চট্টগ্রামে টক অব দ্যা টাউন

SalimC's picture
Posted by
SalimC
Sunday, June 14, 2009 - 2:09pm BST

কুত্তায় কুত্তায় কামড়া কামড়িতে,
জনগনের লাভ কি?
লগি বৈঠার পিঠা পিটিতে যদি
সব আওয়ামী কুত্তা মইরা সাফ হইয়া যায়,
তাতে দেশের কি?
জনগনের কথা:কুত্তায় কুত্তায় কামড়া কামড়ি কইরা সব কুত্তা মইরা সাফ হইয়া গেলে দেশটা সুন্দর হইয়া যাইবো। দিন দখলের রাজনীতির কী উতকৃষ্ট নমুনা!! ডিজিটআল আপা এখন চুপ কেনো?? লগি-বৈঠাতো এখন নিজের মাথায়ই পড়তাছে!কারো উপর অবিচার করলে তা ঘুরে তোমার কাছেই আসবে | দিন বদলের মানে টা কি? আমার মতে এক কথায় জাহেলী যুগ ,নতুন নতুন স্টাইলে মানুষ হত্যা করার দিন বদল,আওয়ামিলিগকে রাজনিতির নামে মাস্তাননীতি -বাকশালনীতি -কথায় কথায় মানুষ হত্যা ,লুটপাট, ধর্শন,স্কুল-মাদ্রাসা-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় দখল,খুন খারাবি,বিরোধী দলের লোককে খুন হত্যা করে দিন বদল করার জন্য জনগন খমতায় বসায়নাই| তারা নিজেরাই নিজেদেন কাছে নিরাপদ না।
আমি:আমার চোখে ভাসে ২৮শে অক্টোবর লগি বৈঠা অ্যকশনের ও তারপরে লাশের উপর নৃত্য! আওয়ামি মাস্তানদের অত্যাচার আর সহ্য হয়না তোদেরকে থুক মারি জানোয়াররা ,ধিক আওয়ামি মাস্তানরা ধিক,থুথু মারি| এরাই আসল জংগী।সনত্রাস ,চাদাবাজি,হত্যা,দখল ইত্যাদি অপকর্ম মুজিববাদীরা-বাকশালীরা করে অন্যের উপর দোষ চাপায়।লগি-লাটি দিয়ে অমানুষভাবে দিনে দুপুরে মানুষ মারে।কোনো বিচার হয় না।
আওয়ামীলিগ এমনি একটি সন্ত্রাসি দল যে এই দলের নেতা সংসদের স্পিকারকে হত্যা করেছেন, এরা মানুষকে রাস্তায় দিগম্বর করতেও দিধাবোধ করেনা। এরা হাজার লক্ষ মানুষ ও টিভি ক্যামেরার সামনে লগি বৈঠা দিয়ে পিটিয়ে মানুষ মারতে পারে আবার নাড়ি ধরে দেখে নিশ্চিত হওয়ার জন্যে যে লোকটি মরেছে না বেচে আছে। “লগি বৈঠা” “দিগম্বর” বা “চেয়ারের হাতল” এই ধরনের শব্দ গুলো জনগনের মাথায় সবসময় ঘোরপাক খায়|
লতিফ-মেয়র সংঘাত:দুই কুকুরগ্রুপ কামড়া কামড়ি করে নিজের দলের MP আহত|কুত্তায় কুত্তায় কামড়া কামড়ি লেগেছে টেনডার,চাঁদার বখরা আর ডব্লিউটিসিসির ক্ষমতা দখলের আশায় |
চট্টগ্রামে টক অব দ্যা টাউন : ডব্লিউটিসিসির কমিটি গঠন নিয়ে এমপি লতিফ-মেয়র সংঘাত চট্টগ্রামে এখন টক অব দ্যা টাউন। নাগরিকদের ধারণা, রাজনৈতিক ও নাগরিক মহলে এমপি প্রহৃত হওয়ার এহেন ঘটনা আধিপত্যের ঘৃণ্য মানসিকতাকে উসকে দিয়েছে, নগরবাসী অবাক বিস্ময়ে দেখেছে এমপি লতিফের উপর-পুলিশী হামলা এবং যুবলীগ ক্যাডারদের মারমুখো অভিযান। অনেকেই আবার এ ঘটনাকে লতিফের বিতর্কিত কাজের অনিবার্য ফল বলে ধরে নিয়েছে। রাজনীতিবিদ ও সাধারণ নগরবাসী শংকিত ক্ষমতাসীন দলের নেতাদের এমন অবিবেচকী কর্মকান্ডে। অনেকের অভিযোগ, দেশ পরিচালনা ও আইন শৃক্মখলা রক্ষা করা যাদের দায়িত্ব তারা এখন বিশৃংখলা সৃষ্টি করছে এতে সাধারণ মানুষ হতবাক। বিভিন্ন ইস্যুতে লতিফ মেয়র দ্বনদ্ব ইদানীং চট্টগ্রামের আওয়ামী রাজনীতিকে বেকায়দায় ফেলে দিয়েছে। নগরীতে দিনের বেলায় ট্রাক চলাচল ইস্যু নিয়ে সাংসদ-মেয়র মুখোমুখি অবস্থানে। লালদিঘির মাঠে আইনশৃক্মখলা সম্পর্কিত আওয়ামী লীগের জনসভায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর উপস্থিতিতে মেয়র মহিউদ্দিন চৌধুরী, দলের ভেতর বিশৃক্মখলাকারীদের তালিকা করার এবং তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার কথা বলেন। এ সভায় এমপি লতিফ আমন্ত্রণ পায়নি। একই দিন আইনশৃক্মখলা সম্পর্কিত সার্কিট হাউজের সভায় লতিফ ফ্লোর চাইলে নৌপরিবহন মন্ত্রী আফসারুল আমিন তাকে ধমক দিয়ে থামিয়ে দেন। এভাবে গত পাঁচ মাসে নানা ঘটনার জন্ম দিয়েছে এম এ লতিফ।
তার বিরুদ্ধে পুলিশের সাথে হাতাহাতি, পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে গালমন্দ করা, বন্দরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে শাসানোসহ এন্তার অভিযোগ রয়েছে, সর্বশেষ গত শুক্রবার ওয়াটার ট্রান্সপোর্ট ও কো অর্ডিনেশন সেলের কর্তৃত্ব নিয়ে সিটি মেয়র এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরী, নৌ পরিবহন মন্ত্রী আফসারুল আমীন ও পুলিশের সঙ্গে এমপি লতিফ বিরোধে জড়িয়ে পড়েন। এদিকে গতকাল এম এ লতিফ এমপি সংগ্রামকে জানান, তার উপর বর্বরোচিত হামলায় সংসদীয় তদন্ত করা হোক। একই সাথে বিচারবিভাগীয় তদন্তের দাবি করেন তিনি। তিনি জানান, আমি প্রবাসীদের হয়রানি বন্ধের কথা বলাতে আমার উপর পুলিশ চড়াও হয়েছে। তিনি মেয়র ও আফসারুল আমীনের সমর্থকদের দ্বারা তার ১০ আসনের অফিস ভাংচুরের অভিযোগ করেন। এছাড়া তার বাসা এবং এলাকায় সন্ত্রাসীরা মহড়া করছে বলে জানান তিনি।