(স্বাধীনতাঃ জনক-ঘোষক)এ লড়াই এর কি শেষ নেই???

Image

যার জন্য স্বাধীন বাংলাদেশ, তাকে জনক মানতে নারাজ এক পক্ষ, অপরদিকে স্বাধীনতার ঘোষনা নিয়েও জটিলতা। তৎকালীন সময়ে জিয়া স্বাধীনতা সংগ্রামে নেতৃত্ব দেয়ার মতো কোন বড় মাপের কেউ ছিলনা একথা জিয়া নিজে বা বিএনপি ও তা জানে। কিন্তু জিয়া স্বাধীনতার ঘোষনা করেছিলেন শেখ মুজিবের পক্ষ থেকে একথা সত্য। স্বাধীনতা বিরোধীরা যখন ক্ষমতায় ছিল,তখন শেখ মুজিব কে জনক কেন পারলে রাজাকার বানিয়ে দেয় এমন পর্যায়ে গিয়েছিল, অপরদিকে স্বাধীনতা পক্ষ এখন জিয়া কে স্বাধীনতার ঘোষনা তো দুরে থাক মুক্তিযোদ্ধাই মানতে নারাজ।
একদিকে স্বাধীনতা বিরোধীদর তৎকালীন সময়ে পুনর্বাসন করেছেন জিয়া আর এযাবত তাদের মন্ত্রী বানিয়ে প্রতিষ্ঠিত করাছেন খালেদা জিয়া। আর অন্যদিকে স্বাধীনতা পক্ষশক্তি স্বাধীনতা বিরোধীদের বিচার নিয়ে ব্যাস্ত।এ লড়াইয়ের কি শেষ নাই?

Robin Hood's picture

Ziastan and Mujibland

I think WD once suggested to divide Bangladesh into two camps.

Since about 50% Bangladesh population supports BNP, the other 50% supports B.A.L and each claims Bangladesh their own property, I liked WD's suggestion.

Let's name divided Bangladesh as Ziastan and Mujibland!

Robin
Carmel, California

The One Eleven's picture

হাসান সাহেব

হাসান সাহেব আমি সচেতন কি অচেতন সেই বিতর্কে যাব না।আমার কথা হল আজীবন যদি আমরা এইসব বিতর্কে জড়িয়ে থাকি তাহলে আমরা দেশের কথা ভাবব কখন?
আমি মনে করি স্বাধীনতার ঘোষক কে এই বিতর্কে যাওয়ার আগে আমাদের ভাবা উচিৎ আমাদের স্বাধীনতার স্থপতি কে?আমি আরো মনে করি যিনি স্থপতি তিনিই ঘোষক।বুঝলেন কিছু?
আর কে প্রথম বিদ্রোহী মুক্তিযোদ্ধা এই বিতর্কটি আমার কাছে হাস্যকর মনে হয় কারন আমরা মুক্তিযুদ্ধের বিনিময়ে একটি স্বাধীনতা পেয়েছি এটাই বড় কথা।আরো বড় কথা হল সকল মুক্তিযোদ্ধারাই ঐ সময়ে বিদ্রোহ করেছেন,কাউকে খাটো করে দেখার অবকাশ আছে বলে আমি মনে করি না।
ভাল আছেন তো?ভাবী সাহেবের খবর কি?

matin's picture

SalimC কে

একটি প্রশ্ন,
মুজিব ঠিক কবে এবং কখন পাকিস্থানীদের হাতে নিজেকে আত্মসর্মপন করেন।
আর হাসিনা-রেহানারা-শেখ সেলিম-রাজ্জাক-আমু ওনারা কি লগি নয়ে যুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়েছিলেন?
পিনাক খানেরা কোথায় ছিলো তখন?

SalimC's picture

লড়াই ,লড়াই ,লড়াই চাই,লাগলে লড়াই আমরা নাই !

লড়াই, লড়াই,লড়াই চাই,লাগলে লড়াই আমরা নাই,এটাই হল আওয়ামি নীতি।১৯৭১ সালে লড়াই লাগলে আওয়ামিলিগ আর ইসলাম বিদ্বেষীরা ধর্মনিরপেক্ষতাবাদিরা সে সময় পালিয়ে বাঁচে। ১৯৭১ সালের যুদ্ধে মুজিব পাকিস্তানের জেলে বেশ আরামেই ছিলেন। উনার পরিবারের কেউ যুদ্ধে অংশ নেয় নাই। উনার পরিবার এবং কোন প্রথম সারির আওয়ামীলিগের নেতাদের কেউ যুদ্ধে কিছু হারান নাই। তারা গাছে কাঠাল রেখেই গোফে তেল মেখেছিলেন ইন্ডিয়ায় বসে বসে। আর তোমাদের পিতা যুদ্ধে সজন হারানো বা নির্যাতনের ব্যাথা টা কি তা সম্মন্ধে কোন ধারনাই ছিল না সেইজন্যে তিনি সহজেই যুদ্ধ অপরাধীদের ক্ষমা করতে পেরেছিলেন। আর এখন যারা এদেশে জীবন বাজি রেখে সাধারন মানুষ কে সাথে নিয়ে যুদ্ধ করে এদেশ মুক্ত করেছিলেন তাদেরকেও রাজাকার বলতে তুমাদের মুখে আটকায় না।হাসিনাও ২০০৭সালে যখন জরুরী অবসতা জারী কারা হয় তখন তিনি আমেরিকা পালিয়ে যায়।এই হল আওয়ামি খাচলত,কষট নাকরিয়া ফলভোগ করাও আওয়ামি খাচলত।
কাপুরুষরা ইতিহাস গড়তে পারে না,স্বাধিনতার ঘোষক জিয়ার মত দেশপ্রেমিক ও সাহসিরাই ইতিহাস গড়েন।মুজিব যেখানে ২৫মার্চ পাকিস্তানিদের হেফাজতে,সেখানে কেমনে সে ২৬ মার্চ স্বাধিনতার ঘোষনা দিলো? উনি যদি ২৫ মার্চ দেন তাহলে আমাদের স্বাধিনতা দিবস হতো ২৫তারিখ। সত্য হলো হাইকর্টের বাকশালি বিচারপতিরা জেনে শুনে মিথ্যা রায় দিয়ে জাতির লগে প্রতারনা করছে।মুজিব যদি ২৫ মার্চ পাকিস্তানিদের হেফাজতে চলে যান তাহলে ২৬ মার্চ কেমনে তিনি স্বাধিনতার ঘোষনা দিলেন?মুজিব নিজে কখোনো দাবি করেনি স্বাধিনতার ঘোষক।সেদিন কালুরঘাটে যেসব বেতারকর্মি ছিলো তারাই বলছে জিয়া প্রথমে ২৬মার্চ তার নিজের নামেই স্বাধিনতার ঘোষনা দেন,তখন ভয়ে লোকানো আওয়ামি নেতারা এসে চাপ দিলে তখন জিয়া দেশের স্বার্থে মুজিবের নামে ২৭মার্চ স্বাধিনতার ঘোষনা দেন। মুজিব যেখানে ২৫ মার্চ পাকিস্তানি হেফাজতে, সেখানে কি করে মুজিব ২৬মার্চ স্বাধিনতার ঘোষনা দেয় ?এতো বড় ডাহা মিথ্যাচার ,বিচারপতিরা এবার ধরা খাইয়া গেছে।মওদুদের বই না পড়েই তারা একে রেফারেন্স দিয়ে মিথ্যাচার করছে।আর মুজিব যেখানে ২৫ মার্চ পাকিস্তানি হেফাজতে, সেখানে কেমনি মুজিব ২৬মার্চ স্বাধিনতার ঘোষনা দেন?এতো বড় ডাহা মিথ্যাচার একমাত্র বাকশালি দালালের দ্বারাই সম্বম|বংগোবন্ধু পরেরদিন ইয়াহিয়ার কোলে বসে স্বাধীনতার ঘোষনা দিছে!
বিচারকরা একটা লড়াইর ঘোষনা জরুর শুনে থাকিবেন কিনতু ওটা ছিল আওয়ামীলিগের রাজনৈতিক ঘোষনা,ওটা স্বাধীনতার ঘোষনা ছিলনা,| আওয়ামীলিগের কারনে সত্য বলে চালাইতে গিয়ে তাদের ও হাইকোর্টের অবস্থানকে খাটো ও হেয় করছে।

matin's picture

পিনাক খানকে বাচানোর জন্য। সচেতন মহল এগিয়ে আসুন,

সচেতন মহল এগিয়ে আসুন, পিনাক খানকে বাচানোর জন্য।

Hassan Imam khan's picture

১/১১ ভাইজান...।

স্বাধীনতার প্রায় ২০ বছর বাদে হটাৎ করেই স্বাধীনতার ঘোষক বিতর্কটি তোলা হলো। সরকারী প্রপাগন্ডার আশ্রয় প্রশ্রয়ে সেটা আজ কি রুপ নিয়েছে তার ব্যাখ্যার প্রয়োজন আছে বলে মনে করি না। আবার হটাৎ করে এ আসরে কেউ বলে উঠলেন জিয়াই নাকি প্রথম মুক্তিযোদ্ধা। ইতিহাসের নিরীখে সেটাই খন্ডন করেছি মাত্র। কোন বিতর্ক উথ্যাপন করিনি।
একে একে আমাদের জাতীয় মিমাংসিত বিষয়গুলি কে অত্যান্ত সুপরিকল্পিত ভাবেই বিতর্কিত করে তুলছে একটি চিহ্নিত মহল,যাদের কাছে বাংলা,বাঙ্গালী,বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ গ্রহনযোগ্য নয়। সচেতন মহলকেই এর প্রতিবাদে এগিয়ে আসতে হবে। সচেতন হলে এগিয়ে আসবেন,না হলে দূরে দাঁড়িয়ে তালিয়া বাজাবেন।
হাসান ইমাম খান,
সুইজারল্যান্ড।

hridoy's picture

স্বাধীনতার ঘোষক পদবীটিতে সীল গালা পড়েছে...........

হাইকোর্টের রায়ে স্বাধীনতার ঘোষক পদবীটিতে সীল গালা পড়েছে। এবার চলুন, স্বাধীনতার জন্য প্রথম বিদ্রোহকারী বাঙ্গালী সেনা অফিসারকে চিহ্নিত করি। দেখি জিয়ার অবস্হান কোথায়..............

সবাই ভাল থাকুন,
সুস্হ থাকুন,
সুন্দর থাকুন-
-হৃদয়

Pogo's picture

Is it end?

Verdict of lower court on "who declared independece?" is not the end of the story. Don't get too crazy about it. AL can celebrate it for some days. We know how the court works in BD. There will be apeal. Once there is an appeal, the matter is undecided. Then all those "chal chaturi" wastage of tax payer money for this. By the time, this government's time is over! If the ctg could revive dead cases after 10/15 yrs. Don't you think the next givernment (if it is BNP's) would revive this case or file another case to get another rulling on their behalf. So, it looks like a circle. This is what it is happening. If AL wants Mujib to be "jatir janak" then it should not use him in their party politics. AL cannot consider him as their own asset at the same time declaring him everyone's "janak." That looks like AL followers are his own children, and the rest are step-children. No one wants to be a step-child if he/she can have own parent. Even though court says something about this political issue, people will not accept it. You cannot earn respect by applying law or force.

ধন্যবাদান্তে,
পোগো

Abdulla's picture

ভাই হাসান

আপনি ঠিকই বলেছেন। তখনকার সময়ে, জিয়ার ঘোষনাটা যখন মানুষ শুনেছে, তা বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের কাছে টনিকের মত কাজ করেছে। মানুষ তখন জানতে পারছে যে বাংগালি আর্মিরাও তাদের সাথে আছে। বাকীদের ব্যাপারে মানুষ জানলেও তা ছিল এলাকা ভিত্তিক। জিয়ার ওই ঘোষনাটা বাংলাদেশের মানুষকে অনেক উজ্জীবিত করেছে। তা অস্বীকার করার কোন উপায় নাই। তার পরের জিয়ার কাজ আমরা যেভাবেই মূল্যায়ন করিনা কেন।
কিন্তু এই জামাতি জাতীয়তাবাদী অসভ্য গুলা মুজিবকে ছোট করতে গিয়া এমন সব অসভ্য উদ্ভট বানানো জিনিস নিয়ে আসে, তাতে এর মাহাত্বেরও বারোটা বেজে যায়। হাহাহা।

The One Eleven's picture

ঘোষকের পর এবার প্রথম বিদ্রোহকারীকে নিয়ে বিতর্ক

স্বাধীনতার ৩৮ বছর পর সুপ্রীমকোর্ট/ইকোর্টের মাধ্যমে আমরা স্বাধীনতার ঘোষক কে জানতে পারলাম।এখন আবার নতুন বিতর্ক শুরু হয়েছে সেই মুক্তিযোদ্ধাকে যিনি নাকি প্রথম বিদ্রোহ করেছিলেন।নতুন বিতর্কের অবসান ঘটানোর জন্য আমাদের আবার কোন কোর্টে যেতে হবে তা একমাত্র উপর ওয়ালাই বলতে পারবেন।আর এই সব বিতর্ক কেয়ামত পর্যন্ত চলতে থাকবে।তাহলে প্রশ্ন জাগা স্বাভাবিক এর কি কোন শেষ নেই?

Hassan Imam khan's picture

আবদুল্লাহ কে...।

আমার ভুল সংশোধনের জন্য ধন্যবাদ। আপনি ঠিকই লিখেছেন জয়দেবপুরে ইষ্ট বেঙ্গলের নেতৃত্বে ছিলেন
ক্যাপ্টেন মইনুল,মেজর সফিউল্লাহ নন, এবং সেটাই ছিল বাংলাদেশে ইষ্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের প্রথম সংঘটিত বিদ্রোহ। অবস্য ঐ একই দিনে মেজর সফিউল্লাহ তার ফোর্স নিয়ে ও বিদ্রোহী হয়েছিলেন, বিধায় আমার ভ্রম হয়েছে।
আর মেজর রফিকের ব্যাপারে আমার দেয়া তথ্যটি রফিক সাহাবের লক্ষ প্রানের বিনিময়ে নামক বইটি থেকেই জানা। এ ক্ষেত্রে মেজর রফিকের বিদ্রোহটি ছিল সত্যিই সাহসিকতাপুর্ন ও জিয়ার বিদ্রোহ থেকেও অনেক ঝুকি ও বিরত্বপুর্ন। কারন জিয়া সাহেব নিজ আবাসে বিশ্রামরত তার নিরস্ত্র পাকিস্তানী বসকে অস্ত্রের মুখে আটক করে যতখানিক বিরত্ব দেখিয়েছিলেন,তদাপেক্ষা অধিক ঝুকি,সাহস ও বিরত্বের সাথে নিজ সেক্টরের সকল ইপিআর এর পাকিস্তানী সসস্ত্র অফিসার ও জোয়ানকে নিরস্ত্র ও আটক করেছিলেন মেজর রফিক। আর ইতিহাসের সত্য হলো চট্টগ্রামে প্রথম মুক্তিযুদ্ধের সুচনা করেছিলেন এই মেজর রফিক।
সে হিসেবে জিয়া নন,মেজর রফিক চট্টগ্রামের বিদ্রোহ কারী প্রথম মুক্তিযোদ্ধা।
অবশ্য এ কথার দ্বারা আমি মুক্তিযুদ্ধে জিয়া সাহেবের গৌরবজনক ভুমিকাকে কোন ভাবেই খাটো করে দেখি না। বরং তার অবদানকে আমি সমশ্রদ্ধ্যার চোখে দেখি।
হাসান ইমাম খান,
সুইজারল্যান্ড।

SalamU's picture

Help

I am in a process to collect and assemble documents regarding declaration of independence of Bangladesh.
I would request you all to post here any such document or link known to you.
Following points are of particular interest but not limited to.
1. Is there any concrete legal argument that can establish 7th March, Racecourse declaration as declaration of independence.
2. At what exact (or approximate) time, Shaikh declared independence by EPR wireless. Did he himself made the announcement with his own voice? What is the name of the person who gave him the transmitter. Where it is now? Did anybody saw this, what is the make, model, color and size of this transmitter?
3. Or the transmitter was in possession of some other person. What is his name? Who carried the message to him. When and how? Where from he made this announcement. Do anybody know details of the equipment.
4. Who (Name) received the telegram message in Chittagong, who send it form Dhaka. At what time. Did Shaikh gave verbal instruction or written?
5. Any information about Dr. Nurul Ula’s transceiver.
6. Is there any other information you guys feel important.
Next set of questions will be regarding Zia’s announcement.

Abdulla's picture

মতিনঃ

xxx edited xxx

Abdulla's picture

হাসান ভাই

হাসান ভাই,
সরি, ভুল হলে ক্ষমা করবেন।
গাজীপুরে সম্ভবত ক্যাপ্টেন(তখন, পরে মেজর জেনারেল) মঈনুল হোসেন বিদ্রোহ করেন। এবং তা সম্ভবত ২৩ শে মার্চে বা তার আগে, কারণ, ঐটাই আর্মিদের প্রথম বিদ্রোহ(অর্গানাইজড) হিসেবে চিন্নিত। আমি যদি ভুল না করে থাকি। মেজর শফিউল্লা সম্ভবত উত্তর বঙ্গে ২৩ তারিখে বিদ্রোহ করেন।
আর আপনি যে ঘটনার কথা বলছেন,মেজর রফিক, বোধহয় তার ও আগে, আমার তারিখটা মনে নাই, মেজর রফিকের "লক্ষ প্রাণের বিনিময়ে" বইটাতে আছে। আমি ওইটা ১৯৮৮-৮৯ তে বোধহয় পড়েছিলাম। বইটার ইংরেজি ভার্সান "A Legacy of Blood". তখনো মেজর রফিক আওয়ামী লীগে যোগ দেয় নাই। এই বইটা, মাঈদুল হাসানের(আওয়ামীলীগার না, হাহাহা) "মূলধারা'৭১" আর আরো কিছু বই আছে, ৭১ এর টোটাল ছবিটা খুব সুন্দর করেতুলে ধরছে। মুলধারা'৭১ এ অই সময়ের আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপট, রাজনীতি, কার কি ভুমিকা একদম দলিল সহ তুলে ধরেছে। যাদের ৭১ সম্পর্কে আগ্রহ আছে, দেখতে পারেন।
গত বছর ডিসেম্বর এ সম্ভবত প্রথম আলোতে, মাঈদুল হাসান, এ,কে খন্দকার, কর্ণেল হামিদ এবং আরও কয়েকজন আর্মি অফিসার, সাথে সাংবাদিক, রাজনীতিকদের আলোচনা দিয়েছিল। ওই আলোচনাটাও চমৎকার ছিল।১৫-১৭ ডিসেম্বর এর প্রথম আলো দেখতে পারেন।

শঙ্খচিল's picture

হাসান ভাইঃ ধন্যবাদ

এই তথ্যগুলো অনেকের কাছে "গল্প ফাদিয়া বসা"। তবে, সেইসব অর্বাচীন ছাড়া, বাকিরা এসব ঘটনার বাস্তব আলোকেই সবার অবদানকে শ্রদ্ধাভরে স্বরণ করে। আপনাকে আবার ধন্যবাদ, এই তথ্যগুলোর জন্য।

Stranger's picture

হাসান ভাইকে ইতিহাস প্রসঙ্গে

যাহাদের কে জানাইবার উদ্দেশ্যে ইতিহাসের এই অংশটুকু লিখিলেন তাহাদের এইসব তথ্যে কি আসে যায় জানি না, তবে শংখচিল ভাইয়ের মত আমারও রেফারেন্স হিসেবে খুব কাজ়ে লাগিবে। আমি আমার সংগ্রহের কোন বই আনিতে পারি নাই, ওজনেও কুলায় না। ভাবছি এইবার গেলে সব স্ক্যান করে নিব। আপনার সংগ্রহে যদি কিছু থাকে, তাহলে স্ক্যান করে বিতরনের অনুরোধ রইল।

matin's picture

এটা কি আওয়ামী গল্পের লেটেষ্ট ভার্সন

আওয়ামি খান সাহেবে একটি গল্প ফেদেছেন, পড়ুন ...মনে হচ্ছে নতুন সংস্করণ।

স্বাধীনতা সংগ্রামে আওয়ামী লীগের নেতৃত্ব দিতে ব্যর্থ হয়েছিলো। কারন, মুজিব ৭ই মার্চের ভাষনের পরেও ভুট্টোর সাথে ক্ষমতা ভাগাভাগি নিয়ে আলোচনায় লিপ্ত ছিলো। মুজিব-ভুট্টোর আলোচনা ব্যর্থ হলে জরুরী সরকার রাস্তার সেনা বাহিনী নামিয়ে বাংগালী নিধনে মেতে উঠে। ঠিক অনেকটা মঈনের জরুরী আইনের শাসনামলে দেখা গেছে।
১৯৭০ সালে ভুট্টো সামরিক শাসকের সাথে আতাত করেছিলো, ২০০৮ সালে হাসিনাও মঈনের সাথে আতাত করেছিলো। এই দুইয়ের মধ্যে পার্থক্য কিছুই নেই।
পরে দুই জনেই ক্ষমতায় গিয়ে জরুরী সরকারকে বৈধতা দিয়েছে। তখনও আমেরিকা সহ অনেক রাষ্ট্রই পাকি সামরিক শাসকের পক্ষে ছিলো, ঠিক তেমনি মইনের জরুরী আইনের শাসনামলকে আমেরিকা,বৃটেন, ইইউ নগ্নভাবেই সমর্থন করেছে।

মুজিবের অনুপস্থিতেই বাংগালীরা বাংলাদেশকে স্বাধীন করেছে, ঠিক একই ভাবে হাসিনাকেও আজকের বাংলাদেশীরাই চরম জবাব দিবে। জাস্ট ওয়েট আন্ড সি।

ঈদের উতসব নিয়ে পিলখানায় হত্যাযজ্ঞের হিসাব হাসিনাকেই দিতে হবে। সুরক্ষা আইন করে আজরাইল হাত থেকে পরিত্রানের মুর্খতা ফেরাউনেরই সাজে। হাসিনা নব্য ফেরাউন।

Hassan Imam khan's picture

প্রসঙ্গ, সঙ্খচীল ও স্বাধীনতার ঘোষনা...।।

২৪ শে মার্চ দিবাগত রাত্রে চট্টগ্রামের রেলওয়ে হিলে ই,পি,আর,এর মেজর রফিকুল ইসলাম পশ্চিমা সৈন্যদের বিরুদ্ধে তার আসন্য বিদ্রোহের কথা বলে তার কাছে আগত মেজর জিয়া ও তার বস লে, কর্নেল এম, আর চৌধুরীর কাছে সহযোগীতা দাবী করেছিলেন। তিনি ঢাকা অপেক্ষা চট্টগ্রামের বাঙ্গালী সৈনিক ও ই,পি,আর, সৈনিকদের অধিকতর সুবিধাজনক অবস্থা বর্ননা করে পশ্চিমাদের কোন পদক্ষেপের পুর্বেই আঘাত হানার জন্য সিদ্ধান্ত নিয়া ফেলেছেন বলে তাদেরকে জানিয়েছিলেন, কারন পশ্চিমারা ভয়াবহ এক গনহত্যার জন্য প্রস্তুত হয়ে আছে। জিয়া জবাবে বলেছিলেন, অতখানি আশাংকা করার কিছু নেই,ওরা অমন চরম ব্যাবস্থা নেবে না। এমনকি জিয়া পাকিস্তানীদের বিরুদ্ধে কোন প্রকার বিদ্রোহ্মুলক কিছু না করার জন্য তাকে পরামর্শ দিয়েছিলেন। এখান থেকে ফিরে গিয়েই জিয়ার বস লে, কর্নেল এম,আর,চৌধুরী আর সেনানিবাস থেকে মুক্ত বের হতে পারেননি,তিনি পাকিস্থানীদের হাতে নিহত হয়েছিলেন আর জিয়া পাকিস্তানীদের একান্ত বাধ্যহয়েই সোয়াত জাহাজ অভিমুখে রওনা হয়েছিলেন।
এখানে উল্লেখ্য যে, ২৫ তারিখ রাতেই মেজর রফিক অত্যান্ত সফলতার সাথেই বিদ্রোহ করেছিলেন,যে সময়ে জিয়া পাকিস্তানীদের হুকুম পালন করে যাচ্ছেন। এ ক্ষেত্রে মেজর রফিক বলেন, কালুরঘাটের ছোট্ট ত্রান্সমিশনে হান্নান সাহেবের কন্ঠে বঙ্গবন্ধুর পক্ষে স্বাধীনতার প্রথম ঘোষনা ও পরবর্তীতে জিয়ার কন্ঠে তার পুন প্রচার স্পষ্টভাবে শোনা যায়নি। বস্তুত সে দিন সারা বাংলাদেশ কোন রেডিওর ঘোষনার জন্য অপেক্ষায় থাকে নি। ইতিহাস তার আপন গতিধারা অনুযায়ী অগ্রসর হয়েছে,সমগ্র দেশের বাঙ্গালীরা তখন পাকিস্তানীদের বিরুদ্ধে লড়াই শুরু করেছে।
মেজর শফিউল্লার বাহীনি জয়দেবপুরে পাকিস্তানীদের বিরুদ্ধে প্রথম বিদ্রোহের নেতৃত্ব দেয়,ব্রাম্মনবাড়ীয়ার সমশের নগর,কুষ্টিয়া,সৈয়দপুর সহ বিচ্ছিন্ন ভাবে সারা বাংলাদেশেই পুলিশ, ইপিআর, আর্মি, ছাত্র জনতা জিয়ার অনেক পুর্বেই পাকিস্তানীদের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করে।
হাসান ইমাম খান,
সুইজারল্যান্ড।

Coolsmilee's picture

If Zia, then Mujib also...

If Zia is like other sector commanders, then Mujib is also like other political leaders like Amu, Tofael...

sopno's picture

Un-sex Hasina :Un-sex BAL minister

There appears to be an unsavoury competition among the ministers of BAL to appease support and go gaga attitude over Tipaimukh dam issue. BAL govt. seems no concern or care for the adverse effect on this country related to ecology and environment come from this dam. They are not bothering about survival of animals and plant , water flow in lean seasons and various other impacts.

Hasina ,the usually garrulous PM , has decided largely to keep her mouth shut regarding Tipaimukh.

All the ministers of Hasina govt. are mostly acting like Ghandhi’s three monkeys with the ‘say no evil” , “hear no evil ‘ and “see no evil” . This is weird , shocking and puzzling for our people.

Our un-sex foreign minister kept mum against the callous and insensitive comments (condemning our expert as “so-called”)by Indian High commissioner Pinak Ranjan Chakravarty.

It was the Sk. Mujib (so-called father of the nation) granted and permission to India to start the Farakka Barrage on an “ experimental basis” and established himself as one of the “Ghandhi’s three monkeys”.

The current BAL regime seems all set and primed to grant the go-ahead to Tipaimukh project. So we can consider Hasina as second one of the “Ghandhi’s three monkeys” and her ministers as the “Ghandhi’s small and big monkeys” .

Now it is known to all how BAL came in power taking help from India patronized by M UA and FUA . But remember Hasina and her Mir Jafar follower –

“Freedom is never more than one generation away from extinction . We didn’t pass it to our children in the blood stream. It must be fought for protected and handed on for them to do the same.”

শঙ্খচিল's picture

মতিন সাহেব কি আর বলব

হাঃ হাঃ হাঃ। আপনি ভাই পারেনও। জ়িজ্ঞাসিলাম কি উত্তর লিখলেন কি! জিয়া প্রথম মুক্তিযোদ্ধা? প্রথম বিদ্রোহি? সে ব্যপারে প্রশ্ন ছিল, অন্য ব্যাপারে না। একটু নতুন বাতচিত করেন, একই লেখা কয়বার লিখবেন?
যহোক, আমি নিজে জিয়াউর রহমান সাহেবের রাজনীতি করিনা সত্য, কিন্তু আমার ঘরেও দুইতিনটা জিয়া ভক্ত আছে। আপনার পোস্ট পড়ে তারাও লজ্জায় মাথা নত করে ফেলেছে! তাদের মন্তব্য "এইসব লোকেরা বিএনপি করে বলে আওয়ামি লীগের সুখের সীমা নাই"।

লিখলেন "দরকার হলে আওয়ামী মিথ্যাচারের বিরুদ্ধে আমরা আবারো অস্ত্র হাতে যুদ্ধ করতেও রাজী।" তাইনাকি? যুদ্ধ ত ১৯৭১ সালেই শেষ, এবার কি গৃহযুদ্ধে নামবেন? যদি আবার যুদ্ধে নামেন, সে যুদ্ধের প্রথম বিদ্রোহি, প্রথম যোদ্ধা এবং একমাত্র ঘোষক হিসাবে আমি আপনার নাম বুক করে রাখলাম। দরকার হলে, হাইকোর্টে স্বাক্ষি দিব আপনার হয়ে!!
ভাল থাকবেন, আশেপাশের দোকান থেকে খাটি কদুর তেল কিনে মাথায় দিবেন, এতে মাথা ঠান্ডা থাকে। আর কষ্ট-কাঠিন্যের (কোষ্ঠকাঠিন্য নয়) জন্য (ইউসুফলের) ভুষি নিয়মিত তিনবার খাবেন।আশাকরি সুউফল পাবেন,

matin's picture

Shonkhochil কে

আবারো আওয়ামী গল্প ফাদিয়া বসিলেন ...
...শুনুন আদালতে বসে আজ আওয়ামী লীগ যতই ইতিহাস রচনা করুক না কেন, ৭১ এর উত্তাল দিন গুলোতে মুজিব বা আওয়ামী লীগের নেতাদের মুখে কখনই স্বাধীনতার কথা শুনা যায় নি ...

...৭ই মার্চের ভাষনে, বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষনা নেই। যতই পাঠ্য বইয়ে এই ভাষন জুড়ে দেওয়া হোক না কেন। ৭ই মার্চের পরেও মুজিব-ভুট্টোর পাকিস্তানের সিংহাসন নিয়ে আলোচনা হয়েছিলো ...কাজেই স্বাধীনতার মানদণ্ডে ৭ই মার্চের কোনই গুরুত্ব নেই।
...মুজিব গ্রেফতারের আগে আওয়ামী লীগ বা দেশবাসীকে কোন দিক নির্দেশনা দিয়ে যান নি ...মুজিব গ্রেফতারের সাথে সাথে আওয়ামী নেতারা বগল বাজিয়ে কলকাতায় পালাচ্ছিলো ...জাতি নেতৃত্ব শুন্য, দিশেহারা ...এমতাবস্থায় মেজর জিয়ার কন্ঠে স্বাধীনতার ঘোষনা শুনে দিশেহারা জাতি স্বাধীনতার আলোকে দিশা খুজে পান। আর আজকে আওয়ামী লীগ ভারতীয় টাকা খেয়ে জিয়াকে ইতিহাস থেকে মুছে ফেলতে চাইছে ...হতভাগ্য আওয়ামী লীগ, হিসাব করলে তো আওয়ামী লীগের কোনই অবদান নেই স্বাধীনতার যুদ্ধে...আওয়ামী লীগের ৭০ এর কোন সাংসদ কি স্বাধীনতার জন্য কোন বিবৃতি দিয়ে ছিলো? দেন নি।

...আওয়ামী মিথ্যাচারের দিন শেষ। দরকার হলে আওয়ামী মিথ্যাচারের বিরুদ্ধে আমরা আবারো অস্ত্র হাতে যুদ্ধ করতেও রাজী। আওয়ামী লীগ ভন্ড, মুজিব দি গ্রোসে ভন্ড।

শঙ্খচিল's picture

মতিন ভাইসাহেব

আপনি ভাবাবেগ তাড়িত হয়ে জিয়াউর রহমানের নামে তথ্য পরিবেশন করেই চলেছেন। আপনিই প্রথম, যিনি জিয়াকে প্রথম মুক্তিযোদ্ধা তকমা দিলেন। জন্য।কিন্তু তথ্যসহ প্রমান করতে না পারলে,
আপনার বাগাড়ান্মবতা, জিয়ার মর্যাদার ক্ষতি করবে এবং আপনাদের দলের বিজ্ঞদের বিব্রতকর অবস্থায় ফেলতে পারে।

মেজর (তদানিন্তন) জিয়াউর রহমানের অনেক আগেই, দেশের অনেক অঞ্চলের বেঙ্গল রেজিমেন্ট বিদ্রোহ এবং জীবন দিয়েছে। আমার হাতের কাছে রেফারেন্সগুলো নাই এই মুহুর্তে। নিশ্চিত হতে, কোন লেখক সেগুলো দিতে পারলে বাধিত হব। (হাসান ভাই এর দ্রষ্টি আকর্ষণ করছি)। আমার জানামতে, গাজিপুর, রাজারবাগ পুলিশ সহ, অনান্যস্থানের বিদ্রোহের পরেই চিটাগাং এর বিদ্রোহ, এবং সেখানে কর্নেল অলি বা মেজর রফিকের ভুমিকা অগ্রগন্য।

সেলিম সি সহ আপনাদের অনেকের পোস্টে, দেখলাম বিএনপির দলীয় নেতা, সেক্টর কমাডার হামিদুল্লাহ, ২৬ শে মার্চ জিয়ার ঘোষনা পত্র পাঠের সময়কাল নির্ধারন করেছেন। জাতীয়তাবাদি বুদ্ধিজীবি প্রফেসর ইমাজুদ্দিন ্সাহেব বলছেন তিনি বিভিন্ন সুত্র যাচাই-বাছাই করে নিশ্চিত হয়েছেন ঘোষনার সময় কাল ২৭শে মার্চ। (আজকের ইত্তেফাক)।

আপনাদের ত আগে নিজেদের মধ্যে ঐক্যমতে আসা দরকার তারিখটা নিয়ে।, তারপর অন্যদের সাথে তর্কে যাবেন।

Royal Bangla's picture

!!!

Are you insane or what?

matin's picture

বিদ্রোহ

এমন কোন প্রমান নেই মুজিব বা আওয়ামী লীগের কোন নেতা পাকিস্তানের সাথে বিদ্রোহ করেছে।
প্রথম বিদ্রোহ করেছে বেঙ্গল রেজিমেন্টের মেজর জিয়া। এখান থেকেই স্বাধীনতা যুদ্ধের স্পার্ক শুরু। প্রথম মুক্তিযোদ্ধা হলেন মেজর জিয়া।

মুজিব অখন্ড পাকিস্তানের প্রধান মন্ত্রী হতে পেয়েছিলেন। শুধু তাই নয়, স্বাধীনতা যুদ্ধের ৯ মাস মুজিব বাংলাদেশে অনুপস্থিত ছিলেন, উনি পাকিস্তানের কাছে গ্রেফতার বরন করেছিলেন।

Royal Bangla's picture

No doubt...

There should not be any debate that Skeikh Mujib declared the independence of Bangladesh. It's understandable that declaration decision can only be made by the person who led the nation towards the independence. FFs were fighting & marching forward under Mujib's guidance. He was the key person during our freedom fight. But there is no reason to overlook Ziaur Rahman's contribution. He was a FF, sector commander & reannounced the declaration on 27 March on behalf of Mujib. Still I can remember, while I was at school- that was in Ershard's period - school books concluded the same history.
Feel really sad when see some people are so disrespectful about our national leaders...so ungrateful. Some one wrote here (sorry, can't rememberber the name) that you don't have to respect him but please don't insult his great contribution.

hridoy's picture

Stranger...........

জবাব দিতে দোষ নাই। তার কথা শুধুমাত্র কথা, যেখানে কোন যুক্তি নেই; সত্য নেই। তার কথায় তাদেরই মন্ডুপাত হচ্ছে অহরহ। আমি শুধু শোয়ানোর জায়গাটা দেখাচ্ছি মাত্র..............
আপনার "টক, ঝাল, মিষ্টির চাটনী" লেখাগুলো খুব ভাল লাগছে। উপভোগ করছি বেশ। ভাল থাকুন..........

সবাই ভাল থাকুন,
সুস্হ থাকুন,
সুন্দর থাকুন-
-হৃদয়

Stranger's picture

বাংলাদেশি২১ এবং হৃদয়কে

আমি কয়েকবার বলেছি সেলিমসি জামাতের লিফলেট। উনার কোন জৈবিক সত্বা নাই, উনার গুরুরা যাহা পাঠান, তাহাই এইখানে পোস্ট করেন। কেন ভাই সময় নস্ট করিতেছেন। উপদেশটি দেয়ার জন্যে বেয়াদবি নিবেন না ভাই।

SalimC's picture

সামনে বহুত খারাবি আছে।

আজকের দিনে ঝগড়া বাদ দিয়ে আসুন সবাই রঙ্গবন্ধুকে মনে করি। উনি এইদিন পাকিসতানীদের কাছে নিজেকে ধরা দিয়ে মুকতিযুদধ শুরু করেছিলেন।যেরকম নেতা পছনদ করেছে দেশের মানুষ ঠিক সেরকম ফল আসছে। তবে খারপ খবর হল এই যে আসল ফল সামনে। 'গু' কে পোলাও মনে করে খেলে পোলাও- এর সাদ পাপাওয়া যাবে না,"গু" র সাদ পাওয়া যাবে। ১৫ কোটি জনগন গু আর পোলাও এর তফাত জানে না। তো যেটা পাওয়া যাছেচ সেটাই সব চেয়ে ভালো। সামনে বহুত খারাবি আছে।

Hassan Imam khan's picture

ভুল সংশোধন...।

bongobondhu[1].jpg
----------------------------------------------------------------------------------------------------
২৫শে মার্চ ১৯৭১ তারিখে নয়,মরহুম এম,এ,হান্নান ২৬ শে মার্চ ১৯৭১ এবং মরহুম জিয়াউর রহমান ২৭শে মার্চ চট্টগ্রামের কালুরঘাটের স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রে বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশের স্বাধিনতার ঘোষনা পাঠ করেছিলেন।
হাসান ইমাম খান,
সুইজারল্যান্ড।

kabir0202's picture

মেজর জিয়া অন্যান্য সেক্টর কমান্ডারদের মধ্যে একজন মাত্র।

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ইতিহাস বিকৃতির হাত থেকে রক্ষা পেল,যেটা ২০০৪ সালে বিকৃত করা হয়েছিল।
বাংলাদেশের মানুষ এবং জিয়াও জানে মুজিবের নেতৃত্বে স্বাধীনতাযুদ্ধ হয়েছে ,26 তারিখ আঃ হান্নান এবং 27 তারিখ মেজর জিয়া মুজিবের পক্ষে স্বাধীনতার ঘোষনা করেছিলেন।মেজর জিয়া অন্যান্য সেক্টর কমান্ডারদের মধ্যে একজন মাত্র।

matin's picture

যারা স্বাধীনতার অনেক পরে জন্মগ্রহন করেছেন, তাদের জ্ঞাতার্থে

আপনারা যারা স্বাধীনতার অনেক পরে জন্মগ্রহন করেছেন, তাদের জ্ঞাতার্থে আহমেদ ছফার কয়েকটি লাইন উদ্ধৃত করছি।

" অতীতচারি জাতীয়তার মোহে আবিস্ট শেখ মুজিব মধ্যযুগীয় "নাইটের" মত বীরত্ব সহকারে পাকিস্থানী কারাগারে চলে গেলেন। প্রতিরোধ সংগ্রাম লন্ডভন্ড-ছত্রখান হয়ে পড়ল।"

মাননীয় বিচারকদ্বয় রায়ে বলেছেন-"বাংলাদেশের স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান ২৫শে মার্চের রাতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর হাতে গ্রেফতার হন, এবং ২৬শে মার্চে স্বাধীনতার ঘোষনা দেন।" কতটা হাস্যকর রায়। যে ব্যাক্তি আগের রাতে শত্রুর হাতে বন্দী হলো সে কি করে পরের রাতে স্বাধীনতার ঘোষনা দিলো? বিচার প্রতিদের রায় পরেই বুঝা যায় যে এটা একটা রাজনৈতিক রায়, এবং বিচারকদ্বয় নিজেদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে এই রায়টি প্রদান করেছেন।

matin's picture

দেশপ্রেমিক hridoyকে সীমান্ত এলাকায় পাহারায় পাঠালে কেমন হয়?

দেশপ্রেমিক hridoyকে সীমান্ত এলাকায় পাহারায় পাঠালে কেমন হয়?
বন্ধু রাষ্ট্র ভারতের বিএসএফ-এর বন্ধু প্রতিম ট্রিটমেন্টের প্রয়োজন হয়ে পড়েছে।
...ইতিহাস তার নিজস্ব গতিতেই চলছে, হাইকোর্টের রায় ... ওটা আরেকটি আওয়ামী ভন্ডামী।
...মুজিব স্বাধীনতার কোনই ঘোষনা দেন নি, শুধু তাই নয়, স্বাধীনতার জন্য কোন আলোচনা, আন্দোলন কিছুই ৪৭-৭১ সালে হয়নি।

bangladesh21's picture

সেলিম সি

আপনি আওয়ামীলীগ করতেন, ছাত্রলীগ করতেন আর হাসিনা /রেহানার ধর্ম ভাই হতেন ইহাতে কিছু আসে যায় না।আপনি একজন খাটি দিলের পাকি এবং মানসিক রোগী। ই-মেলা ফোরাম কোন বিজ্ঞাপনের বোর্ড না যে একই কাহিনীর দূ-তিনটা হেড লাইন দিয়ে আপনি আমাদের মূল্যবান সময় নষ্ট করবেন।সবার লেখাই আমরা সময় সল্পতার মাঝে পড়ার চেষ্টা করি।কিন্তু বার বার একইলেখার দুই-তিনটা হেড লাইন করে আপনি শুধু সবার সময় অপচয় করান।

hridoy's picture

সেলিমসি ভাই...........

ইতিহাস এখনই বলিয়া দিয়াছে কে সঠিক? ভবিষতে আর যাইতে হইবে না। ভবিষতে যা হইবে তা'হল দূনীতি, দুর্বৃত্তপণা আর ধোঁকাবাজীর জন্য বিএনপির ফাঁসি। ভবিষতের ফাঁসিকাষ্ঠের বলি হইবে বিএনপি নামক অসুরের। আপনাদের এখন থেকেই অন্যপথ খুঁজিতে হইবে। অস্রের জোরে গড়া ইতিহাসের কথা আপনাদের ভূলিতে হইবে। আপনাদের সাধের পাকিস্হানের দিকেই তাকিয়ে দেখুন-আইয়ুব আর ইয়াহিয়াখানদের নাম এখন ওখানে আর কেউ নেয় না। ওখানকার এ প্রজন্মের কাছে এগুলো অসুরের নামসমুহ। এদেশে জিয়া নামক অসুরটি অনেক আগেই পুড়িয়া ছাই হইয়া গিয়াছে। কাজেই এই ছাই ঘাটাঘাটি করিয়া আর লাভ নাই। ওটাতে তৃপ্তিকর কিছুই পাবেন না। পাবেন শুধু কষ্ট আর কষ্ট......আহা কি কষ্ট........আপনার জীবনটাই নষ্ট।

সবাই ভাল থাকুন,
সুস্হ থাকুন,
সুন্দর থাকুন-
-হৃদয়

SalimC's picture

নিরপেক্ষ ইতিহাস অবশ্যই তাঁকে মূল্যায়ন করবে|

আওয়ামীলিগের বিরুদ্ধে কোনো কিছু বললেই রাযাকার|আওয়ামীরা মুক্তিযোদ্ধা-মুক্তিযোদ্ধা বলে মুখে ফেনা তুলে,এরা বীর মুক্তিযোদ্ধাদেরই এখন রাজাকার বানিয়ে ফেলেছে।আওয়ামীলিগ মানেই কুরুচি পুর্ন আর অসভ্য লোকের মহামিলন।আমি ব্যাক্তিগতভাবে ছাত্রলিগ-আওয়ামীলিগের রাজনীতি করিতাম|আওয়ামীলিগের নেতা নেত্রিরাই আমার চোখ খুলে দিয়াছে|আমি রাজাকার নই,মুক্তিযোদ্ধা|হয়ত আমি আওয়ামীলিগের সমালোচনা করি তাই বি,এন,পির পক্ষ্যে যায়,তবে এখনো বি,এন,পির পক্ষ্যে ভোট দিবার সুজুক পাই নাই |আওয়ামীলিগের নিতী:নিজামী, মুজাহিদ এখন আওয়ামীলিগে যোগ দিলেই হযে যাবেন মুক্তিযোদ্ধা|
আওয়ামি নেতারাও মুকতি্যুদধে আংশ নেয় নি।এরা ইসলামাবাদ আর কলকাতা থিয়েটার রোডে নিরাপদে ছিল|মুকতিযুদ্বের সময় আওয়ামিরা যুদ্ব না করে লুটপাটে-আমোদে মেতে ছিলো, তেমনি স্বাধিনের পরে আওয়ামিরা দেশ গড়ার পরিবর্তে লুটপাটে ও দুর্নিতিতে ব্যস্ত ছিলো।মুজিবের আমলে হাজার কোটি টাকা খয়রাত পেলেও তা তার মন্ত্রী পরিষদ লোপাট করেছিল| স্বাধীনতার পর থেকে এ পর্যন্ত বাংলাদেশে যতধরনের অপকর্ম হয়েছে তার বেশীর ভাগ করেছে আওয়ামিরা। আসলে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছেলি কোন পূর্ব পরিকল্পনা ছাড়াই।মুজিব যুদ্ব শুরু হইবার আগেই পাকিস্থানীদের মেহমান হইয়া পশ্চিম পাকিস্থানে হিজরত করিয়াছিলেন প্রধানমন্ত্রীর আশায়। উনি স্বাধীনতা ঘোষনা করিয়াছিলেন ইহার কি কোন লিপিবদ্ব প্রমান আছে? উনি কি তাহা হইলে উনার স্ত্রী এবং নাবালিকা কন্যাদ্বয়ের কাছে স্বাধীনতার অহি বানি শুনাইয়া পাকিস্থানে রওয়ানা দিয়েছিলেন? ধন্য রাজার ধন্য দেশ! অনেকেই বলিয়া থাকেন মুজিব না হইলে বাংলাদেশ হইতনা, তাহা হইলে ৩০ লাখ মানুষের প্রাণ দেওয়ার মূল্যায়ন হইবে কিভাবে? একজন মানুষেই যদি স্বাধীনতা দিতে পারে তাহা হইলে ৩০ লাখ মানুষ কেন শহিদ হইল?একটা কথা কেউ অস্বীকার করবেনা শুধু আওয়ামিলীগের অন্ধপুজারী ছাড়া তাহল শেখ মুজিবুর রহমান শুধু পূর্ব পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীই হতে চেয়েছিল এর বেশী না।কিন্তু ঘটনাক্রমে পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে গড়িয়েছিল যে শেষ পর্যন্ত যুদ্ধ না করে উপায় ছিলনা। তখন শেখ মুজিবুর রহমান এর যায়গায় যদি অন্য কেউ থাকত তাহলে সে যা করেছে তাই করত বরং আরও বেশী হয়তো করত| আর বিশেষ করে সম্মানিত লোকদের অতিরিক্ত সম্মান দেখালে হয়তো শেষ পর্যন্ত উল্টো হবে আর সে একজন স্বাধীনতা যুদ্ধের নেতা তাই তাকে সেভাবেই সম্মান করা উচিত আর জোড় করে কখনো সম্মান আদায় হয়না বরং উল্টা রেজাল্ট দাড়ায়।মুক্তিযুদ্ধারা বিশ্বের মানচিত্রে একটি উন্নয়নশীল/সোনার দেশ গড়ার জন্য জীবন মরণ দিয়ে যুদ্ধ করেছে।জিয়া মুক্তিযুদ্ধকে সফল করেছেন।গায়ের জোরে বেআইনিভাবে জিয়ার খেতাব নিয়ে নিলেও মানুষের ভালোবাসাকে কেড়ে নিতে পারবে না।
১. জিয়া তলাবিহীন জুরির তলা লাগিয়েছেন। ২. জিয়া মাটির মানুষের সাথে মিশে গিয়েছিলেন। জিয়া ছিলেন বাংলাদেশের “মহাথির”। আজ জিয়া বেচে থাকলে বাংলাদেশ অনেক এগিয়ে যেত। জিয়াকে হারিয়ে বাংলাদেশের যে ক্ষতি হয়েছে তা কোনদিনও পুরন হবেনা। জিয়া অদ্ধিতীয় এবং অদ্ধিতীয়। জিয়ার সাথে কারো তুলনা করা যায় না। জিয়াই একমাত্র দেশ প্রধান ছিলেন যিনি দেশকে নিঃসার্থভাবে ভালবেসেছেন। মুজিব দেশকে বানায় তলাবিহিন ঝুড়ি এবং সেনাবাহিনির বদলে নিজস্ব রক্সী বাহিনি করে।জিয়াই স্বনির্ভর ডেশের ভিততি গড়েযান ও আজকের আধুনিক শকতিশালি সেনাবাহিনি গড়েন।এইবার আবার নতুন করে বুঝলাম, জিযা কত বড় মানুষ।যে নিজের জীবন বিপন্ন করে অন্যের জীবন বাচায় সেই হচ্ছে সত্যিকারের বীর।জিযা দেশ কে বাচিযেছেন। উনি ভারত ও যাননাই, পাকি ও যান নাই। উনি ছিলেন বাংলাদেশে মানুযের সাথে।
এদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে তাজউদ্দীনেরও অবদান অবিস্মরণীয় - আমার মতে বঙ্গবন্ধুর চাইতেও অনেক উপরে। বঙ্গবন্ধু যেখানে পাকিস্তানের কাছে ধরা দিয়ে বাংলাদেশের স্বাধীনতাকে অনিশ্চয়তার দিকে ঠেলে দিয়েছিলেন, তাজউদ্দীন সেখানে জীবন বাজী দেখে আত্মগোপন করেন এবং পরবর্তীতে স্বাধীনতা যুদ্ধকে সংগঠিত করে স্বাধীনতাকে অবশ্যসম্ভাবী করে তোলেন।তাজউদ্দীনের প্রজ্ঞা ও রাজনৈতিক দূরদর্শিতা আওয়ামী লীগের সমসাময়িক নেতাদের মধ্যে তেমন দেখা যায়নি। নিরপেক্ষ ইতিহাস অবশ্যই তাঁকে মূল্যায়ন করবে।সত্য কথা হল, তাজউদ্দীন জিয়ার এ বিদ্রোহকে তার প্রধানমন্ত্রীর প্রথম ভাষনে বলেন,তার স্বাধিনতার ঘোষনা মধ্য দিয়েই আমাদের সংগ্রাম শুরু হয়!জিয়ার প্রথম সামরিক অবরোধকে তিনি লেলিনন্ত্রাদের সামরিক সংগ্রামের তুলনা করেছিলেন|এর আগে '৪৭ থেকে '৭১ পযন্ত কয়েকশত স্হানীয়/জাতীয় নেতারা ভিন্ন সময়ে স্বাধিনতা ঘোষনা করেছিলেন !এর সফল পরিসমাপ্তি ঘটেছিল সামরিক সংগ্রামের মধ্য দিয়ে !যারা মুকতিযুদ্বের সময় যুদ্ব না করে গর্তে লুকিয়ে পরে ভারতে চলে যায়। তাদের দেখার সৈাভাগ্যই হয়নি জিয়ার জিবন বাজি রেখে স্বাধিনতার যুদ্বে ঝাপিয়ে পড়ার।ওরাতো জীবন বাচাইয়া পালিয়ে নিরাপদে গিয়েছিলো,আর এখন ওরাই ব্যস্ত আওয়ামী ইতিহাস লিখতে|তাদের এই ইতিহাসে থাকবেনা হক-ভাসানি,তাজউদ্দীন,জিয়া,৩০ লাখ শহিদের অথবা নাম নাজানা মুক্তিযোদ্ধাদের|

SalimC's picture

History will prove who is right.

No comment about the judgment.
History will prove who is right. But who write his or her own History that is not a right History.Awamis are now writing their own History by themselves, by force of power, this Power is for few time but not all time.
Mogul & British ruled 400years in India, Babar & Akbar trying to hide their reality Babar Nama & Akbar Nama.British were tried to hide their bad History. Wrote a fake History by their Indian slaves, but what was their real History

william's picture

Hisroty of Bangladesh

To: SalimC
You are sick, I think. You should go hospital to see a doctor!!!

hridoy's picture

সেলিমসি ভাই....মুজিব বনাম জিয়া নয়..........

মুজিব বনাম জিয়া নয়, বড়জোর বলতে পারেন জিয়া বনাম তাহের, বা অন্য সেক্টর কমান্ডারগণ। তবে পারফেক্ট হবে-জিয়া বনাম এরশাদ সিকদার। কারন, ওরা দু'জনেই অত্যন্ত ঠান্ডা মাথার খুনী। অথবা বলতে পারেন, জিয়া বনাম নাসির উদ্দিন পিন্টু। কারণ, দুজনেই দখলদার। জিয়া গায়ের জোরে ক্ষমতা দখল করেছিলেন আর পিন্টু গায়ের জোরে কবরস্হান দখল করেছিলেন। আরো বলতে পারেন জিয়া বনাম ডাকাত। ডাকাত, অস্রহাতে বাড়ির মালিকের সবকিছু ছিনিয়ে নেয়, প্রয়োজনে বাড়ির মালিককে খুণও করে। জিয়া অস্রহাতে ক্ষমতা ছিনিয়ে নিয়েছে, আবার এ ক্ষমতা দখলের প্রয়োজনে দেশের রাষ্ট্রপতিকে খুণও করেছে। আবার বলতে পারেন মহল্লার গুন্ডাদলের সরদার, যে প্রভাব বিস্তার করার জন্য অন্য মহল্লার গুন্ডাদের সাথে আতাত রাখে। আপনার নেতা জিয়া ক্ষমতার বলয়ে প্রভাব বিস্তার করার জন্য জামাতের সাথে আতাত তৈরী করেছিল, তা কি ভূলে গেলেন?

সবাই ভাল থাকুন,
সুস্হ থাকুন,
সুন্দর থাকুন-
-হৃদয়

hridoy's picture

হ্যালো, জেকব ভাই..........

আপনার কথাটা বুঝতে পারলাম না। তবে একটা গণতান্ত্রিক দেশের হাইকোর্ট কি বলেছে বুঝলেন তো? গণতান্ত্রিক দেশে গায়ের জোরে কোনকিছু প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব নয়। আপনারা বিএনপির লোকেরা গায়ের জোরে ক্ষমতা দখলের চেষ্টা করে সফল হন নাই। গায়ের জোরে আপনাদের নেতা জিয়াকে স্বাধীনতার ঘোষক বানাইতে চেষ্টা করেও সফল হন নাই। কাজেই গায়ের জোর বাদ দিয়ে মেধার চর্চা করুন। আপনার নেতা জিয়া গায়ের জোরে ক্ষমতা দখল করে ভন্ডামী আর ষন্ডামীর মাধ্যমে কতদিন পাবলিককে ভূলিয়ে রাখতে পেরেছিলেন? বেশীদিন পারেন নাই। কারন, কোন পাবলিকই বেশীদিনের জন্য বোকা থাকে না। তাই আপনার দলের নেত্রীকে বলুন ধোঁকাবাজীর রাজনীতি বাদ দিতে। তা'হলে অন্ততঃ মরার আগে একটা জীবিত বিএনপি দেখে মরতে পারবেন। নয়ত, এটার আশাও ছাড়তে হবে.........................
==================================
আপনি ভাল আছেন তো? আজকাল তো তেমন দেখা যায় না। বানিজ্যে মনোনিবেশ করেছেন নিশ্চয়.................ভাল থাকুন..........

সবাই ভাল থাকুন,
সুস্হ থাকুন,
সুন্দর থাকুন-
-হৃদয়

Stranger's picture

SalimC is a leaflet

SalimC is a leaflet from Jamat propaganda cell. Somebody mistakenly identified him as BNP brochure. Every post with this ID, is issued from Jamat's press office. If you in case hear a reply, that's the murmur of a paper by the wind that has no relevance to the original post. Never ask questions to a leaflet.

bangladesh21's picture

সেলিম ছি!

প্রতি মুহুর্তে তুমি বাংলাদেশের স্বাধীনতা নিয়ে মুক্তি যুদ্ব নিয়ে পাকিস্থানীদের এবং রাজাকারদের পক্ষ নিয়া লেখা লিখিতে ব্যস্ত।বংঙ্গোবন্ধু এবং মুক্তিযোদ্বা জিয়া, কে স্বাধীনতার ঘোষ্‌ক, কে নয় তার ছবক একজন রাজাকারের বংশধর থেকে আমাদের যেন আর শুনতে না হয়। দূর হ পাকি।

SalamU's picture

Declaration of independence

If HC could have resolved this long debated issue, we should welcome it. Let us wait for details to be published. Hope HC will clearly and undoubtedly identify date, time and means through which BB declared independence

SalimC's picture

ঐতিহাসিকভাবে সত্য,প্রকৃত ইতিহাস জিয়ার স্বাধিনতার ঘোষনা|

৬ নভেম্বর, ১৯৭১ তারিখে ইন্দিরা গান্ধী বলেন
পাকিস্তানের কারাগারে আটক শেখ মুজিবকে পাকিস্তান সরকার রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগ এনে বিচারের প্রহসন করে হত্যার উদ্যোগ নিলে প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী মুজিবের পক্ষে জনসমর্থন সৃষ্টির লক্ষ্যে পৃথিবীর কয়েকটি গুরুত্বপুর্ণ রাজধানী সফরকালে ৬ নভেম্বর, ১৯৭১ তারিখে কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে এক বক্তৃতায় বলেন:
The cry for independence arose after Sheikh Mujib was arrested and not before. He himself, so far as I know, has not asked for independence even now.
Ref. Bangladesh documents vol-II, page 275 Ministry of external affairs, Govt of India-1972
.
-বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের ৭ই মার্চের ভাষণের আইনগত দিক আগে পরীক্ষা করে নেয়া হয়েছিল যাতে শান্তিপুর্ন সমাধানের শেষ সুযোগটি থাকে। -পলিটিক্যাল সলিউশন ব্যর্থ হলে পাকি আর্মি ঢাকাতে ক্রাক ডাঊন করে, এতে ইতিহাসের মোড় আরেক দিক নেয়। এমন রাজনৈতিকভাবে অচল ও সংকটপুর্ণ সময়েই বাংলাদেশের জনগন পাকি আর্মি বাহিনীর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলে|ঐতিহাসিকভাবে সত্য, বেংগল রেজিমেন্ট প্রথমে বিদ্রোহ করে। যা স্বাধীনতার যুদ্ধের সুচনা করে।
-৭ই মার্চে শেখ মুজিব স্বাধীনতার ঘোষনা দিতে পারেন না, কারন তখন পর্যন্ত সে রকম প্লাটফরম তৈরী হননি| ৭০ এর নির্বাচনে পাকিস্তানের প্রতি কমিটমেন্ট নিয়েই আওয়ামিলীগ অংশ নিয়েছিল, ক্ষমতা হস্তান্তর এর মতো ইস্যু নিয়ে দেশ বিভক্ত করার ঘোষনা দেয়া যায় না।আওয়ামী লীগ ৭ই মার্চ এর ভাষন নিয়ে এখন যা দাবী করে (স্বাধিনাতার ঘোষনা) তা প্রকৃত পক্ষে শেখ মুজিব কে বিতর্কিত করে তোলে। মুজিব স্বাধীনতার ঘোষণা আদৌ দেননি।জিয়া প্রথম নিজের নামে ঘোষণা দেন ২৬ তারিখে, পরবর্তীতে সেটা সংশোধন করে শেখ মুজিবের নামে ২৭শে মার্চে আবার ঘোষণা দেন।মেজর জিয়া মুজিবের পাঠানো ফ্যাক্স দেখে দেখে পত্র পাঠ করেন নি। যেহেতু ২৬শে মার্চেই প্রথম ঘোষণা, তাই ২৬শে মার্চই স্বাধীনতা দিবস।
-এই সময়ে তিনি কারো পরামর্শক্রমেই কালুরঘাট বেতার থেকে বাঙ্গালী জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পক্খে স্বাধীনতার ঘোষনা পুনঃপাঠ করে হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধের আহবান জানিয়েছিলেন। জিয়ার এই অসামান্য ভূমিকার জন্য বাঙ্গালী জাতি তাঁর কাছে কৃত|ভাল ভাবে পড়ুন কে স্বাধীনতার ঘোষক?মুজিব নিজেই মেনে নিলেন জিয়া স্বাধীনতার ঘোষক|
-মুজিব যুদ্ব শুরু হইবার আগেই পাকিস্তানীদের মেহমান হইয়া পশ্চিম পাকিস্থানে হিজরত করিয়াছিলেন ধান্ধাবাজির আশায়। উনি স্বাধীনতা ঘোষনা করিয়াছিলেন ইহার কি কোন লিপিবদ্ব প্রমান আছে? উনি কি তাহা হইলে উনার স্ত্রী এবং নাবালিকা কন্যাদ্বয়ের কাছে স্বাধীনতার অহি বানি শুনাইয়া পাকিস্থানে রওয়ানা দিয়েছিলেন? ধন্য রাজার ধন্য দেশ! অনেকেই বলিয়া থাকেন মুজিব না হইলে বাংলাদেশ হইতনা, তাহা হইলে ৩০ লাখ মানুষের প্রাণ দেওয়ার মূল্যায়ন হইবে কিভাবে? একজন মানুসই যদি স্বাধীনতা দিতে পারে তাহা হইলে ৩০ লাখ মানুস শহীদ কেন
মুজিব বনাম জিয়া
মূজিব;জনতার রায় পাওয়া এক চাচা আপন প্রান বাচা নেতা, একাত্তরে স্বাধীনতার ঘোষনা এমনকি কোন স্বাধীন সরকার গঠন নাকরেই তিনি অসহায় জাতিকে ফেলে পাক বাহিনীর কাছে আত্বসমর্পন করেন|জিয়া; এক সাধারন সৈনিক, অসহায় স্বজাতির স্বাধীনতা ঘোষনাকারী এক বীর মূক্তিযুদ্বা, তাই:
মুজিব; হিরু থেকে জিরু।
জিয়া; জিরু থেকে হিরু|

-যুদ্ধের ময়দানে জিয়ার মত আরো অনেকেই ছিল, হয়ত জিয়ার ভাগ্যে এই ঘোষনা পাঠ করার সুযোগ হয়েছে ভাল কথা, এটা নিয়ে কোর্ট পর্যন্ত যাওয়ার কি মানে আছে।শেখ মজিব,ওর সাথে কারো তুলনা করার মানে কি?স্বাধিনতার একটা ঘোষনাতেই দেশ স্বাধিন হয় নাই, কিন্তু এটাও সত্যি কথা জিয়া ঘোষনা না দিলে হয়তোবা দেশ স্বাধিন হতোনা, মুজিবের সাথে পাকিস্তানিদের সাথে সমাঝোতা হয়ে যেত ।
-পলটনের জনসভায় গলাবাজি আর প্রত্যক্ষ যুদ্ব এক কথা নয় !আমাদের বীর সেনাবাহিনী যে এখনই বিদ্রোহ করে বসবে ,তা শেখ মুজিব ও জানতেন না! জানলে উনি নিজেই সরাসরি যুদ্বে নেতৃত্ব/ পরিচালনা করতেন !আপনারা যারা শেখ মুজিবকে অতি তোষামোদ করে জাতির পিতা বানি্যে দিলেন , জানেন ? উনি যতটুকুই না বাংলাদেশের স্বাধিনতা চেয়েছেন,বরং পাকিস্তানের প্রধানমন্তি হতে অনেক বেশী উদগ্রিব ছিলেন ! শেখ মুজিব যদি শেষ পর্যন্ত পাকিস্তানের প্রধানমন্তিও হতেন,তাহলে আমরা কি আজও স্বাধিন হতাম না ???
-ঐ একদলিয় দালাল বিচারপতিরা বুঝবে না কিভাবে জীবনের মায়া ত্যাগ করে মেজর জিয়া মুক্তিযুদ্বের ঘোষনা ও মুকতিযুদ্বারা যুদ্ব করে। বেশির ভাগ আওয়ামি নেতাদের মত ঐ বিচারপতিরাও মুক্তিযুদ্ব করেনি,দেশ স্বাধিনের পরে সব উচু পদ ও দেশের উকিল মোক্তার বনে গেছে।দেশের মানুষের কাছে| বাকশালি বিচারপতিদের রায়ে ইতিহাস বদল হবে না। জিয়ার জায়গায় অন্য কোন অফিসার হলে স্বাধিনতার ঘোষনা দিতো কিনা তা নিশ্চিত করে বলা যায় না, কেননা অনেক সেনা অফিসার সেনানিবাস থেকে বের হয়েছেন কিন্তু রেডিও সেন্টার খোজ করেনি কেউ।
- সবাই জানে যে মেজর জিয়াই স্বাধিনতার ঘোষনা প্রথম দেন উনার নিজের নামে,পরে চট্রগ্রামের কিছু আওয়ামি নেতার অনুরোধে সংশোধন করে মুজিবের নামে আবার দেন।
- গলদ ইতিহাসের সিকার হইয়া গেছে,বদলাতে আর পারবে না,দোয়া করি আল্লায় সব কিছুর পয়সালা করে আমাদের একত্রিত করে দেন। তবে হ্যা জিয়ার ঘোষণায় দেশের মানুষ জেনেছিলো সেনাবাহিনি মু্কতি যুদ্ধের সাথে একাত্ম হয়েছে। এরপর জে: ওসমানীর নেতৃত্বে মুজিবনগর সরকার দেশকে ৯টি সেক্টরে ভাগ করে যুদ্ধ পরিচালনা করে।
-ভাসানি হতে শুরু করে আরো অনেকে এর জন্য অনেক অবদান রেখেছে। যে মানুষ গুলি যুদ্ধে মরে গেছে যদি বলি তাদের অবদান সবচাইতে বেশি তাহলে তোমরা কি অস্বিকার করতে পারবে? জিয়ার মত কত অফিসার মারাও গেছে,এমনকি জিয়া নিজেও এটা নিয়ে কখনো বাড়াবারি করেনি। জিয়া স্বাধিনতা যুদ্ধে যুদ্ধ করেছে এটাত সত্য এটা কেউ অস্বিকার করতে পারে না।
-সেইদিন বেশি দুরে নয় যেদিন এই দুই বিচারপতির মুখে বা;লার মানুষ থু থু দিবে।এই দুজনকে সবাই চিনে,এরা বিচারপতি রববানি মারকা বিচারপতি।
-ঐ বাকশালি অনধ দলীয় বেবেকহিন বিচারপতিদের রায়ে প্রকৃত ইতিহাস জিয়ার স্বাধিনতার ঘোষনার কোনো পরিবর্তন হবে না।এরা তখন কোন জায়গায় ছিলেন যে ইতিহাস সম্বন্ধ্বে রায় দিবেন,এরা যে আওয়ামি বাকশালিদের হয়েই রায় দিবেন তা মানুষ জানে।কোটি কোটি মানুষ তখন জিয়ার ঘোষনা শুনেছিলো।আর এইটার ফ্রিকোয়েন্সি বেশি থাকায় বেশি লোক ঐ ঘোষনাই শুনছে।আর বাকশালি বিচারপতিরা শুনে নাই,যেখানে এদের ঐতিহাসিক ফ্রিকোয়েন্সি নাই।

kabir0202's picture

জিয়া নন, বঙ্গবন্ধুই স্বাধীনতার ঘোষক: হাইকোর্ট

জিয়া নন, বঙ্গবন্ধুই স্বাধীনতার ঘোষক: হাইকোর্ট

ঢাকা, জুন ২১ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)- জিয়াউর রহমান নন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানই স্বাধীনতার ঘোষক বলে হাইকোর্ট রায় দিয়েছে। (আরো তথ্যসহ-১)

রোববার বিচারপতি এবিএম খায়রুল হক ও বিচারপতি মমতাজ উদ্দিন আহমেদের হাইকোর্ট বেঞ্চ মুক্তিযোদ্ধা ডা. এম এ সালামের দায়ের করা এক জনস্বার্থ রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এই রায় দেয়।

সেই সঙ্গে আদালত জিয়াউর রহমানকে স্বাধীনতার ঘোষক উপস্থাপন করে প্রকাশিত "বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ, দলিলপত্র"-এর তৃতীয় খণ্ড বাতিল ঘোষণা করেছে। এই খণ্ডটি দেশ-বিদেশের সব স্থান থেকে বাজেয়াপ্ত ও প্রত্যাহারেরও নির্দেশ দেওয়া হয়।

আদালতের রায়ে আরও বলা হয়, যারা এরকম ইতিহাস বিকৃতির সঙ্গে জড়িত তারা সংবিধান লংঘন করেছে। সরকার চাইলে তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারে।

হাইকোর্ট দেশের সব মাধ্যমের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পাঠ্যক্রমে মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস বাধ্যতামূলকভাবে সন্নিবেশ করার জন্যও সরকারকে নির্দেশ দিয়েছে।

আদালতের এ রায়ের প্রতিক্রিয়ায় অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল এম ইনায়েতুর রহিম বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, "দীর্ঘদিন ধরে স্বাধীনতাবিরোধী চক্র ক্ষমতায় বসে স্বাধীনতার ঘোষণা কে দিয়েছেন তা বিকৃত করার যে অপচেষ্টা চলচ্ছিল এ রায়ের মাধ্যমে তার মৃত্যু হলো।

"বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানই যে স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন দেশ-বিদেশের বিভিন্ন পত্র-পত্রিকা, দলিলপত্র পর্যালোচনা করে আদালত সেই সত্যটিই প্রতিষ্ঠিত করেছেন।"

রিট আবেদনকারীর কৌসুলি অ্যাডভোকেট মনজিল মোরসেদ বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, "ষড়যন্ত্রকারীদের অপচেষ্টা নস্যাৎ করে বঙ্গবন্ধুই যে স্বাধীনতার প্রকৃত ঘোষক আদালতের মাধ্যমে সেই সত্য প্রতিষ্ঠিত হলো।"

রিট আবেদনকারী ডা. এম এ সালাম রায়ের প্রতিক্রিয়ায় বলেন, "সত্যের জয় হয়েছে। ভবিষ্যত প্রজন্ম স্বাধীনতার ঘোষণার প্রকৃত ইতিহাস জানতে পারবে। এ রায়ে জাতির জয় হয়েছে।"

matin's picture

ইতিহাস বিকৃতিকারীদের বিচার হোক

(মুজিব বিবিসিকে বলেছিলেন) মুক্তিয়ুদ্ধে ৩০ লাখ লোক কি নিহত হয়েছিলো, তদন্ত হোক ...ইতিহাস বিকৃতিকারীদের চিহ্নিত করে বিচার করতে হবে... বিচার তো আমরা সবাই চাইছি তবে কেন স্পীকার য়ুদ্ধের ডাক দিচ্ছেন উনি কি আমাদের য়ুদ্ধের ময়দানে ফেলে রেখে ভারতে আশ্রয় নিবেন?...
ভাইয়েরা আমার, ইতিহাস বিকৃতি করবেন না ... ২৫/২৬ মাচের প্রথম প্রহরে আওয়ামী বড় বড় নেতারা ভারতে আশ্রয় নিয়েছিলেন, অনেককেই বলে বাইজী খানাতে পাইয়া যেত।

ভাইয়েরা আমার, ইতিহাস বিকৃতি করবেন না...মুজিব প্রথম প্রহরেই গ্রেফতার বা আত্মসমপন করেন

ভাইয়েরা আমার, ইতিহাস বিকৃতি করবেন না... জিয়া স্বাধীনতার ঘোষনা করেছিলেন শেখ মুজিবের পক্ষ থেকে একথা সত্য
ভাইয়েরা আমার, ইতিহাস বিকৃতি করবেন না... জিয়ার স্বাধীনতা ঘোষনার পরেও রাজাকার শ্রেনীও সক্রিয় ছিল একথাও সত্য

ভাইয়েরা আমার, ইতিহাস বিকৃতি করবেন না...মুজিব জাতির জনক ছিলো না, উনি ৭০ সালের পাকিস্তানের সনংবিধান অনুযায়ী নিরাচন করেছিলেন। কোন দিনও উনি স্প্ষ্ট ভা‌‌যায় স্বাধীনতার ঘোষনা দেন নি বা পাকিস্তানীদের সাথেও স্বাধীনতার জন্য কোন আলোচনাও করেন নি। ইতিহাস বলে আলোচনা ব্যথ হয়েছিলো power ভাগাভাগির প্রশ্নে ...স্বাধীনতার সুস্পষ্ট ঘোষনা শুনা গিয়েছিলো এক মেজরের কন্ঠে (শেখ সেলিমের বা শেখ হাসিনার কন্ঠে নয়)

উল্লেখ থাকে যে,
১৯৭১ সালে দেশের মোট পপুলেশন ছিলো ৭৫০ লাখ। এর মধ্যে পাকি সেনারা হত্যা করেছে ৩০ লাখ। রেট, ৩০/৭৫০ = প্রতি ১০০ জনে ৪ জন। তাহলে প্রশ্ন, বাকী ৯৬ জনের মধ্যে কতগুলো রাজাকার ছিলো আর কতগুলো মুক্তিযোদ্ধা ছিলো।

আর মুজিব এই গনহত্যার বিচারের জন্য কোন আন্তজাতিক ফোরামে যান নি (ইতিহাস তাই বলে) বরনং মুজিব ১৯৩ যুদ্ধাপরাধীদের সাধারন ক্খ্মা করেদিয়েছিলেন ।।।। তদন্ত হোক এটা সত্য কিনা?

BigBrother's picture

'ইতিহাস বিকৃতিকারীদের চিহ্নিত করে বিচার করতে হবে'

'ইতিহাস বিকৃতিকারীদের চিহ্নিত করে বিচার করতে হবে'

চাঁদপুর, মে ১৪ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)- যারা ইতিহাস বিকৃত করছে তাদের চিহ্নিত করে বিচারের ব্যবস্থা করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার শওকত আলী।

তিনি বলেন, "জিয়াউর রহমান জীবদ্দশায় নিজেকে কখনও কোথাও স্বাধীনতার ঘোষক হিসেবে পরিচয় দেননি। অথচ তার অবৈধ উত্তরসুরীরা তাকে স্বাধীনতার ঘোষক পরিচয় দিয়ে ইতিহাসকে বিকৃত করছে। এভাবে যারা ইতিহাস বিকৃত করছে তাদের চিহ্নিত করে বিচারের ব্যবস্থা করতে হবে।"

বৃহস্পতিবার সকালে চাঁদপুর জেলা শিল্পকলা একাডেমীতে বর্ষবরণ উপলক্ষে তিন দিনব্যাপী উৎসবের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে শওকত আলী এসব কথা বলেন।

ডেপুটি স্পিকার বলেন, ধর্মের নামে যারা অধর্মের কাজ করে তাদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে। এটিও একটি যুদ্ধ। এ যুদ্ধে আমাদেরকে জয়ী হতে হবে। যারা বাঙালি সংস্কৃতি মেনে নিতে পারছে না, তাদের বিরুদ্ধে আবারো একটি সংগ্রাম করতে হবে। এদের নির্মূল করতে হবে। এ শত্র"দের নির্শ্চিহ্ন করার পরিবেশ তৈরি করতে গণজাগরণ সৃষ্টি করতে হবে।

তিনি বলেন, বিগত নির্বাচনে যারা প্রত্যাখাত হয়েছে তারা দেশ, জাতি ও উন্নয়নের শত্র"। স্বাধীনতার শত্র"। এমন কিছু করা যাবে না, যাতে মানুষ আমাদেরকে তাদের মতো প্রত্যাখান করে। আসুন ভাল কাজ করি, দেশকে ভালবাসি।

অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন বাঙালি সংস্কৃতি মঞ্চ কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মতিন ভূঁইয়া।

জেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ও বাঙালি সংস্কৃতি মঞ্চ চাঁদপুর জেলা শাখার উপদেষ্টা আবু নঈম দুলাল পাটওয়ারীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ইউসুফ গাজী, পৌর মেয়র নাছির উদ্দিন আহমেদ, জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি ড. শামছুল হক ভূঁইয়া, জেলা শিল্পকলা একাডেমীর সাধারণ সম্পাদক অজয় ভৌমিক এবং বাঙালি সংস্কৃতি মঞ্চ চাঁদপুর জেলা শাখার সভাপতি জ্যোৎøা মজুমদার।

Love90's picture

এডিটর সাহেব এখনে মাইন্ড যে কেউ করতেই পারে

এডিটর সাহেব এখনে মাইন্ড যে কেউ করতেই পারে, তবে আপনি দেখুন কার মূখ থেকে আগে বেজন্মা/বাজে শব্দ বের হয়েছে।ডিলের বিকলে পাটকেল আসবেই।

bd08's picture

love90 এর editorভীতি

Zia is Zia, but mujib? read more ...

তখন বোখারায় একজন চালাক-চতুর নেতা আবির্ভূত হলো । এই নেতার নাম লতিফুর রহমান। বোখারার জনগন ছিল খুবই আবেগ প্রবন। যে কোনো কিছু বড়িয়ে বলার প্রবনতা ছিল তাদের সাধারন বৈশিষ্ট্য।

লতিফুর রহমানের আগে তাদের নিজেদের কোনো একক নেতা ছিল না। লতিফুর খুব ভালো বক্তৃতা করতে পারতো। সে বোখারা ভাষায় ফুলঝুরির তোড়ে অন্য সব নেতাকে ভাসিয়ে দিল। বোখারায় আপামর জনগন তাদের প্রিয় খাদ্য আলুর কথা ভেবে লতিফুর রহমানকে নাম দিল আলুবোখারা। কাকস্তানের সহায়তায় বোখারা স্বাধীন হওয়ার পরই আলুবোখারা স্বদেশ প্রত্যাবর্তন করলো। বিলাতের প্রধানমন্ত্রী ১০ নং ডাউনিং স্ট্রিটে থাকেন। সুতরাং ১০ সংখ্যাটি আলুবোখারার জন্য উত্তম সংখ্যা ভেবে সে জানুয়ারি মাসের ১০ তারিখে স্বদেশ প্রত্যাবর্তন করলো। দেশের জনগন তাকে রাজমুকুট পরিয়ে দিল। আলুবোখারা সিংহাসনে আরোহণের পর পরই কাকস্তানের রানীর সঙ্গে ২৫ বছর মেয়াদি একটি চুক্তি সম্পাদন করলো। ১৯৭৫ খ্রিস্টাব্দের ১৫ আগস্ট যেদিন কাকস্তান স্বাধীনতা লাভ করেছে সেদিন আলুবোখারা ও তার তিন পুত্রকে ...

Mujib is nothing but a লতিফুর রহমান।

  • Save Bangladesh: No more farakka