আমাদের দেশের একশ্রেনীর নাগরিক আছে যারা বহূজাতিক কোম্পানী,উন্নয়নশীল দেশের পালিত কুকুর।এদেরকে নানা সময় নানা ভাবে মাণবাধীকার গেলো বলে হৈচৈ করতে দেখা যায়। বিশেষ করে এরা বেশী সরব থাকে জাতীয়তাবাদি শক্তি ক্ষমতায় থাকতে। এরা হছ্ছে তথাকথিত কূশীল সমাজ,কু-বুদ্বীজীবী। জাতীয় নানা ইস্যুতে তারা যতখানি উদাস ঠিক ততখানি ব্যাস্ত বুদ্বীজীবির তকমা এটে মুসলমানদের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করায়।জন-বসতির দিক দিয়ে,সংখ্যাগরিষ্ঠতায় বিশ্বের ২য় কিম্বা ৩য় স্হানে অবস্হান কারী দেশে জন্ম গ্রহন করে এরা মোটেও খুশী নয় তা তারা তাদের কর্মকান্ডে,পার্শবর্তী দেশের সীমাহীন লুলোপ দৃশ্টিকে এরা সাদরে গ্রহন করার মাধ্যমে বারবার প্রমানীত করেছে।
“ফজরের নামাজের আযানকে এরা বেশ্যাদের হৈচৈ এর সাথে তুলনা করে,পবিত্র মক্কাকে এরা বাঈজী খানার সাথে তুলনা করে।“
নারীবাদের নামে পর্ন পুস্তক লেখিকা তসলিমা নাসরিনের প্রসংশায় এরা পন্চমূখ।এরা নিজেরা বহুগামী বলে তারা চান তাদের সন্তান-সন্ততি বহুগামি হোক।তাইত রেগিং এর নামে আমাদের বোনদের ব্যাং নাচ নাচতে বাধ্য করলেও এদের জবান বন্ধ থাকে।আমি এই ভেবে আশ্চর্য হই প্রায় ৭০ লাখ মুসলমান আমেরিকায় বাস করলেও তাদের মাঝ হতে কোন তসলিমা নাসরিন,আবুল কালাম আজাদের মত নাস্তিক কেন তৈরী হয়নি!বৃটেন,আমেরিকা,ইউরোপের প্রয় সব দেশ-ই সংখ্যাগরিষ্ঠতায় অমুসলিম তবু ও কোনদিন শুনিনাই পুলিশ কিম্বা আইন শৃংখলা রক্ষা বাহীনীর কেউ মসজিদে প্রবেশ করে মুসলিমদের উপর অত্যাচার করছে!
প্রথম কালো নামের দৈনিকটি মহানবি(সাঃ)এর নামে কার্টূন ছাপাবার দুঃসাহস দেখালেও কোন মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ এরকম করেছে বলে আমার জানা নেই।এরা মুসলমানের ঘরে জন্ম নিয়ে নাম আব্দুল্লা,আঃরহমান,আঃমজিদ রাখলেও এরা মুসলিম সভ্যতা,মুসলিম সংস্কৃতি লালনে উদাসীন!ধর্মনিরপেক্ষ দেশ আমাদের জন্য ভালো কোন শিক্ষা দেয়না।
ভারত ধর্মনিরপেক্ষতার নামে মুসলমানদের সকল সুবিধা থেকে বঞ্চিত করে আসছে,সরকারি চাকুরী থেকে শুরু করে সব জায়গাতে মুসলমানরা উপেক্ষিত।সাম্প্রদায়িক দাংগায় বিগত বছর গুলুতে তারা প্রৃথিবীর ইতিহাসে মানবতা ভুলুন্ঠিত করেছে।তাদের অন্ধঅনুকরন করতে যেয়ে ক্ষমতাসীন দল মুসলমানদের মাঝে বিভেদ ছড়াছছে।মাযার পূযারী,প্রকাশ্য শির্ক এ লিপ্ত একজন এখনও স্বধম্বে জাতীয় মসজিদের ন্যায় শ্পর্শ কাতর পদে আসীন কি করে থাকে তা কারও বোধগম্য নয়।প্রতিবাদকারীদের জামায়াত সংশ্লিষ্ঠতার তোকমা পড়িয়ে দেয়া হছ্ছে। জে.এম.বি,হুজির মত দল রাতারাতি গড়ে উঠে নাই। তাদের মদদ দানকারীরা আমাদের জাতীয় শত্রু,উন্নয়নের প্রধান অন্তরায়। বি.এন.পি কে দোষারোপ করা হয় এদের মদদ দান কারী হিসেবে অথচ এদের কাছ হতে উধ্বার কৃত সকল সরন্জাম বিশেষ করে “ওয়াটার জেল” ভারতের তৈরী! পাঠক মাত্রই অনূধাবন করতে পারবেন ভারতের প্রিয় দল কোনটি?
শায়খ আঃরহমানের সাথে বৈবাহিক সম্পর্কে সম্পর্কিত নেতার দলও একটি। তাদের মদদে এরা সংগঠিত হয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে গ্রেফতারকৃত জেএমবি সদস্যের স্বীকারোক্তিতে বিষয়টা আরও সহজ হলো যে খালেদা জিয়াকে তার চান্দিনা নির্বাচনী সভায় হত্যার পরিকল্পনা কারি তারাই। অথচ নির্বাচনের সময় এটা বিএনপির কারসাজি বলে ভালো ফায়দা লুটেছেন।শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ এই জন্যযে এবার তিনি মিডিয়ার কারসাজি বলে শোরগোল করেননি!“কিন্তু তিনি সংকির্ন মানষিকতার উর্ধে যেতে পারেননি তার প্রমান খালেদা জিয়ার এস.এস.এফ নিরাপত্তা প্রত্যাহারের মাধ্যমে।“
একটি দল ভারতের বিলাসী স্বপ্ন পূরনে নিজের দেশকে বিশ্বের দরবারে আতংকবাদী,সনত্রাশীতে পরিপূর্ন কথাটি প্রমানে ১৯৯১ থেকে ১৯৯৬ এবং ২০০১ থেকে ২০০৬ পর্যন্ত অনেক আনত্রযাতিক প্রপাগান্ডা চালিয়েছে আর তাদের জন্যই টিফা চুক্তি কিম্বা ভারতের সাথে সামরিক চুক্তি সম্পাদনের জন্য বহুমুখি চাপ আসছে। অথচ আমাদের চৌকষ RAB,সোয়াত,অন্যসব আইন শৃংখলা বাহিনী এসব বিছ্ছিন্ন সনত্রাসীদের দমনে যথেষ্ঠ।এটা বারবার প্রমানিত হয়েছে।আসুন দেশ বিরোধীদের বিষয়ে সচেতন হই।আসুন জংগীবাদ দমনে সবাই সোচ্চার হই,এদের ঘৃনা করতে শিখি কারন ইসলাম কোন হত্যাকান্ডকে অনুোদন দেয়না।তথাকথিত জিহাদের নামে এরা ইসলাম ধর্মকে বিতর্কিত করছে,নিষ্পাপ নাগরিকদের হাতে তুলে দিছ্ছে ভয়ংকর সব মারনাস্র।এদের প্রতিরোধ করুন,সন্দেহ জনক কারও বিরুধ্বে সংশ্লিষ্ঠ থানায় সংবাদ দিন।
