রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তাই হুমকির মুখে পড়বে|

SalimC's picture
Posted by
SalimC
Wednesday, May 20, 2009 - 3:13pm BST

রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তাই হুমকির মুখে পড়বে|
-ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী|
রাষ্ট্র পরিচালনা একটি রাষ্ট্রের ধারাবাহিক কর্মকান্ডেরই অংশ। এই ধারাবাহিকতা ক্ষুণ্ণ করা যায় না।সেকারণেই রাষ্ট্রে সংবিধান বহির্ভূত কিছু ঘটে গেলেও শেষ পর্যন্ত সামান্য এদিক ওদিক করে হলেও তাকে একটি ধারাবাহিকতা দিতেই হয়।এর আগেও ১৯৭৫-১৯৭৯ সময়কালে যে সাংবিধানিক ধারাবাহিকতার ব্যত্যয় ঘটেছিল তাকে সাংবিধানিক বৈধতা দিতে হয়েছে। ২০০৭-০৮ সালে সাংবিধানিক ধারাবাহিকতার ব্যত্যয় ঘটানো হয়েছিল। বর্তমান সরকার তারও ধারবাহিকতা দেয়ার প্রক্রিয়া শুরু করেছিল। বিচারপতি সাহাবুদ্দীন আহমদ প্রধান বিচারপতির পদ থেকে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেন। শর্ত ছিল ১৯৯১ সালের নির্বাচন সম্পন্ন করে দিয়ে তিনি পুনরায় প্রধান বিচারপতি পদে ফিরে যাবে। সেই কারণে সংবিধান সংশোধন করে পুনরায় তাকে প্রধান বিচারপতি পদে ফিরে যাওয়ার সুযোগ করে দেয়া হয়েছিল। এটাই রাষ্ট্রীয় কর্মকান্ডের স্বাভাবিক ঘটনা।
সরকার পরিবর্তিত হলে তাই রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকবে এবং সেসব বিষয় নিয়ে খুব একটা ঘাঁটাঘাঁটি কখনও করা হয়নি। কিন্তু দিনবদলের সরকার এসে সমাজ বদল না করতে পারলেও বিভিন্নরকম পরিবর্তনের যেন জোয়ার সৃষ্টি করেছেন। তারা বেগম খালেদা জিয়ার মেডিকেল কলেজের নাম বদলে দিয়েছে। যদিও বেগম খালেদা জিয়ার শাসনকালে এই মেডিকেল কলেজটি প্রতিষ্ঠা করা হয়। তৈরি করা জিনিসে নিজের নাম বসানোর কোন উদ্যোগই ঐ সরকার গ্রহণ করেনি। কিন্তু আমরা লক্ষ্য করেছি যে প্রায় সম্পন্ন যমুনা বহুমুখী সেতুর নাম বঙ্গবন্ধু সেতু রেখেছে আওয়ামী লীগ সরকার। একইভাবে পিজি হাসপাতালেরর নাম বদলে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় রেখেছিল। ১ নম্বর জাতীয় স্টেডিয়ামের নাম বদলে বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়াম করেছে। এতে আমাদের কোন আপত্তি ছিল না, যদি না নিজেরা তৈরি করে এসব স্থাপনার নাম তাদের নেতার নামে রাখত।এর মধ্যেও এক ধরনের দখলদারিত্বের প্রবণতা লক্ষ্য করা যায়।এবার আবার তারা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের নামও বাংলাদেশের ইতিহাস থেকে মুছে ফেলার চেষ্টা করছে।বিভিন্ন স্থানে স্মারক ম্যুরালে জিয়াউর রহমানের এবং খালেদা জিয়ার ছবি ভাঙতে শুরু করেছে।কিন্তু ম্যুরাল ভেঙে বা ভাস্কর্য অপসারণ করে ইতিহাস থেকে যে কারো নাম মুছে দেয়া যায় না সেই সামান্যতম শিক্ষাটুকু বর্তমান সরকারের আছে বলে মনে হয় না। ইতিহাস নির্মাণ করতে হয় কর্ম দিয়ে। গায়ের জোরে ইতিহাস সৃষ্টি করা যায় না।
স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় মওলানা ভাসানী, শেখ মুজিবুর রহমান ও জিয়াউর রহমানের যে অবদান সেটা এক ফুৎকারে মুছে দেয়া যাবে ন। সেখানে যে যার অবস্থানে টিকে থাকবেন। আবার একদলীয় বাকশাল কায়েম, রক্ষীবাহিনীর নির্যাতন, মত প্রকাশের স্বাধীনতা কেড়ে নেয়া মৌলিক অধিকার হরণ এগুলোও শেখ মুজিবুর রহমানের নামের সঙ্গে ওতপ্রোতৎভাবে জড়িয়ে থাকবে। একথা জিয়াউর রহমানের ক্ষেত্রেও সমানভাবে প্রযোজ্য। দিশেহারা জাতির সামনে স্বাধীনতার ঘোষণা, স্বাধীনতা যুদ্ধে তার বীরত্ব গাঁথা, বাংলাদেশকে বহুদলীয় গণতন্ত্রে ফিরিয়ে আনা, বিশ্বের সঙ্গে বাংলাদেশে কূটনৈতিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠা এবং আত্মনির্ভরশীলতার পথে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া প্রভৃতি বিষয় ম্যুরাল ভেঙে দিয়ে মুছে ফেলা যাবে না।
রাষ্ট্র যখন থাকে তখন রাষ্ট্রের নিরাপত্তা প্রতিবেশীদের সঙ্গে অবস্থানগত কৌশল প্রভৃতি বিষয়েও সুনির্দিষ্ট কর্মপদ্ধতি থাকে। এই কর্মপদ্ধতি সরকার পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গেই কখনো একেবারে উলটপালট হয়ে যায় না। সরকার অস্থায়ী কিন্তু রাষ্ট্র ও রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা স্থায়ী। সরকারভেদে সে কৌশলেও সামান্য পরিবর্তন কখনও কখনও হয়। সে পরিবর্তনও নিভৃতে সংঘটিত হয়। এ নিয়ে কোন সরকারই কখনও তেমন কোন উচ্চবাচ্য করেননি।
সোভিয়েত ইউনিয়নে যখন সমাজতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থা কায়েম ছিল তখন সে দেশের দুর্ধর্ষ গোয়েন্দা সংস্থা ছিল কেজিবি। কেজিবি করেনি সমাজের ভেতরের এমন কোন অপকর্ম নেই। যখন তখন যে কাউকে ভিন্ন মতাবলম্বী বলে কেজিবি গুম করে ফেলেছে। কেজিবির ভয়ে সমাজতান্ত্রিক রাশিয়ায় প্রতিটি মানুষ তটস্থ হয়ে থাকত। এখনও রাশিয়ায় কেজিবি আছে। কিন্তু তাদের ভূমিকার পবিরর্তন আনা হয়েছে। সে পরিবর্তন সমাজব্যবস্থার সঙ্গে খাপ-খাইয়েই করা হয়েছে। কিন্তু সমাজতান্ত্রিক আমলে কেজিবি কর্মকর্তাদের বাড়াবাড়ির জন্য কাউকে আদালতের কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হয়নি কিংবা রাশিয়ার বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকার নামের তালিকা প্রকাশ করে সামাজিকভাবে তাদের হেয় প্রতিপন্ন করতে চায়নি। কারণ, রাষ্ট্র একই আছে রাশিয়ায় সরকার ব্যবস্থার পরিবর্তন হয়েছে মাত্র।
ভারতের সামরিক গোয়েন্দা সংস্থা'র' (রিসার্চ এ্যান্ড অ্যানালিসিস উইং) তার প্রতিবেশী দেশগুলোতে গোয়েন্দাগিরি চালায়। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের রাষ্ট্রক্ষমতায় আসীন হওয়ার পর ইন্দিরা গান্ধীর আমলে তাকে উৎখাতের পরিকল্পনা করেন। ইন্দিরা গান্ধী প্রাথমিকভাবে সে পরিকল্পনা অনুমোদনও করেন কিন্তু তার পরপরই ভারতের প্রধানমন্ত্রী হন মোরারজি দেশাই। 'র' ঐ পরিকল্পনা মোরারজি দেশাইয়ের কাছে উত্থাপন করলে তিনি তা বাতিল করার নির্দেশ দেন।
মোরারজি দেশাইয়ের পর আবারও ইন্দিরা গান্ধী ক্ষমতায় এসে সে পরিকল্পনা অনুমোদন করেন। পরে ভারতীয় রাষ্ট্র ক্ষমতায় আরও অনেক পরিবর্তন এসেছে। কিন্তু ঐ পরিকল্পনাকারীদের কখনও আদালতের কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হয়নি। সরকারিভাবেও এই তথ্য কোনদিন প্রকাশ করা হয়নি।'র'-এর কর্মকর্তারাই বই লিখে এ তথ্য জানিয়েছেন।
আট মাস আগে অনুষ্ঠিত নেপালে রাজতন্ত্রমুক্ত গণতান্ত্রিক সাধারণ নির্বাচনে মাওবাদী দল সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভ করে সরকার গঠন করেছিল। তার প্রধানমন্ত্রী হয়েছিলেন ঐ দলের পু কমল দহল প্রচন্ড। সম্প্রতি তিনি ক্ষমতাচ্যুত হয়েছেন। প্রচন্ড স্পষ্টভাবেই বলেছেন যে, তাকে ক্ষমতাচ্যুত করতে ভারত ?র'-এর মাধ্যমে সরাসরি হস্তক্ষেপ করেছে। তিনি ভারতীয় ষড়যন্ত্রের শিকার। অর্থাৎ গোয়েন্দা সংস্থার মাধ্যমে ভারত প্রতিবেশী দেশগুলোর অভ্যন্তরীণ ব্যাপারে অবিরাম হস্তক্ষেপ করেই যাচ্ছে।
ভারত সরকারের মদদে 'র'-এর প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে গড়ে তোলা হয়েছিল শ্রীলঙ্কার তামিল টাইগার বাহিনী। ঐ বাহিনী শ্রীলঙ্কার তামিল অধ্যুষিত এলাকার স্বাধীনতার দাবিতে দীর্ঘকাল ধরে লড়াই চালিয়ে আসছিল। ফলে দ্বীপরাষ্ট্র শ্রীলঙ্কার অভ্যন্তরীণ গোলযোগ প্রায় নিত্তনৈমিত্তিক ব্যাপারে পরিণত হয়েছিল। দু'দশক ধরে পরিচালিত ঐ গেরিলা যুদ্ধে প্রায় আশি হাজার মানুষের প্রাণহানি ঘটে। তামিল হামলায় শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট জয়বর্ধন নিহত হন। এই বিদ্রোহ দমনে সহায়তা করার জন্য ভারত শ্রীলঙ্কায় সেনাবাহিনী পাঠিয়েছিল কিন্তু তাদের নাস্তানাবুদ হয়ে ফিরে আসতে হয়। তামিল টাইগারদের বিদ্রোহ দমানোর জন্য শ্রীলঙ্কার সেনাবাহিনী সর্বাত্মক অভিযান পরিচালনা করে। সে অভিযান যখন সাফল্যের কাছাকাছি তখন শ্রীলঙ্কায় অভ্যন্তরীণ সংঘাত জিইয়ে রাখার লক্ষ্যে ভারত ঐ অভিযান বন্ধ করার জন্য শ্রীলঙ্কার প্রতি আহবান জানিয়েছিল। শ্রীলঙ্কা সে আহবানে সাড়া না দিয়ে সেনা অভিযান অব্যাহত রাখে এবং শেষ পর্যন্ত তামিলদের সর্বশেষ ঘাঁটিরও পতন ঘটেছে। ধারণা করি না যে, এর কোন কিছুর জন্যই ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থাকে কখনও জবাবদিহি করতে হবে। এমনকি ভারতে যদি কোনদিন মার্কসবাদীরাও ক্ষমতায় আসে তাহলেও না।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আগে ও পরে বারাক ওবামা ঐ দেশের গোয়েন্দা সংস্থা সিআইয়ের বিভিন্ন কর্মকান্ডে কঠোর সমালোচনা করেছিলেন। কিন্তু সম্প্রতি তিনি ঘোষণা করেছেন যে, সিআইয়ের বিভিন্ন বাড়াবাড়ির তথ্য প্রকাশ করা হবে না এবং এর সঙ্গে জড়িতদের নাম পরিচয়ও গোপন রাখা হবে। অর্থাৎ রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা এবং নিজেদের কৌশলগত অবস্থানের ব্যাপারে শেষ পর্যন্ত সরকারগুলোর ধারবাহিকতা থেকেই যায়।
চট্টগ্রাম বন্দরে ২০০৪ সালের ১ এপ্রিল ১০ ট্রাক অস্ত্র উদ্ধার মামলায় সরকার জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থার সাবেক দুই মহাপরিচালককে গ্রেফতার করেছে। তাদের একজন হলেন (অব:) মেজর জেনারেল রেজ্জাকুল হায়দার চৌধুরী, অন্যজন (অব:) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আব্দুর রহিম। সেনাকর্মকর্তা (অব:) মেজর জেনারেল রেজ্জাকুল হায়দার চৌধুরী ২০০৫ সালের ৫ জানুয়ারি থেকে ২০০৭ সালের ১১ জানুয়ারি পর্যন্ত এনএসআইয়ের মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এর আগে তিনি ২০০৩ সালের অক্টোবর থেকে ২০০৫ সালের ৪ জানুয়ারি পর্যন্ত ডিজিএফআই-এর পরিচালক ছিলেন। রেজ্জাকুল হায়দার চৌধুরীর আগে (অব:) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আব্দুর রহীম এনএসআইয়ের মহাপরিচালকের দায়িত্ব পালন করেন। ১০ ট্রাক অস্ত্রের চালান ধরা পড়ার সময় রেজ্জাকুল হায়দার চৌধুরী এনএসআইতে কর্মরত ছিলেন। বরং ঐ মামলার তদন্তে স্বরাষ্ট্র সচিব মোহাম্মদ ওমর ফারুকের নেতৃত্বে গঠিত কমিটির অন্যতম সদস্য ছিলেন।
এনএসআইয়ের মাঠকর্মী আকবর হোসেনকে ১৮ এপ্রিল গ্রেফতার করে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে কোন তথ্য পাওয়া যায়নি। পরে তাকে আবারও ১০ দিনের রিমান্ডে নেয়া হয়। টিএফআই সেলে জিজ্ঞাসাবাদের সময় রিমান্ডের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী দেন। তাতে তিনি জানান, অস্ত্র পরিবহনের জন্য ট্রাক ভাড়া করার নির্দেশ দিয়েছিল এনএসআইয়ের পরিচালক সাহাবুদ্দীন। ঐ রাতেই সাহাবুদ্দীনকে গ্রেফতার করে প্রথমে তিনদিনের রিমান্ডে নেয়া হয়। তাতে কোন তথ্য পায়নি সিআইডি। পরে দ্বিতীয় দফায় ৭ দিনের রিমান্ডে নিয়ে তাকে টিএফআই সেলে আনা হয়। ষষ্ঠদিনে ১৬৪ ধারায় তার কাছ থেকে স্বীকারোক্তি আদায় করা হয়। তার স্বীকারোক্তিতে এনএসআইয়ের সাবেক দুই ডিজির নাম আসে বলে সিআইডি দাবি করে। এরপরই এই দুই ডিজিকে গ্রেফতার করা হয়।
বাংলাদেশের ওপর দিয়ে অপর কোন দেশে অস্ত্রের চালান যাক এটা নিশ্চয়ই কেউ চান না। কিন্তু শুধুমাত্র এক ব্যক্তির স্বীকারোক্তি আদায় করে জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থার দুই মহাপরিচালককে গ্রেফতারের ঘটনা এক ধরনের বিস্ময়ের সৃষ্টি করেছে। যদি শেষ পর্যন্ত তারা নির্দোষ প্রমাণিত হন তাহলে জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থার পরিস্থিতি কি দাঁড়ায়। যে প্রতিষ্ঠান রাষ্ট্রের নিরাপত্তার স্বার্থে গোয়েন্দাবৃত্তিতে নিয়োজিত এ ধরনের ঘটনায় তার কার্যকারিতা স্থবির হয়ে পড়বে কিনা সেই বিষয়টিও বিবেচনার দাবি রাখে। রাষ্ট্রের নিরাপত্তার স্বার্থেই কিছু কিছু কাজ নিভৃতে সম্পন্ন করতে হয়। আর নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থার কাজই ঢাক ঢোল পিটিয়ে নয়, গোপনে তথ্য সংগ্রহ করা। সেদিক থেকে বিষয়টি নিভৃতে অনুসন্ধান করাই সংগত ছিল।
ধারণা করি বর্তমান সরকারকেও রাষ্ট্রের নিরাপত্তার স্বার্থে গোয়েন্দা তৎপরতা ও কর্মকান্ড অব্যাহত রাখতে হবে। কিন্তু এসব গোয়েন্দা সংস্থার প্রধানরা যদি এভাবে অপদস্থ হতে থাকেন তাহলে এর কার্যক্রমে স্থবিরতা আসতে বাধ্য। এটা কিছুতেই রাষ্ট্রের নিরাপত্তার অনুকূল হবে না।