দীপু মনির নিষ্টাচার পিনাকের শিষ্টাচার / আবু জুবায়ের

abu_zubaer's picture
Posted by
abu_zubaer
Friday, July 3, 2009 - 1:03am BST

দীপু মনির নিষ্টাচার পিনাকের শিষ্টাচার / আবু জুবায়ের

কয়েকদিন আগে নিউইয়র্কের গণমাধ্যমের সাথে পররাষ্ট্র মন্ত্রী দীপু মনি জানালেন তসলিমা নাসরিনের দেশে ফেরার বিষয়ে সরকারের কোন আপত্তি নেই। ভারতের প্রসঙ্গে তিনি বলেছেন-
আমাদের তিনদিকেই ভারত সীমান্ত। এই হিসেবে আমাদের স্বার্থেই ভারতের সাথে সৌহার্দপূর্ণ সম্পর্ক প্রয়োজন। কারণ তাদের সাথে ব্যবসা বাণিজ্য সংস্কৃতি সহ বহুমাত্রিক সম্পর্ক রয়েছে। আর অমীমাংসিত বিষয়গুলোকে আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতার স্বার্থে মীমাংসা করে এই অঞ্চলের বিরাট সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে হবে।
সম্প্রতি তার উপস্থিতিতে ভারতীয় রাষ্ট্রদূত পিনাক রঞ্জনের বক্তব্যের বিষয়ে তিনি নীরব কেন ? প্রশ্ন করা হলে দীপু মনি বলেন, পররাষ্ট্র মন্ত্রীকে একজন দূতের বক্তব্যের প্রতিক্রিয়া দেয়ার প্রয়োজন নেই। বড়জোড় মন্ত্রণালয়ের ডিজি এর উত্তর দিতে পারেন।এই হলো দিপু মনি।বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রী।পৃথীবির ইতিহাসে বোধকরি এমন পরের রাষ্ট্রের মন্ত্রী খুজে পাওয়া দুস্কর।আর যাইহোক এই মন্ত্রীর নিয়োগ এর সুপারিশ কারক এই দেশের কোন মানুষ হতে পারে না।তিনি তার সামনে এদেশে কর্মরত বিদেশী কুটনীতিক যখন বলে উঠেন যে এদেশের কোন কোন মহল ভারত ফোবিয়া তৈরি করছে এবং সেটা মন্ত্রীর সামনে তখন দিপু মনির আসল চেহারা সকলের সামনে প্রকাশিত হয়ে উঠে।

বাংলাদেশের পরারাষ্ট্রমন্ত্রী ডা. দীপু মনি মনে করছেন প্রস্তাবিত টিপাইমূখ বাঁধ নিয়ে ভারতের হাইকমিশনার পিনাক রঞ্জন চক্রবর্তীর কথিত মন্তব্য হয়তো কূটনৈতিক শিষ্টাচার লংঘন করেছে।তিনি “তথাকথিত” এর উত্তর আনমনা উত্তর দিলেন হয়তোবা বলে।যেমন প্রেমিকের সাথে একটু মান অভিমান হলে প্রেমিকার কাছে কেউ যদি কিছু জানতে চায় কি হয়েছে তখন সে যেভাবে উত্তর দেয় “জানিনা” “কি জানি” “আমি কিছু বলতে পারবো না” “হয়তো বা” দিপু মনি যে এভাবে প্রেসকে সব কথা বলছেন সেটা এদেশের বড় পাগল আছে সেও বুঝতে পারে।
গত ২১শে জুন ঢাকায় পররাষ্ট্রমন্ত্রীর উপস্থিতিতে এক অনুষ্ঠানে ভারতের হাইকমিশনার টিপাইমূখ বাঁধের বিরোধীতার জন্য রাজনৈতিক দলগুলোর সমালোচনা করেন। টিপাইমুখের মত এত বড় সমস্যা নিয়ে কথা বলতে তিনি চান না ।তার দপ্তরের একজন ডিজি বক্তব্য দিলেই চলবে।এই ধরনের মানসিক ভারসাম্যহীন কথা বার্তা কতক্ষন সহ্য করে থাকবে এদেশের জনগন!তার এখন চিন্তা কিভাবে বিতর্কিত লেখিকা তাসলিমা নাসরিনকে এদেশে আনা যায়।তিনি এই সামান্য বিষয় নিয়ে কথা বলতে পারলেন কিন্তু তার সামনে এদেশের মানুষকে তথাকথিত বলে পার পেয়ে যাবে সেটা সহ্য করা যায় না।তিনি শুনলেন এবং দশদিন চুপ করে সব কিছু দেখলেন।যখন তিনি বুঝলেন অবস্থা বেগতিক ঠিক তখনই তিনি মুখ খুললেন এবং থলির বেড়াল বের হয় আসলো।পিনাকের তথাকথিতের জবাব দিলেন হয়তো বলে।দিপু মনি বাংলাদেশের মন্ত্রী হিসাবে নিজেকে টিকিয়ে রাখার যোগ্যতা অনেক আগেই হারিয়ে ফেলেছেন।এখন তিনি যা কিছু বলছেন শিখিয়ে দেয়া বুলি।বি এন পি সহ অন্যন্য বিরোধী দল দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দ্বায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে এটা বাংলাদেশের জনগন দেখছে।বিরোধীদের দিক থেকে যদি কিছি না বলা হতো তাহলে এই বিষয়টা ডাক্তার মনি চেপে যেতেন।যখন দেখেছে আর সম্ভব না তখন ঐ পিনাকের পরামর্শেই বোধ করি তারাতারি মিডিয়াতে দীর্ঘ দশদিন পর কথা বল্লেন।পিনাক বাবুকে এত বড় অপমান করার শোধ যে আওয়ামী লিগ সরকার বি এন পির উপর দিয়ে উঠিয়ে নেবে এটা কারোও বুঝতে অসুবিধা হয় না।

গত ২৮ জুন সন্ধ্যায় জ্যাকসন হাইটসে বর্ণমালার প্রতিনিধির সাথে আলাপে বিতর্কিত লেখিকা তসলিমাকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিলো তিনি কি জানেন নিউইয়র্কক সফরে আসা পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন তার দেশে ফিরে যাবার বেলায় কোন বাঁধা নেই। একথা শুনেই তসলিমা বললেন, দেশে যাবার ভীষণ ইচ্ছে করছে- ১৫ বছর ধরে দেশে যেতে পারছি না। কিন্তু যাবো কিভাবে?

এই সরকার এবং ভারত যে ধরনের ভারত সহায়ক পরিবেশ বাংলাদেশের মধ্যে তৈরি করতে চেয়েছিলো ঠিক এই ভাবেই ৭২ থেকে ৭৫ এবং ৯৬ থেকে ২০০১ পর্যন্ত ঐ ধরনের একটা ব্যবস্থাগত পরিবেশ রেখেছিলো।কয়েকদিন আগে শেখ হাসিনা বললেন যে ২০০১ সালে ভারতের সাথে স্বার্থ বিনিময়ের মাধ্যমে এই দেশের ক্ষমতায় এসেছিলো।তার কথা থেকে এটা প্রমানিত হয়েছে যে এদেশে ক্ষমতায় আসতে পারে।ভালই বলেছেন তিনি।আমাদের প্রধান মন্ত্রীর বাক সরলতা জনগন বুঝতে পারে।উদর পিন্ডি বুদোর ঘাড়ে দেবার যে সংস্কৃতি দিল্লি থেকে শিখেছেন তার বাস্তবায়ন এখানে তিনি এখন করছেন।তার হিসাব মতে ২৯ ডিসেম্বর নির্বাচনে ভারতের সহায়তা ছাড়া তাদের জিতে আসা সম্ভব ছিলো না এবং কিছু দেনা পাওনার হিসাব মিলিয়ে তবে ঋন শোধ করিতে হইবে।
ভারত এর আগে গঙ্গা নদীতে ফারাক্কা বাঁধ চালু করার সময় একই রকম কথা বার্তা বলেছিল এবং ১৯৭৫ সালের চুক্তি অনুযায়ী ২১ এপ্রিল থেকে ৩১ মে (১৯৭৫) পর্যন্ত পরীক্ষামূলকভাবে ফারাক্কার ক্যানেল চালু করার চুক্তি স্বাক্ষর করেছিলেন। কিন্তু এর মধ্যে তারা এই বাঁধ নিয়ে আর কোনো কথাও বলেনি এবং ১ জুন ১৯৭৫ থেকেই ফিডার ক্যানেল বন্ধ করেনি। ফারাক্কার পানি প্রত্যাহার শুরু করে দিয়েছিল। তখন শেখ মুজিবুর রহমান সরকারও তার অত্যধিক ভারত নির্ভরতার কারণে এর কোনো প্রতিবাদ করতে পারেনি। পরে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সরকার ১৯৭৬ সাল থেকে অভিন্ন নদী গঙ্গার পানির ন্যায্য হিস্যা আদায়ে আন্তর্জাতিকভাবে জনমত গড়ে তোলার উদ্যোগ নেন। সে উদ্যোগে আন্তর্জাতিক জনমত বাংলাদেশের অনুকূলে এনে ১৯৭৭ সালে ফারাক্কা ইস্যুটি জাতিসঙ্ঘে উত্থাপন করেন তখন অনন্যোপায় হয়ে ভারত বাংলাদেশের সাথে উভয় দেশের স্বার্থানুকূল একটি সম্মানজনক চুক্তি স্বাক্ষর করেন। সে চুক্তির গ্যারান্টি ক্লজ এই ছিল যে, কোনো পক্ষ চুক্তির ধারা লঙ্ঘন করলে অপর পক্ষ তৃতীয় কোনো মধ্যস্থতাকারীর দ্বারস্থ হতে পারবে। তিন বছরের জন্যও ওই চুক্তি সম্পাদিত হলেও জিয়াউর রহমানের শাহাদাতের পর ভারত গায়ের জোরে একতরফাভাবে গঙ্গায় পানি প্রত্যাহার শুরু করে।
আওয়ামী লীগ শাসন আমলে ১৯৯৬ সালে সরকার ভারতের সাথে তিরিশ বছর মেয়াদি একটি পানিচুক্তি স্বাক্ষর করে। অর্থাৎ সে চুক্তিতে গ্যারান্টি ক্লজ তুলে দেয়া হয়। ফলে চুক্তিবলে বাংলাদেশে যেটুকু পানি পাওয়ার কথা ভারত তা না দেয়ায় বাংলাদেশের পক্ষে তৃতীয় কোনো শক্তির দ্বারস্থ হওয়ার পথ রুদ্ধ হয়ে যায়। এ কারণে ১৯৯৬ সালের চুক্তির পরও বাংলাদেশ চুক্তি মোতাবেক কখনো পানি পায়নি। ভারত খামখেয়ালি মতো গঙ্গার পানি প্রত্যাহার করে নিচ্ছে। এবারো শুষ্ক মৌসুমে ভারত বাংলাদেশকে চুক্তির চেয়ে ৮৩ হাজার কিউসেক পানি কম দিয়েছে। এ ক্ষেত্রেও পানিমন্ত্রীর সাফাই ছিল, ফারাক্কায় যদি পানিই না থাকে তাহলে ভারত কোথা থেকে পানি দেবে।
এতসব কারণেই ভারতীয় হাইকমিশনার পিনাক রঞ্জন এ রকম ঔদ্ধত্যপূর্ণ বক্তব্য দেয়ার সাহস পেয়েছেন। পানির ব্যাপারে সরকার নিশ্চুপ। টিপাইমুখের বাঁধ প্রসঙ্গে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় খামোশ। দেশের ভারতানুগামী তথাকথিত সুশীলরা মুখে কুলুপ এঁটে বসে আছেন।ভারতের আজ্ঞাবহতা থেকে এই সমস্থ মন্ত্রীরা বা সরকার বের হতে পারবে না বা বের হবেনা।এই সরকার ভারতের কাছে তাদের বচনকে ধরে রাখার জন্য সব ধরনের চেষ্টা করে যাচ্ছে।সরকার যখন দেখবে কোন কিছুতেই কিছু হচ্ছে না তখন এন্টি ইন্ডিয়ান সেণ্টিমেণ্ট তাদের দিকে নেবার জন্য বাংলাদেশের কোন অঞ্চল ভারতকে দিয়ে দখল করিয়ে দিয়ে বাংলাদেশের সেনাবাহিনী পাঠাবে ভারতের সাথে যুদ্ধ করতে এই ক্ষেত্রে তাদের দুই দিক থেকে লাভ হবে।এক দিকে ভারত কে রক্ষা অন্যদিকে বাংলাদেশের মানুষকে দেখানো এই দেখো আওয়ামী লীগ সরকার ভারতের সাথে যুদ্ধ করে।কিংবা আরও অন্যভাবে চিন্তা করা যেতে পারে দক্ষিন এশিয়া টাস্কফোর্স গঠন করে এই অঞ্ছলের সামরিক যোগাযোগের মাধ্যম তৈরি রাখা যাতে করে বাংলাদেশে ভারতের সেনাবাহিনীকে প্রবেশ ঘটিয়ে এদেশের মানুষকে শায়েস্তা করা।আমার এই কথাগূলোর কোন ভিত্তি হয়তো নাই কিন্তু আওয়ামী লীগ যেভাবে বাংলাদেশের জনগনকে দেখাচ্ছে তাতে এই সমস্ত বিষয় একেবারেই বাতিল করা যায় না।
কয়েকদিন আগে দীপু মনি বললেন, বাংলাদেশ কোন মডারেট মুসলিম দেশ নয় বরং সেক্যুলার দেশ। আগামী পাচ বছরে এই দেশ থেকে অনেক চিরায়ত ইসলামী সংস্কৃতিকে বিদায় করা হবে সম্ভবত। যেমনটির চেষ্টা হয়েছিল ১৯৯৬ এ। যখন আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসে রাষ্টীয় ভবনে ইফতার পার্টি বাতিল করে। যদিও নিজেরা বিভিন্ন সময়ে সৌদি রাষ্ট্রদূতের দেয়া ইফতার মাহফিলে যেতে দ্বিধা করে নি।এছাড়া বাংলাদেশের জনগনের আশি শতাংশের বেশি যেখানে মুসলমান এবং পাশ্চাত্যের রাজনৈতিক শক্তিগুলোও যেখানে এদেশে মডারেট মুসলিম দেশ হিসাবে স্বীকৃতি দিয়ে থাকে সেখানে তিনি বলে বেড়াচ্ছেন এই দেশ হলো সেকুলার দেশ যেমনটি ভারতের থাকা আছে ঠিক তেমনি এদেশেও করতে হবে ।মনে রাখতে হবে বাংলাদেশের সংবিধানে ৭২ সালে যা করা হয়েছিলো সেটা ইম্লিমেন্ট হয় ভারতের সংবিধানে ১৯৭৮ সালে যখন ইন্দিরা গান্ধী ভারতের সংবিধান সংশোধন করে আরেকটি মিনি সংবিধান রচনা করেন। সরকার টিপাইমুখ প্রসঙ্গে প্রয়োজনীয় তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করছে বলে জানান তিনি।
ভারতের সাথে করা গঙ্গার পানি বন্টন চুক্তির শর্ত অনুযায়ী বাংলাদেশ পানির ন্যায্য হিস্যা পাচ্ছে বলে মনি দাবি করেছেন যদিও বিশেষজ্ঞরা তার এ বক্তব্যের সাথে একমত নন।
প্রমত্তা বা ভয়ঙ্কর—এই বিশেষণগুলো পদ্মার সাথে এখন আর মানায়না। এক সময়ের বিপুলা পদ্মা এখন শুধুই অতীত দিনের স্মৃতি। শুকনো মৌসুমে তো বটেই, এমনকি ভরা বর্ষাতেও অনেক দিন ধরেই পদ্মা আর আগের রূপ ফিরে পায়না। বিস্তীর্ন বালুচরের এই পদ্মার জন্য অনেকেই দায়ী করেন সীমান্তের ওপারে ফারাক্কা বাঁধকে। আর পদ্মার মত সুরমা কুশিয়ারারও একই পরিণতি হবে বলে অনেকের আশংকা। কারণ টিপাইমুখ বাঁধ।
ডাক্তার মনি কয়েকদিন আগে বললেন , “আমরা বিশ্বাস করি, আমাদের কোন ক্ষতি হবে ভারত এমন কোন পদক্ষেপ নেবেনা।”
তার এ বিশ্বাসের ভিত্তি জানতে চাইলে তিনি প্রমাণ হিসেবে তিনি উল্লেখ করেন ১৯৯৬ সালে করা গঙ্গার পানি বন্টন চুক্তির কথা। মন্ত্রী বলেন, ভারতের কাছ থেকে এ চুক্তির ভিত্তিতে পানি পাওয়া যাচ্ছে।
এই কথাটি মনি ঠিকই বলেছেন,তাদের অর্থ্যাত আওয়ামী লীগের কোন ক্ষতি হোক সেটা ভারত সরকার চাইবে কেনো!
দীপু মনি আরোও বলেছেন, “আমাদের বিশেষজ্ঞরা তো বলছেন আমরা পানি পাচ্ছি।”আমাদের এই বিশেষজ্ঞ যে কারা সেটা তিনি বলেননি।এটা আমরা সাধারন জনগন ঠিকই বুঝতে পারি যে এই বিশষজ্ঞদের সূতিকাদেশ কোথায়।
তবে তার এ বক্তব্যের উল্টো কথা বলেছেন পরিবেশবিদরা। অধ্যাপক মোজাফফর আহমদ বলেন, চুক্তিতে ভালো ভালো কথা লেখা থাকলেও তার বাস্তবায়ন ভিন্ন বিষয়। “আমরা যতদূর জানি, আমরা যেভাবে পানি পাওয়ার কথা তা পাচ্ছিনা। তথ্য তো তা-ই বলে। তাছাড়া যখন পানি পাওয়ার কথা, বছরের যে সময়ে, তখন পাইনা।”
অধ্যাপক মোজাফফর বলেছেন চুক্তি ঠিকমতো রিভিউ করা হয়না। এ বিষয়ে তিনি বলেন, “তিন বছর পর পর রিভিউ করার কথা। আমরা কি রিভিউ করেছি?”
দিপু মনি দায়িত্বে বাংলাদেশের পররাস্ট্র মন্ত্রী থাকতে পারেন কিন্তু এখন বাংলাদেশের জনগনের কাছে তিনি বাংলাদেশের প্রধিনিধি হিসাবে নেই।সম্মান থাকতে তাকে সরে যাওয়া উচিত।যদিও সে রাষ্ট্রদ্রোহীর মত আচরন করেছেন এবং নিয়মিতভাবে করে যাচ্ছেন।এখনই পদত্যাগ তার জন্য মঙ্গল জনক এবং আওয়ামী লিগ সরকারের ভাবমূর্তি ফিরিয়ে আনতে কাজ করবে।

Related Information