নির্বাচনী জোয়ারে তলিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ। প্রথমে সংসদ নির্বাচন, তারপর উপজেলা এবং সামনে আসছে পৌরসভা ও ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন। এই চক্রের যেন শেষ নেই। দু’বেলা দু’মুঠো আহারের মত নির্বাচনও যেন আমাদের দৈনন্দিন জীবনে স্থায়ী আসন করে নিয়েছে। গণতন্ত্রের পরিভাষায় ভোট হচ্ছে সভ্যতার প্রথম পদক্ষেপ। পৃথিবীর অন্যকোন দেশে নির্বাচন প্রত্যাহিক জীবনে এতটা প্রভাব ফেলতে পারে কিনা খুজে পাওয়া মুস্কিল হবে। আসলেই হচ্ছেটা কি আমাদের দেশে, কেন আমরা এতটা নির্বাচন মুখী হয়ে পরেছি?
সংসদ নির্বাচনের আগে দলীয় নমিনেশন লাভে ব্যর্থ আওয়ামী লীগের বেশ ক’জন নেতা এবং তাদের অনুসারীরা সূধা সদনের সামনে হাংগার ষ্ট্রাইক শুরু দেয় মনোনয়ন বদলের দাবিতে। ব্যাপারটা আমাকে কৌতুহলী করে তুলে বেশ ক’টা কারণে; রাজনীতির শেষ ঠিকানা কি তা হলে সংসদ, আর সংসদে গেলেই মন্ত্রীসভা? এ গুলো না পেলেই যেন রাজনীতিবিদ্দের রাজনীতির দৌড় মুখ থুবড়ে পরে। দলীয় নমিনেশন সিদ্বান্তের পুর্বক্ষনে বাংলাদেশের রাজনৈতিক অংগনে যে তোলপাড় শুরু হয় তার প্রভাবে আন্দেলিত হয় আমাদের সামাজিক জীবন। পেশীশক্তি এবং কালো টাকার সমন্নয়ে প্রাক-নির্বাচনী পরিবেশ এমন একটা আবস্থার সৃষ্টি করে, মনে হবে বাংলাদেশ গৃহযুদ্বের দ্বারপ্রান্তে। ঘরে ঘরে, পাড়ায় পাড়ায়, মহল্লার মোড়ে, শিক্ষাঙ্গনে, বাজার বন্দরে, খেতে খামারে, সব জায়গার আলোচনা সমালোচনা দলীয় মনোনয়ন নিয়ে। এরপর আসে সেই মহেন্দ্রক্ষন, যারা নমিনেশন পায় তাদের ক্যাম্পে বয়ে যায় বিশ্বজয়ের বাতাস, আর যারা ব্যর্থ তাদের ক্যাম্পে নেমে আসে মৃত্যুর স্তব্ধতা। পাশাপাশি ছড়িয়ে পরে বহুমূখী সহিংসতা; অবরোধ, জ্বালাও, পোড়াও, উচ্ছেদ এবং খুনের মত ভয়াবহ ঘটনা জীবনকে অচল করে দেয় অনেক জায়গায়। নির্বাচন আমাদের দৈনন্দিন জীবনের চরিত্র বদলে দেয় বহু ভাবে, যার প্রতিফলনে পারিবারিক সম্পর্কেও শুরু করে টানপোড়ন। অথচ এটা নির্বাচন মাত্র, আইন প্রণয়নের জন্যে জনপ্রতিনিধি পছন্দ করার গণতান্ত্রিক উপলক্ষ মাত্র। নির্বাচনে নিজ পছন্দের প্রার্থীকে জয়ী দেখতে বাপ ছেলেকে, ছেল বাপকে, স্বামী স্ত্রীকে, স্ত্রী স্বামীকে ছাড় দিয়ে রাজী নয়, এ সমস্যা গ্রাস করে নেয় আমাদের সমাজ, পরিবার এবং আন্তপারিবারিক সম্পর্ক। নির্বাচন শেষ হয়ে যায়, কিন্তূ এর রেশ থেকে যায় মাসের পর মাস ধরে। এমন বিরল গণতন্ত্র পৃথিবীর দ্বিতীয় কোন দেশে আছে কিনা তা পন্ডিতরাই বলতে পারবে। তা হলে আমরা কি অতি-গনতান্ত্রিক হয়ে গেছি, বিশ্ব কি আমাদের গণতান্ত্রিক গতির সাথে পাল্লা দিতে ব্যর্থ হচ্ছে? এমনটা শুনলে পৃথিবীর অনেক রাজনৈতিক বোদ্বাই হয়ত অবজ্ঞার হাসি হাসবে।
তা হলে কেন এই নির্বাচনী মহামারী? এর উত্তর খোজার আগে আসুন এমন একটা অবস্থার কথা কল্পনা করি; ধরুন বাংলাদেশে সরকারী ক্রয় বিক্রয় এবং অর্থনৈতিক পরিকল্পনা বাস্তবায়ন সহ যাবতীয় অর্থ প্রবাহ হতে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের সড়িয়ে নেয়া হল। তাদের ক্ষমতা শুধু আইন প্রনয়ন করার ভেতর সীমাবদ্ব করা হল। পাঠক, আমি নিশ্চয়তা দিতে পারি, এ ধরনের বাস্তবতায় বাংলাদেশের বহুলাচিত নির্বাচন হারিয়ে ফেলবে তার জৌলুষ এবং স্বকীয়তা। এমনটা বল্লে বোধহয় ভূল বলা হবেনা, বাংলাদেশের নির্বাচন হচ্ছে সরকারী টাকশালার ফটক উন্মোচন করার গণতান্ত্রিক চাবি। হোক তা সংসদ, জেলা, উপজেলা, পৌরসভা অথবা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন। সদ্য সমাপ্ত উপজেলা নির্বাচনও এর বাইরে ছিলনা। সোজা ভাষায় চুরির মাল দখল নিয়ে কুকুরে কুকুরে কামড়া কামড়ি।

For reading pleasure of RnG, WD and Robin
I am extremely sorry if the news article(link attached below) causes any allergic reaction after reading. I sincerely believe small newspapers are more reliable then the wide circulated media. These newspapers are influence free since foreign intelligence organizations does not think it is worth investing in this small ones. Lot of people also think the recent upazila election is more credible then the general election. In this upazila election, whatever nasty thing happening is wide open. Unlike the "peaceful and fair general election" where vote casting rate was more then 1 per minute and about 90% of the people was able to cast their vote. How wonderful !!!
http://www.amardeshbd.com/dailynews/detail_news_index.php?NewsID=206902&...
Indeed...
It was my pleasure indeed! My guess is, you're familiar with the name Hasan Al Mamun, if not, just a soft a reminder, he is the owner of this daily Amar Desh, and a devoted partner in crime of runway prince of Zia kingdom, The Tareq Rahman. I try not to open any ultra biased political publishing, and the Daily Amar Desh is on top of my list. Either way, it doesn't hurt to spend minute or so to read an article if such article was referred by someone with passion. Yes, I did read the article, and can jump to a quick conclusion, same old BNP garbage, in addition, outcry for lost election, and just!
Thanks anyway.
Indeed.......No bro!
Of course different!
I am sharply eying on your nice writings. It's a great pleasure for us having entertained through your nice postings. Not differing with any of them. Just a soft touch for you-'Politics of bluffing' has been defeated in a large scale for the first time in Bangladesh through the recent past election. Zia started the politics of bluffing in with the help of collaborators of '71. It took 34 years for this nation to defeat those scoundrels. In politics, Politics of Propaganda & Politics Bluffing are likely to be similar words but not for similar meanings. Politics of Propaganda is highly colouring of a truth in negative sense technically used against a group. But politics of bluffing criminalize the politics. It is used to rot a society/nation. We already lost 34 years. Now we are at a stage for necessary amendment. Be hopeful brother.
Hasan-al-Mamun
এই কারনেই
আর এই কারনেই বাংলাদেশে সৃষ্টি হইয়াছে নেত্রী পুজা।এই পুজা না দিলে নেত্রী বেজার।নেত্রী বেজার হইলে নমিনেশন নাই।আর নমিনেশন কোন রকমে পাইয়া ভোটে পাশ করিলে ও নেত্রী পুজা বন্ধ করা যাইবে না।তাহা হইলে মন্ত্রীত্ব পাওয়া যাইবে না।মন্ত্রীত্ব পাইলে ও পুজা বন্ধ করা যাইবে না তাহা হইলে যে মন্ত্রীত্ব টিকিবে না।মন্ত্রীত্ব না পাইলে ও পুজা বন্ধ করা যাইবে না তাহা হইলে যে নেত্রীর নেক নজর হইতে বঞ্চিত হইতে হইবে।
নেত্রীর নেক নজর হইতে বঞ্চিত হওয়া মানেই চুরি নাই টাকার খেলা নাই ফলে এক নিরস জীবনের আশংকা। এই খেলা কোন দিন বন্ধ হইবার নহে।চক্রাকারে আমাদের রাজনিতিতে চলিয়া আসিতেছে এবং এইভাবেই চলিবে।