২৭ ফ্রেরুয়ারী ২০০৯, শুক্রবার। বিডিআর সদর দপ্তরে হত্যাকান্ড নিয়ে সারা দেশ তোলপাড়। সকাল বেলাতে শেখ হাসিনা ও খালেদা জিয়া ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারগুলোকে দেখতে গিয়েছেন। এই একটি জায়গায় খালেদা জিয়া এবং শেখ হাসিনার ভেতর খুব প্রকট পার্থক্য সব সময়ই চোখে পড়ে। পার্থক্যটা হলো, এই দুজনের মানুষকে শান্তনা দেয়ার পদ্ধতি খুবই ভিন্ন। হাসিনা খুব সহজেই মানুষকে বুকের ভেতর টেনে নিতে পারেন। সে দরীদ্র হোক, ছেড়া কাপড়ে হোক, অভূক্ত হোক। খুব অনায়াসেই তিনি কাউকে নিজের আচলে মুখ মুছিয়ে দিতে পারেন। খালেদা জিয়া একটু ভিন্ন। তিনি অনেকটা রাণীর মতো। হালকা ছোয়ার বেশি কিছু দিতে পারেন না। এখানেও তাই হলো। সব মানুষ সব কিছু পেরে উঠেন না। খালেদা জিয়া হয়তো সেটা শিখে উঠতে পারেননি এখনো। তবে টেলিভিশনে যখন দুজন মানুষকে পাশাপাশি দেখানো হয়, আমার ধারনা সবাই ব্যাপারটি বুঝতে পারেন।
জু'মার নামাজের পর জানাজা হলো। বেশ কিছু সেনাবাহিনীর অফিসারদের জানাজা পড়া হলো। এবং সেই জানাজার পরই একজন অফিসার সাংবাদিকদের উপর চড়াও হলেন। সাদা পাজামা পাঞ্জাবী পড়া বেশ স্বাস্থ্যবান একজন অফিসার ক্যামেরার সামনে এসে আঙ্গুল উচিয়ে এমনভাবে শাসালেন যা দেখে আতঙ্কিত হওয়ার মতো ব্যাপার রয়েছে।
তিনি যে কথাগুলো বলার চেষ্টা করলেন তাহলো, মিডিয়ার (বিশেষ করে টেলিভিশন) এই সাংবাদিকগুলো হলো যত অপরাধের মূল। তারা গত দুই দিন ধরে যেভাবে বিডিআর সদস্যদের পক্ষে এবং সেনাবাহিনীর বিপক্ষে সংবাদ পরিবেশন করছে, তাতে মহা অন্যায় কাজ হয়েছে। তিনি আঙ্গুল তুলে এটাই বলার চেষ্টা করলেন, তোদের এতো সাহস! এতো সাহস তোদের কে দিয়েছে আমাদের বিরুদ্ধে এভাবে সংবাদ পরিবেশন করিস। তিনি যখন শাসাচ্ছিলেন, তখন তার মুখ দিয় থুথু বের হয়ে আসছিল। তিনি কয়েকজন সাংবাদিককে ধাওয়াও করলেন। সেই তাড়া খেয়ে কয়েকটি টিভি ক্যামেরার ক্যামেরাম্যান দূরে সড়ে গেলেন। তিনি যেন শুধু টিভি ক্যামেরার মানুষগুলোকে নয়, সারা দেশের মানুষকেই শাসিয়ে দিলেন।
তার পুরো শরীরে যে পশুর মতো তান্ডব ছিল, সেটা পরিলক্ষিত হয়েছে। একটা ক্ষুধার্ত হায়না মানুষ পেলে যেভাবে ছিড়ে ফেলতে চাইবে, তার শরীরে ছিল সেই উন্মত্ততা। তিনি যেন সমস্ত সাংবাদিকদেরকে চিবিয়ে খেয়ে ফেলতে চাইছেন। তার চোখে,মুখে সারা শরীরে সেই অভিব্যক্তই ছিল। যারা সেই ভদ্রলোকের তান্ডব দেখেছেন, তারাই সেটা বুঝতে পারবেন। রাগে তার চোখ দুটো যেন ঠিকরে বাইরে চলে আসছিল। একজন সভ্য মানুষের এক্সপ্রেশন এমন হতে পারে, আমি বিশ্বাস করি না। প্রজাতন্ত্রের একজন কর্মকর্তার কাছে এমন ব্যবহার কেউ আশা করেনি।
সেনাবাহিনীতে খুবই ন্যাক্কারজনক একটি ব্যাপার ঘটেছে। তাদের অনেক সহকর্মী মারা গিয়েছেন। তাতে তাদের কষ্ট হবে, সেটা স্বাভাবিক। তাদের হৃদয় ভেঙ্গে কান্না আসবে সেটাও স্বাভাবিক। তাদের চোখ ভিজে সাগরের নোনা জল বইতে থাকবে, সেটা স্বাভাবিক। কিন্তু প্রজাতন্ত্রের একজন কর্মকর্তা হয়ে তিনি সাধারন মানুষের উপর এভাবে চড়াও হবেন কেন! সাধারন মানুষের কী দোষ? সাংবাদিকদের দোষ কী? দেশের একজন নাগরিক হয়ে, তার ওই রক্তচুক্ষ আমাকে দেখতে হবে কেন? আমি জীবনে কী পাপা করেছি যে কারনে আমাকে একজন সামরিক অফিসারের ধমক খেতে হবে!
সাধারন মানুষকে এই ধমক দেয়ার ক্ষমতা তারা কোথায় পান! এই ধৃষ্ঠতার উৎস কোথায়? এই ধমক দিয়ে তারা এটাই প্রমাণ করলেন যে, তাদের হাতে ক্ষমতা আছে, তাদের হাতে অস্ত্র আছে; এবং চাইলেই তারা সেই অস্ত্র আমাদের মতো সাধারন মানুষের উপর ব্যবহার করতে পারেন। এটাই হলো আমাদের সেনাবাহিনীর মাউন্ডসেট। তারা সবসময় নিজেদেরকে সাধারন মানুষের চেয়ে উর্ধ্বে মনে করে। এবং সুযোগ পেলেই "ব্লাডি সিভিলিয়ান" বলে গালি দেয়। তার সেই ব্যবহারের ভেতর দিয়ে সেটাই বের হয়ে এসেছে।
কথা প্রসঙ্গে উদাহরনটা টানতে চাই। আজকে আমেরিকার বুশ প্রশাসনের ভুল সিদ্ধান্তের জন্য অনেক আমেরিকার নাগরিককে ইরাকে যুদ্ধে জীবন দিতে হয়েছে। প্রায় দশ হাজারের মতো সৈন্য মারা গিয়েছেন। তার জন্য তাদের ভেতর ক্ষোভ আছে নিশ্চই। আমেরিকার সেনাবাহিনী এই পৃথিবীর সবচে শক্তিশালী সেনাবাহিনী। তারপরেও একজন আমেরিকান নাগরীককে কী সেই সেনাবাহিনীর কোনও অফিসারের রক্তচুক্ষু দেখতে হয়? না হয় না। এখানে কোনদিন কোন অফিসার এসে কোন সাধারন নাগরিক কিংবা সাংবাদিককে ধমক দিয়ে কথা বলার মতো দুঃসাহস দেখাবে না। কারন, এদের মাইন্ডসেট ভিন্ন। এরা নিজেদেরকে ওই সাধারন মানুষের অংশ মনে করে, যা বাংলাদেশের অফিসাররা মনে করেন না। তারা নিজেদেরকে অনেক বেশি সুপিরিয়র মনে করেন। তারা নিজেদেরকে প্রভু মনে করেন। তবে এই প্রভু মনে করার পেছনে আমাদের রাজনীতিও সমানভাবে দায়ী। তাদের অধপতনের ফলেই তাদের উপর অন্যরা চড়াও হতে পেরেছে।
সেদিন সেই অফিসারের ধমক নাগরিক হিসেবে আমাকে বিচলিত করেছে। আমাকে অপমানিত করেছে; নাগরিক হিসেবে মাথা উচু করে হাটবার অহংকারকে খর্ব করেছে। যতদিন সেনাবাহিনীর ভেতর এমন এটিচিউট থাকবে, ততদিন বাংলাদেশের গণতন্ত্র বারবার হুমকির মুখেই থাকবে।
আমি আজো ঘুমের ঘোরে, কিংবা দুপুরে কাজের ফাঁকে, কিংবা লাঞ্চে পর হাটার সময়, নয়তো কোন বই পড়বার সময়, সেই ভদ্রলোকের হিংস্র মুখটা দেখতে পাই। আমি ভয়ে শিউরে উঠি। ভাবি, এই পৃথিবীতে এতো মাটি থাকতে প্রভু আমাকে অমন একটা জায়গায় ফেললেন কেন! একজন সাধারন মানুষ হিসেবে আমার কী অপরাধ ছিল? আমাকে তার রক্তচুক্ষু দেখতে হলো কেন! আমার সন্তানদের যেন এই অসভ্যতা দেখতে না হয়।
২৫ এপ্রিল ২০০৯
স্যান্টা ক্লারা, ক্যালিফোর্নিয়া


Comments
To: WatchDog_bd
WatchDog_bd | April 29, 2009 - 12:18pm :
এ কথা পানির মত পরিস্কার আমাদের রাজনীতিবিদ্দের শতকরা ১০০ ভাগই রাষ্ট্রীয় চোর।
This type of remarks bear clear stupid manner about a nation,not only that, your statement is completely wrong and you have a intention to impose Bangladesh as bad politicians.
Around the world even in fast world, politician are also corrupted!
If I say,
'On the other hand,the place you live: all people are thief and stupid'
Now tell me, how do you feel?
Keep stopping to blame generally, if you have clear evidence then write mentioning particular person.
you have two options:
1. To be an immigrant(after getting immigration in other country, they say Bangladesh is a bad place and these people are animal).
2. To be a real Bangladeshi(any how you have to respect people and contribute to improve in all parts,it might cause a lot of sufferings too).
-----------------------------------------------
Long Live Bangladesh.
সমুদ্র...
গতানুগতিক সেনা শাষনের সাথে ১/১১'র সেনা হস্তক্ষেপের কতগুলো মৌলিক এবং গুনগত পার্থক্য ছিল, যা নিরপেক্ষ দৃষ্টিতে দেখলে দেখা যাবে, আর দলীয় চশমা লাগিয়ে দেখলে গনতন্ত্র হত্যা, অবৈধ শাষন এ জাতীয় গতবাধা কিছু প্যাচালই শুধু সামনে আসবে। ১/১১'র ইস্যুকে কাজে লাগিয়ে সেনাবাহিনীর উচ্চাভিলাষী কোন অফিসার ক্ষমতা দখল করতে আসেনি। অন্তবর্তীকালিন সরকারের ১৮ মাসের শাষনে ক্ষমতার চেয়ারে কোন active সেনা অফিসারকে দেখা যায়নি। তারা আগাগোড়াই ছিল পর্দার অন্তরালে। অন্যদিকে আমাদের ৩৮ বছর ইতিহাসে এবারই প্রথম সেনা সমর্থিত কোন সরকার লুকায়িত কোন এজেন্ডা বাস্তবায়ন করতে আসেনি, তাদের বক্তব্য ছিল পরিস্কার; নির্বাচন দিয়ে গনতান্ত্রিক সরকারের হাতে ক্ষমতা ফিরিয়ে দেয়া।
এ কথা পানির মত পরিস্কার আমাদের রাজনীতিবিদ্দের শতকরা ১০০ ভাগই রাষ্ট্রীয় চোর। এ কাজে তারা শিক্ষা ব্যবস্থা, বিচার ব্যবস্থা সহ রাষ্ট্রের সব ইনস্টিট্যুশান গুলোকে নির্বিচারে ব্যবহার করে থাকে। আজকের প্রধানমন্ত্রী ১৪টা র্দুনীতি মামলার আসামী, বিরোধী দলীয় নেত্রী লাখ লাখ কালো টাকা সাদা করেন চুপিসারে। এ দুই নেত্রীর কারোরই বৈধ ব্যবসা বা স্থায়ী রোজগারের কোন উৎস নেই, তা হলে কোত্থেকে আসে কালো টাকা? কোন যাদুবলে প্রধানমন্ত্রীর ছেলে মার্কিন দেশের ব্যবসায়ী? ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে বিচার ব্যবস্থাকে কুক্ষিগত করা রাষ্ট্রীয় লুটপাটেরই অবিচ্ছেদ্য অংশ, সুতরাং র্দুনীতির মামলা গুলো আলোর মুখ দেখার আগেই যে গহীন অন্ধকারে থুবড়ে পরবে তা আন্দাজ করতে বিশেষ পন্ডিত হওয়ার দরকার পরেনা। কিন্তূ ১/১১র সময়টা ছিল ভিন্ন। বনখেকো আর ভূমিখেকোদের কদাচার চেহারা নেংটা করার পাশাপাশি তদের প্রভূদের কাপড়ও খুলে নেয়া হয়েছিল। খুলে নেয়া কাপড়ের লজ্জা হতে হাসিনা-খালেদা এবং তাদের চৌদ্দগুষ্টির যে বিভিৎস চেহারা বেরিয়ে এসেছিল তা জাতিকে স্তম্ভিত করেছিল। বাংলাদেশের স্বাধীনতার অন্যতম রুপকার সাজাহান শিরাজ একাই সরপরিবারে শত কোটি টাকা হাতড়ে নিয়েছেন যমুনা বাধের নামে। পুরস্কার হিসাবে পরিবারের সবাই মিলে আয় করেছেন ১১৩ বছরের জেলটার্ম। ১/১১ সরকারের এসব আবিস্কারের সবটাই কি ছিল বানোয়াট? হ্যা, দলীয় চামুন্ডাদের এটাই একমাত্র শান্ত্বনা, বানোয়াট। কিন্তূ সবকিছুই যদি মিথ্যা হত তা হলে বাংলাদেশ বিশ্ব চোরাই সমিতির চ্যাম্পয়ন হতনা, তাও আবার পরপর পাচ বার!
১/১১ কোন সরকার ছিলনা, এটা ছিল রাজনীতিবিদ্দের বিকৃত মানষিকতার অবৈধ ফসল। এ ফসল সাপ হয়ে ছোবল হেনেছিল শেখ আর জিয়া পরিবারে। সে ছোবলের প্রতিশোধ নিতেই আজকের এই বিডিআর ম্যাসাকার। ১/১১ সফলতার মুখ দেখেনি, হয়ত দেখাও সম্ভব ছিলনা। কিন্তূ বিগত ৩৮ বছরে এই প্রথম বাংলাদেশের রাজনীতিকে ক'টা মাসের জন্যে হলেও নেংটা করা হয়েছিল, এবং এর সবটুকু কৃতিত্বের দাবিদার হতে পারে বিদায়ী ১/১১ সরকার।
আপনাদের অনেকের কাছে শেখ হাসিনা জাতির পিতার আদুরে সন্তান হতে পারেন, জননেত্রী হতে পারেন, কিন্তূ আমার কাছে উনি শ্রেফ চোর। আর পঞ্চম শ্রেনী ফেল গৃহবধূর ক্ষমতা যাত্রার কথা বলে আপনাকে লজ্জা দিতে চাইনা/
ভাল থাকুন
ওয়াচডগ ও স্বপন ভাই
সেনাবাহিনী সম্পর্কে আপনি যা লিখেছেন তা অনেকখানিই সত্য। জিয়া বা এরশাদের শাষনামল এ দেশকে কোন অমৃত উপহার দেয়নি। তবে আমাদের ভুলে যাওয়া উচিৎ না সিটিজির সময়কার দুবছরের কথা। এ বিষয়ে আশাকরি সবাই ( দলীয় সমর্থক ছাড়া) একমত হবেন যে এই দুটা বছর বাংলাদেশের ইতিহাসে ব্যতিক্রমী দূটি বছর। বাংলাদেশের রাজনীতি যে আওয়ামীলীগ ও বিএনপি নামক দুই গুন্ডাবাহিনীর হাতে জিম্মি তা কে না জানে! কিন্তু কে এই দু দলের গুন্ডাদের বিচারের মুখোমুখি করেছে?অসীম শক্তিশালী হাসিনা ও খালেদা নামক দুই ডাইনির আকাশ সমান সম্পদের ভান্ডার কে উন্মোচিত করেছে? বিশ্বের অন্যতম ধনী ব্যক্তি তারেরককে কে হুইল চেয়ারে বসিয়েছে? বিশ্ববিদালয়ের লাল, নীল, গোলাপী শিক্ষক নামধারী রাজনৈতিক দালালদের মুখোষ কে উন্মোচিত করেছে? এই যে আজ আপনি আমি হাসিনা খালেদাকে চোর , ডাকাত ডাকার সাহস পাচ্ছি, তার উৎস কি? প্রমান ছাড়া কি তাদেরকে চোর, ডাকাত ডাকার সাহস পেতাম? হ্যা এই অসম্ভবকে সম্ভব করেছে আমাদের সেনাবাহিনী। আর অসম্ভবকে সম্ভব করার দায়ে আজ তারা মরে, পচে ম্যনহলে নিক্ষিপ্ত হয়েছে, তাদের পরিবার সীমাহিন পৈশাচিকতার শিকার হয়েছে। একজন মুজিব হত্যা, জিয়া হত্যা বা হাসিনার সভাস্থলে বোমা হামলা আর বিডিয়ার হত্যাকান্ড এক নয়। এর আগের হত্যাকান্ডের সাথে জরিত ছিল ক্ষমতা দখল। সাধারন জনগনের সাথে কোন লেনাদেনা ছিল না। আর এবারের সেনা হত্যার সাথে ক্ষমতার কোন দ্বন্দ নেই। তবে এবার জনগনের স্বার্থ সরাসরি জরিত। কারন জনগনের স্বার্থ রক্ষার্থেই সেনাবাহীনিকে এই বলি দিতে হয়েছে। এই হত্যাকান্ডের বিচার জনগনকেই করতে হবে।
স্বপন ভাই নিউ এজের সম্পাদক নুরুল কবির বাংলাদেশের দুর্নিতির ঔরষে জন্ম নেয়া একজন নীতিহীন সাংবাদিক।বাংলাদেশের আর দশটা দৈনিক পত্রিকার সম্পাদকের মত উনারও কাজ হচ্ছে দুর্নিতিবাজদের স্বার্থ সংরক্ষন। এবার ঘায়েল হওয়া সেনাবাহীনিকে হাতে পেয়ে আরেকটু লাইমলাইটে আসার প্রচেষ্টা স্বরুপ এক নাটকের অবতারনা করেছেন। সেনাবাহীনি নিজেকেই রক্ষা করতে পারছে না, আর তাদের ভয়ে নুরুল কবির পালিয়ে বেড়াচ্ছেন ! এরচেয়ে হাস্যকর আর কি হতে পারে!
একজন ক্ষমতাবান মানুষ আর সাধারণ মানুষে এটাই পার্থক্য.............
"আমরা যদি সমাজ হুংকার দিয়ে চালাতে চাই, তাহলে ফলাফল দেখার জন্য পাকিস্তানের দিকে তাকালেই হয়। জন্মের পর থেকে হুংকার দিয়েই চলছে। আর এখন তাদের অস্তিত্ব নিয়েই টানাটানি। আশা করি, আমরাও একই পথ পরিক্রম করছি না।====এজন্যই আমরা একটা নিরেট নির্ভেজাল গণতন্ত্র চাই। কোন সামরিকতান্ত্রিক গণতন্ত্র নয়। আর্মিদের আমরা আমাদের দেশ পাহাড়া দেয়ার জন্য নিয়োগ দিয়েছি, বেতন দিচ্ছি। ওরা বন্দুক হাতে দেশের চর্তুসীমানা পাহাড়া দেয়ার কাজে থাকবে, বন্দুক হাতে রাষ্ট্র পরিচালনার কাজে নয়। আমরা আমাদের রাষ্ট্র পরিচালনায় আর কোন বন্দুকধারী জিয়া-এরশাদের মূখ দেখতে চাই না। ওরা আমাদের দেশের সর্বনাশ যতটুকু করেছে ততটুকুতেই ক্ষান্ত থাকুক................
সবাই ভাল থাকুন,
সুস্হ থাকুন,
সুন্দর থাকুন-
-হৃদয়
WD
let me add few lines with your army para .from a sipahi to a cadet get training
with the concept of " i am a soldier " . but in bangladesh i am a soldier concept applicable to sipahi only . cadets get training with the concept of " i am the best " .
we are having trouble in our family with a i am the best brain washed kid . this young officer when comes to visit family , he can not mix up with the other family members just because of his i am the best mentality . and we know one day this kid will treat me as a bloody civilian .
চোরের দুনিয়ায় সবই গদ্যময় - WatchDog
বিডিআর হত্যাকান্ড নিয়ে পানি ঘোলা হচ্ছে, এবং তা অনেক দিন ধরেই ঘোলা হতে থাকবে। যে কোন বিচারে এ হত্যাকান্ডের ব্যাপ্তি এত বিশাল যে, সহজে এ মর্মবিদারী ঘটনাটা আর দশটা সাধারন ঘটনার মত ধামাচাপা দিয়ে পার পাওয়া যাবেনা। যেহেতু আওয়ামী লীগ এখন ক্ষমতায় তাই ঘটনার রাজনৈতিক মেরুকরনের বাইরেও এর আইনগত দায়-দায়িত্ব সবটাই এ দলটির উপর বর্তাবে। এখানে স্বাধীনতার স্বপক্ষের শক্তি আর বংগবন্ধুর নামের তাবিজ ঝুলিয়ে খুব একটা সূবিধা করা যাবে বলে মনে হয়না। কারা, কেন এবং কোন প্রেক্ষাপটে এধরনের পৈচাশিক ঘটনা ঘটিয়েছে রাজনীতির হিসাব নিকাসের কাছে তা চাপা পরতে বাধ্য, আমরা বোধহয় মাঝে মধ্যে ভূলে যাই কোন দেশে আমাদের বাস। আমাদের বিচার ব্যবস্থা ক্ষমতাসীন রাজনীতির কাছে বস্তাবন্দী, সুতরাং এমন একটা সমাজ ব্যবস্থায় আইনী লড়াইয়ে ন্যায় বিচার আশা করা হবে দূরাশা মাত্র। বিশেষ করে ক্ষমতাসীন দলের কেউ এই অপকর্মে জড়িত থাকলে সরকারের সর্বোচ্চ পর্য্যায় হতে তা manipulate করা হবে। এমনটা অতীতে যেমন হয়েছে ভবিষতেও হতে বাধ্য। তাহলে বিচারটা হবে কিভাবে?
খুব শীঘ্রই একটা রিপোর্ট বের হতে যাচ্ছে, যার সারমর্ম হবে বিডিআর জোয়ানরা তাদের বঞ্চনার প্রতিশোধ নেয়ার জন্যে এ হত্যাকান্ড ঘটিয়েছে, বাইরের কেউ এতে জড়িত ছিলনা। গোটা দশেক জওয়ানকে ফাসিকাষ্ঠে ঝুলানো হবে এবং আরও প্রায় ৫০জনকে যাবৎজীবন কারাদন্ড দিয়ে আওয়ামী সরকার বুক ফুলিয়ে ন্যায় বিচারের জাতীয় সংগীত গাইতে শুরু করবে। এভাবেই পরিসমাপ্তি হবে এ ন্যাক্কারজনক অধ্যায়ের। ভোটের রাজনীতিতে মুক্তিযুদ্বের ঠিকাদার আওয়ামী লীগ পরাজিত হলে এ অধ্যায় নতুন করে খোলা হবে, বেরিয়ে আসবে অনেক অজানা কাহিনী। কিন্তূ সব কিছু মেনে নিয়ে সেনাবাহিনী হাত পা গুটিয়ে বসে থাকবে তা বোধহয় হতে যাচ্ছেনা। সেনাবাহিনীর মৃত্যুদন্ড কাদের জন্য প্রযোজ্য তারা তা ভাল করেই জানে, এবং বাংলাদেশে বাস করতে গেলে এ দন্ড যে কোন সময় যে কার্যকরী হতে পারে তা রাজনীতিবিদ্দের ভাল করেই জানা আছে। বাংলাদেশের রাজনীতি এ পথেই চলছে গত ৩৮ বছর ধরে। এর পর আসবে বিচারের পালা (দলীয়)। আজকের আওয়ামী সরকারের হাতে অগুনিত বিচারের এজেন্ডা; রাজাকারের বিচার, শেখ হত্যার বিচার, হাসিনার সভায় গ্রেনেড হামলার বিচার, কিবরিয়া হত্যার বিচার, বিচারের এলাহি তালিকা! আমরা জানি বিচার করা আইনের কাজ, এর জন্যে রয়েছে দেশের আইন, আদালত, উকিল, বিচারক, মুহুরী সহ বিশাল এক বাহিনী। অথচ বিচার প্রক্রিয়া শুরু হয় রাজনৈতিক সিদ্বান্তে। এখানেই আমাদের ব্যর্থতা। অপরাধী অপরাধ করে এতটুকু নিশ্চয়তা পেয়ে, তাকে আইনের হাত হতে মুক্ত করতে রয়েছে তার গডফাদার।
সেনাবাহিনী কি ধোয়া তুলশি পাতা? তাদের কাছে সাধারন জনগন bloody civilian বুঝায় তা কি সত্য নয়? সেনাদূর্গ র্দূনীতির আখড়া, এর পরতে পরতে লুকায়িত আছে চুরি চামারির বর্বর কাহিনী। বিডিআর জওয়ানদের মূল ক্ষোভটা আমাদের ভাল করেই জানা আছে, সীমান্তে চোরাচালানের বখরা নিয়ে মারামারি। সমস্যা হচ্ছে, আমরা সেনাবাহিনীকে সে ভাবেই তৈরী করি, ক্যাডেট কলেজের নামে এমন এক শিক্ষা ব্যবস্থা কাজ করে যেখানে ভবিষত সেনা অফিসারদের মগজে ঢূকানো হয় তাদের supremacy। এরা সেনা চাকরী হতে বেরিয়ে শুরু করে নতুন এক জীবন; কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান, মন্ত্রী, রাষ্ট্রদূত - এসব যেন তাদের জন্যে অপেক্ষায় থাকে। সেনা অফিসারদের দম্ভ জন্ম নেয় রাজনীতির কলুষিত জড়ায়ুতে। আমাদের রাজনীতির মূল কাজ হচ্ছে চুরি, এর ব্যপ্তি সরকার প্রধান হতে শুরু করে স্থানীয় সরকারের কেরানী পর্য্যন্ত। সেনা অফিসারদের তা ভাল করেই জানা আছে, আর এ জন্যেই তারা সাহষ পায় সিভিলিয়ানদের bloody বিশেষনে আখ্যায়িত করতে। বাংলাদেশের মাথামোটা রাজনীতিবিদ্রা সেনাবাহিনীর কাছে নিজদের তুলে ধরে তাদের সেবাদাস হিসাবে, প্রভু হিসাবে নয়।
যতদিন রাজনীতির এই কলংক আমাদের দেশ হতে উৎপাটন করা না যাবে, স্বার্থের লড়াই চলতে থাকবে এবং মাঝে মধ্যে রক্ত দিয়ে এই অপরাধবোধের প্রায়শ্চিত্য করতে হবে। যেমনটা করেছে সেনা অফিসারের দল
Mr ZS
মি জেড এস,
সরাসরি আমাকে লিখার জন্য আমার বেশ ভালো লাগছে।
আর আপনার মত করে এখানে আমাকে কেউ লেখে না, কাজেই লেখাগুলো কয়েক বার পড়লাম ভালো লাগলো, ধন্যবাদ।
আপনি বলেছেন, "আর প্রবাসীদের নিয়ে যে কথাগুলো বলেছেন, সেটা খুবই অমূলক। এই বিষয়ে আপনার আরো অনেক লেখাপড়ার দরকার আছে বলে আমি মনে করি।"
হ্যা, আমাকে আরো জানতে হবে এবং জানার চেষ্টায় থাকবো ...সে সব প্রবাসীরা বাংলাদেশকে নিয়েই শুধু চিন্তা করে তাদেরকে আমি খুবই শ্রদ্ধা করি, আর যে সব জ্ঞাত, অজ্ঞাত প্রবাসীরা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে দেশের স্বার্থে কাজ করছে তারা চলার পথই হলো বাংলাদেশ।
আর আরেকটি কথা, আমাকে যেমন জোর করেই বিএনপি বানিয়ে দেয়, তাই আমিও লোকজনকেও আওয়ামী লীগ বানিয়ে দিই, আর ইমেলাতে এসে এটা ভালো ভাবে রপ্ত করেছি ...
Save Bangladesh: No more farakka
জনাব বিডি০৮
আপনি ঠিকই বলেছেন। আপনার সাথে আমিও একমত যে, আওয়ামীলীগও আমাদের দেশের বারোটা বাজিয়েছে। আমাদের দূর্ভাগ্য যে, আমরা দেশ স্বাধীন করার মতো নেতা পেয়েছিলাম বটে, কিন্তু দেশ পরিচালনার জন্য সঠিক নেতৃত্ব পাইনি। আওয়ামীলীগও এর জন্য দায়ী। কিন্তু আমার এই লেখার উদ্দেশ্য আওয়ামীলীগ নয়। আওয়ামীলীগের মানুষজন তাদেরকে সমর্থন না করলে যেমন আপনাকে জোর করে বিএনপি বানিয়ে দিচ্ছে, আপনিও আমাকে তাই করছেন :-) :-) আওয়ামী সমালোচনা যেমন বিএনপির সমর্থন নয়, আবার সেনাবাহিনীর সমালোচনাও আওয়ামী সমর্থন নয়। আমাদেরকে এইসব থেকে বের হয়ে আসতে হবে। আপনি নিজের লেখাটি পড়লেই বুঝতে পারবেন।
আরেকটি বিষয়: কোনও একটি ঘটনার অবতারণা মানেই পুরো গোষ্ঠির সমালোচনা নয়। আমাদের সমাজে এমন একটি ঘটনা ঘটেছে, সেটাই মূলত বলা। আপনি কি বলতে পারবেন, সমস্ত বিডিআর জোয়ান খারাপ? কিন্তু তারপরেও তো আমরা বিডিআরদের সমালোচনা করছি, তাই না?
আর প্রবাসীদের নিয়ে যে কথাগুলো বলেছেন, সেটা খুবই অমূলক। এই বিষয়ে আপনার আরো অনেক লেখাপড়ার দরকার আছে বলে আমি মনে করি।
পুনশ্চ: আপনার কথায় আমি মোটেও কষ্ট পাইনি। আপনার মত প্রকাশের পূর্ণ স্বাধীনতা রয়েছে। তবে মত প্রকাশের জন্য যদি কারো উপর খর্গ উঠে আসে, তখন সেটা কাম্য নয়। কলমের উত্তর হতে হয় কলম দিয়ে, বন্দুকের নল দিয়ে নয়।
roshi chira pagol bdo8
you did not get back to pabna mental hospital ? hasina's police looking for you .
keep barking untill 2013 .
মি জেড এস, image processing
মি জেড এস,
আমার কথার দ্বারা আপনাকে বা কাউকে আঘাত দেওয়ার ইচ্ছে আমার বিন্দু মাত্র নেই।
আমি স্পষ্টই আওয়ামী রাজনিতি ও তাদের কর্ম নীতি মোটেই পছন্দ করি না। আর এতেই বাংলাদেশের রাজনৈতিক আবহাওয়ায় আমাকে যে বিএনপি বানিয়ে দেওয়া হবে এটা খুবই স্বাভাবিক। আর এখানেই আওয়ামী লীগের আরেকটি মহা ভুল।
আওয়ামী লীগ ১৯৭১ সালের পর থেকেই (স্পষ্ট করেই মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন থেকেই) বাংলাদেশে ভুলের রাজনীতি করে চলছে। এতে আমরা সাধারন জনগনকে মাশুল দিতে হচ্ছে। এই শুকুনেরা বাংলাদেশে এমন পরিবেশ তৈরী করেছে যেই এদের বিরুদ্ধে কথা বলবে তাদের সম্পর্কে চরিত্র হরন, মিথাচার, মিডিয়া দিয়ে মরা গরুতে পরিনিত করে দেশের বারোটা বাজিয়ে দিতে চায়... এই আমরা সাধারন জনগনই আওয়ামী শুকুনদের কাছ থেকে দেশকে বাচিয়ে রেখেছি ...
আপনি বাংলাদেশ আর্মীর এক অফিসারের হুংকার দিয়ে দেশের আর্মী বাহিনীর ইমেজ তৈরী করতে লাগলেন.. দেশের আর্মীর ইমেজ নষ্ট হলে কার লাভ আর কার ক্ষতি ? বাংলাদেশে বেড়ে উঠা শিশুরা ঠিকই বুঝে ... বুঝবে না হাসিনা-পুত্র জয় কিংবা জয়-পুত্র-রা ... আমাদেরকে আমাদের মতন থাকতে দিন, বাহির থেকে কমান্ড বা দাদাগিরি করার দরকারটা কি?
আর এক অফিসারের হুংকার দিয়ে কোন সফটওয়ার বা algorithm বা কোন গানিতিক মডেল দিয়ে পুরো আর্মিদের ইমেজ তৈরীতে হাত দিলেন ...যদি বলি ঐ গানিতিক মডেলটি সুধাসদন থেকে এসেছে ? তবে কি খুব ভুল বললাম?
তবে বলুন, এক ক্ষমতাবান আর্মি অফিসারের হুংকারে যদি সমস্ত আর্মীর ইমেজ তৈরী করতে পারেন ...তবে কেন আওয়ামী ক্ষমতাবান এক হাসিনার সাথে শিব-সেনা, আর পিনাক বাবুদের গোপন ইষ্টি-ফষ্টিতে আগামী দিনের বাংলাদেশের ইমেজ তৈরী করতে পারছেন না ... কেন কেন ...
input, BAL (image processing ..... ) = বাকশাল ...then ইন্ডিয়ার অংগ রাষ্ট্র।
উল্লেখ থাকে, বাংলাদেশের মাটিতে বেড়ে উঠা শিশুরাই বাংলাদেশকে তাদের বুকে ধারন করে রেখেছে, এটাই দেশের প্রতি ভালোবাসা। এটা বলে কয়ে সম্ভব নয়, এটা অটোমেটিক ...যাদের সন্তানেরা সুদুর বিদেশে বেড়ে উঠচ্ছে তাদের কমান্ড আমরা মানতে চাই না, মানবো না। কাজেই ঐসব ভাগ্যবান শিশুদের (হতভাগ্য )প্রবাসী পিতাদের বলতে চাই, আমাদেরকে হেয় প্রতিপন্ন করবেন না, We are Bangladeshi, at any cost, we will improve our country by our means, not by any foreign command.
Save Bangladesh: No more farakka
Power
if you are powerful you don't have to show your power ( we know you are powerful !! ) , all you need to absorb your power and that's the way it should be .
our armed forces and politicians should know that power comes and power goes .
একজন ক্ষমতাবান মানুষ আর সাধারন মানুষে এটাই পার্থক্য
একজন সাধারন নাগরীক আর একজন ক্ষমতাশালী মানুষের এটাই পার্থক্য। সাধারন মানুষ অনেক কিছু করতে চাইবে, কিন্তু করার সেই ক্ষমতা তার থাকবে না। তাই তার হুংকারও হবে কলমে কিংবা আর্তচিৎকারে। কিন্তু যার করার ক্ষমতা আছে সে হুংকার দিলে বিপদ, কারন তার কাজটি করার ক্ষমতা আছে। এবং হয়েছিলও তাই। এক ধমকে সবগুলো টেলিভিশন ষ্টেশন তাদের সুর পাল্টে ফেলেছিল মুহুর্তেই। এটাই পার্থক্য।
এর একটি প্রকৃষ্ঠ উদাহরণ হলো দৈনিক নিউ-এজ পত্রিকার সম্পাদক জনাব নূরুল কবির সাহেব। তিনি বিভিন্ন ইস্যুতে খুব সোজা সাপ্টা কথা বলে থাকেন; এবং তার হুংকার সেই টিভির পর্দা কিংবা পত্রিকার পাতা পর্যন্তই। একজন লেখকের জন্য তো তাই। কিন্তু বেচারাকে সেই কথা বলার জন্য নিজের ঘর ছেড়ে পালিয়ে বেড়াতে হচ্ছে। নূরুল কবির সাহেব কাউকে ঘর ছাড়া করতে পারবেন না (কিংবা মুখে বললেও কাজে করবেন না); কিন্তু তাকে কারা ঘর ছাড়া করছে সেটা তো আমরা জানি। এটাই হলো পার্থক্য।
আমরা যদি সমাজ হুংকার দিয়ে চালাতে চাই, তাহলে ফলাফল দেখার জন্য পাকিস্তানের দিকে তাকালেই হয়। জন্মের পর থেকে হুংকার দিয়েই চলছে। আর এখন তাদের অস্তিত্ব নিয়েই টানাটানি। আশা করি, আমরাও একই পথ পরিক্রম করছি না।
আপনাদের মতামতগুলো খুবই অর্থবহ। আমি সত্যি সত্যি প্রসংশা করছি। মানুষের ভাবনা তো এমনই হওয়ার কথা। এবং এভাবেই বিভিন্ন মতবাদ এবং ধারনা নিয়ে মানুষ সহাবস্থান করবে - সেটাই সভ্যতা।
ZS's article and dual character
Mr Betrayed explained ZS's dual character ... excellent
ZS's told, আমি হলে এক টিন কেরসিন এনে হাসপাতাল জ্বালিয়ে দেয়ার কথা ভাবতাম। [বয়ে যায় নদী: পর্ব-১৪]
ZS's told, একজন সভ্য মানুষের এক্সপ্রেশন এমন হতে পারে, আমি বিশ্বাস করি না।[বয়ে যায় নদী: পর্ব-১৫]
Mr ZS,
Some AL fundamentalists are always trying to establish a bad image about Bangladesh army since 1971, at the beginning of liberation war.
role of Bengal regiment in liberation war, is considered the real spirit of BD liberation. The same spirit is still contain in todays Bangladesh army. We are proud for our army, those not are nothing more than a secularist (the other name is, Indian DALAL)
Save Bangladesh: No more farakka
To what extent Army should show professionalism??!!
Army are not general public only in special sircumstances. But most of the time basically they are general, they have family, love, emotion. They have all that a general public has. But to what extent they should show professionalism? And when you are watching rotten body of their colleagues, more over where they had something to do but they could not only for lacking of direction. And we are telling they should show their professional attitude at that situation also?! Are we insane? This is called the decay. Decay of our conscience.
সমুদ্র এবং বিট্রয়েড-কে
আপনাদের সুন্দর মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ। আপনাদের লেখার সাথে এটুকু যুক্ত করতে চাই -
১. শেখ হাসিনার কাউকে বুকে জড়িয়ে ধরার বিষয়টি হয়তো রাজনৈতিক হয়তো নয়। দুটো মন্তব্যই প্রচলিত আছে। যারা শেখ হাসিনাকে পছন্দ করেন না, তারা বলেন এটা অভিনয়। আর যারা তার ভক্ত তারা বলেন, আপা আসলেই কত ভালো। এই ভালো মন্দ নিয়ে আমার মন্তব্য নয়। আমি বলতে চেয়েছি, খালেদা এখনো ওটা শিখে উঠতে পারেননি। তাদের বাহ্যিক এই পার্থক্যটুকু সবসময় চোখে পড়ার মতো, এতটুকুই। এটা আমাকে মাটেও মোহিত করে না। মোহিত করতো যদি তার অন্যান্য কর্মকান্ডগুলো ওই একই ধরনের হতো। সেটা যেহেতু হচ্ছে না, তাই তো আমাদের এতো কথা, তাই না?
২. আপনারা দু'জনই বলেছেন, সেই অফিসারের অভিব্যাক্তি সঠিক ছিল। অমন পরিস্থিতিতে ওই রকম আচরন করাই সঠিক ছিল। এখানেই আমি দ্বিমত পোষন করছি। মনে রাখতে হবে, তিনি আমার আপনার মতো সাধারন মানুষ নন। আমরা অনেক কিছু করতে পারি, কারন আমরা আম-জনতা। আমরা কবি হতে পারি, আমরা ভবঘুরে হতে পারি, আমরা শিল্পী হয়ে গান গাইতে পারি, একজন চিত্রশিল্পী হয়ে ছবি আকতে পারি, দিনের পর দিন না খেয়ে অনশন করতে পারি, প্রতিবাদ বিক্ষোভে ফেটে পড়তে পারি। কিন্তু একজন সুশৃঙ্খল বাহিনীর কেউ এটা করতে পারেন না। যার উপর দায়িত্ব যত, তার অভিব্যক্তি তত কম প্রকাশ পাবে। একজন প্রধানমন্ত্রীর সামান্য ভ্রু কুচকে বিরক্তি প্রকাশই অনেক। তাকে চিৎকার করে কিছু বলতে হয় না। আর যাদের হাতে অস্ত্র এবং আমাদের নিরাপত্তা জড়িত, তাদেরকে রাস্তার মানুষের মতো ব্যবহার করলে তো চলবে না। তারা কঠিন কফিন নিয়ে কাঁদবে,তার সাথে কাদবে সারা দেশ; কিন্তু তারা বিক্ষোভে ফেটে পড়বে না। তবেই না সে সৈনিক।
পরিশেষে, আমার এই ব্লগটি বিডিআর আর সেনাবাহিনীর ভেতর তুলনা নয়। একেক পর্বে একেকটি ইস্যু আসছে। সেনাবাহিনীর এই হত্যাকান্ড কারো কাছেই গ্রহনযোগ্য নয়, হতে পারে না। এই জঘন্য কাজটি বাংলাদেশের মানুষ চিরদিন মনে রাখবে। তাদের কথা ভেবে আপনাদের যেমন বুক কেঁদে উঠে, যেকোন সংবেদনশীল মানুষের মতো, আমরো একই কষ্ট। কিন্তু তাই বলে আমি একপক্ষ নিয়ে অন্ধত্ব বরণ করতে রাজী নই।
এক হাতে যেমন তালি বাজে না, এই দূর্ঘটনাও এক পক্ষীয় কোন বিষয় থেকে হয়নি। আমাদেরকে সেটা মনে রাখতে হবে। আর যদি আমরা আবার অন্ধের মতো একটা পক্ষ নিয়ে ফেলি, তাহলে পূর্বের মতো আমরা ভুল করবো বলেই আমার বিশ্বাস। বিডিআর-এর যেমন দোষ আছে, সেনাবাহিনীরও সেটা আছে। কেউ ধূয়া তুলশী পাতা নয়। সেটা ভুলে গেলে চলবে না।
আপনাদের মতামতের জন্য আবারো ধন্যবাদ।
To Betrayed (JR)
The points you made out on ZS's article, are just awesome. Instead of going into the depth of a real and independent investigations, as usual, the PM Hasina's junior ministers, the awami leaguers, the awami medias, and the 'awami vrittos' of the e-mela forum - are constantly trying to take you and our minds into different scenarios-directions.
Down on them!
JACKOB RAIHAN
Betrayed............
"পিলখানাতে যখন শত শত অফিসার মরছিল, তাদের স্ত্রী-কন্যারা গণ ধর্ষনের শিকার হচ্ছিল, আমরা সিভিলিয়ানরা তখন মিছিল করছি...বি.ডি.আর জনগণ ভাই ভাই.....!!!===কেন এমনটি হল? কারন, বিডিআরকে তারা ভেবেছিল অত্যাচারিত, আর আর্মিকে ভেবেছে অত্যাচারী, ক্ষমতালোভী আর ভোগলিপ্সু। মানুষকে কিছুটা সময়ের জন্য বোকা বানানো যায়। সব সময়ের জন্য নয়। আপনার নেতা জিয়াইতো ক্ষমতা দখলে রাখার অসৎ উদ্বেশ্য বাস্তবায়নের জন্য বাংলাদেশ আর্মিকে ক্ষমতা লিপ্সু আর ভোগলিপ্সু বানিয়েছে। যার কুফল এখনো বাংলাদেশ আর্মিকে বয়ে বেড়াতে হচ্ছে।
আর একটা কথা, আপনার নেত্রী উঠে এসেছেন তাদের মধ্য থেকে, যারা নিজেদের ভাবে সামন্ত প্রভূ, মানে আমাদের পোষ্য সেই সেনাকর্মকর্তা বাহিনী। আর আপনার নেত্রী এখনো বাস করছেন তাদের মাঝেই। কাজেই একজন নিঃস্ব অসহায়কে জড়িয়ে ধরে শান্তনা দেয়ার সংস্কৃতি তার মাঝে গড়ে উঠবে কিভাবে? আত্ম সমালোচনা করুন ভাল লাগবে...............
সবাই ভাল থাকুন,
সুস্হ থাকুন,
সুন্দর থাকুন-
-হৃদয়
বয়ে যায় নদীঃ পর্ব-১৫ প্রসংগে................
*"প্রজাতন্ত্রের একজন কর্মকর্তার কাছে এমন ব্যবহার কেউ আশা করেনি।"=== এটা আর তেমন কি আচরণ! এদরেই একজন কি অস্র হাতে ক্ষমতা দখল করেন নি? আবার এ দখল পাকাপোক্ত করার জন্য হাজার হাজার সেনা সদস্য হত্যা করেন নি? নাস্তার টেবিলে একহাতে কাটা চামচ নিয়ে আরেক হাতে ৭৭ জন অফিসারের ফাঁসির আদেশে সই করেন নি?
তারা কি সপরিবারে জাতির জনককে হত্যা করেনি? তারাইতো ৭৫ এ অবলা নারী, গর্ভবতী নারী, শিশুদের নির্বিচারে হত্যা করেছিল। তারা হত্যা করেছিল অসুস্হ পঙ্গুকেও।
**"তারা সবসময় নিজেদেরকে সাধারন মানুষের চেয়ে উর্ধ্বে মনে করে। এবং সুযোগ পেলেই "ব্লাডি সিভিলিয়ান" বলে গালি দেয়।"====অথচ তারা খায় দায় আর আরাম করে আমাদের পয়সায়। আমরা তাদের ভরণ পোষণ যোগাই। অকৃতজ্ঞতা আর কাকে বলে। ওরা বাংলাদেশ জন্মের পর ভাল কি করেছে? বেশী খাওয়ার লোভে জাতির জনককে হত্যা করে জন্মের পর পরই বাংলাদেশকে অভিভাবক শুণ্য করেছে।
***"আমেরিকার সেনাবাহিনী এই পৃথিবীর সবচে শক্তিশালী সেনাবাহিনী। তারপরেও একজন আমেরিকান নাগরীককে কী সেই সেনাবাহিনীর কোনও অফিসারের রক্তচুক্ষু দেখতে হয়? না হয় না। এখানে কোনদিন কোন অফিসার এসে কোন সাধারন নাগরিক কিংবা সাংবাদিককে ধমক দিয়ে কথা বলার মতো দুঃসাহস দেখাবে না।"===আমেরিকার সেনাবাহিনী তাদের ভাল আচরণের জন্য জনগণের শ্রদ্বা ভালবাসা কুড়ায়। আর আমাদের সেনাবাহিনী দুর্নীতি আর নিন্দনীয় আচরণের জন্য ধিক্কার কুড়ায়।
****"কারন, এদের মাইন্ডসেট ভিন্ন। এরা নিজেদেরকে ওই সাধারন মানুষের অংশ মনে করে, যা বাংলাদেশের অফিসাররা মনে করেন না। তারা নিজেদেরকে অনেক বেশি সুপিরিয়র মনে করেন। তারা নিজেদেরকে প্রভু মনে করেন। তবে এই প্রভু মনে করার পেছনে আমাদের রাজনীতিও সমানভাবে দায়ী। তাদের অধপতনের ফলেই তাদের উপর অন্যরা চড়াও হতে পেরেছে।"===আমাদের রাজনীতি কতটুকুই বা দেশ শাসন করেছে? মাত্র এক তৃতীয়াংশ সময়। ৩৮ বছরে ১৩ বছর ছিল সামরিক শাসন, ১২ বছর ছিল আধা-সামরিক শাসন। ফলে রাজনীতি শক্তিশালী হতে পারেনি। আশা করি এখন হবে। ওরা ওদের গন্ডির ভিতর থাকবে.............
সবাই ভাল থাকুন,
সুস্হ থাকুন,
সুন্দর থাকুন-
-হৃদয়
Betrayed
ধন্যবাদ অত্যন্ত সুন্দর একটি পোস্টের জন্য।শুধু সরকারী ধোকার "সেনাবাহীনি ধৈর্য্য না ধরলে আজ আমি-আপনি অনেকেই বেচে থাকতাম না"এই কথাটির সাথে একমত নই। সেনাবাহিনী সেদিন ট্যাংক নিয়ে নিরবে চোখের পানি ফেলেছে সরকারি পারমিশন না পাবার অক্ষম আক্রোশে, স্বল্পসংখ্যক অনভিজ্ঞ বিডিয়ার জোয়ানদের সাথে কল্পিত যুদ্ধের ভয়ে নয়।
জাকারিয়া স্বপন ও একটিন কেরোসিন..........।
----আগের দিন যে মহিলার নির্বুদ্বিতায়, সিদ্বান্তহীনতায়, নেতৃত্বের ব্যার্থতায় ৭৫ জন সেনা কর্মকর্তা নির্মম ভাবে খুন হলেন, তাদের স্ত্রী-কন্যারা গণধর্ষনের শিকার হলেন পরের দিন সেই মহিলা তাদেরকে জড়িয়ে ধরাতে আপনি আভিভূত হয়েছেন|
হায় বা;গালী..!!! কত সহজে ধোকা খাই আমরা...!! কত সহজে ভুলে যাই সব..!! কি বিচিত্র এই জাতি..!!
হাসিনার কান্না ও জনগণকে জড়িয়ে ধরার অভিনয় বিদ্যা সমন্ধে মুক্তিযোদ্বা রেন্টু " আমার ফাসি চাই" নামে একটি বই লিখেছিলেন|সময় পেলে পড়ার অনুরোধ রইলো|
পান্জাবী-পাজামা পরিহিত আর্মী অফিসারের চটে যাওয়া নিয়ে আপনি পুরো লেখাটি শেষ করেছেন| রাত জেগে টেলিভিশনে আমিও সব দেখেছি|
গণকবর থেকে যখন লাশ তোলা হচ্ছিল সেই অফিসার সেখানেও ছিলেন এব; মিডিয়াকে তার ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন, সেই একই অফিসার জানাজাতে ও মিডিয়াকে তার ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন, আমরা দেখেছি|
এক জন অফিসাররের এই ব্যবহার দিয়ে আপনি পুরো সেনা বাহিনীকে বিচার করেছেন, এটা অন্যায়| পিলখনায় যখন সেনা বাহিনীর অফিসারদের খুজে খুজে খুন করে, বেয়নেট দিয়ে খুচিয়ে চোখ উপড়ে ফেলে লাশ ড্রেনে ফেলে দেয়া হচ্ছিল, একশ গজ দুরে দাড়িয়ে আমাদের সেনা বাহিনী তখন চোখের পানি ফেলেছে| তারা ধৈর্য্য না ধরলে আজ আমি-আপনি অনেকেই বেচে থাকতাম না|
রাতের আধারে নিহত অফিসারদের স্ত্রী-কন্যাকে যখন পৈচাশিক নির্যাতন করা হচ্ছিল, একশ গজ দুরে দাড়িয়ে আমাদের সেনা বাহিনী তখন চোখের পানি ফেলেছে| তারা ধৈর্য্য না ধরলে আজ আমি-আপনি অনেকেই বেচে থাকতাম না|
হায় বা;গালী..!!! কত সহজে ভুলে যাই সব..!! কি বিচিত্র এই জাতি..!!
স্বপন সাহেব, আর্মী অফিসাররা আমাদেরকে "ব্লাডি সিভিলিয়ান" বলে গালি দেয়|এটা কী আপনার ব্যাক্তিগত মতামত নাকী মুনতাসির মামুন-শাহরিয়ার কবীর বা কবীর চৌধুরীর মত যারা আমাদের সেনাবাহিনী নয় পাশের দেশের সেনা বাহিনীর সার্ভিসে আস্তাশীলদের মুখের বুলি?
জানতে পারলে ভাল হত|
আমার কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের কয়েকজন বন্ধু ও নিকট আত্মীয় কয়েকজন অফিসার আছে| সি;হ ভাগ অফিসার আসে মধ্যবিত্ত, নিম্ন মধ্যবিত্ত পরিবার থেকে| ধানমন্ডি-গুলশন-বনানী নয় এরা আসে ঢাকার বাইরের জেলা শহর,মফস্বল শহর বা গ্রাম থেকে|আমিতো কারো ব্যবহারে "ব্লাডি সিভিলিয়ান" এটিচ্যুড দেখিনি| আপনি কোথায় পেলেন এই বাক্যটা??
পিলখানাতে যখন শত শত অফিসার মরছিল, তাদের স্ত্রী-কন্যারা গণ ধর্ষনের শিকার হচ্ছিল, আমরা সিভিলিয়ানরা তখন মিছিল করছি...বি.ডি.আর জনগণ ভাই ভাই.....!!!
হায় বা;গালী..!!! কি বিচিত্র এই জাতি..!!
স্বপন সাহেব, আমাদের একজন অফিসারের ব্যাবহারেই আপনি ভীত হয়ে পরেছেন আপনার মেয়ের ভবিষ্য নিয়ে..?? হাসালেন| যেদেশে আপনি ও আপনার মেয়ে বসবাস করছেন সেদেশের উর্দি পরিধানকারীরা কত নিরাপদ তা লিখলে মহাকাব্য হয়ে যাবে| লস এনজেল্সে পুলিশের পিটুনির কারনে একবার দা;গা বেধেছিল, পুড়ে ছাই হয়েছিল পুরো শহর|
আরেক ঘটনায় হেইতির একজনকে পুলিশ পিটিয়েই খান্ত হয়নি তার পশ্চাৎদেশ দিয়ে পুলিশ লাঠি ঢুকিয়ে দিয়েছিল| আর আমেরিকার সেনা বাহিনীর ভয়াবহ নিষ্ঠুরতা দেখার দুর্ভাগ্য্ হয়েছে ভিয়েতনাম, ইরাক,আফগানিস্তান ও আরো অনেকের| আর কোন পুলিশের সাথে সামান্য তর্ক করলে আপনি নিজেই বুজতে পারবেন ওদের রক্ত চক্ষু কত প্রকার, কী কী|
আপনি এখনো মাঝে মাঝে সেই অফিসারের কথা ভেবে আৎকে উঠেন ভয়ে| একবারও কি সহকর্মীর কফিন কাধে নিয়ে ফুপিয়ে কেদে উঠা অফিসারদের কথা মনে হয়েছে..? মেহেদির দাগ না শুকাতেই যে মেয়েটি বিধবা হয়েছে তার মুখ মনে পরেছে.? পিতা হারানো ফুটফুটে চাঁদের মত অবুজ শিশু গুলোর মুখ মনে পরেছে..??
মনে করার চেষ্টা করুন...আমার বিশ্বাস আপনার মন ভাল হয়ে যাবে|
বয়ে যায় নদী: পর্ব ১৪:
আরেফিন ভাই তার মাথা ঠান্ডা রেখেছিলেন কিভাবে আমি জানি না। আমি হলে এক টিন কেরসিন এনে হাসপাতাল জ্বালিয়ে দেয়ার কথা ভাবতাম।
হ্যা, স্বপন সাহেব আপনার নিজের কথা| একজন বৃদ্ব মানুষের কষ্টের কথা ভেবে আপনি এক টিন কেরোসিন খুজেছেন| আর ২০০ অফিসার ও তাদের স্ত্রী-পুত্র-কন্যাদের জীবন চলে যাওয়ার সময় আমাদের সেনা বাহিনীর হাতে এক টিন কেরোসিন নয় একডজন ট্যা;ক, কামান আর আজস্র মেশিন গান ছিল| ওরা একটা গুলিও ছুড়েনি...একটা গুলিও না|
Vai apnake onek dhonnobad--
Vai apnake onek dhonnobad-- aei lekha tir jonno..swapon saheb er lekha ti pore amar khub kharap legechilo..kintu ami kotha gulo bolte parini.. apni seta sundor kore bolechen...
cause some editors knew internal situation...
After two months their angriness may doesn't matter with time. But it's true when captured Army officer's were trying to escape and calling, sending text SMS, some were to some news editors. Indian news channel NDTV got news within 11:30 am. on 25th February, but skipped from our local news papers!!! This proofs they are not professional, capable, honest and matured enough.
ZS's experience with a Bangladeshi officer & an animal
Dear Editor,
Last night I was in a solemn ceremony of a well known doctor and academic in Bangladesh who passed away in San Jose, California last month. I had personal connection with the doctor’s family. My parents's famility and the doctor's family shared the same room during the eventful days of war in Bangladesh when Pakistani war planes were strafing bullets on helpless civilians in Dacca.
I told a Bengali friend of mine that Bangladesh has to lose 3 generations of its people if the Bangladeshi nation can make any progress. Kids who crossed the elementary school are lost a generation because society already corrupted their souls from becoming a responsible citizens.
The entire US armed service is responsible to a civilian, Robert Gates, unlike the Bangladesh armed service. Robert Gates decides how much money the US armed services will get for their wage and benefits.
Unless Bangladesh adopts civilian domination in its armed force, the behavior that you described will continue. Unless the political culture stops leveraging the army from running a government, unless the court systems are brought above any controversy and unless the army brasses are made to understand that buck stops with the civilian administration, the Bangladeshi army continue its animal like behavior that you described.
I hope your nightmare that still haunts you will end with you and your child will never see such animal like behavior of Bangladeshi army personnel.
Robin
Carmel, California
sorry JR
you are right . i mix up with you and Jacob from nyc .
To vumihinzamindar (JR)
Thanks for reply. Jackson Heights is like 75 miles away from where I live. Who are these people (zubayer, liton, rana, and ponir)? Your friends or relatives? Never hard of. That would be "Jackob" not "Jacob". Do you happen to ever visit the last Exit on Long Island Expressway? If so, I would wish to invite you to visit me.
Thanks.
JACKOB RAIHAN
Jacob
thank you JR. how is jackson heights ? i miss allauddin ( zubayer ) arong ( liton )
obokash ( rana ) atn ( ponir ) . hope see you soon inshallah .
thanks again .
To vumihinzamindar
FOR YOU
http://en.wikipedia.org/wiki/Swine_flu
JACKOB RAIHAN
for e-mela members from states
i don't have any knowledge about swine flu .this virus growing fear across north america .so far there have been at least 11 confirmed cases of swine flu in CA TX and Kansas .CDC confirms that ny students have swine flu . i know you guys are concern about swine but again please consult with your DOC and take pre cautions.
stay well and healthy .God bless you all .
সুস্থ বিতর্ক
বিষয়ভিত্তিক বিতর্কে যাচ্ছি, আশা করি ভুল বুঝবেন না।
এডিটরঃ হাসিনা খুব সহজেই মানুষকে বুকের ভেতর টেনে নিতে পারেন। সে দরীদ্র হোক, ছেড়া কাপড়ে হোক, অভূক্ত হোক। খুব অনায়াসেই তিনি কাউকে নিজের আচলে মুখ মুছিয়ে দিতে পারেন।
সমুদ্রঃ একজন মিথ্যাবাদী, পাপিষ্ঠা অভিনেত্রীর এটাই সবচেয়ে বড় গুন। সোজা কথায় ''গরু মেরে জুতা দানের '' যথার্থ প্রয়োগ।
এডিটরঃ তিনি যে কথাগুলো বলার চেষ্টা করলেন তাহলো, মিডিয়ার (বিশেষ করে টেলিভিশন) এই সাংবাদিকগুলো হলো যত অপরাধের মূল। তারা গত দুই দিন ধরে যেভাবে বিডিআর সদস্যদের পক্ষে এবং সেনাবাহিনীর বিপক্ষে সংবাদ পরিবেশন করছে, তাতে মহা অন্যায় কাজ হয়েছে। তিনি আঙ্গুল তুলে এটাই বলার চেষ্টা করলেন, তোদের এতো সাহস! এতো সাহস তোদের কে দিয়েছে আমাদের বিরুদ্ধে এভাবে সংবাদ পরিবেশন করিস। তিনি যখন শাসাচ্ছিলেন, তখন তার মুখ দিয় থুথু বের হয়ে আসছিল। তিনি কয়েকজন সাংবাদিককে ধাওয়াও করলেন। সেই তাড়া খেয়ে কয়েকটি টিভি ক্যামেরার ক্যামেরাম্যান দূরে সড়ে গেলেন। তিনি যেন শুধু টিভি ক্যামেরার মানুষগুলোকে নয়, সারা দেশের মানুষকেই শাসিয়ে দিলেন।
সমুদ্রঃ আজ আমার ভাই, বন্ধু বা দীর্ঘদিনের সহকর্মীর এধরনের অমানবিক পৈশাচিক মৃত্যু হলে আমার প্রতিক্রিয়া এর চেয়ে ভিন্ন হত না। তাতে আপনি আমাকে হিংস্রই বলুন, আর সন্ত্রাসীই বলুন। টাকা খেয়ে জাতির বিবেক সাংবাদিক সম্প্রদায়ের এরকম ন্যককারজনক ভুমিকা আর বোধকরি কোন দেশেরই অবলোকন করার দুর্ভাগ্য হয়নি। আর আমাদের দুর্ভাগ্য যে অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানানোটা পৈশাচিকতা আর যাদের দ্বারা পৈশাচিকতা সংঘটিত হয়েছে তারা হচ্ছে বুকে টেনে নেয়া মহান নেত্রী আর দুর্নিতির ঔরষে জন্ম নেয়া দুর্নিতিবাজদের পা চাটা কুকুর হ্লুদ সাংবাদিকেরা হচ্ছে সাধারন মানুষ! রকচক্ষু দেখানোর একচেটিয়া অধিকার যে শুধুই তাদের। শ'য়ের উপর ম্যনহলে নিক্ষিপ্ত লাশ , তাদের পরিবারের উপর অকথ্য অত্যাচারের প্রতিবাদ জানাতে হবে নম্র , ভদ্র স্বরে আর নোনা জলে চোখ ভাষিয়ে! ধিক্কার জানাই সেনানায়কের তথাকথিত এই নম্রতা ও ভদ্রতাকে আর স্যলুট জানাই এই পিশাচ অভদ্র অফিসারকে যে নোনা জলে চোখ না ভাষিয়ে তার সহকর্মীর লাশের প্রতি একবিন্দু সম্মান জানিয়েছে।
এডিটরঃ আমি আজো ঘুমের ঘোরে, কিংবা দুপুরে কাজের ফাঁকে, কিংবা লাঞ্চে পর হাটার সময়, নয়তো কোন বই পড়বার সময়, সেই ভদ্রলোকের হিংস্র মুখটা দেখতে পাই। আমি ভয়ে শিউরে উঠি। ভাবি, এই পৃথিবীতে এতো মাটি থাকতে প্রভু আমাকে অমন একটা জায়গায় ফেললেন কেন! একজন সাধারন মানুষ হিসেবে আমার কী অপরাধ ছিল? আমাকে তার রক্তচুক্ষু দেখতে হলো কেন! আমার সন্তানদের যেন এই অসভ্যতা দেখতে না হয়।
সমুদ্রঃ আমি আজো ঘুমের ঘোরে, কিংবা দুপুরে কাজের ফাঁকে, কিংবা লাঞ্চে পর হাটার সময়, নয়তো কোন বই পড়বার সময়, ম্যনহলে নিক্ষিপ্ত লাশগুলো দেখতে পাই আর ভয়ে শিউরে উঠি। ভাবি, এই পৃথিবীতে এতো মাটি থাকতে প্রভু আমাকে অমন একটা জায়গায় ফেললেন কেন! নিরাপরাধ ঐ অফিসারগুলোর কী অপরাধ ছিল? কেন তাদের এমন অমানবিক ও পৈশাচিক মৃত্যুবরন করতে হল? আমার সন্তানদের যেন পৃথীবির ইতিহাসের এই বর্বরতম পৈশাচিকতা দেখার দুর্ভাগ্য না হয়।
ধন্যবাদ সম্পাদক
নিজেকে সবার চেয়ে উপড়ে এই ধারা দেশের সর্বত্র। সেনাবাহিনী বলেন আরা সরকারী কর্মচারী বলেন এমন কি রাজনীতিবীদ সবাই জনগনকে পাবলিক বলে তাচ্ছিল্য করতেই ভালোবাসেন। সেনাবাহিনী সম্পর্কে আপনার বিশ্লেষন এক কথায় অসাধারণ।