রাষ্ট্রপতি হিসাবে জনাব জিল্লুর রহমান যোগ্য ও উপযুক্ত তম ব্যক্তি।

Image

রাষ্ট্রপতি হিসাবে আওয়ামী লিগের প্রবীন, দক্ষ, শিক্ষিত ও অভিজ্ঞ এবং দলের নেতাকর্মী দেশের আপামর জনগনের সম্মানীত নেতা হিসাবে জনাব জিল্লুর রহমান যোগ্য ও উপযুক্ততম ব্যক্তি বলে মনে করি।

একজন পেশাগত আইনজ্ঞ যিনি দলের প্রাথমিক সদস্য থেকে ধাপে ধাপে তার রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক দক্ষতায় কেন্দ্রীয় কমিটিতে উঠে এসেছিলেন। নিজ এলাকার জনপ্রিয় রাজনীতিক হিসাবে অসংখ্যবার দলের সংসদ নির্বাচিত হয়েছেন। স্বাধীনতার নেতৃত্ব দানকারী দেশের অন্যতম কর্মী প্রধান দলের দুইমেয়াদে সাধারন সম্পাদক এবং বিগত দুবছর যাবৎ সরকারের প্ররোচনায় দল ভাঙ্গার অসংখ্য প্রচেষ্টা, তথাকতিথ সংস্কার প্রচেষ্টার মুখে দলের ঐক্য ও পুর্ন সাংগঠনিক শক্তি সংহত করে ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হিসাবে নিজ যোগ্যতার পরিচয় দিয়েছেন। এ যাবৎকালে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি হিসাবে যে সকল ব্যক্তি দ্বায়িত্ব পালন করেছেন তাদের মধ্যে রাজনৈতিক দক্ষতায় বংবন্ধুর পরে তিনিই হবেন সম্ভব্য যোগ্যতম ব্যক্তি।

অনেকে বলতে চান জনাব জিল্লুর রহামান শারীরিক ভাবে অসুস্থ্য, তাই তিনি অযোগ্য । দু বছর আগে প্রায় কমাতে চলে যাওয়া মহামান্য রাষ্ট্রপতি ইয়াজুদ্দিন সাহেব যদি দু বছর যাবৎ বহাল তবিয়তে তার দ্বায়িত্ব পালন করে যেতে পারেন, সে ক্ষেত্রে জনাব জিল্লুর রহমান উনার থেকেও শারীরিক ভাবে যথেষ্ট সক্ষম বলে আমি মনে করি।

ই-মেলার কিছু সদস্য রাষ্ট্রপতি হওয়ার জন্য কিছু অতিরিক্ত আধুনিক শিক্ষা,দক্ষতা ও যোগ্যতার কথা অযথা সংযোজন করে জনাব জিল্লুর সাহেবকে যোগ্য বিবেচনা করছেন না। এ বিবেচনার পুর্বে বাংলাদেশের বর্তমান সংবিধান অনুযায়ী রষ্ট্রপতির প্রকৃত দ্বায়িত্বের বিষয়টি তারা ইচ্ছায় বা অনিচ্ছায় ভুলে যাচ্ছেন। প্রকৃত অর্থে রাষ্ট্রপতি ব্যপকভাবে একটি সেরেমনিয়াল পদ বৈ কিছু নয়। সাবেক রাষ্ট্রপতি বিচারপতি সাহাবুদ্দিনের ভাষায় "মাজার জিয়ারত ও ফিতা কাটার চাকুরি"। এ পদের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের শিক্ষা ও পর্যাপ্ত পরিমান রাজনৈতিক ধ্যান ধারনাই যথেষ্ট। বিদেশের কর্ম সংস্থান বা পুজির অন্মেষন করা রাষ্ট্রপতির দ্বায়িতের আওতায় নয়,এ জন্য রাষ্ট্রের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রনালয় বা বিভাগ আছে।

রাজনৈতিক পরিধারা অনুযায়ী একজন রাজনীতিবিধ জনগনের মন মানষিকতা ধারন করে সংশ্লিষ্ট দেশ জাতি ও তার জনগনের কল্যান ও উন্নয়নের লক্ষে রাজনৈতিক দিকনির্দেশনা দিবেন মাত্র, এর পরিকল্পনা ও বাস্তবায়ন রাজনীতিক এর দ্বায়িত্ব নয়। সে দ্বায়িতে পালনের জন্য রাষ্ট্রের স্ব স্ব মন্ত্রনালয় ও বিভাগের পরিকল্পক,প্রকৌশলী সহ বিশেষজ্ঞরা আছেন,যারা রাজনীতিক এর নির্দেশনানুযায়ী সেগুলি বাস্তবায়ন করে থাকেন।

এখানে উন্নয়ন এর রাজনৈতিক নির্দেশনা,পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নের ব্যাপার গুলি ভিন্ন ভিন্ন, এগুলিকে একত্রে গুলিয়ে ফেলে কেহ কেহ রাষ্ট্রপতির মনগড়া দ্বায়িত্ব কর্তব্য নির্ধারন করে যোগ্যতার বা অযোগ্যতার প্রশ্ন উথ্যাপন করছেন,যাহা একান্তই অপ্রসাঙ্গিক।

সে হিসাবে আমি মনে করি রাষ্ট্রপতি হিসাবে আওয়ামী লীগে প্রবীন ও দক্ষ রাজনীতিবিধ হিসাবে জনাব জিল্লুর রহমান ই যোগ্য ও উপজুক্ততম ব্যক্তি।

হাসান ইমাম খান,
সুইজারল্যান্ড।

shomudro's picture

বাংলাদেশে

বাংলাদেশে একজন রাস্ট্রপতির শুধুই "মাজার জিয়ারত ও ফিতা কাটার চাকুরি" বানানো হয়েছে প্রধানমন্ত্রির সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী হওয়ার জন্য।রাস্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রির ক্ষমতার সমতা নেই বলেই একজন খালেদা জিয়া ও তারেক জিয়া পুরো রাস্ট্রের মালিক বনে যায়। উন্নত দেশে বাস করেও যারা দেশের রাস্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রির পদে উন্নত দেশের মত শিক্ষিত ও সবদিক দিয়ে যোগ্য লোকের বদলে কোটিপতি চাঁদাবাজ ও তার সহযোগিদের দেখতে চায়, তাদের যতই শিক্ষাদীক্ষা থাকুক না কেন দেশপ্রেম শব্দটা তাদের ডিকশনারিতে নাই।
জিল্লুর রহমানের যে কৃতিত্বকে হাসিনা মূল্যায়ন করছে তা হল'' দেশের উন্নয়নের জন্য রাজনৈতিক লুটপাঠের সংস্কৃতি পরিবর্তন করে দলীয় সংস্কারের বিরুদ্ধে অবস্থান ও চাঁদাবাজী মামলার আসামী নেত্রীর পক্ষবলম্বন"।ষাটার্ধে এসে হাসিনার সামনে ছিল দেশকে সত্যিকারের সেবা দেয়ার সুযোগ। এদশের জনগন খালেদা প্রত্যাখান করে হাসিনাকে নির্বাচিত করেছে তার লুটপাঠকে সম্মান জানানোর জন্য নয়। তাহলে বিএনপির ভোট এত কম হত না। বর্তমান বিশ্বের প্রেক্ষাপটে হাসিনার উচিত ছিল দলের বাইরে উচ্চ যোগ্যতা সম্পন্ন লোকদের মন্ত্রি ও প্রধানমন্ত্রির পদে নিয়োগ দেয়া।এবং সে নিজে ও তার দল গুরুত্ব পুর্ন কিছু পদ গ্রহন করে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ক্ষমতাসম্পন্ন এই গ্রুপটিকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদান। এমনকি নির্বাচনের আগে এ ধরনের একটা ডীল (হাসিনা ও সিটিজির মধ্যকার) এর কথা ব্যপক প্রচার পেয়েছিল এবং যার ফলশ্রুতিতে আওয়ামীলীগের এই বিশাল জয়।কিন্তু বর্তমানে হাসিনা সিটিজিকে ভিলেন হিসেবে দেখিয়ে তাদের গতদুবছরের সময়টাকে দেশের ও তার দলের জন্য ক্রান্তিকাল হিসেবে প্রচার করে ইতিমধেই জনগনের মাঝে বিরুপ মনোভাব তৈরী করে ফেলেছে । বিশাল ক্ষমতাধর হাওয়াভবনের প্রতিষ্ঠাতা যারা আর্মি থেকে শুরু করে প্রশাষন সব কিছু তাদের হাতের মুঠোয় পুরেছিল, তাদের আজকের এই পরিনতি কেউ স্বপ্নেও কল্পনা করেনি। এতকিছুর পরও হাসিনার যদি বোধদয় না হয়, অদূর পরবর্তি তার করুন পরিনতির জন্য আর নতুন করে স্বপ্ন দেখার দরকার নেই।

Klanta Pothik's picture

Better then Natinal Thief..............

Yes............better then National Thief, National liar Ershad...............wo has a day dream to be a president............

uzzal_pramanik's picture

Zillur Rahman

There is no doubt about Zillur Rahman being the most eligible candidate for President.
he has a looooooong political history of idealism, morality and dedication. starting from chhatra league, mother tongue revolution in 1952, 6 point revoultion in 1966, and war of independance in 1971 he fought for this country, after liberation, he had so many chances to change party to become ministers and even more he has proved his dedication and character.

Even after losing his wife during that 21 Aughst attack in BB Avenue - "IVY Rahman, a glorious woman with such a solid background, dedication and character" - he has proved his quality and leadership in the last two years of military and CTG rule.

Withstanding the immemse pressure of "So called Songskar" and intention of the govt to destroy the political parties and institutions, This "OLD & SICK" man held the reign of AL tight with efficiency and leadership.

there is no question making someone president from outside the party, AL has the experience of making Shahabuddin Ahmed the president who joined the carnage to demolish AL at the end.

thanks to ershad for coalition, but you have been President for long enough. couple of ministers will be fair enough with you.