
সৈয়দ আলী গ্রামে-গঞ্জে ফেরী করে বেড়ায়, দিন শেষে যা আয় হয় তা দিয়ে ৭ জনের সংসার টানতে হয়। মাসের অর্ধেক সময় দু’বেলা খাবার জোটাতে কষ্ট হয়, নুন থাকলে পান্তা নেই, পান্তা থাকলে নুন নেই। এ ভাবেই চলে সৈয়দ আলীর জীবন। ঘরে ৪টা সোমত্ত মেয়ে, ২ জোয়ান ছেলে অল্প বয়সে বিয়ে করে বাড়ি ছাড়া, ছোট ছেলের বয়স ২ বছর। অভিযোগ করার মত কিছু ঘটেনা জীবনে, তা ছাড়া কার কাছেই বা করবে অভিযোগ, এটাই যে সৈয়দ আলীদের জীবন।

জ্যাকসন হাইট্সের সূপ্রিয় রহমান সাহেবের বদৌলতে ভদ্রলোকের সাথে পরিচয়, বাংলাদেশের তরুন এক প্রতিমন্ত্রী (খালেদা-বাবর মন্ত্রীসভার)। উডসাইডের ঢাকা ক্লাবের একটা অনুষ্ঠানে আলাপ, দেশ হতে এসেছেন বাংলাদেশী জাতিয়াবাদ নিউ ইয়র্কে রফতানী করতে (মেয়র ব্লুম বার্গ শুনেছি খবরটা শুনে বেশ বিচলিত)। বাংলাদেশী জাতিয়তাবাদের স্থানীয় এজেন্ট দরকার, তার সম্ভাব্যতা যাচাই করার জন্যেই মন্ত্রী মহোদয়ের বিদেশ যাত্রা। মন্দ লোকের মুখে অবশ্য অন্য কথা, মন্ত্রী এসেছেন উনার বিনিয়োগ তদারকীকরতে, সাথে এনেছেন বেশ কিছু নগদ অর্থ।