১/১১ কোন হাইহাক্কু বা ঢাক্কা নয়,১/১১ একটি চেতনা। ১/১১ এর উদ্যক্তারা তাদের উদ্যোগে কতটুকু সফল হয়েছেন তা ভবিষ্যত ই নির্ধারন করবে।তবে এ চেতনা জাতির মননে দির্ঘকাল জাগরুক ও ক্রীয়াশীল থাকবে বলে আমি মনে করি।
একজন গৃহীনি আসল জন্মতারিখ ছেড়ে একটি ভুয়া জন্মতারিখ নিয়ে রাষ্ট্রীয় সফত করে প্রধানমন্ত্রীর চেয়ারে পাচ বছর কাটালেন। বঙ্গবন্ধুর নির্মম হত্যাকান্ডের ১৫ ই আগষ্ট এর দিনটিকে যখনি জাতীয়ভাবে শোক দিবস ঘোষনা করা হলো তখনি তিনি তার চরম হীনমনতা প্রদর্শন করে ঐ তারিখটিকেই তার আরেক জন্ম তারিখ বলে বেছে নিলেন এবং ঘটা করে নিজের বিশাল বপুর সমপরিমান কেক কেটে তা পালন করা শুরু করলেন। রাষ্ট্র তথা দেশের জনগনের সাথে ধোকাবাজীর জন্য তার বিরুদ্ধে উকিল নোটিশ নয়,মামলা জারী জরুরী।
আলোচিত লিগ্যাল নোটিশটিকে যারা পলিটিকাল ষ্টানবাজী বলতে চান,তাদের মানষীকতাও আলোচিত এই গৃহীনির ন্যায় বলে আমি মনে করি।
হাসান ইমাম খান,
সুইজারল্যান্ড।
যুগান্তর রিপোর্ট :
ভুয়া জন্মতারিখ ব্যবহারের অভিযোগে ভোটার তালিকা থেকে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার নাম বাদ ও তার মনোনয়নপত্র বাতিলের দাবি জানানো হয়েছে। ভুয়া জš§তারিখ ব্যবহারের অভিযোগে ভোটার তালিকা থেকে খালেদা জিয়ার নাম বাদ দেয়ার দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ। মঙ্গলবার প্রধান নির্বাচন কমিশনারের (সিইসি) কাছে এক আবেদনে এ দাবি জানানো হয়। ফেনী-১ আসনের চারদলীয় জোট প্রার্থী খালেদা জিয়ার মনোনয়নপত্র বাতিলের দাবিতে জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং অফিসারের কাছে লিখিত আবেদন জানিয়েছে ওই নির্বাচনী এলাকার দুই ভোটার। এদিকে ভোটার তালিকা থেকে খালেদা জিয়ার নাম বাদ দেয়ার দাবিতে আজ প্রতিবাদ সমাবেশ করবে যুবলীগ।
ছাত্রলীগ সভাপতি মাহমুদ হাসান রিপন স্বাক্ষরিত আবেদনে বলা হয়, এক ব্যক্তির কয়টি জন্মতারিখ থাকতে পারে? ২৯ নভেম্বর ভোটার হওয়ার সময় খালেদা জিয়ার জন্মতারিখ লেখা হয় ১৫ আগস্ট ১৯৪৭ ইং। কিন্তু ১৯৬৫ সালের বিবাহ রেজিস্টারে তার জন্মতারিখ লেখা হয় ৯ আগস্ট ১৯৪৪ ইং। আবার ১৯৬১ সালে দিনাজপুর সদর গার্লস স্কুলে এসএসসি পরীক্ষা দেয়ার ক্ষেত্রে তার জন্মতারিখ লেখা হয় ৫ সেপ্টেম্বর ১৯৪৬। এছাড়াও ১৯৭৮ থেকে ১৯৮৩ পর্যন্ত তার নামে ইস্যুকৃত পাসপোর্টে জন্মতারিখ লেখা হয় সেপ্টেম্বর ১৯৪৬ ইং। বিষয়টি তদন্তপূর্বক মিথ্যা জন্মতারিখ ব্যবহার করায় খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানায় ছাত্রলীগ।
এদিকে ফেনী প্রতিনিধি জানান, ফেনী-১ আসনের চারদলীয় প্রার্থী বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মনোনয়নপত্র বাতিলের দাবি জানিয়েছেন ওই নির্বাচনী এলাকার ভোটার সহিদুল্লা মজুমদার ও আহাম্মদ হোসেন। মঙ্গলবার দুপুরে ফেনী জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং অফিসারের কাছে লিখিতভাবে তারা এ আবেদন জানান। আবেদনপত্রে উল্লেখ করা হয়, খালেদা জিয়া নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়নপত্রে যে হলফনামা দিয়েছেন তা সম্পূর্ণ মিথ্যা। এতে উল্লেখ করা হয়, ভোটারের তথ্য বিবরণীতে খালেদা জিয়ার জš§তারিখ দেখানো হয়েছে ১৫ আগস্ট ১৯৪৬, ভোটার তালিকায় জন্মতারিখ ১৫ আগস্ট ১৯৪৭। শিক্ষাগত যোগ্যতার ক্ষেত্রে বলেছেন এইচএসসি, অথচ ১৯৬১ সালে মেট্রিকুলেশন পরীক্ষায় তার রোল নং ছিল এফ-৭৯২ (অকৃতকার্য)। জন্মতারিখ দেখানো হয়েছে ৫ সেপ্টেম্বর ১৯৪৬ সাল। বিয়ের কাবিননামা অনুসারে জন্মতারিখ হচ্ছে ৯ আগস্ট ১৯৪৪ সাল। ১৯৭৮ সালে পাসপোর্ট আবেদনপত্রে জন্মতারিখ সেপ্টেম্বর ১৯৪৬ দেখানো হয়েছে। এসব অভিযোগের প্রমাণপত্র হিসেবে তারা বিভিন্ন কপি আবেদনপত্রে সংযুক্ত করে জমা দিয়েছেন। আবেদনকারী বলেন- সুষ্ঠু, অবাধ, নিরপেক্ষ নির্বাচনে আস্থা সৃষ্টির জন্য মিথ্যা তথ্য দেয়ার অপরাধে তারা মনোনয়নপত্রটি বাতিলের জন্য দাবি জানিয়েছেন। তারা আবেদনটি জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধান নির্বাচন কমিশনার সচিবালয়ে পাঠিয়েছেন।
এই ধাক্কাটি একটি ইতিহাস।দস্যুর দল দস্যুপনা করতে গেলেই বারবার তাদের সামনে ভেসে উঠবে সেই দুঃস্বপ্ন।সময় এবং পারিপার্শিকতার চাপে হয় তো ১/১১ অনেক কিছুই করে যেতে পারেন নি,কিন্তু যতটুকু করে গিয়েছেন আজীবন জাতির বিবেক তা মনে রাখবে এবং দস্যুদের নিকট তা দুঃসময় হয়েই থাকবে।।
আপনার ১/১১ সার্থক না হোক, পুরাপুরি ব্যর্থ নয়। এর কিছু গুণাগুন তো আছেই! জাতি অন্ততঃপক্ষে জানতে পারল, কে অপরাধী, কে অপরাধ প্রবণ? এরপর এ জাতি প্রস্তুতি নিবে ঐসব অপরাধীদের শায়েস্তা করার...ইনশাল্লাহ্............
এই কুলাংগার মহিলার দ্বারা পৃথিবীর হেন কোন কাজ নেই যা সম্ভব নহে।সে একাধারে অশিক্ষিতা,লুচ্ছা,বেহায়া,চোরনী,আর গডমাদার।তবে সুখবর হল তার গতিবিধি ক্যামেরা দ্বারা পর্যবেক্ষন করা হচ্ছে।
হা হা হা ---
একজন স্বশিক্ষিত খালেদার বোধ শক্তি.............
hello everybody,
cheers,
BNP's nominations do not indicate that
BNP's nominations do not indicate that. Does it?
১/১১...............।
১/১১ কোন হাইহাক্কু বা ঢাক্কা নয়,১/১১ একটি চেতনা। ১/১১ এর উদ্যক্তারা তাদের উদ্যোগে কতটুকু সফল হয়েছেন তা ভবিষ্যত ই নির্ধারন করবে।তবে এ চেতনা জাতির মননে দির্ঘকাল জাগরুক ও ক্রীয়াশীল থাকবে বলে আমি মনে করি।
১/১১ ভাইজান ভাল আছেন? মনটা ভাল তো ? ফেব্রুয়ারীতে আসছেন তো? এক বিশাল পিপে নিয়ে আপনার অপেক্ষায় আছি। ভাল থাকুন।
হাসান ইমাম খান,
সুইজারল্যান্ড।
হাসান ইমাম খান,
সুইজারল্যান্ড।
ইউছুপ ও পলিটিক্যাল ষ্টানবাজী.....................।
একজন গৃহীনি আসল জন্মতারিখ ছেড়ে একটি ভুয়া জন্মতারিখ নিয়ে রাষ্ট্রীয় সফত করে প্রধানমন্ত্রীর চেয়ারে পাচ বছর কাটালেন। বঙ্গবন্ধুর নির্মম হত্যাকান্ডের ১৫ ই আগষ্ট এর দিনটিকে যখনি জাতীয়ভাবে শোক দিবস ঘোষনা করা হলো তখনি তিনি তার চরম হীনমনতা প্রদর্শন করে ঐ তারিখটিকেই তার আরেক জন্ম তারিখ বলে বেছে নিলেন এবং ঘটা করে নিজের বিশাল বপুর সমপরিমান কেক কেটে তা পালন করা শুরু করলেন। রাষ্ট্র তথা দেশের জনগনের সাথে ধোকাবাজীর জন্য তার বিরুদ্ধে উকিল নোটিশ নয়,মামলা জারী জরুরী।
আলোচিত লিগ্যাল নোটিশটিকে যারা পলিটিকাল ষ্টানবাজী বলতে চান,তাদের মানষীকতাও আলোচিত এই গৃহীনির ন্যায় বলে আমি মনে করি।
হাসান ইমাম খান,
সুইজারল্যান্ড।
হাসান ইমাম খান,
সুইজারল্যান্ড।
বেজন্মা মহিলা......................
এই বেজন্মা মহিলার জন্মের কোন মাথামুন্ডু নাই বলিযাই সে এত বাজে। আর রাজনীতিও করে বাজে লোকদের নিয়ে।
hello everybody,
cheers,
ভুয়া জন্মতারিখ : খালেদার মনোনয়নপত্র বাতিলের দাবি
যুগান্তর রিপোর্ট :
ভুয়া জন্মতারিখ ব্যবহারের অভিযোগে ভোটার তালিকা থেকে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার নাম বাদ ও তার মনোনয়নপত্র বাতিলের দাবি জানানো হয়েছে। ভুয়া জš§তারিখ ব্যবহারের অভিযোগে ভোটার তালিকা থেকে খালেদা জিয়ার নাম বাদ দেয়ার দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ। মঙ্গলবার প্রধান নির্বাচন কমিশনারের (সিইসি) কাছে এক আবেদনে এ দাবি জানানো হয়। ফেনী-১ আসনের চারদলীয় জোট প্রার্থী খালেদা জিয়ার মনোনয়নপত্র বাতিলের দাবিতে জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং অফিসারের কাছে লিখিত আবেদন জানিয়েছে ওই নির্বাচনী এলাকার দুই ভোটার। এদিকে ভোটার তালিকা থেকে খালেদা জিয়ার নাম বাদ দেয়ার দাবিতে আজ প্রতিবাদ সমাবেশ করবে যুবলীগ।
ছাত্রলীগ সভাপতি মাহমুদ হাসান রিপন স্বাক্ষরিত আবেদনে বলা হয়, এক ব্যক্তির কয়টি জন্মতারিখ থাকতে পারে? ২৯ নভেম্বর ভোটার হওয়ার সময় খালেদা জিয়ার জন্মতারিখ লেখা হয় ১৫ আগস্ট ১৯৪৭ ইং। কিন্তু ১৯৬৫ সালের বিবাহ রেজিস্টারে তার জন্মতারিখ লেখা হয় ৯ আগস্ট ১৯৪৪ ইং। আবার ১৯৬১ সালে দিনাজপুর সদর গার্লস স্কুলে এসএসসি পরীক্ষা দেয়ার ক্ষেত্রে তার জন্মতারিখ লেখা হয় ৫ সেপ্টেম্বর ১৯৪৬। এছাড়াও ১৯৭৮ থেকে ১৯৮৩ পর্যন্ত তার নামে ইস্যুকৃত পাসপোর্টে জন্মতারিখ লেখা হয় সেপ্টেম্বর ১৯৪৬ ইং। বিষয়টি তদন্তপূর্বক মিথ্যা জন্মতারিখ ব্যবহার করায় খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানায় ছাত্রলীগ।
এদিকে ফেনী প্রতিনিধি জানান, ফেনী-১ আসনের চারদলীয় প্রার্থী বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মনোনয়নপত্র বাতিলের দাবি জানিয়েছেন ওই নির্বাচনী এলাকার ভোটার সহিদুল্লা মজুমদার ও আহাম্মদ হোসেন। মঙ্গলবার দুপুরে ফেনী জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং অফিসারের কাছে লিখিতভাবে তারা এ আবেদন জানান। আবেদনপত্রে উল্লেখ করা হয়, খালেদা জিয়া নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়নপত্রে যে হলফনামা দিয়েছেন তা সম্পূর্ণ মিথ্যা। এতে উল্লেখ করা হয়, ভোটারের তথ্য বিবরণীতে খালেদা জিয়ার জš§তারিখ দেখানো হয়েছে ১৫ আগস্ট ১৯৪৬, ভোটার তালিকায় জন্মতারিখ ১৫ আগস্ট ১৯৪৭। শিক্ষাগত যোগ্যতার ক্ষেত্রে বলেছেন এইচএসসি, অথচ ১৯৬১ সালে মেট্রিকুলেশন পরীক্ষায় তার রোল নং ছিল এফ-৭৯২ (অকৃতকার্য)। জন্মতারিখ দেখানো হয়েছে ৫ সেপ্টেম্বর ১৯৪৬ সাল। বিয়ের কাবিননামা অনুসারে জন্মতারিখ হচ্ছে ৯ আগস্ট ১৯৪৪ সাল। ১৯৭৮ সালে পাসপোর্ট আবেদনপত্রে জন্মতারিখ সেপ্টেম্বর ১৯৪৬ দেখানো হয়েছে। এসব অভিযোগের প্রমাণপত্র হিসেবে তারা বিভিন্ন কপি আবেদনপত্রে সংযুক্ত করে জমা দিয়েছেন। আবেদনকারী বলেন- সুষ্ঠু, অবাধ, নিরপেক্ষ নির্বাচনে আস্থা সৃষ্টির জন্য মিথ্যা তথ্য দেয়ার অপরাধে তারা মনোনয়নপত্রটি বাতিলের জন্য দাবি জানিয়েছেন। তারা আবেদনটি জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধান নির্বাচন কমিশনার সচিবালয়ে পাঠিয়েছেন।
হৃদয়--
ভাই ১/১১....
আপনার ১/১১ সার্থক না হোক, পুরাপুরি ব্যর্থ নয়। এর কিছু গুণাগুন তো আছেই! জাতি অন্ততঃপক্ষে জানতে পারল, কে অপরাধী, কে অপরাধ প্রবণ? এরপর এ জাতি প্রস্তুতি নিবে ঐসব অপরাধীদের শায়েস্তা করার...ইনশাল্লাহ্............
hello everybody,
cheers,
হৃদয়