অপি করিমের সংসার ভাঙছে
তারকা অভিনেত্রী অপি করিমের সংসার ভাঙার উপক্রম হয়েছে। বিচ্ছেদ হতে পারে অপি-আশিরের। গত ২ নভেম্বর স্বামী আশির আহমেদ জাপান থেকে বাংলাদেশে আসার ২ দিন আগেই জার্মানি চলে গেছেন অপি করিম। বিয়ের ৩ মাস পর থেকে এই দম্পতির দূরত্ব সৃষ্টি হতে থাকে।
গত বছর অপি পারিবারিকভাবে আশিরকে বিয়ে করেছিলেন। অপি এবং তার এক অভিনেত্রী বান্ধবীর ফোনালাপের সূত্র ধরে শোবিজে এমন তথ্য প্রকাশ হয়। অপির উদ্ধৃতি দিয়ে অপির বন্ধুটি জানান, আশির সারাদিন ব্যস্ত থাকেন বই আর কম্পিউটার নিয়ে। অন্যদিকে অপি ব্যস্ত মিডিয়ায়। এসব নিয়ে উভয়ের মধ্যে শুরু হয় টানাপোড়েন। এছাড়া গত ২৩ অক্টোবর জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পান অপি।
অপি চেয়েছিলেন, ওই অনুষ্ঠানে আশিরকে নিয়ে যাবেন, এমনকি আশিরই তাকে পুরস্কার প্রাপ্তির প্রথম অভিনন্দন জানাবেন। কিন্তু আশির এ সময় বাংলাদেশে আসেননি। অপির বান্ধবী সেই অভিনেত্রী আরও জানান, বিয়ের পর অপি জাপান গিয়ে জানতে পারেন আশির জাপানি এক মেয়েকে আগেই বিয়ে করেছিলেন।
বিষয়টি বিয়ের সময় আশির গোপন রাখেন। ফলে উচ্চতর ডিগ্রি নেওয়ার জন্য জাপানের একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হলেও অপি জাপান থেকে ফিরে আসেন। পরবর্তীতে তিনি জার্মানিতে পড়াশোনার সিদ্ধান্ত নেন।
রাজনীতির কারণে ঘর ভাঙল কবরীর
রাজনৈতিক কারণে প্রখ্যাত অভিনেত্রী কবরীকে তালাক দিয়েছেন তার স্বামী সফিউদ্দিন সারোয়ার ওরফে বাবু সারোয়ার। আসন্ন নির্বাচনে আওয়ামী লীগ থেকে নারায়ণগঞ্জ-৪ (ফতুল্লা) আসন থেকে মনোনয়ন পাওয়া কবরী জানিয়েছেন তিনি ষড়যন্ত্রের শিকার। বিয়ে বিচ্ছেদের কারণ হিসেবে কবরী বলেছেন, আওয়ামী লীগ থেকে মনোনয়ন পাওয়ায় এ ঘটনা ঘটেছে।
তবে ৬২ বছর বয়সী এ অভিনেত্রী জানিয়েছেন, কোনো ষড়যন্ত্রই তাকে নির্বাচন করা থেকে বিরত রাখতে পারবে না। এ আসনেই সাবেক এমপি শামীম ওসমানকে বাদ দিয়ে কবরীকে এবার মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। উল্লেখ্য, ওয়ান ইলেভেনের পর শামীম ওসমান দেশত্যাগ করেন। কবরীর স্বামী বাবু সারোয়ার শামীম ওসমানের চাচা।
প্রথম স্বামী চিতা চৌধুরীকে ত্যাগ করে ১৯৭৮ সালে সারোয়ারকে বিয়ে করেছিলেন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পুরস্কারপ্রাপ্ত এ অভিনেত্রী। গত সোমবার আমতলী কাজী অফিসে কবরীকে তালাক দেন সারোয়ার এবং গতকাল ঢাকা সিটি করপোরেশনের গুলশান অফিসে তালাকনামা দাখিল করেন বলে ইউএনবি জানিয়েছে।
এদিকে গত বুধবার সন্ধ্যায় নারায়ণগঞ্জ প্রেসকাবে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন কবরী সারোয়ার। ওই সময়ে তিনি বলেন, নির্বাচিত হলে তিনি নারায়ণগঞ্জ থেকে সন্ত্রাস নির্মূল করবেন। তালাক প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র চলছে। জনগণের সহযোগিতা থাকলে কোনো ষড়যন্ত্রই টিকতে পারবে না।
তিনি বলেন, শেখ হাসিনা জেনেশুনেই জনগণের সেবার জন্য তাকে মনোনীত করেছেন। মতবিনিময়কালে তার সঙ্গে ছিলেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম, সমাজকল্যাণ সম্পাদক জয়নাল আবেদীন, মুক্তিযুদ্ধ প্রজন্মের তথ্য সম্পাদক মাহাবুব হোসেন, নারায়ণগঞ্জ জেলা শ্রমিক লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এমএ রাসেল।

Comments
১/১১ ভাইজানকে...।
ভাবীজান জানতে পেরে ঐ পুটলীটা ধরিয়ে দিয়ে পেছনদিকে পদচিহ্ন একে দিয়ে ঘর থেকে গেট লষ্ট বলে দিয়েছেন।
তাইতো ভাইজান বনবাসে চলেছেন।
টেক কেয়ার ভাইজান।
হাসান ইমাম খান,
সুইজারল্যান্ড।
খাঁ সাহেব
kotin bangla...
ওয়াজেদ সাহেবের মর্দামী শক্তি......hahahahaha
তেজী মহিলার স্বামীর মর্দামী শক্তি ......hohohohohoho
1/11 bhi
Boro _e _ kotin bangla message dilen .........bhalo thaken.
১/১১ ভাইজান...
অবস্য ভাল থাকারই কথা।
আজকাল আবার সুন্দরীদের গহীনে ডুব দিচ্ছেন তো।
ভাল থাকুন।
হাসান ইমাম খান,
সুইজারল্যান্ড।
এবং----
thanks Mr Shongshoptak
Shongshoptak
thanks for Hasina's new information.
ছি!.......
তুই একটা মিথ্যুক। তোর মুখে থুথু দেই। শালা বেজন্মা রাজাকারের বাচ্চা।
তালাকের রাজনীতি ও রাজনীতির তালাক
বাংলাদেশের ইতিহাসে সর্বাপেক্ষা আলোচিত তালাকের ঘটনাটি হতে যাচ্ছিল ওয়াজেদ মিয়া কর্তৃক হাসিনাকে তালাক দেয়ার সিদ্ধান্ত যা আপনি বোধগম্য কারণেই সচেতনভাবে চেপে গেছেন। ২০০০-২০০১ সালের ঘটনা। আওয়ামী নেত্রীর বিশ্বস্ত পুরুষ বাহাউদ্দিন নাসিম তখন সরকার ও আওয়ামী রাজনীতির নিয়ন্ত্রক কলকাঠি। তদুপরি হাসিনার পিতৃকুলের চাচাত ফুফাত ভাইবোনদের দ্বারা দলের ও দেশের রাজনীতি এতটাই প্রভাবিত হচ্ছিল যে তাতে ওয়াজেদ মিয়া ও তার পিতৃকুলের লোকজন হাসিনার পরিবারে অনাহুত ও অবাঞ্চিত আগন্তুক হিসেবে বিবেচিত হতো। রংপুরের ছেড়ে দেওয়া আওয়ামী লীগের একটি আসনে ওয়াজেদ মিয়ার বড় ভাই হেরেছিলেন শুধু হাসিনা,হাসিনার বিশ্বস্ত পুরুষ বাহাউদ্দিন নাসিম ও হাসিনার পিতৃকুলের কাজিনদের কারণে। এসব দেখে শুনে ওয়াজেদ মিয়া এতটাই ক্ষেপে ছিলেন যে ওনি হাসিনাকে তালাক দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। ওনি বলেছিলেন,"উত্তরবংগের মানুষ এত বোকা নয়,বেশী বাড়াবাড়ি করলে যমূনা ব্রিজ মাঝপথে ভেংগে দেওয়া হবে।" ওয়াজেদ মিয়া যমুনা ব্রিজ মাঝপথে ভেংগে দেয়া বলতে দীর্ঘদিনের দাম্পত্য সম্পর্কের ইতি টানাকেই বুঝিয়েছিলেন। এরপরেই ওয়াজেদ মিয়াকে কথিত হাসিনার গাড়ির কাঁচ ভাংগার অপরাধে গণভবন ছাড়তে হয় এবং ততকালীন প্রেসিডেন্ট সাহাবুদ্দিনের বাসভবন বংগভবনে আশ্রয় নিতে হয়। প্রেসিডেন্ট সাহাবুদ্দিনের প্রত্যক্ষ হস্তক্ষেপে সেদিন হাসিনা তার সংসার টিকিয়ে ছিল। আপনার বর্ণিত উপরোক্ত তালাকের ঘটনাগুলি যদি বিতর্ক এড়ানোর প্রয়োজনে মেনেও নেই তাতে দেখা যাবে যে, সব ক্ষেত্রেই নারীরা ছিল শিকার। শুধুমাত্র হাসিনার ক্ষেত্রেই ছিল এর ব্যতিক্রম। নারী কর্তৃক পুরুষ নির্যাতনও যে হতে পারে তা আপনার নেত্রী প্রমান করে ছেড়েছেন (এর জন্যও হাসিনা একটা ডক্টরেট দাবি করতে পারে)। পুরুষ নির্যাতনের এই নির্দয় চিত্র দেশের সচেতন জনগনের চোখ এড়ায়নি। তাই আপনার বর্ণিত ঘটনার শিকার নারীরা জনগনের সহানুভুতি লাভ করলেও হাসিনার ভাগ্যে জুটেছে তার উল্টোটা। ২০০১ এর নির্বাচনে হাসিনার ভরাডুবি এর জ্বলন্ত উদাহরণ।
LAIR...
Ashir
FRAUD_LAIR_CHETER
আওয়ামী হিংসা
আপনার কথার সাথে একমত নই। কারন কবরীকে আমরা সাধারনত ভালো নায়িকা হিসাবেই চিনি এবং তার যাই রাজনীতি পরিচয় থাকুক না কেন, আমরা সকলেই থাকে সংসদে দেখতে চায়, অনেকটা আসাদুজ্জামান নুরের মতন।
কিন্তু আপনার আওয়ামী-দ্বন্দ্বেই উনি পরাজিত হবে। কারন আপনাদের আওয়ামী লীগের একটি পক্ষই উনাকে ভোট দিবে না।, এবং তালাকের জন্মও এই আওয়ামী দ্বন্দ্ব।
আর আরেকটি কথা, হিংসা ছাড়ুন। কথায় কথায় অপ্রাসাংগিকভাবে জিয়া ফ্যামিলিকে হেয় করার মধ্যে কোন মাহাত্ম লুকিয়ে নেই, আছে ম্যাককেইনের মত হিংসুটে ভাব।
সমঝোতা মুলক রাজনীতি করুন, নতুবা সুইজ লান্ডে বংগবন্ধু পরিষদ দিয়ে কিছু ব্যবসা চালিয়ে যান ...