আলু ত্বত্তের কি হল ?

আমাদের দেশের আমলাদের হলো পোয়াবরো , ওরা BCS পাশ করে কোন মতে একটা চাকুরী যোগাড় করতে পারলেই হলো, আর পিছনে ফিরে দেখতে হয়না। চাকুরী জীবনে ৩০ বৎসর তার আখের গোছানোর জন্যে যথেষ্ট সময়। কি ভাবে যায় তার ৩০ বৎসর ? প্রথম ২ থেকে ৩ বৎসর সৎ থাকতে চেষ্টা করে কিন্তু চারদিকে চোখ কান খোলা রাখে কে কি করে ? নিজেরও উন্নতির ব্যাপার আছে , এই সময় সে নিজের দক্ষতা দেখাতেও হবে। এবং এই ৩ বৎসর এভাবে চলে যাওয়ার পর রাজনৈ্তিক ডামাডোলে হাল্কা করে নিজেকে জরিত করে কারন এই সময়ের মধ্যে বুঝতে পারে এই রাস্তায় না আসলে পাহাড়ের চুড়ায় যাওয়া যাবেনা।এর মাঝেই দেখতে পায় কেহ মুজিববাদ, কেহ জীবন বাংলাদেশ আমার শেষ বাংলাদেশ , কেহ নুতন বাংলাদেশ , emerging Tiger, ডাল-ভাত সুচি, কেহ digital Bangladesh নিয়ে আসে রাজনৈ্তিক স্লোগান দিয়ে, কিন্তু তারা একবারও চিন্তা করেনা এই সব করমসুচি সফল করার জন্যে চাই সুসজ্জিত শিক্ষিত বাহিনী যেটা কারোরই নেই। এই সব পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্যে যে বাহিনী সেটা হলো এই আমাদের সচিবালায় বাহিনী যারা আধা রাজনৈ্তিক, আধা পকেট ভারি করার বাহিনি যারা দেখতে পায় এই রাজনেতিক দলদের হৈ হল্লা , দল সরকার গঠনের কিছু দিনের মধ্যেই দলিয় বাহিনী চর দখলের মত সচিবালায় দখল করে নিজেদের মত করে উন্নয়ন প্রকল্প তৈ্রী করায় সচিবদের দিয়ে‌ নিজেদের পকেট ভারি করার জন্যে, সচিবরা প্রথম ২ বৎসর ব্যয় করে আগের সরকারের প্রকল্প গুলির অসমাপ্ত থাকা অবস্থায় বন্ধ করার জন্যে, তারপর নুতন সরকারের নুতন কাজের প্রকল্প তৈরি করার। এভাবেই চলে যাচ্ছে ২৫ থেকে ৩০ বৎসর আর আমাদের প্রকল্প গুলির কোন হাদিস পাওয়া যাচ্ছেনা সহজে সমাপ্ত হচ্ছেনা । এর মাঝে কেহ যদি হঠাৎ করে ১/১১ এর মত কোন জেনারেল এসে নুতন করে বলে আমাদের " আলু " খাওয়া উচিৎ বেশী করে এবং তাহলে তো সারা । সচিব রা বুঝে ফেলে এই সংগা বেশী দিন কাজে দিবেনা আপাতৎ কিছু print media, radio or tv তে রেখে দিলেই হবে কারন এই জেনারেলের তেমন সাহস নেই যেটা আমাদের আগের জেনারেলরা দেখিয়ে গিয়েছেন ।
তাই আমাদের শেষ জেনারেল সাহেব এখনো সেনা প্রধান হিসাবে চাকুরীতে আছেন আর আল্লাহ আল্লাহ করছেন যে বেহুলা সুন্দরীকে ৩ মাসের লাল ঘরে রেখে কিভাবে প্রতিশোধ নিল আমাদের সেনাবাহিনীর উপর। আমার সাথে যতই চুক্তি করে ক্ষমতাতে আসুক আমার রিটায়েরর পর আমার উপর আযাব নেমে আসবেই কারন সেনাবাহিনী অথবা BDR ছিল আমার রক্ষা বাহিনী এই দুই বাহিনীকে কি সুন্দর ভাবে মুখোমুখি দাড় করিয়ে দিয়েছে আমাদের এই বেহুলা সুন্দরী। যখন এই মামলা শুরু হবে তখন কিন্তু আমার রিটায়েরমেন্ট চলে আসবে ।২০০৮ সাল কি সুন্দর ভাবে আমি আলু ত্বত্ত দিয়ে দেখিয়েছিলাম আলু দিয়ে কত কিছু বানানো যায় খাওয়ার জন্যে, এখন দেখছি ২০০৯ সালে আমাকে না আবার আলুর সাথে খেয়ে ফেলে এই বেহুলা সুন্দরী? বেহুলা সুন্দরী , কসমেটিক সুন্দরী , জেনারেল সাহেব, দাড়ি পাল্লার পাঞ্জাবীটুপি ওয়ালারা ক্ষমতার জন্যে দৌড়াতে দৌড়াতে জান দিয়ে ফেলছে কিন্তু আসল মজা লুটছে আমাদের ঐ সচিবরা কখনো কোন সমস্যায় পরতে হয়না। খুব বেশি শাস্তি হলে আগের ৫ বৎসর মজা করেছ এখন OSD হিসাবে vacation কর। কি আরামের শাস্তি রে বাবা ।