সমকাল, লালমনিরহাট প্রতিনিধি: শনিবার রাতে লালমনিরহাট জেলা পরিষদ অডিটোরিয়াম কাম কমিউনিটি সেন্টারে আয়োজিত পাটপণ্য মেলায় বিডিআর জওয়ান কর্তৃক এক গৃহবধূর শ্লীলতাহানির ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিডিআর-জনতা সংঘর্ষে মহিলা, শিশুসহ অহত ২০ জন আহত হয়েছে। এ সময় বিডিআরের বেধড়ক লাঠিচার্জের কারণে মেলা প্রাঙ্গণে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। মেলায় আগত দর্শকরা ভয়ে দিগবিদিক ছোটাছুটি করতে গিয়ে আহত হয়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, তিন দিনব্যাপী পাটপণ্য মেলায় শেষ দিন শনিবার ব্যবসায়ী মেহেদী হাসান জুয়েল স্ত্রী-সন্তানসহ মেলায় আসেন। এ সময় লালমনিরহাট ৩১ রাইফেলস ব্যাটালিয়নের কতিপয় জওয়ান মেলা প্রাঙ্গণে জটলা পাকাতে থাকে। এক পর্যায়ে বিডিআর জওয়ান ফরিদ হোসেন ব্যবসায়ী জুয়েলের স্ত্রীর শ্লীলতাহানির চেষ্টা চালায়। জুয়েল এ ঘটনায় প্রতিবাদ জানালে উভয়পক্ষে সংঘর্ষ বেঁধে যায়। খবর পেয়ে পুলিশ এসে কিছু সময়ের জন্য পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এর কিছুক্ষণ পর নিকটস্থ ক্যাম্প থেকে ভ্যানযোগে বিডিআর জওয়ানরা আগ্নেয়াস্ত্র, লাঠি, লোহার রড নিয়ে মেলা প্রাঙ্গণে প্রবেশ করে জনতাকে বেধড়ক লাঠিচার্জ শুরু করে। আশপাশের এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে আতঙ্ক। এ সময় পাশ্ববর্তী মিশন মোড় ও নর্থবেঙ্গল মোড় এলাকায় জনতার সঙ্গে সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে। বিডিআর জওয়ানদের তান্ডবে মেলা সংলগ্ন ডাকবাংলোয় অবস্থানরত বিভিন্ন দফতরের ভীতসন্ত্রস্থ কর্মকর্তারা অবরুদ্ধ হয়ে পড়েন। পরে স্থানীয় সেনা ক্যাম্পের অবস্থানরত সেনাসদস্যরা ঘটনাস্থলে ছুটে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানান, পুলিশ ঘটনাটি তদন্ত করছে এবং তদন্তপূর্বক দোষী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। অন্যদিকে ৩১ রাইফেলস ব্যাটালিয়নের সুবেদার মেজর জানান, বিডিআর সদস্য ফরিদ হোসেনকে নিয়ে ব্যবসায়ী মেহেদী হাসান জুয়েলের বাসায় গেলে তার স্ত্রী বলেন, ফরিদ হোসেন নাকি অন্য কেউ এ ঘটনা ঘটিয়েছে ভিড়ের মধ্যে তিনি তা ঠাহর করতে পারেননি। বিডিআরের সুবেদার আরো বলেন, ভিড়ের মধ্যে অন্য কেউ এ ঘটনা ঘটিয়ে থাকতে পারে। কিন্তু সঠিকভাবে শনাক্ত না করেই ব্যবসায়ী জুয়েল বিডিআর সদস্য ফরিদের ওপর চড়াও হন।
মেলার আয়োজক জুট ডাইভারসিফিকেশন প্রমোশন সেন্টারের নির্বাহী পরিচালক ড. এবিএম আবদুল্লাহ ঘটনাটিকে দুর্ঘটনা হিসেবে অভিহিত করে বলেন, এভাবে মেলা বন্ধ হওয়ায় তারা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছেন। তবে ঘটনা সম্পর্কে জানতে ব্যবসায়ী মেহেদী হাসান জুয়েলের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। ঘটনার পর থেকে রহস্যজনক কারণে তিনি গা-ঢাকা দিয়ে আছেন।
In the land of smuggler and 'Kukur' BDR
"এর কিছুক্ষণ পর নিকটস্থ ক্যাম্প থেকে ভ্যানযোগে বিডিআর জওয়ানরা আগ্নেয়াস্ত্র, লাঠি, লোহার রড নিয়ে মেলা প্রাঙ্গণে প্রবেশ"
এই কুকুরগুলোই যখন BSF এর হাতে কুত্তার মত গুলি খেয়ে মরে তখন আমাদের মনে আফসোস হয়।
"অন্যদিকে ৩১ রাইফেলস ব্যাটালিয়নের সুবেদার মেজর জানান, বিডিআর সদস্য ফরিদ হোসেনকে নিয়ে ব্যবসায়ী মেহেদী হাসান জুয়েলের বাসায় গেলে তার স্ত্রী বলেন,......"
একজন সাধারণ নাগরিকের বাসায় গিয়ে এই কুকুর সুবেদার মেজর মস্তবড় অন্যায় করেছে বলে আমি মনে করি। সভ্য কোনো দেশ হলে এই কুকুরের চাকরি চলে যেত।
In the land of smuggler
It's a fortune lived near by the border
Smuggling is the occupassion of a lot villagers
Border defence force busy
To get posted in the area which is hot and crazy
Without bribing which is not easy
MP, Minister, PM and PM Sons
All keeps their eyes on
Whom to bring out and whom to bring on
In the land of smuggler
Customs officer get their
Duty by giving politicians cake and butter
Smuggler can be the home minister
Can do smuggling in a state better
Getting the PM Son as his partner
Shame on them..
Shame on them..