সময় থাকতে গদি ছেড়ে দিন: খালেদা
ঢাকা, মে ০২ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)- পানি, বিদ্যুৎ, গ্যাস সংকট নিরসনে সরকার ব্যর্থ হয়েছে দাবি করে চার মাসের মাথায় তাদের পদত্যাগ দাবি করেছেন বিরোধী দলের নেতা ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া।
এসব সমস্যা সমাধানে জনগণের পাশে থেকে সংসদ ও রাজপথে লড়াই করার অঙ্গীকারও ব্যক্ত করেন তিনি।
খালেদা জিয়া শনিবার বিকেলে মহান মে দিবস উপলক্ষে পল্টন ময়দানে জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দল আয়োজিত এক জনসভায় সরকারকে উদ্দেশ্য করে বলেন, "গদি ছেড়ে দিন।"
বিস্তারিত জানাচ্ছেন বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের প্রধান রাজনৈতিক প্রতিবেদক সুমন মাহমুদ।
খালেদা জিয়া সরকারের উদ্দেশে বলেন, '' পানি, গ্যাস, বিদ্যুৎ, কর্মসংস্থানসহ নির্বাচনী ওয়াদা পূরণ করতে না পারলে সময় থাকতে ক্ষমতা ছেড়ে চলে যান। গদি ছেড়ে দিন, যাতে জনগণকে বাধ্য হয়ে আপনাদেরকে বিদায় করে না দিতে হয়। আর জনগণের দুর্ভোগ বাড়াবেন না।''
বিকাল ৫টা ৪৭ মিনিট থেকে পৌনে এক ঘন্টার বক্তব্যে বিরোধী দলীয় নেতা সরকারের চার মাসের কার্যক্রমের কঠোর সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, ''এই চার মাসে সরকার দেশের জন্য কিছুই করতে পারেনি। বরং 'জঙ্গি জঙ্গি' বলে তারা দেশে এক ভীতিকর অবস্থা তৈরি করছে। তারা দেশে বিদেশী সৈন্য আনার পরিকল্পনা করছে।''
বিদ্যুতখাতে জোট সরকার আমলে জাতীয় গ্রিডে কোনো বিদ্যুৎ সংযোজন হয়নি ও ২০০০০ কোটি টাকা লুটপাট হয়েছে- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এ বক্তব্যকে মিথ্যাচার অভিহিত করে খালেদা জিয়া বলেন, ''প্রধানমন্ত্রীকে এ বিষয়ে সুনির্দিষ্টভাবে জবাব দিতে হবে।"
তিনি বলেন, "ওই পাঁচ বছরে এ খাতে বাজেটই ছিল ১৩০০০ কোটি টাকা, সেখানে ২০০০০ কোটি টাকা লুটপাট হয় কী করে?"
সাবেক প্রধানমন্ত্রী বর্তমান প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে বলেন,'' আল্লাহর ঘর মক্কা থেকে এসে এভাবে মিথ্যাচার করা ঠিক নয়।''
খালেদা জিয়া দাবি করেন, তার পাঁচ বছরের আমলে জাতীয় গ্রিডে ১২৮০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সংযোগ হয়েছে। এছাড়া সিদ্ধিরগঞ্জ, বাখরাবাদ ও বড় পুকুরিয়ায় বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে।"
পাল্টা অভিযোগ করে তিনি বলেন, একই সঙ্গে ১৯৯৬-২০০১ সালে আওয়ামী লীগের শাসনামলে সরকারিভাবে কোনো নতুন বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন হয়নি।
তিনি বলেন, ''ওই সময়ে বেসরকারি খাতে আপনারা বিদ্যুৎ স্থাপনা করেছিলেন। তা থেকে পিডিবিকে চড়া দামে বিদ্যুত কিনতে হতো। সেজন্য এখনো পিডিবিকে ৫০০ কোটি টাকা লোকসান গুনতে হচ্ছে।''
টিপাই নদীমুখে ভারতের অংশে বাঁধ নির্মাণ ও তালপট্টি অধিকারের বিষয়ে বাংলাদেশ সরকারকে ভারতের কাছে আনুষ্ঠানিক প্রতিবাদ জানানোর দাবি করে খালেদা জিয়া বলেন,'' টিপাইমুখে বাঁধ দিয়ে ভারত আরেকটি ফারাক্কা তৈরি করার ষড়যন্ত্র করছে। তালপট্টি আমাদের, তা ছাড়া যাবে না।''
পিলখানার ঘটনা তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশে বিলম্বের সমালোচনাও করেন তিনি। খালেদা জিয়া বলেন, ''আসল হত্যাকারীদের আড়াল করতে তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশে দেরি করা হচ্ছে। আমাদের সীমান্ত আজ ফাঁকা হয়ে আছে। দেশের সশস্ত্র বাহিনীকে দুর্বল করতে পিলখানার ঘটনা ঘটানো হয়েছে।''
শ্রমিকদের কল্যাণে তার সরকারের আমলে নানা কর্মসূচি গ্রহণের বর্ণনা দেন তিনি। শ্রমিকদের জন্য ৯৫০-১৬৬২ টাকা ন্যুনতম মজুরী নির্ধারণ, শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন গঠন, পরিবহন শ্রমিকদের জন্য কল্যাণ তহবিল গঠন, মালিক-শ্রমিক-সরকার ত্রিপক্ষীয় ব্যবস্থা চালু , দক্ষ জনশক্তি সৃষ্টির জন্য ঋন প্রদান প্রভৃতি কার্যক্রমের কথা তুলে ধরেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী।
খালেদা জিয়া দাবি করেন, তার সরকারের আমলে বেসরকারিখাতে অনেক নতুন শিল্প কল-কারখানা স্থাপন হওয়ায় ব্যাপক কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছিল। আদমজী মিল নিয়ে আওয়ামী লীগের এই অভিযোগ খন্ডন করে তিনি বলেন, ''আদমজী আমরা বন্ধ করিনি। সেখানে সব শ্রমিকদের দেনা-পাওনা মিটিয়ে দিয়ে ইপিজেড স্থাপন করা হয়েছে। যাতে আরও বেশি লোকের কর্মসংস্থান হয়।''
বিএনপি চেয়ারপারসন বর্তমান সরকারের গত চার মাসে শিক্ষাঙ্গনে 'নৈরাজ্যের' চিত্র তুলে ধরে বলেন, একে একে বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিকেল কলেজ বন্ধ হয়েছে। শিক্ষাকদের উপর হামলা হয়েছে। এই কি ডিজিটাল বাংলাদেশের স্বপ্ন? এই কি দিন বদলের পালা ? এই চার মাসে বিএনপির একশ'র মতো নেতা-কর্মীকে হত্যা করা হয়েছে। আহত হয়েছে ৩০ হাজার। অসংখ্য মানুষ ঘরবাড়ি ছাড়া।
খালেদা জিয়া ঢাকা সেনানিবাসে তার বাসা থেকে উচ্ছেদের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, ''বর্তমান সরকারের আন্দোলনের 'ফসল' জরুরি সরকার আমাকে দেশের বাইরে পাঠিয়ে দিতে চেয়েছিল। আজ এ সরকারও আমাকে শুধু বাড়ি থেকে নয় রাজনীতি থেকে উচ্ছেদ করতে চায়। আমি জনগণের সঙ্গে আছি, থাকব। কেউ আমাকে তাদের কাছে থেকে সরিয়ে নিতে পারবে না।''
পবিত্র কোরআন পাঠের মধ্য দিয়ে জনসভা শুরু হয় বিকেল তিনটার কিছু সময় পর। বিকেল সোয়া চারটার দিকে খালেদা জিয়া মঞ্চে এসে পৌঁছান। মঞ্চে উঠে তুমুল করতালির মধ্যে তিনি দুই হাত নেড়ে উপস্থিত নেতা-কর্মীদের অভিনন্দনের জবাব দেন।
রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা থেকে শ্রমিক দলসহ বিএনপি ও তার সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মী-সমর্থকরা ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র মিছিল নিয়ে দুপুরে একটা থেকে পল্টনে আসতে শুরু করেন। মিছিলকারীরা রঙিন ব্যানার, খালি কলসি ও হারিকেন নিয়ে আসেন। ব্যান্ড সঙ্গীতের দলও ছিলো মিছিলের সঙ্গে। পল্টন ময়দানে ঢোকার পথে নিরাপত্তা বাহিনী সদস্যরা নেতা-কর্মীদের দেহ তল্লাশি করেন। খালেদা জিয়া বক্তব্য দেওয়ার আগেই পল্টন ময়দান কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে যায়। রাজউক এভিনিউ, জিরো পয়েন্ট, মুক্তাঙ্গন, বায়তুল মোকাররম দক্ষিণ গেইটসহ পুরো এলাকায় নেতা-কর্মীরা দাঁড়িয়ে তাদের নেত্রীর বক্তব্য শোনে।
শ্রমিক দলের সমাবেশ উপলক্ষে পল্টন ময়দানসহ তার আশ-পাশের এলাকায় পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়। দুই স্তর বিশিষ্ট এ নিরাপত্তা ব্যবস্থায় বিশেষ অস্ত্রসজ্জিত 'সোয়াত' সদস্যরা মঞ্চ ঘিরে রাখেন। আশপাশে ছিলেন র্যাব সদস্যরা।
বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়াম ও মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী হকি স্টেডিয়ামের ওপর পুলিশ সদস্যরা অবস্থান নেন। পাশের শিল্প ভবন ও রাজউক ভবনের ছাদেও ছিল নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা।
ময়দানের আশপাশে বসানো হয় ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরা।
বিএনপির সহযোগী শ্রমিক সংগঠন শ্রমিক দলের এ সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি নজরুল ইসলাম খান। সমাবেশ পরিচালনা করেন সংগঠনের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসাইন।
জনসভার মঞ্চে শ্রমিক দলের নেতৃবৃন্দ ছাড়াও বিএনপির শীর্ষস্থানীয় নেতারা ছিলেন।
মঞ্চের পেছনের ব্যানারে লেখা ছিল- '১৯৭৯ থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত অব্যাহত সংগ্রামের তিন দশক'। ব্যানারে প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং খালেদা জিয়ার ছবি।
এর আগে বক্তব্য রাখেন বিএনপির মহাসচিব খোন্দকার দেলোয়ার হোসেন, স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মওদুদ আহমদ, সহ-সভাপতি তরিকুল ইসলাম, এম কে আনোয়ার, বিএনপি চেয়ারপারসন উপদেষ্টা আ স ম হান্নান শাহ, সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী, যুগ্ম মহাসচিব আবদুল্লাহ আল নোমান, মির্জা আব্বাস, সেলিমা রহমান, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ঢাকা সিটি মেয়র সাদেক হোসেন খোকা, সাংসদ বরকত উল্লাহ বুলু, মজিবর রহমান সারওয়ার, আমান উল্লাহ আমান, হামিদুল্লাহ খান, সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, শ্রমিক নেতা আবুল কাশেম চৌধুরী, নুরুল ইসলাম খান নাসিম, ছাত্র দলের সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, শফিউল বারী বাবুসহ সহযোগী সংগঠনের নেতারা।
মূল মঞ্চের সাবেক স্পিকার ব্যারিস্টার জমিরউদ্দিন সরকার, আলতাফ হোসেন চৌধুরী, ফজলুর রহমান পটল, নাজিমউদ্দিন আলম, খায়রুল কবির খোকন, সিরাজুল ইসলাম সেলিম, আবদুস সালামসহ দলের বর্তমান ও সাবেক সাংসদ, কেন্দ্রীয় নেতা, ঢাকা মহানগরীর বিভিন্ন ওয়ার্ডের কমিশনারসহ অঙ্গসংগঠনের নেতারাও ছিলেন।
সংসদ নির্বাচনের পর এই প্রথম রাজধানীর কোনো জনসভায় বক্তব্য রাখলেন খালেদা জিয়া। গত ২৭ ডিসেম্বর নির্বাচনী প্রচারণার শেষ দিনে পল্টন ময়দানে তিনি বক্তব্য রাখেন।

গদি গদি গদি!!! হায়রে লোভ! আহমদিনেযাদ হইতে পয়শা লাগেনা।
গদি গদি গদি!!! হায়রে লোভ! আহমদিনেযাদ হইতে পয়শা লাগেনা।
মতিন সাহেবের কিছু প্রশ্নে আমার কিছু কথা
I hate jamat as a political party using Islam.
জামাত, ইসলাম নিয়ে রাজনীতি করা একমাত্র পার্টি নয়। ইসলাম কে রাজনীতিতে ব্যবহারের নানান তরিকা আছে, যেমন, ইসলামি মুল্যবোধের জিকির তোলা, মাথায় হিজাব পড়ে ভোট চাওয়া কিনবা খেলাফতের সাথে চুক্তি করা। তবে,পার্থক্যটা অন্যখানে। জামাত আনেক কাঠি সরেস, দেশে তারা শরিয়া আইলের নামে ইসলামি হুকুমাত কায়েম করতে চায়, যার কোন সুনির্দিস্ট অবয়ব নাই। মোটা দাগে, কেবল কোরান আমাদের সংবিধান বলা ছাড়া। এর পুরিনিতি কি তার প্রমান তালেবান রাস্ত্রসমুহ।
True speaking, I don't know too much about Jamat, most probably I will study what was/is the policy of Jamat. why the recent generation still do jamat politics.
তাই জামাতকে জানতে হবে, বুঝতে হবে। এরপর ঘৃণার প্রশ্ন আসবে।
But Mr Voter, you must know, I don't believe on secularism concept. As far I came to know secularism is not acceptable in any religion.
কথাটা অর্ধ সত্য। কারন সেকুলার রাস্ট্র কন্সেপ্টা এসেছিল ধর্ম থেকে রাস্ত্রকে পৃথক করার জন্যই। তাই সব ধর্ম নয়, তাদের ধর্মিয় নেতারা, এই ক্ষমতাহরনকে মেনে নিতে পারেনাই। সেকুলার রাস্ট্র কমুনিস্টদের মত, ব্যক্তি জীবনে, ধর্মাপালনকে কোন্মতেই আস্বিকার ত করেই না, বরং মেজরিটির ধর্মের থেকে শুরু করে মাইনোরিটির, সবার ধর্মপালনকে নিশ্চিত করে। ১৯৭২ সালের সংবিধানের আলোকে এমন কোন আইন হয়নাই যা কোন ধার্মিক্কে ব্যক্তি জীবনে ধর্ম পালনে বাধা দিয়েছে। কেবল রাস্ট্র যন্ত্রকে সকল ধর্মের উর্ধে থেকে সার্বজনিন আইনে পরিচালনার নাম সেকুলারিজম। আমাদের দেশ ১৯৭৪ সালেই, ও আই সিতে যোগ দিয়েছিল।
Concerning to MIX with dirty Jamat, still I don't know why BNP mix with Jamat. Most probably, my understanding, if BNP give up Jamat, BAL will accept them, then it will be difficult for BNP to power.
বহুল প্রচলিত একটা ধারনা। জামাতি মিথ। এবারের নির্বাচনের ফলালফল, আঃলীগের কট্ট্র জামাত বিরোধি অবস্থানের আলোকে, ব্যপারটা আর ধোপে টিকছেনা । জামাতের সাথে না থাকলে মানুষ বি এন পিকে আর বেশি ভোট দিবে ভবিষতে। কেবল বিএনপির নেতাদের সেই বিশ্বাস নাই।
If BAL give up their secularism ideas and then I can accept their Bengali Nationality.
এদেশের মানুষের ধর্মিয় পরিচয়ের উর্ধে থেকে নৃ্তাত্তিক জাতিয়তাবাদের নাম বাঙ্গালি জাতিয়তাবাদ। নাগরিকত্ব বাংলাদেশ নামক দেশে বসবাসের কারনে বাংলাদেশী। নৃ্তাত্তিক পরিচয়কে পাশ কাটিয়ে ভোগলিক এবং ধর্মিয় পরিচয়কে মুখ্য ধরে নেয়া, বাংলাদেশি জাতিয়তাবাদের মূল আদর্শ। এধারার ভাবনাতে, আমারা যে কারনে ভৌগলিক আর ধর্মিয় কারনে একবার “পাকিস্তানি” হয়েছিলাম, সে যুক্তিতেই নতুন করে বাংলাদেশি। লক্ষ্যনীয়, এ ধারার বিশ্বাসিরা সেকারনেই, জিন্নাহ্রর দ্বিজাতি তত্বে এখনো বিস্বাস করেন। ১৯৫১ সাল থেকে জিন্নাহর দ্বিজাতি তত্বের এন্টি থিসিস হিসাবে নৃ্তাত্তিক জাতিয়তার পরিচয়টিকে মুখ্য করে উজ্জিবিত হয়েছিলাম বলেই যে পাকিস্তানি জাতিয়তাবাদের হাত থেকে মুক্তি পেয়েছিলাম ১৯৭১ সালে। তাই স্বাধিনটা অর্জনের চার বছেরের মাথায় জাতিয়তাবাদ পরিবর্তনের কারনটি আমার কাছে বোধগম্য হয় নাই। কেবল, সুশাসন আর গনতন্ত্র ফিরে পাবার জন্যই যদি ১৯৭৫ সালের পট পরিবতনের কারন হয়ে থাকে, তার জন্য নতুন জাতীয়তাবাদ প্রবর্তনের প্রয়োজনটা এখনো একসুত্রে গাথতে পারিনা।
খালেদার লোভের শেষ নাই।
খালেদার লোভের শেষ নাই।
খালেদা দেশের বিভিন্ন সমস্যায় জোর না দিয়ে তার ব্যাক্তিগত সমস্যার কথা বলে, গদির কথা বলে হয়রে গদির লোভ।
Right on, farmer
Bangladesh is not rich enough to promotote its Islamic base nationalism.
If the nationalism does not make money, it is not the right prescription.
Money talks and bull shit walks, goes the saying!
Robin
Carmel, California
matin's issue based argues for voter
Matin wrote that he hates Jamat, it is an issue based argue.
He explains the word DADA, it is an issue based argue.
If BAL gives up secularism, matin will accept Bengali Nationalism, it is an issue based argue.
So, matin sb., this is what you call issue based argue and advising voter?
Bengali Nationalism started taking shape from 1952 and culminated in 1971, you know who are those Bengalis. You learnt nationalism from Khaleda (not paid tax being PM), Tareq, Koko; of course you have reasons & issues.
Write more, keyboard does not care for what shit you are typing!
Mr voter,please argue with issue based
I hate jamat as a political party using Islam, and also the word dada.
Dada is not a good word any more, Opponent of BAL, always use this ugly word to the supporters of AL, which then makes them crazy.
At the same time, I don't like BAL activities over Indian issues, It seems they behave like an Indian (not Bangladeshi), and I came to know AL does not believe Bangladeshi Nationalism and current constitution, AL like to implement the constitution of 1972 by force which omitted believes on Allah and put the another ugly word secularism.
Now, the real battle started here between BAL & BNP. Thats why BNP use the word DADA to remind BAL that you are not Bangladeshi, you are something like secular India. In a way, DADA carry a meaning, but to use repeatedly loose the spirit of the meaning of DADA. I hope, after reading my comments, BNP minded people should not use the word DADA more often, it hurts AL.
On the other hand, BAL has noting to attack BNP except some allegations (not proof) concerning corruption and misuse of power and to MIX with dirty Jamat.
Corruption and misuse of power in actually is a common problem in everywhere, so its not an issue based on ideological pattern. Need some treatment.
Concerning to MIX with dirty Jamat, still I don't know why BNP mix with Jamat. Most probably, my understanding, if BNP give up Jamat, BAL will accept them, then it will be difficult for BNP to power.
The bitter true, few people still voted to Jamat, so power hungry BNP & BAL need Jamat.
True speaking, I don't know too much about Jamat, most probably I will study what was/is the policy of Jamat. why the recent generation still do jamat politics.
But Mr Voter, you must know, I don't believe on secularism concept. As far I came to know secularism is not acceptable in any religion.
So, I have no option to give up BAL secularism ideas, instead to accept the Bangladeshi Nationalism and Islamic values.
If BAL give up their secularism ideas and then I can accept their Bengali Nationality. So my understanding, AL will not survive in near future in Bangladesh with secular ideas in Muslim populated Bangladesh.
If they want, then they can do that, by force and by foreign soldiers. In recent phenomena, those ideas are coming in front of us.
I'll not accept any foreign solider in my land, by any terminology either by jongi issue or bilateral task forces.
hope, you got the point. please argue with issue based, forget bo08's mal-functionality.
খালেদা জামায়াতে যোগ দিতে ইচ্ছুক
খালেদা জামায়াতে যোগ দিতে ইচ্ছুক, তাই নিজের দলের কোন রাজনৈতিক ইসু খুজে না পেয়ে নীজামীর সাথে তাল মেলাচ্ছে বলছে দেশে জঙ্গী নাই। কিন্ত জামায়াতে গেলে তো আর এত বড় পদ পাবে না,কারন জামায়াতে মহিলাদের নেতা নয় শুধু কর্মী হওয়া সম্ভব।
mr. matin
i agree with you and i totally understood . but can give this advice to roshi chira paghol bd08 ? he is the one who drives us crazy .if our postings goes against bnp
or jamat he start to call dada , raw agent , awami vritho etc. etc .
Usually people like to talk on issue based, Mr h.
Usually people like to talk on issue based, Mr h.
you are going to spread the hated over your opponents.
give up those BAL characteristics, and think for how to play a game against other nation such as India.
If I am become chief of BD, I will give you an award to put you in front of BSF as your high patriotism for Bangladesh. Why? Because BSF always targeted the Bangladeshi people to kill by using any type of silly matter. We need more patriotic people to fight against BSF like you. Please get up and be ready.
আপনারা দেখুন..........
সবাই ভাল থাকুন,
সুস্হ থাকুন,
সুন্দর থাকুন-
-হৃদয়
ক্ষমতা হারাইয়া খালেদার মাথা আউলাইয়া গেছেগা
ক্ষমতা হারাইয়া খালেদার মাথা আউলাইয়া গেছেগা তাই আজে-বাজে বকছে। দেশে জঙ্গী নাই , তাহলে ওরা কি? খালেদার পোলাপাইন!
Wow bd21! a brilliant posting!
Excellent!!!
সবাই ভাল থাকুন,
সুস্হ থাকুন,
সুন্দর থাকুন-
-হৃদয়
Bangladesh21 nice presentation...but partial
Bangladesh21, nice presentation, but partial, you should mention other two sons, who were rapist, died, but the witnesses will never forget. Thanks.
বাংলাদেশ২১
২১ দাদা,
এগুলো কি আওয়ামী লীগের অভিযোগ? আওয়ামী লীগের কি কোন নেতা করেছে? নাকি জেনারেল মঈনের স্বপ্নে আদিষ্ট হলি বুক থেকে নেওয়া ... এটা যদি কোন আওয়ামী লীগ নেতার অভিযোগ হতো তবে একটা কথা ছিলো, আর তা যদি না হয় তবে দাদা আপনে আরেকটি গরু পাঠিয়ে দেবো, আপনার গরু ভক্তি হিন্দুদেরকেও হার মানিয়েছে ...
দাদা, জয় মা কালি। জয় আলু বোখরা।
Save Bangladesh: No more farakka
গদি আসে গদি যায়--
সেঃ আপনার নামটা একটু বলুন প্লিজ।
খাঃ আমার নাম খালেদা, সবার থেকে আলাদা।
সেঃ সবার থেকে আলাদা কিভাবে বলবেন কি?
খাঃ আমি তিন বার প্রধানমন্ত্রী, তিনটি জন্ম তারিখ, তিনটি বিবাহ।
সেঃ ভাল ভাল খুব ভাল,আপনার শিক্ষাগত যোগ্যতা ?
খাঃ ম্যাট্রিক ফেল, ইণ্টারমিডিয়েট সার্টিফিকেট একটা আছে, বি এ তিণটা।
সেঃ বি এ তিনটা একটু বিস্তারিত বলবেন কি?
খাঃ আরে ভাই সেই বি এ না বিবাহ, বিবাহ জিয়ার সাথে,জুনজিয়ার সাথে আর সর্বেশেষ টা বলতে একটূ লজ্জা লজ্জা লাগে, ছেলের বয়সী তো।
সেঃ ওকে ওকে বুঝেছি।আপনার স্বামি সন্তানদের কথা বলুন।
খাঃ আমার স্বামির ক্ষমতার নেশা ছিল,রক্তের নেশা ছিল কিন্তু--
সেঃ কিন্তু কি বলুন বলুন--
খাঃ ছেলে দূটো দুই রকম বড়টা টাকা আর নারীর নেশা (এই ধরুন পূর্নিমা,কেয়া) ছোটটা নিজেই একটা নেশা ।হেন কোন নেশা নেই যা ওর পদধুলিতে ধন্য না হয়েছে।
সেঃ মা হিসাবে আপনি কি ওদের বখে যাওয়ার দায়িত্ব এড়াতে পারেন?
খাঃ এড়াতে গিয়েই তো সব ঝামেলা হয়েছে।আমি আমার প্রিয় খাদ্য ফালুদা এবং গদি নিয়ে এতই ব্যস্ত ছিলাম যে ওরা একটু দূরে থাকলে ভালোই লাগত।
সেঃ আপনাকে আজ একটি গদি দিলাম। আর ফালূদাতো দিতে পারবনা।
কারণ সে আপমার একান্ত।
খাঃ ধন্যবাদ আপনাকে। গুন গুনিয়ে গান গদি আসে গদি যায়।ফালু আসে ভালোবাসে সকাল-সন্ধ্যায়।
জঙ্গী শুধু খালেদার শাড়ির আঁচলে বাঁধা নয়
জঙ্গী শুধু খালেদার শাড়ির আঁচলে বাঁধা নয় জঙ্গী নীজামীর পান্জাবীর পকেটেও আছে।
জঙ্গীদের লালনকারীরাই চলমান জঙ্গীবাদী তৎপরতাকে আড়াল করতে চান...।
জঙ্গীবাদ আজ সারা বিশ্বের একটি চলমান সমস্যা। বিগত বিশ্বব্যাবস্থার দুই মেরু কেন্দ্রীকতাকে একমেরুতে রুপান্তরিত করতে বর্তমান একমেরু কেন্দ্রীক ব্যাবস্থাপকদের প্রতক্ষ্য মদদ,অর্থায়ন ও প্রশিক্ষনের মধ্যমে জঙ্গীবাদ বর্তমান অবস্থায় উপনীত হয়েছে। বিশ্বের দেশে দেশে কোন প্রকার আদর্শিক বা মতবাদের নৈকট্য ছাড়াই শুধুমাত্র সাময়িক ও উপস্থিত হীন সার্থে যারা এই ফ্রঙ্কেনষ্টাইন রুপী কালসাপদের লালন পালন করেছে,কালক্রমে তারাই এই কাল সাপের ছোবলের প্রধান ও অন্যতন শিকার হচ্ছেন ।
চলমান বিশ্বের এই গুরুতর সমস্যা থেকে বাংলাদেশও মুক্ত নয়। সারা দেশে পবিত্র ধর্মীয় শিক্ষালয়কে দুর্গ বানিয়ে বিপুল পরিমান ভয়ানক অস্ত্রসস্ত্র মজুদ ও জঙ্গী প্রশিক্ষন চলছে এবং আইন প্রয়োগকারীদের তৎপরতায় তার সামান্যই ধরা পড়ছে। গ্রেফতার থাকা অবস্থায় পুলিশের সামনেই গ্রেনেড ফাটানো হচ্ছে। সরকার বিরোধীতার সদ্যবরনে প্রকাশ্যে অপ্রকাশ্যে ধর্মীয় উন্মাদনার প্রকাশনা ও বিতরন অব্যহত গতীতে চলছে।
এই বাস্তবতাকে সামনে রেখেও যারা জঙ্গী নাই জঙ্গী নাই বলে নিজেদের সাথে নিজেরাই ছলনায় অবতীর্ন হচ্ছেন,তারাই প্রকৃত অর্থে জঙ্গীবাদের আশ্রয় ও প্রশ্রয়দাতা।
জঙ্গীবাদের মুল আদর্শ তথা লক্ষ্য হলো তালেবান ষ্টাইলের শাসন প্রতিষ্ঠা। যেখানে কর্মক্ষেত্র ও শিক্ষাক্ষেত্র
থেকে মেয়েরা বিতাড়িত হবেন। বন্ধ হবে রেডিও,টেলিভিশন,প্রেক্ষাগৃহ,নাট্যালয় সহ সর্ব প্রকার সাংস্কৃতিক কার্যক্রম। বন্ধ হবে আধুনিক ব্যাংকিং সহ সকল সুদ সংশ্লিষ্ট আর্থিক ও ব্যাবসায়িক প্রতিষ্ঠান সহ প্রধানত নারী শ্রমিক ভিত্তিক গার্মেন্টস শিল্প।
বর্তমান আধুনিক এই যুগেও মধ্যযুগীয় এই রাষ্ট্রব্যাবস্থার ধারক বাহক এই জঙ্গীদের সাথে এদের মদতদানকারী তথা লালন পালন কারীদের কোন আদর্শিক নৈকট্য নেই। শুধুমাত্র সাময়িক হীন সার্থ হাসিলেই এরা জঙ্গীবাদকে আচলের তলায় নিচ্ছেন।
ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়,
জঙ্গীবাদী ফ্রাংকেনষ্টাইনের হাতেই
তাদের লালনকারীরা বধ হন।
সুতারাং.........
সাধু সাবধান, সাধু সাবধান এবং সাধু সাবধান।
হাসান ইমাম খান,
সুইজারল্যান্ড।
জঙ্গী খালেদার শাড়ির আঁচলে বাঁধা
জঙ্গী খালেদার শাড়ির আঁচলে বাঁধা, যখন প্রয়োজন ছেড়ে দেয়। জঙ্গীরাই খালেদার দেহরক্ষী, খালেদার সরকারী দেহরক্ষীর দরকার হওয়ার কথা নয়।
খালেদা তার বক্তব্যে জঙ্গীদের প্রশ্রয় দিচ্ছে
খালেদা তার বক্তব্যে জঙ্গীদের প্রশ্রয় দিচ্ছে, এভাবে প্রশ্রয় দিলে জঙ্গীরা আরো হিংস্র হয়ে উঠবে,আর বাংলাদেশ আফগানিস্তান হতে সময় লাগবে না। পাকিস্তানও প্রায় ধংসের শেষ পর্যায়ে তাই পাকি দালালরা তাদের মতোই বাংলাদেশকেও ধংসে ব্যাস্ত।
আইন শৃংখলার বেহাল অবস্থা ...ব্যর্থ সাহারা চাকুরী হারাচ্ছেন,
মালিবাগে বৃষ্টির মধ্যে গুলিতে অজ্ঞাত প্রবীণ খুন
ঢাকা এপ্রিল ০২ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম) - রাজধানীর মালিবাগে রোববার বিকালে বৃষ্টির সময় প্রায় ৫০ বছর বয়সের অজ্ঞাত এক ব্যক্তি খুন হয়েছেন।
মতিঝিল থানার উপ পরিদর্শক ইদ্রিশ আলি বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে জানান, মালিবাগ শাহী মসজিদ সংলগ্ন মাজার গলিতে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় এক বাসিন্দার বরাত দিয়ে ইদ্রিশ আলি জানান, বিকাল পৌনে ৪টার দিকে বৃষ্টি হওয়ার সময় কয়েক রাউন্ড গুলির শব্দ শুনতে পায় স্থানীয় লোকজন। পরে তারা এক ব্যক্তিকে পড়ে থাকতে দেখে।।।...
পুলিশ এ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে গুলিবিদ্ধ লাশটি উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে নিয়ে যায়।
সন্ধ্যা পর্যন্ত নিহত ব্যক্তির কোন পরিচয় পায়নি পুলিশ।
পিলখানা ঘটনার হত্যাযজ্ঞের সহযোগী সাহারা খাতুনের গ্রেফতার ও ফাসি চাই।
Save Bangladesh: No more farakka
সময় থাকতে গদি ছাড়িয়া দিন...........
সময় থাকতে গদি ছাড়িয়া দিন, আমাকে আবার লুটে পুটে খাইতে দিন.............
সবাই ভাল থাকুন,
সুস্হ থাকুন,
সুন্দর থাকুন-
-হৃদয়
জঙ্গী নাই, এই কথা ল্যাংটা পোলাপাইন'দের বললেও বিশ্বাস করবে না।
বাংলাদেশে জঙ্গী নাই, এই কথা ল্যাংটা পোলাপাইন'দের বললেও বিশ্বাস করবে না।
কি মজা আবার নির্বাচন!!
হ্যা আসুন, আমরা নির্বাচন খেলায় মেতে উঠি...তিন মাস পার হয়ে গেছে...আর কেন??...আবার ভোটার লিস্ট...আবার রাজপথ... money is not a problem...আবার আপ্নারা না পারলে?...আবার নির্বাচন...এইতো কাজ...জনগনতো অলস বসেই আছে!!...শুধু হুংকারের অপেক্ষা...গদির স্বপ্নে বিভোর!!... দেশবাসীর দুই নেত্রীর প্রলাপ/আব্দার শুনা ছাড়া কোন উপায় নেই...হায়রে অভাগা জাতি!!!!!
টিপাইমুখে আরেকটি ফারাক্কা বাঁধ ও আওয়ামী ভারতীয় প্রেম ...
৪.খালেদা জিয়া টিপাইমুখে বাঁধের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে বলেন, আরেকটি ফারাক্কা বাঁধ দেয়ার চক্রান্ত চলছে। তাদের দেশের সচিব আমাদের দেশে এসে বলেছে, তালপট্টি নিয়ে আমরা জাতিসংঘে যাবো। বাংলাদেশ যেন নীরব থাকে। আমি বলে দিতে চাই তালপট্টি আমাদের থাকবে, নীরব থাকা যাবে না।
Save Bangladesh: No more farakka
friend idi bd 08, is the looter smelling money?
idi bd 08, what are your rasonings of believing that any word of KZ carries any meaning about Tipaimukh barrage? Does she understand any better than you about the bad affects Tipaimukh? Is she talking about any step or measure to stop the construction of the barrage, or she is making an issue against Hasina? Do you want to talk about those old shit over and over again, about the looter and the talkative, or you want to do something about Tipaimukh barrage? Let me know which one you want to do.
Come out as a responsible citizen, do not put idiots KZ or SH in the front and hide behind them; use your education and knowledge, friend idi bd 08.
খালেদাকে সাধুবাদ জানাই
যে প্রশ্নগুলো ও ক্ষোভ এ দেশের জনগনের মাঝে ঘুরপাক খাচ্ছে কিন্তু যা জনসমক্ষে আনার কেউ নেই, তা আলী বাবা ৪০ চোরের রানীর মুখ দিয়ে নির্গত হলেও সাধুবাদ জানাই। কারন এই মুহুর্তে এই বিষয়গুলো জনসমক্ষে ও সংবাদপত্রে আসা অত্যন্ত জরুরী। কার মুখ দিয়ে বের হচ্ছে তা জরুরী নয়। নিম্নোক্ত ইস্যুগুলো হাসিনা সরকারের দেশবিরোধী ভয়াবহ ষঢ়যন্ত্রের ইঙ্গিত বহন করে।
১.বেগম খালেদা জিয়া বলেন, প্রধানমন্ত্রী সেদিন সকালে পিলখানার ঘটনা শোনার পর সেখানে সেনাবাহিনী পাঠালে এতগুলো জীবন দিতে হতো না। যখনই শুনতো আর্মি এসে গেছে তখনই সমস্ত বিদ্রোহ ঠাণ্ডা হয়ে যেতো। যখন অফিসাররা মারা যাচ্ছে তখন তারা চা খান বিদ্রোহীদের সঙ্গে এ কেমন প্রধানমন্ত্রী? তিনি কীভাবে দেশ রক্ষা করবেন?
২. সরকারি দলের খবরদারিতে মাঠ প্রশাসন অতিষ্ঠ। তাদের ক্যাডারদের অত্যাচারে শতাধিক ইউএনও চিঠি দিয়েছে। নারায়ণগঞ্জে সন্ত্রাস ছড়িয়ে পড়েছে। তিনি বলেন, তাদের জোটের শরিক রাশেদ খান মেনন বলেছেন, দিন বদল মানে টেন্ডারবাজি আর হল দখল নয়। তাদের জোটের লোকেরাও মুখ খুলতে শুরু করেছে। তিনি প্রশ্ন রেখে বলেন, ১০ টাকা কেজি চাল পান? বিনা মূল্যে সার কৃষক পায়? ঘরে ঘরে চাকরি দেয়া হয়েছে- এ সময় সমাবেশ থেকে সমস্বরে জবাব আসে না-না-না।
৩.বাংলাদেশে কোন জঙ্গি নেই। ‘জরুরি সরকারের’ সময় তাদের ফাঁসি হয়েছে। জঙ্গি জঙ্গি করে বিদেশী বিনিয়োগ বন্ধ করা হচ্ছে। বিদেশী সৈন্য আনার পরিকল্পনা করা হচ্ছে।
৪.খালেদা জিয়া টিপাইমুখে বাঁধের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে বলেন, আরেকটি ফারাক্কা বাঁধ দেয়ার চক্রান্ত চলছে। তাদের দেশের সচিব আমাদের দেশে এসে বলেছে, তালপট্টি নিয়ে আমরা জাতিসংঘে যাবো। বাংলাদেশ যেন নীরব থাকে। আমি বলে দিতে চাই তালপট্টি আমাদের থাকবে, নীরব থাকা যাবে না।
লগি বৈঠার নেতৃ্ত্বদানকারী নেত্রীর আলীবাবা ৪০ চোরের( খালেদা এন্ড গং) সীমাহীন লুটপাঠের বিরুদ্ধে আন্দোলনের ফসল ছিল দুই বছরের এক অবিস্মরনীয় সরকার যার কৃতি্ত্বের কথা নতুন করে বলার কিছু নেই। এবার জনগনের প্রয়োজন আলী বাবা ৪০ চোরের রানীকে যিনি, বাংলাদেশের শষস্ত্রবাহিনীকে ধংশের মাধ্যমে দেশকে আরেক দেশের অঙ্গরজ্যে পরিনত করতে বধ্যপরিকর মুখ্যমন্ত্রী হাসিনাকে দেশদ্রোহির কাঠগড়ায় দার করাতে সেনাবাহিনীকে আরেকবার ক্ষমতায় বসানোর সুযোগ করে দেবে।
reponsibility of opposition party
a strong and constructive opposition party keeps the government on the run .
without an opposition party makes the government less functional . it is good for the government and the country if the opposition party keeps politcal ground and parliament active . we want bnp on the street against pain and sufferings ( market price of dailly comodities , gas , running water , electricity etc. etc. ) of daily life , at the same time madam khaleda and her members will go to parliament to fight on national interest . i think that's the reponsibility of the opposition .
If talkative gives up, you cannot sit, you have an injured as_.
Looks like some percentage of the population already losing patience, and the AL looks nervous. Hypothetically, if something happens sometime and the talkative has to leave, can the looter take it over? There will no chance for the looter, she cannot sit there, military's kicks are still visible.
ম্যাডাম আপনার দিন শেষ!
ম্যাডাম আপনার দিন শেষ! আপনি সময় থাকতে তারেক এর কাছে চলে যান, বাকী জীবনটা আরামেই কাটাইতে পারবেন পয়শা ভালই কামাইছেন।কিছুদিন 'মজমা' ভালোই জমাইছিলেন, ছাগলের হুংকারের দিন শেষ।
খখ দাদা,
খখ দাদা,
মর্ধ্যবর্তী নির্বাচনের জন্য প্রস্তুতি নিন ...আর পিলখানার ঘটনায় জড়িত খুনী হাসিনার ফাসি বাংলার মাটিতে হলে আর্শ্চয হবেন না ...আর্মিদের জাংগিয়ার নীচে মাথা রেখে তাদের লিংকন উপাধী দিয়েও এবার আওয়ামী লীগের রক্ষা নেই। খুনী হাসিনার আওয়ামী লীগ হলো দেশবিরুদ্ধী শক্তি ...হ্যা শুনুন ...এবার ভারতে পালিয়ে কোন নেই, ভারতীয় কোন পতিতাও আওয়ামি খুনীদের সেবা দিবে না ...
Save Bangladesh: No more farakka
roshi chira pagol bdo8
another election ? for what ? wait untill 2013 . we don't mind if you keep barking .
if you get tired go to under the paticoat of you leader . gain some energy , come back and start barking .
বিপল্প মানে ডান্ডাতন্ত্র।
বিপল্প মানে,বাংলাদেশের গনতন্ত্র ও জনগনের চাওয়া যদি দক্ষ আ'লীগ পূরণ না করতে পারে তবে বাংলাদেশে আর কেউ তা পারবে না। তখন বাংগালীর জন্য প্রয়জন ডান্ডাতন্ত্র।
1/11 and ডান্ডাতন্ত্র theory
ডান্ডাতন্ত্র theory didn't work during CTG's time, and this ain't gonna work in Bangladesh based on the reason that the 1/11 ডান্ডাতন্ত্র was preciously aimed against BNP and its leaders, and finally this ডান্ডাতন্ত্র placed a 'ghush-khor' as the PM of Bangladesh.
Choice remains clear, -- Fascism or moderate-democracy. AND the correct choice shall be made by the people on time.
JACKOB RAIHAN
Jacob wrote, "1/11...against BNP and its leaders". Leader who?
Jacob, you wrote repeatedly that 1/11 was aimed against BNP and it's leaders. Who was a leader in BNP? Cannot you distinguish between thieves, looters and a leader? I have serious doubts about your understandings! Probably, you are a leader too (by misunderstanding).
Please just name ONE PERSON from BNP, you think he/she is a leader.
খালেদা হয়তো ভূলে গেছে
খালেদা হয়তো ভূলে গেছে, খালেদা-নিজামী সরকারের অযোগ্যতা আর নির্যাতনের হাত থেকে রক্ষা পেতে জনগন আ'লীগ কে ভোট দিয়েছে। আগামীতে আ'লীগ কে জন-গন ভোট না দিলেও বিএনপি কে দেবে না এটা নিস্চিত। জনগন বিকল্প কিছু ভাববে।
The Difference (to kabir0202)
আগামীতে আ'লীগ কে জন-গন ভোট না দিলেও বিএনপি কে দেবে না এটা নিস্চিত। জনগন বিকল্প কিছু ভাববে।
Bikolpo ta ki, naki diba shopno!!
There is no meaning of day-dreams, which you are having, seems like.
The people shall make the choice in between the fascist and a moderate democratic (Bangladesh version) party. Choice shall be clear, you can count on it.
Ja bolchilam, diba-shopno dekhte to aar poysha lage na janab.
JACKOB RAIHAN