ভাবনায় পঁচিশে ফেব্রুয়ারী - ড.মঈনুল আহ্সান

mainul64's picture
Posted by
mainul64
Tuesday, April 28, 2009 - 5:38am BST

আমাদের জাতীয় জীবন ও ইতিহাসে পঁচিশে ফেব্রুয়ারী যুক্ত করেছে আরেকটি রক্তাক্ত অধ্যায়। জাতি হিসেবে আমরা যতদিন টিকে থাকবো ততদিনই আমাদেরকে বইতে হবে এই দিনের রক্তক্ষরণ। এই দিনের বর্বর উন্মত্তা জন্ম দিয়েছে অসংখ প্রশ্নের আর সীমাহীন বিতর্কের।
তবে সব তর্ক-বিতর্ক বাদ দিয়ে যখন দাঁড়াই বাস্তবের মুখোমুখী তখন কেবলই চোখে পড়ে রক্তাক্ত, বিধ্বস্ত বর্ডার ফোর্স আর নিরাপত্তাহীন বাংলাদেশ এবং অনুভব করি শ্বাপদ বিশ্বাসঘাতকেরা এখনও ঘাড়ের উপর ফেলছে তপ্ত নিঃশ্বাস।

পঁচিশের ঘটনাক্রম যতটুকু জানা যাচ্ছে তাতে স্পষ্টতঃই মনে হচ্ছে বিডিআর-এর বিশাল অস্ত্র ভান্ডারের নিরাপত্তা ব্যবস্থা পর্যাপ্ত ছিল না। এর আগেও ঢাকায় বিমান বাহিনী ও পতেঙ্গাতে নৌবাহিনীর অস্ত্রাগার লুটের ঘটনা দেশে ঘটেছে। সেসময়ও বিস্মিত সবার প্রশ্ন ছিল ‘সৈন্যরা অস্ত্রাগারের অস্ত্র পেলো কি ভাবে’? এত বছর পর ঐ একই প্রশ্ন আবারও উঠেছে।দেখা যাচ্ছে বিভিন্ন বাহিনীর অস্ত্রগুদামগুলোর জন্য কোন নিরাপত্তা ব্যবস্থাই কার্যকর হচ্ছে না। আমাদের আশে পাশে দেশে দেশে যে ভাবে বিভিন্ন গোষ্ঠী সশস্ত্র হচ্ছে তাতে সত্বর কার্যকর ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ হলে দেশের নিরাপত্তার জন্যে কৃষকের ঘাম ঝরা অর্থে কেনা যুদ্ধাস্ত্রগুলো হয়তো আমাদেরই মরণের কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে ।আস্ত্র ভন্ডারগুলোর যথাযথ নিরাপত্তার জন্যে দরকার হলে SSF বা RAB-এর অদলে সুদক্ষ ইউনিট গঠন করা যেতে পারে। তারপরও হয়তো এসব দলে ইনফিলট্রেশনের আশংকা একেবারে উড়িয়ে দেয়া যাব না। সেক্ষেত্রে এসব ইউনিটকে অনবরত পরিবর্তন, পরিবর্ধন ও অসময়ে অবস্থান বদেলের উপর রাখা যায় কিনা ভেবে দেখা যেতে পারে । এছাড়াও জেলখানাগুলোর মত অস্ত্রাগারগুলোতে পাগলা ঘন্টা বা এলার্ম সিস্টেম করা গেলে যে কোন অঘটনের মুখে তা আশেপাশের লোকজনদের জন্য দ্রুত নিরাপত্তামূলক পাল্টা ব্যবস্থা নেয়ার ক্ষেত্রে বিশেষ সহায়ক হতে পারে।

বলা হচ্ছে সমস্যার রাজনৈতিক সমাধান হওয়ায় দেশ বেঁচে গেছে নিশ্চিত গৃহযুদ্ধ থেকে। তাই যদি হয় তা হলে তো বলতেই হবে যে এই মূহুর্তের এই যুদ্ধহীন বাংলাদেশ এবং আগামী দিনের সুরক্ষিত সীমান্ত, এসব সবই হলো বিডিআর বিপর্যয়ে নিহত মহান শহীদদের দান। কলসীর মুখে দেশের সেরা সন্তানদের রক্ত ঢেলে আমরা নিশ্চিত করতে যাচ্ছি আমাদের স্বাধীন অস্তিত্বের নিরাপত্তা। তাই এই বীর শহীদেরা দাবী করতেই পারেন আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধে আত্মত্যাগকারী মহান মুক্তিযোদ্ধাদের সমমর্যাদা এবং এই দিনে তাদের সশ্রদ্ধ স্মরণ বাংলাদেশের জন্য হতে পারে ২৬শে মার্চ, ১৬ই ডিসেম্বর, এবং ২১শে ফেব্রুয়ারীর মতই এক অত্যাবশ্যক মাইল ফলক।

ইতিমধ্যে বিডিআর ডিজি পঁচিশের বর্বরতার স্মারক হিসেবে যাদুঘরের কথা বলেছেন। তিনি বস্তুতঃ ঐ দিনের শহীদদের স্মৃতি সংরক্ষণের কথা বলেছেন। আমাদের এই কৃতি অফিসারদেরকে যে রকম লোমহর্ষক বর্বরতায় হত্যা করা হয়েছে, যেভাবে তাদের মরদেহকে আসম্মানিত করা হয়েছে তাতে শুধু যাদুঘর করে স্মৃতি রক্ষাটা হবে নিতন্তই অপর্যাপ্ত। আমার মতে বিডিআর ডিজির আক্রন্ত বাড়ী এবং তিনটি গণকবরের স্থান একই সীমানায় নিয়ে গড়ে তোলা যেতে পারে জাতীয় শান্তি ও স্মৃতি উদ্যান (National Peace & Memorial Park)। পার্কের গণকবরের স্থনগুলো হবে একেকটা পুষ্পোদ্যান। প্রতিটিতে থাকবে সেখানে প্রথিতদের নামাংকিত মর্বেল স্তম্ভ, দেয়াল বা নাম ফলক। থাকবে স্ফটিক স্বচ্ছ শান্তি সরোবর। থাকতে পারে ঝরণাধারা যার ধীর গতি ও লয় দর্শক হৃদয়ের বেদনাকে সঙ্গী করে মিশবে গিয়ে সরোবরের পানিতে। আর ক্ষত-বিক্ষত ডিজির বাড়ী ধারন ও প্রদর্শন করবে মীর জাফরীয় বেঈমানী ও বিশ্বাসঘাতকতার নির্মম সব স্মৃতি। সেই সাথে পলাশীর মত পিলখানার ঘটনাকেও সংযুক্ত করা যেতে পারে আমাদের সামরিক ও বেসামরিক পঠ্যসূচীতে দেশপ্রেমের যথার্থ শিক্ষা ও চর্চার উদ্দেশ্যে।

এই হত্যাযজ্ঞে নিহত একজন দাবী রাখেন বিশেষ স্মরণের। তিনি হলেন সাধারন জনগনের অসাধারন হিরো কর্নেল গুলজার উদ্দিন আহমেদ। তিনি তাঁর অনন্য সাধারন মেধা ও কর্মনিষ্ঠা দিয়ে প্রমাণ করে গেছেন আমাদের দেশে সশস্ত্রবাহিনীর অনিবার্য প্রয়োজনীয়তা। তাঁর অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ তাঁর হাতে গড়া RAB-এর ইউনিটকে নামকরণ করা যেতে পারে ‘কর্নেল গুলজার’ ইউনিট হিসেবে। এছাড়া আত্মদানকারী অন্যান্য সেনানীদের নামানুসারে হতে পারে নতুন সীমান্ত বাহিনীর বিবিধ ইউনিট, কোম্পানী, ফরমেশন, প্যারেড গ্রাউন্ড ও ভবনসমূহের নাম।

স্মৃতি উদ্যান ও নতুন সীমান্ত বাহিনীর সৃষ্টিতে সম্পৃক্ত করা যেতে পারে দেশের আপামর জনতাকে। কাজে লাগানো যেতে পারে জনগণের দেশপ্রেম ও সশস্ত্রবাহিনীর প্রতি তাদের অদম্য ভালবাসাকে। সংসদে দাঁড়িয়ে প্রধানমন্ত্রী দেশবাসী ও বিদেশে কর্মরত বাংলাদেশীদেরকে আহবান করতে পারেন পঁচিশের শহীদদের জন্য উৎসর্গিত ঐ মহৎ প্রকল্প সমূহে তাদের একদিনের উপার্জন উৎসর্গ করে সক্রিয় অংশগ্রহনের জন্য। আমার বিশ্বাস আর্মির মাধ্যমে ফান্ডের যথাযথ ব্যবহারের নিশ্চয়তা দেয়া গেলে দেশবাসী শুধু একদিনের বেতন নয় বরং তাদের সর্বস্ব উজার করে অংশ নেবে এধরনের কাজে।
তবে সবার আগে দেশ ও জাতির স্বার্থে জাতীয় ভাবে এবং জাতীয় পর্যায়ে সম্মান ও শ্রদ্ধা জানানোর ব্যবস্থা করতে হবে পঁচিশে ফেব্রুয়ারী এবং ঐ দিনের সব শহীদদেরকে। এ লক্ষ্যে সংসদে সর্বদলীয় প্রস্তাবের মাধ্যমে পঁচিশে ফেব্রুয়ারীকে ঘোষণা করা যেতে পারে জাতীয় নিরাপত্তা ও শপথ দিবস (National Security and Oath Day ) হিসেবে।এটা কোন সরকারি ছুটির দিন হবে না। বরং এটা হবে একটা কর্ম মুখর দিন। প্রতি বছর এই দিন সকাল ১০-৩০ টায় (হত্যাযজ্ঞ শুরুর নিকটতম সময়) সমগ্র জাতি, যে যখানে যে অবস্থায় থাকবে সেই অবস্থাতেই দাঁড়িয়ে ডান হাতটাতে হৃৎপিন্ড চেপে উচ্চারণ করবে শপথের এই বাণীঃ

“ সর্বশক্তিমান সৃষ্টিকর্তাকে সাক্ষী রেখে ওয়াদা করছি যে আমি আমার
জীবন ও কর্মকে নিঃস্বার্থ ভাবে বাংলাদেশের নিরাপত্তা, সংহতি ও সমৃদ্ধির জন্যে
উৎসর্গ করতে সদা প্রস্তুত থাকবো। আমিন।“

পিলখানার জাতীয় শান্তি ও স্মৃতি উদ্যানে রাষ্ট্রপ্রধান, সরকার প্রধান, সব বাহিনী প্রধান এবং দেশের মান্যবর্গদের নেয়া এই শপথ ও শ্রদ্ধা জানানোর অনুষ্ঠান রেডিও, টিভিতে সরাসরি সম্প্রচার করে সমগ্র দেশবাসীকে খুব সহজেই এই প্রক্রিয়া ও অণুশীলনে সম্পৃক্ত করা সম্ভব। নেতা থেকে কৃষক পর্যন্ত সর্বসাধারনের মাঝে দেশপ্রেম ও জাতীয়তাবোধের উদ্জীবনে এই শপথ কার্যক্রম হতে পারে বিশেষ সহায়ক।

এই দিনের অবশ্য করণীয়র মধ্যে আরও অন্তর্ভুক্ত হতে পারে বিভিন্ন শৃঙ্খলারক্ষা বাহিনীগুলোর সমন্বিত নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা মহড়া। দেশের সব অস্ত্রাগার, ঝুঁকিময় স্থাপনাসমূহ এবং বৃহৎ ভবনগলোতে হতে পারে বিশেষ নিরাপত্তা অনুশীলন ও পর্যালোচনা। বাহিনীসমূহের বিভিন্ন ফরমেশন আধিনায়করা এবং বিভিন্ন আফিস সমূহের কর্তাব্যক্তিরা এদিন ঝালাই করে নিতে পারেন সৈনিক ও অধঃস্তনদের সাথে তাদের সম্পর্ক। অধিনস্তদের অভাব, অভিযোগ ও মতামত জানার জন্য এদিন তাদের কাছ থেকে আহবান করা যেতে পারে অণুযোগ পত্র। পত্র লেখককে নির্ভয় দেয়ার জন্য এসব চিঠি নামহীন ও আড়ালে সংগৃহীত হতে পারে। হাতের লেখা থেকে পরিচয় প্রকাশের শংকা থাকলে অফিসের কাজের ধরনের উপর ভিত্তি করে সাধারন ভাবে অনুমিত অভিযোগসমূহের ছাপানো ফরম বিলি করে তাতে টীক চিহ্ন দেয়ার মাধ্যমেও মতামত জানার এবং সে মতে তড়িৎ কার্যকর কর্মপন্থা নির্ধারনের ব্যবস্থা নেয়া যেতে পারে। সততা, সত্যবাদিত, শৃঙ্খলা ও দেশপ্রেমের ক্ষেত্রে আণুকরনীয় অবদানের জন্যে এদিন নির্বাচিত সামরিক ও বেসামরিক ব্যক্তি ও সংস্থাকে বিশেষ নিরাপত্তা পদক ও পুরষ্কারে ভূষিত করা যেতে পারে। এসব পদকের নামকরণ হতে পারে এই দিনে আত্মদানকারী বীর সেনানীদের নামে।

মোদ্দা কথা পঁচিশে ফেব্রুয়ারীর জাতীয় দিনটি হবে এমন একটি দিন যে দিন বিশ্ববাসীর কাছে আমরা তুলে ধরবো জাতি হিসেবে যে কোন হত্যা, খুন, রক্তপাত আর ষড়যন্ত্রকে প্রতিহত করতে আমাদের ইস্পাত দৃঢ় ঐক্য ও সদা প্রস্তুতিকে। এটাই হবে পিলখানাকে পলাশী বানানোর চক্রান্তকারীদের জন্য আমাদের সর্বোত্তম জবাব আর এতে করে হয়তো কিছুটা হলেও শোধ হবে ২৫শে ফেব্রুয়ারীর শহীদদের রক্তের ঋণ।।

ইউনিভার্সিটি অব সাউদার্ন ক্যালিফোরনিয়া
লস্ এঞ্জেলেস, ইউ এস এ
mainul64@gmail.com
এপ্রিল ২৬, ২০০৯

Comments

nirbak's picture

shomoyer kaj shomoye

dr. moinul islam jeshob monuments er kotha bolesen ta nischoi kora uchit! kintu ki ashchorjo amra kew tader hotta korar shorojontrer hota na khuje alap alochonay besto hoye poresi !!
eta ki thik hocce ?????

SalimC's picture

তারা অধীকার আদায়ের নামে সবসময়ই ধংসাত্নক কাজ করেছে।

বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতির জন্য কারা দায়ী তা আঙুল দিয়ে দেখানোর দরকার নাই।এসবের শুরু হয়েছিল প্রশাসনে বিদ্রোহ সৃস্টিকারী জনতার মঞ্চ নাটকের মাধ্যমে অথবা আরও পুর্বেই ("আমরা বি, এন, পিকে এক মুহুর্তও, শান্তিতে থাকতে দিব না") যাদেরকে পরে পুরস্কৃত করা হয়েছিল। চেইন অব কমান্ড ভাঙ্গার জন্য তাদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাটি তুলে নেয়া হয়েছে। প্রেসিডেন্টকে অস্ত্র ঠেকিয়ে ক্ষমতা দখলকারী এরশাদকে কারা সাহস যুগিয়েছে সেটি অজানা নয়। চেইন অব কমান্ড ভাঙ্গার জন্য জেনারেল নাছিমকে কারা সাহস যুগিয়েছে সেটিও অজানা নয়। জেনারেল মইনের বিদ্রোহে তারা প্রকাশ্য সাহস যুগিয়েছে। তারাই বিভিন্ন সময়ে রাষ্ট্রের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে অচল করার পায়তারা করেছে। তারা সেনাবাহীনির বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময়ে বিষেদাগার করেছে। তারা এলিট ফোর্স RAB এর কার্যকলাপকে সর্বদাই প্রশ্নবিদ্ধ করেছে। তারা বিগত দুই মাস RAB কে অকাযর্কর করে রেখেছিল। এটি করেছিল বি, ডি, আর বিদ্রোহে বাহিরের ইব্দনের সুবিধার্থেই। এই কারণে ঢাকা শহরে সোনার ছেলেদের ছিনতাই কর্মকান্ড বেড়ে গিয়েছে। তারা রাষ্ট্রের সংবিধানকেও অস্বীকার করেছে (সংবিধান বড় না জনগণের অধীকার বড়)| তারা অধীকার আদায়ের নামে সবসময়ই ধংসাত্নক কাজ করেছে। তার বড় উদাহরণ হলো আঠাশে অক্টোবর 2006| পচিঁশে ফেব্রুয়ারী শহীদ সেনা অফিসারদের লাশের সাথে যে পাশবিকতা করা হয়েছে সেটি সেই আঠাশে অক্টোবর 2006 এ শিখানো হয়েছিল (লগি-বৈঠা দিয়ে মানুষ মেরে মৃত মানুষের লাশের উপর নৃত্য করা)| এ সকল বর্বরতার অন্যতম নেতৃত্ব দানকরী হলো জাহাঙ্গীর নানক ও মির্যা আযম। নানক শেরাটন হোটেলের সামনে দ্বিতল বাসে গান পাউডার দিয়ে এগারো জন নীরিহ বাসযাত্রী হত্যার সাথে জড়িত। মির্যা আযম তার দুলাভাই শায়ক আব্দুর রহমানের মাধ্যমে সরাসরি জংগীবাদ আমদানী করেছিলেন। তাদের সাথে বি, ডি, আর বিদ্রোহদের যোগসজগ থাকাটা অমুলক নয়। তাদের সাথে বিদ্রোহীদের সম্পর্ক থাকার কারণেই হয়তো স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে সেখানে না পাঠিয়ে তাদের সেখানে পাঠানো হয়েছিল। এই ঘটনার তদন্তের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে আব্দুল কাহারকে যিনি সরাসরি BAL রাজনীতির সাথে জড়িত। পুলিশের চাকরী করার সময় BAL এর পক্ষে এম, পি নির্বাচনের উদ্দেশ্য মিছিল-মিটিং করার দায়ে তার চাকুরী গিয়েছিল। তাকে পুনর্বহাল করা হয়েছে। তাকে দিয়ে তদন্ত কি হবে তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। যারা এসব ঘটিয়েছে তাদেরকে নিরাপদেই পালাতে দেয়া হয়েছে। রাষ্ট্রের এত বড় একটা ক্ষতি হয়ে গেল, তারা একবারও বললেন না যে রাষ্ট্রের ক্ষতি হয়েছে, সেনাবাহিনীর ক্ষতি হয়েছে?