সুজিৎ নন্দী ও হিরা তালুকদার: জরুরি ক্ষমতা বিধিমালায় ২ বছরের অধিক শাস্তি হয়েছে এমন ব্যক্তি নির্বাচনে অযোগ্য হবে বলে গতকাল হাইকোর্ট যে রায় দিয়েছে সে অনুযায়ী দণ্ডপ্রাপ্ত কোনো রাজনীতিবিদই নির্বাচন করতে পারবেন না। কেননা তাদের প্রত্যেকেরই ২ বছরের অধিক বছরের শাস্তি হয়েছে। সে অনুযায়ী এবার যারা নির্বাচন করতে পারবেন না তারা হলেন- বিএনপি নেতা সাবেক মন্ত্রী ব্যারিস্টার নাজমুল হুদা, এম. মোর্শেদ খান, শাজাহান সিরাজ, মীর নাছির উদ্দিন, মির্জা আব্বাস, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, হারিছ চৌধুরী, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সালাহউদ্দিন আহমেদ, জিয়াউল হক জিয়া, ব্যারিস্টার শাহজাহান ওমর, আলী আজগর লবী, মোসাদ্দেক আলী ফালু, মিজানুর রহমান মিনু, মঞ্জুরুল আহসান মুন্সি, নাসের রহমান, বরকত উল্লাহ বুলু, নাসির উদ্দিন আহমেদ পিন্টু, হাফিজ ইব্রাহীম, সাহরিন ইসলাম তুহিন, বিএম বাকির হোসেন, ফিরোজ আলম, গিয়াস উদ্দিন আল মামুন, মনোয়ার হোসেন ডিপজল, ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন, দীপু চৌধুরী, ডা. ফিরোজ মাহমুদ ইকবাল, চৌধুরী আলম, রাজিব সিরাজ, তৈমুর আলম খন্দকার ও আলী রেজা রাজু।
আওয়ামী লীগের মোহাম্মদ নাসিম, ড. মহিউদ্দিন খান আলমগীর, মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া, জয়নাল হাজারী, শামীম ওসমান, এমএস মোস্তফা রশিদী সুজা, শেখ হেলাল উদ্দিন, আতিকউল্লাহ খান মাসুদ, ড. এইচবিএম ইকবাল, হাজী মকবুল হোসেন, কাজী জাফরউল্লাহ, পংকজ দেবনাথ।
জেপির আনোয়ার হোসেন মঞ্জু, জামায়াতের শাহজাহান চৌধুরী, ইসলামী ঐক্যজোটের মুফতি শহিদুল ইসলাম।
সাজা পাওয়ার কারণে রাজনীতিবিদদের স্বজনদের মধ্যে যারা নির্বাচন করতে পারবেন না তারা হলেন- নাজমুল হুদার স্ত্রী সিগমা হুদা, মোহাম্মদ নাসিমের স্ত্রী লায়লা আরজুমান্দ বানু, এমএম মোরশেদ খানের ছেলে ফয়সাল মোরশেদ খান, মির্জা আব্বাসের স্ত্রী আফরোজা আব্বাস, আমানউল্লাহ আমানের স্ত্রী সাবেরা আমান, মীর নাছিরের ছেলে মীর মো. হেলালউদ্দিন, মোসাদ্দেক আলী ফালুর স্ত্রী মাহবুবা সুলতানা, পংকজ দেবনাথের স্ত্রী মনিকা দেবনাথ, মির্জা আব্বাসের ছোট ভাই মির্জা খোকন, ওবায়দুল কাদেরের স্ত্রী ইশরাতুন্নেছা, আলী আসগর লবীর স্ত্রী খুশনুদ আসগর, সালাউদ্দিন আহম্মেদের স্ত্রী মোসাম্মৎ সামসুন্নাহার ও ছেলে ইমরান আহম্মেদ, জিয়াউল হক জিয়ার স্ত্রী নাসিমা হক ও ছেলে মাসফিকুল হক, রশিদুজ্জামান মিল্লাতের স্ত্রী সাবেরা সুরাইয়া ও ছেলে সাঈদ বিন জামাল, মনোয়ার হোসেন ডিপজলের স্ত্রী রোমানা মনোয়ার, মোস্তফা রশিদী সুজার স্ত্রী খোদেজা রশিদী, মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়ার ছেলে সাজিদুল হক চৌধুরী দিপু।
সাজাপ্রাপ
সাজাপ্রাপ্তদের বদলে সাজাপ্রাপ্তদের স্ত্রী, কন্যা, নিকট আত্যীয়রা মনোয়ন পেয়েছে। এমন না যে দুর্বিত্তদের বদলে কোন ভাল লো্ক মনোয়ন পেয়েছে।চরম বাস্তবতা হচ্ছে, বিন্দুমাত্র অবস্থার পরিবর্তন না হয়ে ১/১১ এর আগের অবস্থায় ফিরে গেছে দেশ ।এসব লোক দেখান সাজা ,ফাজা আর না দেখিয়ে নিজেদের বার্থতা পুরোপুরি সীকার করে বিদায় নিলেও সিটিজিকে অন্তর থেকে সম্মান করবে এ দেশের মানুষ।
আর কিছু না হোক ভবিষ্যতের জন্য একটা উদাহরন তৈরী করে গেছেন তারা। প্রক্রিয়ার শুরুটা তারা করে গেছেন,হয়ত বাস্তবায়ন করে যেতে পারেনি। তাদের করা ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে এর পরের গ্রুপ সফল হবেই হবে।