নেশার লাটিম ঝিম ধরেছে...

অস্ট্রেলিয়ার উচ্চশিক্ষাধারী দেবাশীষের বক্তব্য
আবু সালেহ আকন

দেবাশীষ
‘সন্ত্রাসী ছিলাম না, ছাত্রলীগ করে সন্ত্রাসী হয়েছি। নেতার নির্দেশে খুন করেছি, চাঁদাবাজি করেছি। এখানে আমার দোষ নেই। শাহাদাত শীর্ষ সন্ত্রাসী হলে সে এখনো কিভাবে ছাত্রলীগের থানা সেক্রেটারি আছে। তাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়নি কেন?’­ কথাগুলো রাজধানীর শীর্ষ সন্ত্রাসী মিরপুরের শাহাদাত বাহিনীর এক সদস্যের। অস্ট্রেলিয়া থেকে হিসাববিজ্ঞানে সর্বোচ্চ ডিগ্রিধারী দেবাশীষ নামের ওই মেধাবী ছাত্রটি শাহাদাত বাহিনীর অপারেশন কমান্ডারের দায়িত্ব পালন করে আসছিল। বনানীর ধাহমাছি ট্রাভেল এজেন্সিতে খুনের ঘটনায় গোয়েন্দা পুলিশের হাতে সে গ্রেফতার হয়েছে। এক বছর আগে দেবাশীষের ভাই সোহেলও গোয়েন্দা পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয়। সোহেলও শাহাদাত বাহিনীর একজন সক্রিয় ক্যাডার। দেবাশীষ বলেছে, নেতার নির্দেশে সে বাধ্য হয়েছে সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজি করতে।
পুলিশ জানায়, গত ৯ এপ্রিল সকাল ১০টার দিকে বনানীর এইচ ব্লকের ১২ নম্বর রোডের ৩৩/এ নম্বর বাড়িতে ধাহমাছি করপোরেশন লিমিটেড অফিসে শাহাদাত বাহিনীর সদস্যরা দাবিকৃত চাঁদা না পেয়ে হামলা চালায়। তারা ওই প্রতিষ্ঠানের মালিক এনামের কাছে ৫ কোটি টাকা চাঁদা দাবি করে আসছিল। সন্ত্রাসীদের গুলিতে ধাহমাছি ট্রাভেল এজেন্সির বাবুর্চি নজরুল ইসলাম নিহত হন। আহত হয় ওই প্রতিষ্ঠানের কর্মচারী জহিরুল ইসলাম। সন্ত্রাসীরা গুলি করে চলে যাওয়ার সময় একটি মিষ্টির প্যাকেট রেখে যায়। প্যাকেটের ভেতর এক টুকরা সাদা কাফনের কাপড়ে লেখা ছিল ‘লোমান এবং এনাম ৫ কোটি টাকা রেডি রাখ, নইলে মরণের জন্য প্রস্তুত থাক, তোদের কাফনের কাপড় পাঠাইয়া দিলাম­ শাহাদত ফোন নং-০১৮২২৯৫৯৭৩২।’ মিষ্টির প্যাকেটে একটি বুলেটও ছিল। এই ঘটনায় ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ গাজীপুরের জয়দেবপুর থানার প্রত্যন্ত এলাকা থেকে আরিফ ওরফে দেবাশীষ ওরফে নয়নকে গ্রেফতার করে। তার দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে রাজধানীর শুক্রাবাদ এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয় রোমান নামের অপর এক সন্ত্রাসীকে। তার দখল থেকে পুলিশ হত্যাকাণ্ডের সময় সন্ত্রাসীদের ব্যবহৃত একটি লাল রঙের সিডিআই হোন্ডা মোটরসাইকেল উদ্ধার করেছে। পুলিশ জানিয়েছে, তারা দু’জনই ওই হত্যাকাণ্ডের কথা স্বীকার করেছে। দেবাশীষের পিতা মো: হাবিবুর রহমান বাংলাদেশ ব্যাংকের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা। তার গ্রামের বাড়ি মাদারীপুরের কালকিনি থানার দক্ষিণ চরআইরকান্দি গ্রামে।

গতকাল ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা কার্যালয়ে কথা হয় দেবাশীষের সাথে। সে নিজেকে ছাত্রলীগের মিরপুর থানা শাখার দফতর সম্পাদক বলে উল্লেখ করে। সে জানায়, ২০০৪ সালে ছাত্রলীগের যে কমিটি গঠিত হয় ওই কমিটিতে মিরপুর থানা শাখার ছাত্রলীগ সাধারণ সম্পাদকের পদটি পায় শাহাদাত। শাহাদাত তখনো সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের সাথে জড়িত ছিল। ছাত্রলীগের দফতর সম্পাদক হওয়ার পরে সে সাধারণ সম্পাদক শাহাদাতের নির্দেশে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ে। দেবাশীষ জানায়, সে ঢাকার বোরহান উদ্দিন কলেজ থেকে অনার্স পাস করে। পরে অস্ট্রেলিয়া চলে যায় লেখাপড়ার জন্য। সেখানে সেন্ট্রাল কুইন্সল্যান্ড ইউনিভার্সিটি থেকে সে হিসাববিজ্ঞানে সর্বোচ্চ ডিগ্রি অর্জন করে। সেখানে ফটোগ্রাফি ও কম্পিউটারের ওপর ডিপ্লোমা করে দেশে ফিরে আসে ২০০৮ সালে। ঢাকায় এসে সে ভালো বেতনে একটি কনসাল্টিং ফার্মে চাকরি নেয়। কিন্তু ছাত্রলীগের ওই কমিটি বিলুপ্ত না হওয়ায় সে এখনো মিরপুর থানা ছাত্রলীগের দফতর সম্পাদক এবং শাহাদাত সাধারণ সম্পাদক। সে হিসেবে দেবাশীষ শাহাদাতের সব নির্দেশ পালন করে আসছিল। সে জানায়, রাজনীতিতে পোস্ট-পজিশনের দরকার আছে। তাই সে সিনিয়র নেতার নির্দেশ পালন করতে গিয়েই খুন-চাঁদাবাজি এবং সন্ত্রাসী ঘটনার সাপথে জড়িয়ে পড়ে। কলকাতায় বসেই শাহাদাত তাকে বিভিন্ন নির্দেশ দিতো, আর ঢাকায় সে শাহাদাতের ওইসব নির্দেশানুযায়ী কাজ করত। বনানীর ঘটনায় দেবাশীষ দূরে দাঁড়িয়ে সব কিছু পর্যবেক্ষণ করছিল। তবে সে বলেছে, বনানীর ঘটনায় তার ওপর শাহাদাতের নির্দেশ ছিল পুলিশ আসছে কি না তা দেখা। দেবাশীষ বলেছে, ওই ঘটনায় সরাসরি গুলি করেছে সজিব নামের অপর এক ক্যাডার। তার ওপর দায়িত্ব ছিল গুলি করার। তবে গোয়েন্দা পুলিশ জানিয়েছে, দেবাশীষ শাহাদাতের অপারেশন কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিল।

দেবাশীষ বলেছে তারা দুই ভাই। তার ভাই সোহেল এর আগে অস্ত্রসহ পুলিশের হাতে ধরা পড়েছে। সে ছিল শাহাদাত বাহিনীর হিসাবরক্ষক। প্রতি মাসে শাহাদাতের যে আয় হয় সে আয় থেকে কোথায় কত টাকা ব্যয় হতো তার হিসাব রাখত সোহেল। দেবাশীষ দাবি করেছে, তার কোনো দোষ নেই। শাহাদাত সন্ত্রাসী হয়েও কিভাবে ছাত্রলীগের নেতা হলো এবং এখনো সে কিভাবে ছাত্রলীগ নেতা হিসেবে টিকে আছে এটিই তার প্রশ্ন। সে জানায়, নেতা হিসেবে শাহাদাতের নির্দেশ পালন করতে গিয়েই সে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ে।

মন্তব্যঃ
আমরা মহাশূন্যে নিজস্ব স্যাটেলাইট পাঠাব
আমরা পাতাল রেল বানাব
আমরা দ্বীতল সড়ক বানাব
আমরা গভীর সমুদ্রে বন্দর বানাব

ত্যা
দি
পাঠক, আপনাদের শুনতে কেমন লাগছে জানিনা, আমি কিন্তূ বেশ উপভোগ করি কল্পরাজ্যের এসব কল্পকাহিনী। একদিকে দেবাশিষদের মত গুন্ডা তৈরী করে, তাদের লালন পালনের মাধ্যমে সমাজকে কলুষিত করে ক্ষমতাসীন দল আমাদের যে অলীক স্বপ্ন দেখাচ্ছে তা কেবল নেশার উপাদান মাত্র।

kabir0202's picture

জয়নাল হাজারী বর্তমানে কুমিল্লা কারাগারে বন্দি

জয়নাল হাজারীর জামিন আবেদন নামঞ্জুর

ফেনী, এপ্রিল ১৯ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)- ফেনীর অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতে রোববার জয়নাল হাজারীর জামিন আবেদন নামঞ্জুর হয়েছে।

সরকার পক্ষের আইনজীবী (পিপি) হাফেজ আহাম্মদ বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে জানান, জেলা ও দায়রা জজ সৈয়দ আমিনুল ইসলামের আদালতে রোববার হাজারীর জামিন আবেদন শুনানির দিন ছিল।

কিন্তু বিচারক ছুটিতে থাকায় অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ সুফিয়া বেগমের আদালতে জামিন শুনানি হয়। শুনানি শেষে আদালত হাজারীর জামিন আবেদন না মঞ্জুর করেন।

জয়নাল হাজারী বর্তমানে কুমিল্লা কারাগারে বন্দি রয়েছেন।

বুধবার ফেনীর আদালতে হাজির হয়ে পাঁচটি মামলায় জামিন নেন হাজারী। ওইদিন মানি লন্ডারিং এর এই মামলায় আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

আসামী পক্ষে মামলা পরিচালনা করেন অ্যাডভোকেট আকরামুজ্জামান, গিয়াস উদ্দিন নান্নু, জাহিদ হোসেন খসরু, নুর হোসেন ও শাহজাহান সাজু।

ফেনীর একসময়ের ত্রাস হিসেবে পরিচিত সাবেক এই আওয়ামী লীগ সাংসদের বিরুদ্ধে ২১ টি মামলা রয়েছে। এর মধ্যে পাঁচটি মামলায় তার সাজা হয়েছে। পাঁচটি মামলায় তিনি জামিনে অছেন এবং বাকিগুলোর কার্যক্রম উচ্চ আদালতের নির্দেশে স্থগিত আছে।

farmer's picture

Debasish has higher ducation, he made his choices

There are thousands of Debashish today in BD; these people are dishonest, greedy and ambitious. Debasish as described is a highly educated person; he makes his own decisions and choice, or some Shahadat makes decision what Debasish will do? He is educated, greedy and dishonest person trying earn big money without working, just trying to find a way to get sympathy by bringing in a tird person. He must face his destiny, Shahadat will his own.

SalimC's picture

কোনো ভালো কাজের দৃসটান্ত তাদের নেই |

আজকেও বরিশালে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের সংগর্ষ হয়ে মেডিক্যাল কলেজ বন্ধ করতে হয়েছে, এই সাফল্যের জন্য হাসিনার হাতে তুলে দেন শান্তির পুরস্কার |কারন প্রধান মন্ত্রী হাসিনা ও আওয়ামী লিগ চাইছে হিংসা চর্চা,এই চর্চা আওয়ামী লীগ করছে এখন,তাই এদের কাজে এখন হিংসাপরায়ন ছাড়া আর কিছুই পাবেন না।দেবাশীষর কোনো দোষ নাই,সে সন্ত্রাসী ছিল না, ছাত্রলীগ করে সন্ত্রাসী হয়েছে। নেতার নির্দেশে খুন করেছে , চাঁদাবাজি করেছে ।আওয়ামি-বাকশালিরা যখনই সরকারে আসে তখনি সব হিংসাত্বক,নোংরা ও বাজে উদাহরন ও নিদর্শন রেখে যায়।কোনো ভালো কাজের দৃসটান্ত তাদের নেই।তার মুখে যা বলে ও ওয়াদা করে তা কখনই পালন করে না।

WatchDog_bd's picture

কল্কি

সবই কল্কির দয়া, এ না হলে বাংলাদেশ! গন্ডায় গন্ডায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করে ছাত্রদের বিকলাংগ বানিয়ে আমরা মহাশূন্যে স্যাটেলাইট পাঠাব...। কি দারুন, তাইনা? প্রশ্ন হচ্ছে, বাংলাদেশ কোথা পাবে এমন ব্রেনধারী মানব?

Robin Hood's picture

WD, can't you see the two rocket scientists?

Dum Maro Dum!
O'm Shanti!

One rocket scientist couldn't cross high school. The other is now dusting off her doctoral certificates.

Do you have any doubt about the Bangladeshi made satellite with B.A.L/BNP logos looking at the two rocket scientists from the geo-stationary orbit?

Dum Maro Dum!
O'm Shanti!

Robin
Carmel, California

WatchDog_bd's picture

RH

Don't forget one of the scientists has at least 7 Doctoral degree...

Robin Hood's picture

Really, all these B.A.L government will do?

Subway, elevated train, bullet train, satellite in space, all these? really?

Dum Maro Dum

Image

Robin
Carmel, California

vumihinzamidar's picture

RH

keep hope alive !!!! OM SHANTI .