দাদা বাবুরা শুধু মিথ্যুক, টাউট, ধোকাবাজ, আত্মকেন্দ্রিক, স্বার্থপর, কৃপণ-ই নয় এদের পাশবিক জৈবিক চরিত্রেরও নমুনা দেখুন...
ভারত-পাকিস্তানে ধর্ষণ পরিস্থিতি
ভারতে ধর্ষণ এক ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। বছরে ২০ হাজারের বেশি ধর্ষণের ঘটনা ঘটে সেখানে। নারীদের জন্য সবচেয়ে বিপজ্জনক দেশগুলোর অন্যতম এখন ভারত। ধর্ষিত নারীদের ৫০ শতাংশেরই বয়স ১৮ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে। ধর্ষণের ঘটনার ৯২ শতাংশ ড়্গেত্রেই ধর্ষক ধর্ষিতের পরিচিত। ধর্ষণের নিরিখে দড়্গিণ আফ্রিকা ও যুক্তরাষ্ট্রের পরেই এখন ভারতের স্থান। ২০০৭ সালে মোট ২০ হাজার ৭৩৭টি ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে দেশটির ন্যাশনাল ক্রাইম রেকর্ডস ব্যুরো। নারীদের ওপর যত অপরাধ সংঘটিত হয় তার ১১ শতাংশের সঙ্গেই ধর্ষণ জড়িয়ে আছে। শিশুদের ওপর সংঘটিত অপরাধের প্রতি চারটির একটিই হচ্ছে ধর্ষণ। ধর্ষণ ঘটনার ৬৮ শতাংশ ড়্গেত্রেই পুলিশ ধর্ষকের মুখোশ খুলে ফেলতে পারলেও আদালতে সাজা হয় মাত্র ১৮ শতাংশের। রাজধানী দিলিস্ন এখন বরং ধর্ষণেরই রাজধানী। সবচেয়ে বেশি ধর্ষণের ঘটনা ঘটে এখানেই- বছরে ৫৩০টি। মোটেও বোঝার উপায় নেই কে কখন ধর্ষক হয়ে পৈশাচিক কান্ডে মেতে উঠবে। হতে পারে সে পাশের বাড়ির ছেলেটি, নামি কোনও চিত্রতারকা, শিড়্গক, ডাক্তার, এমনকি ভালবাসার মানুষটিও।
প্রতিদিনই খবরের কাগজের পাতায় ধর্ষণের লোমহর্ষক কাহিনী পড়ে আঁতকে ওঠে ভারতের মানুষ। গত ১২ জুন সুরাটে দ্বাদশ শ্রেণীর এক মেয়েকে চলমান গাড়ির পেছনের সিটে পালাক্রমে ধর্ষণ করে ৩ ধর্ষক। শুধু ধর্ষণেই থেমে থাকেনি তারা, নিজেদের মোবাইল ফোনে নিজেদেরই বিকৃত যৌনাচারের দৃশ্য ধারণ করে মেতে উঠেছে পৈশাচিকতায়। এর ঠিক দুদিন পরেই পত্রিকায় বেরোয় সত্মম্ভিত করা আরেক ঘটনা- চিত্রতারকা শাইনি আহুজা তার প্রায় অর্ধেক বয়সের অষ্টাদশী গৃহপরিচারিকাকে ধর্ষণের দায়ে অভিযুক্ত হন।
১৯ জুন মুম্বাইয়ে ১৯ বছর বয়সের এক কলেজছাত্রীকে তারই এক ছেলে-বন্ধু এবং তার বন্ধুরা দলবেঁধে ধর্ষণ করে। ঐ একই দিন হিমাচল প্রদেশের পালামপুরে ১৯ বছরের এক এনজিওকর্মীক দুই ট্যাক্সি ড্রাইভার ধর্ষণ করে।
২২ জুন ঘটে আরেক নারকীয় ধর্ষণের ঘটনা। দিলিস্নর ইন্দ্রপুরীতে এক বাজিকরের বিরম্নদ্ধে তদনেত্মর নাম করে তার স্ত্রীকে ৬ পুলিশ থানায় এনে ভরদুপুরে ধর্ষণ করে। স্থানকালপাত্র রোজ বদলাতে থাকলেও অপরাধ সেই একই- ধর্ষণ।
কিন' একজন সফল অভিনেতা, টগবগে তরম্নণ, পুলিশ সদস্য, ট্যাক্সি ড্রাইভার, শিড়্গক, ডাক্তার, পুরোহিত কেন ধর্ষক হয়ে ওঠে? যৌন লালসায় তাড়িত হয়েই কি তারা এমন বেপরোয়া হয়ে ওঠে? নাকি এর পেছনে রয়েছে ভয়ানক নারীবিদ্বেষ বা নিজের শৈশবের কোনও যৌননিগ্রহের দুঃসহ স্মৃতি? এসব প্রশ্নের ওপর ভর করেই ‘সচেতন’ নামের দিলিস্নভিত্তিক এক বেসরকারি সংস্থা দিলিস্নর তিহার কারাগারে ধর্ষণের দায়ে পাঁচ বছরের বেশি সময় ধরে জেল খাটছে এমন ২৪২ কারাবন্দির ওপর জরিপ চালিয়ে সিদ্ধানেত্ম পৌঁছেছে যে, যে কেউই ধর্ষক হয়ে উঠতে পারে। ন্যাশনাল ক্রাইম রেকর্ডস ব্যুরোর উপাত্ত অনুযায়ী ৯২ শতাংশ ধর্ষণের ঘটনাই ঘটায় পরিচিতজনরা। বিশ্বসত্মরা। ‘সচেতন’ যাদের ওপর জরিপ চালিয়েছে তারা সবাই একাধিক ধর্ষণ করেছে। ধরা পড়ার আগে পর্যনত্ম গড়ে চারটি। নারীদের প্রতি তাদের প্রচন্ড ঘৃণা। স্বাভাবিকভাবেই তাদের তারা যৌনবাসনা পূরণের উপকরণ মনে করে। যেসব নারীকে তারা লড়্গ্যবস'তে পরিণত করে তাদের নতুন নতুন জায়গায় নিয়ে ধর্ষণ করে যৌনবিকৃতির রোমাঞ্চ অনুভব করে। এদের ৬৮ শতাংশেরই শৈশব ছিল সমস্যায় ভরা।
সাধারণত ধর্ষকদের নিজেদের পারিবারিক জীবনেও থাকে ধর্ষিত হওয়ার ইতিহাস। রিজার্ভ পুলিশের সাবেক কনস্টেবল উমেশ রেড্ডিরও ছিল এমন দগদগে শৈশব স্মৃতি। ২০ জন নারীর বিরম্নদ্ধে তার অপরাধ প্রমাণিত হয়েছে, যার ভেতরে হত্যা ও ধর্ষণও ছিল।
দীর্ঘ ১১ বছরের বিচার প্রক্রিয়ার পর গত ফেব্রম্নয়ারিতে কর্নাটক হাইকোর্ট তাকে মৃত্যুদন্ড দেয়।
দলবেঁধে ধর্ষণ করার সময় ধর্ষকরা নিজেদের খুব ড়্গমতাশালী মনে করে। ২০০৫ সালে দিলিস্নর সেই বাস-ধর্ষণের কথাই ধরা যাক। নাজাফগড়ের কাছে এক বাসডিপোতে পার্ক করে থাকা এক বাসে ১৬ বছরের এক মেয়েকে দলবেঁধে ধর্ষণ করেছিল ৬ ধর্ষক। ধর্ষণের নেতৃত্ব দেয় দুজন। ধর্ষণ করার সময় নির্দয়ভাবে মেয়েটিকে পেটাচ্ছিল তারা। এদের একজন অন্যদের থামতে বললে অন্যরা তাকে ধর্ষণে যোগ দিতে জোর করে বাধ্য করে।
ভারতে ধর্ষণের ঘটনা ক্রমাগত বেড়ে চলার অন্যতম কারণ আইনি জটিলতা এবং পুলিশের নিস্পৃহতা। বেশির ভাগ ড়্গেত্রেই এ কারণে ধর্ষিতা অভিযোগ করতে চায় না। আর অভিযোগ করতে গেলেও পুলিশ অভিযোগ আমলে নিতে চায় না। ধর্ষণকে গণ্য করা হয় আচরণগত অপরাধ হিসাবে। ধর্ষিতার শরীরই এখানে অকুস'ল, তাই তদনত্ম হয়ে পড়ে কঠিন। আইন অনুযায়ী ধর্ষিতাকে নিজে অভিযোগ করতে হয়। যেসব পরিবার অভিযোগ দায়ের করে তাদের পুলিশ ও ডাক্তারকে সামাল দেওয়ার সাহস দেখাতে হয়। বেশির ভাগ ড়্গেত্রেই পুলিশ বিশ্বাস করতে চায় না ধর্ষিতার অভিযোগ।
আর তাই ভারতে ধর্ষণের ঘটনা দিন দিন বেড়েই চলেছে। গত এক বছরে দিলিস্নতে ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে ৫৩০টি, ইন্দোরে ৭৪, জয়পুরে ৬২, মুম্বাইতে ১৭৭, পুনেতে ৬৭ ও ব্যাঙ্গালোরে ৬২টি।
পাকিসত্মান
পাকিসত্মানের পাঞ্জাব প্রদেশের অখ্যাত মিরবালা গ্রাম। সে-গ্রামের পথ ধরে হাঁটছিল শাকুর ও সালমা নামের দুই কিশোর-কিশোরী। এই হাঁটাই কাল হলো তাদের। শাকুরের বিরম্নদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ তুলল স্থানীয় প্রভাবশালী মাতব্বরের দল। পঞ্চায়েতের সালিশে শাকুরকে দোষী সাব্যসত্ম করা হলো। সালমার ড়্গমতাশালী বংশের লোকজন চায় বদলা। ধর্ষণের বদলা ধর্ষণ। জেনার বদলা জেনা। এরই ফল হিসাবে শাকুরের বড় বোন মুখতার মাইকে ধর্ষণ করা হলো। পালাক্রমে ৮/১০ জন ধর্ষণ করে প্রতিশোধ-প্রতিহিংসা চরিতার্থ করল তারা। ঘটনাটা ২০০২ সালের। এই ঘটনা সে সময় বিশ্বজুড়ে আলোচনা-সমালোচনার ঝড় তুলেছিল।
মুখতার মাইয়ের ঘটনা থেকে সহজেই অনুমান করা চলে পাকিসত্মানে নারীর সামাজিক অবস্থান কোন পর্যায়ে রয়েছে। পাকিসত্মান ১৯৭৯ সালে ধর্ষণ বা জেনার কথা মাথায় রেখে হুদুদ অধ্যাদেশ প্রণয়ন করে। এই অধ্যাদেশের আওতাবলে জেনা বা ধর্ষণ বা ব্যভিচারকে রাষ্ট্রের বিরম্নদ্ধে অপরাধ হিসাবে গণ্য করা হয়। বিবাহবহির্ভূত যেকোনও ধরনের যৌন সম্পর্ক জেনা হিসাবে পরিগণিত। এই অধ্যাদেশে ধর্ষণ ঘটনার চারজন পুরম্নষ সাড়্গী থাকতে হবে। যারা সমাজে ভালো মুসলমান হিসাবে পরিচিত। বোঝাই যাচ্ছে, এই আইনের আওতায় বৈষম্যের শিকার নারী। ধর্ষণের অভিযোগ উত্থাপনের পর চারজন সাড়্গী হাজির না করতে পারলে একজন নারী অপরাধী হিসাবে প্রমাণিত হবে। তাকে এর সাজা ভোগ করতে হবে। এমনকি মৃত্যু পর্যনত্ম পাথরখ- বা দোর্রা মারার শাসিত্মও তার জন্য বরাদ্দ। জেল-জরিমানা তো আছেই। এ রকম হাজারো দৃষ্টানত্ম আছে সেখানে।
হুদুদ অধ্যাদেশ অনুসারে পুরম্নষকে তখনই ধর্ষণ ঘটনায় অভিযুক্ত করা যাবে, ধর্ষণের শিকার নারীর ইচ্ছার বিরম্নদ্ধে, নারীর সম্মতি ছাড়া যৌন সম্পর্ক স্থাপন করলে, আঘাত বা মৃত্যুর ভয় দেখিয়ে সম্মতি আদায় করে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করলে, ধর্ষক যদি জানে যে ধর্ষণের শিকার নারীর সঙ্গে তার কোনও বৈবাহিক সম্পর্ক নেই, চৌদ্দ বছরে নিচে কোনও নারীর সম্মতিসহ বা ছাড়া যৌন সম্পর্ক স্থাপন করলে। পুরম্নষশাসিত পাকিসত্মান সমাজে আইন তৈরি হয়েছে নারীকে বঞ্চিত রেখে, পুরম্নষের সুবিধার কথা বিবেচনায় রেখে।
এই অধ্যাদেশে দেখা যায়, একজন পুরম্নষ তার স্ত্রীর সঙ্গে জোরপূর্বক যৌন সম্পর্ক স্থাপন করলে তা ধর্ষণ হিসাবে বিবেচিত হবে না। পুরম্নষকে আরেকবার রাষ্ট্রীয়ভাবে ধর্ষণের অধিকার দেওয়া হয় এই আইনে। ফলে পাকিসত্মানের পরিবারগুলোতে প্রতিদিন শত শত নারী ধর্ষিত হচ্ছে স্বামীর হাতে।
পাকিসত্মানের সামাজিক প্রায় সব সত্মরে পাল্টাধর্ষণের বা সম্মান রড়্গার্থে ধর্ষণের ঘটনা কার্যত স্বীকৃত বা বৈধ। এখানে দেখা যায়, কোনও একজনের বিরম্নদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ উঠলে তার বংশের কাউকে ধর্ষণের বলি হতে হয়। এতে প্রথম পর্যায়ে ধর্ষণের শিকার সেই নারী ও তার বংশের সম্মান রড়্গা হয়। এ রকম ঘটনাই ঘটেছে মুখতার মাইয়ের ড়্গেত্রে। পাকিসত্মানের উঁচু তলা থেকে চুইয়ে পড়া মূল্যবোধের প্রতিফলন দেখা যায় পাকিসত্মানের সামাজিক সত্মরে। রাষ্ট্রীয়ভাবে প্রণীত নারীর জন্য অবমাননাকর আইনের বলি মুখতার মাইয়ের মতো পাকিসত্মানের হাজারো নারী। পরবর্তীকালে প্রতিরোধের মুখে হুদুদ অধ্যাদেশের কিছুটা পরিবর্তন করা হয়। চারজন সাড়্গীর পরিবর্তে দুজন সাড়্গীর আইন করা হয়। কিন' নারী-পুরম্নষ বৈষম্য থেকেই যায়।
পাকিসত্মানের মানবাধিকার কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, ২০০৪ সালে সেখানে ১শ ৫১টা গণধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। ১শ ৭৬ জন নারীর মৃত্যু হয়েছে ‘সম্মান রড়্গার্থে ধর্ষণ’ বা পাল্টাধর্ষণের ঘটনায়। একই বছর হুদুদ আইন অনুযায়ী পাকিসত্মানে ৩ হাজার ৮শ ১৭টি জেনার মামলা হয়েছে। এগুলোর মধ্যে ৮শ মামলার চূড়ানত্ম রায় পাওয়া গেছে। মামলাগুলোয় আসামি প্রধানত নারীরা। গুরম্নত্বপূর্ণ তথ্য হলো, ১৯৭৯ থেকে ১৯৮৮ সাল পর্যনত্ম জেনার দায়ে নারীর জেলে যাওয়ার ঘটনা তিনগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। বোঝাই যাচ্ছে, ১৯৭৯ সালের প্রণীত হুদুদ অধ্যাদেশের খড়গের শিকার প্রধানত নারীরা।
পরিবারের একজন নারী বাবার অমতে বিয়ে করলে মেয়ের বিরম্নদ্ধে সহজেই জেনার অভিযোগ আনতে পারেন বাবা। হুমায়রা ও মাহমুদের ঘটনাটা এই রকম। বাবার অমতে মাহমুদকে বিয়ে করলে হুমায়রার বিরম্নদ্ধে জেনার অভিযোগ দায়ের করেন বাবা। ঘটনাক্রমে ব্যাপারটা লাহোর উচ্চ আদালত পর্যনত্ম গড়ায়। আদালত তাদের বিয়ে বৈধ ঘোষণা করে। পাকিসত্মানের নারী আইনজীবী হিনা জিলানি জানান, নারী অধিকার সংগঠন সেখানে না পৌঁছলে হুমায়রার অবস্থা খারাপ হতো। এ রকম শত শত ঘটনা পাকিসত্মানে সামাজিক পর্যায়ে প্রতিদিনই ঘটছে। ঘটনাগুলো প্রধান গণমাধ্যমে বা নারী অধিকার সংগঠনগুলোতে কখনই পৌঁছায় না।
ভারতে ধর্ষণের হিসাব
২০০৭ সালে ধর্ষণ মামলার সংখ্যা ২০,৭৩৭
২০০৬ সালের তুলনায় এই সংখ্যা ৭.২ ভাগ বেশি।
নারী নিপীড়ন ঘটনায় ১১ ভাগ ধর্ষণজনিত।
শিশু নিপীড়নের ২৫ ভাগ ড়্গেত্রেই রয়েছে ধর্ষণ।
৬৮ ভাগ ড়্গেত্রে পুলিশ ধর্ষণকারীকে শনাক্ত করলেও বিচারে সাজা হয়েছে ১৮ ভাগের।
(source: http://www.shaptahik2000.com.bd/news_dtls.asp?Code=1187&NTID=52)

to Raihankhan
ভাইজান আপনার লেখা নিচের লাইনটার মানে একটু বুঝিয়ে দিবেন কি;
এই যেমন ধরুন, ভারতের বিরুদ্বে বললেই কিন্বা BAL মনা না হলেই সে রাজাকার, পাকিমনা, জামায়াত.... আরো কত কি!!!আর এটা সব BAL- supporters দের জন্মগত বৈশিষ্ঠ্য।
আওয়ামী লীগের কাউকেতো কনোদিন তারেক জিয়া, খালেদা জিয়া, দেলোয়ার বা বি,এন,পি এর কোন নেতাকে রাজাকার বলতে দেখি না বা শুনিনা।
আর তাছাড়া আপনাকে কেউ রাজাকার, পাকিমনা, জামায়াত বললে তো লজ্জ্বা পাওয়ার মত কিছু নাই, তাই না। কারণ রাজাকার, পাকিমনা, জামায়াত রা তো খারাপ মানুষ না, তারা তো আমাদের দেশের গর্বের সন্তান---তাই না ?????????
পাকিস্থানি পাকিবাবু
ফাকিস্তানিরা আমার দেখা পৃথিবীর সবচেয়ে ধুরন্ধর আর নীচু মানসিকতার জাতি। জাতি হিসেবে এদের দৌড় বেশী দূর না। কিন্তু দাদাবাবুরা আমাদের সরাসরি ক্ষতির কারন হওয়ায় তাদের নিয়ে বেশী লেখা হয়। পাকিস্তানিরা যা করার ১৯৭১ সালে করে দিয়ে গেছে। ওদের অধ্যায় শেষ। বার্তমানে দাদাবাবুদের শোষন থেকে বাঁচার জন্য আমাদের লড়াই করে যেতে হবে। যার যা সামর্থ আছে তা নিয়ে প্রতিবাদ করে যেতে হবে। প্রোয়জনে সশস্ত্র সংগ্রাম করতে হবে।
ভারতের বিরুদ্বে বললেই কিন্বা BAL মনা না হলেই.......
একই জিনিষ বারবার শুনতে খারাপ লাগলেও অনেক সময় বলতে হয়। এই যেমন ধরুন, ভারতের বিরুদ্বে বললেই কিন্বা BAL মনা না হলেই সে রাজাকার, পাকিমনা, জামায়াত.... আরো কত কি!!!আর এটা সব BAL- supporters দের জন্মগত বৈশিষ্ঠ্য। সৌন্দর্যের লীলাভুমি খ্যাত সুইজারল্যান্ডে দীর্ঘদিন বসবাস করলেও যে শৈশবকালের মনমানসিকতার পরিবর্তন হয় না তার জলজ্যান্ত প্রমান হাছান ইমাম খান সাহেব। আমি কেন দাদা-বাবুদের নিয়ে হেডিং করলাম এর মমার্থ হাছান ইমাম খান সাহেবের বুদ্বিদীপ্ত(!) মস্তিকে ধারন করে নি। উনি কি মুল article-এর সুচনাটা পড়ে দেখেছেন? যেখানে.." ভারতে ধর্ষণ এক ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। বছরে ২০ হাজারের বেশি ধর্ষণের ঘটনা ঘটে সেখানে। নারীদের জন্য সবচেয়ে বিপজ্জনক দেশগুলোর অন্যতম এখন ভারত। ধর্ষিত নারীদের ৫০ শতাংশেরই বয়স ১৮ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে। ধর্ষণের ঘটনার ৯২ শতাংশ ড়্গেত্রেই ধর্ষক ধর্ষিতের পরিচিত। ধর্ষণের নিরিখে দড়্গিণ আফ্রিকা ও যুক্তরাষ্ট্রের পরেই এখন ভারতের স্থান...।"
আর পাকিদের ব্যাপারে দুর্বলতা থাকলে তাহলে মুল প্রবন্ধ থেকে পাকিস্তানের বিষয়বস্তু blackout করে এই ফোরামে post করলে প্রবন্ধের মুল আবেদনের একটুও ঘাটতি হোত না।
পড়াশুনা, গবেষনা, কার্যপোলক্ষে বিভিন্ন দেশে বিভিন্ন ভাষা-ভাষীর সাথে দীর্ঘদিন মেলামেশার অভিগ্ঞতার আলোকে আমার এই পোষ্টের topic-এর শুরুতে দাদা-বাবুদের ক্ষেত্রে যে বিশেষনগুলো ব্যবহার করেছি তার মুল্যায়নের ভার সবার(blind BAL supporters ছাড়া) উপর ছেড়ে দিলাম।
“ If I could be useful to another human being, even for a day, that would be a great thing. It would be greater than all the big thoughts I could have at the university. ” ~ Dr. Muhammad Yunus
শত ধর্যক মানিকের বিচার চাই
শত ধর্যক মানিকের বিচার চাই বলে একটি গ্রুপ আছে। গ্রুপে যোগ দিন, এবং মানিকের বিচারের জন্য দাবী জানায়।
http://www.facebook.com/home.php?ref=home#/group.php?gid=86487997930
ধর্ষন এবং বাংলাদেশ
বাংলাদেশে ধর্ষন একটি প্রথান সামাজিক অপরাধ। ধর্ষিত মেয়েটির জীবন আর আগের মত থাকে না। নিরপরাধ হবার সত্ত্বেও মেয়েটির জ়ীবন শেষ হয়ে যেয়। ধর্ষনে সেঞ্ছুরি করে এক সময় পার্টি দেওয়া হত। তাই বাংলাদেশও এ পরিস্তিতির বাহিরে নয়।
দাদাবাবুদের সাথে পাকিবাবুদের পরিসংখ্যন ও আছে...।
জনাব রায়হান খান সাহেবের পোষ্টকৃত ফিচারে দাদাবাবুদের পাশবিকতার সাথে সাথে পাকিবাবুদের কিছু বৈশিষ্ট এখানে উল্লেখিত হলেও পোষ্টটির ব্যানার হেডিং এর ব্যাবহারিত বিদ্বেষ থেকে রহস্যজনক ভাবেই পাকিবাবুরা মুক্ত। পাকিমনাদের জয় হোক।
হাসান ইমাম খান,
সুইজারল্যান্ড।