Politics

মৌলবাদীরা কখনোই আমার শত্র“ ছিল নাঃ তসলিমা নাসরিন

কলকাতার আনন্দবাজার পত্রিকায় ১০ জুলাই ‘ভারতে ঠাঁই নেই, দেশে ফিরতেই আর্জি তসলিমার’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন তসলিমা নাসরিন। গতকাল নিউইয়র্কে বার্তা সংস্থা এনাকে তিনি বলেন, বাংলাদেশের মৌলবাদিরা নয়, সে সময়ের বিএনপি সরকারের চাপেই তিনি দেশ ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন। মৌলবাদিরা কখনোই আমার শত্র“ ছিল না। রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলের জন্য তদানিন্তন বিএনপি সরকার আমাকে দেশ ত্যাগে বাধ্য করেছে।

“দেশ বাঁচাও মানুষ বাঁচাও” একটা রাজনৈতিক আদর্শ, এ আদর্শের অর্থ ভারতের হাত থেকে আমাদের দেশ ও মানুষকে বাঁচাও -

এ শ্লোগান থেকে বুঝা যায়, যে কোন ভাবে হোক ভারত বিরোধিতা করাটাই বিএনপির মূখ্য দায়ীত্ব ও লক্ষ্য। এই ভারত বিরোধীতা সর্ব্বস্ব নীতি ও বিশ্বাসের আলোকে বিএনপির রাষ্ট্র, সমাজ, শিক্ষা, উন্নয়ন সহ যাবতীয় কর্মকান্ড ও চিন্তা চেতনা পরিচালিত হয়। কোন একটি দেশের বিরুদ্ধে একটি রাজনৈতিক দলের এরকম আদর্শ থাকা অস্বাভাবিক। একমাত্র ইজরাঈলের বিরুদ্ধে এরকম কিছু রাজনৈতিক দল আছে। পাকিস্তানের মানুষ ও সরকার ভারত বিরোধীতার এ নীত

জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশ এর আমির মাওলানা মতিউর রহমান নিজামীর একটি বক্তব্য এবং আমার মন্তব্য


যুদ্ধাপরাধীর বিচার না করে টিপাইমুখ বাধ ঠেকান- সরকারের প্রতি নিজামী


(প্রথম আলো ১১জুলাই)
খবরটা পড়ে আর না লিখে পারলাম না। মালানা নিজামী নিজে একজন চিহ্নিত যুদ্ধাপরাধী তিনি নিজেকে এবং তার অনুমারীদের বাচানোর জন্য কথাটি বলেছেন বলে আমার ধারনা। তিনি আরো বলেছেন যে সরকার প্রতিবেশী রাষ্ট্রকে খুশি করতে নাকি যুদ্ধাপরাধীদের বিচার প্রক্রিয়া শুরু করতে যাচ্ছে কিন্তু কেন? বাংলাদেশের ১৫ কোটি জনগন কি যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চায় না? নিজামী সাহেব আরো বলেছেন যে বঙ্গবন্ধু নাকি যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করে গেছেন তাহলে কেন পুনরায় বিচারের দাবি উঠবে আর যদি সত্যিই তিনি বিচার করে থাকেন তাহলে তার কোন প্রমান বর্তমান প্রজন্মের সামনে তুলে ধরা হচ্ছে না? নাকি শুধু গা বাচানোর জন্যই নিজামী সাহেব এই বক্তব্য দিয়েছেন? আবার তিনি আরো বলেছেন ৩৮ বছর পর যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করতে হলে সরকারকে নাকি মিথ্যা সাক্ষি সাজাতে হবে কিন্তু কেন? আমরা যারা স্বাধীনতা পরবর্তী প্রজন্ম তারা আজো স্বাধীনতার সঠিক ইতিহাস জানতে পারিনি কিন্তু যাদের সাহসী ভূমিকায় আমাদের এই দেশ স্বাথীন হল তারা কি চুপ করে থাকবেন? যাদের রাজাকারেরা সাধারন মানুষের ওপর নিপীড়ন চালিয়েছে তারা আর যাই করুক মিথ্যা সাক্ষি দিয়ে আমাদে এই পবিত্র জন্মভূমি কে অপবিত্র করতে পারবে না যদি পারে তাহলে কেন ৯ মাস যুদ্ধ করে আমাদের স্বাধীন দেশ উপহার দিল আমরা তো কোন দোষ করিনি তবে কেন আমাদের এই কলং্কিত ইতিহাসের সাক্ষী হব? যুদ্ধাপরাধীদের বিচার নিয়ে এখন রাজনীতি চলছে যারা এখন ক্শতায় তারা তাদের বিরোধীদের দোষী বানাবেন আর তারা যদি সত্যিই দোষী হয় তাহলেও হয়তো কেউ কেউ তাদের নির্দোষ বানানোর জন্য উঠে পড়ে লাগবে। কিন্তু সিত্যকারের যুদ্ধাপরাধীদের বিচার আদৌ হবে কিনা তা এখনই সংশয় দেখা দিয়েছে। টিপাইমুখ বাধ এখন আমাদের একটি জাতীয় সমস্যা তা নিয়ে কান সন্দেহর অবকাশ নাই যুদ্ধাপরাধীদের বিচার এবং টিপাইমুখ বাধ সম্পূর্ন দুটি ভিন্ন বিষয় নিজামী সাহেব তার বক্তব্যে দুইট বিষয়কে একীভু করে ফেলেছেন কিন্তু কেন? যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করলে তার কি ক্ষতি হবে? তিনি তো নিজেকে নির্দোষ দাবি করেন তাহলে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার নিয়ে তার এত ভয় কেন?

টিপাইমুখ প্রকল্প যাতে শুরু না দেখবে সরকারের পররাষ্ট্র মন্ত্রনালয় আর যুদ্ধাপরাধীদের বিচার সম্পন্ন করবে বিচার বিভা এবং তাতে সহায়তা করবে আইন মন্ত্রনালয়, মুক্তিযুদ্ধ বিসয়ক মন্ত্রনালয় এবং দেশের বিশিষ্ট বুদ্ধিজীদের সহায়তা নেওয়া যেতে পারে কিন্তু নিজামী সাহেব কি ভাবে বললেন যুদ্ধাপরাধীদের বিচার প্রক্রিয়া বাদ দিয়ে টিপাইমুখ প্রকল্প ঠেকাতে হবে?

বাংলাদেশঃ দিস ইস নট ফর সেল /আবু জুবায়ের

আমার বন্ধু-বান্ধব শিল্পীদের কেউ কেউ আমার অনেক কথার সাথে একমত হতে পারেন না।চারুকলা থেকে পাশ করে বর্তমানে একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতায় থাকা সুলতান প্রেমী বন্ধুটিকে আমি অনেক বুঝানোর চেষ্ঠা করেছি যে বাংলাদেশ দিনে দিনে একটি আন্তর্জাতিক চক্রের কাছে বিক্রি হয়ে যাচ্ছে।সে সব সময় বলে থাকে কথাটি হাইপোথিটিক্যাল।তার কথা হলো বাংলাদেশের যতটুকু সাংস্কৃতিক উন্নয়ন বা চর্চা হয়েছে সেটা আওয়ামী ঘরনার লোকজনের জন্যই হয়ে

ভারতের টিপাইমুখ বাঁধ এবং পানিযুদ্ধের মুখে বাংলাদেশ- ডা. ফিরোজ মাহবুব কামাল

ভারত বিশাল বাঁধ দিচ্ছে বরাক নদীর উপর। এ বরাক নদীই বাংলাদেশের অমলশীদ নামক জায়গায় সুরমা ও কুশিয়ারা নদীতে বিভক্ত হয়েছে। আবার আজমেরী গঞ্জে এসে একত্রিত হয়ে মেঘনা নদীর জন্ম দিয়েছে। যৌথ পানি কমিশনের সাবেক বাংলাদেশী সদস্য তৌহিদ আনোয়ার খান বলেন, সুরমা ও কুশিয়ারার পানি প্রবাহের মূল উৎস হলো বারাক নদী। তার মতে বরাক নদীর পানির শতকরা প্রায় ৮০ ভাগ পায় কুশিয়ারা, আর প্রায় ২০ ভাগ পায় সুরমা। সিলেটের জকিগঞ্জ সীমান্ত

হাজির ছেলে পাজি বনাম টুংগিপাড়ার শেখ গং - WatchDog

বাংলাদেশের গ্রামে-গঞ্জে অনেকটা তামাশা করে কথাটা বলা হয়, হাজীর ছেলে পাঁজি! বাস্তবে এমনটা হতে হবে তার কোন বৈজ্ঞানিক সংজ্ঞা নেই, তবুও কথাটার প্রচলন বেশ ব্যাপক অন্তত আক্ষরিক অর্থে। আসলে পিতা-মাতার পথে পা মাড়িয়ে সন্তান ভাল পথে এগুবে এমন নজির আজকের বাংলাদেশে বেশ র্দুলভ। হাজী হোক আর পাজি হোক সন্তান আজকাল সন্তানের মতই বেড়ে উঠছে, এতে মা-বাবার নিয়ন্ত্রন থাকছে খুব সামান্যই। প্রসংগটা টানছি গেল দু’সপ্তাহ ধরে বাংলাদেশের রাজনৈতিক এবং শাষনতান্ত্রিক ব্যবস্থায় কিছু কাঠামোগত পরিবর্তনে সরকার এবং বিচার ব্যবস্থার নিবিড় বুঝাপরার কারণে।

"জিয়া এবং স্বাধীনতার ঘোষনা"

২৬ মার্চ এককভাবে চট্টগ্রামের বেতার কর্মীরাই কালুরঘাট বেতারকেন্দ্র চালু করেন। অন্যতম উদ্যোক্তা বেলাল মোহাম্মদ এই কেন্দ্রের নামকরণ করেন ‘স্বাধীন বাংলা বেতারকেন্দ্র’। একইদিন চট্টগ্রামের আওয়ামী লীগ নেতা আবদুল হান্নান শেখ মুজিবের পাঠানো স্বাধীনতার ঘোষণা ঐ কেন্দ্র থেকে পাঠ করে প্রচার করেন। এটাকে বিচারপতি ‘ঘোষণা’ না বলে শেখ মুজিবের বাণী বলেছেন। আরো বলেছেন, তা নিয়ে ইতিহাসের ছাত্র গবেষণা করুক না!

বাংলাদেশকে কি খন্ডিত করা হচ্ছে ? / আবু জুবায়ের

স্বাধীন ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী পণ্ডিত জওহার লাল নেহেরু তার Discovery of India গ্রন্থে ‘অখণ্ড ভারত’ এর রূপরেখা প্রণয়ন করেন, যা India Doctrine নামে খ্যাত। এর মূল কথা হচ্ছে- “উপমহাদেশে ভারতই হবে মূল শক্তি, চালক বা নীতিনির্ধারক। এখানে অন্য কোন দেশই স্বাধীনভাবে ইচ্ছামত নীতিনির্ধারণ করতে পারবে না। এছাড়া অন্য কোন বহিঃশক্তি উপমহাদেশের কোন রাষ্ট্রকেই ভারতের মতামত ছাড়া কোন বিষয়েই সাহায্য সহযোগিতা বা চুক্তিভূক্ত করতে পারবে না। স্থানীয় সকল দক্ষিণ এশীয় রাষ্ট্রকেই ভারতের মর্জি মাফিক চলতে হবে।

আমরা না জেনে টিপাইবাঁধের বিরধিতা করছি, কিন্তু বরাক নদীর ২৭৭ কিমি অববাহিকার বাসিন্দারা টিপাইবাঁধকে জীবনের জন্য প্রয়োজনীয় মনে করে

আমরা অনেকেই টিপাইবাঁধের অবস্থান কোথা্য় তা জানিনা। ছবি দেখুন।
বরাক নদী টিপাইবাঁধ থেকে ২৭৭ কিমি পথ পাড়ি দিয়ে বাংলাদেশ সিমান্তে প্রবেশ করেছে।এই ২৭৭ কিমি নদীর অববাহিকা জুড়ে অনেক শহর ও জনপদের অবস্থান যেমন শিলচর, করিম গন্জ ইত্যাদি। এছাড়া অনেক ছোট ছোট নদী বরাক নদীতে মিসেছে। এই শহর ও জনপদ সমূহকে প্রতি বছরের বরষা মৌসুমে বন্যার হাত থেকে রক্ষা, বন্যা নিয়ন্ত্রন ও শুষ্ক মৌসুমে বরাক নদীতে পানি প্রবাহ বাড়ানোর জন্য এই বাঁধের প্রয়োজনীয়তার কথা ১৯৫৫ সাল থেকে আলোচিত হয়ে আসছে। যা নিয়ে অনেক গবেষনা হয়েছে।

ছয় মাসের আলোচিত সমালোচিত বক্তব্য

মহাজোট সরকারের ছয় মাস পূর্ণ হলো। এই ছয় মাসে বিভিন্ন মন্ত্রী, সরকারি ও বিরোধী দলের সাংসদ, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, ব্যবসায়ী ও সুশীল সমাজের নেতারা নানা রকমের মন্তব্য করেছেন, যেগুলো বেশ আলোচিত ও সমালোচিত হয়েছে। মন্ত্রী-এমপিদের কোনো কোনো মন্তব্য নিয়ে দেশের মানুষ দিনভর আলোচনায় মত্ত থেকেছে। কখনও কখনও পাওয়া গেছে বেশ মজার কিছু উক্তি। কখনও করেছেন আত্মসমালোচনা। তাদের কোনো কোনো বক্তব্যে জনগণের মনে বিভ্রান্তিরও