সেনানিবাস ছাড়তে হচ্ছে খালেদাকে

ঢাকা, এপ্রিল ০৮ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)- বিএনপি চেয়ারপারসন ও বিরোধী দলীয় নেতা খালেদা জিয়ার ঢাকা সেনানিবাসের ৬নং শহীদ মইনুল সড়কের বাড়ির ইজারা বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

বুধবার মন্ত্রিসভার এক বৈঠকে নিহত সেনা শাসক লেফটেন্যান্ট জেনারেল জিয়াউর রহমানের বিধবা স্ত্রী হিসেবে খালেদা জিয়াকে নামমাত্র মূল্যে দেওয়া বাড়িটির ইজারা বাতিলের সিদ্ধান্ত হয়। (আরও তথ্যসহ)

১৯৮১ সালের ৩০ মে জিয়াউর রহমান নিহত হওয়ার পর খালেদা জিয়াকে বাড়িটি ইজারা দেয় সরকার।

মন্ত্রিসভার বৈঠকের পরে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ সাংবাদিকদের বলেন, "লিজের নিয়ম অনুযায়ী একজন ব্যক্তিকে দুইটি বাড়ি বরাদ্দ দেওয়া যায় না। যেহেতু ১৯৮১ সালে একটি (ক্যান্টনমেন্টের বাড়িটি) এবং ১৯৮২ সালে আরেকটি বাড়ি দেওয়া হয়, তাই সরকার একটি বাড়ির বরাদ্দ বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।"

তিনি বলেন, "খালেদা জিয়াকে গুলশানে দেড় বিঘার আরেকটি বাড়ি বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে, তাই ক্যান্টনমেন্টের ৯ বিঘার বাড়িটির বরাদ্দ বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।"

কবে নাগাদ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন হবে- জানতে চাওয়া হলে আবুল কালাম আজাদ বলেন, "কবে, কখন, কিভাবে তা বাস্তবায়ন করা হবে- এটি প্রক্রিয়াগত বিষয়।"

মন্ত্রিসভার বৈঠক বিষয়ে তিনি আরও জানান, বৈঠকে সরকারি জল মহাল নীতিমালার বিষয়ে কৃষি মন্ত্রীর নেতৃত্বে একটি কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত হয়েছে। কমিটি আগামী মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ সংক্রান্ত চূড়ান্ত প্রতিবেদন উপস্থাপন করবে। এ কমিটিতে ভূমিমন্ত্রী, মৎস্য মন্ত্রী, পানিসম্পদ মন্ত্রী, সমাজ কল্যাণ মন্ত্রী ও পররাষ্ট্র বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী রয়েছেন।

সেনানিবাসের বাড়িটি সেনা প্রধানের বাসভবন হিসেবে পেয়েছিলেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল জিয়াউর রহমান।

বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর অভ্যুত্থান ও পাল্টা অভ্যুত্থানের পর জেনারেল জিয়া সেনা শাসন জারি করে রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করেন এবং পরে বিতর্কিত গণভোটের মাধ্যমে বেসামরিক সরকারের প্রধান হন।

SalimC's picture

এবার সমম্ভব হবে বিডিআর হত্যাকান্ডের মূল ঘটনার মোড় ঘুরানোর।

আওয়ামিদের কাজ ষড়যন্ত্র করার মে কে বে করার,এবার সমম্ভব হবে বিডিআর হত্যাকান্ডের মূল ঘটনার মোড় ঘুরানোর। "মন্ত্রিপরিষদের সিদ্ধান্তে সেনানিবাসের বাড়ি খালেদা জিয়া থেকে কেড়ে নেওয়ার মাধ্যমে| ইতিমধ্যে সরকার বিডিআর বিদ্রোহের তদন্তকে ভিন্ন খাতে অথবা প্রকাশিতব্য আশু তদন্ত রিপোর্টকে আমাদের মনের সাথে অভিযোজিত করার কৌশল হিসেবে, অত্যন্ত সংকীর্ণ মানসিকতা থেকেই কেবলমাত্র এধরনের সিদ্ধান্ত নেয়া | শান্তি' চুকতি করার আগে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজে খালেদাকে আওয়ামী-ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীরা আকরামন করে ।বি,এন,পি তখন আসল ঘটনা ভুলে আনদোলনে নামে| আওয়ামী সেই সুজুগ কাজে লাগায়, শান্তি' চুকতি করে| এবারো রাজাকার ইসু ,১০ট্যক মামলা , জঙ্গি ইসু নিয়ে মাঠ গরম করে পাবলিকে খেলনা, ভুলল না বিডিআর হত্যাকান্ডের ঘটনা | বরং নিজেদের ঘাড়েই দিন দিন চেপে বসছে,হয়ত এবার নামানো জাবে|কমপককে বি,এন,পি এখন আসল ঘটনা ভুলে খালেদা জিয়ার সেনানিবাসের বাড়ির আনদোলনে মাঠ গরম করিবে | জনগনই সিদ্ধান্ত নিবে - তারা কি করবে। ধোকা দিয়ে বেশীদুর এগানো যায় না।

ABMK's picture

CHEAP POLITICAL PLOY

THIS IS HASINA'S ANOTHER CHEAP POLITICAL PLOY TO DIVERT PEOPLES MIND FROM BDR OFFICERS KILLING.NOW PEOPLE WILL ARGUE WITH KHALEDA'S HOUSE WHETHER SHE CAN KEEP IT OR NOT, THEN SHE WILL RETIRED FEW MORE ARMY OFFICER,THEN COVER UP THE INVESTIGATION. MORE BAD DAYS ARE COMING FOR BANGLADESHI PEOPLE.

biosensor's picture

Cool!!!

Good. Next...warcriminals...followed by 15 th August,,,21 August killlers.