বাংলাদেশের গ্রামে-গঞ্জে অনেকটা তামাশা করে কথাটা বলা হয়, হাজীর ছেলে পাঁজি! বাস্তবে এমনটা হতে হবে তার কোন বৈজ্ঞানিক সংজ্ঞা নেই, তবুও কথাটার প্রচলন বেশ ব্যাপক অন্তত আক্ষরিক অর্থে। আসলে পিতা-মাতার পথে পা মাড়িয়ে সন্তান ভাল পথে এগুবে এমন নজির আজকের বাংলাদেশে বেশ র্দুলভ। হাজী হোক আর পাজি হোক সন্তান আজকাল সন্তানের মতই বেড়ে উঠছে, এতে মা-বাবার নিয়ন্ত্রন থাকছে খুব সামান্যই। প্রসংগটা টানছি গেল দু’সপ্তাহ ধরে বাংলাদেশের রাজনৈতিক এবং শাষনতান্ত্রিক ব্যবস্থায় কিছু কাঠামোগত পরিবর্তনে সরকার এবং বিচার ব্যবস্থার নিবিড় বুঝাপরার কারণে।
একথা সত্য বাংলাদেশের বিচার ব্যবস্থা রাজনৈতিক ক্ষমতার আয়না মাত্র, নিম্ন এবং উচ্চ আদালতের বিচারকরা সরকারের প্রতিনিধি হয়ে আদালতে দলীয় স্বার্থ রক্ষা করে থাকেন। এমনটা চলে আসছে বাংলাদেশের উষালগ্ন হতে। বর্তমান সরকারের আগ পর্য্যন্ত বিশেষকরে উচ্চ আদালতের বেঞ্চগুলো কিছুটা হলেও চক্ষু লজ্জার কারণে রাজনৈতিক সরকারের সাথে সন্মানজনক দূরত্ব বজায় রাখতে সচেষ্ট ছিল। বর্তমান ডিজিটাল সরকার এমন এনালগ লজ্জা অনেকটা সন্ত্রাষী কায়দায় বিদায় করে বিচার ব্যবস্থায় দলীয় প্রতিনিধিত্বের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছেন। দলীয় কর্মসূচী বাস্তবায়নে ক্ষমতাসীন দলকে এখন আর পার্লামেন্টে সময় ব্যয় করতে হয়না, হাইকোর্ট সুপ্রীমকোর্ট দুয়ার খুলে বসে আছে এ সব কর্মসূচীর সফল বাস্তবায়নের জন্যে। হয়ত সরকার বুঝে নিয়েছে পার্লামেন্টে আইন করতে গেলে অনেক ঝামেলা, প্রস্তাব আনতেই বিরোধী দল শুরু করে হাংগামা, সাথে সূর মেলায় মোসাদ্দেক হোসেন ফালুর মত মিডিয়া মোগলদের বৈরী প্রচারযন্ত্র। নীচু লেভেলের দলীয় উকিলকে দিয়ে আদালতে রীট করলেই আদালত রায় দেয় বিদুৎ গতিতে এবং এই রায়ের বিরুদ্বে কেউ কোন শব্দ করলেই দেশদ্রোহী, রাষ্ট্রদ্রোহী, মস্তিস্ক বিকৃত, কালা, বোবা ইত্যাদী অভিযোগে অভিযুক্ত করে তাকে আনা হয় বিচারের আওতায়। সত্যিকার অর্থেই ডিজিটাল পরিবর্তন! আসলেই আমরা গর্ব করতে পারি আমাদের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলো নিয়ে, সরকারের প্রতি বিচার ব্যবস্থার এমন বিশ্বস্ততার উদাহরন বিশ্ব শাষনব্যবস্থায় একেবারেই বিরল।
ফিরে যাই হাজীর ছেলে পাঁজি প্রসংগে। বাংলাদেশের ইতিহাসে শেখ মুজিবের নাম পুণঃপ্রতিষ্ঠার পাশাপাশি তার সন্তানাদী সহ পরিবারের সবার জন্যে শারীরিক এবং আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইন পাশ করা হচ্ছে। একটু খটকা লাগার কথা, তৃতীয় বিশ্বের সবচেয়ে চরিত্রহীন দেশে আইন করে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা? কল্পনা করুন দৃশ্যটা; ছোটখাট শেখ হাসিনা মাথায় ঘোমটা এবং চারপাশে ২/৪ জন বন্দুকধারী চৌকিদার নিয়ে বাজার করতে গেছেন নিউ মার্কেট কাচাবাজারে (বাজারে না গেলে বাজার রাজনীতি বুঝবেন কি করে কথিত জননেত্রী!)। সমস্যা হচ্ছে আজকের সন্ত্রাষবাদ এমন একটা উচ্চতায় পৌছে গেছে যেখানে ২/৪টা রাইফেল অথবা ট্যাংক কামান দিয়ে ব্যক্তিগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায়না। মুফতি হান্নানদের দল আজকাল অনেক বেশী স্মার্ট, অনেক বেশী ধুরন্ধর। প্রধানমন্ত্রী নিজের দল আওয়ামী লীগ এখন ক্ষমতায় এবং ক্ষমতার প্রথম প্রহর পার হওয়ার আগেই ছাত্রলীগ এবং যুবলীগ নামের বিশাল এক সন্ত্রাষী বাহিনী অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ফেলেছে বাংলাদেশকে। দলীয় প্রধান হিসাবে এর দায়-দায়িত্বের সবটাই নিতে হবে শেখ হাসিনাকে। একদিকে সন্ত্রাষের বীজ বপন আবার সেই সন্ত্রাষীদের হাত হতে ভবিষতে রেহাই পেতে চৌকিদার নিয়োগ, এমন একটা ছবি অনেকটা কলম্বিয়ার ড্রাগ লর্ডদের চলাফেরার কথাই মনে করিয়ে দেবে। প্রধানমন্ত্রীর হাতে এখন বিশাল এক ম্যান্ডেট, যার যথাযত প্রয়োগ এবং ব্যবহার করে আইনের শাষন নিশ্চিত পূর্বক শুধু নিজের জীবনই নিশ্চিত নয় সাথে নিশ্চিত করতে পারেন ১৫ কোটি মানুষের নিরাপত্তা।
পুরানো গনভবন না ’যমুনা’, এমন একটা দ্বন্ধে ভূগছেন আইনী লোকেরা। শেষ পর্য্যন্ত পছন্দ হয়ত ছেড়ে দেয়া হবে প্রধানমন্ত্রীর উপর। আরও একটা দৃশ্য কল্পনা করার চেষ্টা করুন; ছোটখাট হাসিনা, ক্ষমতা হারিয়ে পুরানো গণভবনে চারদিকে বন্দুক কামানের পাহাড়া নিয়ে দিন কাটাচ্ছেন। রুদ্বদার কক্ষে বৈঠক করছেন জাহাংগীর কবীর নানক এবং মোগলে আজমের সাথে। প্রসংগ, কি করে দেশকে অচল করা যায়, ৫/১০টা যানবাহন পুড়িয়ে ক্ষমতার সিড়ি পাকা করা যায়! জনগণের বাড়ি আর তাদেরই পয়সায় লালিত অস্ত্রধারী চৌকিদার নিয়ে সেই জনগণের জীবনই বিপর্য্যস্ত করার মহাপরিকল্পনা! জাতির পিতাকে মূল্যায়নের যোগ্য প্রতিদান বটে! এমন একটা দৃশ্য কি খুবই কাল্পনিক, অবাস্তব এবং অপ্রাসংগিক? শেখ হাসিনার অতীত রাজনীতি কিন্তূ তা বলেনা। প্রথমত উনি ১৪টা চাঁদাবাজির মামলার আইনী মোকাবেলা করেন্নি, ক্ষমতার জোড়ে মামলাগুলো প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। আমরা কি করে নিশ্চিত হব গণভবনে বসে আবারও তিনি আজম চৌধূরীদের দরবারে চাঁদার সমন পাঠাবেন্না? অন্য আরেক শেখ তনয়াকে ধানমন্ডিতে আবাসনের ব্যবস্থা করা হচ্ছে চৌকিদার প্রহরা সহ। বলা হয়ে থাকে এই শেখ কন্যা শেখ পরিবারের হিসাবরক্ষকের ভূমিকা পালন করে থাকেন। শেখ হাসিনার পূর্ব লন্ডনের কন্ডোমনিয়ামের পাহাড়ায়ও রয়েছেন এই জুনিয়র শেখ। লন্ডনে বাস করে উনাকে প্রায়ই বেয়াই বাড়ি বেড়াতে ফিনল্যান্ডের রাজধানী হেলসিংকি যেতে হয়। প্রশ্ন হচ্ছে, শেখ রেহানার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চৌকিদারের দলকে কি তাহলে লন্ডন এবং হেলসংকিতেও যেতে হবে? প্রশ্নটা আসতে বাধ্য কারণ মুফতি হান্নানের হাত এখন সুদূর লন্ডন পর্য্যন্ত বিস্তৃত, তা ছাড়া তারেক জিয়াও যে এখন লন্ডনে।

হাজীর ছেলে পাজি হয় কিনা তা গবেষনার বিষয়, কিন্তূ শেখ হাসিনা যে উনার পিতার মত হন্নি তা বের করতে গবেষনার দরকার হবেনা। উনি একাধারে চাঁদাবাজ, প্রফেশনাল মিথ্যুক, খুন সংক্রান্ত হুকুমের আসামী এবং চরম ব্যর্থ সরকার প্রধান। এ ধরনের তৃতীয় শ্রেনীর রাজনীতিবিদ-কাম-সরকার প্রধানকে ঢাকায় বাড়ি আর ২৪/৭ পাহাড়ার ব্যবস্থা করে জাতির পিতাকে সন্মান দেখানোর কথা একেবারেই তৃতীয় শ্রেনীর ধাপ্পাবাজি। অথবা সহজ বাংলায় অনুবাদ করলে চাদাবাজির ডিজিটাল কৌশল।
Visit: www.amibangladeshi.org

Comments
হাসের ডিম কাকে খায়, আয় জাতিয়তাবাদ ঘরে আয়...
সাবেক ডেপুটি স্পিকারের হাঁসের জন্যও তৈরি হয়েছিল সরকারি ঘর
আশিস সৈকত
বিএনপির নেতা আখতার হামিদ সিদ্দিকী ডেপুটি স্পিকার থাকাকালে তাঁর পোষা হাঁসের থাকার জন্য সরকারি খরচে বাসা বানানো হয়েছিল। তাঁর নির্দেশে পূর্ত অধিদপ্তর ডেপুটি স্পিকারের বাসভবনসংলগ্ন সংসদ ভবনের লেকের পাশে তিন লাখ ১১ হাজার ২৯৬ টাকা খরচ করে ৩০টি হাঁসের জন্য এই ঘর বানায়।
জানা গেছে, হাঁস পালনের জন্য সাবেক ডেপুটি স্পিকার প্রথমে সংসদ সচিবালয় থেকে টাকা নেওয়ার চেষ্টা করেন। কিন্তু সংসদ সচিবালয় থেকে বলা হয়, হাঁসের ঘর বানানোর জন্য তারা কোনো অনুমোদন দিতে পারে না। পূর্ত বিভাগ কাজটি করতে পারে। ডেপুটি স্পিকার এরপর গণপূর্ত বিভাগ-১-এর তৎকালীন নির্বাহী প্রকৌশলী ও অন্য কর্মকর্তাদের লেকের পাড়ে নিয়ে গিয়ে হাঁসের জন্য রাতে থাকার ঘর এবং হাঁসের খাবার রাখার জন্য একটি ঘর করে দেওয়ার নির্দেশ দেন। জানা গেছে, সোয়া তিন লাখ টাকার এ কাজটি হয়েছিল দরপত্র প্রকাশ ছাড়াই। নিয়মের ফাঁক খুঁজে, চার ভাগে এক লাখ টাকার কম দেখিয়ে মেসার্স শরীফ অ্যান্ড ব্রাদার্সকে এ কাজ দেওয়া হয়। জানা গেছে, হাঁসের এই ঘর বানাতে ৫০ হাজার টাকাও খরচ হয়নি। কিন্তু ডেপুটি স্পিকারের নির্দেশে তাঁর পছন্দের ঠিকাদারকে পূর্ত বিভাগ সোয়া তিন লাখ টাকার বেশি বিল অনুমোদন করে।
মন্তব্যঃ শহীদ জিয়ার স্বপ্ন বাস্তবায়ন
সূত্রঃ দৈনিক প্রথম আলো
আসুন সবাই মিলে প্রথম আলো বয়কট করি।
বয়কট
ল্যাম্পপোষ্ট কোন দলীয় রাজনীতি করে কিনা- জানিনা। ল্যাম্পপোষ্টের "মূর্খ" ছেলেমেয়েদের সম্পর্কে যতটুকু জানা যায়, ওরা রোদে পুড়ে বন্যার্তদের সাহায্যের জন্য মানুষের কাছে ভিক্ষে করে টাকা সংগ্রহ করে, রাত জেগে স্যালাইন বানায়, ছায়ানট ভবনের জন্য তহবিল সংগ্রহে আবৃত্তি করে, টিএসসি'র দেয়ালে পা দুলিয়ে বসে গান গায়,ছাত্ররা আক্রান্ত হলে ঝাঁপিয়ে পড়ে, বস্তি পুড়ে গেলে সাহায্য নিয়ে হাজির হয়। অনেকেই যখন দোদুল্যমানতায় ভোগে, ওরা তখন মাথা গুঁজে নিজেদের কাজ করে যায়, ওদের কোন "ওপরের নির্দেশ" দরকার করে না।
উপরের লিখাটুকু প্রিয় ব্লগার মনজুরুল হক-এর একটা পোষ্ট থেকে নেওয়া।
এই হল ল্যাম্পপোষ্ট।সারা দেশে আজকে প্রতিবাদের একটা প্রতীকি রূপ হয়ে উঠেছে ল্যাম্পপোষ্ট শব্দটি।আশীষ আর প্রিন্স যেন সূর্যসেন আর প্রতীলতার নবরূপ।অন্ধকারে নিমজ্জিত দুঃসময়ে ল্যাম্প (আলো) হাতে ছুটে চলা আলোর আভিসারী এসব টগবগে তরুনেরা সংখ্যায় হয়ত নগন্য কিন্তু এরা জাতির সুর্যসন্তান।
কিন্তু সম্রাজ্যবাদী শক্তির হাতিয়ার "প্রথম আলো" নামক একটি পত্রিকা জাতীর এই বীর সন্তানদের চরমপন্থী আখ্যা দিল।কতটা নির্বোধ আর নির্লজ্জ হলে এমন সংবাদ পরিবেশন করা যায়?ছিঃ প্রথম আলো ছিঃ....তোমরা করবে দিন বদল ! হাস্যকর বটে।এই মতিউর রহমান এই প্রথম আলো এরা এদেশের মাটিতে জন্ম নেওয়া ভীনদেশী দালাল।এরা মীরজাফরের প্রেতাত্মা।এদের হাতে কোনদিন এদেশের কল্যান হবেনা।এদের হাতে যুগে যুগে রক্ষিত হবে সম্রাজ্যবাদীদের স্বার্থ।
আসুন সবাই মিলে প্রথম আলোর দেশ বিরোধী তৎপরতা আর হলুদ সাংবাদিকতা রুখে দাড়াঁই।
আসুন সবাই মিলে প্রথম আলো বয়কট করি।
http://www.somewhereinblog.net/blog/sheikhbest/28976384
Save Bangladesh: No more farakka
আসুন কাজগুলো করে ফেলি
প্রথম আলো বয়কট করার পাশাপাশি আসুন আখতার হামিদ সিদ্দীকির মত জাতীয় চোরদের গলায় জুতার মালা পরিয়ে কুত্তার মত তাড়িয়ে বেড়াই বাংলাদেশের অলিগলিতে। চোরদের কোন ধর্ম নেই, দল নেই, রাজনৈতিক পরিচয় নেই, দেশ নেই...এরা চোর, সকালের চোর, দুপুরের চোর...রাতের চোর। রাজনীতি এবং বিএনপি এদের লেবাস মাত্র, দূষিত রক্তের এই বেজন্মাদের নিতম্বে জাতিয়তাবাদের কঞ্চি বাশ মরনচাদের মাখন সহ চাষাবাদ করলে জাতি হিসাবে আমাদের পাপ কিছুটা হয়ত মোচন হতে পারে।
বর্জন করি
আসুন প্রথম আলোর সাথে সাথে তোফায়লের ন্যায় দুর্নীতিপরায়ন রাজনীতিদের বর্জন করি। কলকাতায় যে সব আওয়ামি নেতাদের ব্যাংক এক্যাউন্ট আছে তাদের নাম ঠিকানা প্রকাশ করা হোক। খুনের আসামী হাসিনা খুনের মামলাও রাজনৈতিক হয়রানীমুলক মামলা বলে তুলে নিয়েছে, এর বিরুদ্ধে সোচ্চার হোন। খুনের আসামীর জন্য নিরাপত্তামুলক আইন করে তাকে আশ্রয় দেওয়ার বিরুদ্ধে সোচ্চার হোন।
১/১১ এর অমানবিক নির্যাতনের বিরুদ্ধে সোচ্চার হোন।
মঈনের নেতৃত্বে ১/১১ এর প্রশাসন ঘুষ-চাদাবাজি করেছে, সেই ভাগ-বাটোয়ারার হোতা মঈন-জয় এর বিরুদ্ধে সোচ্চার হোন।
একমুখী হলুদ সাংবাদিকতার বিরুদ্ধে সোচ্চার হোন।
Save Bangladesh: No more farakka
Hajir chele Panji - Onek din pore shunlam.
Good that www is not under the jurisdiction of the court...Enjoy the freedom!
ধন্যবাদান্তে,
পোগো
WD: আপনার কল্পনা শক্তি আমার চাইতেও কম!
কিছুদিন আগে চাষী (farmer) ভাই লিখিয়াছিলেন জেল হইল সর্বাধিক নিরাপদ। কথাটি সর্বৈব সঠিক। দেশের যে কোন প্রতিষ্ঠানের চাইতে জেলের নিরাপত্তা অবকাঠাম সবচাইতে নির্ভরযোগ্য। মুজিব পরিবারের সর্বাধিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করিতে প্রকারান্তরে গোটা কয়েক জেলই বানাইতে হইবে। কি দরকার, জেল তো আছেই অনেক।
জেলের সুবিধাসমুহঃ
১। সর্বাধিক নিরাপদ
২। গোপন ষড়যন্ত্র করিবার নির্ভরযোগ্য স্থান
৩। অত্যন্ত পরিচ্ছন্ন, এক কণা ধুলা পাওয়াও কঠিন
৩। মাছি মারিবার জন্যেও কয়েদি আছে (যাহারা কিছুই করিতে পারে না তাহাদেরকে মাছি দফায় কাজ দেওয়া হয়)
৫। সাধারন কয়েদিদের খাবার নিম্ন মানের হইলেও উহা নিরাপদ
৬। ইত্যাদি ইত্যাদি...
জেলের অসুবিধা সমুহঃ
১। সাধারন কয়েদিদের গাদাগাদি (ইলিশ ফাইল) করিয়া শুইতে হয়
২। সকাল বিকাল গুন্তি (head count) হয়।
৩। গোসলের জন্যে দীর্ঘ লাইন ধরিতে হয়
৪। কম্বল যুগে একবার ধোওয়া হয়
৫। ইত্যাদি ইত্যাদি...
অসুবিধা সমুহ অবশ্যই ভিআইপিদের জন্যে প্রজয্যো নহে।
এইবার আসুন মুজিব পরিবারের বিশেষ নিরাপত্তা সমাধানে -
আমার শেষ দেখা মতে ঢাকা কেন্দ্রিয় কারাগারে একটি নতুন ভবন তৈরী করিবার মত যায়গা এখনও অবশিষ্ট আছে, না থাকিলে বিখ্যাত ১০ সেল (এখানে মেন্টালদের রাখা হয়) নবায়ন-মেরামত করা যাইতে পারে। মুজিব পরিবারের প্রতি সদস্য্যের জন্যে এয়ার কন্ডিশন লাগানো সুসজ্জিত একটি করিয়া কক্ষ প্রস্তুত করা হইবে। গোপন সলাপরামর্শ করিবার জন্য একটি সাউন্ড প্রুফ কক্ষ থাকিবে। নানক-আজম দের জন্যে একটা মেহমান খানা থাকিবে। চাঁদাবাজির জন্যে একটি মানি ডিপোজিট এলেক্ট্রনিক বুথ থাকিবে।
মুজিব পরিবারের জন্য বিশেষ খাবারের ব্যবস্থা থাকিবে বিধায় তাহাদের বাজারে যাইবার প্রয়োজন নাই। তাহাদের বিনোদনের জন্য থাকিবে আপনাদের পুতুল কলি দোজখের মত ১২০০'' এলইডি টেলিভিশন। তাহারা যখন বিদেশ যাইবেন, তখন পাইক-পেয়াদা সহ প্রিজন ভ্যান লইয়া বাহির হইবেন। এয়ারপোর্টে তাহাদের জন্যে স্পেশাল গ্যাং ওয়ে থাকিবে। বাংলাদেশ বিমানেও থাকিবে একটি স্পেশাল "প্রিজন ক্লাস"। যে দেশে গমন করিবে সে দেশে নামিয়াই জানান দিবে তাহারা নরমাংস ভুক মস্তিস্ক বিকৃতির রোগী। অতঃপর সে দেশেরই সরকার "Silence of the lambs" মুভির হ্যানিব্ল এর মত বিশেষ ব্যবস্থায় ততোধিক নিরাপদ জেল খানায় রাখিয়া দিবে। তাহাদের আনন্দ ভ্রমন শেষ হইলে পুনরায় একই কায়দায় ফিরিয়া আসিবে। এমনি আরো অনেক চিত্র আমার চিন্তায় ভাসিতেছে, কিন্তু লিখিতে পারিতেছিনা। যেমন জয় সাহেবের সস্ত্রিক রাত্রী যাপন করিবার জন্যে বিশেষ নিরাপদ ... এর ব্যবস্থা করা।
মুজিব নামটিকে মাটির সাথে মিশাইয়া দেবার জন্যে এইরুপ আরো কি কি করা যায় তাহা ভাবিয়া বাহির করিবার জন্যে ই-মেলায় একটি পরামর্শ সেল খোলা যাইতে পারে। যুৎসই পরামর্শ সমুহ যাচাই বাছাই করিয়া হাসিনার বিশেষ এডভাইজার সজিব ওয়াজেদ জয়ের নিকট প্রেরন করা যাইতে পারে।
Stranger bhai..
Enjoyed it. You covered pretty much everything. However, I thought you missed one thing ..poison in food?
ধন্যবাদান্তে,
পোগো
ওয়াচডগ
আপনার ব্লগ পড়ে শেখ পরিবারের গরলতার কথা কিছুটা হলে ও আন্দাজ করা যায়।শেখ পরিবারের লোকজন শেখ মুজিবের নাম বিক্রি করে খাবে এবং আজীবন জনগনের ঘাড়ে চেপে বসবে একথা আর এখন অনুমান নহে,বাস্তবে পরিনত হতে যাচ্ছে।আমরা বহু আগেই এই আসরে এই বেগমের দুরবিসন্ধি সম্বন্ধে আগাম কিছু মন্তব্য করেছিলাম,আর্কাইভে ঘাটলে হয়তো ঐসব কথা পাওয়া যাবে।'এই কুলাঙ্গার মহিলাকে বিশ্বাস করে ঠকবেন না' এইরকম একটি অনুরোধ বোধ হয় আমি অনেক আগেই করেছিলাম।যারা তার ডিজিটাল কমিটমেন্টের কথা বিশ্বাস করেছিলেন তাদের এখন কষ্ট লাগবে।কেন না ডিজিটাল বাংলাদেশের কথা বলে ধোকাবাজ হাসিনা বাংলাদেশের মানুষের সাথে ধোকাবাজী করেছে।৯৬ এ তসবী আর ২০০৮ সালে ডিজিটালের ধোয়া তুলে ক্ষমতা পাকাপোক্ত করাই তার উদ্দেশ্য ছিল।যে নিজে বুজে না ডিজিটালের অর্থ সে কিভাবে একটা জাতিকে ডিজিটাল প্রযুক্তি উপহার দিবে এবং সে অনুযায়ী গড়ে তুলবে?আজীবন জাতিকে শেখ পরিবারের গোলামীর জিঞ্জির পরানোই তথাকথিত ডিজিটাল কন্যার লক্ষ্য।
শেখ পরিবারে লোকজনদের আজীবন দেশের পয়সায় নিরাপত্তা দিতে হবে কেন এই প্রশ্ন জাগা স্বাভাবিক।তাহলে কি দেশের মানুষ সেই পরিবারের কাছে এতটাই ঋনী যা নাকি তাদের ঘাম ঝরানো পয়সায় হেলাল বেলাল জামাল কামালদের আজীবন নিরাপত্তা দিয়ে পরিশোধ করতে হবে?