zswapan's blog

একজন পাকিস্তানীর চোখে পাকিস্তান-২

আমার আগের লেখাটির উপর বেশ ভালো কিছু মন্তব্য এবং তথ্য এসেছে। বিশেষ করে, আমার এই লেখাকে একজন পাঠক বলেছেন, শিরোনামটি "একজন পাকিস্তানীর চোখে পাকিস্তান" না হয়ে "একজন মাহাজিরের চোখে পাকিস্তান" হলে ভালো হতো।

হয়তো তাই। তবে আমার লেখার মূল উদ্দেশ্য পাকিস্তানের আদ‌্যোপান্ত নিয়ে আসা নয়। একটি ভূখন্ডের একজন সাধারন মানুষ, তার দেশ সম্পর্কে কী ভাবছে, সেটুকুই তুলে ধরা। তবে আরশাদের সাথে কথা বলার পর এবং মাহাজিরদের সম্পর্কে আরো বিস্তারিত জানার পর (ধন্যবাদ ষ্ট্র্যাঞ্জার) মনে হয়েছে, পাঞ্জাবী কিংবা সেনাবাহিনীর কারো সাথে কথা বললে, আরেকটি চিত্র পাওয়া যেতে পারে। পথ চলায়, কখনও না কখনও হয়তো কারো দেখা পেয়ে যাবো।

একজন পাকিস্তানীর চোখে পাকিস্তান-১

আমার কর্মস্থলে বেশ কিছু পাকিস্তানী সহকর্মী আছেন। সংখ্যায় তারা বাংলাদেশীদের চেয়ে বেশি। সামগ্রিকভাবে হাইটেক শিল্পে পাকিস্তানীদের অবস্থান খারাপ নয়। এখানে অনেক সফল এন্টারপ্রেনর আছেন যারা পাকিস্তান থেকে এসেছেন। একইভাবে আমার ভবনেও তাদের সংখ্যাটি মন্দ নয়। আমাকে প্রতিদিনই তাদের কারো না কারো সাথে কাজ করতে হয়।

বাংলাদেশের তথ্যপ্রযুক্তি : পরিবর্তনের রূপরেখা

লেখাটি লিখেছিলাম সাপ্তাহিক পত্রিকা "সাপ্তাহিক"-এর এক বর্ষপূর্তি সংখ্যার জন্য। লেখাটি এখন ছাপা হয়েছে। তাই "প্রিয়" পাঠকদের জন্য পোষ্ট করে দিলাম। লেখাটি যেহেতু লিখেছিলাম "সাপ্তাহিক"-এর জন্য, তাই তাদের মূদ্রনের পূর্বে এখানে পোষ্ট করা ঠিক হতো না।

বয়ে যায় নদী: পর্ব-১৫ [এই রক্ত চুক্ষু আমাকে দেখতে হবে কেন?]

২৭ ফ্রেরুয়ারী ২০০৯, শুক্রবার। বিডিআর সদর দপ্তরে হত্যাকান্ড নিয়ে সারা দেশ তোলপাড়। সকাল বেলাতে শেখ হাসিনা ও খালেদা জিয়া ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারগুলোকে দেখতে গিয়েছেন। এই একটি জায়গায় খালেদা জিয়া এবং শেখ হাসিনার ভেতর খুব প্রকট পার্থক্য সব সময়ই চোখে পড়ে। পার্থক্যটা হলো, এই দুজনের মানুষকে শান্তনা দেয়ার পদ্ধতি খুবই ভিন্ন।

বয়ে যায় নদী: পর্ব-১৪ [যাবতীয় অসুখের কথা]

বিডিআর নিয়ে আমার লেখাটা এখনো শেষ হয়নি। তার ভেতর একটার পর একটা কান্ড ঘটেই চলেছে। বিষয়গুলো এড়িয়ে গেলেও হয়; আবার একদম ফেলেও দেয়া যাচ্ছে না। তাই ভাবছি, ঝটপট সিঙ্গাপুর সংক্রান্ত অভিজ্ঞতাটুকু শেষ করে, অন্য লেখায় ফিরে যাই। তবে সবই অ-সুখের কথা।

বয়ে যায় নদী: পর্ব-১৩ [সিঙ্গাপুরে শহিদ এপার্টমেন্ট]

দু'রাত হোটেলে থেকে পরের দিন সকাল বেলা আটার রুটি আর ভাজি দিয়ে নাস্তা সেরে উঠে গেলাম শহিদ এপার্টমেন্টে। সিঙ্গাপুরে এমন কোন বাংলাদেশী নাই, যিনি এই এপার্টমেন্টটি চেনন না। সকাল বেলা এক বন্ধু ফোন করলো। বললাম, যেহেতু বেশ কিছুদিন থাকতে হবে মনে হচ্ছে, তাই একটা এপার্টমেন্ট ঠিক করা হয়েছে। সাথে সাথেই সে জিজ্ঞেস করলো, কি, শহিদ এপার্টমেন্ট?

বয়ে যায় নদী: পর্ব-১২ [ সিঙ্গাপুর কে.কে. হাসপাতাল]

সিঙ্গাপুর পৌছালাম রাত দেড় টায়। এবারে ভাগ্য খুব প্রসন্ন ছিল। সান ফ্রানসিসকো থেকে সিউল হয়ে সিঙ্গাপুর। দুটো ফ্লাইটেই আমার পাশের দুটো সিট খালি পেলাম। পুরো ফ্লাইটেই এই অবস্থা। তাই তিনটি সিট নিয়ে ঘুমিয়ে যেতে পেরেছিলাম। শুয়ে শুয়ে পড়তে শুরু করেছিলাম জেনারেল মইন ইউ. আহমেদের বই "শান্তির স্বপ্নে"।

বয়ে যায় নদী: পর্ব-১১ [হঠাৎ করেই সিঙ্গাপুর যাত্রা]

ছেলেটির নাম ঈমান। আমি তার নাম দিয়েছি ঈ-ম্যান। স্পাইডার ম্যান, সুপার ম্যান, ব্যাট ম্যান, এক্স-ম্যান আর ঈ-ম্যান। বয়স সাড়ে ছয় বছর। ওর সব অদ্ভুৎ ধরনের কথা নিয়ে একটা বই লেখা যাবে। প্রচন্ড চঞ্চল। এক বিন্দু কোথাও বসে থাকার অর্থ যেন সেই সময়টুকু নষ্ট হওয়া। সারা দিন ঘরের যাবতীয় বিপদজনক জায়গাগুলো দিয়ে হাটাহাটি করবে

বয়ে যায় নদী: পর্ব-১০ [আমি তাদেরকে দেখতে যেতে পারিনি]

২৬ ফ্রেব্রুয়ারী বৃহস্পতিবার। সন্ধ্যে সাতটা নাগাদ মোটামুটি নিশ্চিত হওয়া গেলো যে, সেনাবাহিনী আর আক্রমন করছে না। ততক্ষণে পিলখানার ভেতরে বিদ্রোহী দল সাদা পতাকা উত্তোলন করে দিয়েছে। তখনও অবশ্য কেউ জানে না যে, ভেতরে ঠিক কতজন বিডিআর জোয়ান রয়েছেন।

বয়ে যায় নদী: পর্ব-৯ [যুদ্ধ দেখিনি, যুদ্ধের মহড়া দেখেছি]

আমি মুক্তিযুদ্ধ দেখিনি। যুদ্ধ দেখেছি সিনেমা আর টিভিতে। যুদ্ধের গল্প পড়েছি বইতে। কলেজ আর বিশ্ববিদ্যালয়ের কল্যানে আন্দোলন দেখেছি অনেক। মূলত এরশাদ বিরোধী স্বৈরশাসন হঠাও আন্দোলন। সেই আন্দোলনের আগে ও পরে অনেকবার গোলাগুলীর ভেতরও পড়েছি। কয়েকবার কেন আমি গুলী খাইনি, সেটা ভেবেও অবাক হয়েছি। রক্তাক্ত বন্ধুকে নিয়ে মেডিক্যালে গিয়েছি। সময়টাই যেন ছিল কেমন!