কুম্ভকর্ণের মত মুখ গুঁজে সবাই দায় এড়াতে চাচ্ছে -এটা আমাদের নয় পানি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব-নৌ-মন্ত্রী
-পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব এটা, আমাদের নয়- পানি-মন্ত্রী
-বাঁধ নির্মাণ শুরু হয়েছে, বাংলাদেশ থেকে কেউ সেখানে যায়নি- পিনাক রঞ্জন|
কুম্ভকর্ণের মত মুখ গুঁজে সবাই দায় এড়াতে চাচ্ছে -এটা আমাদের নয় পানি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব-নৌ-মন্ত্রী
-পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব এটা, আমাদের নয়- পানি-মন্ত্রী
-বাঁধ নির্মাণ শুরু হয়েছে, বাংলাদেশ থেকে কেউ সেখানে যায়নি- পিনাক রঞ্জন|
From:Dr. Maruf Bin Habib, MBBS
CCD, Diabetes (BIRDEM)
FCPS (Medicine)
Assistant Professor,
Dept. of Medicine
Bangladesh Medical College (Uttara Campus)
Dhaka, Bangladesh.
Dear Fellow Countrymen:
বাংলাদেশকে জঙ্গি রাষ্ট্র বানিয়ে কারা লাভবান হতে চায়?
সন্ত্রাসী কার্যকলাপে ব্যবহৃত অস্ত্র গোলাবারুদ আসে ভারত থেকে|
ফারাক্কা সমস্যা ও আওয়ামী লীগের পানি চুক্তি|
-জিবলু রহমান (গত কালের পর)
অবগুণ্ঠন উন্মোচন : আসিফ আরসালান
সেনাতদন্ত রিপোর্ট
৪৬ পদাতিক ব্রিগেডকে এ্যাকশনে যেতে দেয়া হয়নি পিলখানা ম্যাসাকার সম্পর্কে সেনা তদন্ত রিপোর্ট দাখিল করা হয়েছে। লেঃ জেনারেল জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন ২০ সদস্যবিশিষ্ট সেনা তদন্ত কমিটি আর্মী চীফ জেনারেল মইনের কাছে তাদের ৩০০ পৃষ্ঠার (মতান্তরে ৪০০ পৃষ্ঠার) রিপোর্ট দাখিল করেছে। রিপোর্টটির একটি কপি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছেও সাবমিট করা হবে।
ফারাক্কা সমস্যা ও আওয়ামী লীগের পানি চুক্তি|
-জিবলু রহমান|
আসলেই এ এক করুন তামাশা, সভ্য বিশ্বে বিরল আর অসভ্য দুনিয়াতে খুজতে দরকার হবে কেরোসিনের। কিন্তূ বাংলাদেশে এ তামাশা ফাটা জোৎস্নার মত আলো ছড়াচ্ছে, কাঠ ফাটা রৌদ্রের মত ধৌত করছে টেকনাফ হতে তেতুলিয়া।
বিদ্রোহীদের সাথে সরকারের সমঝোতা বৈঠকের সুযোগে সেনা কর্মকর্তা হত্যার ঘটনা বেশি ঘটে
তোফাজ্জল হোসেন কামাল : বিদ্রোহী বিডিআর সদস্যদেরকে সাধারণ ক্ষমা ঘোষণার বিষয়ে সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ের প্রতিনিধি দলের সাথে দফায় দফায় বৈঠকের সুযোগেই পিলখানায় সেনা কর্মকর্তা হত্যার ঘটনা বেশি ঘটে। সরকারের প্রধানমন্ত্রী স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীসহ অন্যান্য মন্ত্রী ও এমপিদের সাথে বিদ্রোহী বিডিআরদের প্রতিনিধিদের বৈঠক হচ্ছে আরও হবে এবং বিদ্রোহীদেরকে সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করা হবে এমন সংবাদ পিলখানার ভেতরের বিডিআর সদস্যদের মাঝে খুব জোরেশোরেই তড়িৎগতিতে প্রচারিত হয়ে পড়ার মাধ্যমে বিদ্রোহী এবং হত্যাকারী বিডিআর সদস্যরা উৎসাহী হয়ে ওঠে। এই উৎসাহের বলীর শিকার হন সেনা কর্মকর্তারা। প্রথম দিকে পিলখানায় সেনা কর্মকর্তা হত্যার ঘটনার শিকার হাতেগোনা কয়েকজন হলেও পরবর্তীতে তা উৎসাহভাবের মাধ্যমে বেড়ে যায়। এতে করে বিভিন্ন পদবির ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তা নির্মমভাবে হত্যার শিকার হন।
চুক্তির দিনই ভারত বেরুবাড়ির মালিক হয়েছে-
বাংলাদেশ আজও পায়নি তিন বিঘা |
১৬২ ছিটমহল মুজিব-ইন্দিরা চুক্তির ৬ মাসের মধ্যে বিনিময়ের কথা থাকলেও ৩৫ বছরেও হয়নি |
শহীদুল ইসলাম |
ঐতিহাসিক পঞ্চম সংশোধনী এবং তার পক্ষ-বিপক্ষ |
-জিবলু রহমান |
(গতকালের পর)