History

অধ্যায় ১৪: একাত্তরে মুক্তি বাহিনীর প্রকৃত সফলতা কতটুক?

বহু ভিত্তিহীন মিথ্যার পাশাপাশি বাংলাদেশের ইতিহাস রচনায় আরেক মিথ্যাচার হয়েছে মুক্তিবাহিনীর অবদান নিয়ে। এ নিয়ে কোন বিরোধ নেই যে, মুক্তিবাহিনীর বহু হাজার সদস্য ভারতে গিয়েছিল এবং সেখানে গিয়ে ভারতীয় সেনাবাহিনী ও গুপ্তচর সংস্থা র’এর প্রশিক্ষকদের থেকে ট্রেনিং নিয়েছিল। ট্রেনিং শেষে বাংলাদেশের ভিতরে তারা বহু লড়াই এবং বহু নাশকতা তৎপরতাও চালিয়েছে। এ নিয়েও বিরোধ নেই যে, আওয়ামী লীগের কর্মীদের নিয়ে স্বাধীন বাংলা মুক্তিফৌজ নামে একটি গুপ্ত সংগঠন ষাটের দশক থেকেই ভারতে প্রশিক্ষণ নিচ্ছিল। তারা বিভিন্ন স্থানে গুপ্ত হামলা চালিয়েছিল এবং এসব হামলায় অনেকে প্রাণও হারিয়েছিল। কিন্তু পাকিস্তানের পরাজয় ও বাংলাদেশের সৃষ্টিতে তাদের ভূমিকা কতটুকু? মুক্তিবাহিনীর দাবী, স্বাধীন বাংলাদেশ তাদেরই সৃষ্টি। এ যুক্তিতে ভারতের ভূমিকাকে পাদটিকায় পাঠানো হয়েছে। এ কথাটি প্রমাণের চেষ্টা হয়েছে স্কুলের পাঠ্যপুস্তকেও। স্কুলের পাঠ্যবইয়ের পাশাপাশি প্রতি বছর এ কথাটিই তারা বার বার বলে ১৬ই ডিসেম্বরে। এ কথা বলে, নিছক নিজেদের ভাবমূর্তিটাকে বড় করে তুলে ধরার লক্ষ্যে। এটি সত্য যে, মুক্তিবাহিনী যুদ্ধ করেছিল ৯ মাস। এ ৯ মাসে ভারত তাদের সর্বাত্মক সামরিক ও বেসামরিক সরবরাহ জুগিয়েছিল।

জঙ্গিবাদ বনাম মাদরাসা শিক্ষা |

জঙ্গিবাদ বনাম মাদরাসা শিক্ষা|
-অধ্যক্ষ মাওলানা ছামিউল হক ফারুকী:

চতুথ সংশোধনী কি?

আসল রূপে শেখ মুজিব ও আওয়ামী লীগ| একাত্তরের আত্মঘাতের ইতিহাস:
শেখ মুজিবের আসল রূপ প্রকাশ পায় ১৯৭১-এর পর। পাকিস্তান বিরোধী আন্দোলনের ধুম্রজালে তিনি তার আসল চরিত্র বহুলাংশে লুকিয়ে রাখতে পারলেও সেটি বাঁধ ভাঙ্গা জোয়ারের ন্যায় প্রকাশ পায় বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠার পর। ১৯৭০ সালের ৭ই ডিসেম্বরে অনুষ্ঠিত হয়েছিল পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদের নির্বাচন। সে নির্বাচনের প্রাক্কালে শেখ মুজির ২৮শে অক্টোবর জাতির উদ্দেশ্যে রেডিও ও টিভি ভাষণ দেন। সে ভাষণে তিনি বহু অসত্য কথা বলেন। তার একটি নমুনা, “তদানীন্তন ক্ষমতাসীন দল (পাকিস্তান মুসলিম লীগ) সমগ্র দেশকে একদলীয় রাষ্ট্রে পরিণত করার যে প্রচেষ্টা চালিয়েছিল, সেই হীন প্রচেষ্টার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর জন্যই আমাদের মহান নেতা হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ প্রতিষ্ঠিত হয়। এ ভাবেই আমরা পাকিস্তানে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার আপোষহীন সংগ্রাম শুরু করি।”-(২৯ অক্টোবর ১৯৭০, দৈনিক পাকিস্তান, ঢাকা)। এ তথ্যটি ছিল সম্পূর্ণ মিথ্যা। সত্য হল, পাকিস্তান মুসলিম লীগ কখনই দেশকে একদলীয় রাষ্ট্র করার চেষ্টা করেনি। তার প্রমাণ, পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার মাত্র কয়েক বছরের মধ্যে যখন আওয়ামী লীগ প্রতিষ্ঠিত হয় তখন মুসলিম লীগ সরকারের পক্ষ থেকে এই নতুন দলটির প্রতিষ্ঠায় কোন রূপ বাধাই সৃষ্টি করা হয়নি।

তবে কি সেনাবাহিনীর জংগীরা শায়েস্তাধীন?

২৫শে ফেব্রুয়ারী সংঘটিত আন্তঃবাহিনী বিদ্রোহ ও হত্যাকান্ড নিঃসন্দেহে আমাদের জাতীয় জীবনে নজিরবিহীন।সে ঘটনার পর থেকে এতদবিষয়ে বিভিন্ন গুণীজনের লেখা, বক্তব্য ও ভাবনা যুগপৎ বেতার ও ছাপা মাধ্যমে এত বেশী মাত্রায় প্রকাশ পেয়েছে যে, এ বিষয়ে যে কোনো লেখা পাঠকের মনে দ্বিরুক্তিজনিত বিরক্তি উৎপাদনে বাধ্য।তদুপরি এ ফোরামের অতিমাত্রায় রাজনীতি সচেতন বিদগ্ধ পাঠকদের কাছে আমার ন্যায় নগন্যের কিছু প্রকাশ করা মুক্তাবনে উলু ছড়ানোর দোষে দুষ্ট হওয়ার শংকা তো থেকেই যায়। এতদসত্ত্বেও, সাম্প্রতিক কালে সরকার ও সরকারের বাইরের কিছু ব্যক্তির বক্তব্য ও ঘটনাপ্রবাহই এই লেখার উস্কানিদাতা আর সেই উস্কানি তাড়িত দায় থেকেই এ লেখার অবতারনা ।শুরুতেই সেসব বক্তব্য ও ঘটনা সমূহ বিস্মৃতিপ্রবন আমাদের বাংগালী মানসকে স্মরণ করিয়ে দেয়া যাক।

ভারতের আগ্রাসনের স্বরূপ এবং সরকারি মহলের নীতি-অবস্থান |

ভারতের আগ্রাসনের স্বরূপ এবং সরকারি মহলের নীতি-অবস্থান |
আজিজুল হক বান্নাঃ

গোপনেই ভারতকে দিয়ে দেয়া হবে বাংলাদেশের সমুদ্রসীমা?

ড. রেজোয়ান সিদ্দিকীঃ ভারতীয় লোকসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে আকহ্মিকভাবে জরুরি বার্তা নিয়ে বাংলাদেশ সফরে এসেছিলেন শিবশঙ্কর মেনন। ভারতের জন্য ব্যাপারটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ ছিল বলেই মেননের এই ঝটিকা সফর।

পার্বত্য চট্টগ্রাম সমস্যার আদি-অন্ত |

পার্বত্য চট্টগ্রাম সমস্যার আদি-অন্ত :জিবলু রহমানঃ
[ সাতাইশ ]

পার্বত্য চট্টগ্রাম সমস্যার আদি-অন্ত |

পার্বত্য চট্টগ্রাম সমস্যার আদি-অন্ত|
-জিবলু রহমান [ ছাবিবশ ]

ভারত আমাদের সামরিক ব্যবস্থাকে নিয়ন্ত্রণ করতে চায় |

মেষ শাবক'রা নেকড়েদের কাছে নিরাপত্তা পায় না
ভারত আমাদের সামরিক ব্যবস্থাকে নিয়ন্ত্রণ করতে চায়

পার্বত্য চট্টগ্রাম সমস্যার আদি-অন্ত

পার্বত্য চট্টগ্রাম সমস্যার আদি-অন্ত|
জিবলু রহমান |