History

জিয়া জীবদ্দশায় ৩ বার মুজিবকে জাতির জনক হিসেবে স্বীকার করেন

মুক্তিযুদ্ধের পরে বিভিন্ন বক্তৃতা ও স্মৃতিচারণে সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়উর রহমান অন্তত তিনবার শেখ মুজিবকে জাতির জনক হিসেবে উল্লেখ করেছেন। এছাড়া তিনি ৭ই মার্চের ভাষণকে দিকনির্দেশনামূলক হিসেবে উল্লেখ করেছেন। গতকাল স্বাধীনতার ঘোষক সংক্রান্ত রায়ে আদালত একথা জানান।

আমার কিছু প্রস্তাবঃ

আমার কিছু প্রস্তাবঃ
শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক - স্বাধীনতার স্বপ্নদ্রষ্টা
হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী - স্বাধীনতার পথপ্রদর্শক
মৌলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী - স্বাধীনতার অগ্রনায়ক
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান - স্বাধীনতার স্থপতি
জিয়াউর রহমান - স্বাধীনতার ঘোষক
তাজউদ্দীন আহমেদ - স্বাধীনতার রূপকার
বঙ্গবীর মোঃ আতাউল গণি ওসমানী -স্বাধীনতার সর্বাধিনায়ক

টাকার বিনিময়ে আমাদের স্বাধীনতা বিক্রি করে দিতে পারি না |

ট্রানজিট শুধু অর্থনৈতিক বিষয় হিসেবে চিন্তা করলে চলবে না, একে সামাজিক, রাজনৈতিক, নিরাপত্তা সবদিক থেকেই বিবেচনা করতে হবে। বলা হচ্ছে এতে আমাদের ৫ হাজার কোটি টাকা লাভ হবে। এই অর্থের জন্য কী আমরা আমাদের স্বাধীনতা বিলিয়ে দিবো?

স্মৃতির মনি কোঠা থেকে তিয়েন আন মেন ম্যাসাকার-২

F0025705.jpg

১৯৮৯ সালের ৩রা জুন। চিনের রাজধানি বেইজিং এর কেন্দ্রস্থল তিয়েন আন মেন স্কয়ারে (স্বর্গের দ্বারে) চিনের ছাত্র-শ্রমিক-জনতার সংঘটিত সংস্কার ও গনতান্ত্রীক আন্দোলন নির্মুল করতে ঘটেছিল ইতিহাসের নির্মমতম এক হত্যাজজ্ঞ। তিয়েন আন মেন স্কয়ারের অদুরেই এক ছাত্র নিবাসে পাচ দিন অবরুদ্ধ ছিলাম আমি সহ হংকং থেকে আগত বেশ কিছু ছাত্র। স্মৃতির মনিকোঠা থেকে হাতড়ে অবরুদ্ধ সেই পাচ দিনের চাঞ্চল্যকর ঘটনার বিবরন।

কেন সেক্টর কমান্ডারদের দাবী কোন দিন পুরন হবে না ?

কেন সেক্টর কমান্ডারদের দাবী কোন দিন পুরন হবে না ?
by sagar neel
(ওয়ারক্রাইম ট্রাইবুনাল করে সেক্টর কমান্ডাররা যুদ্ধাপরাধিদের বিচারের যে দাবী জানাচ্ছেন সেই দাবী বাংলাদেশের পক্ষে আইনি জটিলতার কারনে পুরন করা সম্ভব না। এমন কি সরকার চাইলেও না। পড়ুন বিস্তারিত)|

দিনবদলের কথামালার রাজনীতি এবং ভারত বান্ধব সরকারের রাজনৈতিক সংস্কৃতি |

দিনবদলের কথামালার রাজনীতি এবং ভারত বান্ধব সরকারের রাজনৈতিক সংস্কৃতি|
আজিজুল হক বান্না

এক দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীর তদন্ত রিপোর্ট!!!

এক দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীর তদন্ত রিপোর্ট!!!
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী,

প্রেসিডেন্ট জিয়ার শাহাদাৎ বার্ষিকী আজ

আজ শনিবার মহান স্বাধীনতার ঘোষক, আধুনিক বাংলাদেশের রূপকার, সাবেক প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ২৮তম শাহাদাৎ বার্ষিকী। ১৯৮১ সালের ৩০ মে দেশ ও জাতি বিরোধী চক্রান্তে চট্টগ্রামের সার্কিট হাউজে সেনাবাহিনীর কতিপয় বিপথগামী সদস্যের গুলীতে তিনি শাহাদাৎ বরণ করেন। ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়, জিয়াউর রহমান ছিলেন একাধারে ক্রান্তিকালে জাতির ত্রাতা, বীর মুক্তিযোদ্ধা, বহুদলীয় গণতন্ত্র ও বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদের প্রবর্তক, সমৃদ্ধ বাংলাদেশের স্বপ্নদ্রষ্টা ও আধিপত্যবাদ বিরোধী সংগ্রামের অগ্রনায়ক।

পিলখানা সেনা হত্যার তদন্ত রিপোর্ট পূর্ণাঙ্গ হলো না এবং সব কথা জানাও গেল না

বিডিআর বিদ্রোহ ও সেনাহত্যার বহুল প্রত্যাশিত একটি একপেশে ও অসম্পূর্ণ রিপোর্ট সরকারি তদন্ত কমিটি প্রায় তিন মাসের মাথায় গত বুধবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাছে পেশ করেছে। প্রকাশিত তদন্ত রিপোর্টেই স্বীকার করা হয়েছে যে, তারা বিডিআর বিদ্রোহের প্রকৃত কারণ উদঘাটন করতে পারেনি এবং বলেছে, আরও উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত প্রয়োজন। বিডিআর বিদ্রোহ ও সেনা হত্যার তদন্ত রিপোর্টকে ঘিরে জনমনে যে প্রত্যাশা জেগেছিল, তা অসম্পূর্ণই রয়ে গেছে। পর্যবেক্ষকমহল এই তদন্ত রিপোর্টকে প্রকৃত ঘটনা ও পরিস্থিতির প্রতিফলনহীন বাস্তবতাবর্জিত ও একপেশে রিপোর্ট বলে মন্তব্য করেছেন। বিডিআর বিদ্রোহ দমন ও কার্যকর স্বাধীন তদন্ত কমিটি গঠনের প্রশ্ন থেকে শুরু করে বিদ্রোহ-উত্তর প্রতিটি ক্ষেত্রে সরকারের ইতোপূর্বেকার ভূমিকা নিয়ে জনমনে অসংখ্য প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।

ঐ তদন্ত রিপোর্ট,কোন গাজাখোরও বিশ্বাস করবে না।

সব দোষ ত কেষট বেটার!এই বাংলাদেশে কি কোন সরকার আছে? পিন্টুই শেষ মেষ হিরু বনে গেল? হাসিনাকে বোকা বানাল আওয়ামীলিগের ওয়ার্ড সভাপতি তোরাব আলী? হি:!হা:! হি:!হা:! এই সরকারি কমিটির রিপোর্টের আর প্রয়োজন নাই। জনগণের যা বোঝার বুঝে নিয়েছে। সরকারের সময় নষ্ট করার দরকার ছিল, সেটাও হয়ে গেছে। তাহলে আর অযথা রিপোর্ট প্রকাশের বাড়তি ঝামেলা করা কেন? যেটা সত্য সেটা জনগনের সামনে প্রকাশ করা দরকার।