যুগান্তর: চাঁদপুর-১ (কচুয়া) আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থিতায় আসছে নাটকীয় পরিবর্তন। শনিবার এ আসনে আওয়ামী লীগের আগের দেয়া মনোনীত প্রার্থী মীর মোঃ ইকবাল হোসেনকে সঙ্গে নিয়েই ওই আসনে লড়তে মনোনয়নপত্র জমা দিলেন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য সাবেক পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ড. মহীউদ্দীন খান আলমগীর। দুপুরে তিনি রিটার্নিং অফিসার জেলা প্রশাসক আ.ক.ম. শাহীদুর রহমানের হাতে তার মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। এসময় তার সঙ্গে ছিলেন তার ভাই অধ্যাপক বোরহান উদ্দিন খান জাহাঙ্গীর, অস্ট্রেলিয়া আওয়ামী লীগের সভাপতি নূরুল আজাদ, অ্যাডভোকেট আয়াত আলী পাটোয়ারী, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবু নঈম পাটোয়ারী দুলাল, কেন্দ ীয় কৃষক লীগের সদস্য ইসহাক শিকদার। এসময় তার গাড়ি বহরে ছিলেন আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী মীর মোঃ ইকবাল হোসেন। মনোনয়নপত্র জমা দিয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন ড. মহীউদ্দীন খান আলমগীর। দণ্ডপ্রাপ্ত এবং আওয়ামী লীগের পার্লামেন্টারি বোর্ডের মনোনীত প্রার্থী থাকা সত্ত্বেও দলীয়ভাবে মনোনয়নপত্র জমা দিলেন কেনÑ এ প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমাকে ওই তথাকথিত সাজা যেটা দেয়া হয়েছে সেটা আমার নির্বাচনকে বাধাগ্রস্ত করতে পারে না। এছাড়া এটা জরুরি বিধিতে দেয়া হয়নি। সাংবিধানিকভাবেই আমি নির্বাচন করার অধিকার রাখছি। আর আগে যে মনোনয়ন দেয়া হয়েছে সেটা প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই হয়েছে। তিনি বলেন, আমি নির্বাচন করতে পারলে অবশ্যই আমি জয়ী হতে পারব। এদিকে দলের মনোনীত প্রার্থী কচুয়া আওয়ামী লীগ সহ-সভাপতি মনোয়ারা হাসপাতালের মালিক মীর মোঃ ইকবাল হোসেন জানান, আমি ২৩ নভেম্বর মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছি। ড. আলমগীর আমাদের কেন্দ ীয় নেতা, কচুয়াবাসীর প্রিয়মুখ। তিনি যদি শেষ পর্যন্ত মনোনীত হন তাহলে আমি আমার মনোনয়ন অবশ্যই প্রত্যাহার করে নেব।