
সময়টা ’৯৫ সাল, অষ্ট্রেলিয়াতে সবেমাত্র মাইগ্রেট করেছি। সিডনির কেনসিংটনে ২ রুমের একটা ফ্লাটে আরও দু বাঙালীর সাথে শেয়ার করছি। ১১ বছরের ইউরোপীয় জীবন শেষে বাংলাদেশে ফিরে গিয়েছিলাম মা, মাটি আর মানুষের টানে। প্রথম চাকরী, প্রথম প্রেম, প্রথম ভালবাসা, প্রথম বিরহ, এমন অনেক কিছুই ছিল প্রথম, যার মাঝে মিশে গিয়ে কখন যে মাছে-ভাতের বাঙালী বনে গিয়েছিলা বুঝতেও পারিনি।
ছেলেটির নাম ঈমান। আমি তার নাম দিয়েছি ঈ-ম্যান। স্পাইডার ম্যান, সুপার ম্যান, ব্যাট ম্যান, এক্স-ম্যান আর ঈ-ম্যান। বয়স সাড়ে ছয় বছর। ওর সব অদ্ভুৎ ধরনের কথা নিয়ে একটা বই লেখা যাবে। প্রচন্ড চঞ্চল। এক বিন্দু কোথাও বসে থাকার অর্থ যেন সেই সময়টুকু নষ্ট হওয়া। সারা দিন ঘরের যাবতীয় বিপদজনক জায়গাগুলো দিয়ে হাটাহাটি করবে
I got the write-up (below link) from a news paper written by an Army Officer expressing his feelings.........I guees most of you will appreciate his feelings..........
স্বাগতম ১৪১৬ - নতুন বছরের শুভেচ্ছা সবাইকে। আগমনী বৈশাখী ঝড়ে উড়ে যাক সকল হতাশা, বর্ষায় ধুয়ে যাক মনের কুলুষতা এবং বয়ে আনুক পবিত্রতা, শরতের শুভ্রতা আর হেমন
সরকারের প্রধান হিসেবে আপনার কাছে জাতির প্রত্যাশা অনেক।সারাদেশ ব্যাপী দলীয় সনত্রাস,ব্যাপক দলীয় করন,রেব বাহিনীকে নিষক্রীয়,আইন শৃংখলার চরম অবনতি,বিদ্যুত,গ্যাস,বিশুদ্ব পানি,চাটুকারদের অপপ্রচার বিগত ৩ মাসে আপনার জন্য কোন সফলতা আনতে পারেনি। বিডিআর হত্যাকান্ডে দেশবাশীর আন্গুল আপনার সরকারের দিকে।আপনার পররাষ্ট্র মনত্রী বাফার স্টেট এর মানে জানেনা।

২৬ ফ্রেব্রুয়ারী বৃহস্পতিবার। সন্ধ্যে সাতটা নাগাদ মোটামুটি নিশ্চিত হওয়া গেলো যে, সেনাবাহিনী আর আক্রমন করছে না। ততক্ষণে পিলখানার ভেতরে বিদ্রোহী দল সাদা পতাকা উত্তোলন করে দিয়েছে। তখনও অবশ্য কেউ জানে না যে, ভেতরে ঠিক কতজন বিডিআর জোয়ান রয়েছেন।

The list of the 448 people of the 452 clemency recipients, disclosed in the parliament, is as follows:
গতকাল হাসান মশহুদ তাঁর পদত্যাগ পত্র রাষ্ট্রপতি বরাবর জমা দিলেন । খবরটি শোনার পর আমি খুবই মর্মাহত ও আশাহত হয়েছি । গত দুই বছরে দেশের দু্র্নীতি দমন ও হ্রাস করার লক্ষ্যে এই ব্যক্তিটি অনেক কাজ করেছেন ।

আমি মুক্তিযুদ্ধ দেখিনি। যুদ্ধ দেখেছি সিনেমা আর টিভিতে। যুদ্ধের গল্প পড়েছি বইতে। কলেজ আর বিশ্ববিদ্যালয়ের কল্যানে আন্দোলন দেখেছি অনেক। মূলত এরশাদ বিরোধী স্বৈরশাসন হঠাও আন্দোলন। সেই আন্দোলনের আগে ও পরে অনেকবার গোলাগুলীর ভেতরও পড়েছি। কয়েকবার কেন আমি গুলী খাইনি, সেটা ভেবেও অবাক হয়েছি। রক্তাক্ত বন্ধুকে নিয়ে মেডিক্যালে গিয়েছি। সময়টাই যেন ছিল কেমন!