কোন ধরণের বিশৃংখলা সৃষ্টি করলে কঠোর হাতে দমন করা হবে- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
সেনানিবাসে খালেদা জিয়ার বাড়ির ইজারা বাতিল নিয়ে কোন ধরণের বিশৃংখলা সৃষ্টি করলে তা কঠোর হাতে দমন করা হবে বলে জানিয়ে দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এডভোকেট সাহারা খাতুন। তিনি বলেন, মন্ত্রীসভার অনুমতি ছাড়াই খালেদা জিয়াকে এই বাড়িটি দেয়া হয়েছিল। দুপুরে রাজধানীর মিরপুরে এক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

মন্তব্যঃ
অতি পরিচিত ভাষা, এ ভাষা আইয়ুন খান ব্যবহার করেগেছেন, ইয়াহিয়া খান ছিলেন এ ভাষার বেজন্মা পিতা, শেখ মুজিব এ ভাষায় লালঘোড়া দাবড়ে গেছেন, সেনানিবাসের জারজ সন্তানদ্বয় জিয়া এবং এরশাদ এ ভাষায় লালচক্ষু ঘুরিয়ে গেছেন টেকনাফ হতে তেতুলিয়া পর্য্যন্ত। কোথা আজ তারা? মন্ত্রীত্ব্বের চেয়ার, বাড়ি, গাড়ি আর মিডিয়ার কভারেজে সামনে পেলে আমাদের মন্ত্রী নামের বানরদের মাথা ঘুরেযায়! আস্ফালন দিয়ে প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করার সামন্তযুগ এখন ইতিহাসের আস্তাকুড়ে ঠাই নিয়েছে। এ সহজ সত্যটুকু নেত্রী পূজার বেদীতে বলি করলে ভবিষতে চরম মূল্য গুনতে হতে পারে এই সকল বানরদের।

ঢাল নাই তলোয়ার নাই নিধিরাম সর্দার,
মুক্তিযোদ্ধা যখন যুদ্ধাপরাধী মামলার আসামি
ডেটলাইন বোয়ালমারী
।। জামিউল আহসান সিপু ।।
একজন মুক্তিযোদ্ধাকে একাত্তরের যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় আসামি করা হয়েছে। মুক্তিযুদ্ধের সময় আব্দুর রাজ্জাক মিয়া ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে রাজাকার বাহিনীর নেতৃত্ব দিয়েছেন, গ্রামের পর গ্রাম জ্বালিয়ে দিয়েছেন আর মানুষ হত্যা করেছেন- এ অভিযোগ করা হয়েছে চণ্ডিবিলা গ্রামের তোরাব আলীর দায়ের করা মামলায়। মামলায় ঐ গ্রামের একজন কৃষক জমির উদ্দিনকে আসামি করা হয়েছে।
আসামি আব্দুর রাজ্জাক অভিযোগ করেছেন, পৈতৃক জমির ভাগবাটোয়ারা নিয়ে তার বড় ভাইয়ের সঙ্গে দ্বন্দ্ব আছে। তার বড় ভাইয়ের সঙ্গে মামলার বাদির ভাল সম্পর্ক। তাকে ফাঁসাতে বড় ভাইয়ের নির্দেশে তোরাব আলী তার বিরুদ্ধে এ মামলা দায়ের করেছে। ৮ এপ্রিল আদালতে দায়ের করা মামলাটি বর্তমানে তদন্ত করছে বোয়ালমারী থানা পুলিশ। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই আবুল কালাম আজাদ বলেন, তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। মামলার বাদির মায়ের সঙ্গে কথা বলেছেন। বাদির মা অভিযোগ করেছেন যে, তার স্বামীকে আব্দুর রাজ্জাক ধরে নিয়ে গেছেন। স্থানীয় সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আলাউদ্দিনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে তিনি পুলিশকে জানিয়েছেন যে ঘটনাটি তিনি শুনেছেন। তবে তিনি দেখেননি বা এর সপক্ষে কোন প্রমাণ তার কাছে নেই।
ফরিদপুরের মধুখালী (সাবেক বোয়ালমারী) উপজেলার নওয়াপাড়া গ্রামের দলিল উদ্দিন মুন্সীর ছেলে আব্দুর রাজ্জাক মিয়া ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন। তিনি ৮ নম্বর সেক্টরের (বৃহত্তর ফরিদপুর-কুষ্টিয়া) মেজর মঞ্জুরের নেতৃত্বে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন। মুক্তিযুদ্ধ শেষে আব্দুর রাজ্জাক ১৯৭৬ সালে বিডিআরে সৈনিক হিসাবে যোগ দেন। ২০০৬ সালে অবসর গ্রহণ করেন। ১৯৭২ সালের ১১ এপ্রিল ফরিদপুর জেলার মুজিব বাহিনীর প্রধান শাহ মোহাম্মদ আবু জাফরের স্বাক্ষর করা মুক্তিযুদ্ধের সার্টিফিকেট রয়েছে। আব্দুর রাজ্জাক বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিলের মুক্তিযোদ্ধা তালিকায় তালিকাভুক্ত। তার মুক্তিযোদ্ধা তালিকায় নম্বর হলো ০৯০/৬২৫-ভ-০২। তিনি সরকারি চাকরি করতেন বলে মুক্তিযোদ্ধাদের ভাতা পান না।
Here we go again, division within family by the name of noble cause. প্রথমে আমাদের মানুষ হতে হবে, তারপর অন্যসব!!!
The face of Watch Dog...
[xxx edited xxx]
She/he is an animal!!!
xxx edited xxx