মনিজা হাবীব ঃ দুর্নীতির কারণে বাংলাদেশে অনেক ভাল কাজ প্রচন্ড আগ্রহ সত্বেও শেষ পর্যন্ত বাস্তবায়িত হতে পারেনি। এ মন্তব্য করেছেন বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের পরিচালক আলোকিত মানুষ গড়ার কারিগর অধ্যাপক আব্দুল্লাহ আবু সায়ীদ। নিউইয়র্কে ৩ দিনের সাহিত্যমেলার সমাপনী দিন ১২ অক্টোবর পরিবেশ সম্পর্কিত এক মুক্ত আলোচনায় তিনি প্রধান অতিথির বক্তব্য উপস্থাপনকালে বর্তমান কেয়ারটেকার সরকারের প্রশংসা করে তিনি আরো বলেন, নগরায়ন প্রকল্পের সময় প্রত্যেক বাড়ি নির্মাণে মোট ভূমির ৪৫% খালি রাখার নিয়ম সংবলিত বিল্ডিং কোড, নদীর জমির মালিকানা অভ্যন্তরীণ পানি পরিবহন কর্তৃপ (বিআইডব্লিউটিএ) এর হাতে ন্যাস্ত করার পাশাপাশি তা উদ্ধারের ম্যাজিস্ট্র্যাসী মতা প্রদান করা হয়েছে। অধ্যাপক আব্দুল্লাহ আবু সায়ীদ বলেছেন, ১/১১ এর আগে সুশীল সমাজের ভিত ছিল একেবারেই দুর্বল। কেননা সে সময় সুশীল সমাজের উপর রাজনৈতিক দলগুলোর প্রভাব বেশী ছিল। এখন সেটি কমেছে এবং মধ্যবিত্ত শ্রেণীর স্বাধীন চেতার অনেক মানুষ এখন রাজনৈতিক বলয়মুক্ত হয়ে সুশীল সমাজের সাংগঠনিক কাঠামোকে শক্তিশালী করেছেন। একটি রাষ্ট্রের জন্যে এমন পরিস্থিতি অনেককেই আশান্বিত করেছে। এ ধারাকে অব্যাহত রাখতে দেশপ্রেমিক প্রতিটি নাগরিকের আন্তরিকতাপূর্ণ সহায়তার বিকল্প নেই। জাতিসংঘের উর্দ্ধতন কর্মকর্তা এবং যুক্তরাষ্ট্রস্থ বাংলাদেশ পরিবেশ নেটওয়ার্কের সমন্বয়কারী ডঃ নজরুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ আলোচনায় আরো অংশ নেন বার্তা সংস্থা এনা ও ঠিকানার প্রেসিডেন্ট সাঈদ-উর রব, বাংলাদেশের পানিকে আর্সেনিকের দুষণমুক্ত রাখার গবেষনায় নিয়োজিত মার্কিন অধ্যাপক ডঃ আলাউদ্দিন। এ দিন নিউইয়র্কের সাংবাদিকদের সাথেও বাংলাদেশের পরিস্থিতি নিয়ে দীর্ঘ মতবিনিময় করেন অধ্যাপক আব্দুল্লাহ আবু সায়ীদ। বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের ৩ দিনের মেলায় যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার বিভিন্ন স্থান থেকে প্রবাসীরা এসেছেন। বাংলাদেশী পণ্যের বেশ কয়েকটি স্টলও বসেছে এ মেলায়। এছাড়া বইয়ের স্টল হচ্ছে মেলার অন্যতম আকর্ষণ। উল্লেখ্য যে, গত ৮ বছর যাবত নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে এ মেলা নিউইয়র্ক শাখার পরিচালক আশরাফুল হাসান বুলবুলের ব্যবস্থাপনায়।

স্যার, আপনাকে ধন্যবাদ
ঢাকা কলেজের ২ বছর আমার মত ছোট শহরের মানুষের জন্যে ছিল একেবারেই সাদামাটা, শুধু ব্যতিক্রম ছিল আব্দুল্লাহ আবু সাইদ স্যারের ক্লাশ। উন্মুখ হয়ে অপেক্ষা করতাম সময়গুলোর। একজন মানুষকে বাইরে হতে এতটা সূখী মনে হতে পারে সাইদ স্যারকে সামনে হতে না দেখলে বুঝা যায়না। পরবর্তীতে বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রের কাজে আমাদের জেলা শহরের বাড়িতে তিনি অনেকবার অবস্থান করেছেন, উনাকে কাছ হতে জানার সূযোগ হয়েছে। আব্দুল্লাহ আবু সাইদ স্যারের ছাত্র হতে পেরে নিজকে সবসময় ধন্য মনে করি। স্যারের ১০০ বছর আয়ু কামনা করি।
প্রিয় WD,
'চিমটি'
(just kidding)
আব্দুল্লাহ আবু সাঈদ
তার বাচন ভঙ্গী এবং রসাত্বক কথা শুনলে প্রান জুরিয়ে যায়।আমার জীবনে যত মানুষ দেখেছি তার মত সুন্দর করে কথা বলতে অন্য কাউকে দেখিনি।
তিনি সত্যিই আমাদের অহংকার।
মুখেমধু এবং ওয়ান-ইলেভেন,
দুজনকেই অনেক ধন্যবাদ ছবিগুলো পোষ্ট করার জন্য; আর আমাকে সেই অতীত সময়টুকু মনে করিয়ে দেয়ার জন্য। সাদা-কালো ছবির তিন মানুষই আমার খুব প্রিয়। অনেকেই হয়তো মাঝের মানুষটিকে চিনতে পারছেন না। তিনি হলেন ইয়াসমীন হক (জাফর ইকবালের সহধর্মীনী)।
ঢাকা কলেজে সাঈদ স্যারের ক্লাসে আমিও ছিলাম। আমি জানিনা, মুখেমুধুর আসল নাম কি। তাই হয়তো চিনতে পারছি না। পরবর্তী সময়ে স্যারের খুব কাছাকাছি আসার সুযোগও হয়েছে। তার মতো একজন বড় দার্শনিক এই সময়ে বাংলাদেশে জীবন্ত আছে কি না, আমার জানা নেই (হয়তো আছেন, কিন্তু আমার সৌভাগ্য হয়নি জানার)। তবে দার্শনিকরা সাধারনত বেশি চুপচাপ থাকেন। তাই হয়তো আমরা জানি না। একজন মানুষ কিভাবে বটবৃক্ষের মতো বড় হয়ে যেতে পারেন,নিজেকে কিভাবে যাবতীয় বৈষয়ীক বিষয় থেকে দূরে রাখতে পারেন, ভাবলেই অবাক লাগে। আমরা তার ছিটেফুটাও কি ত্যাগ করি?
নিত্যদিনের সুখের জন্য কত কিছুই না আমরা করে যাচ্ছি। দেশ ছেড়ে চলে আসা, ভালো চাকরীর জন্য ছুটে বেড়ানো, তারপর ভালো আলো-বাতাস, তারপর ছেলেমেয়েদের ভবিষ্যতের নিশ্চয়তা - কত কিছু তাই না? কিন্তু এগুলো ছাড়াও যে মানুষ কত সুখী হতে পারে, সেটা সাঈদ স্যারের নির্মল হাসিটি দেখলেই বুঝা যায়।
আমার সবার হাসি এমন নির্মল হোক, সেই কামনায়।
স্বপন ভাই,
স্বপন ভাই ধন্যবাদ, আপনার লিখা পড়ে খুব ভালো লাগলো । আমি জানি না আপনি মাহিন, তারীনদের ব্যাচে ছিলেন কি না ? যদি হয়ে থাকেন তবে আপনি আমি ইয়ারমেইট আর না হলে আপনি হয়তো আমাদের এক বছরের সিনিয়র হবেন। তবে আপনার সাথে আমার ইন্টার একসন হয়তো হয়েছে তবে কম । কারণ আমি ছিলাম কমার্স গ্রুপে। কমার্স গ্রুপ থেকে আমরা মাত্র দু-তিনজন বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রে যেতাম আর সাইন্স গ্রুপ থেকে মাহিন, তারীনরা (হয়তো আপনিও) অনেক বড় একটা দল যেতো সেখানে। যাইহোক কলেজ জীবনে আমি আপনাকে না চিনলে কি হবে? আপনি তো আপনার কর্ম দিয়ে আমার মতো হাজার মানুষের হৃদয়ে ঠিকানা করে নিয়েছেন। অন্তর থেকে কামনা করি আপনার কর্মময় জীবন আরো বর্ণিল হোক।
স্বপন ভাই
ধন্যবাদ আপনাকে।
প্রিয় ১/১১-স্মৃতি রোমন্থন -Hope you won't mind
সময় কিভাবে চলে যায়। আজ থেকে অনেক বছর আগে যখন ঢাকা কলেজে পড়তাম, সাঈদ স্যার ক্লাসে গল্প করতেন। উনি পড়াতেন না,কিন্তু গল্প দিয়েই কখন পড়া হয়ে যেত, টের পেতে একটু সময় লাগতো। যতদূর মনে পড়ে কখনও দেখিনি নোট বিক্রী করে পয়সা কামাতে। সবসময়ই মধূমাখা একটা হাসি নিয়ে ক্লাসে ঢুকেতন। অনেক্খন চেষ্টা করেও হাসি ছাড়া উনার চেহারা মনের পর্দায় আনতে পারলাম না। বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রে আমার কাজ ছিলো বইএর পাতায় পাতায় চপ মারা-'আমায় যত্ন করুন' ইত্যাদি নানা কথা,সব ভুলে গেছি কিন্তু স্যারের সেই সময়ের সেই হাসিমাখা মুখ মনের পর্দায় এখনও হাস্ছে। আবার স্কুলে বাংলা পড়াতেন লাল মিয়া স্যার। উনি পাকিস্তান আমলে পাকিস্তান জাতীয় দলে ক্রীকেট খেলতেন। বল লেগে ডান হাতের আঙুল ভেঙে যাওয়ায় খেলা ছেড়ে দেন স্বাধীনতার পর থেকে উনি আমাদের স্কুলে বাংলা পড়াতেন । খুব রাগী ছিলেন। অনেকখন চেষ্টা করেও উনার হাসি মাখা চেহারা মনে আনতে পারলাম না।উনিও খুব ভালো টিচার ছিলেন অন্তত আমার কাছে। (অনেক বছর হলো গত হয়েছেন।)
MukheModhu
সমুদ্র
1/11 ভাই,
ভাই স্মৃতি রোমন্থন করলাম আমি মুখেমধূ আর আপনি সেটা সমুদ্রে ভাসিয়ে দিলেন,বুঝলাম না।(Just kidding)
মুখে মধু
All That Shine Is Not Gold
Anybody who looks good and speaks nice is not enlightened. By supporting a autocrat he showed the darkeness of his mind.
১/১১
ছবিটিতে পাশের মানুষগুলো কারা? চশমা পরিহিতকেতো ডঃ জাফর ইকবাল মনে হচ্ছে। একজন মেম্বার আবার উনার চরিত্র হননে ব্যাস্ত আছেন। এই টপিকে না আবার তার অর্থহীন বকবকানি শুরু হয়!
সমুদ্র
জনাব সাইদ,
ভাল লাগল আপনার বক্তব্য।এই অভাগা দেশকে রাজনীতিবিদ নামক গুন্ডাদের কবল থেকে রখ্খা পেতে আরও জোরালো ভুমিকা রাখুন। সত্যিকারের সুশীল সমাজের দ্বায়িত্ব সমাজকে সকল অপশক্তি থেকে রখ্খা করা।আসুন এককভাবে নয়, দলবদ্ধ ভাবে সবাই মিলে দেশকে বিএনপি ও আওয়ামী লীগ নামক দুই গুন্ডাবাহিনীর হাত থেকে মুক্ত হতে বলিষ্ঠ ভুমিকা রাখি।