২৯ জুন ইতালিয়ান লেখিকা ওরিয়েনা ফাল্লাচির জন্মদিন। বাংলাদেশের সচেতন মহল এই নামটির সাথে পরিচিত। বাংলাদেশের ইতিহাসের সাথে তার নেয়া একটি সাক্ষাতকার বিশেষ জায়গা করে নিয়েছে। এই দেশের মানুষের প্রতি তার মূল্যায়ন এখনকার সময়ে এসে অতি প্রয়োজনীয় হিসাবে দেখা দিয়েছে। এই ধরনের সত্যব্রত সাংবাদিক পৃথিবীতে খুব একটা বেশি জন্মলাভ করেনি। প্রথমে তার জন্ম দিনে তাকে স্মরণ করছি। ২০০৬ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর মৃত্যবরন করেন তিনি। তিনি এমন একজন সাংবাদিক ছিলেন যে কথপোকথনের মাধ্যমে আসল সত্যকে উদ্ধার করতে পারতেন। বাংলাদেশের ইতিহাসের সাথে তার সম্পর্ক কি সেটা বলার আগে তার সম্পর্কে কিছুটা আমি উল্ল্যেখ করছি।

ইতালিয়ান লেখিকা ওরিয়ানা ফাল্লাচি আপসহীন রাজনৈতিক সাক্ষাতকার গ্রহণকারী হিসেবেই সবচেয়ে পরিচিত। তিনি ১৯২৯ সালের ২৯ জুন ইতালির ফোরেন্সে জন্মগ্রহণ করেন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধকালীন ফ্যাসিবাদ বিরোধী একজন সক্রিয় কর্মী। দীর্ঘ পেশাদার সাংবাদিক হিসেবে তিনি অত্যন্ত সফল। সাংবাদিক হিসেবে ওরিয়ানা আন্তর্জাতিক ভাবে পরিচিত রাজনৈতিক ও নিজ নিজ ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠিত ব্যক্তিত্বের সাক্ষাতকার নিয়েছেন। তাদের মাঝে হেনরি কিসিঞ্জার, ইরানের শাহ, আয়াতুল্লাহ খোমিনি, উইলি ব্রান্ডিট, জুলফিকার আলী ভুট্টো, ওল্টার ক্রনকিট, ওমর খাদাফি, ফেডরিকো ফেলিনি, ইয়াসির আরাফাত, ইন্দিরা গান্ধী, শেখ মুজিব,শন কনারি প্রমুখ উল্লেখযোগ্য। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ওরিয়ানা ফাল্লাচি ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে গণতান্ত্রিক স্বশস্ত্র প্রতিরোধ গোষ্ঠী 'গুইয়াসতিজিয়া ই লিবার্তা'য় যোগ দেন। তার পিতা এদোয়ার্দো ফাল্লাচি ছিলেন একজন কাঠশিল্পী ও সক্রিয় রাজনৈতিককর্মী। ইতালির ফ্যাসিস্ট বেনিটো মুসোলিনি'র বিরুদ্ধে তারা সংগ্রাম করছিলেন এবং শেষ পর্যন্ত সফলও হয়েছেন। তবে এর জন্যে এদোয়ার্দো ফাল্লাচিকে অনেক নির্যাতন সহ্য করতে হয়। মুসোলিনির বিরুদ্ধে আন্দোলনে ওরিয়ানার পিতা এদোয়ার্দো একবার ধরা পড়েন। অমানুষিক নির্যাতন চালানো হয় তার ওপর। রাজনৈতিক ম্যাগাজিন 'এল ইউরোপীয়' তে দীর্ঘদিন বিশেষ রাজনৈতিক প্রতিবেদক হিসেবে কাজ করেছেন। তিনি বহু খ্যাতনামা সংবাদপত্র এবং ম্যাগাজিনে লেখালেখি করেছেন। ১৯৬৮ সালে মেক্সিকান স্বশস্ত্র গোষ্ঠী ওরিয়ানার ওপর তিনবার বন্দুক হামলা চালায়। প্রতিবারই তিনি অল্পের জন্যে প্রাণে রক্ষা পান। ১৯৭৩ সালে সাক্ষাতকার নিতে গিয়ে আলেক্সজান্ডার প্যানাগোউলিস'র প্রেমে পড়েন তিনি। ১৯৬৭ সালের গ্রিক একনায়কের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ যুদ্ধের অন্যতম ব্যক্তিত্ব ছিলেন আলেক্সজান্ডার প্যানাগোউলিস। ১৯৭২ সালে ওরিয়ানা ফাল্লাচিকে দেয়া সাক্ষা'কারে হেনরি কিসিঞ্জার, 'ভিয়েতনাম যুদ্ধ'কে অপ্রয়োজনীয় বলে স্বীকার করে নেন। কিসিঞ্জার পরবর্তীতে এই সাক্ষাতকার সম্পর্কে লিখেছেন, 'প্রেসের সঙ্গে জড়িত কারো সঙ্গেই ইতোপূর্বে আমি এতো ভয়ঙ্কর কোনো আলোচনা করিনি।' 'লস অ্যাঞ্জেলস টাইমস' এ ওরিয়ানাকে চিত্রিত করা হয়েছে এভাবে, 'কোনো বিশ্ব ব্যক্তিত্বের পক্ষেই যে সাংবাদিককে 'না' বলা সম্ভব নয়।' নিজের সম্পর্কে তাঁর মূল্যায়ন ছিল, 'আমি কখনোই নিজেকে শান্ত একটি রেকর্ডারের মতো বিবেচনা করি না, যে শুধু যা দেখে এবং শোনে সাফল্যের সঙ্গে তাই ধারণ করে রাখে। 'ওরিয়ানা ফাল্লাচির এই বক্তব্যের মধ্যে তার নিজস্ব দর্শনের কিছুটা ছাপ পাওয়া যায়। অর্থাত সবকিছুর পরও নিজের অভিমত বা সিদ্ধান্তকে তিনি মর্যাদা দিতে আগ্রহী। ওরিয়ানা তাঁর নেয়া সাক্ষাতকার সম্পর্কে বলেছেন, 'প্রতিটি সাক্ষা'কারই আমার নিজের আঁকা ছবি।' বিষয়টির ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে তিনি বলেন, 'আমি যদি চিত্রকর হতাম এবং তখন তোমার ছবি আঁকতাম, তবে সে সময় আমি যেভাবে তোমাকে আঁকতে চাইতাম সেভাবে আঁকার অধিকার কি আমার থাকতো না?'
সাংবাদিকতায় ওরিয়ানা ফাল্লাচি দুইবার সম্মানজনক 'সেন্ট ভিনসেন্ট' পুরস্কার অর্জন করেন। এ ছাড়াও সাংবাদিকতায় এবং লেখালেখির কারণে তিনি বহু পুরস্কার অর্জন করেন। শিকাগোর কলাম্বিয়া কলেজ তাঁকে 'ডি লিট' সম্মানে ভূষিত করেছে। ওরিয়ানা ফাল্লাচি ইউনির্ভার্সিটি অব শিকাগো, ইয়েল ইউনিভার্সিটি, হার্ভাড ইউনিভার্সিটি এবং কলাম্বিয়া ইউনিভার্সিটিতে লেকচার দিয়েছেন। ওরিয়ানা ফাল্লাচি’র লেখা বিশ্বের প্রায় ২১টি ভাষায় অনূদিত হয়েছে। তাঁর রচিত গ্রন্থগুলোর মধ্যে, এ ম্যান (১৯৭৯), দ্য সেভেন সিনস অব হলিউড (১৯৫৮), দ্য ইউজলেস সেক্স: ভয়েজ অ্যারাউন্ড দ্য ওম্যান, (১৯৬১), পেনেলোপ এট ওয়ার (১৯৬২), লাইমলাইটার্স (১৯৬৩), দ্য ইগোটিস্ট: সিক্সটিন সারপ্রাইজিং ইন্টারভিউস (১৯৬৩), কুয়েল জিওরনো সুলা লুনা (১৯৭০), ইনশাল্লাহ, ইফ দ্য সান ডাইস, ইন্টারভিউ উইথ হিস্টরি (১৯৭৬), লেটার টু অ্যা চাইল্ড নেভার বর্ন, নাথিং অ্যান্ড সো বি ইট, ওরিয়ানা ফাল্লাসি ইন্টারভিসতা ওরিয়ানা ফাল্লাচি (২০০৪), দ্য রেজ অ্যান্ড দ্য প্রাইড (২০০১) এবং দ্য ফোর্স অব রিজন (২০০৪) উল্লেখযোগ্য।
জীবনের শেষ বছরটি তিনি কাটিয়েছেন নিউইয়র্কে। সেখানে তিনি ক্যান্সারের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে চিকিতসা নিচ্ছিলেন। কিন্তু তিনি আর টিকে থাকেননি। ২০০৬ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর , ৭৭ বছর বয়সে নিজ শহর ইতালির ফোরেন্সে চিরঘুমের দেশে পাড়ি জমিয়েছেন আমৃত্যু সংগ্রামী ওরিয়ানা ফাল্লাচি ।(ইনফরমেশন গুলো ইন্টারনেট থেকে নেওয়া ও কিছু অনুবাদ করা)
১৯৭২ সালের ফেব্রিয়ারীতে ফেল্লাচি বাংলাদেশে আসেন শেখ মুজিবের সাক্ষাতকার নেবার জন্য।এই সাক্ষাতকারে মুজিব কেমন ধরনের মানুষ ছিলেন সেই সম্পর্কে বিষদ বিবরন তিনি দিয়েছেন।সাক্ষাতকারটি এতো বড় যে সেটা এখানে তুলে দেওয়া সম্ভব নয়।এই সাক্ষাতকারটির অংশগুলো আমি সাংবাদিক এবং অনুবাদক আনোয়ার হোসাইন মঞ্জুর লেখা থেকে সম্পাদনা করেছি।
রবিবার সন্ধ্যা : আমি কলকাতা হয়ে ঢাকার পথে যাত্রা করেছি। সত্যি বলতে কি, ১৮ ডিসেম্বর মুক্তিবাহিনী তাদের বেয়নেট দিয়ে যে যজ্ঞ চালিয়েছে তা প্রত্যক্ষ করার পর পৃথিবীতে আমার অন্তিম ইচ্ছা এটাই ছিল যে, এই ঘৃণ্য নগরীতে আমি আর পা ফেলবো না। এ রকম সিদ্ধান্ত আমি নিয়েই ফেলেছিলাম। কিন্তু আমার সম্পাদকের ইচ্ছা যে, আমি মুজিবের সাক্ষাৎকার গ্রহণ করি। ভুট্টো তাকে মুক্তি দেয়ার পর আমার সম্পাদকের এই সিদ্ধান্ত যথার্থ ছিল। তিনি কি ধরনের মানুষ? আমার সহকর্মীরা স্বীকৃতি দিল, তিনি মহান ব্যক্তি, সুপারম্যান। তিনিই একমাত্র ব্যক্তি যিনি দেশকে সমস্যামুক্ত করে গণতন্ত্রের পথে পরিচালিত করতে পারেন।
আমার স্মরণ হলো, ১৮ ডিসেম্বর আমি যখন ঢাকায় ছিলাম, তখন লোকজন বলছিল, ‘মুজিব থাকলে সেই নির্মম, ভয়ঙ্কর ঘটনা কখনোই ঘটতো না। মুজিব প্রত্যাবর্তন করলে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটবে না’। কিন্তু গতকাল মুক্তিবাহিনী কেন আরো ৫০ জন নিরীহ বিহারিকে হত্যা করেছে? ‘টাইম’ ম্যাগাজিন কেন তাকে নিয়ে বিরাট প্রশ্নবোধক চিহ্ন দিয়ে হেডলাইন করেছে? আমি বিস্মিত হয়েছি, এই ব্যক্তিটি ১৯৬৯ সালের নভেম্বরে সাংবাদিক অ্যালডো শানতিনিকে এক সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, আমার দেশে আমি সবচেয়ে সাহসী এবং নির্ভীক মানুষ, আমি বাংলার বাঘ, দিকপাল ... এখানে যুক্তির কোনো স্থান নেই ...।’ আমি বুঝে উঠতে পারিনি, আমার কি ভাবা উচিত।......
...... আমরা রান্নাঘরে প্রবেশ করে দেখলাম, মুজিবের স্ত্রী খাচ্ছেন। সঙ্গে খাচ্ছে তার ভাগনে ও মামাতো ভাইবোনেরা। একটা গামলায় ভাত-তরকারি মাখিয়ে আঙ্গুল দিয়ে মুখে পুরে দিচ্ছে সবাই। এ দেশে খাওয়ার পদ্ধতি এ রকমই। মুজিবের স্ত্রী আমাকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানালেন। ঠিক তখনই মুজিব এলেন। সহসা রান্নাঘরের মুখে তার আবির্ভাব হলো। তার পরনে এক ধরনের সাদা পোশাক, যাতে আমার কাছে তাকে মনে হয়েছিল একজন প্রাচীন রোমান হিসেবে। পোশাকের কারণে তাকে দীর্ঘ ও ঋজু মনে হচ্ছিল। তার বয়স একান্ন হলেও তিনি সুপুরুষ। ককেশীয় ধরনের সুন্দর চেহারা। চশমা ও গোফে সে চেহারা হয়েছে আরো বুদ্ধিদীপ্ত। যে কারো মনে হবে, তিনি বিপুল জনতাকে নেতৃত্ব দেয়ার যোগ্যতাসম্পন্ন ব্যক্তি। তিনি স্বাস্থ্যের অধিকারী।
আমি সোজা তার কাছে গিয়ে পরিচয় পেশ করলাম এবং আমার উদ্দেশ্য ব্যক্ত করলাম। মি. সরকার ভূমিতে পতিত হয়ে মুজিবের পদচুম্বন করলেন। আমি মুজিবের হাতটা আমার হাতে নিয়ে বললাম, ‘এই নগরীতে আপনি ফিরে এসেছেন দেখে আমি আনন্দিত, যে নগরী আশঙ্কা করছিল যে আপনি আর কোনোদিন এখানে ফিরবেন না।’ তিনি আমার দিকে তাকালেন একটু উষ্মার সঙ্গে। একটু অবজ্ঞার হাসি হেসে বললেন, ‘আমার সেক্রেটারির সঙ্গে কথা বলো।’
আমার দ্বিধা ও সন্দেহের কারণ উপলব্ধি করা সহজ। মুজিবকে আমি জেনে এসেছি একজন গণতন্ত্রী ও সমাজতন্ত্রী হিসেবে। যখন আমি দম নিচ্ছিলাম, একজন যুবক আমার কাছে এসে বললো, সে ভাইস সেক্রেটারি। বিনয়ের সঙ্গে সে প্রতিশ্রুতি দিল, বিকাল চারটার সময় আমি ‘সরকারি বাসভবনে’ হাজির থাকতে পারলে আমাকে দশ মিনিট সময় দেয়া হবে।...
সেই সময়ের ঢাকা নগরীকে তিনি এই ভাবে তুলে ধরেছেন- ......বিকাল সাড়ে তিনটায় নগরী ক্লান্ত, নিস্তব্ধ, ঘুমন্ত মধ্যাহ্নের বিশ্রাম নিচ্ছে। রাস্তায় কাধে রাইফেল ঝুলানো মুক্তিবাহিনী টহল দিচ্ছে। যুদ্ধ শেষ হয়েছে এক মাসেরও বেশি সময় আগে। কিন্তু এখনো তাদের হাতে অস্ত্র আছে। তারা রাত-দিন টহল দেয়। এলোপাতাড়ি বাতাসে গুলি ছোড়ে এবং মানুষ হত্যা করে। হত্যা না করলে দোকানপাট লুট করে। কেউ তাদের থামাতে পারে না, এমনকি মুজিবও না। সম্ভবত তিনি তাদের থামাতে সক্ষম নন। তিনি সন্তুষ্ট এজন্য যে, নগরীর প্রাচীর তার পোস্টার সাইজের ছবিতে একাকার। মুজিবকে আমি আগে যেভাবে জেনেছিলাম, তার সঙ্গে আমার দেখা মুজিবকে মেলাতে পারছি না।...
ফেল্লাচি মুজিবের চারিত্রিক এবং ব্যক্তিত্যের বৈশিষ্ট্য নিয়ে নিজেকেই প্রশ্ন করেছেন এইভাবে... সোমবার সন্ধ্যা : আমি যে তার সাক্ষাৎকার নিয়েছি এটা ছিল একটা দুর্বিপাক। তার মানসিক যোগ্যতা সম্পর্কে আমার সন্দেহ ছিল। এমনকি হতে পারে যে, কারাগার এবং মৃত্যু সম্পর্কে ভীতি তার মস্তিষ্ককে ভীষণভাবে আলোড়িত করেছে? তার ভারসাম্যহীনতাকে আমি আর কোনোভাবেই ব্যাখ্যা করতে পারি না। একই সময়ে আমি বলতে চাচ্ছি, কারাগার এবং মৃত্যুর ভয় ইত্যাদি... সম্পর্কে কাহিনীগুলো... আমার কাছে এখনো খুব স্পষ্ট নয়। এটা কি করে হতে পারে যে, তাকে যে রাতে গ্রেফতার করা হলো, সে রাতে সব পর্যায়ের লোককে হত্যা করা হলো? কি করে কি করে এটা হতে পারে যে, তাকে কারাগারের একটি প্রকোষ্ঠ থেকে পলায়ন করতে দেয়া হলো, যেটি তার সমাধিসৌধ হতো? তিনি কি গোপনে ভুট্টোর সঙ্গে ষড়যন্ত্র করেছিলেন? আমি যতো তাকে পর্যবেক্ষণ করেছি, ততো মনে হয়েছে, তিনি (মুজিব) কিছু একটা লুকাচ্ছেন।...
এরপর ফেল্লাচি মুজিবের অফিসে যায় এবং তার সাথে কথা বলার বিবরন দিতে গিয়ে বলেন মুজিব তারসাথে খুব একটা ভালো ব্যবহার করেননি।তিনি সাক্ষাতকারটি এইভাবে নিয়েছেন- কেউ আমাকে অভ্যর্থনা জানালো না। কেউ আমার উপস্থিতিকে গ্রাহ্য করলো না। মুজিব আমাকে বসতে বলার সৌজন্য প্রদর্শন না করা পর্যন্ত সুদীর্ঘক্ষণ নীরবতা বিরাজ করছিল। আমি সোফার ক্ষুদ্র প্রান্তে বসে টেপ রেকর্ডার খুলে প্রথম প্রশ্ন করার প্রস্তুতি নিচ্ছি। কিন্তু আমার সে সময়ও ছিল না। মুজিব চিৎকার শুরু করলেন, ‘হারি আপ, কুইক, আন্ডারস্ট্যান্ড? নষ্ট করার মতো সময় আমার নেই। ইজ দ্যাট ক্লিয়ার?... পাকিস্তানিরা ত্রিশ লক্ষ লোক হত্যা করেছে, ইজ দ্যাট কিয়ার... আমি বললাম, ‘মি. প্রাইম মিনিস্টার...।’ মুজিব আবার চিৎকার শুরু করলেন, ‘ওরা আমার নারীদেরকে তাদের স্বামী ও সন্তানদের সামনে হত্যা করেছে। স্বামীদের হত্যা করেছে তাদের ছেলে ও স্ত্রীর সামনে। মা-বাপের সামনে ছেলেকে, ভাইবোনের সামনে ভাইবোনকে ... ‘মি. প্রাইম মিনিস্টার... আমি বলতে চাই...’
‘তোমার কোনো কিছু চাওয়ার অধিকার নেই, ইজ দ্যাট রাইট?’
‘আমার প্রথম প্রতিক্রিয়া হলো। কিন্তু একটা বিষয় সম্পর্কে আমি আরো কিছু জানতে চাই।’ বিষয়টা আমি বুঝতে পারছিলাম না। ‘মি. প্রাইম মিনিস্টার, গ্রেফতারের সময় কি আপনার ওপর নির্যাতন করা হয়েছিল।’
‘নো, ম্যাডাম নো। তারা জানতো, ওতে কিছু হবে না। তারা আমার বৈশিষ্ট্য, আমার শক্তি, আমার সম্মান, আমার মূল্য, বীরত্ব সম্পর্কে জানতো, আন্ডারস্ট্যান্ড?’
‘তা বুঝলাম। কিন্তু আপনি কি করে বুঝলেন যে তারা আপনাকে ফাঁসিতে ঝোলাবে? ফাঁসিতে ঝুলিয়ে কি মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়?’
‘নো, নো ডেথ সেনটেন্স।’
এই পর্যায়ে তাকে দ্বিধাগ্রস্ত মনে হলো এবং তিনি গল্প বলতে শুরু করলেন, ‘আমি এটা জানতাম। কারণ ১৫ ডিসেম্বর ওরা আমাকে কবর দেয়ার জন্য একটা গর্ত খনন করে।’
‘কোথায় খনন করা হয়েছিল সেটা?’
‘আমার সেলের ভেতরে।’
‘আমাকে কি বুঝে নিতে হবে যে গর্তটা ছিল আপনার সেলের ভেতরে?’
‘ইউ মিস আন্ডারস্ট্যান্ড।’
‘আপনার প্রতি কেমন আচরণ করা হয়েছে মি. প্রাইম মিনিস্টার?’
‘আমাকে একটা নির্জন প্রকোষ্ঠে রাখা হয়েছিল। এমনকি আমাকে সাক্ষাৎকারের অনুমতি দেয়া হতো না, সংবাদপত্র পাঠ করতে বা চিঠিপত্রও দেয়া হতো না, আন্ডারস্ট্যান্ড?’’
‘তাহলে আপনি কি করেছেন?’
‘আমি অনেক চিন্তা করেছি, পড়াশোনা করেছি।’
‘আপনি কি পড়েছেন?’
‘বই এবং অন্যান্য জিনিস।’
‘তাহলে আপনি কিছু পড়েছেন।’
‘হ্যা, কিছু পড়েছি’।
‘কিন্তু আমার ধারণা হয়েছিল, আপনাকে কোনো কিছুই পড়তে দেয়া হয়নি।’
‘ইউ মিস আন্ডারস্টুড।’
‘তা বটে মি. প্রাইম মিনিস্টার। কিন্তু এটা কি করে হলো যে, শেষ পর্যন্ত ওরা আপনাকে ফাঁসিতে ঝোলালো না।’
‘জেলার আমাকে সেল থেকে পালাতে সহায়তা করেছেন এবং তার বাড়িতে আশ্রয় দিয়েছেন।’
‘কেন, তিনি কি কোনো নির্দেশ পেয়েছিলেন?’
‘আমি জানি না। এ ব্যাপারে তার সঙ্গে আমি কোনো কথা বলিনি এবং তিনিও আমার সঙ্গে কিছু বলেননি।’
‘নীরবতা সত্ত্বেও কি আপনারা বন্ধুতে পরিণত হয়েছিলেন?’
‘হ্যা, আমাদের মধ্যে বহু আলোচনা হয়েছে এবং তিনি সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন, আমাকে সাহায্য করতে চান।’
‘তাহলে আপনি তার সঙ্গে কথা বলেছেন?’
‘হ্যা, আমি তার সঙ্গে কথা বলেছি।’
‘আমি ভেবেছিলাম, আপনি কারো সঙ্গেই কথা বলেননি।’
‘ইউ মিস আন্ডারস্টুড।’
‘তা হবে মি. প্রাইম মিনিস্টার। যে লোকটি আপনার জীবন রক্ষা করলো আপনি কি তার প্রতি কৃতজ্ঞতা অনুভব করেন না?’
‘এটা ছিল ভাগ্য। আমি ভাগ্যে বিশ্বাস করি।’...
এরপর ফেল্লাচি মুজিবের সাথে নানা প্রসঙ্গে জানতে চান কিন্তু শেখ মুজিব তাকে ডমিনেট করে কথা বলতে থাকে।মুজিবের ব্যক্তিগত সম্পত্তির দুঃখ যে তার মনকস্টের কারন হয়ে আছে সেটা ফেল্লাচির কাছে অবাক করেছে।ফেল্লাচি বিষয়টিকে এভাবে লিখেছে-
... আমার বাড়ি, জমি, সম্পত্তি ধ্বংস করেছে, আমার...(মুজিব)।’
তিনি যখন তার সম্পত্তির অংশে পৌছলেন, তার মধ্যে এমন একটা ভাব দেখা গেল, যা থেকে তাকে এ প্রশ্নটা করার প্রয়োজনীয়তা বোধ করলাম যে, তিনি সত্যিই সমাজতন্ত্রী কি না? তিনি উত্তর দিলেন, ‘হ্যা...’। তার কণ্ঠে দ্বিধা। তাকে আবার বললাম, সমাজতন্ত্র বলতে তিনি কি বোঝেন? তিনি উত্তর দিলেন, ‘সমাজতন্ত্র’। তাতে আমার মনে হলো, সমাজতন্ত্র সম্পর্কে তার যথার্থ ধারণা নেই।
এরপর ১৮ ডিসেম্বর হত্যাযজ্ঞ সম্পর্কে তার প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে তিনি রাগে ফেটে পড়লেন। নিচের অংশটুকু আমার টেপ থেকে নেয়া:
‘ম্যাসাকার? হোয়াট ম্যাসাকার?’
‘ঢাকা স্টেডিয়ামে মুক্তিবাহিনীর দ্বারা সংঘটিত ঘটনাটি।’
‘ঢাকা স্টেডিয়ামে কোনো ম্যাসাকার হয়নি। তুমি মিথ্যে বলছো।’
‘মি. প্রাইম মিনিস্টার, আমি মিথ্যেবাদী নই। সেখানে আরো সাংবাদিক ও পনেরো হাজার লোকের সঙ্গে আমি হত্যাকা- প্রত্যক্ষ করেছি। আপনি চাইলে আমি আপনাকে তার ছবিও দেখাবো। আমার পত্রিকায় সে ছবি প্রকাশিত হয়েছে।’
‘মিথ্যেবাদী, ওরা মুক্তিবাহিনী নয়।’
“মি. প্রাইম মিনিস্টার, দয়া করে ‘মিথ্যেবাদী’ শব্দটি আর উচ্চারণ করবেন না। তারা মুক্তিবাহিনী। তাদের নেতৃত্ব দিচ্ছিল আবদুল কাদের সিদ্দিকী এবং তারা ইউনিফর্ম পরা ছিল।”
‘তাহলে হয়তো ওরা রাজাকার ছিল যারা প্রতিরোধের বিরোধিতা করেছিল এবং কাদের সিদ্দিকী তাদের নির্মূল করতে বাধ্য হয়েছে।’
‘মি. প্রাইম মিনিস্টার, কেউ প্রমাণ করেনি যে, লোকগুলো রাজাকার ছিল এবং কেউই প্রতিরোধের বিরোধিতা করেনি। তারা ভীতসন্ত্রস্ত ছিল। হাত-পা বাধা থাকায় তারা নড়াচড়াও করতে পারছিল না।’
‘মিথ্যেবাদী।’
“শেষবারের মতো বলছি, আমাকে ‘মিথ্যেবাদী’ বলার অনুমতি আপনাকে দেবো না।”
‘আচ্ছা সে অবস্থায় তুমি কি করতে?’
‘আমি নিশ্চিত হতাম যে, ওরা রাজাকার ও অপরাধী। ফায়ারিং স্কোয়াডে দিতাম এবং এভাবেই এই ঘৃণ্য হত্যাকা- এড়াতাম।’
‘ওরা ওভাবে করেনি। হয়তো আমার লোকদের কাছে বুলেট ছিল না।’
‘হ্যা তাদের কাছে বুলেট ছিল। প্রচুর বুলেট ছিল। এখনো তাদের কাছে প্রচুর বুলেট রয়েছে। তা দিয়ে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত গুলি ছোড়ে। ওরা গাছে, মেঘে, আকাশে, মানুষের প্রতি গুলি ছোড়ে শুধু আনন্দ করার জন্য।...
ফেল্লাচির প্রতি মুজিব যে দূর্ব্যবহার করেছে তার জন্য সেটি তিনি এভাবে বিবৃত করেছেন- ......সোমবার রাত : গোটা ঢাকা নগরী জেনে গেছে, মুজিব ও আমার মধ্যে কি ঘটেছে। শমশের ওয়াদুদ নামে একজন লোক ছাড়া আমার পক্ষে আর কেউ নেই। লোকটি মুজিবের বড় বোনের ছেলে। এই যুবক নিউ ইয়র্ক থেকে এসেছে তার মামার কাছে। তার মতে মুজিব ক্ষমতালোভী এবং নিজের সম্পর্কে অতি উচ্চ ধারণাসম্পন্ন অহঙ্কারী ব্যক্তি। তার মামা খুব মেধাসম্পন্ন নয়। বাইশ বছর বয়সে মুজিব হাইস্কুলের পড়াশোনা শেষ করেছেন। আওয়ামী লীগ সভাপতির সচিব হিসেবে তিনি রাজনীতিতে প্রবেশ করেন। এছাড়া আর কিছু করেননি তিনি। কেউ কল্পনাও করতে পারেনি যে, মুজিব একদিন প্রধানমন্ত্রী হবেন। ওয়াদুদের মতে, আত্মীয়স্বজনের সঙ্গে দুর্ব্যবহারের কারণ এটা নয়। আসলে একমাত্র ওয়াদুদের মাকেই মুজিব ভয় করেন। এই দুঃখজনক আচরণের জন্য তিনি পারিবারিকভাবে প্রতিবাদ জানাবেন।...
ফেল্লাচি ৭০ এর নির্বাচনের প্রসঙ্গে বলেছেন- কেউ কি জানে ১৯৭০ এর নির্বাচনে তিনি কেন বিজয়ী হয়েছিলেন? কারণ সব মাওবাদী তাকে ভোট দিয়েছিল। সাইক্লোনে মাওবাদীদের অফিস বিধ্বস্ত হয়েছিল এবং তাদের নেতা ভাসানী আওয়ামী লীগের পক্ষে ভোট দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। জনগণকে যদি আবার ভোট দিতে বলা হয়, তাহলে মুজিবের অবস্থা সম্পূর্ণ ভিন্নতর হবে, যদি তিনি বন্দুকের সাহায্যে তার ইচ্ছাকে চাপিয়ে দিতে না চান। সেজন্যই তিনি মুক্তিবাহিনীকে অস্ত্রসমর্পণের নির্দেশ দিচ্ছেন না এবং আমাদের স্মরণ রাখতে হবে, রক্তপিপাসু কসাই, যে ঢাকা স্টেডিয়ামে হত্যাযজ্ঞ করেছিল, সেই আবদুল কাদের সিদ্দিকী তার ব্যক্তিগত উপদেষ্টা।...
ফেল্লাচি দ্বিতীয়বারের মত মুজিবের সাথে সাক্ষাতের জন্য রাষ্ট্রপতির দ্বারস্ত হন এবং তিনি মুজিবকে অনুরোধ করতে গেলে উলটো ধমক খান।যাইহোক ফেল্লাচি আবার মুজিবের সাথে দেখা করার একটা ব্যবস্থা করেন।সময়মত তার কক্ষে প্রবেশ করতেই তাকে বের হয়ে যেতে বলে শেখ মুজিব।
“আমিও অফিসে ঢুকলাম। আমার দিকে ফিরে তিনি উচ্চারণ করলেন, ‘গেট আউট’।“...আমাকে এখনই বের হয়ে যেতে হবে এবং আবার আমি যেন এ দেশে পা না দিই।...
এই পর্যায়ে আমি নিজের ওপর সব নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেললাম এবং আমার মাঝে উত্তেজনার যে স্তূপ গড়ে উঠেছিল তা বিস্ফোরিত হলো। আমি বললাম, তার সবকিছু মেকি, ভুয়া। তার পরিণতি হবে খুবই শোচনীয়। যখন তিনি মুখ ব্যাদান করে দাড়ালেন, আমি দৌড়ে বেরিয়ে এলাম এবং রাস্তায় প্রথম রিকশাটায় চাপলাম। হোটেলে গিয়ে বিল পরিশোধ করলাম। স্যুটকেসটা হাতে নিয়ে যখন বেরুতে যাচ্ছি, তখন দেখলাম মুক্তিবাহিনী নিচে আমার জন্য অপেক্ষা করছে। তারা এ কথা বলতে বলতে আমার কাছে এলো যে, আমি দেশের পিতাকে অপমান করেছি এবং সেজন্য আমাকে চরম মূল্য দিতে হবে। তাদের এ গোলযোগের মধ্যে পাচজন অস্ট্রেলিয়ানের সাহায্যে পালাতে সক্ষম হলাম। (২৪ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭২)ইন্টারভিউ উইথ হিস্টরী থেকে।
আজ ফেল্লাচির জন্ম দিন তাকে বাংলাদেশিরা কোনদিনই ভুলতে পারবে না।একজন সাহসি সাংবাদিক হিসাবে বিশ্বে তার অবদান আছে অন্যদিকে একজন উত্তেজিত শাসক সম্পর্কে তার বিবরন বাংলাদেশের ইতিহাসে শুদ্ধতা আনতে সাহায্য করবে।
আবু জুবায়ের
কবি,গবেষক,কলামিষ্ট
০১১৯৮০১৬০৮২
Email:a_zubaer@yahoo.com


Comments
হ্যালো কবি, গবেষক, কলামিষ্ট আবু জুবায়ের.............
##একজন ফেল্লাচির উপলব্দি ১। "আমি কলকাতা হয়ে ঢাকার পথে যাত্রা করেছি। সত্যি বলতে কি, ১৮ ডিসেম্বর মুক্তিবাহিনী তাদের বেয়নেট দিয়ে যে যজ্ঞ চালিয়েছে তা প্রত্যক্ষ করার পর পৃথিবীতে আমার অন্তিম ইচ্ছা এটাই ছিল যে, এই ঘৃণ্য নগরীতে আমি আর পা ফেলবো না। এ রকম সিদ্ধান্ত আমি নিয়েই ফেলেছিলাম।"
এ ছিল পাকি এবং তাদের দোসরদের হয়ে একজন ফেল্লাচির উপলব্দি। কিন্তু একজন ফেল্লাচি উপলব্দি করতে পারেনি এদেশে পাকবাহিনীর নির্মমতা। উপলব্দি করেনি ৩০ লাখ শহীদের আত্নত্যাগ এবং ২ লাখ মা-বোনের সম্ভ্রমহানী, লাখ লাখ ঘরবাড়ি পোড়ানো, শিশু হত্যা, অবাধে খাদ্য শস্য পোড়ানো। শুধু উপলব্দি করেছে কয়জন পাকিদের দোসর নিহত হয়েছে।
##একজন ফেল্লাচির উপলব্দি ২। "কিন্তু গতকাল মুক্তিবাহিনী কেন আরো ৫০ জন নিরীহ বিহারিকে হত্যা করেছে?" কিন্তু এ ফেল্লাচি উপলব্দি করেনি এসব বিহারীরা গত নয় মাসে কতজনকে হত্যা করেছে।
===================================================
এহেন একজন বাঙ্গালী বিদ্বেষী লেখিকার জন্য আপনার দরদ মাখানো বাণী, "৯ জুন ইতালিয়ান লেখিকা ওরিয়েনা ফাল্লাচির জন্মদিন। বাংলাদেশের সচেতন মহল এই নামটির সাথে পরিচিত। বাংলাদেশের ইতিহাসের সাথে তার নেয়া একটি সাক্ষাতকার বিশেষ জায়গা করে নিয়েছে। এই দেশের মানুষের প্রতি তার মূল্যায়ন এখনকার সময়ে এসে অতি প্রয়োজনীয় হিসাবে দেখা দিয়েছে। এই ধরনের সত্যব্রত সাংবাদিক পৃথিবীতে খুব একটা বেশি জন্মলাভ করেনি। প্রথমে তার জন্ম দিনে তাকে স্মরণ করছি।" আপনি স্মরণ করূন।
সম্ভবত, আপনাদের উদ্দেশ্যেই কবি আবদুল/আবুল হাকিম লিখেছিলেন, "যে জন বঙ্গেতে জন্মি, হিংসে বঙ্গবাণী, সেজন কাহার জন্ম, নির্নয় না জানি।" মূলত, বঙ্গবন্ধু, বাঙ্গালী, মুক্তিযুদ্ব ও মুক্তিযোদ্বাদের প্রতি নিজের ঘৃণা প্রকাশের জন্যই একজন অখ্যাত ফেল্লাচির গায়ে তকমা এটে টেনে এনেছেন। কারন, বঙ্গবন্ধু, বাঙ্গালী, মুক্তিযুদ্ব ও মুক্তিযোদ্বা এক ও অভিন্ন সত্তা। নিজের সাথেও যোগ করেছেন দেড়জোড়া তকমা। ফেল্লচিরা তকমাধারী ধান্ধাবাজদের জন্য পূজনীয় হতে পারে, কিন্তু বাঙ্গালি জনগোষ্ঠীর নয়।
সবাই ভাল থাকুন,
সুস্হ থাকুন,
সুন্দর থাকুন-
-হৃদয়
ফেল্লাচি এবং শেখ মুজিব
যে বিবির দ্বারা স্বামীর ভন্ডামী এবং মেকীত্ব প্রকাশ হইবার আশংকা থাকে সেই বিবিকে স্বামী তালাক দিবে নিজের মুখোশ আড়াল করার জন্যই ! শেখ মুজিবের মনে দুর্বলতা ছিলো বলেই একজন সাংবাদিকের সাথে তিনি এমন দুর্ব্যবহার করেছেন । ব্যক্তি শেখ মুজিব সম্পর্কে ফেল্লাচি যে মন্তব্য করেছেন তা অবশ্যই সঠিক ছিল । ফেল্লাচি শেখ মুজিবের বিরুদ্ধে কুৎসা রটনার উদ্দেশ্য নিয়ে সাক্ষাৎকার নিতে আসেন নাই , ফেল্লাচি বরং তার সহকর্মীদের কাছ থেকে মুজিব সম্পর্কে ইতিবাচক ধারনা নিয়েই এসেছিলেন ।
ফেল্লাচি সম্পর্কে যে যা-ই মন্তব্য করুক, এবং ফেল্লাচি ইসলাম বিদ্বেষি হোক(অনেক মুসলিম লেখক-সাংবাদিকদের মধ্যেও যেখানে ইসলাম বিদ্বেষি ভাব রয়েছে সেখানে ফেল্লাচিতো অন্যধর্মী )
আমাদের দেখার বিষয় হলো সে শেখ মুজিব সম্পর্কে সত্যি বলছে নাকি মিথ্যা । স্বাধীনতার পর দেশের সমস্ত ক্ষমতার অধিকারী হয়ে ধীরে ধীরে শেখ মুজিব কেমন বদলে যেতে থাকে তা কেউ অস্বীকার করার কথা না । খুব অবাক ব্যাপার এই যে ফেল্লাচি অতি অল্প সময়ে শেখ মুজিবের মেকীরূপটা ঠিক ধরতে পেরেছিলেন !
ফেল্লাচির এই সাক্ষাৎকারটি কিছু অন্ধ ভক্তদের গালে একটা চটোপোঘাত , তাই তাদের গাত্রদাহ বুঝতে পারি । ফেল্লাচির ভাগ্যভালো সে ভীন দেশী , নয়তো 'রাজাকার' খেতাব পেতে সময় লাগতো না ! এই ফেল্লাচিই যদি শেখ মুজিবের গুণ-কির্তন করে লিখতো তবে সে যে একজন মহান সাংবাদিক হতো এটা আমি নিশ্চিত ! আর এখন যাদের শেখ মুজিবের গুণ-কির্তন শুনতে শুনতে কান ঝালা-পালা তারা যদি ফেল্লাচির 'শেখ মুজিব ভুয়া এবং মেকী ' এই ধর্মীয় গীতে কিছু সত্যের সন্ধান খুজে পায় তাতে দোষের কিছু আছে বলে মনে করিনা ।
Mujib did his part, Fellaci died
Italian shit wrote something, now dead; do we have to worry about it?
TEXT OF YAHYA'S BROADCAST on March 26, 1971
TEXT OF YAHYA'S BROADCAST on March 26, 1971
Following is the text of the broadcast to the nation by President Yahya Khan:
My dear countrymen.
Assalam-o-Alaikam,
On the 6th of this month I announced the 25th of March as the new date for the inaugural session of the National Assembly hoping that conditions would permit the holding of the session on the appointed date. Events have, however, not justified that hope. The nation continued to face a grave crisis.
In East Pakistan a non-co-operation and disobedience movement was launched by the Awami League and matters took a very serious turn. Events were moving very fast and it became absolutely imperative that the situation was brought under control as soon as possible. With this aim in view, I had a series of discussions with political leaders in West Pakistan and subsequently on the 15th of March I went to Dacca.
As you are aware I had a number of meetings with Sheikh Mujibur Rahman in order to resolve the political impasse. Having consulted West Pakistani leaders it was necessary for me to do the same over there so that areas of agreement could be identified and an amicable settlement arrived at.
As has been reported in the Press and other news media from time to time, my talks with Sheikh Mujibur Rahman showed some progress. Having reached a certain stage in my negotiations with Sheikh Mujibur Rahman I considered it necessary to have another round of talks with West Pakistani leaders in Dacca.
Mr. Z. A. Bhutto reached there on 21st March and I had a number of meetings with him.
As you are aware, the leader of the Awami League had asked for the withdrawal of Martial Law and transfer of power prior to the meeting of the National Assembly. In our discussions he proposed that this interim period could be covered by a proclamation by me whereby Martial Law would be withdrawn, Provincial Governments set up and the National Assembly would ab initio, sit in two committees-one composed of members from East Pakistan and the other composed of members from West Pakistan.
One Condition
Despite some serious flaws in the scheme in its legal as well as other aspects, I was prepared to agree in principle to his plan in the interest of peaceful transfer of power but on one condition. The condition which I clearly explained to Sheikh Mujibur Rahman was that I must first have unequivocal agreement of all political leaders to the scheme.
I thereupon discussed the proposal with other political leaders. I found them unanimously of the view that the proposed proclamation by me would have no legal sanction. It will neither have the cover of Martial Law nor could it claim to be based on the will of the people. Thus a vacuum would be created and chaotic conditions will ensue. They also considered that splitting of the National Assembly into two parts through a proclamation would encourage divisive tendencies that may exist. They therefore expressed the opinion that if it is intended to lift Martial Law and transfer power in the interim period, the National Assembly should meet, pass an appropriate interim Constitution Bill and present it for my assent. I entirely agreed with their view and requested them to tell Sheikh Mujibur Rahman to take a reasonable attitude on this issue.
I told the leaders to explain their views to him that a scheme whereby, on the one hand, you extinguish all source of power namely Martial Law and on the other fail to replace it by the will of the people through a proper session of the National Assembly, will merely result in chaos. They agreed to meet Sheikh Mujibur Rahman, explain the position and try to obtain his agreement to the interim arrangement for transfer of power to emanate from the National Assembly.
The political leaders were also very much perturbed over Sheikh Mujib's idea of dividing the National Assembly into two parts right from the start. Such a move, they felt, would be totally against the interest of Pakistan's integrity.
The Chairman of the Pakistan People's Party, during the meeting between myself, Sheikh Mujibur Rahman and him, had also expressed similar views to Mujib.
On the evening of the 23rd of March the political leaders, who had gone to talk to Mujib on this issue, called on me and informed me that he was not agreeable to any changes in his scheme. All he really wanted was for me to make a proclamation, whereby I should withdraw Martial Law and transfer power.
Sheikh Mujibur Rahman's action of starting his non-co-operation movement is an act of treason. He and his party have defied the lawful authority for over three weeks. They have insulted Pakistan's flag and defiled the photograph of the Father of the Nation. They have tried to run a parallel Government. They have created turmoil, terror and insecurity.
A number of murders have been committed in the name of movement. Millions of our Bengali brethren and those who have settled in East Pakistan are living in a state of panic, and a very large number had to leave that Wing out of fear for their lives.
The Armed Forces, located in East Pakistan, have been subjected to taunts and insults of all kinds, I wish to complement them on the tremendous restraint that they have shown in the face of grave provocation. Their sense of discipline is indeed praiseworthy. I am proud of them.
Reasonable Solution
I should have taken action against Sheikh Mujibur Rahman and his collaborators weeks ago but I had to try my utmost to handle the situation in such a manner as not to jeopardise my plan of peaceful transfer of power. In my keenness to achieve this aim I kept on tolerating one illegal act after another. And at the same time I explored every possible avenue for arriving at some reasonable solution. I have already mentioned the efforts made by me and by various political leaders in getting Sheikh Mujibur Rahman to see reason. We have left no stone unturned. But he has failed to respond in any constructive manner; on the other hand, he and his followers kept on flouting the authority of the Government even during my presence in Dacca. The proclamation that he proposed was nothing but a trap. He knew that it would not have been worth the paper it was written on and in the vacuum created by the lifting of Martial Law he could have done anything with impunity. His obstinacy, obduracy and absolute refusal to talk sense can lead to but one conclusion-the man and his party are enemies of Pakistan and they want East Pakistan to break away completely from the country. He has attacked the solidarity and integrity of this country-this crime will not go unpunished.
We will not allow some power hungry and unpatriotic people to destroy this country and play with the destiny of 120 million people.
In my address to the nation of 6th March I had told you that it is the duty of the Pakistan Armed Forces to ensure the integrity, solidarity and security of Pakistan. I have ordered them to do their duty and fully restore the authority of the Government.
In view of the grave situation that exists in the country today I have decided to ban all political activities throughout the country. As for the Awami League it is completely banned as a political party. I have also decided to impose complete Press censorship. Martial Law regulations will very shortly be issued in pursuance of these decisions.
Aim Remains Same
In the end let me assure you that my main aim remains the same, namely, transfer of power to the elected representatives of the people. As soon as situation permits I will take fresh steps towards the achievement of this objective.
GoodWishes কে
মুজিবের misdeeds এর জন্য কেন তাকে সমালোচনা করা যাবে না?
আর হাসিনাকে ফকুরুদ্দিন বিষ খাইয়ে মারতে চাইলেও সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে মামলা দেওয়া হচ্ছে না কেন?
আর সাজেদার মিথ্যাচারেরও কি কোন সমালোচনা করা যাবে না?
মুজিব কি এই শিক্ষায় হাসিনা-সাজেদাকে দিয়ে গেছে? তবে কি মুজিব ফ্যাসিষ্ট ছিলো?
শেষ প্রশ্ন, আওয়ামী লীগের নবী কে? তবে কেন আজরাইলের বিরুদ্ধে আইন তৈরী হচ্ছে?
প্রশান্ত শিমুল বলেছেন: শালার বিষেও ভেজাল....
http://www.somewhereinblog.net/blog/shuvo77/28970424
Save Bangladesh: No more farakka
ওয়াক থু নকলবাজ somewhereinblog.....................
শিবির বাকী বিল্লাহর সম্পাদনায পরিচালিত এই somewhereinblog অন্যের লেখা তার অনুমতি ছাড়াই নিজের নামে প্রকাশ করে। কিছুদিন আগে এই ফোরামের সম্মানিত সদস্য জনাব WatchDog_bd প্রমাণসহ একটি অভিযোগ পেশ করেছেন। কাজেই ওয়াক থু রাজাকারের গোষ্ঠী পরিচালিত somewhereinblog.
বিড়ি ০৮ আর সেলিমছিঃ ছিঃ এর লেখার উৎসঃ নাঈমের "আমাদের সময়" এবং খালেদার আলু ফালুর "আমার দেশ" পত্রিকার বিভিন্নজনের মন্তব্য সমুহ। ছিঃছিঃ! এমন বেশরম চোরও আছে এই ফোরামে!
সবাই ভাল থাকুন,
সুস্হ থাকুন,
সুন্দর থাকুন-
-হৃদয়
আবার ধন্যবাদ ও আরো কিছু কথা
আমি মতিন সাহেবকে চিনিনা তবে তার কথা গুলোতে লজিক আছে।এখন ভিন্নমতের কথা শোনার যোগ্যতা থাকার দরকার আছে।ফাল্লাচির অনেক সমস্যা থাকতে পারে।কিন্তু ঘটনা মিথ্যা না।আমি আরো অনেক বিদেশী সাংবাদিকের মুজিবের সাথে ইন্টারভিউ পড়েছি এবং তা থেকে বোঝা জায় মুজিব সরাসরি কথা বলার থেকে জনগঙ্কে জিম্মি করে তার নিজের ফায়দা লোতার চেষ্টা করেছে।আমি একটা কথা বুঝতে পারছিনা।এদেশের সকল নাস্তিকেরা মুজিব ও আওয়ামী লীগ বলতে পাগল আবার ফাল্লাচি বিরুদ্ধে কথা বলার জন্য নিজেদের মৌল্বাদি চেহারা দিচ্ছে।এইখানে কয়েকজন মৌলদাদি চিন্তার মানুষেরা ধীরে ধীরে চেতনা ফিরে পাক।এই ধরনের মৌলবাদি মন্তব্য আমি গ্রহন করতে পারছি না।আপনারা আওয়ামী লীগের অন্ধ কূয়াতে আছেন।এটা আপনাদের দোষ না।আপনাদের ভুল ধরনা শেখানো হয়েছে।আমি যদি যুক্তি প্রমান দিয়ে সব কিছুর প্রমান দিতে পারি তাহলে তো আপনারা মুজিবের কর্মকান্ডের খারাপ দিক মানবেন? নাকি তাও মানবেন না।বাংলাদেশ আমাদের একটি এখানে এমন কিছু চর্চা করা ঠিক হবে না যা এদেশের সকল স্তরের মানুষের গ্রহনযোগ্য না।তবূও আপ্নারা যারা কস্ট করে মন্তব্য করেছেন তার জন্য ধন্যবাদ দিচ্ছি।আপনাদের চিন্তার সাথে একমত না হলেও আমরা সকলেই আসলে বাংলাদেশ নামক এই দেশটিকে খুব বেশি ভালবাসি।কেও ভালোবাসে মুজিবকে আশ্রয় করে কেও জিয়াকে কেউ ভাসানিকে কেও কার্ল মার্ক্সকে কিংবা চে গুয়েভারা,মাওকে আশ্রয় করে।এই সাম্যবাদি দেশে আমরা সকলেই সমাজতান্ত্রিক এবং আবেগি।এটা আমাদের রক্ষা করতে হবে।আমাদের কখনই উচিত হবে না ভারতের কাছে নিজেদের ব্যক্তিত্য বিলীন করে দেয়া।দেশের শক্তি ক্ষমতা সমান না হলে বন্ধুত্ব হয়না।ভারত বন্ধু হতে গেলে অবশ্যই কিছু কালের জন্য তাদের সহায়তা ছাড়া বেচে থাকা শিখতে হবে।যাইহোক অনেক কথা বললাম যা কিনা এই লেখার সাথে ঠিক মানান সই না।এখন দেখতে হবে বাংলাদেশের সমস্যা তৈরি কাদের জন্য তৈরি হচ্ছে সেটা দেখতে হবে।
poet, columist, reseacher
xxx personal attack again xxxx
একজন কবি, গবেষক এবং কলামিষ্টের বদান্যতা..........
xxx edited xxx
too much personal attack.
-editor
সবাই ভাল থাকুন,
সুস্হ থাকুন,
সুন্দর থাকুন-
-হৃদয়
এডিটর ভাই.......
জনাব আবু জুবায়ের আওয়ামীপন্হীদের ব্যাপারে লিখেছিলেন, "এদেশের সকল নাস্তিকেরা মুজিব ও আওয়ামী লীগ বলতে পাগল আবার ফাল্লাচি বিরুদ্ধে কথা বলার জন্য নিজেদের মৌল্বাদি চেহারা দিচ্ছে।" এই একই ভদ্রলোক নিজের সর্ম্পকে লিখেছন "কবি, লেখক, গবেষক, কলামিষ্ট"।
এটা নির্ধিদ্বায় বলা যায় যে, এই শেখ মুজিব, আর এই আওয়ামীলীগ না হলে কোনদিনই আমরা একটা স্বাধীন বাংলাদেশের নাগরিক হতে পারতাম না। স্বাধীন বাংলাদেশ মানেই, বঙ্গবন্ধু এবং তার দল আওয়ামীলীগ। আর আমি ব্যক্তিগতভাবে বঙ্গবন্ধু এবং আওয়ামীলীগের রাজনীতিতে বিশ্বাসীদের একজন। তাই বঙ্গবন্ধু এবং আওয়ামীলীগে বিশ্বাসীদের একজন হিসাবে আমি সংক্ষূব্দ হয়ে তার কথার জবাব দিয়েছি মাত্র। ভদ্রলোক তার মন্তব্যে শালীনতার সীমা লঙ্গন করেছেন, অথচ তার মন্তব্যটি আপনি সযতনে রেখে দিয়েছেন। লেখাটিতে তার সামষ্টিক কথায় আমি ব্যক্তিগতভাবে আক্রান্ত হয়েছি এবং এর জবাব দেয়ার বৈধতাও আমার আছে। এ ভদ্রলোক আমাদের জাতীয়চেতনার পরিপন্হী একজন সাংবাদিককে পূজনীয় হিসাবে উপস্হাপন করতে গিয়েও আমাদের মৌলবাদি আক্ষ্যা দিয়েছে। আমি শুধু তার লেখাটিই জবাব হিসাবে উপস্হাপণ করেছিলাম। আমরা আপনার সুবিচার প্রার্থী। কোনভাবেই স্বৈরাচারী আইয়ুব-জিয়া-এরশাদের মত আচরণ নয়।
সবাই ভাল থাকুন,
সুস্হ থাকুন,
সুন্দর থাকুন-
-হৃদয়
জনাব যুবায়েরকে
একজন জ্ঞ্যানীর মুল্যায়ন হয় তিনি কি পরিমান জ্ঞ্যান অর্জন করেছেন তা দিয়ে নয়, বরং কিভাবে এবং কতটুকু তিনি সেই জ্ঞ্যানের প্রয়োগ করছেন সেটা দিয়ে। একজন ক্ষমতাবানের মুল্যায়ন হয় তিনি কি পরিমান ক্ষমতার অধীকারি তা দিয়ে নয়, বরং কিভাবে সেটা ব্যবহার করছেন সেটি দিয়ে। একজন বিত্তবানের মুল্যায়ন হয় তিনি কি পরিমান সম্পদের মালিক তা দিয়ে নয়, বরং কোন পথে তিনি তার সম্পদ ব্যবহার করছেন সেটি দিয়ে। যাদের এই তিনটির কোনটিই নেই তাদের জন্যে আমার আক্ষেপ (আমি এদেরই একজন)। আর যাদের এই তিনটির এক বা একাধিক থাকা সত্যেও মুল্যায়নের সেই মানদন্ডে উত্তীর্ন হতে পারেননি তাদের জন্যে আমার করুনা। কিসিঞ্জার ফাল্লাচির মত আপনিও অনেক জ্ঞ্যান অর্জন করেছেন এ ব্যাপারে আমার সংশয় নেই। আপনার জ্ঞ্যানের প্রয়োগই আপনাকে মুল্যায়ন করবে, আজ না হলে কাল, কাল না হলে পরশু।
আমি আপনার সাথে একমত হতে পারছি না যে এ দেশের সকল নাস্তিকেরা মুজিব এবং আওয়ামিলীগ বলতে পাগল। কথাটি বড্ড বেশী এক পেশে হয়ে গেল না? আপনার মত বুদ্দিদীপ্ত, সত্যেন্মেষীর পক্ষে কি এভাবে একটি বিশাল সংখ্যক মানুষকে ব্র্যান্ডেড করা মানায়? তবুও বলব আপনার কথাটি ঠিক, যেহেতু আমি একজন মুর্খ। আপনি নিশ্চয় আওয়ামী/মুজিব বিরোধীদেরকে আস্তিক বা ধার্মীক বলবেন (মূলত ইস্লাম পন্থী)। যদি তাই বলেন তবে আমি বলব আপনি ঠিক কথাটিই বলেছেন। আপনি আরো সত্য যে কথাটি বলেছেন, সেটা হোলো এই মুজিব প্রেমি নাস্তিকেরা মুজিবের বিরুদ্ধে কথা বলার জন্যে ফাল্লাচিকে মৌলবাদি লেবেল দিচ্ছে। এটাকে বলে Hypocrisy। আমি নিজে আস্তিক হয়ে বুঝতে অক্ষম মুজিবের সমালোচনা করতে একজন মিথ্যাবাদি, চরম ইসলাম বিদ্বেষীর মুল্যায়ন ব্যবহার করার প্রয়োজন আপনার কেন হল? আর সেটাতে আমরা (আস্তিকেরা) এত আনন্দিতই বা কেন হচ্ছি?
আমি ইতালির যে ছোট্ট শহরে থাকি সেখানে কোন মসজিদ নেই (নিজেদের ভাড়া করা একটি কক্ষ ছাড়া)। প্রাদেসিক সরকার এখানে মুস্লিমদের জন্যে একটি মসজিদ নির্মানের উদ্যোগ নিলে সারা শহর মসজিদ এবং মুস্লিম বিরোধী পোস্টারে ছেয়ে যায়। শেষ পর্যন্ত আর এটা হইনি। বলতে পারেন কেন? এই ফাল্লাচিদের জন্যে। লনি লী এর একটি ফর্মুলা দিয়ে শেষ করছি, আশা করি এটার ভুল প্রয়োগ করবেন না -
Hypocrisy = Beliefs - Actions
এতক্ষনে অরিন্দম কহিলা বিশাদে
জনাব আবু জুবায়ের। কবি আরে গবেষকের খোলশ থেকে এত তাড়াতাড়ি বের হয়ে আসবেন আশা করিনাই। যা ভাবছিলাম তাই। আসলে, একটা কথা আছে, ভাত একটা টিপলেই বুঝা যায়, বাকিগুলার কি দশা।
যাহোক আপনাকে শুভাগমন। বিতর্কে আমাদের আপত্তি নাই। আশা করি আপনার কাছ থেকে আমরাও কিছু শিখব।
প্রশ্নঃ আপনি লিখলেন "এদেশের সকল নাস্তিকেরা মুজিব ও আওয়ামী লীগ বলতে পাগল" এটা কি আপনার ব্যক্তিগত অভিমত না গবেষনা লব্ধ জ্ঞাণ? ধরে নিতে হবে আওয়ামি লীগ নাস্তিকেদের পার্টি? মুজিবকে সমর্থন করা, ইস্লামি শাসন বা ধর্মি মাতমের রাজনীতি না করা, বিদেশিনি ফাল্লাচির চোখে মুজিবকে না দেখার মানেই কি "নাস্তিকতা"? মুজিবকে ডিফেন্ড করে পালটা মতামত দেয়াটা কি "অন্ধত্বের কুয়াতে" বসবাস? আপনি যা বলবেন তা আপনার মতামত তা যৌক্তিক কিওনা সেটা বিচার করবে পাঠক। "মানতে হবেই" এ শর্তে আপনার কথা শুনার প্রশ্ন আসছে কেন?আপনি নিজের মতামত আগে সিন, পরে বুঝা যাবে তার যুক্তিমান কি। খালি ত নএকটা সাক্ষাতকার ছেপে দিলেন মাত্র। হাসান ভাই আর goodwishes পালটা যুক্তিগুলো কি ধার করা? উনাদের পোস্টের পোয়েন্ট টু পোয়েন্ট উত্তর দিলেই ত আপনার নিজের থলিতে কি আছে বুঝা যাবে।তা নাকরে, কেন পালটা "ভিক্টিম" সাজার চেস্টা করছেন।
আপনি সিদ্ধান্তে পৌছেছেন, "মুজিব সরাসরি কথা বলার থেকে জনগঙ্কে জিম্মি করে তার নিজের ফায়দা লোতার চেষ্টা করেছে।" নিজের জনগনকে জিম্মি করে ফয়দা লোটা বলতে কি বুঝালেন, একটু বিস্তারিত বলবেন কি?
মানুষ মুজিবের খারাপ দিক নাই তা নয়। তার ব্যক্তিগত মন্দটাই কেন আপনার গবেষনার মূল বিষয়? হঠাত করে ভারত প্রসঙ্গে গেলেন কেন?
আসলে মুজিবকে নিয়ে আপনাদের গানের কথা সুর খুব বেশি পরিচিত, এতে নতুন্ত্ব নাই। আর গবেষনা করেলি হাজার বার করা আপনাদের একই প্রশ্নের উত্তর গুলোও ত পেয়ে যাবার কথা।
যাহোক আপনার কাছ থেকে ভাল স্বকীয় ডিবেট আশা করি। ভাল থাকবেন, রাস্তায় মারামারি চাইতে কলমে মগজের বাহাস অনেক স্বাস্থ্যকর। আমার পক্ষ থেকে, ইমেলায় আপনাকে আবার স্বাগতম।
আবু জুবায়ের বচন।
(আমি একটা কথা বুঝতে পারছিনা।এদেশের সকল নাস্তিকেরা মুজিব ও আওয়ামী লীগ বলতে পাগল আবার ফাল্লাচি বিরুদ্ধে কথা বলার জন্য নিজেদের মৌল্বাদি চেহারা দিচ্ছে।--আবু জুবায়ের বচন>)
আবু জুবায়ের আপনি ইসলামের সোল এজেন্সীটা কবে নিয়েছেন। ইসলাম সম্পর্কে আপনার অজ্ঞতাই আপনাকে এধরনের মন্তবে উৎসাহিত করেছে। আপনাদের মত তথাকথিত ধর্মের সোল এজেণ্ট এর জন্যই আজ সারা বিশ্বে ইসলামের দূরবস্থা।আপনি যে ভাষায় কথা বলেন একি ভাষায় কথা বলে লাদেনরা ৯/১১ ঘটিয়ে মুসলমানদের জন্য লজ্জা এনেছে।রাজনীতিকে ধর্ম দিয়ে বসে রাখার আপনাদের ব্যবসা যে লাটে উঠেছে বিগত নির্বাচনেই প্রমান হয়েছে। রাষ্ট্রের কাছে মানূষের আকাঙ্ক্ষা অর্থনৈতিক এবং সামজিক নিরাপত্তা,ধর্ম নয়।ধর্ম একান্তই ব্যক্তিগত।
নবী শেখ মুজিব, না রক্ত মাংসের শেখ মুজিব?
শেখ মুজিব ছিলেন একজন রক্তমাংসের মানুষ, রাজনীতিবিদ এবং রাষ্ট্রনায়ক। তাকে নিয়ে সমালোচনা গনতান্ত্রিক সভ্য সমাজের ন্যায় সংগত অধিকার। যতদূর জানি কেবল সৃষ্টিকর্তা এবং তার প্রেরিত নবীদের নিয়ে সমালোচনা করা নিষেধ (এমন সমালোচনাও বিদ্যমান)। আমাদের শেখ মুজিব কি তাহলে নবীদেরও উর্ধে চলে গেছেন? একজন ইতালীয় সাংবাদিক সাক্ষাৎকারের ভিত্তিতে শেখ মুজিবের চরিত্র নিয়ে নিজস্ব মন্তব্য করেছেন, এটুকু হজম করার মত উদরও আমাদের শরীরে নেই। হজম করার মত স্বাস্থ্য না থাকলে আমাদের উচিৎ এসব না পড়ে বরং শেখ মুজিবকে শতাব্দির সেরা সন্তান বানিয়ে যারা মহাভারত লিখছেন তাদের লেখা পড়া । ই-মেলায় অনেকেই দেখি কারনে অকারনে গনতন্ত্রের জাতীয় সংগীত গাইতে পছন্দ করেন, শেখ মুজিবের নাম উচ্চারিত হলেই বোধহয় সাম্যবাদী ডিক্টেটরিয়াল মনোভাব এসে যায়! Double standard!
নবীরাও রক্ত মাংসে মানূষ।
আমি যতটুকু জানি নবীরাও রক্ত মাংসে মানূষ।হয়রত মোহাম্মদ সাঃ,ঈসা নবী এদের সমালোচনাই হয় আর শেখ মুজিব এদের তুলনায় এক সমুদ্র জলের মধ্যে একফোটাও নন। কিন্তু মিঃ ওয়াচডগ সাহেব, হাসান ইমাম আর রানা সাহেব ইতালীর সাংবাদিকের সমালোচনা করেছেন এবং সে যে মিথ্যার উপড় ভর করে লিখে ইহাই প্রমান করার চেষ্টা করেছেন তথ্য, উপাত্ত দিয়ে। সেটা কি আপনি হজম করতে পেরেছেন? একজন সাংবাদিক যা লিখবে তাই কি আমাদের হজম করতে হবে? জোড় করে হজম করার ফল বদহজম সৃষ্টি করে।
(শমশের ওয়াদুদ নামে একজন লোক ছাড়া আমার পক্ষে আর কেউ নেই। লোকটি মুজিবের বড় বোনের ছেলে।)
ফেলুচ্চি বলেছেন শমসের ওয়াদুদ নাকি মুজিবের বড় বোনের ছেলে।কেউ কি জানেন এই নামে শেখ মুজিবের কোন ভাগ্নে আছে কিনা? শেখ মুজিবের ভাগ্নের মধ্যে
১, ইলিয়াস চোধুরী
২,শেখ মনি
৩, শেখ সেলিম
৪,শেখ মারুফ
৫,আবুল হাসানাত আব্দুল্লা।
কিন্তু কে এই শমসের ওয়াদুদ কে জানালে খুশি হব।
ভালো থাকুন।
bangladesh21 / শমশের ওয়াদুদ
শমশের ওয়াদুদের বাড়ী সিলেট । সম্ভবতঃ ৬৮/৬৯ সালে আমেরিকায় পড়াশোনা করতে যান । স্বাধীনতা
যুদ্ধের সময় নিউ ইয়র্কে হাতে গোনা কয়েকজন বাঙালীর মধ্যে উনিও একজন ছিলেন এবং মরহুম আবু সাঈদ চৌধুরীর সংস্পর্শে আসেন । জর্জ হ্যরিসনের মেডিসন স্কোয়ার গার্ডেনের কনসার্টের সমুদয় টাকা
এই শমশের ওয়াদুদের হাতে তুলে দেন CBS evening news এর vice president BOB ( sorry bob এর last name ভূলে গেছি ) শমশের ওয়াদুদ সাহেব এই টাকা প্রবাসী সরকারকে না দিয়া পুরো টাকাটাই আত্বসাত করেন । দেশ স্বাধীন হওয়ার পর শমশের ওয়াদুদ সাহেব নিজের কৃতকর্মের ভয়ে দেশে আসতে পারতেছিলেন না । সম্ভবতঃ ৭৩ সালে বঙবন্ধু জাতিসংঘের অধিবেশনে ভাষন দিতে গেলে
শমশের ওয়াদুদ কোনভাবে (অনেকে বলেন WORLD OF ASTORIA হোটেলের সিড়ীতে বঙবন্ধুর পা
ধরে শমশের ওয়াদুদ বঙবন্ধুর কাছে মাফ চান ) বঙবন্ধুর কাছ থেকে মাফ আদায় করে নেন ।
দুর্মুকেরা বলেন কনসার্টের টাকা দিয়ে নিউ ইয়র্ক শহরের অভিজাত এলাকা CENTRAL PARK SOUTH এর চৌত্রিশ তালায় " নির্বানা " (NIRVANA ) নামে একটা ইন্ডিয়ান রেস্টুরেন্ট দেন এবং
পরবর্তি কালে এই নিরবানা নিউ ইয়র্ক শহরে ব্যাপক পরিচিতি লাভ করে বিশেষ করে মিডিয়া এবং
হলিউড তারকাদের hang out spot বলে ব্যাপক পরিচিতি লাভ করে ।
৯০এর দশকে হঠাত করে এই শমশের ওয়াদুদ সাহেব আবু হোসেন বাবলার মাধ্যমে এরশাদ সাহেবের
সাথে সখ্যতা গড়ে তোলেন এবং আবু হোসেন বাবলার নিজস্ব লোক গোপীবাগের আসলাম যখন খুন
হয় তখন শমশের ওয়াদুদ সাহেব জাতিসংঘের সেক্রেটারি জেনারেল থেকে শুরু করে স্টেট ডিপার্টমেন্ট পর্যন্ত এই হত্যাকান্ডের বিচার চেয়ে দরখাস্ত করেছিলেন । আমার জানামতে শেখ ফ্যামিলীর সাথে কথিত
ওয়াদুদ সাহেবের কোন সমপর্ক নেই ।
ধন্যবাদ ভুমিহীন জমিদার ভাই
ধন্যবাদ আপনাকে বিস্তারিত তথ্যের জন্য। শমসের ওয়াদুদ নামে শেখ মুজিবের যে কোন ভাগ্নে নেই আমার কাছেও সেই রকমই তথ্য ছিল।
এখানে নবীত্বের কি দেখলেন, ওয়াচডগ সাহেব?
সমালোচনা অবশ্যই হজম করা উচিত, তবে সেই সমালোচকের নুন্যতম গ্রহনযোগ্যতাটুকু তো থাকা চাই। নাকি নিরপেক্ষতা প্রদর্শনের স্বার্থে অন্যের লেখা আবর্জনাকেও মানতে হবে? আমিতো মনে করি হাসান সাহেব একটি সুন্দর লেখার মাধ্যমে এই ইতলীয় সাংবাদিকের বৈশিষ্ট্য তুলে ধরেছেন। সমালোচনা তাদেরই গ্রহন করা যায় বা করা উচিত যারা “totality” –কে ধারন করতে পারে এবং অতঃপর দুর্বলতাটুকু দেখিয়ে দেয়। এই ভদ্রমহিলার লেখা পড়ে তো মনে হয় তিনি আগাগোড়া pre-determined mind নিয়েই এসেছিলেন।
যুবায়ের সাহেব বোধহয় মুজিব সর্ম্পকে খুব বাজে ধারনা পেয়েছেন বা দিতে চাচ্ছেন যে মুজিব কেন ফেল্লাচিকে রুম হতে বের হওয়ার নির্দেশ দ্দিয়েছিলেন। কিন্ত্ তার একবারও মনে হয় নি (বা তিনি মনে করতে চাননি) যে কেনই বা এক সর্ম্পুন ভিন দেশি, দুরের এক সাংবাদিককে একজন দেশী রাজনীতিবিদ রুম থেকে বের করে দিতে চান। আমি যদিও এরকমের বের করে দেয়ার মধ্যে মুজিবের অ-রাষ্ট্রনায়কসুলভ স্বভাব দেখি, তবে উনার ভাবা উচিত ছিলো যে সেসময় নিশ্চয়ই এই মহিলার সর্ম্পকে কিছু তথ্য তার জানা ছিলো।
শেখ মুজিব তো দূরে থাক, বহু আরো উচু মানের মানুষের ক্ষেত্রেও এরকমের ঘটনা আছে। একবার ব্রিটিশ যুগে এরকমের এক ইউরোপীয়ান সাংবাদিক এসে, রাজনৈতিক সাক্ষাতকারের নামে, বাংলা এবং ভারতবর্ষের সবচেয়ে কদর্য দিকগুলো এবং দারিদ্রের ফিরিস্তি দিয়েছিলেন। রবীন্দ্রনাথ তখন রেগে তাকে নাম দিয়েছিলেন “drain inspectress”। তখন ব্রিটিশ মিডিয়া তাকে এই আচরনের জন্য প্রশ্ন করলে তিনি সরাসরি জবাব দিয়েছিলেন যে “আমার কলম চেম্বারলিনের ছাতার বাট দিয়ে তৈরী হয় নি”!!
Now, Mr. Watchdog and Zubaer, let me show some examples from her writing why I categorized her writing as some garbage:
-----------------
মুজিবের ব্যক্তিগত সম্পত্তির দুঃখ যে তার মনকস্টের কারন হয়ে আছে সেটা ফেল্লাচির কাছে অবাক করেছে।ফেল্লাচি বিষয়টিকে এভাবে লিখেছে-
... আমার বাড়ি, জমি, সম্পত্তি ধ্বংস করেছে, আমার...(মুজিব)।’ – I was actually laughing seeing such naïve interpretation of Fallaci and seeing that Mr. Zubaer is posting this as bad side of Mujib’s character:-). You should know that when a political leader talks this way, he actually means the property of his fellow countrymen, houses of the countrymen, not his own! Especially Mujib used to say this way a lot. Moreover, Mujib’s own house at Dhanmondi was not very harmed during the liberation war, so there’s nothing to lament for his own, per se. I don’t believe that Fellaci was naïve enough not to understand this, and yet when a journalist still tries to interpret this way, we know which quality he/she belongs to.
-------------------------------
‘আমি নিশ্চিত হতাম যে, ওরা রাজাকার ও অপরাধী। ফায়ারিং স্কোয়াডে দিতাম এবং এভাবেই এই ঘৃণ্য হত্যাকা- এড়াতাম।’
‘ওরা ওভাবে করেনি। হয়তো আমার লোকদের কাছে বুলেট ছিল না।’
‘হ্যা তাদের কাছে বুলেট ছিল। প্রচুর বুলেট ছিল। এখনো তাদের কাছে প্রচুর বুলেট রয়েছে। তা দিয়ে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত গুলি ছোড়ে। ওরা গাছে, মেঘে, আকাশে, মানুষের প্রতি গুলি ছোড়ে শুধু আনন্দ করার জন্য।...
Firstly, no murder in general people’s hand is supportable, I agree with this and Mujib could have given more diplomatic answer. She pretended to be a nice puritan. But she forgot that terrorism is of two types, one is pro-active and the other is reactive. Proactive terrorism is the one which commits first and the reactive ones are the ones which are committed as a repercussion of that. Liberation war was a very bloody guerrilla war. There were millions of atrocities committed by Pakistani forces and their collaborators, as a repercussion of these, it’s very possible that some reactive crime might be committed by Liberation forces as well. She might not have mentioned these in her interview, but she should have given a reference to such things. One example, the crimes of Pakistanis were so huge that a French girl (named Marietta) committed suicide by burning herself in Franch just by seeing the atrocities on Bangladeshi women by Pak army in French TV. I don’t know she knew all these. If yes, then she could find her answer.
-----------------
দূর্ব্যবহার করেছে তার জন্য সেটি তিনি এভাবে বিবৃত করেছেন- ......সোমবার রাত : গোটা ঢাকা নগরী জেনে গেছে, মুজিব ও আমার মধ্যে কি ঘটেছে। শমশের ওয়াদুদ নামে একজন লোক ছাড়া আমার পক্ষে আর কেউ নেই। লোকটি মুজিবের বড় বোনের ছেলে। এই যুবক নিউ ইয়র্ক থেকে এসেছে তার মামার কাছে। তার মতে মুজিব ক্ষমতালোভী এবং নিজের সম্পর্কে অতি উচ্চ ধারণাসম্পন্ন অহঙ্কারী ব্যক্তি। - Quite possible, I won’t eliminate such tendency from any political leader. But why would a journalist try to defend her conception bearing remark from an unknown relative? There were thousands of other interviews, speeches, articles about that political leader she wanted to portray, those were not relevant or important and the only important was some remark from a relative? What kind of article was this? She didn’t feel to do any slightest homework for this or trim her comments with those? And yet we have buy her remarks because she got degrees/awards from here and there? It’s possible that in western affairs she might have good record, but those do not necessarily increase acceptability for everything. Salman Rushdi is also a well awarded writer, he is a good writer in many areas, but will you buy his comment about Islam or Indian subcontinent (especially about Bangladesh) written in his book?
There are tons of nonsense things and weakness that can be disputed about her article. Because of time, it’s not possible to write down everything in a well organized way.
Finally, “আজ ফেল্লাচির জন্ম দিন তাকে বাংলাদেশিরা কোনদিনই ভুলতে পারবে না” – why Mr. Zubaer? Can you pls. refer few good (comprehensive) research works from her about Bangladesh? I think almost none of BD people heard of her name before. Or you want us not to forget her name because her writings give pleasure and fits into some section of people’s pre-occupied mind, no matter what quality those are up to?
Goodwishes: a superb academic rebuttal!
Thanks
প্যালেষ্টাইনী জনগন ফাল্লাচির মুখে থুতু দেয়……।
প্যালেষ্টাইনী জনগন ফাল্লাচির মুখে থুতু দেয়……।
-----------------------------------------------------
সময়টা ১৯৯২ সালের শীতের প্রারম্ভে। ইতালীয় কমুনিষ্ট পার্টির বৃহদাংশ বামপন্থি গনতান্ত্রিক দলে রুপান্তরিত হয়েছে। ক্ষুদ্রাংশ রিফাউন্ডেশন কমিউনিষ্ট নামে পুনর্গঠিত হয়েছে। এই দলের সাথে একীভুত হওয়ার লক্ষে অপর একটি ক্ষুদ্র বামপন্থি দল (ডেমোক্রেশিয়া প্রলেতা্রিয়েত)দল তাদের সর্বশেষ অধিবেশন ডাকে ইতালীর আদ্রিয়াতিক সাগরের পর্যটন শহর রিচিওনে। অভিবাষিদের প্রতিনিধি হিসেবে আমাকে সেখানে অতিথি বক্তব্য রাখতে আমত্রন জানানো হয়েছে। সম্মেলনের ভেন্যুতে রাত জাপনের জন্য হোটেলের দুসজ্জা বিশিষ্ট কামরায় আমার সাথী ডক্টর ডামিয়ানো জোভান্নী ফ্রিসুল্লো, সংক্ষেপে ডিনো ফ্রিসুল্লো। তিনি এ দলের বিদেশ বিষয়ক দ্বিতিয় প্রধান। ইতালীতে অধিকাংশ অভিবাষি বাঙ্গালীদের অত্যান্ত প্রিয় এই ব্যক্তিত্ব দিনো নামে পরিচিত ছিলেন।
___________________________________
ডক্টর ডামিয়ানো জোভান্নী ফ্রিসুল্লো।
---------------------------------------------
দর্শনের ডক্টরেট ধারী এ ব্যক্তি আমার ইউরোপীয় রাজনৈতিক জীবনের দীক্ষাগুরু । পি,এল,ও র ফাতাহ গ্রুপের পক্ষ হয়ে তিনি দুবছর পশ্চিম তীরে ইসরাইলীদের বিপক্ষে সসস্ত্র যুদ্ধে অংশগ্রহন করেছেন। চে- গুয়েভারার জীবনের সাথে আমি যেমন আমার এ দীক্ষাগুরুর জীবনের সাদৃশ্য খুজে পাই, উনিও তেমন সাদৃশ্য খুজে পান প্যালেষ্টাইনী জনগনের নেতা ইয়াসির আরাফাত এর সংগ্রামী ব্যক্তি জীবনের সাথে।
সম্মেলনের পুর্বদিন রাতে হোটেলের পানশালায় ডক্টর ডিনো ফ্রিসুল্লোর সাথে পার্টির সাধারন সম্পাদকের তুমুল ঝগড়া। ভাষাগত সমস্যার কারনে ঝগড়ার বিষয়বস্তু ঐ মুহুর্তে না বুঝলেও রাতে ডক্টর ফিসুল্লোর ব্যাখ্যায় বিস্তারিত জানতে পারি।
ফাল্লাচি ওরিয়ানা নামে একজন জাদরেল সাংবাদিক যিনি নাকি নিজেকে মনে করেন ইতালীর ল্যারী কিং। বিশ্বের খ্যাতনামা ব্যক্তিদের সাক্ষাতকার নিয়ে যিনি নাকি নিজে কৃতার্থ হন না, বরং তিনি যাদের সাক্ষাতকার নেন তারাই নাকি ধন্য হয়ে যায়। ধর্মনিরোপেক্ষ হিসেবে পরিচিত এই সাংবাদিকের কলমের শিকার সারা বিশ্বের উদার ও ধর্মনিরোপেক্ষ বিশ্ব-ব্যক্তিত্যরা। মুসলিম তথা আরব বিশ্ব ও তৃতিয় বিশ্বের বিভিন্ন দেশ ও জাতির কৃষ্টি ও সাংস্কৃতি সম্পর্খে অজ্ঞ এ মহিলা নানা সময়ে নানা অশোভন উক্তি করে সমালোচিত। ইয়াসির আরাফাতের ব্যক্তি জীবন সম্পর্খে তিনি নাকি সাংঘাতিক এক অশোভন মন্তব্য করেছেন, বিধায় লেবানন ও তিউনিশিয়ায় উনি ছাত্রদের হাতে লাঞ্চিত ও ধাওয়া খেয়েছেন। এহেন একজন বিতর্কিত সাংবাদিককে এ সম্মেলনের সমাপনি দিনের একজন বিশেষ অতিথি হিসেবে আমন্ত্রন জানানো হয়েছে। সম্মেলনের সমাপনি অধিবেশনের ডায়াসে সেই ফাল্লাচি ওরিয়ানার পাশের চেয়ারেই নাকি ডক্টর ফ্রিসুল্লোর বসার ব্যাবস্থা হয়েছে। সেখানেই তার আপত্তি।
সমাপনি দিনের প্রথম তথা সকালের পর্বের অধিবেশন শুধুমাত্র দলের সদস্যদের জন্য নির্ধারিত, বিধায় আমি দুপুরের পরে অধিবেশনে গিয়ে দেখি এক তুলকালাম কান্ড ঘটে গেছে। সম্মেলন স্থলে আগত ফাল্লাচির মুখে নাকি থুতু নিক্ষেপ করেছে পার্টির এক তরুন সদস্যা,যে কিনা প্যালেষ্টাইনী। সেজন্য রেগেমেগে ফাল্লাচি সম্মেলন স্থল ত্যাগ করেছেন। অনেক পরে জেনেছি এ কারসাজির পিছনে আমার রাজনৈতিক দিক্ষাগুরুর হাত ছিল।
বিভিন্ন রাষ্ট্রনেতাদের সাথে ফাল্লাচির নেয়া সাক্ষাতকা্রের একটি বাংলা অনুবাদ গ্রন্থ যেটি বছরখানেক আগে আমার হস্তগত হয়েছে, তার মাধ্যমেই প্রথম জেনেছিলাম যে তিনি ১৯৭২ সালে বঙ্গবন্ধুর সাক্ষাতকার নিয়েছিলেন। এ সাক্ষাতকার সহ এ বইয়ের সাক্ষাতকার গুলি পড়লেই যে কোন সচেতন মানুষ এই মহিলার নেতীবাচকতার ব্যাপারে সাম্যক ধারনা লাভ করবেন।
যেমন, ১৯৭০ সালে বংবন্ধু নাকি মাওবাদীদের ভোটে জিতেছিলেন।
সেই বৃটিশ আমল থেকেই আমাদের দেশে যতগুলী নির্বাচন হয়েছে তার পরিসংখ্যন বলে দেয় এ মহিলার মন্তব্যের অসারতা।
রান্নাঘরে এক গামলায় মায়ের মাখানো ভাত গোল হয়ে বসে খাওয়ার ন্যায় দৃশ্যটি ভিন্ন কৃষ্টি ও সাংস্কৃতি সম্মন্ধে অজ্ঞ এ মহিলার ন্যায় আহমক সাংবাদিকের কাছে বিষদৃশ্য হলেও আমার আবহমান বাংলায় এটি একটি মধুময় দৃশ্য।
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে চলা কালীন সময়ে ১ কোটি সরনার্থীর পরবাসে অসহনীয় কষ্টকর জীবন,
অবশিষ্ট সাড়ে ছয় কোটি মানুষের স্বভুমিত অবরুদ্ধ ও শ্বাসরুদ্ধকর দির্ঘ ৯ মাস,
৩০ লক্ষ মানুষের আত্নত্যাগ,
ও ২ লক্ষ মা বোনের সম্ভ্রমহানী, কোনটাতেই এই মহিলা বিচলিত নন।
উনি বিচলিত কষাইসম করেকজন বিহারীর মৃত্যুতে। তাই একরাশ ঘৃনা ও নেতীবাচক মনোভাব নি্যেই তিনি বঙ্গবন্ধুর সামনে উপস্থিত হয়েছিলেন,যা তার লেখাতেই তিনি প্রকাশ করে তিনি তার স্ব-অবস্থান নির্নয় করে গেছেন।
প্যালেষ্টাইনের জনপ্রিয় নেতা যিনি তার জাতিকে একটি স্বাধীন প্যালেষ্টাইন রাষ্ট্রের স্বপ্ন দেখালেও তার রূপকার হতে পারেন নাই। জানিনা আরো কত জন ইয়াছির আরাফাতের সারা জীবনের ত্যাগ, তিতীক্ষা আর সংগ্রামের ফলে প্যালেষ্টাইনীদের এ স্বপ্ন বাস্তবায়ন হবে।
আর আমাদের ছিল একজন বঙ্গবন্ধু। যিনি তার এক জীবনেই আমাদের মুক্তির স্বপ্ন দেখিয়েছেন এবং সে লক্ষে আমাদের অনুপ্রানীত করে ধাপে ধাপে তার রাজনৈতিক কর্মসুচি প্রনয়ন ও তা বাস্তবায়ন করে আমাদেরকে দিয়ে গেছেন আমাদের হাজার বছরের সর্বশ্রেষ্ঠ অর্জন বাংলাদেশ। একজন জাতীয় নেতাকে তার যথাযথ সম্মান দেয়ার জন্য এর চাইতেও বেশী কোন সফলতার প্রয়োজন আছে কি ?
অথচ দেশহীন প্যালেষ্টাইনীদের জাতিত্ববোধ দেখুন, তারা তাদের নেতার প্রতি অশোভন কথা বলার জন্য মুখে থুতু নিক্ষেপ করে। আর আমাদের জাতিত্ববোধহীন তথাকতিথ জাতীয়তাবাদীদের দেখুন, আমাদের স্বপ্নদ্রষ্টা বঙ্গবন্ধুর প্রতি অশোভনমুলক উচ্ছিদ্দ গুলি নর্দমা ও আস্তাকুড় থেকে তুলে এনে আমাদের আলোচনার টেবিলে পরিবেশন করছে।
এই না হলে জাতীয়তাবাদী।
ধীক এই জাতিত্ববোধহীন জাতীয়তাবাদীর ধ্বজ্জাধারীদের প্রতি।
হাসান ইমাম খান,
সুইজারল্যান্ড।
ধন্যবাদ হাসান ভাই, আপনার সহজবোধ্য দীর্ঘ লেখাটির জন্য.....
"অথচ দেশহীন প্যালেষ্টাইনীদের জাতিত্ববোধ দেখুন, তারা তাদের নেতার প্রতি অশোভন কথা বলার জন্য মুখে থুতু নিক্ষেপ করে। আর আমাদের জাতিত্ববোধহীন তথাকতিথ জাতীয়তাবাদীদের দেখুন, আমাদের স্বপ্নদ্রষ্টা বঙ্গবন্ধুর প্রতি অশোভনমুলক উচ্ছিদ্দ গুলি নর্দমা ও আস্তাকুড় থেকে তুলে এনে আমাদের আলোচনার টেবিলে পরিবেশন করছে।এই না হলে জাতীয়তাবাদী।ধীক এই জাতিত্ববোধহীন জাতীয়তাবাদীর ধ্বজ্জাধারীদের প্রতি।"
==নিজের দেশ, জাতি, জাতিকে সংগঠনকারী জাতীয় নেতার প্রতি অনাস্হাশীলরা কখনো জাতীয়তাবাদী নয়। কোন মাপকাঠিতেই ওরা জাতীয়তাবাদী হতে পারে না, বরং ওরা জাতীয় কুলাংগার শ্রেণী। ধিক এসব জাতীয় কুলাংগারদের.........
সবাই ভাল থাকুন,
সুস্হ থাকুন,
সুন্দর থাকুন-
-হৃদয়
মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে "নর্দমার পরিদর্শক/Drain Inspector"দের উদ্দেশ্যে
মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে যারা ছিদ্রান্নেষনে ব্যস্ত সেসব (রবীন্দ্রনাথের ভাষায়) নর্দমার পরিদর্শক (Drain Inspector/Inspectress)-দের উদ্দেশ্যে:
দয়া করে নিচের কিছু লিঙ্ক ক্লিক করুন, কিছু তথ্য সুত্র জানতে পারবেন।
I hate to get engaged in number game since this undermines the main empathy of such war. But, still please notice that even Time magazine on October, 1971, giving reference from a source close to Yahya's military regime (not from any BD or Indian or Soviet reference) said that the death toll was already 1 million. In this context, does the number 3 million, at the end of war, sound too unbelievable?
http://www.time.com/time/magazine/article/0,9171,877316-2,00.html
East Pakistan: Even the Skies Weep
Monday, Oct. 25, 1971
".... A Million Dead. No one knows how many have died in the seven-month-old civil war. But in Karachi, a source with close connections to Yahya's military regime concedes: "The generals say the figure is at least 1,000,000." Punitive raids by the Pakistani army against villages near sites sabotaged by the Mukti Bahini, the Bengali liberation army, are an everyday occurrence. ...."
http://www.time.com/time/printout/0,8816,878408,00.html
Pakistan: The Ravaging of Golden Bengal
Monday, Aug. 02, 1971
".... From the beginning, the East got the short end of the bargain in Pakistan. Though it has only one-sixth of the country's total land area, the East contains well over half the population (about 136 million), and in early years contributed as much as 70% of the foreign-exchange earnings. But West Pakistan regularly devours three-quarters of all foreign aid and 60% of export earnings. With the Punjabi-Pathan power elite in control for two decades, East Pakistan has been left a deprived agricultural backwater. Before the civil war, Bengalis held only 15% of government jobs and accounted for only 5% of the 275,000-man army. Twenty multimillionaire families, nearly all from the West, still control a shockingly disproportionate amount of the country's wealth (by an official study, two-thirds of the nation's industry and four-fifths of its banking and insurance assets). Per capita income is miserably low throughout Pakistan, but in the West ($48) it is more than half again that in the East ($30)....."
March 1971
3/27/1971 Daily Telegraph Civil war flares in E. Pakistan
3/27/1971 Daily Telegraph EDITORIAL: Pakistan’s civil war
3/27/1971 Daily Telegraph Jinnah’s dream of unity dissolves in blood
3/27/1971 The Age (Australia) Dacca breaks with Pakistan
3/27/1971 The Times of London Heavy fighting as Sheikh Mujibur Declares E. Pakistan independent.
3/27/1971 The Boston Globe East Pakistan secedes: civil war breaks out
3/27/1971 The New York Times Leader of rebels in East Pakistan reported seized
3/28/1971 Sunday Telegraph Army take over after night of shelling
3/28/1971 Sunday Telegraph EDITORIAL: The victims
3/28/1971 Sunday Telegraph Pakistani bombers ‘hit rebel town’
3/28/1971 New York Times Army expels 35 foreign newsmen from Pakistan
3/28/1971 New York Times Artillary used
3/28/1971 New York Times Toll called high
3/29/1971 Daily Telegraph Army in complete control
3/29/1971 Daily Telegraph Casualties likely to be heavy
3/29/1971 Daily Telegraph East wing sealed off
3/29/1971 Daily Telegraph EDITORIAL: Divide or rule
3/29/1971 Daily Telegraph No mercy in Pakistan fighting
3/29/1971 New York Times Sticks and spears against tanks
3/29/1971 The Age (Australia) EDITORIAL: Pakistan tragedy
3/29/1971 The Age (Australia) Pakistanis rally to Sheik’s call
3/29/1971 The Age (Australia) War comes at last to a divided nation
3/29/1971 The Age (Australia) When tanks took over the talking
3/29/1971 The Sydney Morning Herald EDITORIAL: Plunge into chaos
3/30/1971 Daily Telegraph Tanks crush revolt in Pakistan
3/30/1971 Daily Telegraph Reporter slips net
3/30/1971 New York Times Heavy killing reported
3/31/1971 The Guardian Heavy fighting and burning in Chittagong
3/31/1971 New York Times EDITORIAL: In the name of Pakistan
April 1971
4/1/1971 New York Times Appaling tragedy in East Pakistan
4/3/1971 New York Times A resistance fighter tells his story
4/4/1971 The Sunday Times Nicholas Tomalin witnesses a massacre
4/4/1971 New York Times Britons tell of killings
4/4/1971 New York Times EDITORIAL: ‘All part of a game’ - a grim and deadly one
4/4/1971 Sunday Telegraph Starvation threat to E. Pakistan
4/5/1971 Newsweek Pakistan plunges into civil war
4/7/1971 New York Times EDITORIAL: Bloodbath in Bengal
4/9/1971 New York Times Families flee town
4/13/1971 The Guardian PICTURE: Refugees flee Kushtia
4/14/1971 The Guardian EDITORIAL: Rhetoric and reality
4/14/1971 New York Times Bengalis form a cabinet as the bloodshed goes on
4/16/1971 CBS Evening News East Pakistani Refugees Fleeing to India
4/17/1971 New York Times Hours of terror for a trapped Bengali officer
4/18/1971 New York Times In this case, war is hell for one side only
4/18/1971 New York Times Keating report stirs Pakistanis
4/19/1971 Newsweek Pakistan: Reign of Terror
4/25/1971 New York Times Refugees worry Indian officials
4/26/1971 Newsweek Pakistan: Vultures and Wild Dogs
May 1971
5/1/1971 Far Eastern Economic Review India-Pakistan: warclouds mass
5/2/1971 New York Times The political tidal wave that struck East Pakistan
5/6/1971 New York Times Foreign news reports criticized
5/7/1971 New York Times Pakistani general disputes reports of casualties
5/7/1971 Washington Post Aide admits massacre in East Pakistan
5/9/1971 New York Times Bengalis depict how a priest died
5/10/1971 New York Times All serious opposition seems ended in East Pakistan
5/12/1971 New York Times EDITORIAL: The vultures of Bengal
5/12/1971 Washington Evening Star Vultures too full to fly: East Pakistani Calamity defies belief
5/13/1971 New York Times Army men in Pakistan see heresy in Western style education there
5/13/1971 The Baltimore Sun US asked not to aid Pakistan
5/14/1971 The Baltimore Sun EDITORIAL: Pakistan story
5/16/1971 New York Times That shadow in the sky is a vulture - a fat one
5/16/1971 The Boston Globe “Jai Bangla” A Bengali cry of national pride, now muted
5/22/1971 Saturday Review Genocide in East Pakistan
5/25/1971 New York Times Pakistani strife said to continue
5/27/1971 The Guardian LETTER: East Bengal atrocities
June 1971
6/9/1971 New York Times Disease, hunger and death stalk refugees along India’s border
6/10/1971 Le Monde, France Bengal corpses in the wake of a crusading army
6/10/1971 Reuters Move to cut Aid to Pakistan
6/10/1971 Washington Post East Pakistan : A Wound Unhealed
6/13/1971 The Sunday Times EDITORIAL: Stop the killing
6/13/1971 The Sunday Times Genocide (Front Page story)
6/13/1971 The Sunday Times Genocide (Center Page story)
6/13/1971 New York Times Pakistani charges massacre by army
6/18/1971 LIFE They are dying so fast that we can’t keep count
6/20/1971 New York Times The only way to describe it is hell
6/21/1971 New York Times East Pakistan is reopened to newsmen
6/23/1971 New York Times EDITORIAL: Abetting repression
6/25/1971 Hong Kong Standard EDITORIAL: Another Genghis
6/28/1971 Newsweek (Page 43-44) The Terrible Blood Bath of Tikka Khan
July 1971
7/1/1971 New York Times Correspondent of the Times ousted from East Pakistan
7/3/1971 New Yorker The talk of the town; Notes and Comments
7/4/1971 New York Times An alien army imposes its will
7/4/1971 New York Times Hindus are targets of army terror in an East Pakistani town
7/11/1971 The Sunday Times A regime of thugs and bigots
7/11/1971 The Sunday Times The Repression of Bengal
7/13/1971 New York Times World Bank unit says Pakistan aid is pointless now
7/13/1971 New York Times Excerpts from World Bank group’s report on East Pakistan
7/14/1971 New York Times EDITORIAL: Pakistan condemned
7/14/1971 New York Times West Pakistan pursues subjugation of Bengalis
7/14/1971 The Boston Globe Plea from CARE
7/16/1971 New Statesman, London West Both Sides of Disaster : On refugees
7/17/1971 New York Times A Pakistani terms Bengalis ‘chicken hearted’
7/23/1971 Wall Street Journal A Nation Divided
7/31/1971 The Economist, London Time is running out in Bengal
August 1971
8/1/1971 New York Times Why they fled
8/1/1971 St. Louis Post-Dispatch EDITORIAL: Obligations in Pakistan
8/5/1971 New York Times 14 Pakistani aides quit missions in US
8/5/1971 New York Times The ravaged people of East Pakistan
8/12/1971 Daily Telegraph PICTURE: Senator Kennedy visits refugee camp
8/14/1971 Far Eastern Economic Review A people’s war
8/14/1971 Far Eastern Economic Review Pakistan - Blow to Confidence Page 1, Page 2
8/17/1971 Daily Telegraph Halt US aid for Yahya, says shaken Kennedy
8/17/1971 New York Times Kennedy in India terms Pakistani drive genocide
8/17/1971 Washington Post Kennedy charges genocide in Pakistan
8/28/1971 Far Eastern Economic Review Who is my neighbor?
8/28/1971 Los Angeles Times Pakistan Arms Dispute Exaggerated, U.S. Says
8/28/1971 Los Angeles Times India Priest Pleads for Aid in Pakistan Crisis
September 1971
9/3/1971 The Times, London Statement by Dr. Peter Shore, British M.P.
9/4/1971 Far Eastern Economic Review East Pakistan: the avengers
9/4/1971 Los Angeles Times East Pakistan leaders sworn in
9/11/1971 Far Eastern Economic Review Pakistan, a little hope
9/19/1971 Los Angeles Times Agha Khan Yields on Constitution
9/23/1971 New York Times Bengali refugees say soldiers continue to kill, loot and burn
9/25/1971 Far Eastern Economic Review Fighters of Darkness
October 1971
10/6/1971 Los Angeles Times Pakistan Tells U.N. of Acts of War by India
10/10/1971 The Sunday Times Pakistan: The propaganda War Page 1, Page 2
10/14/1971 New York Times Horrors of East Pakistan turning hope into despair
10/17/1971 New York Times The grim fight for Bangla Desh
10/18/1971 The Guardian Dhaka Guerillas start offensive
10/24/1971 New York Times Pakistan offers seized TV films
10/26/1971 The Sunday Times Stop the slaughter
November 1971
11/5/1971 New York Times Wave of Sabotage in East Bengal as border tension rises
11/9/1971 New York Times Bengal Guerillas set up number of assassinations and bombings
11/13/1971 Los Angeles Times Rogers Fears Indo-Pakistan War Soon
11/13/1971 Far Eastern Economic Review India-Pakistan: UNDECLARED WAR
11/16/1971 Los Angeles Times India, Pakistan May Go to War Over East Bengal–and Add to the Suffering
11/17/1971 New York Times East Pakistan town after raid by army
11/20/1971 Far Eastern Economic Review Faith in Bengal’s Fighters
11/21/1971 New York Times Razakars: Pakistani group helps both sides
11/27/1971 Los Angeles Times Jessore May Hold Key to Pakistani Outcome
11/27/1971 Los Angeles Times U.S. Says It Is Trying to Ease Crisis
11/27/1971 Los Angeles Times Heavy Pakistan Fighting reported
December 1971
12/4/1971 New York Times Mrs. Gandhi’s statement
12/6/1971 New York Times The wringing of hands
12/7/1971 New York Times Dacca listens and waits
12/9/1971 New York Times Bengalis dance and shout at liberation of Jessore
12/9/1971 New York Times Pakistan’s holy war
12/10/1971 New York Times India reports foe in rout in East as encirclement of Dacca gains
12/10/1971 The Harvard Crimson Pakistanis Retreat to Dacca
12/10/1971 The Evening Star (Washington) Jubilant Begalis celebrate freedom
12/12/1971 New York Times The crucial fact is that Pakistanis are hated
12/15/1971 New York Times Forces closing in
12/15/1971 Washington Post Witness called E. Pakistan terror beyond description
12/16/1971 New York Times Bhutto denounces council and walks out in tears
12/16/1971 New York Times Text of message from General Manekshaw to General Niazi
12/16/1971 New York Times Bombing is halted
12/16/1971 The Times of London Pakistani General, near to tears, signs at racecourse ceremony
12/16/1971 The Times of London Parliament’s joyful ovation for Mrs. Gandhi
12/17/1971 New York Times 2 men at a table; march to Dacca
12/17/1971 New York Times In Dacca killings amid the revelry
12/17/1971 New York Times Statements by Mrs. Gandhi on truce and surrender
12/17/1971 New York Times The surrender document
12/19/1971 New York Times 125 slain in Dacca area believed elite of Bengal
12/20/1971 New York Times Not to be forgotten
12/21/1971 New York Times A village ablaze, a blown bridge
12/22/1971 New York Times Who knows how many millions have been killed
12/29/1971 New York Times Guerrillas seek lost relatives
12/29/1971 New York Times Hindu refugees return, find ruins in East Pakistan
12/30/1971 New York Times A day of terror for 50,000 Bengalis
January 1972
1/3/1972 New York Times A journalist is linked to murder of Bengalis
1/6/1972 New York Times Texts of secret documents on top level US discussions of Indian-Pakistani war
1/9/1972 Daily Telegraph Sheikh Mujib flies in and sees Heath
1/9/1972 New York Times Backstage with the crisis managers
1/10/1972 Daily Telegraph Yahya Khan accused of sex orgies
1/10/1972 Washington Post The killings at Hariharpara
1/11/1972 New York Times Sheik Mujib home
1/14/1972 New York Times Text of memo on Indian-Pakistan war
1/16/1972 New York Times Hindu refugees back in Dacca find themselves without homes
1/18/1972 New York Times Bengali wives raped in war are said to face ostracism
1/23/1972 New York Times ‘I’m alive!’ is still big news
1/24/1972 New York Times Bengalis land a vast cemetery
1/30/1972 Washington Post Bengalis bodies found
February 1972
2/5/1972 New York Times US sent arms to Pakistan despite pledge to Congress
March 1972
3/5/1972 New York Times Killing of babies feared in Bengal
3/18/1972 New York Times India opens way for Dacca trials
3/22/1972 Washington Post UN asked to aid Bengali abortions
May 1972
5/12/1972 New York Times Dacca raising the status of women while aiding rape victims
July 1972
7/23/1972 New York Times The rapes of Bangladesh
ধন্যবাদ GoodWishes............
আপনার সংক্ষিপ্ত পরিসরের তথ্যবহুল পোষ্টিংটির জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ। এ পোষ্টিংটিতে কিছুটা হলেও আমাদের দেশের তখনকার দিনের ভয়াবহ পরিস্হিতি আঁচ করা যাচ্ছে। ভাল থাকুন.............
সবাই ভাল থাকুন,
সুস্হ থাকুন,
সুন্দর থাকুন-
-হৃদয়
ভারতীয় রাজাকার হ্রিদ_চোঙ্গাওয়ালা !
তোর এই উচু দরের কথাবার্তা ভারতীয় দুতাবাস অথবা পিনাকের বাসায় মানাবে এই ই-মেলা বোর্ডে " জাতীয়তাবাদীরা চোর, তারেক জিয়া চোর , কোকো চোর জ়িয়ার ভাঙ্গা সুটকেস এর ইমেজ বিক্রি করে খালেদা জিয়া অনেক টাকার মালিক হয়েছে এই গুলি এখন আর পাবলিক খাবেনা। যেদেশের চদাবাজীর মামলার আসামী হয়ে প্রধানমন্ত্রী নিজের মামলা ক্ষমতা প্রয়গ করে খারিজ করে নেয় , সাধারন জনগনের নজর ওই দিকেই থাকবে।
প্যালেষ্টাইনী জনগন ফাল্লাচির মুখে থুতু দেয়ঃ হাসান ভাইকে
ধন্যবাদ। অসাধারন ধর্য্যেরর সাথে লেখাটি লেখবার জন্যে। শেখ মুজিবকে জানবার জন্য যাদের যাদের গবেষনা কেবল এই ধরনের সাক্ষাতকারের অন্বেষণ, তাদের নিয়ে কিছু না বলাই ভাল। তাও ভাল, মুজিব বা ১৯৭১ সালের সম্পর্কে জ্ঞান নেবার জন্য, "ওয়াজ" শুনা বাদ দিয়ে পড়াশুনায় মন দিয়েছে, সেটাও একটা ইম্প্রুভমেন্ট।
ভাল থাকবেন।
৩০ লক্ষ মানুষের আত্নত্যাগ,
৩০ লক্ষ মানুষের আত্নত্যাগ, এটা একটা ডাহা মিথ্যা তথ্য।
১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে প্রকৃতপক্ষে কত জন শহীদ হয়েছে তার কোন জরিপ করা হয়নি। ৩০লক্ষ সংখ্যাটি অনুমান নির্ভর।
যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের সাথে সাথে মুক্তিযুদ্ধে প্রকৃতপক্ষে কত জন শহীদ হয়েছে তার একটি নিরপেক্ষ তদন্ত হোক। এর কারন, ইতিহাস মিথ্যা তথ্য ধারণ করতে পারে না।
ইতিহাস সাক্ষ্য দেয় জিয়ার ন্যায় তরুনেরা জীবন বাজি রেখে যুদ্ধ করেছিলো, মুজিবের কথায় মুক্তিযুদ্ধ শুরু বা শেষ কোনটিই হয় নি, উনি পাকিস্থানের কারাগারে ছিলেন।
Save Bangladesh: No more farakka
Never 30 lakhs but only 3 lakhs, stupid Mujib's mistranslated !!
When ask by journalist the nos of casualties of 1971 , our great thug leader said 3 million because he did not know the exact translation of 3 lakh hence he said three million and how will he know, his background has been full of thuggery,corruption and killing.
Mujib did not realize and to the surprise of the hypocrite Kamal Hossian that 3 million means 30 lakhs.
But since these perverts, atheist worshipers are blind and stupid they, with their utmost royalty to the illiterate leader tries time and again to establish the false nos which is outright ludicrous.
9 months 30 lakhs means more than 30 thousand a months or one thousand everyday of 9 month!!what a joke !!Awami style shameless propaganda.
EVEN ONE HUNDRED CASUALTY IN 1971 IS A CRIME OR GENOCIDE !!BY FAKING NOS TO DEFEND WORSHIPED LEADER IS A GROSS DISRESPECT TO THE HERO'S OF INDEPENDENCE.
bd08 নাকি পাকি হানাদার ০৮??
'৩০ লক্ষ মানুষের আত্নত্যাগ, এটা একটা ডাহা মিথ্যা তথ্য' - বুঝার কি কোন উপায় আছে যে এটা একজন বাংলাদেশীর উক্তি না পাকি হানাদার বা তার দোসরের উক্তি?? This is nothing but insulting the martyrs. শেখ মুজিব আর আ'লীগের সমালোচনা করতে গিয়ে এসব নির্বোধ মুক্তিযুদ্ধ, মুক্তিযোদ্ধাদের তামাশায় পরিনত করতেও পিছপা হয়না। বুঝতে কষ্ট হয়না যে এদের কাছেই মুক্তিযুদ্ধ হলো গন্ডগোলের বছর।মুজিবের নাম শুনলেই পাক হানাদার আর এসব দোসরদের এলার্জি হয়; কারন উনার কারনেই তো 'ভাইয়ে-ভাইয়ে গন্ডগোল'!! এদেশীয় দোসরদের সমর্থকরা তাই দেশপ্রেমের ছদ্মাবরনে স্বাধীনতা যুদ্ধের বীর যোদ্ধা এবং নেতৃত্বকে অবজ্ঞা আর অসম্মান দেখিয়ে পরাজয়ের জ্বালা মেটায়। বলে, তদন্ত হোক কত মানুষ শহীদ হয়েছে!! How ungrateful, stupid & selfish a person can be!!!!
Look at the mirror ! abu jubaer is right!
Mujib and Awami goons left the country men suffer the wrath of criminal Bhutto and yahya khan's conspiracy.
Mujib clearly wanted to be PM of Pakistan , he never dreamt to liberate the country.
Mujib was such a stupid leader that people of Bangladesh 3lakh had to die for his stupidity.
Mujib was a communal activist, actively participated in the riot of Calcutta!! carried a big knife( eyewitness report).
Not liking Mujib or BAL doesn't mean Razakar!! but the honest opinion of all educated and patriotic people.
Now this same motherfuckers are trying to make BANGLADESH SIKKIM!!
Get that!! if you have any gratefulness or respect for the mother land.
বিডি গ্রুপকে
৩০ লক্ষ মিথ্যা হলে আপনারা নিজেরাই একটা সংখা আবিস্কার করে বিশ্বাস করতে শুরু করুন। মতিন সাহবের সাথে পরামর্শ করতে পারেন, আয়নার সামনে দাড়ালেই ত তাকে পাবেন। কে মানা করছে? তদন্তের দরকার কি?
আর তদন্ত চাইলে, মুজাহিদ-গোয়াযম-নিযামিদের নিয়ে একটা কমিটি বানান। তারা মেরেছে তাই তারাই যে সংখাটি বলবে সেটা ক্ষমতায় গেলে পাঠ্য বইয়ে তুলে দিবেন। স্বাক্ষি রাখবেন ইমাজুদ্দিন-মইনুলদের।
তদন্তের দরকার কি? আপনি ১৯৭১ নিয়ে কিসে বিস্বাস করেন বা না করেন তাতে কার কি আসে যায়?
শংখচিলের সাথে একমত নয়
একটি রিপোর্ট নিয়ে ব্যস্ত থাকার জন্য বেশ কিছুদিন ইমেলায় অনুপস্থিত ছিলাম।
৩০ লক্ষ সংখাটি
যাই হোক, এটা আপনি মানতে চাইছেন যে, ৩০ লক্ষ সংখাটি অনুমান নির্ভর। ইতিমধ্যে আমি অনেক প্রাইমারী স্কুলের বাচ্চাদেরকেও জিজ্ঞাসা করেছি, মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদসশের কতজন শহীদ হয়েছে। ৩০ লক্ষ সংখাটি তারা জানে, এটা এক বিশাল সংখ্যা। তাই তারাও আজকাল হাসে।
আপনি ১৯৭১ নিয়ে কিসে বিস্বাস করেন বা না করেন তাতে কার কি আসে যায়?
উত্তর, অবশ্যই যায় আসে। আন্তর্জাতিক পত্রিকাগুলো ঘাটছি, ওখানে কোথাও লিবারেশন কথা নাই, আছে পাকিস্তানে সিভিল ওয়ার শুরু হয়েছে। এইটাই ইতিহাস। এই সিভিল ওয়ারকে আমরাই মুক্তিযুদ্ধ নাম দিয়েছি। য়ার সিভিল ওয়ারটা শুরু হয়েছিলো তৎকালীন রাজনৈতিক নেতাদের ব্যর্থতার কারনে। এখানে ভুট্টো ও মুজিববের রাজনৈতিক অদুর্দশীতা ও ক্ষমতা লোভি হিসাবে প্রকাশিত হয়েছে।
আমি জানি, আজকের আওয়ামি লিগ মুজিবকে নাবী বা খোদার চেয়ে বড় হিসাবে দেখে থাকে, বা পুজা করে। ইতিমধ্যেই মুজিবের ছবিতে ফুলের মালা দেওয়া হয়। এটা খারাপ নীতি। আওয়ামী লীগের এই নীতি পরিবর্তন না করলে আগামীতে তার মুর্তি বানিয়ে সেখানে ফুল দিবে ।
কিন্তু ৭২-৭৫ সালের কিছু পেপার জোগাড় করেছি। তাই আমি মনে করি, বাংলাদেশের সবচেয়ে ঘৃণিত রাষ্ট্রনায়ক ছিলো মুজিব, মুজিব নিজেকে খোদাই মনে করতো ...এহেন মুজিবকে আওয়ামী লীগ মাথায় তুলে নাচুক, কেউ মানা করছে না। হাসিনা-রেহানারা এটা চায়।
দালালমুক্ত বাংলাদেশ চাই
আওয়ামী লীগকে ঘৃণা করুন, বাংলাদেশকে ভালোবাসুন।
ফারাক্কা সম্পর্কে নতুন প্রজন্মের কাছে তথ্য তুলে ধরুন।
টিপাইমুখে ভারতীয় বাধের প্রতিবাদ করুন।
মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উজ্জীবিত হোন,
ভারতীয় দালালদের বিরুদ্ধে অস্ত্র তুলে ধরুন।
Save Bangladesh: No more farakka
বিডি গ্রুপঃ আমার প্রতুত্তরঃ
রিপোর্ট নিয়ে আপনি ব্যস্ত থাকলেও, আপনার “চিন্তা জমজ” মতিন সাহেব সরব ছিলেন (এবং আছেন)। একই ভাষা, একি কথা অনর্গল একি বিদ্বেশ। আপনার অনুপস্থিতি একেবারেই বুঝা যায়নাই।
যাহোক, লিখেছেন আপনারা “আমার সাথে একমত নয়”। এটা আমার জন্য একটা সুখবর। কারন, আমি অপানাদের চিন্তাচেতনার সাথে এককাতারে না থাকাটাই শ্রেয় মনে করি।১৯৭১ নিয়ে আপনাদের সাথে আমার চিন্তা-মতাদর্শের পার্থক্যই আমার গর্ব।
আপনারা বরাবরি “বিদ্বেশ-ঘৃণা”র ব্যবসায়ি। তাই, খুব সহজেই অন্যকে ঘৃনা করার আহবান করেন।মতাদর্শ, ধর্ম, রাজনীতির কারনে যদি এক দল আরেক দলেকে ঘৃনা করতে শেখান, আপনাদের বাংলাদেশের ভবিষ্যতের ভিশন নিয়ে উতকন্ঠিত হবার যথেস্ট কারন আছে।
আপনাদের শ্লোগান “মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উজ্জীবিত হোন”. হাঃহাঃহাঃ আপনাদের বলা উচিত্ “সিভিল ওয়ারের” চেতনায় উজ্জীবিত হোন। আপনাদের উদ্দাত্ত আহবান “ভারতীয় দালালদের বিরুদ্ধে অস্ত্র তুলে ধরুন।“
একটু দাড়ান, শ্লোগানটা কোথায় যেন আগে শুনেছি?হ্যা মনে পরেছে, ১৯৭১ সময়কালের “সংগ্রাম” পড়লেই দেখবেন এই শ্লোগানটা কারা দিতেন। আবার সে যুদ্ধের “রিপ্লে” দেখতে চান? হলে কিন্তু ফলাফল একই হবে, তবে এবার আর “সাধারন ক্ষমা” জাতিয় কোন ব্যপার থাকবেনা।
নোটঃ ভাল থাকবেন। আপনাদের পোস্ট গুলিই জানান দেয় কি আপনারা কি ভীষন “hatefull personality”।হয়তবা ব্যক্তিজীবনে আপনারা সদয়-সজ্জন (এবং আমার বিশ্বাস সেটাই সত্য), কিন্তু যেহেতু আমরা সহজে কেউ কাউকে ব্যক্তিগতভাবে চিনিনা,সবার লেখাগুলোই আমাদের আপাত পরিচয়।
শংখচিলকে
আপনার কথার মধ্যে সেই প্রচলিত ধারায় সুস্পষ্ট হয়ে উঠেছে, আপনার কথা হলো আওয়ামী লীগ না করলেই রাজাকার ।
আমার সুস্পষ্ট কথা আপনার এই ধারনা ভুল। এটা আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক প্রডাক্ট। কারন আওয়ামী লিগ দেশ স্বাধীন করেনি, আওয়ামী লীগ দেশ স্বাধীনের জন্য কোন আন্দোলন বা আলোচনা কোনটিই করেনি।
১৯৭০ সালে নির্বাচন হয়েছে, কিন্তু অনেকেই জানে না সেটা জরুরী আইনের আওতায়। জরুরী আইনের আওতায় নির্বাচনের মাধ্যমে পাকিস্তানে গনতন্ত্র প্রতিষ্টা করতে চেয়েছিলো তদকালীন রাজনৈতিক নেতারা।
জরুরী আইনে গনতন্ত্র প্রতিষ্টা করা যায় না।
এবার আসা যাক জামাত সম্পর্কে।
আপনাকে মনে রাখতে হবে, আপনি ৭১ দেখেছেন, আমরা দেখি নি। এবং আমরা দেখতে পারছি ৭১ এর ইতিহাস নিয়ে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির কোন্দল । এমতাবস্থায় আপনি আমাকে রাজাকার বললে বুঝতে হবে আপনি পরাজিত হয়েছেন। কারন, দেশ প্রেমিক মুক্তিযোদ্ধারা দেশ স্বাধীন করেছে, বাক শাল বা আওয়ামী তন্ত্র প্রতিষ্টার জন্য নয়। বরং নতুন প্রজন্মদেরকে মুক্ত ভাবে চিন্তা এবং জানতে দিন।
জামাত অখন্ড পাকিস্তানের স্বার্থে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের বিপক্ষে অস্থ্র নিয়ে রাজাকারগিরি করেছে। আরো স্পষ্ট করে বললে বলা যায়, ইসলাম ছিলো এদের ভিত্তি। একই সাথে চীনপ ন্থী কমুনিষ্টরাও স্বাধীনতার বিপক্ষে ছিলো (শোনা কথা)। যাই হোক, জামাতীরা সবাই এই দেশেই জন্ম গ্রহনকারী। কাজেই স্বাধীনতার পর এদের অবস্থান কি হবে, সেটা আমাদেরকেই ঠিক করতে হবে।
দেখুন আজ হামিদ কারজাই তালেবানদেরকে রাজনীতি পুর্নবাসন করতে চাইছে। ঠিক একই ভাবে জামাতীরা দলগতভাবে বাংলাদেশের স্বাধীনতা মেনে রাজনীতি করলে আমি এতে বিস্মিত হয় নি, বরং এটিই সমাধান।
আর যারা ব্যক্তিগত পর্যায়ে অপরাধ করেছে তাদের বিচার তো আমরা চাইছি, কিন্তু আওয়ামী লীগ তাল বাহানা করছে।
আরেকটি কথা, মঈনের শাসনামলে হাইকোর্টের রায়ে বিহারীদের বাংলাদেশী ঘোষনা দেওয়া হয়েছে। এখন এদেরও বাংলাদেশের সং বিধান অনুযায়ী রাজনীতি করার অধিকার আছে। এদেরকে আপনি বিহারী বাংলাদেশী (অনেকটা বাংলাদেশী আমেরিকান) বলতে পারেন। আমার আপত্তি নেই। কিন্তু তারা অবশ্যই বাংলাদেশের সাংবিধানিক অধিকার পাবে।
বাংলাদেশ এখন স্বাধীন দেশ। বাংলাদেশের প্রথম সরকারের উচিত ছিলো পাকিস্তানের কাছ থেকে আমাদের পাওনা গুলো কড়াই গণ্ডাই বুঝে নেওয়া। সেটা পারে নি মুজিব সরকার। কিন্তু আমাদের মুক্তিযোদ্ধারা তারই অনুপস্থিতিতে পাকিস্তানীদের পরাজিত করেছে। একই সাথে ইন্ডিয়া আমাদের সাহায্য করেছে বুন্ধ প্রতিম রাষ্ট্রের জন্য নয়, তারাও রাজনীতি করেছে।
পাকিস্তান ২৫ বছরে কত বৈষম্য করেছে? তার একটি হিসাব তুলে ধরুন। অথবা লিংক দিন।
আর ভারত একাই ফারাক্কা বাধের জন্য বাংলাদেশের উত্তর এলাকা মরুভুমিতে রুপ নিয়েছে...এর মাত্রা কেমন দাঁড়াবে ...একই সাথে মনে রাখবেন মাওলানা ভাসানী ফারাক্কা বাধে বিরুদ্ধে লং মার্চ করেছিল, ইতিহাস তাই বলে। মুজিব সরকার কি ভাসানীর আন্দোলনের কথা ভুলে দিয়েছিলো?
জাতীয় স্বার্থে ভারতের বিরুদ্ধাচরণ করার মানেই এই নয় আমি ৭১ এর জামাতি রাজাকার। আওয়ামী লিগের মন্ত্রীরা টিপাই মুখে বাধ নিয়ে যে সব কথা বলেছে ...এটা আমেরিকা, কানাডা মত উন্নত দেশ হলে তার চাকুরী থাকতো না। মন্ত্রীদের কন্ঠে পিনাকের সুর শোনা যায়। এখন এদের বিরুদ্ধাচারন মানে আমি ৭১ এর জামাতি রাজাকার। তাহলে বুঝবেন আপনি পরাজিত হয়েছেন।
জাতীয় স্বার্থে (ভারতিয়) দালালদের মুখোশ উন্মোচনের জন্য বাংলাদেশীরা প্রস্তুত। এই ক্ষেত্রে জামাত এগিয়ে এলে তাদেরকেও welcome জানানো হবে। টিপাইমুখে বাধ যদি রাজনৈতিক ইস্যু না হয় তবে কি হাসিনাকে বিষ খাওয়ানো রাজনৈতি ইস্যু, নাকি আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আছে কাজেই কোন আন্দোলনের দরকার নেই?
হ্যা, যে কথার জন্য এত কথা। ১৯৭১ এর মুক্তিযুদ্ধে ৩০ লক্ষ লোক শহীদ হয়েছে এটা অনুমান নির্ভর সংখ্যা, আদৌ কোন জরিপ হয়নি। (একেবারে ডাহা মিথ্যা) এবং এই সংখ্যাটি মুজিব নিজেই বলেছে, কাজেই মুজিব দায়িত্বশীল সরকার প্রধান ছিলেন না। মুজিব সরকার পরিচালনায় একেবারে ব্যর্থ, চরম ব্যর্থ। মুজিব একজন মানুষ ছিল, কোন ফেরেস্তা বা নবী ছিলো না। তাকে পুজা করার কিছুই নেই। তার সমালোচনা প্রযোজ্য। হাসিনা আইন করে মুজিবের সমালোচনার উপর বিধি নিষেধ করতে পারেন, কিন্তু মিথ্যুক, নির্লজ্জ হাসিনার কথা কেঊ শুনবে না।
Save Bangladesh: No more farakka
জাতীয় স্বার্থে (ভারতিয়)দালালদের Listing from 1971 from Pakistan
We are listing this from 1971 from Pakistani
আমাদের বিশ্বাস, সেদিন যুবকেরা আমাদের সশস্ত্র বাহিনীর পাশাপাশি দাঁড়িয়ে হিন্দু বাহিনীকে পর্যুদস্ত করে হিন্দুস্তানকে খতম করে সারা বিশ্বে ইসলামের বিজয় পতাকা উড্ডীন করবে।" Nizami
I can mention a lot of quote from 1971
বিডি গ্রুপকেঃ একান্ত উত্তর
বিডি গ্রুপঃ আপনার কথার মধ্যে সেই প্রচলিত ধারায় সুস্পষ্ট হয়ে উঠেছে, আপনার কথা হলো আওয়ামী লীগ না করলেই রাজাকার ।
উত্তর : না। আম্লিগ করেন না এমন দেশপ্রেমিক মুক্তিযোদ্ধার অভাব নাই। তবে, আপনি সে প্রজাতির কিনা, সেটা নিয়ে বিতর্ক থাকতেই পারে। আর জামাত=বিএনপি বিরোধি হলে কোন হিসাবে উনি আম্লিগে পরিনত হন আপনার চোখে সে ব্যক্ষা শোনা যাক আগে?
বিডি গ্রুপঃ কারন আওয়ামী লিগ দেশ স্বাধীন করেনি, আওয়ামী লীগ দেশ স্বাধীনের জন্য কোন আন্দোলন বা আলোচনা কোনটিই করেনি।
ঃ আপনার আরো পড়াশোনার দরকার আছে। ওয়াজ শুনে ইতিহাস শেখা যায়না।
বিডি গ্রুপঃ ১৯৭০ সালে নির্বাচন হয়েছে, কিন্তু অনেকেই জানে না সেটা জরুরী আইনের আওতায়। জরুরী আইনের আওতায় নির্বাচনের মাধ্যমে পাকিস্তানে গনতন্ত্র প্রতিষ্টা করতে চেয়েছিলো তদকালীন রাজনৈতিক নেতারা। জরুরী আইনে গনতন্ত্র প্রতিষ্টা করা যায় না।
ঃ তাই নাকি? আপনি ১৯৪৭ এর পর থেকে আমাদের ধারাবাহিক স্বাধিকার আন্দোলন সম্পর্কে এই জানেন? জরুরি আইনে গনতন্ত্র প্রতিস্টা করা যায়না, কিন্তু “জংলি মার্শ্ল” দিয়ে একজন সেনাপতি উর্দি পরে প্রেসিডেন্ট হয়ে “গনতন্ত্র” প্রতিষ্ঠা করা যায় বুঝি?
বিডি গ্রুপঃ এবার আসা যাক জামাত সম্পর্কে। আপনাকে মনে রাখতে হবে, আপনি ৭১ দেখেছেন, আমরা দেখি নি।
ঃ তাতে কিছু আসে যায়না। আমি পাকিস্থান বিভাগ দেখিনি, তাই বলে আমি সেদিনের ইতিহাস জানিনা? কবে জন্মালেন বড় ব্যপার নয়, কি জানলেন সেটাই মুখ্য।
বিডি গ্রুপঃ এবং আমরা দেখতে পারছি ৭১ এর ইতিহাস নিয়ে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির কোন্দল ।
ঃ সেই কোন্দলে আপনি সানন্দে এক পক্ষে জয়েন করছেন, এবং সেই কোন্দল জিয়ে রাখার একজন আগ্রসেনা।
বিডি গ্রুপঃ এমতাবস্থায় আপনি আমাকে রাজাকার বললে বুঝতে হবে আপনি পরাজিত হয়েছেন। কারন, দেশ প্রেমিক মুক্তিযোদ্ধারা দেশ স্বাধীন করেছে, বাক শাল বা আওয়ামী তন্ত্র প্রতিষ্টার জন্য নয়। বরং নতুন প্রজন্মদেরকে মুক্ত ভাবে চিন্তা এবং জানতে দিন।
ঃআমি আপনাকে কেন জামাতের সবাইকেই রাজাকার বলিনা। (খুব বেশি হলে, রাজাকারদের মতাদর্শি হতে পারেন।) আমার এ ব্যপারে সুস্পস্ট অবস্থান আছে। যাহোক, আপনি নিজেই কিন্তু মুক্তচিন্তার পথ পরহার করে, টানেল ভিশনকে নিজের ভিশন বানিয়েছেন। মুক্ত চিন্তা করুন, কাউর আপত্তি নাই, সাধুবাদ রইল।
বিডি গ্রুপঃ জামাত অখন্ড পাকিস্তানের স্বার্থে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের বিপক্ষে অস্থ্র নিয়ে রাজাকারগিরি করেছে। আরো স্পষ্ট করে বললে বলা যায়, ইসলাম ছিলো এদের ভিত্তি।
ঃ মোটেও না। ইসলাম যদি ভিত্তি হোত, জামাত পাকিস্থান বিভাগের সময়ও জিন্নাহর বিরোধিতা করতনা। ইসলাম তাদের একটা বাহানা, ইসলাম রক্ষার করার জন্য কেউ নিজ্ দেশের মুসল্মান ভাই-বোনদের বিদেশি হত্যাকারিদের সাথে হাত মেলায় না। আর সেটাই যদি ইসলাম হয়, আমার কিছু বলার নাই।
বিডি গ্রুপঃ একই সাথে চীনপ ন্থী কমুনিষ্টরাও স্বাধীনতার বিপক্ষে ছিলো (শোনা কথা)।
ঃ নতুন প্রজন্ম শোনা কথা কেন, মুক্তচিন্তা আর পড়াশুনা করুন। কিছু লোকের ওয়াজ শুনে ত ইতিহাস শেখা যায়না বা মুক্তবুদ্ধি জন্মায় না।
বিডি গ্রুপঃ যাই হোক, জামাতীরা সবাই এই দেশেই জন্ম গ্রহনকারী। কাজেই স্বাধীনতার পর এদের অবস্থান কি হবে, সেটা আমাদেরকেই ঠিক করতে হবে। দেখুন আজ হামিদ কারজাই তালেবানদেরকে রাজনীতি পুর্নবাসন করতে চাইছে। ঠিক একই ভাবে জামাতীরা দলগতভাবে বাংলাদেশের স্বাধীনতা মেনে রাজনীতি করলে আমি এতে বিস্মিত হয় নি, বরং এটিই সমাধান।
ঃ আমি নির্দিষ্ট ভাবে “জামাতিদের” রাজনৈতিক অধিকার কেড়ে নেয়ার বিপক্ষে।তবে, জেনেরিকালি যদি ধর্মিয় রাজনীতি বন্ধ করার ঐক্যমত আসে, আমি তার পক্ষে। এটা আমার পুরাতন অবস্থান।
বিডি গ্রুপঃ আর যারা ব্যক্তিগত পর্যায়ে অপরাধ করেছে তাদের বিচার তো আমরা চাইছি, কিন্তু আওয়ামী লীগ তাল বাহানা করছে।
ঃ তাই নাকি? তাহলে, কোল থেকে নামিয়ে, আপনারা রাজাকারদের বিচারের জন্য আলাদা আন্দোলন গড়ে তুছেন না কেন? স্বাধিনতাতে যদি আম্লিগের কোন অবদান না থাকে, রাজাকারদের বিচারের দায় তাদের হাতে তুলে দিচ্ছেন কেন? নিজেরা তুলে নিন।
ঃবিহারিদের ব্যপারে আপনার সাথে আমার কোন বিরোধ নাই।
বিডি গ্রুপঃ বাংলাদেশ এখন স্বাধীন দেশ। বাংলাদেশের প্রথম সরকারের উচিত ছিলো পাকিস্তানের কাছ থেকে আমাদের পাওনা গুলো কড়াই গণ্ডাই বুঝে নেওয়া। সেটা পারে নি মুজিব সরকার।
ঃ হ্যা, সেটাকে যদি ব্যর্থতা বলেন, আমি মেনে নিতে পারি। আশা করি জানেন, নতুন জন্ম নেয়া দেশটিকে তখনো চীন, মধ্যপ্রাচ্যের অনেক দেশ সহ অনেকেই স্বিকৃতি দেয়নাই। ১৯৭৫ সালে ৪ বছেরের মাথায় মুজিব সরকারের পতন হয়। এরপর আপনার প্রিয় দলগুলি এ ব্যপারে কি করছে একটু জানাবেন?
বিডি গ্রুপঃ কিন্তু আমাদের মুক্তিযোদ্ধারা তারই অনুপস্থিতিতে পাকিস্তানীদের পরাজিত করেছে। একই সাথে ইন্ডিয়া আমাদের সাহায্য করেছে বুন্ধ প্রতিম রাষ্ট্রের জন্য নয়, তারাও রাজনীতি করেছে।
ঃ সত্য। তবে, মজিবের নামেই সে যুদ্ধ হয়েছে কেন সেটা বুঝবার আপনার দরকার নাই। ভারত তার স্বার্থেই আমাদের সাহায্য করছে সত্য, কিন্তু সে সাহায্যটি না করলে, আমাদের কি হত সেটাও ভাবতে হবে।
বিডি গ্রুপঃ জাতীয় স্বার্থে ভারতের বিরুদ্ধাচরণ করার মানেই এই নয় আমি ৭১ এর জামাতি রাজাকার।
ঃ না তা নন এবং কেউ সেটা বলছেনা। তবে সারাক্ষন, ভারত বিরোধি কথা বলা ছাড়া কোন প্রসঙ্গেই লেখতে পারেন না বলে অনেক সময় জেনারাইজ্ড রিয়েকশন পান। আর আপনার লেখা পড়ে মনে হোল, আপনাকে কেউ যদি “জামাতি রাজাকার” বলে ভুল বুঝে, তাতেও আপুনার খুব বেশি মর্মাহত হবার কথা নয়।
(আপনার বাকি অংশ পল্টনি লেকচার, বহুবার পঠিত বলে উত্তর দেবার দরকার বোধ করছিনা)।
৭০ সালে নির্বাচন হয়েছে, But this election is dead body Pakistan
৭০ সালে নির্বাচন হয়েছে, কিন্তু অনেকেই জানে না সেটা জরুরী আইনের আওতায়
But this election is dead body peeparation of Pakistan.
Because Sheikh Mujib win in East Pakistan.Pakistan Lover Rajakar No Seat.
Shonkhochil কে, ওয়াজ শুনে ইতিহাস শেখা যায়না।
হ্যালো,
আজ সেক্টর কমান্ডোরাও বিভিন্ন ওয়াজ দেন।
তা আপনার ওয়াজটা শুনি।
আমি কিন্তু একটা কথা বার বার বলি।
মঈনের শাসনামলের শেয দিকে, এক মুক্তিযোদ্ধাকে কোন এক জামাতি পিছন থেকে লাথি মেরেছিলো। প্রথম আলু, ৭১ চেতনাধারী সুশীলেরা মিডিয়া গরম করে ব্যবসা করে কিছু কামিয়ে নিলো। সেক্টর কন্ডারা অগ্নিমুর্তি ধারন করলো। আশা করি, মনে পড়েছে।
কথাটি বলি, আমি এই রুপ লাথিকে জামাতী লাথি বলি।
হাসিনাকে যদি এমন একটি লাথি দেওয়া যেত, কিংবা কথায় কথায় ৭১ এর চেতনার কথা বলে মুখে ফেনা তুলে যুদ্ধ না করেও চেতনাধারী পাইকারী, খুচরা ব্যবসায় নিজে তুলে ধরে, এদের একে একে এখন জামাতী লাথি দেওয়া উচিত।
ওয়াজ শুনে ইতিহাস শেখা যায়না। তবে কি সাজেদা দাদীর কাছ থেকে ওয়াজ নিতে হবে, বিষ পানে হাসিনার আত্মহত্যা।
ওয়াজ শুনে ইতিহাস শেখা যায়না। তাই বুঝি, চেতনাধারীরা ৭১-এর চিঠি প্রকাশ করেছে।
ওয়াজ শুনে ইতিহাস শেখা যায়না। আওয়ামী লীগ সবগুলো তো এখন হাসিনার ওয়াজের অপেক্ষায় থাকে।
মুজিবের এক দলীয় শাসন ব্যবস্থা বা বাকশাল আধুনিক বিশ্বে অচল মুদ্রা। বহুদলীয় গনতন্ত্রই আধুনিক বিশ্ব-রাজনীতির মডেল। আওয়ামী লীগের দাদাদের দেশ ভারতেও বহুদলীয় গনতন্ত্র, মুজিবের বাকশালের জন্য ইন্দিরা গান্ধী, বা মন মোহন সিং পাগল হয়ে পড়েনি।
ডাব পাকলে নারিকেল হয়,
আওয়ামী লীগ পাকলে বাকশাল হয়।
মুজিব-প্রজন্ম বা বাকশালী-প্রজন্ম নিভু নিভু করছে ...কাজেই আধুনিক বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখুন। আওয়ামী লীগের ডিজিটাল রুপী বাকশালীদের পতন এখন সময়ের ব্যাপার।
Save Bangladesh: No more farakka
বিডি গ্রুপকে, ওয়াজ শুনে ইতিহাস শেখা যায়না।
পড়াশুনা করুন। আপনার রাজনীতি ইতিহাস বিষয়ে জ্ঞান গরিমার অবস্থা বড় করুন!! ওয়াজ শুনে ইতিহাস শেখা যায় না! বয়স কম (!)বলে কম জানবেন, এটা কোন কথা নয়।
বাকশাল ১৯৭৫ সালে শেষ, এবার অন্য কথা বলুন। আপনি এখনও ১৯৭৫ সালেই আছেন।
আমার প্রশ্নের একটাও প্রতুত্তর দিতে পারন নাই। আমি আম্পনার প্রতিটি পয়েন্টের উত্ত্রর দেবার চেস্টা করছি।
হায়রে নতুন প্রজন্মের ভেক ধারি। রাগের মাথায় একি প্রলাপ। লেখা দেখলে ত মনে হয়, মান্দধাত্তা আমলের বাতিল পলেটিশয়ান্দের চামচা, যে তোতা পাখির মত একি কথা বারে বারে বলেন। বাকশাল-বাক্সাল বলে চিল্লান, সে যুগ ত নাই!আম্লিগ নিজেই বাকশালের প্রসংগ তুলে না, আর আর আপনি এখন সেই মোডে আছেন।
সাহস থাকলে আমার আগের পোস্টের প্যেন্ট টু পয়েন্ট উত্তর দিবেন। উত্তর জানা না থাকলে আপনার ভারত-জামাত-হাসিনা-সাজেদা টাইপের চা-দোকানের আলাপ নিয়েই ব্যস্ত থাকুন হে আধুনিক নতুন প্রজন্ম!!!
খোদা হাফেয।
Fallaci was a racist, anti-Islamist controversial journalist....
Mr Zubaer, the way you presented Oriana Fallaci & try to establish her as the greatest journalist is really clever & intentional. How could you hide her controveries!! After retirement, she returned to the spotlight after writing a series of articles and books critical of Islam and Arabs that aroused both support as well as controversies and accusations of racism and intolerance. she received much public attention for her controversial comments on Islam and European Muslims.
In 2002 in Switzerland the Islamic Center and the Somal Association of Geneva, SOS Racisme of Lausanne, along with a private citizen, sued her for the allegedly "racist" content of The Rage and The Pride.[13][14] In November 2002 a Swiss judge issued an arrest warrant for violations of article 261 and 261 bis of the Swiss criminal code and requested the Italian government to either try or extradite or prosecute her (Source: Wikipedia).
Can I ask what was her role during our Liberation war? What was her reaction against the Pak army's brutality? '...বাইশ বছর বয়সে মুজিব হাইস্কুলের পড়াশোনা শেষ করেছেন। আওয়ামী লীগ সভাপতির সচিব হিসেবে তিনি রাজনীতিতে প্রবেশ করেন। এছাড়া আর কিছু করেননি তিনি।...' What? So who was arrested in 1948 during his study in Law for leading a black-flag demonstration against Jinnah on the issue of making Urdu as the State language??
Listen, He established his position in politics over some other great leaders with his courage, leadership & patriotism. So please don't try to confuse others. People of Bangladesh are always grateful to his contribution; because, in Farmer's word, 'we have One Mujib...'
Moulana Bhashani knew who was Mujib, not Fallaci
Poet, columist, reseacher Abu Zubaer researching hard to defame Mujib and came with Fallaci's partial interview. Does not he see what Moulana Bhashani did for Mujib?
Once Moulana went to free Sheikh, it means Mujib was important. We have lots of Zubaers but one Mujib.
Farmer, Moulana Bhashani knew who was Mujib
You are damn right to say that Moulana Bhashani knew who was Mujib. Bhashani came to know Mujib when his political rally was attacked in "Rupmahal Cinema" in Sadarghat and he himself was physically assaulted by the Mujib's goons. Of course there are lots of Zubaers who don't beat their (political) father but only one Mujib who did it.
thank you all
i like shekh mujib but i don't like pretension of mujibur rahman.he is a great national leader we must respect him.on the other hand we have to know the real history.this is our fundamental right.another thing is most of my family members are freedom fighter.this is not right way to attacked personally.this is not educative behavior.please respect other peoples opinion.
reseacher Zubaer, where is that imaginary "attack"?
Reseacher Zubaer, how comes you have only one journalist's partial interview in your research work, "to know real history"?
Respects go to your family for having FFs in it.
Where you saw the imaginary attack on you? If you are columist, you should know that people may read your columns and comment?
Or you are just a poet? You know, BD kids start writing poems from 7/8th grades?
So, where is Sheikh, he is in your poems, or in columns, or in your research work, or everywhere?
ফেল্লাচি বলেছিলো শেখ মুজিব ভুয়া এবং মেকী
ফেল্লাচি বলেছিলো শেখ মুজিব ভুয়া এবং মেকী
...মুজিব মেকী বলেই আজ মুজিবের অনুসারীরা বলতে পারে টিপাইমুখের জলাধার বাংলাদেশের জন্য আশির্বাদ,
এর থেকে লজ্জাস্কর কি আছে? দালালীর সীমা আছে, কিন্তু মুজিবাবাদীদের দালালীর সীমা নেই।
Some comments on Fallaci
I stated in my previous comment that she does not seem to be fair from Mr. Zubaer's blog. Here are some comments by other journalist -
Fallaci’s book, The Rage and the Pride, heavily criticizes many aspects of Islam and is vulgar, to say the least, in the manner in which it achieves its degrading criticism. Unlike Houellebecq’s and Rushdie’s novels, the text is a critique of Muslims in America and Europe. Her intolerance at the presence of Muslims in Italy, following the terrorist attacks in America, is immediately apparent. She writes: “I’m telling you that we have no room for muezzins, for minarets, for false teetotalers, for their fucking Middle Ages, for their fucking chador.”
- James McConalogue
July 2006
The Brussels Journal
Italian journalist Oriana Fallaci’s 2002 book The Rage and the Pride makes hardly any distinction between radical Islamic terrorists and Somali street vendors who supposedly urinate on the corners of Italy’s great cities. Christopher Hitchens, who described the book in The Atlantic as “a sort of primer in how not to write about Islam,” notes that Fallaci’s diatribes have all the marks of other infamous screeds about filthy, disease-ridden, sexually threatening aliens.
- Cathy Young
June 2006
Reason Magazine
Thanks for the reminding some history.
Thank you for opening the eyes of some blind BAL sopporters.
These type of info is very rare these days when the BAL has won the rigged election with the help of India and is in the verge of fabricating history in favour of thier party and the rejected leader who suffered severe unpopularity before his sad demise.
These BALS and its supporter are of various kind, one of these are very overt others are in disguise.
The publication of such information is very timely and I must congratulate you for this.
Typically Mujib's supporters will protest or try to skew this type of interview as bios and they get defensive and hence questions the neutrality of the Interviewer.
I was surprised to see how many perverts are in this page in different guise, very few braves are still making this a enjoyable site by upholding truth and slapping at the face of those perverts.
Bravo!
Keep it up !
মিঃ আবু যুবায়েরকে স্ট্রেঞ্জার
মুজিবের সাথে ফেল্লাচির এই সাক্ষাৎকারটি থেকে বেশ কিছু নতুন বিষয় জানলাম যা আগে জানতাম না। এই সাক্ষাৎকারের কিয়দংশ প্রকাশের জন্য আপনাকে ধন্যবাদ। স্বাধীনতা পরবর্তী মুজিবের চারিত্রিক পরিবর্তনের যে মুল্যায়ন তিনি করেছেন তার সাথে আমিও একমত। উল্লাস করে বিহারী এবং রাজাকার নিধনের কাহিনী আমি জানি, যা ছিল প্রতিশোধের এক ভয়ংকর রুপ। ফেল্লাচির রিপোর্টে এই ঘটনা যেভাবে চিত্রিত হয়েছে, পাকি/রাজাকারদের নির্মমতার চিত্র হয়ত সেভাবে চিত্রিত হয়নি যা মুজিবকে তার প্রতি আগে থেকেই বিক্ষুব্ধ করে রেখেছিল (সাক্ষাৎকারের বিবরনে তেমনটিই মনে হয়)। মুজিবের বুদ্ধিবৃত্তিক অক্ষমতার কারনেই তিনি রাষ্ট্র প্রধান হয়েও নিজের আর একজন সাংবাদিকের মাঝে সীমানাটি রক্ষা করতে পারেননি। এমনটি তিনি বহু ক্ষেত্রেই করেছেন। তবে মুজিবকে মৃত্যুদন্ডে দন্ডিত করা হইনি একথাটি ঠিক নয়। ফয়সালাবাদে ব্রিগেডিয়ার আব্দুর রহিমের সামরিক আদালতে মুজিবকে মৃত্যুদন্ড প্রদান করা হয় এবং এটা সব রেফারেন্সেই স্বীকার করা হয়েছে। তাছারা মুজিব-ভুট্টোর সমঝোতার যে স্পেক্যুলেশন তিনি করেছেন তাতে ফেল্লাচিকেও মুজিবের প্রতি একধরনের প্রতিশোধ পরায়ন বলে মনে হয়েছে। যদি আপনার পোস্টটি ঠিক ভাবে বুঝে থাকি, তবে তার মত ক্ষ্যাতিমান সাংবাদিকের এভাবে প্রিজুডিস হওয়াটা খুব উঁচু মানের সাংবাদিকতার পরিচয় বহন করে না।
আর আরেকটি কথা জানতে ইচ্ছে করছে, সেটা হল এই দীর্ঘ সাক্ষাৎকারের শুধু বাছাইকৃত মুজিবের চরিত্র বিষয়ক অংশটুকুই আপনি কেন লিখলেন? এ প্রশ্নের উত্তর না দিলেও চলবে। পুরো সাক্ষাৎকারটি যদি পোস্ট করেন তবে কৃতজ্ঞ থাকব।
Mr. Stranger.......কথিত ফেল্লাচি আর আবু যুবায়ের................
তালাকপ্রাপ্তা বিবির চোখে তালাক প্রদানকারী স্বামী কবে ভাল ছিল? বঙ্গবন্ধুর সাথে সাংবাদিক ফেল্লাচির সম্পর্কটা ঠিক এরকম হয়ে গিয়েছিল। উপস্হাপিত লেখার শেষ অংশ পড়লে যে কোন সচেতন মানুষেরই এ ধারনা হবে। ফলে কথিত ফেল্লাচি তার সাংবাদিকতার মহান পেশা ভূলে বঙ্গবন্ধুর কুৎসা রটনাকারী হিসাবে আর্বিভূত হয়েছে। সে তো সাংবাদিক নামের এক আর্বজনা। রাজাকার আর তার বংশধররা বঙ্গবন্ধুর বিরোদ্বে এসব আর্বজনাই খোঁজে, যাদের আয় নাই, রোজগার নাই, শুধু অন্যের দেয়া ২/১ হুইস্কির বোতলে কলম চলে।
আসলেই ফেল্লাচি নামের কেউ আদৌ আছে কি না। থাকলে, আসলেই বঙ্গবন্ধু সর্ম্পকে তার ধারনা এরকম কিনা, তাও আমাদের জানার বিষয়। জামাতী আর তাদের দোসর বংশধররা মিথ্যা আর বানোয়াট প্রচারে অভ্যস্হ।
====================================
সম্রাট আকবর একবার বীরবলকে ডেকে বললেন, "বলত এই শহরে কয়টি কাক আছে?"
জবাব এল, "নয় হাজার নয়শত নিরানব্বই টি।" সাথে যোগ হল, "যদি তার কম হয়, ত'হলে বুঝবেন কেউ অন্যের বাড়িতে বেড়াতে গিয়েছে; আর যদি বেশী হয়, মনে করবেন কেউ অন্য বাড়ি থেকে বেড়াতে এসেছে।" লক্ষ্যনীয়, বীরবলের জবাবে কোন সততা নেই, আছে ধূর্ততা। কারন, সে জানে শহরের 'কাক' নামের প্রাণীটিকে কেউ গুণতে যাবে না।
সবাই ভাল থাকুন,
সুস্হ থাকুন,
সুন্দর থাকুন-
-হৃদয়
মাননীয় এডিটর, আপনি আমার লেখার কিছু অংশ খেয়ে ফেলেছেন............
আসলে আমি বুঝাতে চেয়েছি যে, রাজাকার, বিএনপি, কথিত ফেল্লাচি, আর যুবায়েরদের চরিত্র একই। ওরা একজনের প্রয়োজনে আরেকজনকে খোঁজে, কাছে টানে।
সবাই ভাল থাকুন,
সুস্হ থাকুন,
সুন্দর থাকুন-
-হৃদয়
অজানা তথ্য
জুবায়ের সাহেবকে অজানা তথ্য দেবার জন্য ধন্যবাদ।
তবে কি মুজিবের আওয়ামী লীগের মতই মিথ্যাচারের অভ্যেস ছিলো ...