরিকা পন্থী কুচক্রী মোশতাককে,যার মূল্য তাকে পরিশোধ করতে হলো সপরিবারে নিহত হয়ে। স্বাধীনতা যুদ্ধের মাত্র দু বছর পর-ই ১৯৭৩ সালে বংগবন্ধু ইসলামিক সম্মেলন করতে পাকিস্তান যান (দলের অনেকের আপত্তি সত্বেও) এবং তার রাজনৈতিক শত্রু এবং আর্মি ক্র্যাক ডাউনের উৎসাহদাতা ভুট্টোর সাথে মোলাকাত করেন। তাদের করমর্দনের সেই ছবিও ফলাও করে পত্রিকায় ছাপা হয়। বাংলাদেশের সংবিধানের মূলনীতিতে সমাজতন্ত্রের কথা থাকা সত্বেও সমাজতন্ত্রের লাল ঘোড়াকে দাবড়ে দেয়ার জন্য সংসদে প্রকাশ্যে হুমকি দেন।সর্বহারা পার্টির সিরাজ শিকদার পুলিশের হেফাজতে মৃত্যুবরণের পর তিনি সংসদে সোল্লাসে প্রশ্ন ছুড়ে দিয়েছিলেন,''কোথায় আজ সিরাজ শিকদার?" সেদিন কি বংবন্ধু ভুলে গিয়েছিলেন তিনি জাতির পিতা?

আজীবন বহুদলীয় গণতন্ত্রের জন্য সংগ্রাম করে তিনি এক দলীয় শাসন কায়েমের জন্য গঠন করেছিলেন বাকশাল। স্বাধীনতা যুদ্ধে ২৫ শে মার্চের ক্র্যাক ডাউনে প্রাণ দিয়েছিল যে পুলিশ বাহিনী এবং কোর্ট মার্শালে প্রাণ হারানোর সম্পূর্ণ ঝুঁকি নিয়ে মুক্তি সংগ্রামে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল যে বাংগালী সেনারা তাদের উপেক্ষা করে বংবন্ধু গড়ে তুলেন রক্ষীবাহিনী।তিনি ৯০০০০ যুদ্ধ অপরাধী পাকিস্তানি সেনাকে মুক্ত করে দিলেন এবং রাজাকারদের ক্ষমা করে দিলেন। এমন কি বুদ্ধিজীবি হত্যার বিচার চাইতে তাদের পরিবারের সদস্যগণ ৩২ নম্বরে স্বারক লিপি দিতে গেলে তারা পুলিশের হাতে লাঞ্ছিত হয়েছিলেন।

অপরদিকে বউ-বাচ্চা শত্রুর হাতে রেখে ও মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়া জিয়া ১৯৭৫ এর ৭ই নভেম্বরের তথাকথিত বিপ্লবের মাধ্যমে ক্ষমতায় এসেই রাজাকারদের পুনর্বাসন করার কাজে উঠে পড়ে লাগেন। স্বাধীনতা বিরোধী শাহ আজিজুর রহমান,খান এ সবুর খান,কুখ্যাত রাজাকার আব্দুল আলীম (যিনি বড়ুই কাঁটা দিয়ে মুক্তি যোদ্ধাদের চোখ অন্ধ করে দিতেন) ইত্যাদিকে নিজের মন্ত্রিসভায় স্থান দেন। এমনকি তার এক প্রভাবশালী রাজাকার মন্ত্রী আস্ফালন করে বলেছিল,''জনগণ তো রাজাকারদের-ই চাহে। ''মুক্তিযোদ্ধা জিয়া একদিকে রাজাকারদের পুনর্বাসন করছিলেন অন্যদিকে সেনাবাহিনীর মুক্তিযোদ্ধা সেনাদেরকে মেরে শেষ করে দিচ্ছিলেন। তিনি এক দিকে দেশব্যাপী বৃক্ষরোপণ অভিযান করছিলেন অন্যদিকে আততায়ীর হামলা থেকে বাঁচার জন্য ঢাকা শহরের অনেক পুরনো গাছ কেটে বৃক্ষপ্রেমিকদের কাছে বৃক্ষ হন্তারক প্রেসিডেন্ট হিসেবে পরিচিতি পেয়েছিলেন। তিনি একদিকে দেশের মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীদের বংগভবনে ডেকে নিয়ে এবং নৌবিহারে নিয়ে দেশপ্রেমিক নাগরিক হয়ে দেশগড়ায় অংশ নিতে উৎসাহিত করছিলেন। আবার মেধাবী ছাত্র অভি-নীরুর হাতে অস্ত্র তুলে দিয়ে ক্যাডার বাহিনী তৈরি করেছিলেন। তিনি একদিকে বহুদলীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার কথা বলছিলেন,অন্যদিকে গর্ব করে ঘোষণা দিয়েছিলেন,'' I will make politics difficult''. এসব-ই বাস্তব ইতিহাস।

আর পরবর্তীকালের এরশাদ,খালেদা কিংবা হাসিনার স্ববিরোধিতা,কথা এবং কাজের সমন্বয়হীনতা বা ভন্ডামি'র কথা নূতন করে বলার কিছু নেই।কিন্তু রক্তে ভেজাল কাদের, সে কি জনগণের না কি রাজনীতিবিদদের? বাংলাদেশের সাধারণ জনগণ এখন পর্যন্ত কোনো ভুল সিদ্ধান্ত নেয়নি। তারা সামরিক শাসন যেমন চায় না, তেমনি দুর্নীতিবাজ,দেশলুন্ঠনকারী রাজনীতিবিদদের ও চায় না। কিন্তু তাদের সামনে বিকল্প রাস্তা কি?

সৌরভ কামাল
লন্ডন,ইংল্যান্ড

Comments

KAY's picture

Farmer,সশ্রদ্ধ সালাম

আপনার কথা শুনে মনে হচ্ছে,আপনি মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন।সেক্ষেত্রে,আপনার জন্য অনেক-অনেক সালাম।মুক্তিযুদ্ধ ছিল একটি ন্যায়সংগত যুদ্ধ।আর শেখ মুজিবের পলিসি'র সমালোচনা করলেও মনে করি তিনি বাংগালি জাতির ইতিহাসের অন্যতম শ্রেষ্ঠ সন্তান।কিছু ভুল না করলে তিনি আজকে বাংলাদেশের নেলসন ম্যান্ডেলা হয়ে থাকতেন।

shomudro's picture

Kay

যদিও আপনি কম লেখেন , তবে আপনার লেখনী শক্তি অত্যন্ত চমৎকার। আচ্ছা আপনিই কি মিনার মাহমুদ? স্বাধীনতা যুদ্ধের নায়ক ও ঘোষক এর আসল যে চেহারা আপনি উন্মোচন করেছেন তার সাথে আমি পুরোপুরি একমত। আমার পিতামাতার কাছ থেকেও আমি একই কাহিনী শুনেছি। মুক্তিযুদ্ধে মুজিব ছিল শত্রুদের নিরাপদ কারাগারে ও আওয়ামিলিগের নেতারা ছিল কোলকাতার নামী দামি হোটেলে। জ়িয়াও অবস্যই কোন নেতা ছিলেন না। তিনি সেনাবাহিনীর একজন মেজর যে তার চাকরির পুর্বশর্তনুযায়ী যুদ্ধে অংশগ্রহন করেছিলেন। এ দেশ স্বাধীন হয়েছে এ মাটির লাখো বীর মুক্তিযোদ্ধা ও বিরাঙ্গনাদের ত্যাগের বিনিময়ে। আর আমাদের স্বাধীনতায় ইন্ডিয়ার ভুমিকাতো কারো অজানা নয়।
স্বাধীনতার পরপরই সুখের পায়রাদের শুরু হয়ে যায় মিথ্যার বেসাতি। যে মিথ্যা কালে কালে নানান রুপে, নানান ভঙ্গিমায় উপস্থাপিত হচ্ছে আমাদের রাজনীতিবিদ নামক গুন্ডাদের দ্বারা। এক কাপ চা ও একটি আকিজ বিড়ির বিনিময়ে ক্রয়কৃত গনতন্ত্র, এইসব মিথ্যাবাদী লুটেরাদের রাজনীতিবিদ হিসেবে অধিষ্ঠিত করছে বছরের পর বছর।

তবে সিটিজির সমালোচনা করার আগে একটু দুবার ভাববেন প্লিজ। ৩৬ বছরের ইতিহাসের সাথে ২ বছরের সিটিজির শাষনামল একটু পর্যালোচনা করে তারপর সমালোচনা করলে ভাল হয়।

KAY's picture

ধন্যবাদ,সমুদ্র

বিগত নির্বাচনের দুদিন আগে রাত জেগে লেখা এই আর্টিকেল-টি আপনার ভালো লেগেছে জেনে খুশি হলাম।না,আমি মিনার মাহমুদ নই।তবে অসাধারণ লেখনী শক্তির অধিকারী বিচিন্তা সম্পাদক কেনো লেখা ছেড়ে দিয়েছেন  জানি না।আমেরিকায় থাকলেও লেখা যাবে না এমন তো কোনো কথা নেই।সত্য কথা বলার সাহস খুব কম মানুষের-ই আছে।দেশের সব কিছু আবার কেমন ১৮০ ডিগ্রি এবাউট টার্ণ করছে লক্ষ্য করছেন নিশ্চয়-ই।

farmer's picture

Shit-head Kamal, definitely you have impure blood

So many bastards wrote so many shits like you; and your writing proves that you have impure blood; no reason to think that the whole nation has impure blood. You are lazy, frustated, impure blooded shit; we are doing things, with mixed results, we are seeing the future.

KAY's picture

Farmer,you didn't get it

I feel disgusted even to reply to your filthy reaction to my blog written more than four months ago.It's clear that you didn't understand what I meant.And yet anthropologically we are a nation of mixed blood(like British,Americans etc).And I have no problem with that.It looks like you have no idea about life abroad.Because,their is no place for a lazy foreigner abroad. Yes,I feel frustrated seeing people like you who are the blind supporters of the so-called political parties,leaders etc.People like you sell their brain,education and intelligence to the parties and never want to see the facts.

farmer's picture

kay: Yes, I did not get it

kay, you are wrong, I do not support any party. I have little experience about life in abroad. I am not sold to any party, but spent money to use some party paoples' influences time to time. To sell oneself to a party, one must have something sellable, I have not seen that in your writings. Have a good day.

farmer's picture

Kamal, this rotten shit is the product of your shit brain.

Fucked up Kamal, who told you what about arrest of Sheikh who knows? Use your shit brain, and see whether can you imagine that Pak army intelligence was keeping Sheikh under 24 hours watch, and those people were not Bichitra readers; he could not hide.
I think shit like you have no vision.

Anyway, country is free, and surely, you shit did not take part in the fight; now go and develop it. How log you will complain shit? Use your muscle for BD, as you are doing for your masters in UK. if do not know what to do continue shitting in UK!

KAY's picture

হায়, farmer

Farmer,আপনার ইংরেজির বেশ উন্নতি হয়েছে দেখা যাচ্ছে।তবে এখনো কিছুটা বাকি রয়েছে।তবে অন্ধ সমর্থকদের মতো উন্মাদ হয়ে গালাগালি না করে তথ্যের ভিত্তিতে অভিযোগ খন্ডনের চেষ্টা করুন।পাকিস্তানীদের কাছে ধরা দেয়া শেখ মুজিবের নিজস্ব সিদ্ধান্ত ছিলো-এর অনেক প্রমাণ আছে।মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস পড়ুন।লক্ষ্য করুন আপনি ছাড়া আর কেউ এভাবে প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন নি।কারণ, আমি যা বলেছি তা আমার মন গড়া কথা নয়।এটা অন্যরা জানেন(শেখ হাসিনা নিজেও জানেন নিশ্চয়-ই)।শেখ মুজিব পালাতে চাইলে তা তেমন কোনো সমস্যা ছিলো না।আর স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় যুদ্ধ বোঝার বয়স আমার ছিলো না,অংশ নেয়া তো দূরের কথা।আর আপনার জ্ঞাতার্থে জানাচ্ছি(আপনাকে খুশি করার জন্য নয়)আমার বাবা সারা জীবন আওয়ামী লীগের অন্ধ সমর্থক ছিলেন,শেখ মুজিবের কথা উঠলে-ই তাঁর চোখে পানি চলে আসতো।তিনি শেখ মুজিব বা আওয়ামী লীগ যে ভুল করতে পারে(এবং তা তারা করেছে ও) তা কোনো  দিন-ই মানতে চাইতেন না।এ ধরণের সমর্থক দুদলেই প্রচুর আছে যার জন্য গত দুবছর যতো অভিযোগ-ই উঠুক না কেনো সব এখন জায়েজ হয়ে যাচ্ছে।সামরিক বাহিনীর সমর্থক না হয়েও বলছি গত দুবছর হতে শিক্ষা না নিলে এসব রাজনীতিকদের জন্য ভবিষ্যতে ভয়াবহ বিপর্যয় অপেক্ষা করছে(জাতির জন্য তো বটেই),তখন তাদের জেলে যাওয়ার সৌভাগ্য নাও হতে পারে।আর বিদেশে আমি কি করছি সে সম্পর্কে আপনার কোনো-ই ধারণা নেই, তাই সে বিষয়ে মন্তব্য নিষ্প্রয়োজন মনে করছি।আমি ব্রিটিশ নাগরিক হলেও বাংলাদেশ-ই আমার জন্মভূমি।এবং ব্রিটিশদের কখনো মাস্টার মনে করি না।তবে দেশের উপকার ছাড়া ক্ষতি যে কখনো করি নি সে কথা নিশ্চিত ভাবে-ই বলতে পারি।

farmer's picture

kay: You are right, I was wrong

key, I participated in FF, my badge number BR 832, look into gov gadget. I was a small part of FF history; but I am contineously reading FF history today also, thanks for advice.
We read the same text book, go to the same teacher, take the same test; but the scores are always diff, because everyone do not understand the contents at the same level.
What Sheikh did in 1971 is a symbolic thing, today, not important to me at all, I am trying to do something whithin my capabilities for BD people, and that is importand to me. Stay cool.

Neramatha's picture

thanks

Mr.kamal lot of thanks for your article.
mahbub-mantova,italy

KAY's picture

ধন্যবাদ,Lion

Many thanks,Mahbub.

নোনেইম's picture

চমৎকার

চমৎকার আর্টিকেলের জন্য ধন্যবাদ।